সুনানে আবু দাউদ > কোন মুসলিম কি কাফিরের ওয়ারিস হবে
সুনানে আবু দাউদ ২৯০৯
حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يرث المسلم الكافر ولا الكافر المسلم " .
উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মুসলিম ব্যক্তি কাফিরের এবং কাফির ব্যক্তি মুসলিমের উত্তরাধিকারী হবে না।
উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, মুসলিম ব্যক্তি কাফিরের এবং কাফির ব্যক্তি মুসলিমের উত্তরাধিকারী হবে না।
حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يرث المسلم الكافر ولا الكافر المسلم " .
সুনানে আবু দাউদ ২৯১১
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن حبيب المعلم، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يتوارث أهل ملتين شتى " .
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দুটি ভিন্ন ধর্মের লোক পরস্পরের ওয়ারিস হয় না।
'আবদুল্লাহ ইবনু 'আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, দুটি ভিন্ন ধর্মের লোক পরস্পরের ওয়ারিস হয় না।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن حبيب المعلم، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يتوارث أهل ملتين شتى " .
সুনানে আবু দাউদ ২৯১২
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عمرو بن أبي حكيم الواسطي، حدثنا عبد الله بن بريدة، أن أخوين، اختصما إلى يحيى بن يعمر يهودي ومسلم فورث المسلم منهما وقال حدثني أبو الأسود أن رجلا حدثه أن معاذا حدثه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " الإسلام يزيد ولا ينقص " . فورث المسلم .
'আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার দুই সহোদর ভাই তাদের উত্তরাধিকারিত্ব নিয়ে ইয়াহইয়া ইবনু ইয়া'মুরের সম্মুখে ঝগড়ায় লিপ্ত হলো। তাদের পিতা ইয়াহুদী অবস্থায় মারা যায়। তাদের একজন ছিল মুসলিম, অপরজন ইয়াহুদী। অতঃপর তিনি (মু'আয) মুসলিম ব্যক্তিকেও উত্তরাধিকারী করলেন। তিনি বললেন, আবুল আসওয়াদ আমাকে জানান যে, এক ব্যক্তি তাকে বলেছেন, মু'আয (রাঃ) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, ইসলাম বৃদ্ধি করে, কমায় না। তারপর মুসলিম ব্যক্তিকে উত্তরাধিকারী করেন। দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি'উস সাগীর (২২৮২)
'আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একবার দুই সহোদর ভাই তাদের উত্তরাধিকারিত্ব নিয়ে ইয়াহইয়া ইবনু ইয়া'মুরের সম্মুখে ঝগড়ায় লিপ্ত হলো। তাদের পিতা ইয়াহুদী অবস্থায় মারা যায়। তাদের একজন ছিল মুসলিম, অপরজন ইয়াহুদী। অতঃপর তিনি (মু'আয) মুসলিম ব্যক্তিকেও উত্তরাধিকারী করলেন। তিনি বললেন, আবুল আসওয়াদ আমাকে জানান যে, এক ব্যক্তি তাকে বলেছেন, মু'আয (রাঃ) বলেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, ইসলাম বৃদ্ধি করে, কমায় না। তারপর মুসলিম ব্যক্তিকে উত্তরাধিকারী করেন। দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি'উস সাগীর (২২৮২)
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عمرو بن أبي حكيم الواسطي، حدثنا عبد الله بن بريدة، أن أخوين، اختصما إلى يحيى بن يعمر يهودي ومسلم فورث المسلم منهما وقال حدثني أبو الأسود أن رجلا حدثه أن معاذا حدثه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " الإسلام يزيد ولا ينقص " . فورث المسلم .
সুনানে আবু দাউদ ২৯১৩
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن شعبة، عن عمرو بن أبي حكيم، عن عبد الله بن بريدة، عن يحيى بن يعمر، عن أبي الأسود الديلي، أن معاذا، أتي بميراث يهودي وارثه مسلم بمعناه عن النبي صلى الله عليه وسلم .
আবুল আসওয়াদ আদ-দীলী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহুদীর পরিত্যক্ত সম্পদে ওয়ারিস হওয়ার বিষয়ে তার মুসলিম উত্তরাধিকারী মু'আযের (রাঃ) নিকট আসে... এরপর উপরের হাদীসের অনুরূপ মারফুভাবে।
আবুল আসওয়াদ আদ-দীলী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ইয়াহুদীর পরিত্যক্ত সম্পদে ওয়ারিস হওয়ার বিষয়ে তার মুসলিম উত্তরাধিকারী মু'আযের (রাঃ) নিকট আসে... এরপর উপরের হাদীসের অনুরূপ মারফুভাবে।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن شعبة، عن عمرو بن أبي حكيم، عن عبد الله بن بريدة، عن يحيى بن يعمر، عن أبي الأسود الديلي، أن معاذا، أتي بميراث يهودي وارثه مسلم بمعناه عن النبي صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ২৯১০
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيد، قال قلت يا رسول الله أين تنزل غدا في حجته . قال " وهل ترك لنا عقيل منزلا " . ثم قال " نحن نازلون بخيف بني كنانة حيث تقاسمت قريش على الكفر " . يعني المحصب وذاك أن بني كنانة حالفت قريشا على بني هاشم أن لا يناكحوهم ولا يبايعوهم ولا يئووهم . قال الزهري والخيف الوادي .
উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে হাজ্জে যাওয়ার পথে জিজ্ঞেস করি, হে আল্লাহর রাসূল! আগামীকাল সকালে কোথায় নামবেন? তিনি বললেন, আক্বীল কি আমাদের জন্য কোনো মনযিল অবশিষ্ট রেখেছে? পুনরায় তিনি বললেন, আমরা বনী কিনানাহর উপত্যকায় অবতরণ করবো; যেখানে বসে কুরাইশরা কুফরীর উপর অটল থাকার শপথ করেছিল- অর্থাৎ আল-মুহাস্সাব নামক জায়গায়। এখানেই বনী কিনানাহর লোকজন কুরাইশদেরকে বনী হাশিম গোত্রের বিরূদ্ধে ওয়াদাবদ্ধ করেছিল যে, তারা হাশিম গোত্রের সাথে কোনরূপ বৈবাহিক সম্পর্ক গড়বে না, তাদের সাথে ব্যবসা করবে না এবং তাদেরকে কোনরূপ সহযোগিতা করবে না।
উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে হাজ্জে যাওয়ার পথে জিজ্ঞেস করি, হে আল্লাহর রাসূল! আগামীকাল সকালে কোথায় নামবেন? তিনি বললেন, আক্বীল কি আমাদের জন্য কোনো মনযিল অবশিষ্ট রেখেছে? পুনরায় তিনি বললেন, আমরা বনী কিনানাহর উপত্যকায় অবতরণ করবো; যেখানে বসে কুরাইশরা কুফরীর উপর অটল থাকার শপথ করেছিল- অর্থাৎ আল-মুহাস্সাব নামক জায়গায়। এখানেই বনী কিনানাহর লোকজন কুরাইশদেরকে বনী হাশিম গোত্রের বিরূদ্ধে ওয়াদাবদ্ধ করেছিল যে, তারা হাশিম গোত্রের সাথে কোনরূপ বৈবাহিক সম্পর্ক গড়বে না, তাদের সাথে ব্যবসা করবে না এবং তাদেরকে কোনরূপ সহযোগিতা করবে না।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن علي بن حسين، عن عمرو بن عثمان، عن أسامة بن زيد، قال قلت يا رسول الله أين تنزل غدا في حجته . قال " وهل ترك لنا عقيل منزلا " . ثم قال " نحن نازلون بخيف بني كنانة حيث تقاسمت قريش على الكفر " . يعني المحصب وذاك أن بني كنانة حالفت قريشا على بني هاشم أن لا يناكحوهم ولا يبايعوهم ولا يئووهم . قال الزهري والخيف الوادي .
সুনানে আবু দাউদ > মৃতের মীরাস বন্টনের পূর্বে কোনো ওয়ারিস মুসলিম হলে
সুনানে আবু দাউদ ২৯১৪
حدثنا حجاج بن أبي يعقوب، حدثنا موسى بن داود، حدثنا محمد بن مسلم، عن عمرو بن دينار، عن أبي الشعثاء، عن ابن عباس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " كل قسم قسم في الجاهلية فهو على ما قسم له وكل قسم أدركه الإسلام فهو على قسم الإسلام " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জাহিলী যুগে যে মীরাস বণ্টিত হয়েছে তা যার জন্য বণ্টিত হয়েছে তারই থাকবে। আর যে সম্পদ ইসলামী যুগে বণ্টন হবে তা ইসলামী নীতি অনুসারে বণ্টিত হবে।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, জাহিলী যুগে যে মীরাস বণ্টিত হয়েছে তা যার জন্য বণ্টিত হয়েছে তারই থাকবে। আর যে সম্পদ ইসলামী যুগে বণ্টন হবে তা ইসলামী নীতি অনুসারে বণ্টিত হবে।
حدثنا حجاج بن أبي يعقوب، حدثنا موسى بن داود، حدثنا محمد بن مسلم، عن عمرو بن دينار، عن أبي الشعثاء، عن ابن عباس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " كل قسم قسم في الجاهلية فهو على ما قسم له وكل قسم أدركه الإسلام فهو على قسم الإسلام " .
সুনানে আবু দাউদ > ওয়ালাআ (আযাদকৃত গোলামের পরিত্যক্ত মাল)
সুনানে আবু দাউদ ২৯১৫
حدثنا قتيبة بن سعيد، قال قرئ على مالك وأنا حاضر، قال مالك عرض على نافع عن ابن عمر، أن عائشة، رضى الله عنها أم المؤمنين أرادت أن تشتري جارية تعتقها فقال أهلها نبيعكها على أن ولاءها لنا . فذكرت عائشة ذاك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " لا يمنعك ذلك فإن الولاء لمن أعتق " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মুল মু'মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ) মুক্ত করার জন্য একটি দাসী কেনার ইচ্ছা করলেন। বাঁদীর মালিক বললো, আমরা তাকে আপনার নিকট এ শর্তে বিক্রি করতে পারি যে, তার ‘ওয়ালাআ’ (মৃত্যুর পর পরিত্যক্ত সম্পদের মালিক) আমরা হবো। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উত্থাপন করলে তিনি বলেন, সে তোমাকে এর থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না। কারণ দাসীর সম্পদের মালিক তার মুক্তকারী হবে।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উম্মুল মু'মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ) মুক্ত করার জন্য একটি দাসী কেনার ইচ্ছা করলেন। বাঁদীর মালিক বললো, আমরা তাকে আপনার নিকট এ শর্তে বিক্রি করতে পারি যে, তার ‘ওয়ালাআ’ (মৃত্যুর পর পরিত্যক্ত সম্পদের মালিক) আমরা হবো। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উত্থাপন করলে তিনি বলেন, সে তোমাকে এর থেকে বঞ্চিত করতে পারবে না। কারণ দাসীর সম্পদের মালিক তার মুক্তকারী হবে।
حدثنا قتيبة بن سعيد، قال قرئ على مالك وأنا حاضر، قال مالك عرض على نافع عن ابن عمر، أن عائشة، رضى الله عنها أم المؤمنين أرادت أن تشتري جارية تعتقها فقال أهلها نبيعكها على أن ولاءها لنا . فذكرت عائشة ذاك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " لا يمنعك ذلك فإن الولاء لمن أعتق " .
সুনানে আবু দাউদ ২৯১৬
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع بن الجراح، عن سفيان الثوري، عن منصور، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الولاء لمن أعطى الثمن وولي النعمة " .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুক্তদাসের পরিত্যক্ত সম্পদ ঐ ব্যক্তি পাবে যে মূল্য পরিশোধ করেছে এবং সদয় ব্যবহার করেছে।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুক্তদাসের পরিত্যক্ত সম্পদ ঐ ব্যক্তি পাবে যে মূল্য পরিশোধ করেছে এবং সদয় ব্যবহার করেছে।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع بن الجراح، عن سفيان الثوري، عن منصور، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الولاء لمن أعطى الثمن وولي النعمة " .
সুনানে আবু দাউদ ২৯১৭
حدثنا عبد الله بن عمرو بن أبي الحجاج أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، عن حسين المعلم، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رئاب بن حذيفة، تزوج امرأة فولدت له ثلاثة غلمة فماتت أمهم فورثوها رباعها وولاء مواليها وكان عمرو بن العاص عصبة بنيها فأخرجهم إلى الشام فماتوا فقدم عمرو بن العاص ومات مولى لها وترك مالا له فخاصمه إخوتها إلى عمر بن الخطاب فقال عمر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما أحرز الولد أو الوالد فهو لعصبته من كان " . قال فكتب له كتابا فيه شهادة عبد الرحمن بن عوف وزيد بن ثابت ورجل آخر فلما استخلف عبد الملك اختصموا إلى هشام بن إسماعيل أو إلى إسماعيل بن هشام فرفعهم إلى عبد الملك فقال هذا من القضاء الذي ما كنت أراه . قال فقضى لنا بكتاب عمر بن الخطاب فنحن فيه إلى الساعة .
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রিয়াব ইবনু হুযাইফাহ জনৈক মহিলাকে বিবাহ করে এবং তার গর্ভে তিনটি সন্তান জন্ম হয়। অতঃপর তাদের মা মারা গেলে তারা তার পরিত্যক্ত বাড়ি ও আযাদকৃত দাসের সম্পদের উত্তরাধিকারী হয়। ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) ছিলেন তাদের আত্মীয়। পরবর্তী সময় তিনি তাদেরকে সিরিয়ায় প্রেরণ করেন। তারা সেখানে মৃত্যু বরণ করে। পরে ‘আমর ইবনুল ‘আস সেখানে যান। তখন ঐ মহিলার মুক্তদাস কিছু মালপত্র রেখে মারা যায়। মহিলার ভাইয়েরা ‘আমরের বিরুদ্ধে ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের (রাঃ) নিকট অভিযোগ করলে ‘উমার (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পিতা বা পুত্র যে ওয়ালাআ সঞ্চয় করলো সেগুলো তার আসাবা পাবে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) বলেন, ‘উমার (রাঃ) ‘আমরকে একটি রায় লিখেন। এতে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ, যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) ও অন্য এক লোক সাক্ষী হন। ‘আবদুল মালিক যখন (৬৮৫ খৃ.) খলীফা হলেন, তখন হিশাম ইবনু ইসমাঈল বা ইসমাঈল ইবনু হিশামের নিকট অনুরূপ একটি অভিযোগ করা হয়। তিনি বিষয়টি ‘আবদুল মালিকের নিকট পাঠিয়ে দেন। ‘আবদুল মালিক বলেন, আমার মনে হয় এর ফায়সালা ইতিপূর্বে আমার নজরে পড়েছে। তিনি বলেন, তিনি ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের (রাঃ) রায় অনুসারেই রায় দিলেন। আর সেই ওয়ালাআর সম্পত্তি এখনো আমাদের অধিকারে রয়েছে।
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রিয়াব ইবনু হুযাইফাহ জনৈক মহিলাকে বিবাহ করে এবং তার গর্ভে তিনটি সন্তান জন্ম হয়। অতঃপর তাদের মা মারা গেলে তারা তার পরিত্যক্ত বাড়ি ও আযাদকৃত দাসের সম্পদের উত্তরাধিকারী হয়। ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) ছিলেন তাদের আত্মীয়। পরবর্তী সময় তিনি তাদেরকে সিরিয়ায় প্রেরণ করেন। তারা সেখানে মৃত্যু বরণ করে। পরে ‘আমর ইবনুল ‘আস সেখানে যান। তখন ঐ মহিলার মুক্তদাস কিছু মালপত্র রেখে মারা যায়। মহিলার ভাইয়েরা ‘আমরের বিরুদ্ধে ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের (রাঃ) নিকট অভিযোগ করলে ‘উমার (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পিতা বা পুত্র যে ওয়ালাআ সঞ্চয় করলো সেগুলো তার আসাবা পাবে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) বলেন, ‘উমার (রাঃ) ‘আমরকে একটি রায় লিখেন। এতে ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ, যায়িদ ইবনু সাবিত (রাঃ) ও অন্য এক লোক সাক্ষী হন। ‘আবদুল মালিক যখন (৬৮৫ খৃ.) খলীফা হলেন, তখন হিশাম ইবনু ইসমাঈল বা ইসমাঈল ইবনু হিশামের নিকট অনুরূপ একটি অভিযোগ করা হয়। তিনি বিষয়টি ‘আবদুল মালিকের নিকট পাঠিয়ে দেন। ‘আবদুল মালিক বলেন, আমার মনে হয় এর ফায়সালা ইতিপূর্বে আমার নজরে পড়েছে। তিনি বলেন, তিনি ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের (রাঃ) রায় অনুসারেই রায় দিলেন। আর সেই ওয়ালাআর সম্পত্তি এখনো আমাদের অধিকারে রয়েছে।
حدثنا عبد الله بن عمرو بن أبي الحجاج أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، عن حسين المعلم، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رئاب بن حذيفة، تزوج امرأة فولدت له ثلاثة غلمة فماتت أمهم فورثوها رباعها وولاء مواليها وكان عمرو بن العاص عصبة بنيها فأخرجهم إلى الشام فماتوا فقدم عمرو بن العاص ومات مولى لها وترك مالا له فخاصمه إخوتها إلى عمر بن الخطاب فقال عمر قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما أحرز الولد أو الوالد فهو لعصبته من كان " . قال فكتب له كتابا فيه شهادة عبد الرحمن بن عوف وزيد بن ثابت ورجل آخر فلما استخلف عبد الملك اختصموا إلى هشام بن إسماعيل أو إلى إسماعيل بن هشام فرفعهم إلى عبد الملك فقال هذا من القضاء الذي ما كنت أراه . قال فقضى لنا بكتاب عمر بن الخطاب فنحن فيه إلى الساعة .
সুনানে আবু দাউদ > কেউ কারো হাতে ইসলাম গ্রহণ করলে
সুনানে আবু দাউদ ২৯১৮
حدثنا يزيد بن خالد بن موهب الرملي، وهشام بن عمار، قالا حدثنا يحيى، - قال أبو داود وهو ابن حمزة - عن عبد العزيز بن عمر، قال سمعت عبد الله بن موهب، يحدث عمر بن عبد العزيز عن قبيصة بن ذؤيب، - قال هشام عن تميم الداري، أنه قال يا رسول الله . وقال يزيد - إن تميما قال يا رسول الله ما السنة في الرجل يسلم على يدى الرجل من المسلمين قال " هو أولى الناس بمحياه ومماته " .
তামীম আদ-দারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (বর্ণনাকারী) ইয়াযীদের বর্ণনায় রয়েছে, হে আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), যে ব্যাক্তি কোন মুসলিমের হাতে ইসলাম কবুল করেছে তার ব্যাপারে কি বিধান? তিনি বললেনঃ ঐ মুসলিম ব্যাক্তি তার জীবন ও মরণে ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
তামীম আদ-দারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (বর্ণনাকারী) ইয়াযীদের বর্ণনায় রয়েছে, হে আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), যে ব্যাক্তি কোন মুসলিমের হাতে ইসলাম কবুল করেছে তার ব্যাপারে কি বিধান? তিনি বললেনঃ ঐ মুসলিম ব্যাক্তি তার জীবন ও মরণে ঘনিষ্ঠ বন্ধু।
حدثنا يزيد بن خالد بن موهب الرملي، وهشام بن عمار، قالا حدثنا يحيى، - قال أبو داود وهو ابن حمزة - عن عبد العزيز بن عمر، قال سمعت عبد الله بن موهب، يحدث عمر بن عبد العزيز عن قبيصة بن ذؤيب، - قال هشام عن تميم الداري، أنه قال يا رسول الله . وقال يزيد - إن تميما قال يا رسول الله ما السنة في الرجل يسلم على يدى الرجل من المسلمين قال " هو أولى الناس بمحياه ومماته " .