সুনানে আবু দাউদ > কালালাহ (পিতৃহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি) সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ২৮৮৬
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا سفيان، قال سمعت ابن المنكدر، أنه سمع جابرا، يقول مرضت فأتاني النبي صلى الله عليه وسلم يعودني هو وأبو بكر ماشيين وقد أغمي على فلم أكلمه فتوضأ وصبه على فأفقت فقلت يا رسول الله كيف أصنع في مالي ولي أخوات قال فنزلت آية المواريث { يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة } .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে আমাকে দেখার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং আবূ বকর (রাঃ) পায়ে হেঁটে উপস্থিত হলেন। তখন আমি বেহুঁশ থাকায় তাঁর সাথে কথা বলতে পারিনি। তিনি উযু করলেন এবং তাঁর উযুর পানি আমার গায়ে ছিটিয়ে দিলেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেয়ে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার সম্পত্তি কি করবো? আমার শুধু কয়েকটি বোন আছে। জাবির (রাঃ) বলেন, অতঃপর উত্তরাধিকার সম্পর্কিত আয়াত অবর্তীর্ণ হলোঃ “লোকেরা তোমার কাছে ফাতাওয়াহ্ জিজ্ঞেস করে। বলো, আল্লাহ তোমাদের কালালাহ সম্পর্কের ফাতাওয়াহ্ দিচ্ছেন...” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১৭৬)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে আমাকে দেখার জন্য নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং আবূ বকর (রাঃ) পায়ে হেঁটে উপস্থিত হলেন। তখন আমি বেহুঁশ থাকায় তাঁর সাথে কথা বলতে পারিনি। তিনি উযু করলেন এবং তাঁর উযুর পানি আমার গায়ে ছিটিয়ে দিলেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেয়ে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমার সম্পত্তি কি করবো? আমার শুধু কয়েকটি বোন আছে। জাবির (রাঃ) বলেন, অতঃপর উত্তরাধিকার সম্পর্কিত আয়াত অবর্তীর্ণ হলোঃ “লোকেরা তোমার কাছে ফাতাওয়াহ্ জিজ্ঞেস করে। বলো, আল্লাহ তোমাদের কালালাহ সম্পর্কের ফাতাওয়াহ্ দিচ্ছেন...” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১৭৬)
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا سفيان، قال سمعت ابن المنكدر، أنه سمع جابرا، يقول مرضت فأتاني النبي صلى الله عليه وسلم يعودني هو وأبو بكر ماشيين وقد أغمي على فلم أكلمه فتوضأ وصبه على فأفقت فقلت يا رسول الله كيف أصنع في مالي ولي أخوات قال فنزلت آية المواريث { يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة } .
সুনানে আবু দাউদ > যার সন্তান নেই কিন্তু বোন আছে
সুনানে আবু দাউদ ২৮৮৯
حدثنا منصور بن أبي مزاحم، حدثنا أبو بكر، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله يستفتونك في الكلالة فما الكلالة قال " تجزيك آية الصيف " . فقلت لأبي إسحاق هو من مات ولم يدع ولدا ولا والدا قال كذلك ظنوا أنه كذلك .
আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! “লোকেরা তোমাকে কালালাহ সম্পর্কে ফাতাওয়াহ জিজ্ঞেস করে।” কালালাহ কি? তিনি বললেনঃ যে আয়াত গরমকালে অবতীর্ণ হয়েছে তাই তোমার জন্য যথেষ্ট (অর্থাৎ সূরাহ আন-নিসার ১৭৬ নং আয়াত)। আমি আবূ ইসহাক্বকে বলি, ‘কালালাহ’ ঐ ব্যক্তিকে বলা হয়, যে সন্তানহীন অবস্থায় মারা যায়। তিনি বললেন, হাঁ, লোকদের ধারণা এরুপই।
আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! “লোকেরা তোমাকে কালালাহ সম্পর্কে ফাতাওয়াহ জিজ্ঞেস করে।” কালালাহ কি? তিনি বললেনঃ যে আয়াত গরমকালে অবতীর্ণ হয়েছে তাই তোমার জন্য যথেষ্ট (অর্থাৎ সূরাহ আন-নিসার ১৭৬ নং আয়াত)। আমি আবূ ইসহাক্বকে বলি, ‘কালালাহ’ ঐ ব্যক্তিকে বলা হয়, যে সন্তানহীন অবস্থায় মারা যায়। তিনি বললেন, হাঁ, লোকদের ধারণা এরুপই।
حدثنا منصور بن أبي مزاحم، حدثنا أبو بكر، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله يستفتونك في الكلالة فما الكلالة قال " تجزيك آية الصيف " . فقلت لأبي إسحاق هو من مات ولم يدع ولدا ولا والدا قال كذلك ظنوا أنه كذلك .
সুনানে আবু দাউদ ২৮৮৮
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال آخر آية نزلت في الكلالة { يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة } .
আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘কালালাহ’ সম্পর্কিত আয়াত সবশেষে অবতীর্ণ হয়ঃ “লোকেরা তোমার কাছে ফাতাওয়াহ্ জিজ্ঞেস করে। বলো, আল্লাহ তোমাদের কালালাহ সম্পর্কের ফাতাওয়াহ্ দিচ্ছেন…” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১৭৬)।
আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘কালালাহ’ সম্পর্কিত আয়াত সবশেষে অবতীর্ণ হয়ঃ “লোকেরা তোমার কাছে ফাতাওয়াহ্ জিজ্ঞেস করে। বলো, আল্লাহ তোমাদের কালালাহ সম্পর্কের ফাতাওয়াহ্ দিচ্ছেন…” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১৭৬)।
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال آخر آية نزلت في الكلالة { يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة } .
সুনানে আবু দাউদ ২৮৮৭
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا كثير بن هشام، حدثنا هشام، - يعني الدستوائي - عن أبي الزبير، عن جابر، قال اشتكيت وعندي سبع أخوات فدخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فنفخ في وجهي فأفقت فقلت يا رسول الله ألا أوصي لأخواتي بالثلث قال " أحسن " . قلت الشطر قال " أحسن " . ثم خرج وتركني فقال " يا جابر لا أراك ميتا من وجعك هذا وإن الله قد أنزل فبين الذي لأخواتك فجعل لهن الثلثين " . قال فكان جابر يقول أنزلت هذه الآية في { يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة } .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। তখন আমার অধীনে আমার সাতটি বোন ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখতে আসলেন। তিনি আমার মুখমন্ডলে ফুঁ দিলেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেয়ে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার বোনদের জন্য আমার সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ ওসিয়াত করবো কি? তিনি বললেনঃ তাদের প্রতি অনুগ্রহ করো। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক? তিনি বললেনঃ তাদেরকে অনুগ্রহ করো। আমাকে ছেড়ে চলে যাবার সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে জাবির! এ রোগে তুমি মারা যাবে বলে মনে হচ্ছে না। মহান আল্লাহ আয়াত অবতীর্ণ করেছেন এবং তোমার বোনদের বিষয়টি সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি তাদের জন্য তোমার সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ নির্ধারণ করেছেন। অধস্তন বর্ণনাকারী বলেন, জাবির (রাঃ) বলতেন, আমার ব্যাপারে এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “লোকেরা তোমার কাছে ফাতাওয়াহ্ জিজ্ঞেস করে। বলো, আল্লাহ তোমাদের কালালাহ সম্পর্কের ফাতাওয়াহ্ দিচ্ছেন…” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১৭৬)।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। তখন আমার অধীনে আমার সাতটি বোন ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে দেখতে আসলেন। তিনি আমার মুখমন্ডলে ফুঁ দিলেন। আমি জ্ঞান ফিরে পেয়ে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার বোনদের জন্য আমার সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ ওসিয়াত করবো কি? তিনি বললেনঃ তাদের প্রতি অনুগ্রহ করো। আমি বললাম, তাহলে অর্ধেক? তিনি বললেনঃ তাদেরকে অনুগ্রহ করো। আমাকে ছেড়ে চলে যাবার সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে জাবির! এ রোগে তুমি মারা যাবে বলে মনে হচ্ছে না। মহান আল্লাহ আয়াত অবতীর্ণ করেছেন এবং তোমার বোনদের বিষয়টি সুস্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি তাদের জন্য তোমার সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ নির্ধারণ করেছেন। অধস্তন বর্ণনাকারী বলেন, জাবির (রাঃ) বলতেন, আমার ব্যাপারে এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “লোকেরা তোমার কাছে ফাতাওয়াহ্ জিজ্ঞেস করে। বলো, আল্লাহ তোমাদের কালালাহ সম্পর্কের ফাতাওয়াহ্ দিচ্ছেন…” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১৭৬)।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا كثير بن هشام، حدثنا هشام، - يعني الدستوائي - عن أبي الزبير، عن جابر، قال اشتكيت وعندي سبع أخوات فدخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فنفخ في وجهي فأفقت فقلت يا رسول الله ألا أوصي لأخواتي بالثلث قال " أحسن " . قلت الشطر قال " أحسن " . ثم خرج وتركني فقال " يا جابر لا أراك ميتا من وجعك هذا وإن الله قد أنزل فبين الذي لأخواتك فجعل لهن الثلثين " . قال فكان جابر يقول أنزلت هذه الآية في { يستفتونك قل الله يفتيكم في الكلالة } .
সুনানে আবু দাউদ > সহোদর ভাই-বোনের মীরাস
সুনানে আবু দাউদ ২৮৯৩
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، حدثني أبو حسان، عن الأسود بن يزيد، أن معاذ بن جبل، ورث أختا وابنة فجعل لكل واحدة منهما النصف وهو باليمن ونبي الله صلى الله عليه وسلم يومئذ حى .
আল-আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর নাবীর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জীবদ্দশায় মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) ইয়ামানে অবস্থানকালে এক বোন ও এক কন্যার প্রত্যেককে মৃতের সম্পত্তির অর্ধেক অর্ধেক প্রদান করেছেন।
আল-আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আল্লাহর নাবীর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জীবদ্দশায় মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) ইয়ামানে অবস্থানকালে এক বোন ও এক কন্যার প্রত্যেককে মৃতের সম্পত্তির অর্ধেক অর্ধেক প্রদান করেছেন।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، حدثني أبو حسان، عن الأسود بن يزيد، أن معاذ بن جبل، ورث أختا وابنة فجعل لكل واحدة منهما النصف وهو باليمن ونبي الله صلى الله عليه وسلم يومئذ حى .
সুনানে আবু দাউদ ২৮৯০
حدثنا عبد الله بن عامر بن زرارة، حدثنا علي بن مسهر، عن الأعمش، عن أبي قيس الأودي، عن هزيل بن شرحبيل الأودي، قال جاء رجل إلى أبي موسى الأشعري وسلمان بن ربيعة فسألهما عن ابنة وابنة ابن وأخت، لأب وأم فقالا لابنته النصف وللأخت من الأب والأم النصف ولم يورثا ابنة الابن شيئا وأت ابن مسعود فإنه سيتابعنا فأتاه الرجل فسأله وأخبره بقولهما فقال لقد ضللت إذا وما أنا من المهتدين ولكني سأقضي فيها بقضاء النبي صلى الله عليه وسلم لابنته النصف ولابنة الابن سهم تكملة الثلثين وما بقي فللأخت من الأب والأم .
হুযাইল ইবনু শুরাহবীল আল-আওদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) ও সালমান ইবনু রবী‘আহর (রাঃ) নিকট উপস্থিত হয়ে উভয়কে কন্যা, পুত্রের কন্যা ও সহোদর বোনের মীরাস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তারা উভয়ে বললেন, মৃতের কন্যা অর্ধেক পাবে এবং সহোদর বোন অর্ধেক পাবে। তারা পুত্রের কন্যা (নাতনীকে) উত্তরাধিকার করেননি। (তারা বললেন) তুমি ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-কে গিয়ে জিজ্ঞেস করতে পারো। হয়তো তিনিও এ ব্যাপারে আমাদের মতই বলবেন। লোকটি তার নিকট এসে প্রশ্ন করলো এবং তাকে তাদের কথাও জানালো। তিনি বললেন, (যদি ঐরুপ অভিমত সমর্থন করি) তবে তো আমি পথভ্রষ্ট হবো এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত থাকবো না। আমি এ বিষয়ে সেই ফায়সালাই দিবো যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দিয়েছেন। মেয়ে পাবে অর্ধেক এবং পুত্রের কন্যা (নাতনী) পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ যেন (উভয়টি মিলে) দুই-তৃতীয়াংশ পূর্ণ হয়। আর অবশিষ্ট (এক-তৃতীয়াংশ) অংশ পাবে সহোদর বোন।
হুযাইল ইবনু শুরাহবীল আল-আওদী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) ও সালমান ইবনু রবী‘আহর (রাঃ) নিকট উপস্থিত হয়ে উভয়কে কন্যা, পুত্রের কন্যা ও সহোদর বোনের মীরাস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তারা উভয়ে বললেন, মৃতের কন্যা অর্ধেক পাবে এবং সহোদর বোন অর্ধেক পাবে। তারা পুত্রের কন্যা (নাতনীকে) উত্তরাধিকার করেননি। (তারা বললেন) তুমি ইবনু মাসঊদ (রাঃ)-কে গিয়ে জিজ্ঞেস করতে পারো। হয়তো তিনিও এ ব্যাপারে আমাদের মতই বলবেন। লোকটি তার নিকট এসে প্রশ্ন করলো এবং তাকে তাদের কথাও জানালো। তিনি বললেন, (যদি ঐরুপ অভিমত সমর্থন করি) তবে তো আমি পথভ্রষ্ট হবো এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত থাকবো না। আমি এ বিষয়ে সেই ফায়সালাই দিবো যা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দিয়েছেন। মেয়ে পাবে অর্ধেক এবং পুত্রের কন্যা (নাতনী) পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ যেন (উভয়টি মিলে) দুই-তৃতীয়াংশ পূর্ণ হয়। আর অবশিষ্ট (এক-তৃতীয়াংশ) অংশ পাবে সহোদর বোন।
حدثنا عبد الله بن عامر بن زرارة، حدثنا علي بن مسهر، عن الأعمش، عن أبي قيس الأودي، عن هزيل بن شرحبيل الأودي، قال جاء رجل إلى أبي موسى الأشعري وسلمان بن ربيعة فسألهما عن ابنة وابنة ابن وأخت، لأب وأم فقالا لابنته النصف وللأخت من الأب والأم النصف ولم يورثا ابنة الابن شيئا وأت ابن مسعود فإنه سيتابعنا فأتاه الرجل فسأله وأخبره بقولهما فقال لقد ضللت إذا وما أنا من المهتدين ولكني سأقضي فيها بقضاء النبي صلى الله عليه وسلم لابنته النصف ولابنة الابن سهم تكملة الثلثين وما بقي فللأخت من الأب والأم .
সুনানে আবু দাউদ ২৮৯২
حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، أخبرني داود بن قيس، وغيره، من أهل العلم عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن جابر بن عبد الله، أن امرأة، سعد بن الربيع قالت يا رسول الله إن سعدا هلك وترك ابنتين . وساق نحوه قال أبو داود وهذا هو الصواب .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা‘দ ইবনুর রবী‘ (রাঃ) এর স্ত্রী বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সা‘দ (রাঃ) দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন এবং দু‘টি কন্যা সন্তান রেখে গেছেন। অতঃপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের অনুরুপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি অধিক সঠিক।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা‘দ ইবনুর রবী‘ (রাঃ) এর স্ত্রী বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সা‘দ (রাঃ) দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন এবং দু‘টি কন্যা সন্তান রেখে গেছেন। অতঃপর হাদীসের বাকী অংশ উপরের হাদীসের অনুরুপ। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি অধিক সঠিক।
حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، أخبرني داود بن قيس، وغيره، من أهل العلم عن عبد الله بن محمد بن عقيل، عن جابر بن عبد الله، أن امرأة، سعد بن الربيع قالت يا رسول الله إن سعدا هلك وترك ابنتين . وساق نحوه قال أبو داود وهذا هو الصواب .
সুনানে আবু দাউদ ২৮৯১
حدثنا مسدد، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا عبد الله بن محمد بن عقيل، عن جابر بن عبد الله، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى جئنا امرأة من الأنصار في الأسواق فجاءت المرأة بابنتين لها فقالت يا رسول الله هاتان بنتا ثابت بن قيس قتل معك يوم أحد وقد استفاء عمهما مالهما وميراثهما كله فلم يدع لهما مالا إلا أخذه فما ترى يا رسول الله فوالله لا تنكحان أبدا إلا ولهما مال . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقضي الله في ذلك " . قال ونزلت سورة النساء { يوصيكم الله في أولادكم } الآية . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ادعوا لي المرأة وصاحبها " . فقال لعمهما " أعطهما الثلثين وأعط أمهما الثمن وما بقي فلك " . قال أبو داود أخطأ بشر فيه إنما هما ابنتا سعد بن الربيع وثابت بن قيس قتل يوم اليمامة .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে বেরিয়ে আল-আসওয়াফ নামক স্থানে এক আনসারী মহিলার নিকট উপস্থিত হই। তখন ঐ মহিলা তার দু‘টি মেয়েকে নিয়ে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এরা সাবিত ইবনু ক্বায়িসের (রাঃ) কন্যা। তিনি আপনার সাথে উহুদ যুদ্ধে যোগদান করে শহীন হন। এদের চাচা এদের সমস্ত সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে এবং এদের জন্য কিছুই রাখেনি। হে আল্লাহর রাসূল! এ বিষয়ে আপনি কি বলেন? আল্লাহর শপথ! এদের সম্পত্তি না থাকলে এদেরকে বিবাহ দেয়া সম্ভব নয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএদের ফয়সালা আল্লাহই দিবেন। বর্ণনাকারী বলেন, ইতিমধ্যে সূরাহ আন-নিসার আয়াত অবতীর্ণ হলো: “তোমাদের সন্তানদের ব্যাপারে আল্লাহ তোমাদেরকে বিধান দিচ্ছেন….।” (আয়াত ১১-১৪)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: তোমরা ঐ মহিলা ও তার প্রতিপক্ষকে আমার নিকট ডেকে আনো। তিনি মেযে দু’টির চাচাকে বললেনঃসম্পত্তির তিন ভাগের দুই ভাগ এদেরকে দিয়ে দাও, এদের মাকে দাও আট ভাগের এক ভাগ এবং অবশিষ্ট সম্পদ তোমার। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, বর্ণনাকারী বিশর ভুল করেছেন। আসলে মেয়ে দু’টি সা‘দ ইবনুল রবী‘ (রাঃ) এর কন্যা। কারণ সাবিত ইবনু ক্বায়িস (রাঃ) শহীদ হন ইয়ামামার যুদ্ধে। হাসান: কিন্তু এতে সাবিত ইবনু ক্বায়িসের উল্লেখ করাটা ভুল। মাহফূয হলো সা‘দ ইবনু রাবী। যেমন নীচের হাদীসে রয়েছে।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে বেরিয়ে আল-আসওয়াফ নামক স্থানে এক আনসারী মহিলার নিকট উপস্থিত হই। তখন ঐ মহিলা তার দু‘টি মেয়েকে নিয়ে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এরা সাবিত ইবনু ক্বায়িসের (রাঃ) কন্যা। তিনি আপনার সাথে উহুদ যুদ্ধে যোগদান করে শহীন হন। এদের চাচা এদের সমস্ত সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে এবং এদের জন্য কিছুই রাখেনি। হে আল্লাহর রাসূল! এ বিষয়ে আপনি কি বলেন? আল্লাহর শপথ! এদের সম্পত্তি না থাকলে এদেরকে বিবাহ দেয়া সম্ভব নয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএদের ফয়সালা আল্লাহই দিবেন। বর্ণনাকারী বলেন, ইতিমধ্যে সূরাহ আন-নিসার আয়াত অবতীর্ণ হলো: “তোমাদের সন্তানদের ব্যাপারে আল্লাহ তোমাদেরকে বিধান দিচ্ছেন….।” (আয়াত ১১-১৪)। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: তোমরা ঐ মহিলা ও তার প্রতিপক্ষকে আমার নিকট ডেকে আনো। তিনি মেযে দু’টির চাচাকে বললেনঃসম্পত্তির তিন ভাগের দুই ভাগ এদেরকে দিয়ে দাও, এদের মাকে দাও আট ভাগের এক ভাগ এবং অবশিষ্ট সম্পদ তোমার। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, বর্ণনাকারী বিশর ভুল করেছেন। আসলে মেয়ে দু’টি সা‘দ ইবনুল রবী‘ (রাঃ) এর কন্যা। কারণ সাবিত ইবনু ক্বায়িস (রাঃ) শহীদ হন ইয়ামামার যুদ্ধে। হাসান: কিন্তু এতে সাবিত ইবনু ক্বায়িসের উল্লেখ করাটা ভুল। মাহফূয হলো সা‘দ ইবনু রাবী। যেমন নীচের হাদীসে রয়েছে।
حدثنا مسدد، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا عبد الله بن محمد بن عقيل، عن جابر بن عبد الله، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى جئنا امرأة من الأنصار في الأسواق فجاءت المرأة بابنتين لها فقالت يا رسول الله هاتان بنتا ثابت بن قيس قتل معك يوم أحد وقد استفاء عمهما مالهما وميراثهما كله فلم يدع لهما مالا إلا أخذه فما ترى يا رسول الله فوالله لا تنكحان أبدا إلا ولهما مال . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقضي الله في ذلك " . قال ونزلت سورة النساء { يوصيكم الله في أولادكم } الآية . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ادعوا لي المرأة وصاحبها " . فقال لعمهما " أعطهما الثلثين وأعط أمهما الثمن وما بقي فلك " . قال أبو داود أخطأ بشر فيه إنما هما ابنتا سعد بن الربيع وثابت بن قيس قتل يوم اليمامة .
সুনানে আবু দাউদ > দাদীর অংশ
সুনানে আবু দাউদ ২৮৯৪
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عثمان بن إسحاق بن خرشة، عن قبيصة بن ذؤيب، أنه قال جاءت الجدة إلى أبي بكر الصديق تسأله ميراثها فقال ما لك في كتاب الله تعالى شىء وما علمت لك في سنة نبي الله صلى الله عليه وسلم شيئا فارجعي حتى أسأل الناس . فسأل الناس فقال المغيرة بن شعبة حضرت رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطاها السدس . فقال أبو بكر هل معك غيرك فقام محمد بن مسلمة فقال مثل ما قال المغيرة بن شعبة فأنفذه لها أبو بكر ثم جاءت الجدة الأخرى إلى عمر بن الخطاب رضى الله عنه تسأله ميراثها فقال ما لك في كتاب الله تعالى شىء وما كان القضاء الذي قضي به إلا لغيرك وما أنا بزائد في الفرائض ولكن هو ذلك السدس فإن اجتمعتما فيه فهو بينكما وأيتكما خلت به فهو لها .
ক্বাবীসহ ইবনু যুয়াইব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা জনৈক মৃতের নানী আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) এর নিকট এসে তার মীরাস (প্রাপ্য) চাইলে তিনি বলেন, আল্লাহর কিতাবে তোমার কোন অংশ উল্লেখ নাই। আমার জানামতে আল্লাহর নাবীর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাতেও কিছু উল্লেখ নাই। সুতরাং এখন তুমি চলে যাও, এ বিষয়ে আমি লোকদেরকে জিজ্ঞেস করে দেখি। তিনি লোকদেরকে জিজ্ঞেস করলে আল মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি তাকে ছয় ভাগের-এক ভাগ প্রদান করেছেন। তিনি বললেন, ঐ সময়ে তোমার সাথে অন্য কেউ ছিল কি? আল-মুগীরাহ (রাঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) ছিলেন। অতঃপর তিনিও আল-মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ্র (রাঃ) অনুরুপ বললেন। আবূ বকর (রাঃ) তাকে ছয় ভাগের এক ভাগ প্রদানের নির্দেশ দিলেন। অতঃপর ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের (রাঃ) খিলাফতের সময় জনৈক দাদী এসে তার মীরাস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তোমার উত্তরাধিকার সম্পর্কে আল্লাহর কিতাবে কিছু উল্লেখ নাই। প্রথমে প্রদত্ত নির্দেশ নানীর ব্যাপারে ছিল। আর আমার নিজের পক্ষ হতে মীরাসের বিষয়ে বাড়াবাড়ি করা সম্ভব নয়। সুতরাং তুমিও এক-ষষ্ঠাংশের বেশি পাবে না। যদি তোমরা দাদী-নানী উভয়ে জীবিত থাকো তাহলে তা ঐ এক-ষষ্ঠাংশ তোমাদের উভয়ের মধ্যে (অর্ধেক করে) ভাগ করা হবে। আর যদি উভয়ের মধ্যে কোন একজন জীবিত থাকলে সে তা একাই পাবে। দুর্বল: যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (৩৭০/২১৯৭), ইরওয়া (১৬৮০), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৫৯৫/২৭২৪), মিশকাত (৩০৬১)।
ক্বাবীসহ ইবনু যুয়াইব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা জনৈক মৃতের নানী আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ) এর নিকট এসে তার মীরাস (প্রাপ্য) চাইলে তিনি বলেন, আল্লাহর কিতাবে তোমার কোন অংশ উল্লেখ নাই। আমার জানামতে আল্লাহর নাবীর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাতেও কিছু উল্লেখ নাই। সুতরাং এখন তুমি চলে যাও, এ বিষয়ে আমি লোকদেরকে জিজ্ঞেস করে দেখি। তিনি লোকদেরকে জিজ্ঞেস করলে আল মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি তাকে ছয় ভাগের-এক ভাগ প্রদান করেছেন। তিনি বললেন, ঐ সময়ে তোমার সাথে অন্য কেউ ছিল কি? আল-মুগীরাহ (রাঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) ছিলেন। অতঃপর তিনিও আল-মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ্র (রাঃ) অনুরুপ বললেন। আবূ বকর (রাঃ) তাকে ছয় ভাগের এক ভাগ প্রদানের নির্দেশ দিলেন। অতঃপর ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের (রাঃ) খিলাফতের সময় জনৈক দাদী এসে তার মীরাস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তোমার উত্তরাধিকার সম্পর্কে আল্লাহর কিতাবে কিছু উল্লেখ নাই। প্রথমে প্রদত্ত নির্দেশ নানীর ব্যাপারে ছিল। আর আমার নিজের পক্ষ হতে মীরাসের বিষয়ে বাড়াবাড়ি করা সম্ভব নয়। সুতরাং তুমিও এক-ষষ্ঠাংশের বেশি পাবে না। যদি তোমরা দাদী-নানী উভয়ে জীবিত থাকো তাহলে তা ঐ এক-ষষ্ঠাংশ তোমাদের উভয়ের মধ্যে (অর্ধেক করে) ভাগ করা হবে। আর যদি উভয়ের মধ্যে কোন একজন জীবিত থাকলে সে তা একাই পাবে। দুর্বল: যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (৩৭০/২১৯৭), ইরওয়া (১৬৮০), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৫৯৫/২৭২৪), মিশকাত (৩০৬১)।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عثمان بن إسحاق بن خرشة، عن قبيصة بن ذؤيب، أنه قال جاءت الجدة إلى أبي بكر الصديق تسأله ميراثها فقال ما لك في كتاب الله تعالى شىء وما علمت لك في سنة نبي الله صلى الله عليه وسلم شيئا فارجعي حتى أسأل الناس . فسأل الناس فقال المغيرة بن شعبة حضرت رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطاها السدس . فقال أبو بكر هل معك غيرك فقام محمد بن مسلمة فقال مثل ما قال المغيرة بن شعبة فأنفذه لها أبو بكر ثم جاءت الجدة الأخرى إلى عمر بن الخطاب رضى الله عنه تسأله ميراثها فقال ما لك في كتاب الله تعالى شىء وما كان القضاء الذي قضي به إلا لغيرك وما أنا بزائد في الفرائض ولكن هو ذلك السدس فإن اجتمعتما فيه فهو بينكما وأيتكما خلت به فهو لها .
সুনানে আবু দাউদ ২৮৯৫
حدثنا محمد بن عبد العزيز بن أبي رزمة، أخبرني أبي، حدثنا عبيد الله أبو المنيب العتكي، عن ابن بريدة، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم جعل للجدة السدس إذا لم تكن دونها أم .
ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাদী ও নানীর জন্য এক-ষষ্ঠাংশ নির্ধারণ করেছেন; যদি মৃতের মা জীবিত না থাকে। দুর্বল: মিশকাত (৩০৪৯)।
ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাদী ও নানীর জন্য এক-ষষ্ঠাংশ নির্ধারণ করেছেন; যদি মৃতের মা জীবিত না থাকে। দুর্বল: মিশকাত (৩০৪৯)।
حدثنا محمد بن عبد العزيز بن أبي رزمة، أخبرني أبي، حدثنا عبيد الله أبو المنيب العتكي، عن ابن بريدة، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم جعل للجدة السدس إذا لم تكن دونها أم .