সুনানে আবু দাউদ > ‘আতীরাহ বা রজব মাসের কুরবানী

সুনানে আবু দাউদ ২৮৩২

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن سعيد، قال الفرع أول النتاج كان ينتج لهم فيذبحونه ‏.‏

সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফারা’আ হলো পশুর ঐ প্রথম বাচ্চা, যা তারা দেবতার উদ্দেশ্যে যাবাহ করত।

সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ফারা’আ হলো পশুর ঐ প্রথম বাচ্চা, যা তারা দেবতার উদ্দেশ্যে যাবাহ করত।

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن الزهري، عن سعيد، قال الفرع أول النتاج كان ينتج لهم فيذبحونه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৩১

حدثنا أحمد بن عبدة، أخبرنا سفيان، عن الزهري، عن سعيد، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا فرع ولا عتيرة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ইসলামে কোন ফারা’আ নাই এবং ‘আতীরাহও নাই।

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ইসলামে কোন ফারা’আ নাই এবং ‘আতীরাহও নাই।

حدثنا أحمد بن عبدة، أخبرنا سفيان، عن الزهري، عن سعيد، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا فرع ولا عتيرة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৩০

حدثنا مسدد، ح وحدثنا نصر بن علي، عن بشر بن المفضل، - المعنى - حدثنا خالد الحذاء، عن أبي قلابة، عن أبي المليح، قال قال نبيشة نادى رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم إنا كنا نعتر عتيرة في الجاهلية في رجب فما تأمرنا قال ‏"‏ اذبحوا لله في أى شهر كان وبروا الله عز وجل وأطعموا ‏"‏ ‏.‏ قال إنا كنا نفرع فرعا في الجاهلية فما تأمرنا قال ‏"‏ في كل سائمة فرع تغذوه ماشيتك حتى إذا استحمل ‏"‏ ‏.‏ قال نصر ‏"‏ استحمل للحجيج ذبحته فتصدقت بلحمه ‏"‏ ‏.‏ قال خالد أحسبه قال ‏"‏ على ابن السبيل فإن ذلك خير ‏"‏ ‏.‏ قال خالد قلت لأبي قلابة كم السائمة قال مائة ‏.‏

আবুল মালীহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নুবাইশাহ (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে উচ্চস্বরে বললো, আমরা জাহিলী যুগে রজব মাসে ‘আতীরাহ করতাম। এখন এ বিষয়ে আপনি আমাদের কি নির্দেশ দেন? তিনি বললেন, আল্লাহর নামে যে কোন মাসেই যাবাহ করতে পারো, আল্লাহর আনুগত্য করো ও অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দাও। নুবাইশাহ (রাঃ) বলেন, লোকটি আবার বললো, আমরা জাহিলী যুগ ফারা’আ করতাম, এখন এ বিষয়ে আপনি আমাদের কি আদেশ দেন? তিনি বললেন, প্রত্যেক বিচরণকারী পশুতে ফারা’আ রয়েছে। তোমরা তোমাদের পশুদেরকে খাদ্য দিয়ে থাকো। এমনকি তা বোঝা বহনের উপযোগী হয়। বর্ণনাকারী নাসর (রহঃ) বলেন, হাজ্জীদের বহনের উপযোগী হলে একে যাবাহ করে তার গোশত তুমি সদাক্বাহ করবে। খালিদ (রহঃ) বলেন, আমার ধারণা, আবূ ক্বিলাবাহ মুসাফিরের জন্য সদাক্বাহ করতে বলেছেন। কেননা এটাই উত্তম। খালিদ (রহঃ) বলেন, আমি আবূ ক্বিবালাহকে বলি, কয়টি বিচরণকারী পশুতে একটি ফারা’আ? তিনি বললেন, একশোটি।

আবুল মালীহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নুবাইশাহ (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে উচ্চস্বরে বললো, আমরা জাহিলী যুগে রজব মাসে ‘আতীরাহ করতাম। এখন এ বিষয়ে আপনি আমাদের কি নির্দেশ দেন? তিনি বললেন, আল্লাহর নামে যে কোন মাসেই যাবাহ করতে পারো, আল্লাহর আনুগত্য করো ও অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দাও। নুবাইশাহ (রাঃ) বলেন, লোকটি আবার বললো, আমরা জাহিলী যুগ ফারা’আ করতাম, এখন এ বিষয়ে আপনি আমাদের কি আদেশ দেন? তিনি বললেন, প্রত্যেক বিচরণকারী পশুতে ফারা’আ রয়েছে। তোমরা তোমাদের পশুদেরকে খাদ্য দিয়ে থাকো। এমনকি তা বোঝা বহনের উপযোগী হয়। বর্ণনাকারী নাসর (রহঃ) বলেন, হাজ্জীদের বহনের উপযোগী হলে একে যাবাহ করে তার গোশত তুমি সদাক্বাহ করবে। খালিদ (রহঃ) বলেন, আমার ধারণা, আবূ ক্বিলাবাহ মুসাফিরের জন্য সদাক্বাহ করতে বলেছেন। কেননা এটাই উত্তম। খালিদ (রহঃ) বলেন, আমি আবূ ক্বিবালাহকে বলি, কয়টি বিচরণকারী পশুতে একটি ফারা’আ? তিনি বললেন, একশোটি।

حدثنا مسدد، ح وحدثنا نصر بن علي، عن بشر بن المفضل، - المعنى - حدثنا خالد الحذاء، عن أبي قلابة، عن أبي المليح، قال قال نبيشة نادى رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم إنا كنا نعتر عتيرة في الجاهلية في رجب فما تأمرنا قال ‏"‏ اذبحوا لله في أى شهر كان وبروا الله عز وجل وأطعموا ‏"‏ ‏.‏ قال إنا كنا نفرع فرعا في الجاهلية فما تأمرنا قال ‏"‏ في كل سائمة فرع تغذوه ماشيتك حتى إذا استحمل ‏"‏ ‏.‏ قال نصر ‏"‏ استحمل للحجيج ذبحته فتصدقت بلحمه ‏"‏ ‏.‏ قال خالد أحسبه قال ‏"‏ على ابن السبيل فإن ذلك خير ‏"‏ ‏.‏ قال خالد قلت لأبي قلابة كم السائمة قال مائة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৩৩

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن يوسف بن ماهك، عن حفصة بنت عبد الرحمن، عن عائشة، قالت أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم من كل خمسين شاة شاة ‏.‏ قال أبو داود قال بعضهم الفرع أول ما تنتج الإبل كانوا يذبحونه لطواغيتهم ثم يأكلونه ويلقى جلده على الشجر والعتيرة في العشر الأول من رجب ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে প্রতি পঞ্চাশটি বকরীতে একটি বকরী ‘আতীরাহ করতে আদেশ করেছেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, কতিপয় লোকের উক্তি হচ্ছে, ‘ফারা’আ হলো উটের প্রথম বাচ্চা, যা জাহিলী যুগের লোকেরা তাদের দেবতার সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করতো। তারা এর গোশত খেতো এবং এর চামড়া গাছে ঝুলিয়ে রাখতো। ‘আতীরাহ হচ্ছে রজব মাসের প্রথম দশ দিনের কুরবানী।

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে প্রতি পঞ্চাশটি বকরীতে একটি বকরী ‘আতীরাহ করতে আদেশ করেছেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, কতিপয় লোকের উক্তি হচ্ছে, ‘ফারা’আ হলো উটের প্রথম বাচ্চা, যা জাহিলী যুগের লোকেরা তাদের দেবতার সন্তুষ্টির জন্য উৎসর্গ করতো। তারা এর গোশত খেতো এবং এর চামড়া গাছে ঝুলিয়ে রাখতো। ‘আতীরাহ হচ্ছে রজব মাসের প্রথম দশ দিনের কুরবানী।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن يوسف بن ماهك، عن حفصة بنت عبد الرحمن، عن عائشة، قالت أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم من كل خمسين شاة شاة ‏.‏ قال أبو داود قال بعضهم الفرع أول ما تنتج الإبل كانوا يذبحونه لطواغيتهم ثم يأكلونه ويلقى جلده على الشجر والعتيرة في العشر الأول من رجب ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > আক্বীক্বাহ্‌র বর্ণনা

সুনানে আবু দাউদ ২৮৪০

حدثنا يحيى بن خلف، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا هشام، عن الحسن، أنه كان يقول إماطة الأذى حلق الرأس ‏.‏

হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, কষ্টদায়ক বস্তু দূর করা দ্বারা মাথা মুণ্ডানোকে বুঝানো হয়েছে।

হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, কষ্টদায়ক বস্তু দূর করা দ্বারা মাথা মুণ্ডানোকে বুঝানো হয়েছে।

حدثنا يحيى بن خلف، حدثنا عبد الأعلى، حدثنا هشام، عن الحسن، أنه كان يقول إماطة الأذى حلق الرأس ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৩৫

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، عن عبيد الله بن أبي يزيد، عن أبيه، عن سباع بن ثابت، عن أم كرز، قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ أقروا الطير على مكناتها ‏"‏ ‏.‏ قالت وسمعته يقول ‏"‏ عن الغلام شاتان وعن الجارية شاة لا يضركم أذكرانا كن أم إناثا ‏"‏ ‏.‏

উম্মু কুর্‌য (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা পাখিকে তার বাসায় নিরাপদে থাকতে দিবে। আমি তাঁকে এও বলতে শুনেছিঃ ‘আক্বীক্বাহ্‌ ছেলের পক্ষ হতে দু’টি এবং মেয়ের পক্ষ হতে একটি বকরী যাবাহ করবে। আক্বীক্বাহ্‌ খাসী বা বকরী দ্বারা দেয়াতে কোন অসুবিধা নেই।

উম্মু কুর্‌য (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমরা পাখিকে তার বাসায় নিরাপদে থাকতে দিবে। আমি তাঁকে এও বলতে শুনেছিঃ ‘আক্বীক্বাহ্‌ ছেলের পক্ষ হতে দু’টি এবং মেয়ের পক্ষ হতে একটি বকরী যাবাহ করবে। আক্বীক্বাহ্‌ খাসী বা বকরী দ্বারা দেয়াতে কোন অসুবিধা নেই।

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، عن عبيد الله بن أبي يزيد، عن أبيه، عن سباع بن ثابت، عن أم كرز، قالت سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ أقروا الطير على مكناتها ‏"‏ ‏.‏ قالت وسمعته يقول ‏"‏ عن الغلام شاتان وعن الجارية شاة لا يضركم أذكرانا كن أم إناثا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৩৬

حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن عبيد الله بن أبي يزيد، عن سباع بن ثابت، عن أم كرز، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عن الغلام شاتان مثلان وعن الجارية شاة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود هذا هو الحديث وحديث سفيان وهم ‏.‏

উম্মু কুর্‌য (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (আক্বীক্বাহ) ছেলের পক্ষ হতে সমবয়স্ক দু’টি বকরী এবং মেয়ের পক্ষ হতে একটি বকরী। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এটিই আসল হাদীস। আর সুফিয়ানের হাদীস সন্দেহযুক্ত।

উম্মু কুর্‌য (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (আক্বীক্বাহ) ছেলের পক্ষ হতে সমবয়স্ক দু’টি বকরী এবং মেয়ের পক্ষ হতে একটি বকরী। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এটিই আসল হাদীস। আর সুফিয়ানের হাদীস সন্দেহযুক্ত।

حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن عبيد الله بن أبي يزيد، عن سباع بن ثابت، عن أم كرز، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ عن الغلام شاتان مثلان وعن الجارية شاة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود هذا هو الحديث وحديث سفيان وهم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৩৪

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن عطاء، عن حبيبة بنت ميسرة، عن أم كرز الكعبية، قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ عن الغلام شاتان مكافئتان وعن الجارية شاة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود سمعت أحمد قال مكافئتان أى مستويتان أو مقاربتان ‏.‏

উম্মু কুর্‌য আল-কা’বিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ পুত্রের জন্য একই ধরনের দু’টি এবং কন্যার জন্য একটি বকরী ‘আক্বীক্বাহ করতে হয়। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি ইমাম আহমাদকে বলতে শুনেছি, ‘মুতাকাফিয়ান’ অর্থ হলো সমবয়স্ক বা এর কাছাকাছি।

উম্মু কুর্‌য আল-কা’বিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ পুত্রের জন্য একই ধরনের দু’টি এবং কন্যার জন্য একটি বকরী ‘আক্বীক্বাহ করতে হয়। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আমি ইমাম আহমাদকে বলতে শুনেছি, ‘মুতাকাফিয়ান’ অর্থ হলো সমবয়স্ক বা এর কাছাকাছি।

حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، عن عمرو بن دينار، عن عطاء، عن حبيبة بنت ميسرة، عن أم كرز الكعبية، قالت سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ عن الغلام شاتان مكافئتان وعن الجارية شاة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود سمعت أحمد قال مكافئتان أى مستويتان أو مقاربتان ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৩৯

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا هشام بن حسان، عن حفصة بنت سيرين، عن الرباب، عن سلمان بن عامر الضبي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مع الغلام عقيقته فأهريقوا عنه دما وأميطوا عنه الأذى ‏"‏ ‏.‏

সালমান ইবনু ‘আমির আদ-দাব্বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রতিটি সন্তানের সাথে আক্বীক্বাহ রয়েছে। সুতরাং তার পক্ষ হতে রক্ত প্রবাহিত করো এবং তার থেকে কষ্টদায়ক বস্তু দূর করো।

সালমান ইবনু ‘আমির আদ-দাব্বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রতিটি সন্তানের সাথে আক্বীক্বাহ রয়েছে। সুতরাং তার পক্ষ হতে রক্ত প্রবাহিত করো এবং তার থেকে কষ্টদায়ক বস্তু দূর করো।

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا هشام بن حسان، عن حفصة بنت سيرين، عن الرباب، عن سلمان بن عامر الضبي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مع الغلام عقيقته فأهريقوا عنه دما وأميطوا عنه الأذى ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৩৮

حدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ كل غلام رهينة بعقيقته تذبح عنه يوم سابعه ويحلق ويسمى ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ويسمى أصح كذا قال سلام بن أبي مطيع عن قتادة وإياس بن دغفل وأشعث عن الحسن ‏.‏ قال ‏"‏ ويسمى ‏"‏ ‏.‏ ورواه أشعث عن الحسن عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ويسمى ‏"‏ ‏.‏

সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রত্যেক শিশু তার আক্বীক্বাহ্‌র বিনিময়ে বন্ধক থাকে। তার জন্মের সপ্তম দিনে আক্বীক্বাহ করতে হয়, মাথার চুল ফেলতে হয় এবং নাম রাখতে হয়। আবূ দাঊদ বলেন, ‘ইউদমা” শব্দের পরিবর্তে ‘ইউসাম্মা’ শব্দটি অধিক সঠিক।

সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, প্রত্যেক শিশু তার আক্বীক্বাহ্‌র বিনিময়ে বন্ধক থাকে। তার জন্মের সপ্তম দিনে আক্বীক্বাহ করতে হয়, মাথার চুল ফেলতে হয় এবং নাম রাখতে হয়। আবূ দাঊদ বলেন, ‘ইউদমা” শব্দের পরিবর্তে ‘ইউসাম্মা’ শব্দটি অধিক সঠিক।

حدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة بن جندب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ كل غلام رهينة بعقيقته تذبح عنه يوم سابعه ويحلق ويسمى ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ويسمى أصح كذا قال سلام بن أبي مطيع عن قتادة وإياس بن دغفل وأشعث عن الحسن ‏.‏ قال ‏"‏ ويسمى ‏"‏ ‏.‏ ورواه أشعث عن الحسن عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ويسمى ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৪৩

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثنا علي بن الحسين، حدثني أبي، حدثنا عبد الله بن بريدة، قال سمعت أبي بريدة، يقول كنا في الجاهلية إذا ولد لأحدنا غلام ذبح شاة ولطخ رأسه بدمها فلما جاء الله بالإسلام كنا نذبح شاة ونحلق رأسه ونلطخه بزعفران ‏.‏

বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমাদের কারো সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সে একটি বকরী যাবাহ করতো এবং শিশুর মাথায় ঐ পশুর রক্ত মেখে দিতো। অতঃপর আল্লাহ যখন দীনে ইসলাম আনলেন, আমরা বকরী যাবাহ করতাম, শিশুর মাথা মুণ্ডন করতাম এবং তাতে যা’ফরান মাখতাম।

বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমাদের কারো সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সে একটি বকরী যাবাহ করতো এবং শিশুর মাথায় ঐ পশুর রক্ত মেখে দিতো। অতঃপর আল্লাহ যখন দীনে ইসলাম আনলেন, আমরা বকরী যাবাহ করতাম, শিশুর মাথা মুণ্ডন করতাম এবং তাতে যা’ফরান মাখতাম।

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثنا علي بن الحسين، حدثني أبي، حدثنا عبد الله بن بريدة، قال سمعت أبي بريدة، يقول كنا في الجاهلية إذا ولد لأحدنا غلام ذبح شاة ولطخ رأسه بدمها فلما جاء الله بالإسلام كنا نذبح شاة ونحلق رأسه ونلطخه بزعفران ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৪৩

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثنا علي بن الحسين، حدثني أبي، حدثنا عبد الله بن بريدة، قال سمعت أبي بريدة، يقول كنا في الجاهلية إذا ولد لأحدنا غلام ذبح شاة ولطخ رأسه بدمها فلما جاء الله بالإسلام كنا نذبح شاة ونحلق رأسه ونلطخه بزعفران ‏.‏

বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমাদের কারো সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সে একটি বকরী যাবাহ করতো এবং শিশুর মাথায় ঐ পশুর রক্ত মেখে দিতো। অতঃপর আল্লাহ যখন দীনে ইসলাম আনলেন, আমরা বকরী যাবাহ করতাম, শিশুর মাথা মুণ্ডন করতাম এবং তাতে যা’ফরান মাখতাম।

বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমাদের কারো সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সে একটি বকরী যাবাহ করতো এবং শিশুর মাথায় ঐ পশুর রক্ত মেখে দিতো। অতঃপর আল্লাহ যখন দীনে ইসলাম আনলেন, আমরা বকরী যাবাহ করতাম, শিশুর মাথা মুণ্ডন করতাম এবং তাতে যা’ফরান মাখতাম।

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثنا علي بن الحسين، حدثني أبي، حدثنا عبد الله بن بريدة، قال سمعت أبي بريدة، يقول كنا في الجاهلية إذا ولد لأحدنا غلام ذبح شاة ولطخ رأسه بدمها فلما جاء الله بالإسلام كنا نذبح شاة ونحلق رأسه ونلطخه بزعفران ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৪৩

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثنا علي بن الحسين، حدثني أبي، حدثنا عبد الله بن بريدة، قال سمعت أبي بريدة، يقول كنا في الجاهلية إذا ولد لأحدنا غلام ذبح شاة ولطخ رأسه بدمها فلما جاء الله بالإسلام كنا نذبح شاة ونحلق رأسه ونلطخه بزعفران ‏.‏

বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমাদের কারো সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সে একটি বকরী যাবাহ করতো এবং শিশুর মাথায় ঐ পশুর রক্ত মেখে দিতো। অতঃপর আল্লাহ যখন দীনে ইসলাম আনলেন, আমরা বকরী যাবাহ করতাম, শিশুর মাথা মুণ্ডন করতাম এবং তাতে যা’ফরান মাখতাম।

বুরাইদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমাদের কারো সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সে একটি বকরী যাবাহ করতো এবং শিশুর মাথায় ঐ পশুর রক্ত মেখে দিতো। অতঃপর আল্লাহ যখন দীনে ইসলাম আনলেন, আমরা বকরী যাবাহ করতাম, শিশুর মাথা মুণ্ডন করতাম এবং তাতে যা’ফরান মাখতাম।

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت، حدثنا علي بن الحسين، حدثني أبي، حدثنا عبد الله بن بريدة، قال سمعت أبي بريدة، يقول كنا في الجاهلية إذا ولد لأحدنا غلام ذبح شاة ولطخ رأسه بدمها فلما جاء الله بالإسلام كنا نذبح شاة ونحلق رأسه ونلطخه بزعفران ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৩৭

حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ كل غلام رهينة بعقيقته تذبح عنه يوم السابع ويحلق رأسه ويدمى ‏"‏ ‏.‏ فكان قتادة إذا سئل عن الدم كيف يصنع به قال إذا ذبحت العقيقة أخذت منها صوفة واستقبلت به أوداجها ثم توضع على يافوخ الصبي حتى يسيل على رأسه مثل الخيط ثم يغسل رأسه بعد ويحلق ‏.‏ قال أبو داود وهذا وهم من همام ‏"‏ ويدمى ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود خولف همام في هذا الكلام وهو وهم من همام وإنما قالوا ‏"‏ يسمى ‏"‏ ‏.‏ فقال همام ‏"‏ يدمى ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود وليس يؤخذ بهذا ‏.‏

সামুরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ প্রত্যেক শিশু তার আক্বীক্বাহর সাথে বন্ধক থাকে। সপ্তম দিনে তার পক্ষ হতে আক্বীক্বাহ করতে হয়, মাথা মুড়াতে হয় এবং (মাথায়) রক্ত মাখাতে হয়। ক্বাতাদাহ্কে জিজ্ঞেস করা হলো, রক্ত কিভাবে মাখতে হয়? তিনি বলে, আক্বীক্বাহ্র পশু যাবাহ করে তা থেকে একটু পশম নিয়ে তাতে রক্ত মেখে তা বাচ্চার মাথার নরম তালুতে রেখে দিবে। অতঃপর মাথা থেকে সূতার ন্যায় রক্ত গড়িয়ে পড়লে মাথা ধুইয়ে তা ন্যাড়া করবে। আবূ দাঊদ বলেন, ‘রক্তমাখার’ শব্দটি হাম্মামের ধারণামূলক, অন্যরা তা বর্জন করেছেন। আবূ দাঊদ বলেন, এখন এ হাদীস আমলযোগ্য নয়। সহীহঃ তবে “(আরবী)” কথাটি বাদে। মাহফু্য হলো “(আরবি)”। যেমন নীচের বর্ণনাটি। ইরওয়া (১১৬৫)।

সামুরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ প্রত্যেক শিশু তার আক্বীক্বাহর সাথে বন্ধক থাকে। সপ্তম দিনে তার পক্ষ হতে আক্বীক্বাহ করতে হয়, মাথা মুড়াতে হয় এবং (মাথায়) রক্ত মাখাতে হয়। ক্বাতাদাহ্কে জিজ্ঞেস করা হলো, রক্ত কিভাবে মাখতে হয়? তিনি বলে, আক্বীক্বাহ্র পশু যাবাহ করে তা থেকে একটু পশম নিয়ে তাতে রক্ত মেখে তা বাচ্চার মাথার নরম তালুতে রেখে দিবে। অতঃপর মাথা থেকে সূতার ন্যায় রক্ত গড়িয়ে পড়লে মাথা ধুইয়ে তা ন্যাড়া করবে। আবূ দাঊদ বলেন, ‘রক্তমাখার’ শব্দটি হাম্মামের ধারণামূলক, অন্যরা তা বর্জন করেছেন। আবূ দাঊদ বলেন, এখন এ হাদীস আমলযোগ্য নয়। সহীহঃ তবে “(আরবী)” কথাটি বাদে। মাহফু্য হলো “(আরবি)”। যেমন নীচের বর্ণনাটি। ইরওয়া (১১৬৫)।

حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ كل غلام رهينة بعقيقته تذبح عنه يوم السابع ويحلق رأسه ويدمى ‏"‏ ‏.‏ فكان قتادة إذا سئل عن الدم كيف يصنع به قال إذا ذبحت العقيقة أخذت منها صوفة واستقبلت به أوداجها ثم توضع على يافوخ الصبي حتى يسيل على رأسه مثل الخيط ثم يغسل رأسه بعد ويحلق ‏.‏ قال أبو داود وهذا وهم من همام ‏"‏ ويدمى ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود خولف همام في هذا الكلام وهو وهم من همام وإنما قالوا ‏"‏ يسمى ‏"‏ ‏.‏ فقال همام ‏"‏ يدمى ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود وليس يؤخذ بهذا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮৪১

حدثنا أبو معمر عبد الله بن عمرو، حدثنا عبد الوارث، حدثنا أيوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم عق عن الحسن والحسين كبشا كبشا ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রা:) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসান ও হুসাইনের (রাঃ) পক্ষ হতে একটি করে দুম্বা আক্বীক্বাহ করেছেন। সহীহ। কিন্তু নাসায়ীর বর্ণনায় রয়েছেঃ “দুটি দুটি করে”- এটাই অধিক সহীহ।

ইবনু ‘আব্বাস (রা:) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাসান ও হুসাইনের (রাঃ) পক্ষ হতে একটি করে দুম্বা আক্বীক্বাহ করেছেন। সহীহ। কিন্তু নাসায়ীর বর্ণনায় রয়েছেঃ “দুটি দুটি করে”- এটাই অধিক সহীহ।

حدثنا أبو معمر عبد الله بن عمرو، حدثنا عبد الوارث، حدثنا أيوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم عق عن الحسن والحسين كبشا كبشا ‏.


সুনানে আবু দাউদ ২৮৪২

حدثنا القعنبي، حدثنا داود بن قيس، عن عمرو بن شعيب، أن النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا محمد بن سليمان الأنباري حدثنا عبد الملك - يعني ابن عمرو - عن داود عن عمرو بن شعيب عن أبيه أراه عن جده قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن العقيقة فقال ‏"‏ لا يحب الله العقوق ‏"‏ ‏.‏ كأنه كره الاسم وقال ‏"‏ من ولد له ولد فأحب أن ينسك عنه فلينسك عن الغلام شاتان مكافئتان وعن الجارية شاة ‏"‏ ‏.‏ وسئل عن الفرع قال ‏"‏ والفرع حق وأن تتركوه حتى يكون بكرا شغزبا ابن مخاض أو ابن لبون فتعطيه أرملة أو تحمل عليه في سبيل الله خير من أن تذبحه فيلزق لحمه بوبره وتكفئ إناءك وتوله ناقتك ‏"‏ ‏.‏

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতার ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি (দাদা) বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আক্বীক্বাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ আল্লাহ কষ্ট পছন্দ করেন না। হয়তো সেজন্যই তিনি আক্বীক্বাহকে কষ্ট নামকরণ করেছেন। তিনি বলেনঃ যার কোন সন্তান জন্মগ্রহণ করে, সে যেন তার পক্ষ হতে আক্বীক্বাহ করে। সে যেন ছেলের পক্ষ হতে সমবয়স্ক দু’টি বকরী এবং মেয়ের পক্ষ হতে একটি বকরী যাবাহ করে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ফারা’আ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ ফারা’আ বৈধ। তোমরা যদি একে এ সময় পর্যন্ত ছেড়ে দাও যে, তা বয়স্ক, শক্তিশালী, ইবনু মাখাদ কিংবা ইবনু লাবূন হয়, তারপর তা কোন বিধবাকে দিয়ে দাও বা আল্লাহর পথে বাহন হিসেবে প্রদান করো, তাহলে এ কাজ একে যাবাহ করে এর গোশত ও লোম চটচটে করার চেয়ে উত্তম হবে। অথবা তোমার উটকে ভারাক্রান্ত করা ও তোমার দুধের পাত্র উপুর করে দেয়ার চাইতে উত্তম হবে।

‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতার ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি (দাদা) বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আক্বীক্বাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ আল্লাহ কষ্ট পছন্দ করেন না। হয়তো সেজন্যই তিনি আক্বীক্বাহকে কষ্ট নামকরণ করেছেন। তিনি বলেনঃ যার কোন সন্তান জন্মগ্রহণ করে, সে যেন তার পক্ষ হতে আক্বীক্বাহ করে। সে যেন ছেলের পক্ষ হতে সমবয়স্ক দু’টি বকরী এবং মেয়ের পক্ষ হতে একটি বকরী যাবাহ করে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ফারা’আ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ ফারা’আ বৈধ। তোমরা যদি একে এ সময় পর্যন্ত ছেড়ে দাও যে, তা বয়স্ক, শক্তিশালী, ইবনু মাখাদ কিংবা ইবনু লাবূন হয়, তারপর তা কোন বিধবাকে দিয়ে দাও বা আল্লাহর পথে বাহন হিসেবে প্রদান করো, তাহলে এ কাজ একে যাবাহ করে এর গোশত ও লোম চটচটে করার চেয়ে উত্তম হবে। অথবা তোমার উটকে ভারাক্রান্ত করা ও তোমার দুধের পাত্র উপুর করে দেয়ার চাইতে উত্তম হবে।

حدثنا القعنبي، حدثنا داود بن قيس، عن عمرو بن شعيب، أن النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا محمد بن سليمان الأنباري حدثنا عبد الملك - يعني ابن عمرو - عن داود عن عمرو بن شعيب عن أبيه أراه عن جده قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن العقيقة فقال ‏"‏ لا يحب الله العقوق ‏"‏ ‏.‏ كأنه كره الاسم وقال ‏"‏ من ولد له ولد فأحب أن ينسك عنه فلينسك عن الغلام شاتان مكافئتان وعن الجارية شاة ‏"‏ ‏.‏ وسئل عن الفرع قال ‏"‏ والفرع حق وأن تتركوه حتى يكون بكرا شغزبا ابن مخاض أو ابن لبون فتعطيه أرملة أو تحمل عليه في سبيل الله خير من أن تذبحه فيلزق لحمه بوبره وتكفئ إناءك وتوله ناقتك ‏"‏ ‏.‏


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00