সুনানে আবু দাউদ > মুসাফিরের কুরবানী করা

সুনানে আবু দাউদ ২৮১৬

حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، قال دخلت مع أنس على الحكم بن أيوب فرأى فتيانا أو غلمانا قد نصبوا دجاجة يرمونها فقال أنس نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تصبر البهائم ‏.‏

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে কুরবানী করেন এবং বলেনঃ হে সাওবান! আমাদের জন্য বকরীর গোশতগুলো তৈরি করো। সাওবান (রাঃ) বলেন, মদিনায় পৌঁছা পর্যন্ত তাকে এ গোশত খাওয়াতে থাকি।

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে কুরবানী করেন এবং বলেনঃ হে সাওবান! আমাদের জন্য বকরীর গোশতগুলো তৈরি করো। সাওবান (রাঃ) বলেন, মদিনায় পৌঁছা পর্যন্ত তাকে এ গোশত খাওয়াতে থাকি।

حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، عن هشام بن زيد، قال دخلت مع أنس على الحكم بن أيوب فرأى فتيانا أو غلمانا قد نصبوا دجاجة يرمونها فقال أنس نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن تصبر البهائم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > আহলে কিতাবের যাবাহকৃত পশু সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ২৮১৭

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ‏{‏ فكلوا مما ذكر اسم الله عليه ‏}‏ ‏{‏ ولا تأكلوا مما لم يذكر اسم الله عليه ‏}‏ فنسخ واستثنى من ذلك فقال ‏{‏ وطعام الذين أوتوا الكتاب حل لكم وطعامكم حل لهم ‏}‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আল্লাহর বাণী) : “যে পশুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয় তোমরা তার গোশত খাও” (সূরাহ আল-আন’আম : ১১৮) “যে পশুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়নি, তার গোশত খেয়ো না” (সূরাহ আল-আন’আম : ১২১)। এর হুকুম রহিত হয়ে গেছে। এটি আহলে কিতাবের যাবাহ করা পশুর ব্যাপারে প্রযোজ্য নয়। (আল্লাহর বাণী) : “আহলে কিতাবের খাদ্য তোমাদের জন্য হালাল এবং তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল” (সূরাহ আল-মায়িদাহ : ৫)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (আল্লাহর বাণী) : “যে পশুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয় তোমরা তার গোশত খাও” (সূরাহ আল-আন’আম : ১১৮) “যে পশুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়নি, তার গোশত খেয়ো না” (সূরাহ আল-আন’আম : ১২১)। এর হুকুম রহিত হয়ে গেছে। এটি আহলে কিতাবের যাবাহ করা পশুর ব্যাপারে প্রযোজ্য নয়। (আল্লাহর বাণী) : “আহলে কিতাবের খাদ্য তোমাদের জন্য হালাল এবং তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল” (সূরাহ আল-মায়িদাহ : ৫)।

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ‏{‏ فكلوا مما ذكر اسم الله عليه ‏}‏ ‏{‏ ولا تأكلوا مما لم يذكر اسم الله عليه ‏}‏ فنسخ واستثنى من ذلك فقال ‏{‏ وطعام الذين أوتوا الكتاب حل لكم وطعامكم حل لهم ‏}‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮১৮

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا إسرائيل، حدثنا سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، في قوله ‏{‏ وإن الشياطين ليوحون إلى أوليائهم ‏}‏ يقولون ما ذبح الله فلا تأكلوا وما ذبحتم أنتم فكلوا فأنزل الله عز وجل ‏{‏ ولا تأكلوا مما لم يذكر اسم الله عليه ‏}‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মহান আল্লাহর বাণী, “শয়তানরা তাদের সঙ্গীদের মনে বিভিন্ন প্রশ্নের উদ্ভব করে”-এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কারণ সম্পর্কে বর্ণিত আছে, শয়তানের সহযোগীরা বলতো, আল্লাহর যাবাহ করা (মরা জন্ত্ত) তোমরা খাও না, অথচ তোমরা নিজেরা যা যাবাহ করছো তা খাও? অতঃপর আল্লাহ আয়াত অবতীর্ণ করেন, “যে পশুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়নি, তার গোশত খেয়ো না” ... শেষ পর্যন্ত (সূরা আল-আন’আম : ১২১)।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মহান আল্লাহর বাণী, “শয়তানরা তাদের সঙ্গীদের মনে বিভিন্ন প্রশ্নের উদ্ভব করে”-এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কারণ সম্পর্কে বর্ণিত আছে, শয়তানের সহযোগীরা বলতো, আল্লাহর যাবাহ করা (মরা জন্ত্ত) তোমরা খাও না, অথচ তোমরা নিজেরা যা যাবাহ করছো তা খাও? অতঃপর আল্লাহ আয়াত অবতীর্ণ করেন, “যে পশুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়নি, তার গোশত খেয়ো না” ... শেষ পর্যন্ত (সূরা আল-আন’আম : ১২১)।

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا إسرائيل، حدثنا سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، في قوله ‏{‏ وإن الشياطين ليوحون إلى أوليائهم ‏}‏ يقولون ما ذبح الله فلا تأكلوا وما ذبحتم أنتم فكلوا فأنزل الله عز وجل ‏{‏ ولا تأكلوا مما لم يذكر اسم الله عليه ‏}‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮১৯

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عمران بن عيينة، عن عطاء بن السائب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال جاءت اليهود إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا نأكل مما قتلنا ولا نأكل مما قتل الله فأنزل الله ‏{‏ ولا تأكلوا مما لم يذكر اسم الله عليه ‏}‏ إلى آخر الآية ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট ইয়াহুদীরা এসে বললো, আমরা নিজেরা যা পশু হত্যা করি তা খেয়ে থাকি আর আল্লাহ যা হত্যা করেন তা খাই না। এ প্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেন, “যে পশুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়নি, তার গোশত খেয়ো না” ... আয়াতের শেষ পর্যন্ত (সূরা আল-আন’আম : ১২১)। সহীহ : কিন্তু এতে ইয়াহুদীদের উল্লেখ করাটা মুনকার। মাহফূয হলো : মুশরিকরা। দেখুন, সহীহ সুনান আত-তিরমিযী (২৪৫৪) সংক্ষিপ্ত সানাদে।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট ইয়াহুদীরা এসে বললো, আমরা নিজেরা যা পশু হত্যা করি তা খেয়ে থাকি আর আল্লাহ যা হত্যা করেন তা খাই না। এ প্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেন, “যে পশুর উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করা হয়নি, তার গোশত খেয়ো না” ... আয়াতের শেষ পর্যন্ত (সূরা আল-আন’আম : ১২১)। সহীহ : কিন্তু এতে ইয়াহুদীদের উল্লেখ করাটা মুনকার। মাহফূয হলো : মুশরিকরা। দেখুন, সহীহ সুনান আত-তিরমিযী (২৪৫৪) সংক্ষিপ্ত সানাদে।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عمران بن عيينة، عن عطاء بن السائب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال جاءت اليهود إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا نأكل مما قتلنا ولا نأكل مما قتل الله فأنزل الله ‏{‏ ولا تأكلوا مما لم يذكر اسم الله عليه ‏}‏ إلى آخر الآية ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > বেদুঈনরা দম্ভ প্রকাশার্থে যে পশু যাবাহ করে তার গোশত খাওয়া

সুনানে আবু দাউদ ২৮২০

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا حماد بن مسعدة، عن عوف، عن أبي ريحانة، عن ابن عباس، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل معاقرة الأعراب ‏.‏ قال أبو داود اسم أبي ريحانة عبد الله بن مطر وغندر أوقفه على ابن عباس ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐসব যাবাহকৃত পশুর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন যেগুলো আরবের লোকেরা নিজেদের অহঙ্কার প্রকাশার্থে যাবাহ করে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অধস্তন বর্ণনাকারী গুনদার এটি ইবনু ‘আব্বাসের (রাঃ) উক্তি হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ রাইহানার নাম ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাত্বার।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐসব যাবাহকৃত পশুর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন যেগুলো আরবের লোকেরা নিজেদের অহঙ্কার প্রকাশার্থে যাবাহ করে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অধস্তন বর্ণনাকারী গুনদার এটি ইবনু ‘আব্বাসের (রাঃ) উক্তি হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ রাইহানার নাম ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাত্বার।

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا حماد بن مسعدة، عن عوف، عن أبي ريحانة، عن ابن عباس، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل معاقرة الأعراب ‏.‏ قال أبو داود اسم أبي ريحانة عبد الله بن مطر وغندر أوقفه على ابن عباس ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮২০

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا حماد بن مسعدة، عن عوف، عن أبي ريحانة، عن ابن عباس، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل معاقرة الأعراب ‏.‏ قال أبو داود اسم أبي ريحانة عبد الله بن مطر وغندر أوقفه على ابن عباس ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐসব যাবাহকৃত পশুর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন যেগুলো আরবের লোকেরা নিজেদের অহঙ্কার প্রকাশার্থে যাবাহ করে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অধস্তন বর্ণনাকারী গুনদার এটি ইবনু ‘আব্বাসের (রাঃ) উক্তি হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ রাইহানার নাম ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাত্বার।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐসব যাবাহকৃত পশুর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন যেগুলো আরবের লোকেরা নিজেদের অহঙ্কার প্রকাশার্থে যাবাহ করে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অধস্তন বর্ণনাকারী গুনদার এটি ইবনু ‘আব্বাসের (রাঃ) উক্তি হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ রাইহানার নাম ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাত্বার।

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا حماد بن مسعدة، عن عوف، عن أبي ريحانة، عن ابن عباس، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل معاقرة الأعراب ‏.‏ قال أبو داود اسم أبي ريحانة عبد الله بن مطر وغندر أوقفه على ابن عباس ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮২০

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا حماد بن مسعدة، عن عوف، عن أبي ريحانة، عن ابن عباس، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل معاقرة الأعراب ‏.‏ قال أبو داود اسم أبي ريحانة عبد الله بن مطر وغندر أوقفه على ابن عباس ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐসব যাবাহকৃত পশুর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন যেগুলো আরবের লোকেরা নিজেদের অহঙ্কার প্রকাশার্থে যাবাহ করে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অধস্তন বর্ণনাকারী গুনদার এটি ইবনু ‘আব্বাসের (রাঃ) উক্তি হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ রাইহানার নাম ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাত্বার।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐসব যাবাহকৃত পশুর গোশত খেতে নিষেধ করেছেন যেগুলো আরবের লোকেরা নিজেদের অহঙ্কার প্রকাশার্থে যাবাহ করে। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অধস্তন বর্ণনাকারী গুনদার এটি ইবনু ‘আব্বাসের (রাঃ) উক্তি হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ রাইহানার নাম ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাত্বার।

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا حماد بن مسعدة، عن عوف، عن أبي ريحانة، عن ابن عباس، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن أكل معاقرة الأعراب ‏.‏ قال أبو داود اسم أبي ريحانة عبد الله بن مطر وغندر أوقفه على ابن عباس ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > চকমকি পাথর দ্বারা যাবাহ করা

সুনানে আবু দাউদ ২৮২৪

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن سماك بن حرب، عن مري بن قطري، عن عدي بن حاتم، قال قلت يا رسول الله أرأيت إن أحدنا أصاب صيدا وليس معه سكين أيذبح بالمروة وشقة العصا فقال ‏ "‏ أمرر الدم بما شئت واذكر اسم الله عز وجل ‏"‏ ‏.‏

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো হাতে শিকার আসলে তখন কাছে ছুরি না থাকলে সে কি চকমকি পাথর ও লাঠির ধারালো পার্শ্ব দিয়ে তা যাবাহ করবে, এ বিষয়ে আপনার অভিমত কি? তিনি বললেন, যেভাবে সম্ভব রক্ত প্রবাহিত করো এবং আল্লাহর নাম উচ্চারণ করো।

‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো হাতে শিকার আসলে তখন কাছে ছুরি না থাকলে সে কি চকমকি পাথর ও লাঠির ধারালো পার্শ্ব দিয়ে তা যাবাহ করবে, এ বিষয়ে আপনার অভিমত কি? তিনি বললেন, যেভাবে সম্ভব রক্ত প্রবাহিত করো এবং আল্লাহর নাম উচ্চারণ করো।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن سماك بن حرب، عن مري بن قطري، عن عدي بن حاتم، قال قلت يا رسول الله أرأيت إن أحدنا أصاب صيدا وليس معه سكين أيذبح بالمروة وشقة العصا فقال ‏ "‏ أمرر الدم بما شئت واذكر اسم الله عز وجل ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮২৩

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن رجل، من بني حارثة أنه كان يرعى لقحة بشعب من شعاب أحد فأخذها الموت فلم يجد شيئا ينحرها به فأخذ وتدا فوجأ به في لبتها حتى أهريق دمها ثم جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره بذلك فأمره بأكلها ‏.‏

আত্বা ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বনূ হারিসাহর জনৈক ব্যক্তির সূত্রে বর্ণনা করেন, সে (লোকটি) উহূদ পাহাড়ের এক উপত্যকায় একটি মাদী উট চড়াচ্ছিল। এমতাবস্থায় উটটি মারা যাওয়ার উপক্রম হলে সে যাবাহ করার জন্য কোন অস্ত্র না পেয়ে একটি পেরেক নিয়ে উটের বুকের উপরের অংশে ঢুকিয়ে দিয়ে রক্ত প্রবাহিত করলো। পরে লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি তাকে এর গোশত খাওয়ার অনুমতি দেন।

আত্বা ইবনু ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বনূ হারিসাহর জনৈক ব্যক্তির সূত্রে বর্ণনা করেন, সে (লোকটি) উহূদ পাহাড়ের এক উপত্যকায় একটি মাদী উট চড়াচ্ছিল। এমতাবস্থায় উটটি মারা যাওয়ার উপক্রম হলে সে যাবাহ করার জন্য কোন অস্ত্র না পেয়ে একটি পেরেক নিয়ে উটের বুকের উপরের অংশে ঢুকিয়ে দিয়ে রক্ত প্রবাহিত করলো। পরে লোকটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি তাকে এর গোশত খাওয়ার অনুমতি দেন।

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن رجل، من بني حارثة أنه كان يرعى لقحة بشعب من شعاب أحد فأخذها الموت فلم يجد شيئا ينحرها به فأخذ وتدا فوجأ به في لبتها حتى أهريق دمها ثم جاء إلى النبي صلى الله عليه وسلم فأخبره بذلك فأمره بأكلها ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮২১

حدثنا مسدد، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا سعيد بن مسروق، عن عباية بن رفاعة، عن أبيه، عن جده، رافع بن خديج قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إنا نلقى العدو غدا وليس معنا مدى أفنذبح بالمروة وشقة العصا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أرن أو أعجل ما أنهر الدم وذكر اسم الله عليه فكلوا ما لم يكن سنا أو ظفرا وسأحدثكم عن ذلك أما السن فعظم وأما الظفر فمدى الحبشة ‏"‏ ‏.‏ وتقدم به سرعان من الناس فتعجلوا فأصابوا من الغنائم ورسول الله صلى الله عليه وسلم في آخر الناس فنصبوا قدورا فمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالقدور فأمر بها فأكفئت وقسم بينهم فعدل بعيرا بعشر شياه وند بعير من إبل القوم ولم يكن معهم خيل فرماه رجل بسهم فحبسه الله فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن لهذه البهائم أوابد كأوابد الوحش فما فعل منها هذا فافعلوا به مثل هذا ‏"‏ ‏.‏

রাফি ‘ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এসে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আগামীকাল সকালে শত্রুর মোকাবিলা করবো। কিন্তু আমাদের কাছে ছুরি নেই। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এমন বস্তু দ্বারা দ্রুত যাবাহ করো যা দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়, আল্লাহর নাম নিয়ে যাবাহ করো এবং তা খাও, কিন্তু দাঁত অথবা নখ দিয়ে যাবাহ করো না। আমি এর কারণ তোমাদের বলছি। দাঁত হচ্ছে হাড় আর নখ হলো হাবশীদের ছুরি। সৈন্যদলের কিছু লোক সামনে অগ্রসর হয়ে কিছু গনীমাত লাভ করল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিছনের দিকে ছিলেন। তারা গোশতের হাড়ি চুলায় বসালো। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ডেগের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর নির্দেশ মোতাবেক গোশতের হাঁড়িগুলো উপুর করে ফেলে দেয়া হলো। তিনি তাদের মধ্যে গনীমাত বণ্টন করলেন এবং একটি উটকে দশটি বকরীর সমান ধরলেন। দলের মধ্যকার একটি উট পালিয়ে যায়। তখন তাদের নিকট ঘোড়া ছিলো না। এক লোক (উটকে লক্ষ্য করে) তীর ছুঁড়লে মহান আল্লাহ উটটিকে থামিয়ে দেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এরূপ পশুর মধ্যেও পালাতে তৎপর পশু আছে, বা বন্য পশুর মধ্যেও থাকে। সুতরাং (যে পশু পালাবে) তোমরা সেটির সাথে এরূপ আচরণ (তীর নিক্ষেপ) করবে।

রাফি ‘ইবনু খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এসে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আগামীকাল সকালে শত্রুর মোকাবিলা করবো। কিন্তু আমাদের কাছে ছুরি নেই। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এমন বস্তু দ্বারা দ্রুত যাবাহ করো যা দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়, আল্লাহর নাম নিয়ে যাবাহ করো এবং তা খাও, কিন্তু দাঁত অথবা নখ দিয়ে যাবাহ করো না। আমি এর কারণ তোমাদের বলছি। দাঁত হচ্ছে হাড় আর নখ হলো হাবশীদের ছুরি। সৈন্যদলের কিছু লোক সামনে অগ্রসর হয়ে কিছু গনীমাত লাভ করল। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিছনের দিকে ছিলেন। তারা গোশতের হাড়ি চুলায় বসালো। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ ডেগের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর নির্দেশ মোতাবেক গোশতের হাঁড়িগুলো উপুর করে ফেলে দেয়া হলো। তিনি তাদের মধ্যে গনীমাত বণ্টন করলেন এবং একটি উটকে দশটি বকরীর সমান ধরলেন। দলের মধ্যকার একটি উট পালিয়ে যায়। তখন তাদের নিকট ঘোড়া ছিলো না। এক লোক (উটকে লক্ষ্য করে) তীর ছুঁড়লে মহান আল্লাহ উটটিকে থামিয়ে দেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এরূপ পশুর মধ্যেও পালাতে তৎপর পশু আছে, বা বন্য পশুর মধ্যেও থাকে। সুতরাং (যে পশু পালাবে) তোমরা সেটির সাথে এরূপ আচরণ (তীর নিক্ষেপ) করবে।

حدثنا مسدد، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا سعيد بن مسروق، عن عباية بن رفاعة، عن أبيه، عن جده، رافع بن خديج قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إنا نلقى العدو غدا وليس معنا مدى أفنذبح بالمروة وشقة العصا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أرن أو أعجل ما أنهر الدم وذكر اسم الله عليه فكلوا ما لم يكن سنا أو ظفرا وسأحدثكم عن ذلك أما السن فعظم وأما الظفر فمدى الحبشة ‏"‏ ‏.‏ وتقدم به سرعان من الناس فتعجلوا فأصابوا من الغنائم ورسول الله صلى الله عليه وسلم في آخر الناس فنصبوا قدورا فمر رسول الله صلى الله عليه وسلم بالقدور فأمر بها فأكفئت وقسم بينهم فعدل بعيرا بعشر شياه وند بعير من إبل القوم ولم يكن معهم خيل فرماه رجل بسهم فحبسه الله فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن لهذه البهائم أوابد كأوابد الوحش فما فعل منها هذا فافعلوا به مثل هذا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৮২২

حدثنا مسدد، أن عبد الواحد بن زياد، وحمادا، حدثاهم - المعنى، واحد، - عن عاصم، عن الشعبي، عن محمد بن صفوان، أو صفوان بن محمد قال اصدت أرنبين فذبحتهما بمروة فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عنهما فأمرني بأكلهما ‏.‏

মুহাম্মাদ ইবনু সাফওয়ান অথবা সাফওয়ান ইবনু মুহাম্মাদ (রা:) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি দু’টি খরগোশ শিকার করে চকমকি পাথর দিয়ে যাবাহ করলাম। এ ব্যাপারে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি আমাকে এর গোশত খেতে অনুমতি দিলেন।

মুহাম্মাদ ইবনু সাফওয়ান অথবা সাফওয়ান ইবনু মুহাম্মাদ (রা:) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি দু’টি খরগোশ শিকার করে চকমকি পাথর দিয়ে যাবাহ করলাম। এ ব্যাপারে আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি আমাকে এর গোশত খেতে অনুমতি দিলেন।

حدثنا مسدد، أن عبد الواحد بن زياد، وحمادا، حدثاهم - المعنى، واحد، - عن عاصم، عن الشعبي، عن محمد بن صفوان، أو صفوان بن محمد قال اصدت أرنبين فذبحتهما بمروة فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عنهما فأمرني بأكلهما ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00