সুনানে আবু দাউদ > কুরবানীর পশুর বয়স কত হওয়া চাই
সুনানে আবু দাউদ ২৭৯৭
حدثنا أحمد بن أبي شعيب الحراني، حدثنا زهير بن معاوية، حدثنا أبو الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تذبحوا إلا مسنة إلا أن يعسر عليكم فتذبحوا جذعة من الضأن " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ‘মুসিন্নাহ’ ছাড়া যাবাহ করবে না। তবে তা সংগ্রহ করা তোমাদের জন্য কষ্টকর হলে মেষের জাযা’আহ যাবাহ করতে পারো।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা ‘মুসিন্নাহ’ ছাড়া যাবাহ করবে না। তবে তা সংগ্রহ করা তোমাদের জন্য কষ্টকর হলে মেষের জাযা’আহ যাবাহ করতে পারো।
حدثنا أحمد بن أبي شعيب الحراني، حدثنا زهير بن معاوية، حدثنا أبو الزبير، عن جابر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تذبحوا إلا مسنة إلا أن يعسر عليكم فتذبحوا جذعة من الضأن " .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৯৮
حدثنا محمد بن صدران، حدثنا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، حدثنا محمد بن إسحاق، حدثني عمارة بن عبد الله بن طعمة، عن سعيد بن المسيب، عن زيد بن خالد الجهني، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم في أصحابه ضحايا فأعطاني عتودا جذعا - قال - فرجعت به إليه فقلت له إنه جذع . قال " ضح به " . فضحيت به .
যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাহাবীদের মধ্যে কুরবানীর পশু বণ্টন করেন। তিনি আমাকে অল্প বয়স্ক একটা জাযা’আহ দেন। যায়িদ (রাঃ) বলেন, আমি সেটি নিয়ে তার নিকট গিয়ে বলি, এটা তো জাযা’আহ। তিনি বললেনঃ এটাই কুরবানী করো। সুতরাং আমি তা-ই কুরবানী করলাম।
যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাহাবীদের মধ্যে কুরবানীর পশু বণ্টন করেন। তিনি আমাকে অল্প বয়স্ক একটা জাযা’আহ দেন। যায়িদ (রাঃ) বলেন, আমি সেটি নিয়ে তার নিকট গিয়ে বলি, এটা তো জাযা’আহ। তিনি বললেনঃ এটাই কুরবানী করো। সুতরাং আমি তা-ই কুরবানী করলাম।
حدثنا محمد بن صدران، حدثنا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، حدثنا محمد بن إسحاق، حدثني عمارة بن عبد الله بن طعمة، عن سعيد بن المسيب، عن زيد بن خالد الجهني، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم في أصحابه ضحايا فأعطاني عتودا جذعا - قال - فرجعت به إليه فقلت له إنه جذع . قال " ضح به " . فضحيت به .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৯৮
حدثنا محمد بن صدران، حدثنا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، حدثنا محمد بن إسحاق، حدثني عمارة بن عبد الله بن طعمة، عن سعيد بن المسيب، عن زيد بن خالد الجهني، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم في أصحابه ضحايا فأعطاني عتودا جذعا - قال - فرجعت به إليه فقلت له إنه جذع . قال " ضح به " . فضحيت به .
যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাহাবীদের মধ্যে কুরবানীর পশু বণ্টন করেন। তিনি আমাকে অল্প বয়স্ক একটা জাযা’আহ দেন। যায়িদ (রাঃ) বলেন, আমি সেটি নিয়ে তার নিকট গিয়ে বলি, এটা তো জাযা’আহ। তিনি বললেনঃ এটাই কুরবানী করো। সুতরাং আমি তা-ই কুরবানী করলাম।
যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাহাবীদের মধ্যে কুরবানীর পশু বণ্টন করেন। তিনি আমাকে অল্প বয়স্ক একটা জাযা’আহ দেন। যায়িদ (রাঃ) বলেন, আমি সেটি নিয়ে তার নিকট গিয়ে বলি, এটা তো জাযা’আহ। তিনি বললেনঃ এটাই কুরবানী করো। সুতরাং আমি তা-ই কুরবানী করলাম।
حدثنا محمد بن صدران، حدثنا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، حدثنا محمد بن إسحاق، حدثني عمارة بن عبد الله بن طعمة، عن سعيد بن المسيب، عن زيد بن خالد الجهني، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم في أصحابه ضحايا فأعطاني عتودا جذعا - قال - فرجعت به إليه فقلت له إنه جذع . قال " ضح به " . فضحيت به .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৯৮
حدثنا محمد بن صدران، حدثنا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، حدثنا محمد بن إسحاق، حدثني عمارة بن عبد الله بن طعمة، عن سعيد بن المسيب، عن زيد بن خالد الجهني، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم في أصحابه ضحايا فأعطاني عتودا جذعا - قال - فرجعت به إليه فقلت له إنه جذع . قال " ضح به " . فضحيت به .
যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাহাবীদের মধ্যে কুরবানীর পশু বণ্টন করেন। তিনি আমাকে অল্প বয়স্ক একটা জাযা’আহ দেন। যায়িদ (রাঃ) বলেন, আমি সেটি নিয়ে তার নিকট গিয়ে বলি, এটা তো জাযা’আহ। তিনি বললেনঃ এটাই কুরবানী করো। সুতরাং আমি তা-ই কুরবানী করলাম।
যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার সাহাবীদের মধ্যে কুরবানীর পশু বণ্টন করেন। তিনি আমাকে অল্প বয়স্ক একটা জাযা’আহ দেন। যায়িদ (রাঃ) বলেন, আমি সেটি নিয়ে তার নিকট গিয়ে বলি, এটা তো জাযা’আহ। তিনি বললেনঃ এটাই কুরবানী করো। সুতরাং আমি তা-ই কুরবানী করলাম।
حدثنا محمد بن صدران، حدثنا عبد الأعلى بن عبد الأعلى، حدثنا محمد بن إسحاق، حدثني عمارة بن عبد الله بن طعمة، عن سعيد بن المسيب، عن زيد بن خالد الجهني، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم في أصحابه ضحايا فأعطاني عتودا جذعا - قال - فرجعت به إليه فقلت له إنه جذع . قال " ضح به " . فضحيت به .
সুনানে আবু দাউদ ২৮০০
حدثنا مسدد، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا منصور، عن الشعبي، عن البراء، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم النحر بعد الصلاة فقال " من صلى صلاتنا ونسك نسكنا فقد أصاب النسك ومن نسك قبل الصلاة فتلك شاة لحم " . فقام أبو بردة بن نيار فقال يا رسول الله والله لقد نسكت قبل أن أخرج إلى الصلاة وعرفت أن اليوم يوم أكل وشرب فتعجلت فأكلت وأطعمت أهلي وجيراني . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تلك شاة لحم " . فقال إن عندي عناقا جذعة وهي خير من شاتى لحم فهل تجزئ عني قال " نعم ولن تجزئ عن أحد بعدك " .
আল-বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন ঈদের সলাতের পর আমাদের সম্মুখে ভাষণ দিলেন এবং বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের মত সলাত আদায় করলো, আমাদের মত কুরবানী করলো, তার কুরবানী সঠিক হলো। আর যে ঈদের সলাতের পূর্বে কুরবানী করলো, তা (কুরবানী না হয়ে) গোশত খাওয়ার বকরী হলো। আবু বুরদাহ ইবনু নিয়ার (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আমি তো সলাতের জন্য বের হওয়ার আগেই কুরবানী করে ফেলেছি। আমি ভেবেছিলাম, আজ পানাহারের দিন। তাই তাড়াহুড়া করে কুরবানীর গোশত নিজে খেয়েছি, পরিবারপরিজন এবং প্রতিবেশীদেরও খেতে দিয়েছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা গোশত খাওয়ার বকরী হলো। আবু বুরদাহ (রাঃ) বলেন, আমার কাছে ছয়মাস পূর্ণ বয়সের একটি ছাগল আছে যা আমার গোশত খাওয়ার বকরীর চেয়েও উত্তম। এটা কি আমার কুরবানীর স্থান পূর্ণ করবে? তিনি বললেনঃ হাঁ, কিন্তু তোমার পরে আর কারো জন্য এরূপ করা জায়িয হবে না।
আল-বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন ঈদের সলাতের পর আমাদের সম্মুখে ভাষণ দিলেন এবং বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের মত সলাত আদায় করলো, আমাদের মত কুরবানী করলো, তার কুরবানী সঠিক হলো। আর যে ঈদের সলাতের পূর্বে কুরবানী করলো, তা (কুরবানী না হয়ে) গোশত খাওয়ার বকরী হলো। আবু বুরদাহ ইবনু নিয়ার (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আমি তো সলাতের জন্য বের হওয়ার আগেই কুরবানী করে ফেলেছি। আমি ভেবেছিলাম, আজ পানাহারের দিন। তাই তাড়াহুড়া করে কুরবানীর গোশত নিজে খেয়েছি, পরিবারপরিজন এবং প্রতিবেশীদেরও খেতে দিয়েছি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা গোশত খাওয়ার বকরী হলো। আবু বুরদাহ (রাঃ) বলেন, আমার কাছে ছয়মাস পূর্ণ বয়সের একটি ছাগল আছে যা আমার গোশত খাওয়ার বকরীর চেয়েও উত্তম। এটা কি আমার কুরবানীর স্থান পূর্ণ করবে? তিনি বললেনঃ হাঁ, কিন্তু তোমার পরে আর কারো জন্য এরূপ করা জায়িয হবে না।
حدثنا مسدد، حدثنا أبو الأحوص، حدثنا منصور، عن الشعبي، عن البراء، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم النحر بعد الصلاة فقال " من صلى صلاتنا ونسك نسكنا فقد أصاب النسك ومن نسك قبل الصلاة فتلك شاة لحم " . فقام أبو بردة بن نيار فقال يا رسول الله والله لقد نسكت قبل أن أخرج إلى الصلاة وعرفت أن اليوم يوم أكل وشرب فتعجلت فأكلت وأطعمت أهلي وجيراني . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تلك شاة لحم " . فقال إن عندي عناقا جذعة وهي خير من شاتى لحم فهل تجزئ عني قال " نعم ولن تجزئ عن أحد بعدك " .
সুনানে আবু দাউদ ২৮০১
حدثنا مسدد، حدثنا خالد، عن مطرف، عن عامر، عن البراء بن عازب، قال ضحى خال لي يقال له أبو بردة قبل الصلاة فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " شاتك شاة لحم " . فقال يا رسول الله إن عندي داجنا جذعة من المعز فقال " اذبحها ولا تصلح لغيرك " .
আল বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ বুরদাহ নামক আমার এক খালু একদা ঈদের সালাতের আগেই কুরবানী করে ফেলেন। ফলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তোমার বকরী গোশত খাওয়ার বকরী হয়েছে (কুরবানীর বকরী হয়নি)। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে ছয় মাস বয়সের একটি ছাগল আছে। তিনি বললেনঃ সেটা কুরবানী করো, তবে তোমার পর আর কারো জন্য এরূপ করা সঠিক হবে না।
আল বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আবূ বুরদাহ নামক আমার এক খালু একদা ঈদের সালাতের আগেই কুরবানী করে ফেলেন। ফলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তোমার বকরী গোশত খাওয়ার বকরী হয়েছে (কুরবানীর বকরী হয়নি)। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে ছয় মাস বয়সের একটি ছাগল আছে। তিনি বললেনঃ সেটা কুরবানী করো, তবে তোমার পর আর কারো জন্য এরূপ করা সঠিক হবে না।
حدثنا مسدد، حدثنا خالد، عن مطرف، عن عامر، عن البراء بن عازب، قال ضحى خال لي يقال له أبو بردة قبل الصلاة فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " شاتك شاة لحم " . فقال يا رسول الله إن عندي داجنا جذعة من المعز فقال " اذبحها ولا تصلح لغيرك " .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৯৯
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا الثوري، عن عاصم بن كليب، عن أبيه، قال كنا مع رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم يقال له مجاشع من بني سليم فعزت الغنم فأمر مناديا فنادى أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول " إن الجذع يوفي مما يوفي منه الثني " . قال أبو داود وهو مجاشع بن مسعود .
আসিম ইবনু কুলাইব (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি (কুলাইব) বলেন, আমরা বনী সুলাইম গোত্রের মুজাশি’ নামক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এক সাহাবীর সাথে ছিলাম। একবার বকরীর মূল্য অত্যধিক বৃদ্ধি পেলে তিনি ঘোষককে নির্দেশ দেয়ায় সে ঘোষণা করলো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ এক বছর বয়সের ছাগলের স্থানে ছয় মাস বয়সের ভেড়া যথেষ্ট। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, তিনি মাসউদের পুত্র মুজাশি’ (রাঃ)।
আসিম ইবনু কুলাইব (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি (কুলাইব) বলেন, আমরা বনী সুলাইম গোত্রের মুজাশি’ নামক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর এক সাহাবীর সাথে ছিলাম। একবার বকরীর মূল্য অত্যধিক বৃদ্ধি পেলে তিনি ঘোষককে নির্দেশ দেয়ায় সে ঘোষণা করলো রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ এক বছর বয়সের ছাগলের স্থানে ছয় মাস বয়সের ভেড়া যথেষ্ট। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, তিনি মাসউদের পুত্র মুজাশি’ (রাঃ)।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا الثوري، عن عاصم بن كليب، عن أبيه، قال كنا مع رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم يقال له مجاشع من بني سليم فعزت الغنم فأمر مناديا فنادى أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول " إن الجذع يوفي مما يوفي منه الثني " . قال أبو داود وهو مجاشع بن مسعود .
সুনানে আবু দাউদ > যে ধরনের পশু কুরবানীর উপযুক্ত নয়
সুনানে আবু দাউদ ২৮০৩
حدثنا إبراهيم بن موسى الرازي، قال أخبرنا ح، وحدثنا علي بن بحر بن بري، حدثنا عيسى، - المعنى - عن ثور، حدثني أبو حميد الرعيني، أخبرني يزيد، ذو مصر قال أتيت عتبة بن عبد السلمي فقلت يا أبا الوليد إني خرجت ألتمس الضحايا فلم أجد شيئا يعجبني غير ثرماء فكرهتها فما تقول قال أفلا جئتني بها . قلت سبحان الله تجوز عنك ولا تجوز عني قال نعم إنك تشك ولا أشك إنما نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المصفرة والمستأصلة والبخقاء والمشيعة والكسراء فالمصفرة التي تستأصل أذنها حتى يبدو سماخها والمستأصلة التي استؤصل قرنها من أصله والبخقاء التي تبخق عينها والمشيعة التي لا تتبع الغنم عجفا وضعفا والكسراء الكسيرة .
ইয়াযীদ মিসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘উতবাহ ইবনু আব্দ আস-সুলামীর নিকট এসে বলি, হে ওয়ালীদের পিতা! আমি কুরবানীর পশুর খোঁজে বের হই, কিন্ত কোন পশুই পছন্দ হয়নি। একটি বকরী পছন্দ হয়েছিল, তার একটি দাঁত না থাকায়, সেটাও বাদ দিয়েছি। এখন এ বিষয়ে আপনি আমাকে পরামর্শ দিন। ‘উতবাহ বলেন, তুমি আমার কাছে সেটা নিয়ে আসোনি কেন? আমি বলি, সুবহানাল্লাহ! দাঁতপড়া পশু কুরবানী আপনার জন্য বৈধ, অথচ আমার জন্য বৈধ নয়! তিনি বললেন, হাঁ। তুমি সন্দিহান হয়েছো কিন্ত আমি সন্দিহান হইনি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কানকাটা, শিংবিহীন, অন্ধ, দুর্বল এবং পা ভাঙ্গা পশু কুরবানী করতে নিষেধ করেছেন। মুসফারা হচ্ছে ঐ পশু যার কানকাটার ছিদ্র স্পষ্ট দেখা যায়। মুস্তাসালা হলো ঐ পশু যার শিং গোড়া থেকে ভেঙ্গে গেছে। যাখকা হলো, যে পশুর দৃষ্টিশক্তি লোপ পেয়েছে। মুশায়্যি’আহ হলো, যে পশু দুর্বলতার কারণে মেষের সাথে সাথে চলতেও অক্ষম। কাসরা হলো ঐ পশু যার পা ভাঙ্গা।
ইয়াযীদ মিসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘উতবাহ ইবনু আব্দ আস-সুলামীর নিকট এসে বলি, হে ওয়ালীদের পিতা! আমি কুরবানীর পশুর খোঁজে বের হই, কিন্ত কোন পশুই পছন্দ হয়নি। একটি বকরী পছন্দ হয়েছিল, তার একটি দাঁত না থাকায়, সেটাও বাদ দিয়েছি। এখন এ বিষয়ে আপনি আমাকে পরামর্শ দিন। ‘উতবাহ বলেন, তুমি আমার কাছে সেটা নিয়ে আসোনি কেন? আমি বলি, সুবহানাল্লাহ! দাঁতপড়া পশু কুরবানী আপনার জন্য বৈধ, অথচ আমার জন্য বৈধ নয়! তিনি বললেন, হাঁ। তুমি সন্দিহান হয়েছো কিন্ত আমি সন্দিহান হইনি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কানকাটা, শিংবিহীন, অন্ধ, দুর্বল এবং পা ভাঙ্গা পশু কুরবানী করতে নিষেধ করেছেন। মুসফারা হচ্ছে ঐ পশু যার কানকাটার ছিদ্র স্পষ্ট দেখা যায়। মুস্তাসালা হলো ঐ পশু যার শিং গোড়া থেকে ভেঙ্গে গেছে। যাখকা হলো, যে পশুর দৃষ্টিশক্তি লোপ পেয়েছে। মুশায়্যি’আহ হলো, যে পশু দুর্বলতার কারণে মেষের সাথে সাথে চলতেও অক্ষম। কাসরা হলো ঐ পশু যার পা ভাঙ্গা।
حدثنا إبراهيم بن موسى الرازي، قال أخبرنا ح، وحدثنا علي بن بحر بن بري، حدثنا عيسى، - المعنى - عن ثور، حدثني أبو حميد الرعيني، أخبرني يزيد، ذو مصر قال أتيت عتبة بن عبد السلمي فقلت يا أبا الوليد إني خرجت ألتمس الضحايا فلم أجد شيئا يعجبني غير ثرماء فكرهتها فما تقول قال أفلا جئتني بها . قلت سبحان الله تجوز عنك ولا تجوز عني قال نعم إنك تشك ولا أشك إنما نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المصفرة والمستأصلة والبخقاء والمشيعة والكسراء فالمصفرة التي تستأصل أذنها حتى يبدو سماخها والمستأصلة التي استؤصل قرنها من أصله والبخقاء التي تبخق عينها والمشيعة التي لا تتبع الغنم عجفا وضعفا والكسراء الكسيرة .
সুনানে আবু দাউদ ২৮০২
حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا شعبة، عن سليمان بن عبد الرحمن، عن عبيد بن فيروز، قال سألت البراء بن عازب ما لا يجوز في الأضاحي فقال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصابعي أقصر من أصابعه وأناملي أقصر من أنامله فقال " أربع لا تجوز في الأضاحي العوراء بين عورها والمريضة بين مرضها والعرجاء بين ظلعها والكسير التي لا تنقى " . قال قلت فإني أكره أن يكون في السن نقص . قال " ما كرهت فدعه ولا تحرمه على أحد " . قال أبو داود ليس لها مخ .
‘উবাইদ ইবনু ফাইরূয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করি, কোন ধরনের পশু কুরবানী করা জায়িয নয়? তিনি বললেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে দাঁড়ান। আমার আঙ্গুলগুলো তাঁর আঙ্গুলের চেয়ে তুচ্ছ এবং আমার আঙ্গুলের গিরাগুলোও তাঁর আঙ্গুলের গিরার চেয়ে তুচ্ছ। তিনি আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে বললেনঃ চার ধরনের দোষযুক্ত পশু কুরবানী করা জায়ি্য নয়। অন্ধ-যার অন্ধত্ব সুস্পষ্ট, রুগ্ন-যার রোগ সুস্পষ্ট, খোঁড়া-যার খোঁড়ামী সুস্পষ্ট, বৃদ্ধ ও দুর্বল-যার হাড়ের মজ্জা শুকিয়ে গেছে। ‘উবাইদ (রহঃ) বলেন, আমি বলি, বয়সের কোন দোষ থাকাও আমি অপছন্দ করি। আল-বারাআ (রাঃ) বলেন, তুমি যা অপছন্দ করো তা বর্জন করবে, তবে অন্যের জন্য তা নিষিদ্ধ করবে না। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এমন দুর্বল যে, তার হাড়ের মজ্জা নাই।
‘উবাইদ ইবনু ফাইরূয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করি, কোন ধরনের পশু কুরবানী করা জায়িয নয়? তিনি বললেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে দাঁড়ান। আমার আঙ্গুলগুলো তাঁর আঙ্গুলের চেয়ে তুচ্ছ এবং আমার আঙ্গুলের গিরাগুলোও তাঁর আঙ্গুলের গিরার চেয়ে তুচ্ছ। তিনি আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে বললেনঃ চার ধরনের দোষযুক্ত পশু কুরবানী করা জায়ি্য নয়। অন্ধ-যার অন্ধত্ব সুস্পষ্ট, রুগ্ন-যার রোগ সুস্পষ্ট, খোঁড়া-যার খোঁড়ামী সুস্পষ্ট, বৃদ্ধ ও দুর্বল-যার হাড়ের মজ্জা শুকিয়ে গেছে। ‘উবাইদ (রহঃ) বলেন, আমি বলি, বয়সের কোন দোষ থাকাও আমি অপছন্দ করি। আল-বারাআ (রাঃ) বলেন, তুমি যা অপছন্দ করো তা বর্জন করবে, তবে অন্যের জন্য তা নিষিদ্ধ করবে না। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এমন দুর্বল যে, তার হাড়ের মজ্জা নাই।
حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا شعبة، عن سليمان بن عبد الرحمن، عن عبيد بن فيروز، قال سألت البراء بن عازب ما لا يجوز في الأضاحي فقال قام فينا رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصابعي أقصر من أصابعه وأناملي أقصر من أنامله فقال " أربع لا تجوز في الأضاحي العوراء بين عورها والمريضة بين مرضها والعرجاء بين ظلعها والكسير التي لا تنقى " . قال قلت فإني أكره أن يكون في السن نقص . قال " ما كرهت فدعه ولا تحرمه على أحد " . قال أبو داود ليس لها مخ .
সুনানে আবু দাউদ ২৮০৪
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، عن شريح بن النعمان، - وكان رجل صدق - عن علي، قال أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نستشرف العين والأذنين ولا نضحي بعوراء ولا مقابلة ولا مدابرة ولا خرقاء ولا شرقاء . قال زهير فقلت لأبي إسحاق أذكر عضباء قال لا . قلت فما المقابلة قال يقطع طرف الأذن . قلت فما المدابرة قال يقطع من مؤخر الأذن . قلت فما الشرقاء قال تشق الأذن . قلت فما الخرقاء قال تخرق أذنها للسمة .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে আদেশ করেছেন আমরা যেন কুরবানীর প্রাণীর চোখ-কান ভালভাবে দেখে নেই। আমরা যেন এমন পশু কুরবানী না করি যা কানা যা অন্ধ, কানের অগ্র যা শেষভাগের অংশ কাটা; যার কানের পাশের দিক ফাঁড়া যা গোলাকার ছিদ্র রয়েছে। যুহাইর (রহঃ) বলেন, আমি আবূ ইসহাক্বকে বলি, তিনি কান কাটার কথা উল্লেখ করেছেন কিনা? তিনি বললেন, না। আমি তাকে জিজ্ঞেস বলি, মুকাবালাহ কি? তিনি বললেন, যার কানের একপাশে কাটা। আমি বলি, মুদাবারাহ কি? তিনি বল্লেন, যে পশুর কানের শেষের অংশ কাটা। আমি বলি, শারকা কি? তিনি বললেন, যার কান ছিদ্র করা হয়েছে। আমি বলি, খারকা কি? তিনি বললেন, যে পশুর কান সম্পূর্ণ কাটা। দুর্বল : ভালভাবে দেখে নেয়ার আদেশ কথাটি বাদে। মিশকাত (১৪১৩), ইরওয়া (১১৪৯)।
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে আদেশ করেছেন আমরা যেন কুরবানীর প্রাণীর চোখ-কান ভালভাবে দেখে নেই। আমরা যেন এমন পশু কুরবানী না করি যা কানা যা অন্ধ, কানের অগ্র যা শেষভাগের অংশ কাটা; যার কানের পাশের দিক ফাঁড়া যা গোলাকার ছিদ্র রয়েছে। যুহাইর (রহঃ) বলেন, আমি আবূ ইসহাক্বকে বলি, তিনি কান কাটার কথা উল্লেখ করেছেন কিনা? তিনি বললেন, না। আমি তাকে জিজ্ঞেস বলি, মুকাবালাহ কি? তিনি বললেন, যার কানের একপাশে কাটা। আমি বলি, মুদাবারাহ কি? তিনি বল্লেন, যে পশুর কানের শেষের অংশ কাটা। আমি বলি, শারকা কি? তিনি বললেন, যার কান ছিদ্র করা হয়েছে। আমি বলি, খারকা কি? তিনি বললেন, যে পশুর কান সম্পূর্ণ কাটা। দুর্বল : ভালভাবে দেখে নেয়ার আদেশ কথাটি বাদে। মিশকাত (১৪১৩), ইরওয়া (১১৪৯)।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، عن شريح بن النعمان، - وكان رجل صدق - عن علي، قال أمرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن نستشرف العين والأذنين ولا نضحي بعوراء ولا مقابلة ولا مدابرة ولا خرقاء ولا شرقاء . قال زهير فقلت لأبي إسحاق أذكر عضباء قال لا . قلت فما المقابلة قال يقطع طرف الأذن . قلت فما المدابرة قال يقطع من مؤخر الأذن . قلت فما الشرقاء قال تشق الأذن . قلت فما الخرقاء قال تخرق أذنها للسمة .
সুনানে আবু দাউদ ২৮০৫
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا هشام بن أبي عبد الله الدستوائي، ويقال، له هشام بن سنبر عن قتادة، عن جرى بن كليب، عن علي، أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى أن يضحى بعضباء الأذن والقرن . قال أبو داود جرى سدوسي بصري لم يحدث عنه إلا قتادة .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কান কাটা এবং শিং ভাঙ্গা পশু দ্বারা কুরবানী করতে নিষেধ করেছেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, বর্ণনাকারী জুরাই সাদূস গোত্রীও এবং বাসরাহ নিবাসী। তার থেকে ক্বাতাদাহ (রহঃ) ছাড়া কেউই হাদীস বর্ণনা করেননি। দুর্বল : মিশকাত (১৪৬৪), যইফ সুনান ইবনু মাজাহ (৬৭৮/৩১৪৫), ইরওয়া (১১৪৯), যইফ সুনান আত-তিরমিযী (২৫৯/১৫৫৬)।
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কান কাটা এবং শিং ভাঙ্গা পশু দ্বারা কুরবানী করতে নিষেধ করেছেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, বর্ণনাকারী জুরাই সাদূস গোত্রীও এবং বাসরাহ নিবাসী। তার থেকে ক্বাতাদাহ (রহঃ) ছাড়া কেউই হাদীস বর্ণনা করেননি। দুর্বল : মিশকাত (১৪৬৪), যইফ সুনান ইবনু মাজাহ (৬৭৮/৩১৪৫), ইরওয়া (১১৪৯), যইফ সুনান আত-তিরমিযী (২৫৯/১৫৫৬)।
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا هشام بن أبي عبد الله الدستوائي، ويقال، له هشام بن سنبر عن قتادة، عن جرى بن كليب، عن علي، أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى أن يضحى بعضباء الأذن والقرن . قال أبو داود جرى سدوسي بصري لم يحدث عنه إلا قتادة .
সুনানে আবু দাউদ ২৮০৬
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، حدثنا هشام، عن قتادة، قال قلت لسعيد بن المسيب ما الأعضب قال النصف فما فوقه .
ক্বাতাদাহ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব (র)-কে জিজ্ঞেস করি, আ’দাব কোন ধরনের পশু? তিনি বলেন, যে পশুর কান বা শিং অর্ধেক বা ততোধিক ভাঙ্গা বা কাটা।
ক্বাতাদাহ (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব (র)-কে জিজ্ঞেস করি, আ’দাব কোন ধরনের পশু? তিনি বলেন, যে পশুর কান বা শিং অর্ধেক বা ততোধিক ভাঙ্গা বা কাটা।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، حدثنا هشام، عن قتادة، قال قلت لسعيد بن المسيب ما الأعضب قال النصف فما فوقه .
সুনানে আবু দাউদ > কুরবানীর গরু ও উটে কতজন শরীক হওয়া জায়িয
সুনানে আবু দাউদ ২৮০৯
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن أبي الزبير المكي، عن جابر بن عبد الله، أنه قال نحرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالحديبية البدنة عن سبعة والبقرة عن سبعة .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হুদায়বিয়াতে সাতজনের পক্ষ হতে একটি উট এবং সাতজনের পক্ষ হতে একটি গরু কুরবানী করেছি।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হুদায়বিয়াতে সাতজনের পক্ষ হতে একটি উট এবং সাতজনের পক্ষ হতে একটি গরু কুরবানী করেছি।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن أبي الزبير المكي، عن جابر بن عبد الله، أنه قال نحرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالحديبية البدنة عن سبعة والبقرة عن سبعة .
সুনানে আবু দাউদ ২৮০৮
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن قيس، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " البقرة عن سبعة والجزور عن سبعة " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (একটি) গরু সাতজনের পক্ষ হতে এবং (একটি) উট সাতজনের পক্ষ হতে (কুরবানী করা যাবে)।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ (একটি) গরু সাতজনের পক্ষ হতে এবং (একটি) উট সাতজনের পক্ষ হতে (কুরবানী করা যাবে)।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن قيس، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " البقرة عن سبعة والجزور عن سبعة " .
সুনানে আবু দাউদ ২৮০৭
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا هشيم، حدثنا عبد الملك، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال كنا نتمتع في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم نذبح البقرة عن سبعة والجزور عن سبعة نشترك فيها .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুগে তামাত্তু হাজ্জ করতাম এবং সাতজন মিলে একটি গরু কুরবানী করতাম। অনুরূপভাবে একটি উটেও সাতজন শরীক হয়ে কুরবানী করেছি।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুগে তামাত্তু হাজ্জ করতাম এবং সাতজন মিলে একটি গরু কুরবানী করতাম। অনুরূপভাবে একটি উটেও সাতজন শরীক হয়ে কুরবানী করেছি।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا هشيم، حدثنا عبد الملك، عن عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال كنا نتمتع في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم نذبح البقرة عن سبعة والجزور عن سبعة نشترك فيها .
সুনানে আবু দাউদ > জামা’আতের পক্ষ হতে একটি বকরী কুরবানী করা সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ২৮১০
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني الإسكندراني - عن عمرو، عن المطلب، عن جابر بن عبد الله، قال شهدت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم الأضحى بالمصلى فلما قضى خطبته نزل من منبره وأتي بكبش فذبحه رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده وقال " بسم الله والله أكبر هذا عني وعمن لم يضح من أمتي " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ঈদুল আযহার দিন আমি রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে ঈদগাহে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুত্ববাহ শেষে মিম্বার থেকে নামলেন। একটি বকরী আনা হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাতে যাবাহ করেন এবং বলেনঃ “আল্লাহর নামে শুরু করছি, আল্লাহ মহান। এই কুরবানী আমার ও আমার উম্মাতের যারা কুরবানী করতে অক্ষম তাদের পক্ষ হতে।”
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ঈদুল আযহার দিন আমি রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে ঈদগাহে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুত্ববাহ শেষে মিম্বার থেকে নামলেন। একটি বকরী আনা হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাতে যাবাহ করেন এবং বলেনঃ “আল্লাহর নামে শুরু করছি, আল্লাহ মহান। এই কুরবানী আমার ও আমার উম্মাতের যারা কুরবানী করতে অক্ষম তাদের পক্ষ হতে।”
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، - يعني الإسكندراني - عن عمرو، عن المطلب، عن جابر بن عبد الله، قال شهدت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم الأضحى بالمصلى فلما قضى خطبته نزل من منبره وأتي بكبش فذبحه رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده وقال " بسم الله والله أكبر هذا عني وعمن لم يضح من أمتي " .