সুনানে আবু দাউদ > সফরে উচ্চ স্থানে উঠার সময় তাকবীর বলা
সুনানে আবু দাউদ ২৭৭০
حدثني القعنبي، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا قفل من غزو أو حج أو عمرة يكبر على كل شرف من الأرض ثلاث تكبيرات ويقول " لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير آيبون تائبون عابدون ساجدون لربنا حامدون صدق الله وعده ونصر عبده وهزم الأحزاب وحده " .
‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ, হাজ্জ অথবা ‘উমরাহ করে ফেরার সময় কোন উঁচু স্থানে উঠার সময় তিনবার ‘আল্লাহু আকবর’ করতেন এবং বলতেনঃ “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নাই, মালিকানা ও সার্বভৌমত্ব তাঁরই; তাঁর জন্যই যাবতীয় প্রশংসা, তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আমারা তাঁরই নিকট প্রত্যাবর্তনকারী, তাঁর কাছেই ক্ষমাপ্রার্থী, তাঁরই ‘ইবাদাতকারী’ আমরা আমাদের রব্বের উদ্দেশেই সাজদাহকারী’ তাঁরই প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই শত্রুদেরকে পরাজিত করেছেন।
‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুদ্ধ, হাজ্জ অথবা ‘উমরাহ করে ফেরার সময় কোন উঁচু স্থানে উঠার সময় তিনবার ‘আল্লাহু আকবর’ করতেন এবং বলতেনঃ “আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নাই, মালিকানা ও সার্বভৌমত্ব তাঁরই; তাঁর জন্যই যাবতীয় প্রশংসা, তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান। আমারা তাঁরই নিকট প্রত্যাবর্তনকারী, তাঁর কাছেই ক্ষমাপ্রার্থী, তাঁরই ‘ইবাদাতকারী’ আমরা আমাদের রব্বের উদ্দেশেই সাজদাহকারী’ তাঁরই প্রশংসাকারী। আল্লাহ তাঁর ওয়াদা সত্যে পরিণত করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই শত্রুদেরকে পরাজিত করেছেন।
حدثني القعنبي، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا قفل من غزو أو حج أو عمرة يكبر على كل شرف من الأرض ثلاث تكبيرات ويقول " لا إله إلا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير آيبون تائبون عابدون ساجدون لربنا حامدون صدق الله وعده ونصر عبده وهزم الأحزاب وحده " .
সুনানে আবু দাউদ > নিষেধের পর প্রত্যাবর্তনের অনুমতি প্রসঙ্গে
সুনানে আবু দাউদ ২৭৭১
حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال { لا يستأذنك الذين يؤمنون بالله واليوم الآخر } الآية نسختها التي في النور { إنما المؤمنون الذين آمنوا بالله ورسوله } إلى قوله { غفور رحيم } .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মহান আল্লাহর বাণী, “যারা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান এনেছে, তারা আপনার কাছে তাদের জান ও মাল নিয়ে জিহাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইবে না....” (সূরাহ আত-তাওবাহঃ ৪৪-৪৫) পর্যন্ত। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এ আয়াতের নির্দেশ সূরাহ আন-নূরের এ আয়াত দ্বারা রহিত হয়েছেঃ “প্রকৃত মুমিন তারাই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছে.........নিশ্চই আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু” (সূরাহ আন-নূরঃ ৬২)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মহান আল্লাহর বাণী, “যারা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান এনেছে, তারা আপনার কাছে তাদের জান ও মাল নিয়ে জিহাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চাইবে না....” (সূরাহ আত-তাওবাহঃ ৪৪-৪৫) পর্যন্ত। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, এ আয়াতের নির্দেশ সূরাহ আন-নূরের এ আয়াত দ্বারা রহিত হয়েছেঃ “প্রকৃত মুমিন তারাই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছে.........নিশ্চই আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু” (সূরাহ আন-নূরঃ ৬২)
حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال { لا يستأذنك الذين يؤمنون بالله واليوم الآخر } الآية نسختها التي في النور { إنما المؤمنون الذين آمنوا بالله ورسوله } إلى قوله { غفور رحيم } .
সুনানে আবু দাউদ > সুসংবাদ প্রদানের জন্য কাউকে পাঠানো
সুনানে আবু দাউদ ২৭৭২
حدثنا أبو توبة الربيع بن نافع، حدثنا عيسى، عن إسماعيل، عن قيس، عن جرير، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " ألا تريحني من ذي الخلصة " . فأتاها فحرقها ثم بعث رجلا من أحمس إلى النبي صلى الله عليه وسلم يبشره يكنى أبا أرطاة .
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি আমাকে ‘যুল-খালাসা’ সম্পর্কে নিশ্চিত করছো না কেন? অতঃপর জারীর সেখানে গিয়ে তা জ্বালিয়ে দিলেন এবং আবূ আরত্বাত (রাঃ) নামক আহমাস গোত্রের এক লোককে পাঠিয়ে নাবীকে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুসংবাদ জানান।
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি আমাকে ‘যুল-খালাসা’ সম্পর্কে নিশ্চিত করছো না কেন? অতঃপর জারীর সেখানে গিয়ে তা জ্বালিয়ে দিলেন এবং আবূ আরত্বাত (রাঃ) নামক আহমাস গোত্রের এক লোককে পাঠিয়ে নাবীকে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুসংবাদ জানান।
حدثنا أبو توبة الربيع بن نافع، حدثنا عيسى، عن إسماعيل، عن قيس، عن جرير، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " ألا تريحني من ذي الخلصة " . فأتاها فحرقها ثم بعث رجلا من أحمس إلى النبي صلى الله عليه وسلم يبشره يكنى أبا أرطاة .
সুনানে আবু দাউদ > সুসংবাদ দাতাকে উপহার দেয়া
সুনানে আবু দাউদ ২৭৭৩
حدثنا ابن السرح، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، أن عبد الله بن كعب، قال سمعت كعب بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا قدم من سفر بدأ بالمسجد فركع فيه ركعتين ثم جلس للناس . وقص ابن السرح الحديث قال ونهى رسول الله صلى الله عليه وسلم المسلمين عن كلامنا أيها الثلاثة حتى إذا طال على تسورت جدار حائط أبي قتادة وهو ابن عمي فسلمت عليه فوالله ما رد على السلام ثم صليت الصبح صباح خمسين ليلة على ظهر بيت من بيوتنا فسمعت صارخا يا كعب بن مالك أبشر . فلما جاءني الذي سمعت صوته يبشرني نزعت له ثوبى فكسوتهما إياه فانطلقت حتى إذا دخلت المسجد فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم جالس فقام إلى طلحة بن عبيد الله يهرول حتى صافحني وهنأني .
কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফর থেকে ফিরে এসে প্রথমে মাসজিদে ঢুকতেন। তারপর দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে লোকদের নিয়ে বসতেন। অতঃপর বর্ণনাকারী ইবনুস সারহ পুরো হাদীসটি বর্ণনা করেন। কা’ব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তিনজনের সাথে কথাবার্তা বলতে সবাইকে নিষেধ করলেন। এভাবে অনেক দিন অতিবাহিত হলো। একদিন আমি আমার চাচাতো ভাই আবূ ক্বাতাদাহর (রাঃ) বাগানের দেয়াল টপকে সেখানে ঢুকে তাকে সালাম করি। আল্লাহর শপথ! তিনি আমার সালামের উত্তর দেননি। অতঃপর পঞ্চাশ দিনের দিন সকালে আমি ঘরের ছাদের উপর ফাজরের সলাত আদায় করলাম। এমন সময় শব্দ শুনতে পেলাম, এক ব্যক্তি চিৎকার দিয়ে বলছে, হে কা‘ব ইবনু মালিক! তোমার জন্য সুসংবাদ। অতঃপর ঐ সুসংবাদদাতা আমার কাছে আসলে আমি আমার দুইখানা কাপড় খুলে তাকে পরিয়ে দিলাম। আমি উঠে সরাসরি মাসজিদে নাববীতে গিয়ে উপস্থিত হয়ে দেখি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে আছেন। তখন ত্বালহা ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) দ্রুত আমার দিকে এসে আমার সাথে মুসাফাহা করলেন এবং আমাকে মোবারকবাদ জানালেন।
কা’ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফর থেকে ফিরে এসে প্রথমে মাসজিদে ঢুকতেন। তারপর দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে লোকদের নিয়ে বসতেন। অতঃপর বর্ণনাকারী ইবনুস সারহ পুরো হাদীসটি বর্ণনা করেন। কা’ব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তিনজনের সাথে কথাবার্তা বলতে সবাইকে নিষেধ করলেন। এভাবে অনেক দিন অতিবাহিত হলো। একদিন আমি আমার চাচাতো ভাই আবূ ক্বাতাদাহর (রাঃ) বাগানের দেয়াল টপকে সেখানে ঢুকে তাকে সালাম করি। আল্লাহর শপথ! তিনি আমার সালামের উত্তর দেননি। অতঃপর পঞ্চাশ দিনের দিন সকালে আমি ঘরের ছাদের উপর ফাজরের সলাত আদায় করলাম। এমন সময় শব্দ শুনতে পেলাম, এক ব্যক্তি চিৎকার দিয়ে বলছে, হে কা‘ব ইবনু মালিক! তোমার জন্য সুসংবাদ। অতঃপর ঐ সুসংবাদদাতা আমার কাছে আসলে আমি আমার দুইখানা কাপড় খুলে তাকে পরিয়ে দিলাম। আমি উঠে সরাসরি মাসজিদে নাববীতে গিয়ে উপস্থিত হয়ে দেখি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে আছেন। তখন ত্বালহা ইবনু ‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ) দ্রুত আমার দিকে এসে আমার সাথে মুসাফাহা করলেন এবং আমাকে মোবারকবাদ জানালেন।
حدثنا ابن السرح، أخبرنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال أخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، أن عبد الله بن كعب، قال سمعت كعب بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم إذا قدم من سفر بدأ بالمسجد فركع فيه ركعتين ثم جلس للناس . وقص ابن السرح الحديث قال ونهى رسول الله صلى الله عليه وسلم المسلمين عن كلامنا أيها الثلاثة حتى إذا طال على تسورت جدار حائط أبي قتادة وهو ابن عمي فسلمت عليه فوالله ما رد على السلام ثم صليت الصبح صباح خمسين ليلة على ظهر بيت من بيوتنا فسمعت صارخا يا كعب بن مالك أبشر . فلما جاءني الذي سمعت صوته يبشرني نزعت له ثوبى فكسوتهما إياه فانطلقت حتى إذا دخلت المسجد فإذا رسول الله صلى الله عليه وسلم جالس فقام إلى طلحة بن عبيد الله يهرول حتى صافحني وهنأني .