সুনানে আবু দাউদ > ইমামের সম্পাদিত চুক্তি মেনে চলা

সুনানে আবু দাউদ ২৭৫৭

حدثنا محمد بن الصباح البزاز، قال حدثنا عبد الرحمن بن أبي الزناد، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنما الإمام جنة يقاتل به ‏"‏ ‏.

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নেতা ঢালস্বরুপ, তার নির্দেশে যুদ্ধ করা হয়।

আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নেতা ঢালস্বরুপ, তার নির্দেশে যুদ্ধ করা হয়।

حدثنا محمد بن الصباح البزاز، قال حدثنا عبد الرحمن بن أبي الزناد، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنما الإمام جنة يقاتل به ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ২৭৫৮

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، عن بكير بن الأشج، عن الحسن بن علي بن أبي رافع، أن أبا رافع، أخبره قال بعثتني قريش إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ألقي في قلبي الإسلام فقلت يا رسول الله إني والله لا أرجع إليهم أبدا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إني لا أخيس بالعهد ولا أحبس البرد ولكن ارجع فإن كان في نفسك الذي في نفسك الآن فارجع ‏"‏ ‏.‏ قال فذهبت ثم أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فأسلمت ‏.‏ قال بكير وأخبرني أن أبا رافع كان قبطيا ‏.‏ قال أبو داود هذا كان في ذلك الزمان فأما اليوم فلا يصلح ‏.‏

আবু রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কুরাইশ নেতারা আমাকে রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে পাঠালেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখা মাত্র আমার অন্তরে ইসলাম গ্রহনের প্রেরণা জাগলো। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আমি কখনোই তাদের কাছে ফিরে যাবো না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি ওয়াদা ভঙ্গ করবো না এবং দূতকেও আটকে রাখবো না। বরং তুমি ফিরে যাও, তোমার অন্তরে এখন যা আছে, পরেও যদি তা থাকে তাহলে তুমি ফিরে এসো। আবূ রাফি’ (রাঃ) বলেন, সুতরাং আমি চলে যাই এবং পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে ফিরে এসে ইসলাম গ্রহন করি। বুকাইর (রঃ) বলেন, আমাকে হাসান ইবনু আলী জানিয়েছেন, আবূ রাফি’ ছিলেন কিবতী গোলাম। আবূ দাঊদ (রঃ) বলেন, এ নিয়ম ঐ যুগের প্রেক্ষাপটে ছিল। এ যুগে কোন দূত ইসলাম গ্রহন করে আশ্রয় চাইলে তাকে আশ্রয় দিবে।

আবু রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কুরাইশ নেতারা আমাকে রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে পাঠালেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখা মাত্র আমার অন্তরে ইসলাম গ্রহনের প্রেরণা জাগলো। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আমি কখনোই তাদের কাছে ফিরে যাবো না। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আমি ওয়াদা ভঙ্গ করবো না এবং দূতকেও আটকে রাখবো না। বরং তুমি ফিরে যাও, তোমার অন্তরে এখন যা আছে, পরেও যদি তা থাকে তাহলে তুমি ফিরে এসো। আবূ রাফি’ (রাঃ) বলেন, সুতরাং আমি চলে যাই এবং পরে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে ফিরে এসে ইসলাম গ্রহন করি। বুকাইর (রঃ) বলেন, আমাকে হাসান ইবনু আলী জানিয়েছেন, আবূ রাফি’ ছিলেন কিবতী গোলাম। আবূ দাঊদ (রঃ) বলেন, এ নিয়ম ঐ যুগের প্রেক্ষাপটে ছিল। এ যুগে কোন দূত ইসলাম গ্রহন করে আশ্রয় চাইলে তাকে আশ্রয় দিবে।

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، عن بكير بن الأشج، عن الحسن بن علي بن أبي رافع، أن أبا رافع، أخبره قال بعثتني قريش إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم ألقي في قلبي الإسلام فقلت يا رسول الله إني والله لا أرجع إليهم أبدا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إني لا أخيس بالعهد ولا أحبس البرد ولكن ارجع فإن كان في نفسك الذي في نفسك الآن فارجع ‏"‏ ‏.‏ قال فذهبت ثم أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فأسلمت ‏.‏ قال بكير وأخبرني أن أبا رافع كان قبطيا ‏.‏ قال أبو داود هذا كان في ذلك الزمان فأما اليوم فلا يصلح ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > মুসলিম নেতা ও শত্রুপক্ষের মধ্যে চুক্তি হওয়ার পর তিনি শত্রুদেশ ভ্রমন করতে পারবেন

সুনানে আবু দাউদ ২৭৫৯

حدثنا حفص بن عمر النمري، قال حدثنا شعبة، عن أبي الفيض، عن سليم بن عامر، - رجل من حمير - قال كان بين معاوية وبين الروم عهد وكان يسير نحو بلادهم حتى إذا انقضى العهد غزاهم فجاء رجل على فرس أو برذون وهو يقول الله أكبر الله أكبر وفاء لا غدر فنظروا فإذا عمرو بن عبسة فأرسل إليه معاوية فسأله فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من كان بينه وبين قوم عهد فلا يشد عقدة ولا يحلها حتى ينقضي أمدها أو ينبذ إليهم على سواء ‏"‏ ‏.‏ فرجع معاوية ‏.‏

হিময়ার গোত্রের সুলাইম ইবনু ‘আমির (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মু’আবিয়াহ (রাঃ) ও রোমকদের মধ্যে (নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত যুদ্ধ বিরতির) চুক্তি হয়। মু’আবিয়াহ (রাঃ) তাদের জনপদে সফর করছিলেন এবং চুক্তির মেয়াদ শেষ হতেই তিনি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেন। তখন এক ব্যাক্তি আরবী বা তুর্কী ঘোড়ায় চড়ে উপস্থিত হয়ে বলেন, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; ওয়াদা রক্ষা করতে হবে, ভঙ্গ করা চলবে না। লোকেরা দেখলো, লোকটি ‘আমর ইবনু ‘আসবাহ (রাঃ)। অতঃপর মু’আবিয়াহ (রাঃ)তাকে ডেকে পাঠালেন। তিনি ‘আমর (রাঃ)- কে (কিসের ওয়াদা ভঙ্গ হচ্ছে তা) জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যদি কারো সাথে কোন কওমের চুক্তি থাকে, তাহলে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে তা নবায়ন করে শক্তিশালী করা যাবে না, এবং ভঙ্গ করাও যাবে না। যখন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে তখন ঘোষনা দিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করবে। অতঃপর মু’আবিয়াহ (রাঃ) (যুদ্ধ না করে) ফিরে আসেন।

হিময়ার গোত্রের সুলাইম ইবনু ‘আমির (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মু’আবিয়াহ (রাঃ) ও রোমকদের মধ্যে (নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত যুদ্ধ বিরতির) চুক্তি হয়। মু’আবিয়াহ (রাঃ) তাদের জনপদে সফর করছিলেন এবং চুক্তির মেয়াদ শেষ হতেই তিনি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেন। তখন এক ব্যাক্তি আরবী বা তুর্কী ঘোড়ায় চড়ে উপস্থিত হয়ে বলেন, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; ওয়াদা রক্ষা করতে হবে, ভঙ্গ করা চলবে না। লোকেরা দেখলো, লোকটি ‘আমর ইবনু ‘আসবাহ (রাঃ)। অতঃপর মু’আবিয়াহ (রাঃ)তাকে ডেকে পাঠালেন। তিনি ‘আমর (রাঃ)- কে (কিসের ওয়াদা ভঙ্গ হচ্ছে তা) জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ যদি কারো সাথে কোন কওমের চুক্তি থাকে, তাহলে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে তা নবায়ন করে শক্তিশালী করা যাবে না, এবং ভঙ্গ করাও যাবে না। যখন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে তখন ঘোষনা দিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করবে। অতঃপর মু’আবিয়াহ (রাঃ) (যুদ্ধ না করে) ফিরে আসেন।

حدثنا حفص بن عمر النمري، قال حدثنا شعبة، عن أبي الفيض، عن سليم بن عامر، - رجل من حمير - قال كان بين معاوية وبين الروم عهد وكان يسير نحو بلادهم حتى إذا انقضى العهد غزاهم فجاء رجل على فرس أو برذون وهو يقول الله أكبر الله أكبر وفاء لا غدر فنظروا فإذا عمرو بن عبسة فأرسل إليه معاوية فسأله فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من كان بينه وبين قوم عهد فلا يشد عقدة ولا يحلها حتى ينقضي أمدها أو ينبذ إليهم على سواء ‏"‏ ‏.‏ فرجع معاوية ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > চুক্তি পুর্ণ করা এবং এর মর্যাদা রক্ষা করা

সুনানে আবু দাউদ ২৭৬০

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن عيينة بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي بكرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قتل معاهدا في غير كنهه حرم الله عليه الجنة ‏"‏ ‏.‏

আবু বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যাক্তি আকারণে কোন চুক্তিবদ্ধ ব্যাক্তিকে হত্যা করবে, তার জন্য আল্লাহ জান্নাত হারাম করে দিবেন।

আবু বাকরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে ব্যাক্তি আকারণে কোন চুক্তিবদ্ধ ব্যাক্তিকে হত্যা করবে, তার জন্য আল্লাহ জান্নাত হারাম করে দিবেন।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن عيينة بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي بكرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قتل معاهدا في غير كنهه حرم الله عليه الجنة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > দূত সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ২৭৬১

حدثنا محمد بن عمرو الرازي، حدثنا سلمة، - يعني ابن الفضل - عن محمد بن إسحاق، قال كان مسيلمة كتب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال وقد حدثني محمد بن إسحاق عن شيخ من أشجع يقال له سعد بن طارق عن سلمة بن نعيم بن مسعود الأشجعي عن أبيه نعيم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لهما حين قرآ كتاب مسيلمة ‏"‏ ما تقولان أنتما ‏"‏ قالا نقول كما قال ‏.‏ قال ‏"‏ أما والله لولا أن الرسل لا تقتل لضربت أعناقكما ‏"‏ ‏.‏

নু’আইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুসাইলামা (ভন্ডনবী) চিঠি লিখেন। অতঃপর চিঠি পড়া হলে তার উভয় দূতকে লক্ষ্য করে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: এ লোক সম্পর্কে তোমরা কি বলো? তারা বললো, আমরা তা-ই বলি যা সে বলে (অর্থাৎ তার নবুওয়াতের দাবী মানি)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃআল্লাহর শপথ! দূত হত্যা করা নিষিদ্ধ না হলে আমি তোমাদের উভয়ের গর্দান উড়িয়ে দিতাম।

নু’আইম (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুসাইলামা (ভন্ডনবী) চিঠি লিখেন। অতঃপর চিঠি পড়া হলে তার উভয় দূতকে লক্ষ্য করে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি: এ লোক সম্পর্কে তোমরা কি বলো? তারা বললো, আমরা তা-ই বলি যা সে বলে (অর্থাৎ তার নবুওয়াতের দাবী মানি)। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃআল্লাহর শপথ! দূত হত্যা করা নিষিদ্ধ না হলে আমি তোমাদের উভয়ের গর্দান উড়িয়ে দিতাম।

حدثنا محمد بن عمرو الرازي، حدثنا سلمة، - يعني ابن الفضل - عن محمد بن إسحاق، قال كان مسيلمة كتب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال وقد حدثني محمد بن إسحاق عن شيخ من أشجع يقال له سعد بن طارق عن سلمة بن نعيم بن مسعود الأشجعي عن أبيه نعيم قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لهما حين قرآ كتاب مسيلمة ‏"‏ ما تقولان أنتما ‏"‏ قالا نقول كما قال ‏.‏ قال ‏"‏ أما والله لولا أن الرسل لا تقتل لضربت أعناقكما ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৭৬২

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن حارثة بن مضرب، أنه أتى عبد الله فقال ما بيني وبين أحد من العرب حنة وإني مررت بمسجد لبني حنيفة فإذا هم يؤمنون بمسيلمة ‏.‏ فأرسل إليهم عبد الله فجيء بهم فاستتابهم غير ابن النواحة قال له سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لولا أنك رسول لضربت عنقك ‏"‏ ‏.‏ فأنت اليوم لست برسول فأمر قرظة بن كعب فضرب عنقه في السوق ثم قال من أراد أن ينظر إلى ابن النواحة قتيلا بالسوق ‏.‏

হারিসাহ ইবনু মুদারবির (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদের (রাঃ) কাছে এসে বললেন, আরববাসীর কারো সাথেই আমার কোন শত্রুতা নাই। কিন্তু আমি বনূ হানীফার মাসজ়িদে যাওয়ার সময় দেখলাম, এ গোত্রের লোকেরা (ভন্ডনবী) মুসাইলামার প্রতি ঈমান এনেছে। তখন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাদেরকে ডেকে আনতে লোক পাঠালেন। সে তাদেরকে নিয়ে আসলে ইবনুন নাওয়াহা ব্যতীত সকলকে তিনি তাওবাহ করতে বললেন। তিনি তাদের বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : তুমি দূত না হলে আমি তোমার গর্দান বিচ্ছিন্ন করে দিতাম। (‘আবদুল্লাহ রা. বলেন) তুমি তো আজ দূত নও। অতঃপর তিনি তাকে হত্যা করতে ক্বারাযাহ ইবনু কা’বকে নির্দেশ দেন। তিনি তাকে বাজারে নিয়ে গিয়ে (জনসম্মুখে) হত্যা করলেন। অতঃপর তিনি (‘আবদুল্লাহ অথবা ক্বারাযাহ) বললেন, যে ব্যাক্তি ইবনুন নাওয়াহাকে দেখতে চায়, সে যেন বাজারে এসে তার লাশ দেখে যায়।

হারিসাহ ইবনু মুদারবির (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদের (রাঃ) কাছে এসে বললেন, আরববাসীর কারো সাথেই আমার কোন শত্রুতা নাই। কিন্তু আমি বনূ হানীফার মাসজ়িদে যাওয়ার সময় দেখলাম, এ গোত্রের লোকেরা (ভন্ডনবী) মুসাইলামার প্রতি ঈমান এনেছে। তখন ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) তাদেরকে ডেকে আনতে লোক পাঠালেন। সে তাদেরকে নিয়ে আসলে ইবনুন নাওয়াহা ব্যতীত সকলকে তিনি তাওবাহ করতে বললেন। তিনি তাদের বললেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : তুমি দূত না হলে আমি তোমার গর্দান বিচ্ছিন্ন করে দিতাম। (‘আবদুল্লাহ রা. বলেন) তুমি তো আজ দূত নও। অতঃপর তিনি তাকে হত্যা করতে ক্বারাযাহ ইবনু কা’বকে নির্দেশ দেন। তিনি তাকে বাজারে নিয়ে গিয়ে (জনসম্মুখে) হত্যা করলেন। অতঃপর তিনি (‘আবদুল্লাহ অথবা ক্বারাযাহ) বললেন, যে ব্যাক্তি ইবনুন নাওয়াহাকে দেখতে চায়, সে যেন বাজারে এসে তার লাশ দেখে যায়।

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن حارثة بن مضرب، أنه أتى عبد الله فقال ما بيني وبين أحد من العرب حنة وإني مررت بمسجد لبني حنيفة فإذا هم يؤمنون بمسيلمة ‏.‏ فأرسل إليهم عبد الله فجيء بهم فاستتابهم غير ابن النواحة قال له سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لولا أنك رسول لضربت عنقك ‏"‏ ‏.‏ فأنت اليوم لست برسول فأمر قرظة بن كعب فضرب عنقه في السوق ثم قال من أراد أن ينظر إلى ابن النواحة قتيلا بالسوق ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00