সুনানে আবু দাউদ > মুশরিকদের জন্য গনীমাতের অংশ আছে কিনা?
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩২
حدثنا مسدد، ويحيى بن معين، قالا حدثنا يحيى، عن مالك، عن الفضيل، عن عبد الله بن نيار، عن عروة، عن عائشة، قال يحيى أن رجلا، من المشركين لحق بالنبي صلى الله عليه وسلم ليقاتل معه فقال " ارجع " . ثم اتفقا فقال " إنا لا نستعين بمشرك " .
'আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জনৈক মুশরিকদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁর সাথে যুদ্ধে অংশ গ্রহণের ইচ্ছে করলে তিনি বললেনঃ তুমি ফিরে যাও। আমরা মুশরিকদের সাহায্য চাই না।
'আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জনৈক মুশরিকদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁর সাথে যুদ্ধে অংশ গ্রহণের ইচ্ছে করলে তিনি বললেনঃ তুমি ফিরে যাও। আমরা মুশরিকদের সাহায্য চাই না।
حدثنا مسدد، ويحيى بن معين، قالا حدثنا يحيى، عن مالك، عن الفضيل، عن عبد الله بن نيار، عن عروة، عن عائشة، قال يحيى أن رجلا، من المشركين لحق بالنبي صلى الله عليه وسلم ليقاتل معه فقال " ارجع " . ثم اتفقا فقال " إنا لا نستعين بمشرك " .
সুনানে আবু দাউদ > গনীমাতের মালে ঘোড়ার (দুই) অংশ
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩৩
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا أبو معاوية، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أسهم لرجل ولفرسه ثلاثة أسهم سهما له وسهمين لفرسه .
ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সৈনিক ও তার ঘোড়ার জন্য তিন ভাগ গনীমাত নির্ধারণ করেন। এক ভাগ সৈনিকের এবং দুই ভাগ ঘোড়ার।
ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সৈনিক ও তার ঘোড়ার জন্য তিন ভাগ গনীমাত নির্ধারণ করেন। এক ভাগ সৈনিকের এবং দুই ভাগ ঘোড়ার।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا أبو معاوية، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أسهم لرجل ولفرسه ثلاثة أسهم سهما له وسهمين لفرسه .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩৪
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا أبو معاوية، حدثنا عبد الله بن يزيد، حدثني المسعودي، حدثني أبو عمرة، عن أبيه، قال أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم أربعة نفر ومعنا فرس فأعطى كل إنسان منا سهما وأعطى للفرس سهمين .
আবূ 'আমরাহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি (পিতা) বলেন, আমরা চার ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এলাম। আমাদের সাথে একটি ঘোড়াও ছিল। তিনি আমাদের প্রত্যেককে গনীমাত থেকে এক ভাগ করে দিলেন, আর ঘোড়ার জন্য দুই ভাগ দিলেন।
আবূ 'আমরাহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি (পিতা) বলেন, আমরা চার ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এলাম। আমাদের সাথে একটি ঘোড়াও ছিল। তিনি আমাদের প্রত্যেককে গনীমাত থেকে এক ভাগ করে দিলেন, আর ঘোড়ার জন্য দুই ভাগ দিলেন।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا أبو معاوية، حدثنا عبد الله بن يزيد، حدثني المسعودي، حدثني أبو عمرة، عن أبيه، قال أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم أربعة نفر ومعنا فرس فأعطى كل إنسان منا سهما وأعطى للفرس سهمين .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩৫
حدثنا مسدد، حدثنا أمية بن خالد، حدثنا المسعودي، عن رجل، من آل أبي عمرة عن أبي عمرة، بمعناه إلا أنه قال ثلاثة نفر . زاد فكان للفارس ثلاثة أسهم .
আবূ 'আমরাহ (রহঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবূ 'আমরাহ (রহঃ) এ সূত্রে বর্ণিত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় তিনজনের কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, ঘোড় সওয়ারীর জন্য ছিল তিন ভাগ।
আবূ 'আমরাহ (রহঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবূ 'আমরাহ (রহঃ) এ সূত্রে বর্ণিত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় তিনজনের কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, ঘোড় সওয়ারীর জন্য ছিল তিন ভাগ।
حدثنا مسدد، حدثنا أمية بن خالد، حدثنا المسعودي، عن رجل، من آل أبي عمرة عن أبي عمرة، بمعناه إلا أنه قال ثلاثة نفر . زاد فكان للفارس ثلاثة أسهم .
সুনানে আবু দাউদ > পদাতিকের জন্য এক অংশ
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩৬
حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا مجمع بن يعقوب بن مجمع بن يزيد الأنصاري، قال سمعت أبي يعقوب بن مجمع، يذكر عن عمه عبد الرحمن بن يزيد الأنصاري، عن عمه، مجمع بن جارية الأنصاري وكان أحد القراء الذين قرءوا القرآن قال شهدنا الحديبية مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما انصرفنا عنها إذا الناس يهزون الأباعر فقال بعض الناس لبعض ما للناس قالوا أوحي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . فخرجنا مع الناس نوجف فوجدنا النبي صلى الله عليه وسلم واقفا على راحلته عند كراع الغميم فلما اجتمع عليه الناس قرأ عليهم { إنا فتحنا لك فتحا مبينا } فقال رجل يا رسول الله أفتح هو قال " نعم والذي نفس محمد بيده إنه لفتح " . فقسمت خيبر على أهل الحديبية فقسمها رسول الله صلى الله عليه وسلم على ثمانية عشر سهما وكان الجيش ألفا وخمسمائة فيهم ثلاثمائة فارس فأعطى الفارس سهمين وأعطى الراجل سهما . قال أبو داود حديث أبي معاوية أصح والعمل عليه وأرى الوهم في حديث مجمع أنه قال ثلاثمائة فارس وكانوا مائتى فارس .
মুজাম্মি' ইবনু জারিয়াহ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ছিলেন অন্যতম ক্বারী। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হুদায়বিয়াতে ছিলাম। আমরা সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করলে লোকেরা তাদের উটগুলোকে এক স্থানে সমবেত হওয়ার জন্য দ্রুত হাঁকাতে লাগলো। লোকেরা পরস্পর বলাবলি করলো, দ্রুত হাঁকানোর কারণ কি? পরে তারা জানতে পারলো, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর ওহী অবতীর্ণ হয়েছে। অন্যান্য লোকের সাথে আমরাও জলদি করে ছুটলাম। আমরা 'কুরাউল গামীম' নামক স্থানে পৌঁছে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর সওয়ারীতে বসা দেখতে পেলাম। লোকেরা তাঁর কাছে সমবেত হলে তিনি তাদেরকে "ইন্না ফাতাহনা লাকা ফাতহাম মুবীনা" নামক সূরাহ পড়ে শুনালেন। এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি বিজয়? তিনি বললেনঃ হাঁ, ঐ সত্তার শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! এটাই বিজয়। যারা হুদায়বিয়ায় যোগদান করেছে তাদের মাঝে খায়বারের গনীমাত বন্টন করা হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রাপ্ত গনীমাত আঠার ভাগে বিভক্ত করেন। যোদ্ধা ছিল পনের শত এবং এর মধ্যে অশ্বারোহী ছিল তিনশো। তিনি অশ্বারোহীদের দুই ভাগ এবং পদাতিকদের এক ভাগ করে গনীমাত প্রদান করলেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ মু'আবিয়হ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি অধিক সহীহ। এ হাদীসের উপরই আমল করা হয়। আমার মতে মুজাম্মি'র (রাঃ) হাদীসে ভুল আছে। কারণ তিনি বলেছেন, অশ্বারোহী ছিল তিনশো, অথচ অশ্বারোহী ছিল দুইশো।
মুজাম্মি' ইবনু জারিয়াহ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ছিলেন অন্যতম ক্বারী। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হুদায়বিয়াতে ছিলাম। আমরা সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করলে লোকেরা তাদের উটগুলোকে এক স্থানে সমবেত হওয়ার জন্য দ্রুত হাঁকাতে লাগলো। লোকেরা পরস্পর বলাবলি করলো, দ্রুত হাঁকানোর কারণ কি? পরে তারা জানতে পারলো, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর ওহী অবতীর্ণ হয়েছে। অন্যান্য লোকের সাথে আমরাও জলদি করে ছুটলাম। আমরা 'কুরাউল গামীম' নামক স্থানে পৌঁছে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর সওয়ারীতে বসা দেখতে পেলাম। লোকেরা তাঁর কাছে সমবেত হলে তিনি তাদেরকে "ইন্না ফাতাহনা লাকা ফাতহাম মুবীনা" নামক সূরাহ পড়ে শুনালেন। এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি বিজয়? তিনি বললেনঃ হাঁ, ঐ সত্তার শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! এটাই বিজয়। যারা হুদায়বিয়ায় যোগদান করেছে তাদের মাঝে খায়বারের গনীমাত বন্টন করা হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রাপ্ত গনীমাত আঠার ভাগে বিভক্ত করেন। যোদ্ধা ছিল পনের শত এবং এর মধ্যে অশ্বারোহী ছিল তিনশো। তিনি অশ্বারোহীদের দুই ভাগ এবং পদাতিকদের এক ভাগ করে গনীমাত প্রদান করলেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ মু'আবিয়হ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি অধিক সহীহ। এ হাদীসের উপরই আমল করা হয়। আমার মতে মুজাম্মি'র (রাঃ) হাদীসে ভুল আছে। কারণ তিনি বলেছেন, অশ্বারোহী ছিল তিনশো, অথচ অশ্বারোহী ছিল দুইশো।
حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا مجمع بن يعقوب بن مجمع بن يزيد الأنصاري، قال سمعت أبي يعقوب بن مجمع، يذكر عن عمه عبد الرحمن بن يزيد الأنصاري، عن عمه، مجمع بن جارية الأنصاري وكان أحد القراء الذين قرءوا القرآن قال شهدنا الحديبية مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما انصرفنا عنها إذا الناس يهزون الأباعر فقال بعض الناس لبعض ما للناس قالوا أوحي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . فخرجنا مع الناس نوجف فوجدنا النبي صلى الله عليه وسلم واقفا على راحلته عند كراع الغميم فلما اجتمع عليه الناس قرأ عليهم { إنا فتحنا لك فتحا مبينا } فقال رجل يا رسول الله أفتح هو قال " نعم والذي نفس محمد بيده إنه لفتح " . فقسمت خيبر على أهل الحديبية فقسمها رسول الله صلى الله عليه وسلم على ثمانية عشر سهما وكان الجيش ألفا وخمسمائة فيهم ثلاثمائة فارس فأعطى الفارس سهمين وأعطى الراجل سهما . قال أبو داود حديث أبي معاوية أصح والعمل عليه وأرى الوهم في حديث مجمع أنه قال ثلاثمائة فارس وكانوا مائتى فارس .
সুনানে আবু দাউদ > গনীমাত থেকে কাউকে পুরস্কার দেয়া
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩৭
حدثنا وهب بن بقية، قال أخبرنا خالد، عن داود، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم بدر " من فعل كذا وكذا فله من النفل كذا وكذا " قال فتقدم الفتيان ولزم المشيخة الرايات فلم يبرحوها فلما فتح الله عليهم قالت المشيخة كنا ردءا لكم لو انهزمتم لفئتم إلينا فلا تذهبوا بالمغنم ونبقى فأبى الفتيان وقالوا جعله رسول الله صلى الله عليه وسلم لنا فأنزل الله { يسألونك عن الأنفال قل الأنفال لله } إلى قوله { كما أخرجك ربك من بيتك بالحق وإن فريقا من المؤمنين لكارهون } يقول فكان ذلك خيرا لهم فكذلك أيضا فأطيعوني فإني أعلم بعاقبة هذا منكم .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি এই এই কাজ করতে পারবে তাকে গনীমাত থেকে এই এই (পুরস্কার) দেয়া হবে। এ কথা শুনে যুবকরা সম্মুখে এগিয়ে গেলো এবং বয়স্করা পতাকার কাছে অটলভাবে দাঁড়িয়ে রইলেন। আল্লাহ তাদেরকে বিজয়ী করলে বয়স্করা বললেন, আমরা তোমাদের সাহায্যকারী পৃষ্ঠপোষক। তোমরা পরাজিত হলে আমাদের কাছেই ফিরে আসতে। সুতরাং আমাদেরকে বাদ দিয়ে তোমরা একাই গনীমাত নিতে পারো না। কিন্তু যুবকরা এ প্রস্তাব না মেনে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসব আমাদেরকে দিয়েছেন। এ প্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “তারা আপনাকে গনীমাতের মাল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলুন, এ গনীমাতের মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের। যখন আপনার রব্ব আপনাকে সত্য সহকারে আপনার ঘর থেকে বের করে আনলেন এবং একদল ঈমানদারের নিকট তা ছিল খুবই দুঃসহ” (সূরাহ আল-আনফালঃ ১-৫)। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এটাই উভয় দলের জন্য কল্যাণকর হলো। সুতরাং তোমরা আমার অনুসরণ করো। কেননা আমি এর পরিণতি সম্পর্কে তোমাদের চেয়ে অধিক জানি।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি এই এই কাজ করতে পারবে তাকে গনীমাত থেকে এই এই (পুরস্কার) দেয়া হবে। এ কথা শুনে যুবকরা সম্মুখে এগিয়ে গেলো এবং বয়স্করা পতাকার কাছে অটলভাবে দাঁড়িয়ে রইলেন। আল্লাহ তাদেরকে বিজয়ী করলে বয়স্করা বললেন, আমরা তোমাদের সাহায্যকারী পৃষ্ঠপোষক। তোমরা পরাজিত হলে আমাদের কাছেই ফিরে আসতে। সুতরাং আমাদেরকে বাদ দিয়ে তোমরা একাই গনীমাত নিতে পারো না। কিন্তু যুবকরা এ প্রস্তাব না মেনে বললো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এসব আমাদেরকে দিয়েছেন। এ প্রেক্ষিতে মহান আল্লাহ আয়াত অবতীর্ণ করেনঃ “তারা আপনাকে গনীমাতের মাল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলুন, এ গনীমাতের মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের। যখন আপনার রব্ব আপনাকে সত্য সহকারে আপনার ঘর থেকে বের করে আনলেন এবং একদল ঈমানদারের নিকট তা ছিল খুবই দুঃসহ” (সূরাহ আল-আনফালঃ ১-৫)। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এটাই উভয় দলের জন্য কল্যাণকর হলো। সুতরাং তোমরা আমার অনুসরণ করো। কেননা আমি এর পরিণতি সম্পর্কে তোমাদের চেয়ে অধিক জানি।
حدثنا وهب بن بقية، قال أخبرنا خالد، عن داود، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم بدر " من فعل كذا وكذا فله من النفل كذا وكذا " قال فتقدم الفتيان ولزم المشيخة الرايات فلم يبرحوها فلما فتح الله عليهم قالت المشيخة كنا ردءا لكم لو انهزمتم لفئتم إلينا فلا تذهبوا بالمغنم ونبقى فأبى الفتيان وقالوا جعله رسول الله صلى الله عليه وسلم لنا فأنزل الله { يسألونك عن الأنفال قل الأنفال لله } إلى قوله { كما أخرجك ربك من بيتك بالحق وإن فريقا من المؤمنين لكارهون } يقول فكان ذلك خيرا لهم فكذلك أيضا فأطيعوني فإني أعلم بعاقبة هذا منكم .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩৮
حدثنا زياد بن أيوب، حدثنا هشيم، أخبرنا داود بن أبي هند، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم بدر " من قتل قتيلا فله كذا وكذا ومن أسر أسيرا فله كذا وكذا " ثم ساق نحوه وحديث خالد أتم .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদরের যুদ্ধের দিন ঘোষণা করলেনঃ কেউ কোন শত্রুকে হত্যা করলে তার জন্য এই এই (পুরস্কার)। আর কেউ কোন শত্রুকে বন্দী করলে তার জন্যও এই এই (পুরস্কার)। এরপর পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। খালিদের হাদীসটি পূর্ণাঙ্গ।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বদরের যুদ্ধের দিন ঘোষণা করলেনঃ কেউ কোন শত্রুকে হত্যা করলে তার জন্য এই এই (পুরস্কার)। আর কেউ কোন শত্রুকে বন্দী করলে তার জন্যও এই এই (পুরস্কার)। এরপর পূর্বের হাদীসের অনুরূপ। খালিদের হাদীসটি পূর্ণাঙ্গ।
حدثنا زياد بن أيوب، حدثنا هشيم، أخبرنا داود بن أبي هند، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم بدر " من قتل قتيلا فله كذا وكذا ومن أسر أسيرا فله كذا وكذا " ثم ساق نحوه وحديث خالد أتم .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৪০
حدثني هناد بن السري، عن أبي بكر، عن عاصم، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال جئت إلى النبي صلى الله عليه وسلم يوم بدر بسيف فقلت يا رسول الله إن الله قد شفى صدري اليوم من العدو فهب لي هذا السيف . قال " إن هذا السيف ليس لي ولا لك " فذهبت وأنا أقول يعطاه اليوم من لم يبل بلائي . فبينا أنا إذ جاءني الرسول فقال أجب . فظننت أنه نزل في شىء بكلامي فجئت فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم " إنك سألتني هذا السيف وليس هو لي ولا لك وإن الله قد جعله لي فهو لك ثم قرأ { يسألونك عن الأنفال قل الأنفال لله والرسول } إلى آخر الآية " . قال أبو داود قراءة ابن مسعود يسألونك النفل .
সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বদর যুদ্ধ শেষে একটি তরবারি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গিয়ে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আজকের দিন শত্রু নিধনের ব্যাপারে আমার অন্তরকে নিরাময় দিয়েছেন। সুতরাং এই তরবারি আমাকে দিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ এটা আমারও নয় তোমারও নয়। তখন আমি এই বলতে বলতে ফিরে যাই যে, আজকের এ তরবারি এমন লোককে দেয়া হবে, যুদ্ধের ময়দানে যে আমার মত পরীক্ষার সম্মুখীন হয়নি। এমন সময় রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দূত আমার কাছে এসে বললো, চলো। আমি ভাবলাম, আমার ঐ কথার কারণে আমার বিরুদ্ধে কিছু অবতীর্ণ হয়েছে। আমি আসলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি আমার কাছে এ তরবারিটা চেয়েছিলে, তখন এর মালিকানা আমারও ছিল না, তোমারও ছিল না। এখন আল্লাহ আমাকে এটা দান করেছেন। কাজেই এটা এখন তোমার। অতঃপর তিনি এ আয়াত পড়লেনঃ “তারা আপনাকে গনীমাতের মাল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলুন, গনীমাতের মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের...” আয়াতের শেষ পর্যন্ত (সূরাহ আল-আনফালঃ ১)। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর ক্বিরাআত হলোঃ ‘ইয়াসআলূনাকান-নাফলা’।
সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বদর যুদ্ধ শেষে একটি তরবারি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গিয়ে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আজকের দিন শত্রু নিধনের ব্যাপারে আমার অন্তরকে নিরাময় দিয়েছেন। সুতরাং এই তরবারি আমাকে দিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ এটা আমারও নয় তোমারও নয়। তখন আমি এই বলতে বলতে ফিরে যাই যে, আজকের এ তরবারি এমন লোককে দেয়া হবে, যুদ্ধের ময়দানে যে আমার মত পরীক্ষার সম্মুখীন হয়নি। এমন সময় রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দূত আমার কাছে এসে বললো, চলো। আমি ভাবলাম, আমার ঐ কথার কারণে আমার বিরুদ্ধে কিছু অবতীর্ণ হয়েছে। আমি আসলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি আমার কাছে এ তরবারিটা চেয়েছিলে, তখন এর মালিকানা আমারও ছিল না, তোমারও ছিল না। এখন আল্লাহ আমাকে এটা দান করেছেন। কাজেই এটা এখন তোমার। অতঃপর তিনি এ আয়াত পড়লেনঃ “তারা আপনাকে গনীমাতের মাল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলুন, গনীমাতের মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের...” আয়াতের শেষ পর্যন্ত (সূরাহ আল-আনফালঃ ১)। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর ক্বিরাআত হলোঃ ‘ইয়াসআলূনাকান-নাফলা’।
حدثني هناد بن السري، عن أبي بكر، عن عاصم، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال جئت إلى النبي صلى الله عليه وسلم يوم بدر بسيف فقلت يا رسول الله إن الله قد شفى صدري اليوم من العدو فهب لي هذا السيف . قال " إن هذا السيف ليس لي ولا لك " فذهبت وأنا أقول يعطاه اليوم من لم يبل بلائي . فبينا أنا إذ جاءني الرسول فقال أجب . فظننت أنه نزل في شىء بكلامي فجئت فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم " إنك سألتني هذا السيف وليس هو لي ولا لك وإن الله قد جعله لي فهو لك ثم قرأ { يسألونك عن الأنفال قل الأنفال لله والرسول } إلى آخر الآية " . قال أبو داود قراءة ابن مسعود يسألونك النفل .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৪০
حدثني هناد بن السري، عن أبي بكر، عن عاصم، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال جئت إلى النبي صلى الله عليه وسلم يوم بدر بسيف فقلت يا رسول الله إن الله قد شفى صدري اليوم من العدو فهب لي هذا السيف . قال " إن هذا السيف ليس لي ولا لك " فذهبت وأنا أقول يعطاه اليوم من لم يبل بلائي . فبينا أنا إذ جاءني الرسول فقال أجب . فظننت أنه نزل في شىء بكلامي فجئت فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم " إنك سألتني هذا السيف وليس هو لي ولا لك وإن الله قد جعله لي فهو لك ثم قرأ { يسألونك عن الأنفال قل الأنفال لله والرسول } إلى آخر الآية " . قال أبو داود قراءة ابن مسعود يسألونك النفل .
সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বদর যুদ্ধ শেষে একটি তরবারি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গিয়ে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আজকের দিন শত্রু নিধনের ব্যাপারে আমার অন্তরকে নিরাময় দিয়েছেন। সুতরাং এই তরবারি আমাকে দিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ এটা আমারও নয় তোমারও নয়। তখন আমি এই বলতে বলতে ফিরে যাই যে, আজকের এ তরবারি এমন লোককে দেয়া হবে, যুদ্ধের ময়দানে যে আমার মত পরীক্ষার সম্মুখীন হয়নি। এমন সময় রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দূত আমার কাছে এসে বললো, চলো। আমি ভাবলাম, আমার ঐ কথার কারণে আমার বিরুদ্ধে কিছু অবতীর্ণ হয়েছে। আমি আসলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি আমার কাছে এ তরবারিটা চেয়েছিলে, তখন এর মালিকানা আমারও ছিল না, তোমারও ছিল না। এখন আল্লাহ আমাকে এটা দান করেছেন। কাজেই এটা এখন তোমার। অতঃপর তিনি এ আয়াত পড়লেনঃ “তারা আপনাকে গনীমাতের মাল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলুন, গনীমাতের মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের...” আয়াতের শেষ পর্যন্ত (সূরাহ আল-আনফালঃ ১)। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর ক্বিরাআত হলোঃ ‘ইয়াসআলূনাকান-নাফলা’।
সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বদর যুদ্ধ শেষে একটি তরবারি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গিয়ে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আজকের দিন শত্রু নিধনের ব্যাপারে আমার অন্তরকে নিরাময় দিয়েছেন। সুতরাং এই তরবারি আমাকে দিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ এটা আমারও নয় তোমারও নয়। তখন আমি এই বলতে বলতে ফিরে যাই যে, আজকের এ তরবারি এমন লোককে দেয়া হবে, যুদ্ধের ময়দানে যে আমার মত পরীক্ষার সম্মুখীন হয়নি। এমন সময় রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দূত আমার কাছে এসে বললো, চলো। আমি ভাবলাম, আমার ঐ কথার কারণে আমার বিরুদ্ধে কিছু অবতীর্ণ হয়েছে। আমি আসলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি আমার কাছে এ তরবারিটা চেয়েছিলে, তখন এর মালিকানা আমারও ছিল না, তোমারও ছিল না। এখন আল্লাহ আমাকে এটা দান করেছেন। কাজেই এটা এখন তোমার। অতঃপর তিনি এ আয়াত পড়লেনঃ “তারা আপনাকে গনীমাতের মাল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলুন, গনীমাতের মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের...” আয়াতের শেষ পর্যন্ত (সূরাহ আল-আনফালঃ ১)। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর ক্বিরাআত হলোঃ ‘ইয়াসআলূনাকান-নাফলা’।
حدثني هناد بن السري، عن أبي بكر، عن عاصم، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال جئت إلى النبي صلى الله عليه وسلم يوم بدر بسيف فقلت يا رسول الله إن الله قد شفى صدري اليوم من العدو فهب لي هذا السيف . قال " إن هذا السيف ليس لي ولا لك " فذهبت وأنا أقول يعطاه اليوم من لم يبل بلائي . فبينا أنا إذ جاءني الرسول فقال أجب . فظننت أنه نزل في شىء بكلامي فجئت فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم " إنك سألتني هذا السيف وليس هو لي ولا لك وإن الله قد جعله لي فهو لك ثم قرأ { يسألونك عن الأنفال قل الأنفال لله والرسول } إلى آخر الآية " . قال أبو داود قراءة ابن مسعود يسألونك النفل .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৪০
حدثني هناد بن السري، عن أبي بكر، عن عاصم، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال جئت إلى النبي صلى الله عليه وسلم يوم بدر بسيف فقلت يا رسول الله إن الله قد شفى صدري اليوم من العدو فهب لي هذا السيف . قال " إن هذا السيف ليس لي ولا لك " فذهبت وأنا أقول يعطاه اليوم من لم يبل بلائي . فبينا أنا إذ جاءني الرسول فقال أجب . فظننت أنه نزل في شىء بكلامي فجئت فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم " إنك سألتني هذا السيف وليس هو لي ولا لك وإن الله قد جعله لي فهو لك ثم قرأ { يسألونك عن الأنفال قل الأنفال لله والرسول } إلى آخر الآية " . قال أبو داود قراءة ابن مسعود يسألونك النفل .
সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বদর যুদ্ধ শেষে একটি তরবারি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গিয়ে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আজকের দিন শত্রু নিধনের ব্যাপারে আমার অন্তরকে নিরাময় দিয়েছেন। সুতরাং এই তরবারি আমাকে দিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ এটা আমারও নয় তোমারও নয়। তখন আমি এই বলতে বলতে ফিরে যাই যে, আজকের এ তরবারি এমন লোককে দেয়া হবে, যুদ্ধের ময়দানে যে আমার মত পরীক্ষার সম্মুখীন হয়নি। এমন সময় রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দূত আমার কাছে এসে বললো, চলো। আমি ভাবলাম, আমার ঐ কথার কারণে আমার বিরুদ্ধে কিছু অবতীর্ণ হয়েছে। আমি আসলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি আমার কাছে এ তরবারিটা চেয়েছিলে, তখন এর মালিকানা আমারও ছিল না, তোমারও ছিল না। এখন আল্লাহ আমাকে এটা দান করেছেন। কাজেই এটা এখন তোমার। অতঃপর তিনি এ আয়াত পড়লেনঃ “তারা আপনাকে গনীমাতের মাল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলুন, গনীমাতের মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের...” আয়াতের শেষ পর্যন্ত (সূরাহ আল-আনফালঃ ১)। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর ক্বিরাআত হলোঃ ‘ইয়াসআলূনাকান-নাফলা’।
সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বদর যুদ্ধ শেষে একটি তরবারি নিয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গিয়ে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয়ই আল্লাহ আজকের দিন শত্রু নিধনের ব্যাপারে আমার অন্তরকে নিরাময় দিয়েছেন। সুতরাং এই তরবারি আমাকে দিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ এটা আমারও নয় তোমারও নয়। তখন আমি এই বলতে বলতে ফিরে যাই যে, আজকের এ তরবারি এমন লোককে দেয়া হবে, যুদ্ধের ময়দানে যে আমার মত পরীক্ষার সম্মুখীন হয়নি। এমন সময় রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দূত আমার কাছে এসে বললো, চলো। আমি ভাবলাম, আমার ঐ কথার কারণে আমার বিরুদ্ধে কিছু অবতীর্ণ হয়েছে। আমি আসলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেনঃ তুমি আমার কাছে এ তরবারিটা চেয়েছিলে, তখন এর মালিকানা আমারও ছিল না, তোমারও ছিল না। এখন আল্লাহ আমাকে এটা দান করেছেন। কাজেই এটা এখন তোমার। অতঃপর তিনি এ আয়াত পড়লেনঃ “তারা আপনাকে গনীমাতের মাল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলুন, গনীমাতের মাল আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের...” আয়াতের শেষ পর্যন্ত (সূরাহ আল-আনফালঃ ১)। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু মাসউদ (রাঃ) এর ক্বিরাআত হলোঃ ‘ইয়াসআলূনাকান-নাফলা’।
حدثني هناد بن السري، عن أبي بكر، عن عاصم، عن مصعب بن سعد، عن أبيه، قال جئت إلى النبي صلى الله عليه وسلم يوم بدر بسيف فقلت يا رسول الله إن الله قد شفى صدري اليوم من العدو فهب لي هذا السيف . قال " إن هذا السيف ليس لي ولا لك " فذهبت وأنا أقول يعطاه اليوم من لم يبل بلائي . فبينا أنا إذ جاءني الرسول فقال أجب . فظننت أنه نزل في شىء بكلامي فجئت فقال لي النبي صلى الله عليه وسلم " إنك سألتني هذا السيف وليس هو لي ولا لك وإن الله قد جعله لي فهو لك ثم قرأ { يسألونك عن الأنفال قل الأنفال لله والرسول } إلى آخر الآية " . قال أبو داود قراءة ابن مسعود يسألونك النفل .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩৯
حدثنا هارون بن محمد بن بكار بن بلال، حدثنا يزيد بن خالد بن موهب الهمداني، قال حدثنا يحيى بن زكريا بن أبي زائدة، قال أخبرني داود، بهذا الحديث بإسناده قال فقسمها رسول الله صلى الله عليه وسلم بالسواء . وحديث خالد أتم .
দাউদ (রহঃ) এ হাদীস তার সানাদ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গনীমাতের মাল সবাইকে সমান ভাগে বন্টন করে দিলেন। খালিদের বর্ণিত হাদীস (পূর্বেরটি) ইয়াহইয়া ইবনু আবূ যায়িদাহর এ হাদীসের চেয়ে পূর্ণাঙ্গ।
দাউদ (রহঃ) এ হাদীস তার সানাদ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গনীমাতের মাল সবাইকে সমান ভাগে বন্টন করে দিলেন। খালিদের বর্ণিত হাদীস (পূর্বেরটি) ইয়াহইয়া ইবনু আবূ যায়িদাহর এ হাদীসের চেয়ে পূর্ণাঙ্গ।
حدثنا هارون بن محمد بن بكار بن بلال، حدثنا يزيد بن خالد بن موهب الهمداني، قال حدثنا يحيى بن زكريا بن أبي زائدة، قال أخبرني داود، بهذا الحديث بإسناده قال فقسمها رسول الله صلى الله عليه وسلم بالسواء . وحديث خالد أتم .