সুনানে আবু দাউদ > নারী ও কৃতদাসকে গনীমাতের অংশ প্রদান
সুনানে আবু দাউদ ২৭২৭
حدثنا محبوب بن موسى أبو صالح، حدثنا أبو إسحاق الفزاري، عن زائدة، عن الأعمش، عن المختار بن صيفي، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة إلى ابن عباس يسأله عن كذا، وكذا، وذكر، أشياء وعن المملوك، أله في الفىء شىء وعن النساء، هل كن يخرجن مع النبي صلى الله عليه وسلم وهل لهن نصيب فقال ابن عباس لولا أن يأتي أحموقة ما كتبت إليه أما المملوك فكان يحذى وأما النساء فقد كن يداوين الجرحى ويسقين الماء .
ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা (খারিজী নেতা) নাজদাহ কিছু বিষয় উল্লেখ করে ইবনু 'আব্বাসের (রাঃ) নিকট চিঠি লিখলো। তাতে এও ছিল যে, ক্রীতদাস কি 'ফাই'-এর অংশ পাবে? নারীরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে যুদ্ধে যেতো কিনা এবং তাদেরকে কি গনীমাতের অংশ দেয়া হতো কিনা? ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বললেন, সে আহাম্মকী করে বসবে (এরূপ আশঙ্কা না হলে) আমি তার চিঠির উত্তর দিতাম না। অতঃপর তিনি চিঠির উত্তরে লিখলেন, গোলামকে গনীমাতের অংশ দেয়া হতো, নারীরা আহতদের সেবা করতো এবং সৈনিকদের জন্য পানি সরবরাহ করতো।
ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা (খারিজী নেতা) নাজদাহ কিছু বিষয় উল্লেখ করে ইবনু 'আব্বাসের (রাঃ) নিকট চিঠি লিখলো। তাতে এও ছিল যে, ক্রীতদাস কি 'ফাই'-এর অংশ পাবে? নারীরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে যুদ্ধে যেতো কিনা এবং তাদেরকে কি গনীমাতের অংশ দেয়া হতো কিনা? ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) বললেন, সে আহাম্মকী করে বসবে (এরূপ আশঙ্কা না হলে) আমি তার চিঠির উত্তর দিতাম না। অতঃপর তিনি চিঠির উত্তরে লিখলেন, গোলামকে গনীমাতের অংশ দেয়া হতো, নারীরা আহতদের সেবা করতো এবং সৈনিকদের জন্য পানি সরবরাহ করতো।
حدثنا محبوب بن موسى أبو صالح، حدثنا أبو إسحاق الفزاري، عن زائدة، عن الأعمش، عن المختار بن صيفي، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة إلى ابن عباس يسأله عن كذا، وكذا، وذكر، أشياء وعن المملوك، أله في الفىء شىء وعن النساء، هل كن يخرجن مع النبي صلى الله عليه وسلم وهل لهن نصيب فقال ابن عباس لولا أن يأتي أحموقة ما كتبت إليه أما المملوك فكان يحذى وأما النساء فقد كن يداوين الجرحى ويسقين الماء .
সুনানে আবু দাউদ ২৭২৮
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، قال حدثنا أحمد بن خالد، - يعني الوهبي - حدثنا ابن إسحاق، عن أبي جعفر، والزهري، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة الحروري إلى ابن عباس يسأله عن النساء، هل كن يشهدن الحرب مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وهل كان يضرب لهن بسهم قال فأنا كتبت كتاب ابن عباس إلى نجدة قد كن يحضرن الحرب مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأما أن يضرب لهن بسهم فلا وقد كان يرضخ لهن .
ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হারূরার খারিজী নেতা নাজদাহ কয়েকটি প্রশ্ন করে ইবনু 'আব্বাসের (রাঃ) নিকট চিঠি লিখলো। (তা হলো) নারীরা কি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে যুদ্ধে যোগদান করতো কিনা? উত্তরে জানালাম, নারীরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে যুদ্ধক্ষেত্রে আসতো। তবে তিনি তাদের জন্য গনীমাতের অংশ নির্ধারণ করতেন না, অবশ্য উপঢৌকন হিসেবে কিছু দিতেন।
ইয়াযীদ ইবনু হুরমুয (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হারূরার খারিজী নেতা নাজদাহ কয়েকটি প্রশ্ন করে ইবনু 'আব্বাসের (রাঃ) নিকট চিঠি লিখলো। (তা হলো) নারীরা কি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে যুদ্ধে যোগদান করতো কিনা? উত্তরে জানালাম, নারীরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে যুদ্ধক্ষেত্রে আসতো। তবে তিনি তাদের জন্য গনীমাতের অংশ নির্ধারণ করতেন না, অবশ্য উপঢৌকন হিসেবে কিছু দিতেন।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، قال حدثنا أحمد بن خالد، - يعني الوهبي - حدثنا ابن إسحاق، عن أبي جعفر، والزهري، عن يزيد بن هرمز، قال كتب نجدة الحروري إلى ابن عباس يسأله عن النساء، هل كن يشهدن الحرب مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وهل كان يضرب لهن بسهم قال فأنا كتبت كتاب ابن عباس إلى نجدة قد كن يحضرن الحرب مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فأما أن يضرب لهن بسهم فلا وقد كان يرضخ لهن .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩১
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال كنت أميح أصحابي الماء يوم بدر .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের দিন আমি আমার সাথীদের জন্য পানি সরবরাহ করেছি।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বদরের যুদ্ধের দিন আমি আমার সাথীদের জন্য পানি সরবরাহ করেছি।
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي سفيان، عن جابر، قال كنت أميح أصحابي الماء يوم بدر .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩০
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا بشر، - يعني ابن المفضل - عن محمد بن زيد، قال حدثني عمير، مولى آبي اللحم قال شهدت خيبر مع سادتي فكلموا في رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمر بي فقلدت سيفا فإذا أنا أجره فأخبر أني مملوك فأمر لي بشىء من خرثي المتاع . قال أبو داود معناه أنه لم يسهم له . قال أبو داود وقال أبو عبيد كان حرم اللحم على نفسه فسمي آبي اللحم .
আবূল লাহমের আযাদকৃত গোলাম 'উমাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার মনিবের সাথে খায়বারের যুদ্ধে গমন করি। তারা আমার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে আলাপ করলে তাঁর নির্দেশ মোতাবেক আমার কোমরে তরবারি ঝুলানো হলো। তা আমি যমীনে হেঁচড়িয়ে চলতাম। তিনি পরে অবহিত হলেন যে, আমি মুক্তদাস। তিনি আমাকে কিছু জিনিসপত্র দেয়ার নির্দেশ দিলেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এর অর্থ হলো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে গনীমাতের অংশ দেননি। আবূ দাঊদ (রহঃ) আরো বলেন, আবূ 'উবাইদ (রহঃ) বলেছেন, তিনি তার জন্য গোশত ভক্ষণ নিষিদ্ধ করেন। সেজন্য তার নাম আবূল লাহম (গোশতের পিতা)।
আবূল লাহমের আযাদকৃত গোলাম 'উমাইর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আমার মনিবের সাথে খায়বারের যুদ্ধে গমন করি। তারা আমার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে আলাপ করলে তাঁর নির্দেশ মোতাবেক আমার কোমরে তরবারি ঝুলানো হলো। তা আমি যমীনে হেঁচড়িয়ে চলতাম। তিনি পরে অবহিত হলেন যে, আমি মুক্তদাস। তিনি আমাকে কিছু জিনিসপত্র দেয়ার নির্দেশ দিলেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এর অর্থ হলো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে গনীমাতের অংশ দেননি। আবূ দাঊদ (রহঃ) আরো বলেন, আবূ 'উবাইদ (রহঃ) বলেছেন, তিনি তার জন্য গোশত ভক্ষণ নিষিদ্ধ করেন। সেজন্য তার নাম আবূল লাহম (গোশতের পিতা)।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا بشر، - يعني ابن المفضل - عن محمد بن زيد، قال حدثني عمير، مولى آبي اللحم قال شهدت خيبر مع سادتي فكلموا في رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمر بي فقلدت سيفا فإذا أنا أجره فأخبر أني مملوك فأمر لي بشىء من خرثي المتاع . قال أبو داود معناه أنه لم يسهم له . قال أبو داود وقال أبو عبيد كان حرم اللحم على نفسه فسمي آبي اللحم .
সুনানে আবু দাউদ ২৭২৯
حدثنا إبراهيم بن سعيد، وغيره، أخبرنا زيد بن الحباب، قال حدثنا رافع بن سلمة بن زياد، حدثني حشرج بن زياد، عن جدته أم أبيه، أنها خرجت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة خيبر سادس ست نسوة فبلغ رسول الله صلى الله عليه وسلم فبعث إلينا فجئنا فرأينا فيه الغضب فقال " مع من خرجتن وبإذن من خرجتن " . فقلنا يا رسول الله خرجنا نغزل الشعر ونعين به في سبيل الله ومعنا دواء الجرحى ونناول السهام ونسقي السويق فقال " قمن " حتى إذا فتح الله عليه خيبر أسهم لنا كما أسهم للرجال . قال فقلت لها يا جدة وما كان ذلك قالت تمرا .
হাশরাজ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) তার পিতার মা অর্থাৎ তার দাদীর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি (দাদী) পাঁচজন মহিলাসহ রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে খায়বারের যুদ্ধে যোগদানের উদ্দেশে রওয়ানা হন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানতে পেয়ে আমাদেরকে ডেকে পাঠান। আমরা এসে তাঁর চেহারায় অসন্তুষ্টির ছাপ লক্ষ্য করি। তিনি বললেনঃ তোমরা কার সাথে এবং কার হুকুমে রওয়ানা হয়েছো? আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা এজন্য বেরিয়েছি যে, আমরা দড়ি পাকাবো এবং তা দিয়ে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করতে সাহায্য করবো, আহতদের চিকিৎসার জন্য আমাদের কাছে ঔষধপত্র রয়েছে, আমরা সৈন্যদের তীর-ধনুক এগিয়ে দিবো এবং তাদেরকে ছাতু তৈরি করে দিবো। তিনি বললেনঃ ঠিক আছে, চলো। আল্লাহ তাঁর রাসূলকে খায়বারের যুদ্ধে বিজয় দান করলেন। তিনি পুরুষদের ন্যায় আমাদেরকেও গনীমাতের ভাগ দেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, হে দাদী! ভাগে কি ছিল? তিনি বললেন, খেজুর। দুর্বলঃ ইরওয়া (১২৩৮)।
হাশরাজ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) তার পিতার মা অর্থাৎ তার দাদীর সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি (দাদী) পাঁচজন মহিলাসহ রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে খায়বারের যুদ্ধে যোগদানের উদ্দেশে রওয়ানা হন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানতে পেয়ে আমাদেরকে ডেকে পাঠান। আমরা এসে তাঁর চেহারায় অসন্তুষ্টির ছাপ লক্ষ্য করি। তিনি বললেনঃ তোমরা কার সাথে এবং কার হুকুমে রওয়ানা হয়েছো? আমরা বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমরা এজন্য বেরিয়েছি যে, আমরা দড়ি পাকাবো এবং তা দিয়ে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করতে সাহায্য করবো, আহতদের চিকিৎসার জন্য আমাদের কাছে ঔষধপত্র রয়েছে, আমরা সৈন্যদের তীর-ধনুক এগিয়ে দিবো এবং তাদেরকে ছাতু তৈরি করে দিবো। তিনি বললেনঃ ঠিক আছে, চলো। আল্লাহ তাঁর রাসূলকে খায়বারের যুদ্ধে বিজয় দান করলেন। তিনি পুরুষদের ন্যায় আমাদেরকেও গনীমাতের ভাগ দেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, হে দাদী! ভাগে কি ছিল? তিনি বললেন, খেজুর। দুর্বলঃ ইরওয়া (১২৩৮)।
حدثنا إبراهيم بن سعيد، وغيره، أخبرنا زيد بن الحباب، قال حدثنا رافع بن سلمة بن زياد، حدثني حشرج بن زياد، عن جدته أم أبيه، أنها خرجت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة خيبر سادس ست نسوة فبلغ رسول الله صلى الله عليه وسلم فبعث إلينا فجئنا فرأينا فيه الغضب فقال " مع من خرجتن وبإذن من خرجتن " . فقلنا يا رسول الله خرجنا نغزل الشعر ونعين به في سبيل الله ومعنا دواء الجرحى ونناول السهام ونسقي السويق فقال " قمن " حتى إذا فتح الله عليه خيبر أسهم لنا كما أسهم للرجال . قال فقلت لها يا جدة وما كان ذلك قالت تمرا .
সুনানে আবু দাউদ > মুশরিকদের জন্য গনীমাতের অংশ আছে কিনা?
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩২
حدثنا مسدد، ويحيى بن معين، قالا حدثنا يحيى، عن مالك، عن الفضيل، عن عبد الله بن نيار، عن عروة، عن عائشة، قال يحيى أن رجلا، من المشركين لحق بالنبي صلى الله عليه وسلم ليقاتل معه فقال " ارجع " . ثم اتفقا فقال " إنا لا نستعين بمشرك " .
'আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জনৈক মুশরিকদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁর সাথে যুদ্ধে অংশ গ্রহণের ইচ্ছে করলে তিনি বললেনঃ তুমি ফিরে যাও। আমরা মুশরিকদের সাহায্য চাই না।
'আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জনৈক মুশরিকদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁর সাথে যুদ্ধে অংশ গ্রহণের ইচ্ছে করলে তিনি বললেনঃ তুমি ফিরে যাও। আমরা মুশরিকদের সাহায্য চাই না।
حدثنا مسدد، ويحيى بن معين، قالا حدثنا يحيى، عن مالك، عن الفضيل، عن عبد الله بن نيار، عن عروة، عن عائشة، قال يحيى أن رجلا، من المشركين لحق بالنبي صلى الله عليه وسلم ليقاتل معه فقال " ارجع " . ثم اتفقا فقال " إنا لا نستعين بمشرك " .
সুনানে আবু দাউদ > গনীমাতের মালে ঘোড়ার (দুই) অংশ
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩৩
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا أبو معاوية، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أسهم لرجل ولفرسه ثلاثة أسهم سهما له وسهمين لفرسه .
ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সৈনিক ও তার ঘোড়ার জন্য তিন ভাগ গনীমাত নির্ধারণ করেন। এক ভাগ সৈনিকের এবং দুই ভাগ ঘোড়ার।
ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সৈনিক ও তার ঘোড়ার জন্য তিন ভাগ গনীমাত নির্ধারণ করেন। এক ভাগ সৈনিকের এবং দুই ভাগ ঘোড়ার।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا أبو معاوية، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أسهم لرجل ولفرسه ثلاثة أسهم سهما له وسهمين لفرسه .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩৪
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا أبو معاوية، حدثنا عبد الله بن يزيد، حدثني المسعودي، حدثني أبو عمرة، عن أبيه، قال أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم أربعة نفر ومعنا فرس فأعطى كل إنسان منا سهما وأعطى للفرس سهمين .
আবূ 'আমরাহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি (পিতা) বলেন, আমরা চার ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এলাম। আমাদের সাথে একটি ঘোড়াও ছিল। তিনি আমাদের প্রত্যেককে গনীমাত থেকে এক ভাগ করে দিলেন, আর ঘোড়ার জন্য দুই ভাগ দিলেন।
আবূ 'আমরাহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি (পিতা) বলেন, আমরা চার ব্যক্তি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে এলাম। আমাদের সাথে একটি ঘোড়াও ছিল। তিনি আমাদের প্রত্যেককে গনীমাত থেকে এক ভাগ করে দিলেন, আর ঘোড়ার জন্য দুই ভাগ দিলেন।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا أبو معاوية، حدثنا عبد الله بن يزيد، حدثني المسعودي، حدثني أبو عمرة، عن أبيه، قال أتينا رسول الله صلى الله عليه وسلم أربعة نفر ومعنا فرس فأعطى كل إنسان منا سهما وأعطى للفرس سهمين .
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩৫
حدثنا مسدد، حدثنا أمية بن خالد، حدثنا المسعودي، عن رجل، من آل أبي عمرة عن أبي عمرة، بمعناه إلا أنه قال ثلاثة نفر . زاد فكان للفارس ثلاثة أسهم .
আবূ 'আমরাহ (রহঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবূ 'আমরাহ (রহঃ) এ সূত্রে বর্ণিত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় তিনজনের কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, ঘোড় সওয়ারীর জন্য ছিল তিন ভাগ।
আবূ 'আমরাহ (রহঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
আবূ 'আমরাহ (রহঃ) এ সূত্রে বর্ণিত হাদীসের সমার্থক হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় তিনজনের কথা উল্লেখ করেন এবং বলেন, ঘোড় সওয়ারীর জন্য ছিল তিন ভাগ।
حدثنا مسدد، حدثنا أمية بن خالد، حدثنا المسعودي، عن رجل، من آل أبي عمرة عن أبي عمرة، بمعناه إلا أنه قال ثلاثة نفر . زاد فكان للفارس ثلاثة أسهم .
সুনানে আবু দাউদ > পদাতিকের জন্য এক অংশ
সুনানে আবু দাউদ ২৭৩৬
حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا مجمع بن يعقوب بن مجمع بن يزيد الأنصاري، قال سمعت أبي يعقوب بن مجمع، يذكر عن عمه عبد الرحمن بن يزيد الأنصاري، عن عمه، مجمع بن جارية الأنصاري وكان أحد القراء الذين قرءوا القرآن قال شهدنا الحديبية مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما انصرفنا عنها إذا الناس يهزون الأباعر فقال بعض الناس لبعض ما للناس قالوا أوحي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . فخرجنا مع الناس نوجف فوجدنا النبي صلى الله عليه وسلم واقفا على راحلته عند كراع الغميم فلما اجتمع عليه الناس قرأ عليهم { إنا فتحنا لك فتحا مبينا } فقال رجل يا رسول الله أفتح هو قال " نعم والذي نفس محمد بيده إنه لفتح " . فقسمت خيبر على أهل الحديبية فقسمها رسول الله صلى الله عليه وسلم على ثمانية عشر سهما وكان الجيش ألفا وخمسمائة فيهم ثلاثمائة فارس فأعطى الفارس سهمين وأعطى الراجل سهما . قال أبو داود حديث أبي معاوية أصح والعمل عليه وأرى الوهم في حديث مجمع أنه قال ثلاثمائة فارس وكانوا مائتى فارس .
মুজাম্মি' ইবনু জারিয়াহ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ছিলেন অন্যতম ক্বারী। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হুদায়বিয়াতে ছিলাম। আমরা সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করলে লোকেরা তাদের উটগুলোকে এক স্থানে সমবেত হওয়ার জন্য দ্রুত হাঁকাতে লাগলো। লোকেরা পরস্পর বলাবলি করলো, দ্রুত হাঁকানোর কারণ কি? পরে তারা জানতে পারলো, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর ওহী অবতীর্ণ হয়েছে। অন্যান্য লোকের সাথে আমরাও জলদি করে ছুটলাম। আমরা 'কুরাউল গামীম' নামক স্থানে পৌঁছে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর সওয়ারীতে বসা দেখতে পেলাম। লোকেরা তাঁর কাছে সমবেত হলে তিনি তাদেরকে "ইন্না ফাতাহনা লাকা ফাতহাম মুবীনা" নামক সূরাহ পড়ে শুনালেন। এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি বিজয়? তিনি বললেনঃ হাঁ, ঐ সত্তার শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! এটাই বিজয়। যারা হুদায়বিয়ায় যোগদান করেছে তাদের মাঝে খায়বারের গনীমাত বন্টন করা হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রাপ্ত গনীমাত আঠার ভাগে বিভক্ত করেন। যোদ্ধা ছিল পনের শত এবং এর মধ্যে অশ্বারোহী ছিল তিনশো। তিনি অশ্বারোহীদের দুই ভাগ এবং পদাতিকদের এক ভাগ করে গনীমাত প্রদান করলেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ মু'আবিয়হ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি অধিক সহীহ। এ হাদীসের উপরই আমল করা হয়। আমার মতে মুজাম্মি'র (রাঃ) হাদীসে ভুল আছে। কারণ তিনি বলেছেন, অশ্বারোহী ছিল তিনশো, অথচ অশ্বারোহী ছিল দুইশো।
মুজাম্মি' ইবনু জারিয়াহ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ছিলেন অন্যতম ক্বারী। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হুদায়বিয়াতে ছিলাম। আমরা সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করলে লোকেরা তাদের উটগুলোকে এক স্থানে সমবেত হওয়ার জন্য দ্রুত হাঁকাতে লাগলো। লোকেরা পরস্পর বলাবলি করলো, দ্রুত হাঁকানোর কারণ কি? পরে তারা জানতে পারলো, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উপর ওহী অবতীর্ণ হয়েছে। অন্যান্য লোকের সাথে আমরাও জলদি করে ছুটলাম। আমরা 'কুরাউল গামীম' নামক স্থানে পৌঁছে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তাঁর সওয়ারীতে বসা দেখতে পেলাম। লোকেরা তাঁর কাছে সমবেত হলে তিনি তাদেরকে "ইন্না ফাতাহনা লাকা ফাতহাম মুবীনা" নামক সূরাহ পড়ে শুনালেন। এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি বিজয়? তিনি বললেনঃ হাঁ, ঐ সত্তার শপথ যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! এটাই বিজয়। যারা হুদায়বিয়ায় যোগদান করেছে তাদের মাঝে খায়বারের গনীমাত বন্টন করা হয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রাপ্ত গনীমাত আঠার ভাগে বিভক্ত করেন। যোদ্ধা ছিল পনের শত এবং এর মধ্যে অশ্বারোহী ছিল তিনশো। তিনি অশ্বারোহীদের দুই ভাগ এবং পদাতিকদের এক ভাগ করে গনীমাত প্রদান করলেন। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ মু'আবিয়হ (রহঃ) বর্ণিত হাদীসটি অধিক সহীহ। এ হাদীসের উপরই আমল করা হয়। আমার মতে মুজাম্মি'র (রাঃ) হাদীসে ভুল আছে। কারণ তিনি বলেছেন, অশ্বারোহী ছিল তিনশো, অথচ অশ্বারোহী ছিল দুইশো।
حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا مجمع بن يعقوب بن مجمع بن يزيد الأنصاري، قال سمعت أبي يعقوب بن مجمع، يذكر عن عمه عبد الرحمن بن يزيد الأنصاري، عن عمه، مجمع بن جارية الأنصاري وكان أحد القراء الذين قرءوا القرآن قال شهدنا الحديبية مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما انصرفنا عنها إذا الناس يهزون الأباعر فقال بعض الناس لبعض ما للناس قالوا أوحي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم . فخرجنا مع الناس نوجف فوجدنا النبي صلى الله عليه وسلم واقفا على راحلته عند كراع الغميم فلما اجتمع عليه الناس قرأ عليهم { إنا فتحنا لك فتحا مبينا } فقال رجل يا رسول الله أفتح هو قال " نعم والذي نفس محمد بيده إنه لفتح " . فقسمت خيبر على أهل الحديبية فقسمها رسول الله صلى الله عليه وسلم على ثمانية عشر سهما وكان الجيش ألفا وخمسمائة فيهم ثلاثمائة فارس فأعطى الفارس سهمين وأعطى الراجل سهما . قال أبو داود حديث أبي معاوية أصح والعمل عليه وأرى الوهم في حديث مجمع أنه قال ثلاثمائة فارس وكانوا مائتى فارس .