সুনানে আবু দাউদ > গনীমাতের মাল আত্মসাৎকারীর শাস্তি
সুনানে আবু দাউদ ২৭১৪
حدثنا أبو صالح، محبوب بن موسى الأنطاكي قال أخبرنا أبو إسحاق، عن صالح بن محمد، قال غزونا مع الوليد بن هشام ومعنا سالم بن عبد الله بن عمر وعمر بن عبد العزيز فغل رجل متاعا فأمر الوليد بمتاعه فأحرق وطيف به ولم يعطه سهمه . قال أبو داود وهذا أصح الحديثين رواه غير واحد أن الوليد بن هشام حرق رحل زياد بن سعد - وكان قد غل - وضربه .
সালিহ ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা ওয়ালীদ ইবনু হিশামের নেতৃত্বে যুদ্ধে যোগদান করি। আমাদের সাথে সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ উবনু ‘উমার (রহঃ) এবং ‘উমার ইবনু আবদুল ‘আযীয (রহঃ)-ও ছিলেন। আমাদের মধ্যকার এক লোক গনীমাতের মাল চুরি করলে ওয়ালীদ তার জিনিসপত্র পুড়ে ফেলার নির্দেশ দিলে তা পুড়ে ফেলা হয়, তাকে পথে পথে ঘুরানো হয় এবং গনীমাত থেকে বঞ্চিত করা হয়। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, দুই হাদীসের মধ্যে শেষোক্ত হাদীসটি অধিক সহীহ। কেননা একাধিক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন যে, ওয়ালীদ ইবনু হিশাম যিয়াদ ইবনু সা’দের জিনিসপত্র পুড়িয়ে ফেলেন এবং তাকে প্রহার করেন। কারণ সে গনীমাতের মাল আত্নসাৎ করেছিল।
সালিহ ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা ওয়ালীদ ইবনু হিশামের নেতৃত্বে যুদ্ধে যোগদান করি। আমাদের সাথে সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ উবনু ‘উমার (রহঃ) এবং ‘উমার ইবনু আবদুল ‘আযীয (রহঃ)-ও ছিলেন। আমাদের মধ্যকার এক লোক গনীমাতের মাল চুরি করলে ওয়ালীদ তার জিনিসপত্র পুড়ে ফেলার নির্দেশ দিলে তা পুড়ে ফেলা হয়, তাকে পথে পথে ঘুরানো হয় এবং গনীমাত থেকে বঞ্চিত করা হয়। আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, দুই হাদীসের মধ্যে শেষোক্ত হাদীসটি অধিক সহীহ। কেননা একাধিক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন যে, ওয়ালীদ ইবনু হিশাম যিয়াদ ইবনু সা’দের জিনিসপত্র পুড়িয়ে ফেলেন এবং তাকে প্রহার করেন। কারণ সে গনীমাতের মাল আত্নসাৎ করেছিল।
حدثنا أبو صالح، محبوب بن موسى الأنطاكي قال أخبرنا أبو إسحاق، عن صالح بن محمد، قال غزونا مع الوليد بن هشام ومعنا سالم بن عبد الله بن عمر وعمر بن عبد العزيز فغل رجل متاعا فأمر الوليد بمتاعه فأحرق وطيف به ولم يعطه سهمه . قال أبو داود وهذا أصح الحديثين رواه غير واحد أن الوليد بن هشام حرق رحل زياد بن سعد - وكان قد غل - وضربه .
সুনানে আবু দাউদ ২৭১৩
حدثنا النفيلي، وسعيد بن منصور، قالا حدثنا عبد العزيز بن محمد، - قال النفيلي الأندراوردي - عن صالح بن محمد بن زائدة، - قال أبو داود وصالح هذا أبو واقد - قال دخلت مع مسلمة أرض الروم فأتي برجل قد غل فسأل سالما عنه فقال سمعت أبي يحدث عن عمر بن الخطاب عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا وجدتم الرجل قد غل فأحرقوا متاعه واضربوه " . قال فوجدنا في متاعه مصحفا فسأل سالما عنه فقال بعه وتصدق بثمنه .
সালিহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু যায়িদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ দাঊদ ও সালিহ বলেন, ইনি হলেন আবূ ওয়াক্বিদ। তিনি বলেন, আমি মাসলামাহর (রাঃ) সাথে রূম এলাকায় প্রবেশ করি। গনীমাত আত্মসাৎকারী এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হয়। এ ব্যক্তির বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য মাসলামাহ (রাঃ) সালিম (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন। সালিম বলেন, আমি আমার পিতা ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে তার পিতা ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কোন গনীমাত আত্নসাৎকারীকে পেলে তার মালপত্র পুড়িয়ে ফেলবে এবং তাকে প্রহার করবে। আবূ ওয়াক্বিদ বলেন, আমরা ধৃত ব্যক্তির জিনিসপত্রে একটি মাসহাফ (কুরআন) পাই। মাসলামাহ (রাঃ) ঐ ব্যক্তির বিষয়ে সালিমকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, মাসহাফ বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ দান করুন। দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৭১৭), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (২৪৫/১৫০২), মিশকাত (৩৬৩৩)।
সালিহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু যায়িদাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ দাঊদ ও সালিহ বলেন, ইনি হলেন আবূ ওয়াক্বিদ। তিনি বলেন, আমি মাসলামাহর (রাঃ) সাথে রূম এলাকায় প্রবেশ করি। গনীমাত আত্মসাৎকারী এক ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হয়। এ ব্যক্তির বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য মাসলামাহ (রাঃ) সালিম (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন। সালিম বলেন, আমি আমার পিতা ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে তার পিতা ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কোন গনীমাত আত্নসাৎকারীকে পেলে তার মালপত্র পুড়িয়ে ফেলবে এবং তাকে প্রহার করবে। আবূ ওয়াক্বিদ বলেন, আমরা ধৃত ব্যক্তির জিনিসপত্রে একটি মাসহাফ (কুরআন) পাই। মাসলামাহ (রাঃ) ঐ ব্যক্তির বিষয়ে সালিমকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, মাসহাফ বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ দান করুন। দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৭১৭), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (২৪৫/১৫০২), মিশকাত (৩৬৩৩)।
حدثنا النفيلي، وسعيد بن منصور، قالا حدثنا عبد العزيز بن محمد، - قال النفيلي الأندراوردي - عن صالح بن محمد بن زائدة، - قال أبو داود وصالح هذا أبو واقد - قال دخلت مع مسلمة أرض الروم فأتي برجل قد غل فسأل سالما عنه فقال سمعت أبي يحدث عن عمر بن الخطاب عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا وجدتم الرجل قد غل فأحرقوا متاعه واضربوه " . قال فوجدنا في متاعه مصحفا فسأل سالما عنه فقال بعه وتصدق بثمنه .
সুনানে আবু দাউদ ২৭১৫
حدثنا محمد بن عوف، قال حدثنا موسى بن أيوب، قال حدثنا الوليد بن مسلم، قال حدثنا زهير بن محمد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبا بكر وعمر حرقوا متاع الغال وضربوه . قال أبو داود وزاد فيه علي بن بحر عن الوليد - ولم أسمعه منه - ومنعوه سهمه . قال أبو داود وحدثنا به الوليد بن عتبة وعبد الوهاب بن نجدة قالا حدثنا الوليد عن زهير بن محمد عن عمرو بن شعيب قوله ولم يذكر عبد الوهاب بن نجدة الحوطي منع سهمه .
আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বাকর্ (রাঃ) ও ‘উমার (রাঃ) গনীমাত আত্নসাৎকারীর মালপত্র পুড়িয়ে ফেলেন এবং তাকে দৈহিক শাস্তি প্রদান করেন। দুর্বলঃ মিশকাত (৪০১৩)। বর্ননাকারী ‘আবদুল ওয়াহ্হাবের বর্ণনায় ‘গনীমাত আত্নসাৎকারীকে তার প্রাপ্য বঞ্চিত করার কথা উল্লেখ নেই’। দুর্বল মাক্বতু।
আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আবূ বাকর্ (রাঃ) ও ‘উমার (রাঃ) গনীমাত আত্নসাৎকারীর মালপত্র পুড়িয়ে ফেলেন এবং তাকে দৈহিক শাস্তি প্রদান করেন। দুর্বলঃ মিশকাত (৪০১৩)। বর্ননাকারী ‘আবদুল ওয়াহ্হাবের বর্ণনায় ‘গনীমাত আত্নসাৎকারীকে তার প্রাপ্য বঞ্চিত করার কথা উল্লেখ নেই’। দুর্বল মাক্বতু।
حدثنا محمد بن عوف، قال حدثنا موسى بن أيوب، قال حدثنا الوليد بن مسلم، قال حدثنا زهير بن محمد، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأبا بكر وعمر حرقوا متاع الغال وضربوه . قال أبو داود وزاد فيه علي بن بحر عن الوليد - ولم أسمعه منه - ومنعوه سهمه . قال أبو داود وحدثنا به الوليد بن عتبة وعبد الوهاب بن نجدة قالا حدثنا الوليد عن زهير بن محمد عن عمرو بن شعيب قوله ولم يذكر عبد الوهاب بن نجدة الحوطي منع سهمه .
সুনানে আবু দাউদ > গনীমাত আত্নসাৎকারীর অপরাধ গোপন রাখা নিষেধ
সুনানে আবু দাউদ ২৭১৬
حدثنا محمد بن داود بن سفيان، قال حدثنا يحيى بن حسان، قال حدثنا سليمان بن موسى أبو داود، قال حدثنا جعفر بن سعد بن سمرة بن جندب، حدثني خبيب بن سليمان، عن أبيه، سليمان بن سمرة عن سمرة بن جندب، قال أما بعد وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من كتم غالا فإنه مثله " .
সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ কেউ গনীমাত আত্নসাৎকারীর কথা গোপন রাখলে সেও তার সমান অপরাধী। দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৫৮১২), মিশকাত (৪০১৪)
সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলতেনঃ কেউ গনীমাত আত্নসাৎকারীর কথা গোপন রাখলে সেও তার সমান অপরাধী। দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৫৮১২), মিশকাত (৪০১৪)
حدثنا محمد بن داود بن سفيان، قال حدثنا يحيى بن حسان، قال حدثنا سليمان بن موسى أبو داود، قال حدثنا جعفر بن سعد بن سمرة بن جندب، حدثني خبيب بن سليمان، عن أبيه، سليمان بن سمرة عن سمرة بن جندب، قال أما بعد وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من كتم غالا فإنه مثله " .
সুনানে আবু দাউদ > নিহত কাফিরের মালপত্র হত্যাকারী পাবে
সুনানে আবু দাউদ ২৭১৮
حدثنا موسى بن إسماعيل، قال حدثنا حماد، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يومئذ - يعني يوم حنين - " من قتل كافرا فله سلبه " . فقتل أبو طلحة يومئذ عشرين رجلا وأخذ أسلابهم ولقي أبو طلحة أم سليم ومعها خنجر فقال يا أم سليم ما هذا معك قالت أردت والله إن دنا مني بعضهم أبعج به بطنه . فأخبر بذلك أبو طلحة رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال أبو داود هذا حديث حسن . قال أبو داود أردنا بهذا الخنجر وكان سلاح العجم يومئذ الخنجر .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুনাইনের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোষণা দিলেনঃ কেউ কোন কাফিরকে হত্যা করলে সেই হবে নিহতের মালপত্রের অধিকারী। সেদিন আবূ ত্বালহা বিশ জনকে হত্যা করে তাদের মালপত্রেরে অধিকারী হন। আবূ ত্বালহা (রাঃ) উম্মু সুলাইমের (রাঃ) এর সাথে মিলিত হন। তখন উম্মু সুলাইমের হাতে একটি বড় খঞ্জর ছিল। তিনি বললেন, হে উম্মু সুলাইম! তোমার নিকট এটা কী? তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! যদি তাদের কেউ আমার কাছে আসে, এটা দিয়ে আমি তার পেট চিরে ফেলবো। আবূ ত্বালহা (রাঃ) ঘটনাটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানালেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান। তিনি আরো বলেন, ঐ সময়ে খঞ্জরটি ছিল অনারবদের যুদ্ধাস্ত্র।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হুনাইনের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোষণা দিলেনঃ কেউ কোন কাফিরকে হত্যা করলে সেই হবে নিহতের মালপত্রের অধিকারী। সেদিন আবূ ত্বালহা বিশ জনকে হত্যা করে তাদের মালপত্রেরে অধিকারী হন। আবূ ত্বালহা (রাঃ) উম্মু সুলাইমের (রাঃ) এর সাথে মিলিত হন। তখন উম্মু সুলাইমের হাতে একটি বড় খঞ্জর ছিল। তিনি বললেন, হে উম্মু সুলাইম! তোমার নিকট এটা কী? তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! যদি তাদের কেউ আমার কাছে আসে, এটা দিয়ে আমি তার পেট চিরে ফেলবো। আবূ ত্বালহা (রাঃ) ঘটনাটি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জানালেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান। তিনি আরো বলেন, ঐ সময়ে খঞ্জরটি ছিল অনারবদের যুদ্ধাস্ত্র।
حدثنا موسى بن إسماعيل، قال حدثنا حماد، عن إسحاق بن عبد الله بن أبي طلحة، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يومئذ - يعني يوم حنين - " من قتل كافرا فله سلبه " . فقتل أبو طلحة يومئذ عشرين رجلا وأخذ أسلابهم ولقي أبو طلحة أم سليم ومعها خنجر فقال يا أم سليم ما هذا معك قالت أردت والله إن دنا مني بعضهم أبعج به بطنه . فأخبر بذلك أبو طلحة رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال أبو داود هذا حديث حسن . قال أبو داود أردنا بهذا الخنجر وكان سلاح العجم يومئذ الخنجر .
সুনানে আবু দাউদ ২৭১৭
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عمر بن كثير بن أفلح، عن أبي محمد، مولى أبي قتادة عن أبي قتادة، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في عام حنين فلما التقينا كانت للمسلمين جولة - قال - فرأيت رجلا من المشركين قد علا رجلا من المسلمين - قال - فاستدرت له حتى أتيته من ورائه فضربته بالسيف على حبل عاتقه فأقبل على فضمني ضمة وجدت منها ريح الموت ثم أدركه الموت فأرسلني فلحقت عمر بن الخطاب فقلت ما بال الناس قال أمر الله . ثم إن الناس رجعوا وجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " من قتل قتيلا له عليه بينة فله سلبه " . قال فقمت ثم قلت من يشهد لي ثم جلست ثم قال ذلك الثانية " من قتل قتيلا له عليه بينة فله سلبه " قال فقمت ثم قلت من يشهد لي ثم جلست ثم قال ذلك الثالثة فقمت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما لك يا أبا قتادة " . قال فاقتصصت عليه القصة فقال رجل من القوم صدق يا رسول الله وسلب ذلك القتيل عندي فأرضه منه فقال أبو بكر الصديق لاها الله إذا يعمد إلى أسد من أسد الله يقاتل عن الله وعن رسوله فيعطيك سلبه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صدق فأعطه إياه " . فقال أبو قتادة فأعطانيه فبعت الدرع فابتعت به مخرفا في بني سلمة فإنه لأول مال تأثلته في الإسلام .
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হুনাইনের যুদ্ধে রওয়ানা হলাম। আমরা যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে মুসলিমদের মধ্যে পরাজয়ের লক্ষণ দেখি। আমি দেখি, এক মুশরিক এক মুসলিমকে পরাজিত করছে। আমি ঘুরে গিয়ে পেছন থেকে তার গর্দানে তরবারির আঘাত করলে সে আমার দিকে ফিরে আমাকে এমন জোরে চেপে ধরলো যে, আমি যেন মরেই যাব। কিন্তু একটু পরেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লো এবং আমকে ছেড়ে দেয়। অতঃপর আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের (রাঃ) সাথে মিলিত হই। আমি তাকে বলি, লোকদের কি হলো! তিনি বললেন, আল্লাহর হুকুম এটাই ছিল। লোকেরা আবার ফিরে এলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসা অবস্থায় বললেনঃ কেউ কোন কাফিরকে প্রমাণ সাপেক্ষে হত্যা করলে নিহত ব্যক্তির পরিত্যক্ত জিনিসপত্র হত্যাকারী পাবে। আমি দাঁড়িয়ে বললাম, কেউ কি আমার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে? অতঃপর আমি বসে পড়ি। তিনি তৃতীয়বারও একথা বললেন। আমাকে দাঁড়াতে দেখে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবূ ক্বাতাদাহ! তোমার কী হলো? আমি তাঁকে ঘটনা খুলে বলি। দলের মধ্যকার এক লোক বললো, হে আল্লাহর রাসূল! সে সত্যই বলেছে। তবে নিহত ব্যক্তির পরিত্যক্ত জিনিসপত্র আমার নিকট আছে। তাঁকে রাজি করিয়ে জিনিসগুলো আমাকে দিন। এ কথা শুনে আবূ বাকর্ সিদ্দীক্ব (রাঃ) বললেন, আল্লাহর শপথ! কখনও নয়। আল্লাহর এক সিংহ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ হয়ে লড়াই করেছে। কাজেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাকে তা কিভাবে দিবেন! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আবূ বাকর্ ঠিকই বলেছেন। নিহতের পরিত্যক্ত জিনিস আবূ ক্বাতাদাহকে ফিরিয়ে দাও। আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, সে আমাকে তা ফিরিয়ে দিলো। আমি লৌহ বর্মটি বিক্রি করে বনী সালামাহ গোত্রের মহল্লায় বাগান খরিদ করি। ইসলাম কবুলের পর এটাই আমার প্রথম অর্জিত সম্পদ।
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হুনাইনের যুদ্ধে রওয়ানা হলাম। আমরা যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে মুসলিমদের মধ্যে পরাজয়ের লক্ষণ দেখি। আমি দেখি, এক মুশরিক এক মুসলিমকে পরাজিত করছে। আমি ঘুরে গিয়ে পেছন থেকে তার গর্দানে তরবারির আঘাত করলে সে আমার দিকে ফিরে আমাকে এমন জোরে চেপে ধরলো যে, আমি যেন মরেই যাব। কিন্তু একটু পরেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লো এবং আমকে ছেড়ে দেয়। অতঃপর আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের (রাঃ) সাথে মিলিত হই। আমি তাকে বলি, লোকদের কি হলো! তিনি বললেন, আল্লাহর হুকুম এটাই ছিল। লোকেরা আবার ফিরে এলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসা অবস্থায় বললেনঃ কেউ কোন কাফিরকে প্রমাণ সাপেক্ষে হত্যা করলে নিহত ব্যক্তির পরিত্যক্ত জিনিসপত্র হত্যাকারী পাবে। আমি দাঁড়িয়ে বললাম, কেউ কি আমার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে? অতঃপর আমি বসে পড়ি। তিনি তৃতীয়বারও একথা বললেন। আমাকে দাঁড়াতে দেখে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে আবূ ক্বাতাদাহ! তোমার কী হলো? আমি তাঁকে ঘটনা খুলে বলি। দলের মধ্যকার এক লোক বললো, হে আল্লাহর রাসূল! সে সত্যই বলেছে। তবে নিহত ব্যক্তির পরিত্যক্ত জিনিসপত্র আমার নিকট আছে। তাঁকে রাজি করিয়ে জিনিসগুলো আমাকে দিন। এ কথা শুনে আবূ বাকর্ সিদ্দীক্ব (রাঃ) বললেন, আল্লাহর শপথ! কখনও নয়। আল্লাহর এক সিংহ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ হয়ে লড়াই করেছে। কাজেই নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমাকে তা কিভাবে দিবেন! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আবূ বাকর্ ঠিকই বলেছেন। নিহতের পরিত্যক্ত জিনিস আবূ ক্বাতাদাহকে ফিরিয়ে দাও। আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, সে আমাকে তা ফিরিয়ে দিলো। আমি লৌহ বর্মটি বিক্রি করে বনী সালামাহ গোত্রের মহল্লায় বাগান খরিদ করি। ইসলাম কবুলের পর এটাই আমার প্রথম অর্জিত সম্পদ।
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عمر بن كثير بن أفلح، عن أبي محمد، مولى أبي قتادة عن أبي قتادة، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في عام حنين فلما التقينا كانت للمسلمين جولة - قال - فرأيت رجلا من المشركين قد علا رجلا من المسلمين - قال - فاستدرت له حتى أتيته من ورائه فضربته بالسيف على حبل عاتقه فأقبل على فضمني ضمة وجدت منها ريح الموت ثم أدركه الموت فأرسلني فلحقت عمر بن الخطاب فقلت ما بال الناس قال أمر الله . ثم إن الناس رجعوا وجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال " من قتل قتيلا له عليه بينة فله سلبه " . قال فقمت ثم قلت من يشهد لي ثم جلست ثم قال ذلك الثانية " من قتل قتيلا له عليه بينة فله سلبه " قال فقمت ثم قلت من يشهد لي ثم جلست ثم قال ذلك الثالثة فقمت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما لك يا أبا قتادة " . قال فاقتصصت عليه القصة فقال رجل من القوم صدق يا رسول الله وسلب ذلك القتيل عندي فأرضه منه فقال أبو بكر الصديق لاها الله إذا يعمد إلى أسد من أسد الله يقاتل عن الله وعن رسوله فيعطيك سلبه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صدق فأعطه إياه " . فقال أبو قتادة فأعطانيه فبعت الدرع فابتعت به مخرفا في بني سلمة فإنه لأول مال تأثلته في الإسلام .
সুনানে আবু দাউদ > ইমাম ইচ্ছা করলে নিহতের পরিত্যক্ত মাল হত্যাকারীকে নাও দিতে পারেন, নিহতের ঘোড়া ও হাতিয়ার তার মালেরই অন্তর্ভূক্ত
সুনানে আবু দাউদ ২৭১৯
حدثنا أحمد بن محمد بن حنبل، قال حدثنا الوليد بن مسلم، قال حدثني صفوان بن عمرو، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن أبيه، عن عوف بن مالك الأشجعي، قال خرجت مع زيد بن حارثة في غزوة مؤتة فرافقني مددي من أهل اليمن ليس معه غير سيفه فنحر رجل من المسلمين جزورا فسأله المددي طائفة من جلده فأعطاه إياه فاتخذه كهيئة الدرق ومضينا فلقينا جموع الروم وفيهم رجل على فرس له أشقر عليه سرج مذهب وسلاح مذهب فجعل الرومي يغري بالمسلمين فقعد له المددي خلف صخرة فمر به الرومي فعرقب فرسه فخر وعلاه فقتله وحاز فرسه وسلاحه فلما فتح الله عز وجل للمسلمين بعث إليه خالد بن الوليد فأخذ من السلب قال عوف فأتيته فقلت يا خالد أما علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى بالسلب للقاتل قال بلى ولكني استكثرته . قلت لتردنه عليه أو لأعرفنكها عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فأبى أن يرد عليه قال عوف فاجتمعنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقصصت عليه قصة المددي وما فعل خالد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا خالد ما حملك على ما صنعت " قال يا رسول الله استكثرته . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا خالد رد عليه ما أخذت منه " . قال عوف فقلت له دونك يا خالد ألم أف لك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وما ذلك " فأخبرته قال فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " يا خالد لا ترد عليه هل أنتم تاركون لي أمرائي لكم صفوة أمرهم وعليهم كدره " .
‘আওফ ইবনু মালিক আল-আশজা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি যায়িদ ইবনু হারিসের (রাঃ) সাথে মুতার যুদ্ধে বের হই। এ সময় ইয়ামানের মাদাদ গোত্রীয় এক সাহায্যকারী ব্যক্তি আমার সঙ্গী হলো। তার কাছে একটি তরবারি ছাড়া আর কিছু ছিলো না। মুসলিমদের এক ব্যক্তি একটি উট যাবাহ করলে মাদাদী লোকটি তার কাছে চামড়ার অংশ বিশেষ চাইলো। সে তাকে কিছু চামড়া দিলে সে তা নিয়ে ঢালের মত তৈরি করলো। আমরা রোমীয় সৈন্যদের মুখোমুখী হলাম। তাদের এক ব্যক্তি একটি লাল রঙের ঘোড়ার উপর সাওয়ার ছিল। সেটি সোনার কারুকার্য খচিত এবং তার অস্ত্রও ছিল স্বর্ণে মোড়ানো। রোমীয় সৈন্যটি মুসলিমদের বিরুদ্ধে উত্তেজিত হয়ে যুদ্ধ করছিল। ইয়ামানী মাদাদ গোত্রীয় লোকটি একটি পাথরের আড়ালে ঐ লোকটির অপেক্ষায় ওঁৎ পেতে বসেছিল। রোমক সৈন্যটি যখন তার কাছ দিয়ে যচ্ছিল, সে তার ঘোড়াকে আঘাত করে ঘোড়ার পা কেটে ফেলায় লোকটি ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে যায়, ফলে ইয়ামানী তার উপর চেপে বসে তাকে হত্যা করে তার ঘোড়া ও অস্ত্র নিয়ে আসলো। মহান আল্লাহ যখন মুসলিমদের বিজয় দিলেন, খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রাঃ) লোক পাঠিয়ে তার কাছ থেকে মালপত্র নিয়ে নিলেন। ‘আওফ (রাঃ) বলেন, আমি এসে বললাম, হে খালিদ! তুমি কি জানো না, রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিহতের মালপত্র হত্যাকারীকে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন, হাঁ। কিন্তু আমার ধারণা, এক্ষেত্রে এটা বেশি হয়ে যাচ্ছে। আমি বললাম, তার মাল অবশ্যই তাকে ফেরত দাও। অন্যথায় তোমার এ কাজের কথা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে অবহিত করবো। তিনি লোকটিকে তার প্রাপ্য ফেরত দিতে অসম্মতি জানান। ‘আওফ (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট সমবেত হই, ইয়ামানীর ঘটনাটি তাঁকে জানাই এবং খালিদের আচরণের কথাও অবহিত করি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে খালিদ! কিসে তোমাকে এ কাজে উদ্ভুদ্ধ করেছে? তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে তার জন্য মালপত্র অত্যধিক মনে হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ খালিদ! তার প্রাপ্য থেকে তুমি যা নিয়েছ তা তাকে ফেরত দাও। ‘আওফ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে খালিদ! এখন হলো তো, তোমাকে যা বলেছিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ কি কথা! ‘আওফ (রাঃ) বললেনঃ আমি তাঁকে আমাদের পরস্পরের বিতর্কের কথা বললাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এতে অসন্তুষ্ট হয়ে বললেনঃ হে খালিদ! তার মাল ফিরিয়ে দিও না। তোমরা কি আমার নিযুক্ত নেতাদের পরিত্যাগ করবে? তারা ভালো করলে তা থেকে তোমরা উপকৃত হবে, আর খারাপ করলে সেটা তাদের উপর চাপিয়ে দিবে?
‘আওফ ইবনু মালিক আল-আশজা’ঈ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি যায়িদ ইবনু হারিসের (রাঃ) সাথে মুতার যুদ্ধে বের হই। এ সময় ইয়ামানের মাদাদ গোত্রীয় এক সাহায্যকারী ব্যক্তি আমার সঙ্গী হলো। তার কাছে একটি তরবারি ছাড়া আর কিছু ছিলো না। মুসলিমদের এক ব্যক্তি একটি উট যাবাহ করলে মাদাদী লোকটি তার কাছে চামড়ার অংশ বিশেষ চাইলো। সে তাকে কিছু চামড়া দিলে সে তা নিয়ে ঢালের মত তৈরি করলো। আমরা রোমীয় সৈন্যদের মুখোমুখী হলাম। তাদের এক ব্যক্তি একটি লাল রঙের ঘোড়ার উপর সাওয়ার ছিল। সেটি সোনার কারুকার্য খচিত এবং তার অস্ত্রও ছিল স্বর্ণে মোড়ানো। রোমীয় সৈন্যটি মুসলিমদের বিরুদ্ধে উত্তেজিত হয়ে যুদ্ধ করছিল। ইয়ামানী মাদাদ গোত্রীয় লোকটি একটি পাথরের আড়ালে ঐ লোকটির অপেক্ষায় ওঁৎ পেতে বসেছিল। রোমক সৈন্যটি যখন তার কাছ দিয়ে যচ্ছিল, সে তার ঘোড়াকে আঘাত করে ঘোড়ার পা কেটে ফেলায় লোকটি ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে যায়, ফলে ইয়ামানী তার উপর চেপে বসে তাকে হত্যা করে তার ঘোড়া ও অস্ত্র নিয়ে আসলো। মহান আল্লাহ যখন মুসলিমদের বিজয় দিলেন, খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রাঃ) লোক পাঠিয়ে তার কাছ থেকে মালপত্র নিয়ে নিলেন। ‘আওফ (রাঃ) বলেন, আমি এসে বললাম, হে খালিদ! তুমি কি জানো না, রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিহতের মালপত্র হত্যাকারীকে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বললেন, হাঁ। কিন্তু আমার ধারণা, এক্ষেত্রে এটা বেশি হয়ে যাচ্ছে। আমি বললাম, তার মাল অবশ্যই তাকে ফেরত দাও। অন্যথায় তোমার এ কাজের কথা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে অবহিত করবো। তিনি লোকটিকে তার প্রাপ্য ফেরত দিতে অসম্মতি জানান। ‘আওফ (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট সমবেত হই, ইয়ামানীর ঘটনাটি তাঁকে জানাই এবং খালিদের আচরণের কথাও অবহিত করি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে খালিদ! কিসে তোমাকে এ কাজে উদ্ভুদ্ধ করেছে? তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে তার জন্য মালপত্র অত্যধিক মনে হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ খালিদ! তার প্রাপ্য থেকে তুমি যা নিয়েছ তা তাকে ফেরত দাও। ‘আওফ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে খালিদ! এখন হলো তো, তোমাকে যা বলেছিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এ কি কথা! ‘আওফ (রাঃ) বললেনঃ আমি তাঁকে আমাদের পরস্পরের বিতর্কের কথা বললাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এতে অসন্তুষ্ট হয়ে বললেনঃ হে খালিদ! তার মাল ফিরিয়ে দিও না। তোমরা কি আমার নিযুক্ত নেতাদের পরিত্যাগ করবে? তারা ভালো করলে তা থেকে তোমরা উপকৃত হবে, আর খারাপ করলে সেটা তাদের উপর চাপিয়ে দিবে?
حدثنا أحمد بن محمد بن حنبل، قال حدثنا الوليد بن مسلم، قال حدثني صفوان بن عمرو، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن أبيه، عن عوف بن مالك الأشجعي، قال خرجت مع زيد بن حارثة في غزوة مؤتة فرافقني مددي من أهل اليمن ليس معه غير سيفه فنحر رجل من المسلمين جزورا فسأله المددي طائفة من جلده فأعطاه إياه فاتخذه كهيئة الدرق ومضينا فلقينا جموع الروم وفيهم رجل على فرس له أشقر عليه سرج مذهب وسلاح مذهب فجعل الرومي يغري بالمسلمين فقعد له المددي خلف صخرة فمر به الرومي فعرقب فرسه فخر وعلاه فقتله وحاز فرسه وسلاحه فلما فتح الله عز وجل للمسلمين بعث إليه خالد بن الوليد فأخذ من السلب قال عوف فأتيته فقلت يا خالد أما علمت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى بالسلب للقاتل قال بلى ولكني استكثرته . قلت لتردنه عليه أو لأعرفنكها عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فأبى أن يرد عليه قال عوف فاجتمعنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقصصت عليه قصة المددي وما فعل خالد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا خالد ما حملك على ما صنعت " قال يا رسول الله استكثرته . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا خالد رد عليه ما أخذت منه " . قال عوف فقلت له دونك يا خالد ألم أف لك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وما ذلك " فأخبرته قال فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " يا خالد لا ترد عليه هل أنتم تاركون لي أمرائي لكم صفوة أمرهم وعليهم كدره " .
সুনানে আবু দাউদ ২৭২০
حدثنا أحمد بن محمد بن حنبل، قال حدثنا الوليد، قال سألت ثورا عن هذا الحديث، فحدثني عن خالد بن معدان، عن جبير بن نفير، عن أبيه، عن عوف بن مالك الأشجعي، نحوه .
আওফ ইবনু মালিক আল-আশজা’ঈ (রাঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের বিষয়বস্তুর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আমি এটি সহীহ ও যঈফেও পাইনি।
আওফ ইবনু মালিক আল-আশজা’ঈ (রাঃ) এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
উপরের হাদীসের বিষয়বস্তুর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আমি এটি সহীহ ও যঈফেও পাইনি।
حدثنا أحمد بن محمد بن حنبل، قال حدثنا الوليد، قال سألت ثورا عن هذا الحديث، فحدثني عن خالد بن معدان، عن جبير بن نفير، عن أبيه، عن عوف بن مالك الأشجعي، نحوه .