সুনানে আবু দাউদ > বন্দীকে ইসলাম গ্রহনে বাধ্য করা উচিত নয়
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮২
حدثنا محمد بن عمر بن علي المقدمي، قال حدثنا أشعث بن عبد الله، - يعني السجستاني ح وحدثنا محمد بن بشار، قال حدثنا ابن أبي عدي، وهذا، لفظه ح وحدثنا الحسن بن علي، قال حدثنا وهب بن جرير، عن شعبة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال كانت المرأة تكون مقلاتا فتجعل على نفسها إن عاش لها ولد أن تهوده فلما أجليت بنو النضير كان فيهم من أبناء الأنصار فقالوا لا ندع أبناءنا فأنزل الله عز وجل { لا إكراه في الدين قد تبين الرشد من الغى } قال أبو داود المقلات التي لا يعيش لها ولد .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জাহিলী যুগে যদি কোনো মহিলার সন্তান বেচেঁ না থাকতো তাহলে সে এ মর্মে মানত করতো যে, তার সন্তান বাচলেঁ তাকে ইয়াহুদী ধর্মে দীক্ষিত করাবে। অতঃপর যখন ইয়াহুদী গোত্র বনী নাযীরকে উচ্ছেদ করা হয়, তখন তাদের মধ্যে আনসারদের কতিপয় ঐরুপ সন্তান ছিলো। আনসারগন বললেন, আমরা আমাদের সন্তানদের (ইয়াহুদীদের সাথে) ছেড়ে দিতে পারবো না। তখন মহান আল্লাহর আয়াত অবতীর্ন করলেন, ”দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই। হিদিয়াতের নির্ভূল পথকে ভ্রান্ত পথ হতে সুস্পষ্টভাবে পৃথক করা হয়েছে।” (সুরা্হ আল-বাক্বারা্হ, আয়াত ২৫৬) আবূ দাউদ বলেন, যেসব মহিলাদের সন্তান বেচেঁ থাকে না তাদেরকে ‘মিক্বলাত’ বলা হয়।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জাহিলী যুগে যদি কোনো মহিলার সন্তান বেচেঁ না থাকতো তাহলে সে এ মর্মে মানত করতো যে, তার সন্তান বাচলেঁ তাকে ইয়াহুদী ধর্মে দীক্ষিত করাবে। অতঃপর যখন ইয়াহুদী গোত্র বনী নাযীরকে উচ্ছেদ করা হয়, তখন তাদের মধ্যে আনসারদের কতিপয় ঐরুপ সন্তান ছিলো। আনসারগন বললেন, আমরা আমাদের সন্তানদের (ইয়াহুদীদের সাথে) ছেড়ে দিতে পারবো না। তখন মহান আল্লাহর আয়াত অবতীর্ন করলেন, ”দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই। হিদিয়াতের নির্ভূল পথকে ভ্রান্ত পথ হতে সুস্পষ্টভাবে পৃথক করা হয়েছে।” (সুরা্হ আল-বাক্বারা্হ, আয়াত ২৫৬) আবূ দাউদ বলেন, যেসব মহিলাদের সন্তান বেচেঁ থাকে না তাদেরকে ‘মিক্বলাত’ বলা হয়।
حدثنا محمد بن عمر بن علي المقدمي، قال حدثنا أشعث بن عبد الله، - يعني السجستاني ح وحدثنا محمد بن بشار، قال حدثنا ابن أبي عدي، وهذا، لفظه ح وحدثنا الحسن بن علي، قال حدثنا وهب بن جرير، عن شعبة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال كانت المرأة تكون مقلاتا فتجعل على نفسها إن عاش لها ولد أن تهوده فلما أجليت بنو النضير كان فيهم من أبناء الأنصار فقالوا لا ندع أبناءنا فأنزل الله عز وجل { لا إكراه في الدين قد تبين الرشد من الغى } قال أبو داود المقلات التي لا يعيش لها ولد .
সুনানে আবু দাউদ > ইসলামের দা’ওয়াত না দিয়ে যুদ্ধবন্দীকে হত্যা করা
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮৪
حدثنا محمد بن العلاء، قال حدثنا زيد بن حباب، قال أخبرنا عمرو بن عثمان بن عبد الرحمن بن سعيد بن يربوع المخزومي، قال حدثني جدي، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم فتح مكة " أربعة لا أؤمنهم في حل ولا حرم " . فسماهم . قال وقينتين كانتا لمقيس فقتلت إحداهما وأفلتت الأخرى فأسلمت . قال أبو داود لم أفهم إسناده من ابن العلاء كما أحب .
সাঈদ ইবনু ইয়ারবূ’ আল-মাখযূমী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন ঘোষনা করেনঃ চার ব্যাক্তির জন্য হারাম শরীফ অথবা এর বাইরে কোথাও নিরাপত্তার অঙ্গীকার নাই। তিনি তাদের নামও বলেন দিলেন। তিনি মাক্বীসের দুই গায়িকা ক্রীতদাসীর নামও উল্লেখ করেন। এদের একজনকে হত্যা দেয়া এবং অপরজন পলায়ন করে। পরবর্তীতে সে ইসলাম গ্রহন করে। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আমি ইবনুল ‘আলার থেকে এর সানাদ উত্তমরুপে বুঝতে পারিনি।
সাঈদ ইবনু ইয়ারবূ’ আল-মাখযূমী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন ঘোষনা করেনঃ চার ব্যাক্তির জন্য হারাম শরীফ অথবা এর বাইরে কোথাও নিরাপত্তার অঙ্গীকার নাই। তিনি তাদের নামও বলেন দিলেন। তিনি মাক্বীসের দুই গায়িকা ক্রীতদাসীর নামও উল্লেখ করেন। এদের একজনকে হত্যা দেয়া এবং অপরজন পলায়ন করে। পরবর্তীতে সে ইসলাম গ্রহন করে। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আমি ইবনুল ‘আলার থেকে এর সানাদ উত্তমরুপে বুঝতে পারিনি।
حدثنا محمد بن العلاء، قال حدثنا زيد بن حباب، قال أخبرنا عمرو بن عثمان بن عبد الرحمن بن سعيد بن يربوع المخزومي، قال حدثني جدي، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم فتح مكة " أربعة لا أؤمنهم في حل ولا حرم " . فسماهم . قال وقينتين كانتا لمقيس فقتلت إحداهما وأفلتت الأخرى فأسلمت . قال أبو داود لم أفهم إسناده من ابن العلاء كما أحب .
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮৫
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل مكة عام الفتح وعلى رأسه المغفر فلما نزعه جاءه رجل فقال ابن خطل متعلق بأستار الكعبة فقال " اقتلوه " . قال أبو داود ابن خطل اسمه عبد الله وكان أبو برزة الأسلمي قتله .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লৌহ শিরস্ত্রান পরিহিত অবস্হায় মাক্কাহতে প্রবেশ করেন। তিনি যখন শিরস্ত্রান খুলেন, তখন এক ব্যাক্তি এসে বললো, ইবনু খাতাল কা’বার পর্দার আড়ালে লুকিয়ে আছে। তিনি বলেন: তোমরা তাকে হত্যা করো। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু খাতালের নাম ‘আবদুল্লাহ। আবূ বারযাহ আল-আসলামী (রাঃ) তাকে হত্যা করেন।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লৌহ শিরস্ত্রান পরিহিত অবস্হায় মাক্কাহতে প্রবেশ করেন। তিনি যখন শিরস্ত্রান খুলেন, তখন এক ব্যাক্তি এসে বললো, ইবনু খাতাল কা’বার পর্দার আড়ালে লুকিয়ে আছে। তিনি বলেন: তোমরা তাকে হত্যা করো। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু খাতালের নাম ‘আবদুল্লাহ। আবূ বারযাহ আল-আসলামী (রাঃ) তাকে হত্যা করেন।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل مكة عام الفتح وعلى رأسه المغفر فلما نزعه جاءه رجل فقال ابن خطل متعلق بأستار الكعبة فقال " اقتلوه " . قال أبو داود ابن خطل اسمه عبد الله وكان أبو برزة الأسلمي قتله .
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮৩
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، قال حدثنا أحمد بن المفضل، قال حدثنا أسباط بن نصر، قال زعم السدي عن مصعب بن سعد، عن سعد، قال لما كان يوم فتح مكة أمن رسول الله صلى الله عليه وسلم الناس إلا أربعة نفر وامرأتين وسماهم وابن أبي سرح . فذكر الحديث قال وأما ابن أبي سرح فإنه اختبأ عند عثمان بن عفان فلما دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم الناس إلى البيعة جاء به حتى أوقفه على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله بايع عبد الله فرفع رأسه فنظر إليه ثلاثا كل ذلك يأبى فبايعه بعد ثلاث ثم أقبل على أصحابه فقال " أما كان فيكم رجل رشيد يقوم إلى هذا حيث رآني كففت يدي عن بيعته فيقتله " . فقالوا ما ندري يا رسول الله ما في نفسك ألا أومأت إلينا بعينك قال " إنه لا ينبغي لنبي أن تكون له خائنة الأعين " . قال أبو داود كان عبد الله أخا عثمان من الرضاعة وكان الوليد بن عقبة أخا عثمان لأمه وضربه عثمان الحد إذ شرب الخمر .
সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন চারজন পুরুষ ও দুজন মহিলা ছারা অন্য সবাইকে নিরাপত্তার (ক্ষমার) ঘোষনা দিলেন। তিনি তাদের নামও উল্লেখ করলেন। তন্মধ্যে ইবনু আবূ সারহও ছিলো। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসের বাকি অংশ বর্ণনা করেন। সা’দ (রাঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ সারহ ‘উসমান ইবনু আ’ফফানের (রাঃ) নিকট আত্নগোপন করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জনসাধারনকে বায়’আত গ্রহনের জন্য আহবান জানালে ‘উসমান (রাঃ) তাকে নিয়ে এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে দাড়ঁ করিয়ে বললেন, হে আল্লাহর নাবী! ’আবদুল্লাহর বায়’আত নিন। তিনি মাথা তুলে তার দিকে পর পর তিনবার তাকালেন, এবং প্রতিবারই অসন্তোষ প্রকাশ করলেন। তিনবারের পর তিনি ‘আবদুল্লাহর বায়’আত গ্রহন করলেন, অতঃপর সাহাবীদের লক্ষ্য করে বলেন: তোমাদের মধ্যে কি কোন বুদ্ধিনাম লোক ছিলো না, যখন সে আমাকে দেখলো যে আমি বায়’আত নিচ্ছি না, তখন সে তাকে কেনো হত্যা করলো না? সাহাবীগণ বললেন, এ আল্লাহর রাসূল! আপনার মনের ইচ্ছা আমরা উপলব্ধি করতে পারনি। আপনি আমাদেরকে চোখ দিয়ে ইশারা করলেন না কেনো! তিনি বলেন: কোনো নাবীর জন্য চোখের খেয়ানাতকারী হওয়া শোভা পায় না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ সারহ হলো ‘উসমানের (রাঃ) দুধভাই এবং ওয়ালীদ ইবনু ‘উক্ববাহ তার বৈপিত্রেয় ভাই। ’উসমানের (রাঃ) খিলাফাতের সময় ওয়ালীদ মদ পান করলে তিনি তাকে শাস্তি দেন।
সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন চারজন পুরুষ ও দুজন মহিলা ছারা অন্য সবাইকে নিরাপত্তার (ক্ষমার) ঘোষনা দিলেন। তিনি তাদের নামও উল্লেখ করলেন। তন্মধ্যে ইবনু আবূ সারহও ছিলো। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসের বাকি অংশ বর্ণনা করেন। সা’দ (রাঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ সারহ ‘উসমান ইবনু আ’ফফানের (রাঃ) নিকট আত্নগোপন করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জনসাধারনকে বায়’আত গ্রহনের জন্য আহবান জানালে ‘উসমান (রাঃ) তাকে নিয়ে এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে দাড়ঁ করিয়ে বললেন, হে আল্লাহর নাবী! ’আবদুল্লাহর বায়’আত নিন। তিনি মাথা তুলে তার দিকে পর পর তিনবার তাকালেন, এবং প্রতিবারই অসন্তোষ প্রকাশ করলেন। তিনবারের পর তিনি ‘আবদুল্লাহর বায়’আত গ্রহন করলেন, অতঃপর সাহাবীদের লক্ষ্য করে বলেন: তোমাদের মধ্যে কি কোন বুদ্ধিনাম লোক ছিলো না, যখন সে আমাকে দেখলো যে আমি বায়’আত নিচ্ছি না, তখন সে তাকে কেনো হত্যা করলো না? সাহাবীগণ বললেন, এ আল্লাহর রাসূল! আপনার মনের ইচ্ছা আমরা উপলব্ধি করতে পারনি। আপনি আমাদেরকে চোখ দিয়ে ইশারা করলেন না কেনো! তিনি বলেন: কোনো নাবীর জন্য চোখের খেয়ানাতকারী হওয়া শোভা পায় না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ সারহ হলো ‘উসমানের (রাঃ) দুধভাই এবং ওয়ালীদ ইবনু ‘উক্ববাহ তার বৈপিত্রেয় ভাই। ’উসমানের (রাঃ) খিলাফাতের সময় ওয়ালীদ মদ পান করলে তিনি তাকে শাস্তি দেন।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، قال حدثنا أحمد بن المفضل، قال حدثنا أسباط بن نصر، قال زعم السدي عن مصعب بن سعد، عن سعد، قال لما كان يوم فتح مكة أمن رسول الله صلى الله عليه وسلم الناس إلا أربعة نفر وامرأتين وسماهم وابن أبي سرح . فذكر الحديث قال وأما ابن أبي سرح فإنه اختبأ عند عثمان بن عفان فلما دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم الناس إلى البيعة جاء به حتى أوقفه على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله بايع عبد الله فرفع رأسه فنظر إليه ثلاثا كل ذلك يأبى فبايعه بعد ثلاث ثم أقبل على أصحابه فقال " أما كان فيكم رجل رشيد يقوم إلى هذا حيث رآني كففت يدي عن بيعته فيقتله " . فقالوا ما ندري يا رسول الله ما في نفسك ألا أومأت إلينا بعينك قال " إنه لا ينبغي لنبي أن تكون له خائنة الأعين " . قال أبو داود كان عبد الله أخا عثمان من الرضاعة وكان الوليد بن عقبة أخا عثمان لأمه وضربه عثمان الحد إذ شرب الخمر .
সুনানে আবু দাউদ > বন্দীকে হাত পা বেধেঁ হত্যা করা
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮৬
حدثنا علي بن الحسين الرقي، قال حدثنا عبد الله بن جعفر الرقي، قال أخبرني عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عمرو بن مرة، عن إبراهيم، قال أراد الضحاك بن قيس أن يستعمل، مسروقا فقال له عمارة بن عقبة أتستعمل رجلا من بقايا قتلة عثمان فقال له مسروق حدثنا عبد الله بن مسعود - وكان في أنفسنا موثوق الحديث - أن النبي صلى الله عليه وسلم لما أراد قتل أبيك قال من للصبية قال " النار " . فقد رضيت لك ما رضي لك رسول الله صلى الله عليه وسلم .
ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দা্হহাক ইবনু ক্বায়িস উমামাহ (রাঃ) মাসরুক (রহঃ) কে কর্মকর্তা নিয়োগ করার ইচ্ছা করলেন। ‘উমারা্হ ইবনু ‘উক্ববাহ তাকে বললেন, আপনি কি ‘উসমান (রাঃ) এর হত্যাকারীদের মধ্যে বেচেঁ থাকা একজন কর্মচারী নিয়োগ করবেন? মাসরুক (রহঃ) আমাদের মধ্যে নির্ভরযোগ্য হাদীসবক্তা। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তোমার পিতা (‘উক্ববা্হ) কে মৃত্যুদন্ড দেয়ার ইচ্ছা করেন, তখন তোমার পিতা বললো, আমার বাচচাদের কি অবস্হা হবে? তিনি জবাবে বলেন: আগুন। মাসরুক বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার জন্য যা পছন্দ করেছেন, আমিও তোমার জন্য সেটাই পছন্দ করেছি।
ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দা্হহাক ইবনু ক্বায়িস উমামাহ (রাঃ) মাসরুক (রহঃ) কে কর্মকর্তা নিয়োগ করার ইচ্ছা করলেন। ‘উমারা্হ ইবনু ‘উক্ববাহ তাকে বললেন, আপনি কি ‘উসমান (রাঃ) এর হত্যাকারীদের মধ্যে বেচেঁ থাকা একজন কর্মচারী নিয়োগ করবেন? মাসরুক (রহঃ) আমাদের মধ্যে নির্ভরযোগ্য হাদীসবক্তা। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তোমার পিতা (‘উক্ববা্হ) কে মৃত্যুদন্ড দেয়ার ইচ্ছা করেন, তখন তোমার পিতা বললো, আমার বাচচাদের কি অবস্হা হবে? তিনি জবাবে বলেন: আগুন। মাসরুক বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার জন্য যা পছন্দ করেছেন, আমিও তোমার জন্য সেটাই পছন্দ করেছি।
حدثنا علي بن الحسين الرقي، قال حدثنا عبد الله بن جعفر الرقي، قال أخبرني عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عمرو بن مرة، عن إبراهيم، قال أراد الضحاك بن قيس أن يستعمل، مسروقا فقال له عمارة بن عقبة أتستعمل رجلا من بقايا قتلة عثمان فقال له مسروق حدثنا عبد الله بن مسعود - وكان في أنفسنا موثوق الحديث - أن النبي صلى الله عليه وسلم لما أراد قتل أبيك قال من للصبية قال " النار " . فقد رضيت لك ما رضي لك رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮৬
حدثنا علي بن الحسين الرقي، قال حدثنا عبد الله بن جعفر الرقي، قال أخبرني عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عمرو بن مرة، عن إبراهيم، قال أراد الضحاك بن قيس أن يستعمل، مسروقا فقال له عمارة بن عقبة أتستعمل رجلا من بقايا قتلة عثمان فقال له مسروق حدثنا عبد الله بن مسعود - وكان في أنفسنا موثوق الحديث - أن النبي صلى الله عليه وسلم لما أراد قتل أبيك قال من للصبية قال " النار " . فقد رضيت لك ما رضي لك رسول الله صلى الله عليه وسلم .
ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দা্হহাক ইবনু ক্বায়িস উমামাহ (রাঃ) মাসরুক (রহঃ) কে কর্মকর্তা নিয়োগ করার ইচ্ছা করলেন। ‘উমারা্হ ইবনু ‘উক্ববাহ তাকে বললেন, আপনি কি ‘উসমান (রাঃ) এর হত্যাকারীদের মধ্যে বেচেঁ থাকা একজন কর্মচারী নিয়োগ করবেন? মাসরুক (রহঃ) আমাদের মধ্যে নির্ভরযোগ্য হাদীসবক্তা। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তোমার পিতা (‘উক্ববা্হ) কে মৃত্যুদন্ড দেয়ার ইচ্ছা করেন, তখন তোমার পিতা বললো, আমার বাচচাদের কি অবস্হা হবে? তিনি জবাবে বলেন: আগুন। মাসরুক বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার জন্য যা পছন্দ করেছেন, আমিও তোমার জন্য সেটাই পছন্দ করেছি।
ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দা্হহাক ইবনু ক্বায়িস উমামাহ (রাঃ) মাসরুক (রহঃ) কে কর্মকর্তা নিয়োগ করার ইচ্ছা করলেন। ‘উমারা্হ ইবনু ‘উক্ববাহ তাকে বললেন, আপনি কি ‘উসমান (রাঃ) এর হত্যাকারীদের মধ্যে বেচেঁ থাকা একজন কর্মচারী নিয়োগ করবেন? মাসরুক (রহঃ) আমাদের মধ্যে নির্ভরযোগ্য হাদীসবক্তা। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তোমার পিতা (‘উক্ববা্হ) কে মৃত্যুদন্ড দেয়ার ইচ্ছা করেন, তখন তোমার পিতা বললো, আমার বাচচাদের কি অবস্হা হবে? তিনি জবাবে বলেন: আগুন। মাসরুক বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার জন্য যা পছন্দ করেছেন, আমিও তোমার জন্য সেটাই পছন্দ করেছি।
حدثنا علي بن الحسين الرقي، قال حدثنا عبد الله بن جعفر الرقي، قال أخبرني عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عمرو بن مرة، عن إبراهيم، قال أراد الضحاك بن قيس أن يستعمل، مسروقا فقال له عمارة بن عقبة أتستعمل رجلا من بقايا قتلة عثمان فقال له مسروق حدثنا عبد الله بن مسعود - وكان في أنفسنا موثوق الحديث - أن النبي صلى الله عليه وسلم لما أراد قتل أبيك قال من للصبية قال " النار " . فقد رضيت لك ما رضي لك رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮৬
حدثنا علي بن الحسين الرقي، قال حدثنا عبد الله بن جعفر الرقي، قال أخبرني عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عمرو بن مرة، عن إبراهيم، قال أراد الضحاك بن قيس أن يستعمل، مسروقا فقال له عمارة بن عقبة أتستعمل رجلا من بقايا قتلة عثمان فقال له مسروق حدثنا عبد الله بن مسعود - وكان في أنفسنا موثوق الحديث - أن النبي صلى الله عليه وسلم لما أراد قتل أبيك قال من للصبية قال " النار " . فقد رضيت لك ما رضي لك رسول الله صلى الله عليه وسلم .
ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দা্হহাক ইবনু ক্বায়িস উমামাহ (রাঃ) মাসরুক (রহঃ) কে কর্মকর্তা নিয়োগ করার ইচ্ছা করলেন। ‘উমারা্হ ইবনু ‘উক্ববাহ তাকে বললেন, আপনি কি ‘উসমান (রাঃ) এর হত্যাকারীদের মধ্যে বেচেঁ থাকা একজন কর্মচারী নিয়োগ করবেন? মাসরুক (রহঃ) আমাদের মধ্যে নির্ভরযোগ্য হাদীসবক্তা। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তোমার পিতা (‘উক্ববা্হ) কে মৃত্যুদন্ড দেয়ার ইচ্ছা করেন, তখন তোমার পিতা বললো, আমার বাচচাদের কি অবস্হা হবে? তিনি জবাবে বলেন: আগুন। মাসরুক বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার জন্য যা পছন্দ করেছেন, আমিও তোমার জন্য সেটাই পছন্দ করেছি।
ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, দা্হহাক ইবনু ক্বায়িস উমামাহ (রাঃ) মাসরুক (রহঃ) কে কর্মকর্তা নিয়োগ করার ইচ্ছা করলেন। ‘উমারা্হ ইবনু ‘উক্ববাহ তাকে বললেন, আপনি কি ‘উসমান (রাঃ) এর হত্যাকারীদের মধ্যে বেচেঁ থাকা একজন কর্মচারী নিয়োগ করবেন? মাসরুক (রহঃ) আমাদের মধ্যে নির্ভরযোগ্য হাদীসবক্তা। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন তোমার পিতা (‘উক্ববা্হ) কে মৃত্যুদন্ড দেয়ার ইচ্ছা করেন, তখন তোমার পিতা বললো, আমার বাচচাদের কি অবস্হা হবে? তিনি জবাবে বলেন: আগুন। মাসরুক বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তোমার জন্য যা পছন্দ করেছেন, আমিও তোমার জন্য সেটাই পছন্দ করেছি।
حدثنا علي بن الحسين الرقي، قال حدثنا عبد الله بن جعفر الرقي، قال أخبرني عبيد الله بن عمرو، عن زيد بن أبي أنيسة، عن عمرو بن مرة، عن إبراهيم، قال أراد الضحاك بن قيس أن يستعمل، مسروقا فقال له عمارة بن عقبة أتستعمل رجلا من بقايا قتلة عثمان فقال له مسروق حدثنا عبد الله بن مسعود - وكان في أنفسنا موثوق الحديث - أن النبي صلى الله عليه وسلم لما أراد قتل أبيك قال من للصبية قال " النار " . فقد رضيت لك ما رضي لك رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ > কয়েদীকে বেধেঁ তীর নিক্ষেপে হত্যা করা নিষেধ
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮৭
حدثنا سعيد بن منصور، قال حدثنا عبد الله بن وهب، قال أخبرني عمرو بن الحارث، عن بكير بن عبد الله بن الأشج، عن ابن تعلى، قال غزونا مع عبد الرحمن بن خالد بن الوليد فأتي بأربعة أعلاج من العدو فأمر بهم فقتلوا صبرا . قال أبو داود قال لنا غير سعيد عن ابن وهب في هذا الحديث قال بالنبل صبرا فبلغ ذلك أبا أيوب الأنصاري فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن قتل الصبر فوالذي نفسي بيده لو كانت دجاجة ما صبرتها . فبلغ ذلك عبد الرحمن بن خالد بن الوليد فأعتق أربع رقاب .
’উবাইদ ইবনু তাগলা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা খালিদ ইবনুল ওয়ালীদের (রাঃ) পুত্র ‘আবদুর রহমানের সাথে এক যুদ্ধে জোগদান করি। শত্রুদের চারজন হ্বষ্টপুস্ট লোককে ধরে আনা হলো। তিনি তাদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দিলেন এবং সেই মোতাবেক তাদেরকে হাত পা বেধেঁ হত্যা করা হলো। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, সাঈদ ছাড়া অন্য সব বর্ণনাকারী হাদীসটি ইবনু ওয়াহব হতে বর্ণনা করেছেন। “বেধেঁ তীর মেরে হত্যা করা হয়েছে।” এ সংবাদ আবূ আইয়ুব আল-আনসারী (রাঃ) নিকট পৌছালে তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কাউকে হাত পা বেধেঁ হত্যা করা নিষেধ। সেই সত্ত্বার শপথ, যার হাতে আমার প্রান। একটি মুরগীকেও আমি এভাবে বেধেঁ হত্যা করবো না। একথা ‘আবদুর রহমান ইবনু খালিদ ইবনুল ওয়ালীদের (রহঃ) কানে পৌছালে তিনি চারজন গোলামকে আযাদ করে দেন।
’উবাইদ ইবনু তাগলা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা খালিদ ইবনুল ওয়ালীদের (রাঃ) পুত্র ‘আবদুর রহমানের সাথে এক যুদ্ধে জোগদান করি। শত্রুদের চারজন হ্বষ্টপুস্ট লোককে ধরে আনা হলো। তিনি তাদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দিলেন এবং সেই মোতাবেক তাদেরকে হাত পা বেধেঁ হত্যা করা হলো। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, সাঈদ ছাড়া অন্য সব বর্ণনাকারী হাদীসটি ইবনু ওয়াহব হতে বর্ণনা করেছেন। “বেধেঁ তীর মেরে হত্যা করা হয়েছে।” এ সংবাদ আবূ আইয়ুব আল-আনসারী (রাঃ) নিকট পৌছালে তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ কাউকে হাত পা বেধেঁ হত্যা করা নিষেধ। সেই সত্ত্বার শপথ, যার হাতে আমার প্রান। একটি মুরগীকেও আমি এভাবে বেধেঁ হত্যা করবো না। একথা ‘আবদুর রহমান ইবনু খালিদ ইবনুল ওয়ালীদের (রহঃ) কানে পৌছালে তিনি চারজন গোলামকে আযাদ করে দেন।
حدثنا سعيد بن منصور، قال حدثنا عبد الله بن وهب، قال أخبرني عمرو بن الحارث، عن بكير بن عبد الله بن الأشج، عن ابن تعلى، قال غزونا مع عبد الرحمن بن خالد بن الوليد فأتي بأربعة أعلاج من العدو فأمر بهم فقتلوا صبرا . قال أبو داود قال لنا غير سعيد عن ابن وهب في هذا الحديث قال بالنبل صبرا فبلغ ذلك أبا أيوب الأنصاري فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن قتل الصبر فوالذي نفسي بيده لو كانت دجاجة ما صبرتها . فبلغ ذلك عبد الرحمن بن خالد بن الوليد فأعتق أربع رقاب .