সুনানে আবু দাউদ > কয়েদীকে শক্ত করে বেধেঁ রাখা
সুনানে আবু দাউদ ২৬৭৭
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، - يعني ابن سلمة - أخبرنا محمد بن زياد، قال سمعت أبا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لقد عجب ربنا عز وجل من قوم يقادون إلى الجنة في السلاسل " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি: আমাদের রব্ব মহান আল্লাহ ঐ লোকদের দেখে বিস্মিত হবেন, যাদেরকে শৃঙ্খলিত অবস্হায় জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি: আমাদের রব্ব মহান আল্লাহ ঐ লোকদের দেখে বিস্মিত হবেন, যাদেরকে শৃঙ্খলিত অবস্হায় জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، - يعني ابن سلمة - أخبرنا محمد بن زياد، قال سمعت أبا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لقد عجب ربنا عز وجل من قوم يقادون إلى الجنة في السلاسل " .
সুনানে আবু দাউদ ২৬৭৮
حدثنا عبد الله بن عمرو بن أبي الحجاج أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا محمد بن إسحاق، عن يعقوب بن عتبة، عن مسلم بن عبد الله، عن جندب بن مكيث، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم عبد الله بن غالب الليثي في سرية وكنت فيهم وأمرهم أن يشنوا الغارة على بني الملوح بالكديد فخرجنا حتى إذا كنا بالكديد لقينا الحارث بن البرصاء الليثي فأخذناه فقال إنما جئت أريد الإسلام وإنما خرجت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا إن تكن مسلما لم يضرك رباطنا يوما وليلة وإن تكن غير ذلك نستوثق منك فشددناه وثاقا .
জুনদুব ইবনু মাকীস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুল্লাহ ইবনু গালিব আল-লাইসীকে (রাঃ) একটি অভিযানে পাঠালেন। তাদের সাথে আমিও ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে নির্দেশ দিলেন যে, কাদীদের বনূ মালু্হ গোত্রকে কয়েক দিক থেকে আক্রমন করবে। আমরা রওয়ানা হলাম এবং কাদীদ এলাকায় পৌছে সেখানে আল-আরিস ইবনুল বারসায়া আল–লাইসীর সাক্ষাৎ পেলাম। আমরা তাকে গ্রেফতার করলে সে বললো, আমি ইসলাম কবুলের জন্য রাসূললাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট যাওয়ার উদ্দেশ্য বেড়িয়েছি। আমরা বললাম, তুমি মুসলিম হলে তোমাকে একদিন ও এক রাত বেধেঁ রাখাতে তোমার কোনো ক্ষতি হবে না। আর যদি অন্য কিছু হও তাওলে আমরা তোমাকে শক্ত করে বাধঁবো। অতঃপর আমরা তাকে শক্ত করে বেধেঁ রাখলাম।
জুনদুব ইবনু মাকীস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুল্লাহ ইবনু গালিব আল-লাইসীকে (রাঃ) একটি অভিযানে পাঠালেন। তাদের সাথে আমিও ছিলাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে নির্দেশ দিলেন যে, কাদীদের বনূ মালু্হ গোত্রকে কয়েক দিক থেকে আক্রমন করবে। আমরা রওয়ানা হলাম এবং কাদীদ এলাকায় পৌছে সেখানে আল-আরিস ইবনুল বারসায়া আল–লাইসীর সাক্ষাৎ পেলাম। আমরা তাকে গ্রেফতার করলে সে বললো, আমি ইসলাম কবুলের জন্য রাসূললাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট যাওয়ার উদ্দেশ্য বেড়িয়েছি। আমরা বললাম, তুমি মুসলিম হলে তোমাকে একদিন ও এক রাত বেধেঁ রাখাতে তোমার কোনো ক্ষতি হবে না। আর যদি অন্য কিছু হও তাওলে আমরা তোমাকে শক্ত করে বাধঁবো। অতঃপর আমরা তাকে শক্ত করে বেধেঁ রাখলাম।
حدثنا عبد الله بن عمرو بن أبي الحجاج أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا محمد بن إسحاق، عن يعقوب بن عتبة، عن مسلم بن عبد الله، عن جندب بن مكيث، قال بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم عبد الله بن غالب الليثي في سرية وكنت فيهم وأمرهم أن يشنوا الغارة على بني الملوح بالكديد فخرجنا حتى إذا كنا بالكديد لقينا الحارث بن البرصاء الليثي فأخذناه فقال إنما جئت أريد الإسلام وإنما خرجت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا إن تكن مسلما لم يضرك رباطنا يوما وليلة وإن تكن غير ذلك نستوثق منك فشددناه وثاقا .
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮০
حدثنا محمد بن عمرو الرازي، قال حدثنا سلمة، - يعني ابن الفضل - عن ابن إسحاق، قال حدثني عبد الله بن أبي بكر، عن يحيى بن عبد الله بن عبد الرحمن بن سعد بن زرارة، قال قدم بالأسارى حين قدم بهم وسودة بنت زمعة عند آل عفراء في مناخهم على عوف ومعوذ ابنى عفراء قال وذلك قبل أن يضرب عليهن الحجاب قال تقول سودة والله إني لعندهم إذ أتيت فقيل هؤلاء الأسارى قد أتي بهم . فرجعت إلى بيتي ورسول الله صلى الله عليه وسلم فيه وإذا أبو يزيد سهيل بن عمرو في ناحية الحجرة مجموعة يداه إلى عنقه بحبل . ثم ذكر الحديث . قال أبو داود وهما قتلا أبا جهل بن هشام وكانا انتدبا له ولم يعرفاه وقتلا يوم بدر .
ইয়াহইয়া ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু সা’দ ইবনু যুরারাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (ইয়াহইয়া) বলেন, যখন বদরের যুদ্ধের সময় বন্দীদের আনা হয় তখন সাওদা্হ বিনতু যাম’আহ (রাঃ) ‘আফরা পরিবারের নিকট ‘আফরার ছেলে ‘আওফ ও মুআব্বিজের পাশে উটশালায় ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এটি পর্দার বিধানের পুর্বের ঘটনা। বর্ণনাকারী বলেন, সাওদা্হ (রাঃ) বললেন, আল্লাহর শপথ! আমি তাদের কাছে ছিলাম। আমি ফিরে আসলে বলা হলো, এরা সবাই বন্দী। এদেরকে আনা হয়েছে। আমি নিজের ঘরে এলাম। তখন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরেই ছিলেন। আমাদের ঘরের এক কোনে আবূ ইয়াযীদ সুহাইল ইবনু ‘আমরকে দেখতে পেলাম। তার দুই হাত রশি দিয়ে ঘাড়ের সাথে বাধাঁ। অতঃপর বর্ণনাকারী অবশিষ্ট হাদীস বর্ণনা করেন। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘আওফ ইবনু ‘আফরা্হ ও মুআব্বিজ ইবনু ‘আফরা্হ (রাঃ) বদর যুদ্ধে আবূ জাহল ইবনু হিশামকে হত্যা করেন। তারা তার বিরুদ্ধে লড়েছেন, আবূ জাহল কে তারা চিনতেন না। তারাও বদর যুদ্ধে নিহত হোন।
ইয়াহইয়া ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু সা’দ ইবনু যুরারাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি (ইয়াহইয়া) বলেন, যখন বদরের যুদ্ধের সময় বন্দীদের আনা হয় তখন সাওদা্হ বিনতু যাম’আহ (রাঃ) ‘আফরা পরিবারের নিকট ‘আফরার ছেলে ‘আওফ ও মুআব্বিজের পাশে উটশালায় ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, এটি পর্দার বিধানের পুর্বের ঘটনা। বর্ণনাকারী বলেন, সাওদা্হ (রাঃ) বললেন, আল্লাহর শপথ! আমি তাদের কাছে ছিলাম। আমি ফিরে আসলে বলা হলো, এরা সবাই বন্দী। এদেরকে আনা হয়েছে। আমি নিজের ঘরে এলাম। তখন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার ঘরেই ছিলেন। আমাদের ঘরের এক কোনে আবূ ইয়াযীদ সুহাইল ইবনু ‘আমরকে দেখতে পেলাম। তার দুই হাত রশি দিয়ে ঘাড়ের সাথে বাধাঁ। অতঃপর বর্ণনাকারী অবশিষ্ট হাদীস বর্ণনা করেন। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘আওফ ইবনু ‘আফরা্হ ও মুআব্বিজ ইবনু ‘আফরা্হ (রাঃ) বদর যুদ্ধে আবূ জাহল ইবনু হিশামকে হত্যা করেন। তারা তার বিরুদ্ধে লড়েছেন, আবূ জাহল কে তারা চিনতেন না। তারাও বদর যুদ্ধে নিহত হোন।
حدثنا محمد بن عمرو الرازي، قال حدثنا سلمة، - يعني ابن الفضل - عن ابن إسحاق، قال حدثني عبد الله بن أبي بكر، عن يحيى بن عبد الله بن عبد الرحمن بن سعد بن زرارة، قال قدم بالأسارى حين قدم بهم وسودة بنت زمعة عند آل عفراء في مناخهم على عوف ومعوذ ابنى عفراء قال وذلك قبل أن يضرب عليهن الحجاب قال تقول سودة والله إني لعندهم إذ أتيت فقيل هؤلاء الأسارى قد أتي بهم . فرجعت إلى بيتي ورسول الله صلى الله عليه وسلم فيه وإذا أبو يزيد سهيل بن عمرو في ناحية الحجرة مجموعة يداه إلى عنقه بحبل . ثم ذكر الحديث . قال أبو داود وهما قتلا أبا جهل بن هشام وكانا انتدبا له ولم يعرفاه وقتلا يوم بدر .
সুনানে আবু দাউদ ২৬৭৯
حدثنا عيسى بن حماد المصري، وقتيبة، قال قتيبة حدثنا الليث بن سعد، عن سعيد بن أبي سعيد، أنه سمع أبا هريرة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم خيلا قبل نجد فجاءت برجل من بني حنيفة يقال له ثمامة بن أثال سيد أهل اليمامة فربطوه بسارية من سواري المسجد فخرج إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ماذا عندك يا ثمامة " . قال عندي يا محمد خير إن تقتل تقتل ذا دم وإن تنعم تنعم على شاكر وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت . فتركه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى إذا كان الغد ثم قال له " ما عندك يا ثمامة " . فأعاد مثل هذا الكلام فتركه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان بعد الغد فذكر مثل هذا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أطلقوا ثمامة " . فانطلق إلى نخل قريب من المسجد فاغتسل فيه ثم دخل المسجد فقال أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله . وساق الحديث . قال عيسى أخبرنا الليث وقال ذا ذم .
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাজদ এলাকায় অশ্বারোহী কাফেলা পাঠালেন। তারা বনী হানিফা্হ গোত্রের সুমামাহ ইবনু ইসাল নামক এক ব্যাক্তিকে ধরে নিয়ে এলো। সে ইয়ামামাবাসীদের নেতা ছিলো। লোকটিকে মাসজিদে নাববীর একটি খুটিঁতে বেধেঁ রাখা হলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে এসে বললেনঃহে সুমামাহ! তোমার নিকট কি আছে? সে বললো, হে মুহাম্মাদ! আমার কাছে কল্যান আছে। আপনি আমাকে হত্যা করলে এমন এক ব্যাক্তিকে হত্যা করলেন যার রক্তের প্রতিশোধ নেয়া হবে। আর আপনি যদি অনুগ্রহ করেন, তাহলে একজন সন্মানি লোককে অনুগ্রহ করলেন। আপনি সম্পদের আশা করলে যত ইচ্ছে চাইতে পারেন, দেয়া হবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলে গেলেন। পরবর্তী সকাল বেলায় তিনি জিজ্ঞেস করলেন: এ সুমামাহ! তুমি তোমার সাথে কেমন আচরনের প্রত্যাশা করো? সে আগের মতই জবাব দিলো। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলে গেলেন। তৃতীয় দিনের সকাল বেলায় সে একই জবাব দিলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সুমা্মাহকে ছেড়ে দাও। সে মাসজিদের নিকটস্হ খেজুর বাগানে ঢুকে (কুপের পানিতে) গোসল করে মাসজিদে এসে বললো, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি ,আল্লাহ ছারা কনো ইলা্হ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ তার বান্দা ও রাসূল। বর্ণনাকারী ঈসা বলেন, লাইস (রাঃ) আমাদের জানিয়েছেন, সুমামা্হ বললো, আপনি আমাকে হত্যা করলে একজন অপরাধীকেই হত্যা করলেন।
আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নাজদ এলাকায় অশ্বারোহী কাফেলা পাঠালেন। তারা বনী হানিফা্হ গোত্রের সুমামাহ ইবনু ইসাল নামক এক ব্যাক্তিকে ধরে নিয়ে এলো। সে ইয়ামামাবাসীদের নেতা ছিলো। লোকটিকে মাসজিদে নাববীর একটি খুটিঁতে বেধেঁ রাখা হলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে এসে বললেনঃহে সুমামাহ! তোমার নিকট কি আছে? সে বললো, হে মুহাম্মাদ! আমার কাছে কল্যান আছে। আপনি আমাকে হত্যা করলে এমন এক ব্যাক্তিকে হত্যা করলেন যার রক্তের প্রতিশোধ নেয়া হবে। আর আপনি যদি অনুগ্রহ করেন, তাহলে একজন সন্মানি লোককে অনুগ্রহ করলেন। আপনি সম্পদের আশা করলে যত ইচ্ছে চাইতে পারেন, দেয়া হবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলে গেলেন। পরবর্তী সকাল বেলায় তিনি জিজ্ঞেস করলেন: এ সুমামাহ! তুমি তোমার সাথে কেমন আচরনের প্রত্যাশা করো? সে আগের মতই জবাব দিলো। এরপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চলে গেলেন। তৃতীয় দিনের সকাল বেলায় সে একই জবাব দিলো। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সুমা্মাহকে ছেড়ে দাও। সে মাসজিদের নিকটস্হ খেজুর বাগানে ঢুকে (কুপের পানিতে) গোসল করে মাসজিদে এসে বললো, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি ,আল্লাহ ছারা কনো ইলা্হ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ তার বান্দা ও রাসূল। বর্ণনাকারী ঈসা বলেন, লাইস (রাঃ) আমাদের জানিয়েছেন, সুমামা্হ বললো, আপনি আমাকে হত্যা করলে একজন অপরাধীকেই হত্যা করলেন।
حدثنا عيسى بن حماد المصري، وقتيبة، قال قتيبة حدثنا الليث بن سعد، عن سعيد بن أبي سعيد، أنه سمع أبا هريرة، يقول بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم خيلا قبل نجد فجاءت برجل من بني حنيفة يقال له ثمامة بن أثال سيد أهل اليمامة فربطوه بسارية من سواري المسجد فخرج إليه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ماذا عندك يا ثمامة " . قال عندي يا محمد خير إن تقتل تقتل ذا دم وإن تنعم تنعم على شاكر وإن كنت تريد المال فسل تعط منه ما شئت . فتركه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى إذا كان الغد ثم قال له " ما عندك يا ثمامة " . فأعاد مثل هذا الكلام فتركه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى كان بعد الغد فذكر مثل هذا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أطلقوا ثمامة " . فانطلق إلى نخل قريب من المسجد فاغتسل فيه ثم دخل المسجد فقال أشهد أن لا إله إلا الله وأشهد أن محمدا عبده ورسوله . وساق الحديث . قال عيسى أخبرنا الليث وقال ذا ذم .
সুনানে আবু দাউদ > বন্দীদেকে মারধর ও হুমকি দিয়ে তথ্য উদ্ধার করা
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮১
حدثنا موسى بن إسماعيل، قال حدثنا حماد، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ندب أصحابه فانطلقوا إلى بدر فإذا هم بروايا قريش فيها عبد أسود لبني الحجاج فأخذه أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعلوا يسألونه أين أبو سفيان فيقول والله ما لي بشىء من أمره علم ولكن هذه قريش قد جاءت فيهم أبو جهل وعتبة وشيبة ابنا ربيعة وأمية بن خلف . فإذا قال لهم ذلك ضربوه فيقول دعوني دعوني أخبركم . فإذا تركوه قال والله ما لي بأبي سفيان من علم ولكن هذه قريش قد أقبلت فيهم أبو جهل وعتبة وشيبة ابنا ربيعة وأمية بن خلف قد أقبلوا . والنبي صلى الله عليه وسلم يصلي وهو يسمع ذلك فلما انصرف قال " والذي نفسي بيده إنكم لتضربونه إذا صدقكم وتدعونه إذا كذبكم هذه قريش قد أقبلت لتمنع أبا سفيان " . قال أنس قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا مصرع فلان غدا " . ووضع يده على الأرض " وهذا مصرع فلان غدا " . ووضع يده على الأرض " وهذا مصرع فلان غدا " . ووضع يده على الأرض فقال والذي نفسي بيده ما جاوز أحد منهم عن موضع يد رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمر بهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخذ بأرجلهم فسحبوا فألقوا في قليب بدر .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদের যুদ্ধে অংশ গ্রহনের আ্হবান জানালেন। তারা বদর অভিমুখে রওয়ানা হলেন। তার হাজ্জাদ গোত্রের এক কালো কৃতদাস কে কুরাইশদের পানি বহনকারী উটের সংঙ্গে পেয়ে গেলেন। সাহাবায়ী কিরাম তাকে ধরে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে লাগলেন। আবূ সুফিআন কোথায় বলো? সে বললো, আল্লাহর শপথ! তার সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। তবে কুরাইশ বাহিনী আসছে, সঙ্গে আবূ জাহল, ’উতবাহ ও শাইবাহ ইবনু রবী’আ্হ এবং উমাইয়াহ ইবনু খালাফ রয়েছে। সে একথা জানালে সাহাবীগণ তাকে মারধর করতে লাগলেন। সে চিৎকার করে বললো, ছাড়ো ছাড়ো! আমি বলছি। তারা তাকে ছেরে দিলে সে বললো, আল্লাহর শপথ! আবূ সুফিয়ান সম্পর্কে আমার কিছুই জানা নেই। তবে এই কোরাইশ বাহিনী আসছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতরত ছিলেন। তিনি কথাগুলা শুনলেন। সলাত শেষ করে তিনি বলেন: ঐ সত্ত্বার শপথ, যার হাতে আমার প্রান। সে যখন তোমাদের সত্য কথা বলেছে, তোমরা তাকে প্রহার করেছো, আর যখন মিথ্যা বলেছে তখন ছেরে দিয়েছো। কোরাইশ বাহিনী আবূ সুফিয়ানের (কাফেলা) রক্ষা করতে এসেছে। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএটা আগামীকাল অমুকের নিহত হওয়ার স্হান, এই বলে তিনি যমিনের উপর হাত রাখলেন। এটা আগামীকাল অমুকের নিহত হওয়ার স্হান, এই বলে তিনি নির্দিষ্ট স্হান এর উপর হাত রাখলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, সে সত্তর শপথ যার হাতে প্রান, কাফিরদের কেউই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাত রাখার নির্দিষ্ট স্হান অতিক্রম করেনি (তারা ওই নির্দিষ্ট স্হানে নিহত হয়) অতঃপর রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ মোতাবেক ওদের লাশের পা ধরে টেনে –হেচড়েঁ নিয়ে গিয়ে বদরের একটি অন্ধকার কুপে নিঃক্ষেপ করা হয়।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবীদের যুদ্ধে অংশ গ্রহনের আ্হবান জানালেন। তারা বদর অভিমুখে রওয়ানা হলেন। তার হাজ্জাদ গোত্রের এক কালো কৃতদাস কে কুরাইশদের পানি বহনকারী উটের সংঙ্গে পেয়ে গেলেন। সাহাবায়ী কিরাম তাকে ধরে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করতে লাগলেন। আবূ সুফিআন কোথায় বলো? সে বললো, আল্লাহর শপথ! তার সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। তবে কুরাইশ বাহিনী আসছে, সঙ্গে আবূ জাহল, ’উতবাহ ও শাইবাহ ইবনু রবী’আ্হ এবং উমাইয়াহ ইবনু খালাফ রয়েছে। সে একথা জানালে সাহাবীগণ তাকে মারধর করতে লাগলেন। সে চিৎকার করে বললো, ছাড়ো ছাড়ো! আমি বলছি। তারা তাকে ছেরে দিলে সে বললো, আল্লাহর শপথ! আবূ সুফিয়ান সম্পর্কে আমার কিছুই জানা নেই। তবে এই কোরাইশ বাহিনী আসছে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতরত ছিলেন। তিনি কথাগুলা শুনলেন। সলাত শেষ করে তিনি বলেন: ঐ সত্ত্বার শপথ, যার হাতে আমার প্রান। সে যখন তোমাদের সত্য কথা বলেছে, তোমরা তাকে প্রহার করেছো, আর যখন মিথ্যা বলেছে তখন ছেরে দিয়েছো। কোরাইশ বাহিনী আবূ সুফিয়ানের (কাফেলা) রক্ষা করতে এসেছে। আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃএটা আগামীকাল অমুকের নিহত হওয়ার স্হান, এই বলে তিনি যমিনের উপর হাত রাখলেন। এটা আগামীকাল অমুকের নিহত হওয়ার স্হান, এই বলে তিনি নির্দিষ্ট স্হান এর উপর হাত রাখলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, সে সত্তর শপথ যার হাতে প্রান, কাফিরদের কেউই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাত রাখার নির্দিষ্ট স্হান অতিক্রম করেনি (তারা ওই নির্দিষ্ট স্হানে নিহত হয়) অতঃপর রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নির্দেশ মোতাবেক ওদের লাশের পা ধরে টেনে –হেচড়েঁ নিয়ে গিয়ে বদরের একটি অন্ধকার কুপে নিঃক্ষেপ করা হয়।
حدثنا موسى بن إسماعيل، قال حدثنا حماد، عن ثابت، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ندب أصحابه فانطلقوا إلى بدر فإذا هم بروايا قريش فيها عبد أسود لبني الحجاج فأخذه أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعلوا يسألونه أين أبو سفيان فيقول والله ما لي بشىء من أمره علم ولكن هذه قريش قد جاءت فيهم أبو جهل وعتبة وشيبة ابنا ربيعة وأمية بن خلف . فإذا قال لهم ذلك ضربوه فيقول دعوني دعوني أخبركم . فإذا تركوه قال والله ما لي بأبي سفيان من علم ولكن هذه قريش قد أقبلت فيهم أبو جهل وعتبة وشيبة ابنا ربيعة وأمية بن خلف قد أقبلوا . والنبي صلى الله عليه وسلم يصلي وهو يسمع ذلك فلما انصرف قال " والذي نفسي بيده إنكم لتضربونه إذا صدقكم وتدعونه إذا كذبكم هذه قريش قد أقبلت لتمنع أبا سفيان " . قال أنس قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا مصرع فلان غدا " . ووضع يده على الأرض " وهذا مصرع فلان غدا " . ووضع يده على الأرض " وهذا مصرع فلان غدا " . ووضع يده على الأرض فقال والذي نفسي بيده ما جاوز أحد منهم عن موضع يد رسول الله صلى الله عليه وسلم فأمر بهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فأخذ بأرجلهم فسحبوا فألقوا في قليب بدر .
সুনানে আবু দাউদ > বন্দীকে ইসলাম গ্রহনে বাধ্য করা উচিত নয়
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮২
حدثنا محمد بن عمر بن علي المقدمي، قال حدثنا أشعث بن عبد الله، - يعني السجستاني ح وحدثنا محمد بن بشار، قال حدثنا ابن أبي عدي، وهذا، لفظه ح وحدثنا الحسن بن علي، قال حدثنا وهب بن جرير، عن شعبة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال كانت المرأة تكون مقلاتا فتجعل على نفسها إن عاش لها ولد أن تهوده فلما أجليت بنو النضير كان فيهم من أبناء الأنصار فقالوا لا ندع أبناءنا فأنزل الله عز وجل { لا إكراه في الدين قد تبين الرشد من الغى } قال أبو داود المقلات التي لا يعيش لها ولد .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জাহিলী যুগে যদি কোনো মহিলার সন্তান বেচেঁ না থাকতো তাহলে সে এ মর্মে মানত করতো যে, তার সন্তান বাচলেঁ তাকে ইয়াহুদী ধর্মে দীক্ষিত করাবে। অতঃপর যখন ইয়াহুদী গোত্র বনী নাযীরকে উচ্ছেদ করা হয়, তখন তাদের মধ্যে আনসারদের কতিপয় ঐরুপ সন্তান ছিলো। আনসারগন বললেন, আমরা আমাদের সন্তানদের (ইয়াহুদীদের সাথে) ছেড়ে দিতে পারবো না। তখন মহান আল্লাহর আয়াত অবতীর্ন করলেন, ”দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই। হিদিয়াতের নির্ভূল পথকে ভ্রান্ত পথ হতে সুস্পষ্টভাবে পৃথক করা হয়েছে।” (সুরা্হ আল-বাক্বারা্হ, আয়াত ২৫৬) আবূ দাউদ বলেন, যেসব মহিলাদের সন্তান বেচেঁ থাকে না তাদেরকে ‘মিক্বলাত’ বলা হয়।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জাহিলী যুগে যদি কোনো মহিলার সন্তান বেচেঁ না থাকতো তাহলে সে এ মর্মে মানত করতো যে, তার সন্তান বাচলেঁ তাকে ইয়াহুদী ধর্মে দীক্ষিত করাবে। অতঃপর যখন ইয়াহুদী গোত্র বনী নাযীরকে উচ্ছেদ করা হয়, তখন তাদের মধ্যে আনসারদের কতিপয় ঐরুপ সন্তান ছিলো। আনসারগন বললেন, আমরা আমাদের সন্তানদের (ইয়াহুদীদের সাথে) ছেড়ে দিতে পারবো না। তখন মহান আল্লাহর আয়াত অবতীর্ন করলেন, ”দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই। হিদিয়াতের নির্ভূল পথকে ভ্রান্ত পথ হতে সুস্পষ্টভাবে পৃথক করা হয়েছে।” (সুরা্হ আল-বাক্বারা্হ, আয়াত ২৫৬) আবূ দাউদ বলেন, যেসব মহিলাদের সন্তান বেচেঁ থাকে না তাদেরকে ‘মিক্বলাত’ বলা হয়।
حدثنا محمد بن عمر بن علي المقدمي، قال حدثنا أشعث بن عبد الله، - يعني السجستاني ح وحدثنا محمد بن بشار، قال حدثنا ابن أبي عدي، وهذا، لفظه ح وحدثنا الحسن بن علي، قال حدثنا وهب بن جرير، عن شعبة، عن أبي بشر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال كانت المرأة تكون مقلاتا فتجعل على نفسها إن عاش لها ولد أن تهوده فلما أجليت بنو النضير كان فيهم من أبناء الأنصار فقالوا لا ندع أبناءنا فأنزل الله عز وجل { لا إكراه في الدين قد تبين الرشد من الغى } قال أبو داود المقلات التي لا يعيش لها ولد .
সুনানে আবু দাউদ > ইসলামের দা’ওয়াত না দিয়ে যুদ্ধবন্দীকে হত্যা করা
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮৪
حدثنا محمد بن العلاء، قال حدثنا زيد بن حباب، قال أخبرنا عمرو بن عثمان بن عبد الرحمن بن سعيد بن يربوع المخزومي، قال حدثني جدي، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم فتح مكة " أربعة لا أؤمنهم في حل ولا حرم " . فسماهم . قال وقينتين كانتا لمقيس فقتلت إحداهما وأفلتت الأخرى فأسلمت . قال أبو داود لم أفهم إسناده من ابن العلاء كما أحب .
সাঈদ ইবনু ইয়ারবূ’ আল-মাখযূমী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন ঘোষনা করেনঃ চার ব্যাক্তির জন্য হারাম শরীফ অথবা এর বাইরে কোথাও নিরাপত্তার অঙ্গীকার নাই। তিনি তাদের নামও বলেন দিলেন। তিনি মাক্বীসের দুই গায়িকা ক্রীতদাসীর নামও উল্লেখ করেন। এদের একজনকে হত্যা দেয়া এবং অপরজন পলায়ন করে। পরবর্তীতে সে ইসলাম গ্রহন করে। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আমি ইবনুল ‘আলার থেকে এর সানাদ উত্তমরুপে বুঝতে পারিনি।
সাঈদ ইবনু ইয়ারবূ’ আল-মাখযূমী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন ঘোষনা করেনঃ চার ব্যাক্তির জন্য হারাম শরীফ অথবা এর বাইরে কোথাও নিরাপত্তার অঙ্গীকার নাই। তিনি তাদের নামও বলেন দিলেন। তিনি মাক্বীসের দুই গায়িকা ক্রীতদাসীর নামও উল্লেখ করেন। এদের একজনকে হত্যা দেয়া এবং অপরজন পলায়ন করে। পরবর্তীতে সে ইসলাম গ্রহন করে। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আমি ইবনুল ‘আলার থেকে এর সানাদ উত্তমরুপে বুঝতে পারিনি।
حدثنا محمد بن العلاء، قال حدثنا زيد بن حباب، قال أخبرنا عمرو بن عثمان بن عبد الرحمن بن سعيد بن يربوع المخزومي، قال حدثني جدي، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يوم فتح مكة " أربعة لا أؤمنهم في حل ولا حرم " . فسماهم . قال وقينتين كانتا لمقيس فقتلت إحداهما وأفلتت الأخرى فأسلمت . قال أبو داود لم أفهم إسناده من ابن العلاء كما أحب .
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮৫
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل مكة عام الفتح وعلى رأسه المغفر فلما نزعه جاءه رجل فقال ابن خطل متعلق بأستار الكعبة فقال " اقتلوه " . قال أبو داود ابن خطل اسمه عبد الله وكان أبو برزة الأسلمي قتله .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লৌহ শিরস্ত্রান পরিহিত অবস্হায় মাক্কাহতে প্রবেশ করেন। তিনি যখন শিরস্ত্রান খুলেন, তখন এক ব্যাক্তি এসে বললো, ইবনু খাতাল কা’বার পর্দার আড়ালে লুকিয়ে আছে। তিনি বলেন: তোমরা তাকে হত্যা করো। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু খাতালের নাম ‘আবদুল্লাহ। আবূ বারযাহ আল-আসলামী (রাঃ) তাকে হত্যা করেন।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহ বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লৌহ শিরস্ত্রান পরিহিত অবস্হায় মাক্কাহতে প্রবেশ করেন। তিনি যখন শিরস্ত্রান খুলেন, তখন এক ব্যাক্তি এসে বললো, ইবনু খাতাল কা’বার পর্দার আড়ালে লুকিয়ে আছে। তিনি বলেন: তোমরা তাকে হত্যা করো। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু খাতালের নাম ‘আবদুল্লাহ। আবূ বারযাহ আল-আসলামী (রাঃ) তাকে হত্যা করেন।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل مكة عام الفتح وعلى رأسه المغفر فلما نزعه جاءه رجل فقال ابن خطل متعلق بأستار الكعبة فقال " اقتلوه " . قال أبو داود ابن خطل اسمه عبد الله وكان أبو برزة الأسلمي قتله .
সুনানে আবু দাউদ ২৬৮৩
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، قال حدثنا أحمد بن المفضل، قال حدثنا أسباط بن نصر، قال زعم السدي عن مصعب بن سعد، عن سعد، قال لما كان يوم فتح مكة أمن رسول الله صلى الله عليه وسلم الناس إلا أربعة نفر وامرأتين وسماهم وابن أبي سرح . فذكر الحديث قال وأما ابن أبي سرح فإنه اختبأ عند عثمان بن عفان فلما دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم الناس إلى البيعة جاء به حتى أوقفه على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله بايع عبد الله فرفع رأسه فنظر إليه ثلاثا كل ذلك يأبى فبايعه بعد ثلاث ثم أقبل على أصحابه فقال " أما كان فيكم رجل رشيد يقوم إلى هذا حيث رآني كففت يدي عن بيعته فيقتله " . فقالوا ما ندري يا رسول الله ما في نفسك ألا أومأت إلينا بعينك قال " إنه لا ينبغي لنبي أن تكون له خائنة الأعين " . قال أبو داود كان عبد الله أخا عثمان من الرضاعة وكان الوليد بن عقبة أخا عثمان لأمه وضربه عثمان الحد إذ شرب الخمر .
সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন চারজন পুরুষ ও দুজন মহিলা ছারা অন্য সবাইকে নিরাপত্তার (ক্ষমার) ঘোষনা দিলেন। তিনি তাদের নামও উল্লেখ করলেন। তন্মধ্যে ইবনু আবূ সারহও ছিলো। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসের বাকি অংশ বর্ণনা করেন। সা’দ (রাঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ সারহ ‘উসমান ইবনু আ’ফফানের (রাঃ) নিকট আত্নগোপন করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জনসাধারনকে বায়’আত গ্রহনের জন্য আহবান জানালে ‘উসমান (রাঃ) তাকে নিয়ে এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে দাড়ঁ করিয়ে বললেন, হে আল্লাহর নাবী! ’আবদুল্লাহর বায়’আত নিন। তিনি মাথা তুলে তার দিকে পর পর তিনবার তাকালেন, এবং প্রতিবারই অসন্তোষ প্রকাশ করলেন। তিনবারের পর তিনি ‘আবদুল্লাহর বায়’আত গ্রহন করলেন, অতঃপর সাহাবীদের লক্ষ্য করে বলেন: তোমাদের মধ্যে কি কোন বুদ্ধিনাম লোক ছিলো না, যখন সে আমাকে দেখলো যে আমি বায়’আত নিচ্ছি না, তখন সে তাকে কেনো হত্যা করলো না? সাহাবীগণ বললেন, এ আল্লাহর রাসূল! আপনার মনের ইচ্ছা আমরা উপলব্ধি করতে পারনি। আপনি আমাদেরকে চোখ দিয়ে ইশারা করলেন না কেনো! তিনি বলেন: কোনো নাবীর জন্য চোখের খেয়ানাতকারী হওয়া শোভা পায় না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ সারহ হলো ‘উসমানের (রাঃ) দুধভাই এবং ওয়ালীদ ইবনু ‘উক্ববাহ তার বৈপিত্রেয় ভাই। ’উসমানের (রাঃ) খিলাফাতের সময় ওয়ালীদ মদ পান করলে তিনি তাকে শাস্তি দেন।
সা’দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন চারজন পুরুষ ও দুজন মহিলা ছারা অন্য সবাইকে নিরাপত্তার (ক্ষমার) ঘোষনা দিলেন। তিনি তাদের নামও উল্লেখ করলেন। তন্মধ্যে ইবনু আবূ সারহও ছিলো। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসের বাকি অংশ বর্ণনা করেন। সা’দ (রাঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ সারহ ‘উসমান ইবনু আ’ফফানের (রাঃ) নিকট আত্নগোপন করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন জনসাধারনকে বায়’আত গ্রহনের জন্য আহবান জানালে ‘উসমান (রাঃ) তাকে নিয়ে এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সামনে দাড়ঁ করিয়ে বললেন, হে আল্লাহর নাবী! ’আবদুল্লাহর বায়’আত নিন। তিনি মাথা তুলে তার দিকে পর পর তিনবার তাকালেন, এবং প্রতিবারই অসন্তোষ প্রকাশ করলেন। তিনবারের পর তিনি ‘আবদুল্লাহর বায়’আত গ্রহন করলেন, অতঃপর সাহাবীদের লক্ষ্য করে বলেন: তোমাদের মধ্যে কি কোন বুদ্ধিনাম লোক ছিলো না, যখন সে আমাকে দেখলো যে আমি বায়’আত নিচ্ছি না, তখন সে তাকে কেনো হত্যা করলো না? সাহাবীগণ বললেন, এ আল্লাহর রাসূল! আপনার মনের ইচ্ছা আমরা উপলব্ধি করতে পারনি। আপনি আমাদেরকে চোখ দিয়ে ইশারা করলেন না কেনো! তিনি বলেন: কোনো নাবীর জন্য চোখের খেয়ানাতকারী হওয়া শোভা পায় না। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ সারহ হলো ‘উসমানের (রাঃ) দুধভাই এবং ওয়ালীদ ইবনু ‘উক্ববাহ তার বৈপিত্রেয় ভাই। ’উসমানের (রাঃ) খিলাফাতের সময় ওয়ালীদ মদ পান করলে তিনি তাকে শাস্তি দেন।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، قال حدثنا أحمد بن المفضل، قال حدثنا أسباط بن نصر، قال زعم السدي عن مصعب بن سعد، عن سعد، قال لما كان يوم فتح مكة أمن رسول الله صلى الله عليه وسلم الناس إلا أربعة نفر وامرأتين وسماهم وابن أبي سرح . فذكر الحديث قال وأما ابن أبي سرح فإنه اختبأ عند عثمان بن عفان فلما دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم الناس إلى البيعة جاء به حتى أوقفه على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا نبي الله بايع عبد الله فرفع رأسه فنظر إليه ثلاثا كل ذلك يأبى فبايعه بعد ثلاث ثم أقبل على أصحابه فقال " أما كان فيكم رجل رشيد يقوم إلى هذا حيث رآني كففت يدي عن بيعته فيقتله " . فقالوا ما ندري يا رسول الله ما في نفسك ألا أومأت إلينا بعينك قال " إنه لا ينبغي لنبي أن تكون له خائنة الأعين " . قال أبو داود كان عبد الله أخا عثمان من الرضاعة وكان الوليد بن عقبة أخا عثمان لأمه وضربه عثمان الحد إذ شرب الخمر .