সুনানে আবু দাউদ > কুরআন সাথে নিয়ে শত্রু এলাকায় সফর করা
সুনানে আবু দাউদ ২৬১০
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، عن مالك، عن نافع، أن عبد الله بن عمر، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يسافر بالقرآن إلى أرض العدو . قال مالك أراه مخافة أن يناله العدو .
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআন সাথে নিয়ে শত্রু এলাকায় সফর করতে নিষেধ করেছেন। (মধ্যকারী বর্ণনাকারী) মালিক বলেন, আমার ধারণা শত্রুর হাতে পড়ে কুরআন অবমাননার আশঙ্কায় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন।
নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরআন সাথে নিয়ে শত্রু এলাকায় সফর করতে নিষেধ করেছেন। (মধ্যকারী বর্ণনাকারী) মালিক বলেন, আমার ধারণা শত্রুর হাতে পড়ে কুরআন অবমাননার আশঙ্কায় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন।
حدثنا عبد الله بن مسلمة القعنبي، عن مالك، عن نافع، أن عبد الله بن عمر، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن يسافر بالقرآن إلى أرض العدو . قال مالك أراه مخافة أن يناله العدو .
সুনানে আবু দাউদ > সাজোয়া বাহিনী, ছোট সেনাদল ও সফরসঙ্গী কতজন হওয়া উত্তম
সুনানে আবু দাউদ ২৬১১
حدثنا زهير بن حرب أبو خيثمة، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت يونس، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " خير الصحابة أربعة وخير السرايا أربعمائة وخير الجيوش أربعة آلاف ولن يغلب اثنا عشر ألفا من قلة " . قال أبو داود والصحيح أنه مرسل .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সফরে উত্তম হচ্ছে চারজন সঙ্গী হওয়া, ক্ষুদ্রবাহিনীতে চারশো এবং সেনাবাহিনীতে চার হাজার সৈন্য হওয়া উত্তম। আর বারো হাজার সৈন্য হলে সংখ্যা সল্পতার কারণে পরাজিত হয় না।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সফরে উত্তম হচ্ছে চারজন সঙ্গী হওয়া, ক্ষুদ্রবাহিনীতে চারশো এবং সেনাবাহিনীতে চার হাজার সৈন্য হওয়া উত্তম। আর বারো হাজার সৈন্য হলে সংখ্যা সল্পতার কারণে পরাজিত হয় না।
حدثنا زهير بن حرب أبو خيثمة، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا أبي قال، سمعت يونس، عن الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " خير الصحابة أربعة وخير السرايا أربعمائة وخير الجيوش أربعة آلاف ولن يغلب اثنا عشر ألفا من قلة " . قال أبو داود والصحيح أنه مرسل .
সুনানে আবু দাউদ > মুশরিকদেরকে ইসলামের দাওয়াত প্রদান
সুনানে আবু দাউদ ২৬১৪
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن آدم، وعبيد الله بن موسى، عن حسن بن صالح، عن خالد بن الفرز، حدثني أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " انطلقوا باسم الله وبالله وعلى ملة رسول الله ولا تقتلوا شيخا فانيا ولا طفلا ولا صغيرا ولا امرأة ولا تغلوا وضموا غنائمكم وأصلحوا وأحسنوا { إن الله يحب المحسنين } " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: তোমরা যুদ্ধ করার সময় আল্লাহর নাম নিবে, আল্লাহর উপর ভরসা করবে এবং আল্লাহর রাসূলের মিল্লাতের উপর অটল থাকবে। অতি বৃদ্ধ, শিশু-কিশোর ও নারীদের হত্যা করবে না এবং গনীমাতের মাল আত্মসাৎ করবে না। তোমাদের গনীমাত একত্রে জড়ো করবে, নিজেদের অবস্থার সংশোধন করবে এবং সৎ কাজ করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন। দুর্বল: যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (১৩৪৬), মিশকাত (৩৯৫৬)।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: তোমরা যুদ্ধ করার সময় আল্লাহর নাম নিবে, আল্লাহর উপর ভরসা করবে এবং আল্লাহর রাসূলের মিল্লাতের উপর অটল থাকবে। অতি বৃদ্ধ, শিশু-কিশোর ও নারীদের হত্যা করবে না এবং গনীমাতের মাল আত্মসাৎ করবে না। তোমাদের গনীমাত একত্রে জড়ো করবে, নিজেদের অবস্থার সংশোধন করবে এবং সৎ কাজ করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন। দুর্বল: যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (১৩৪৬), মিশকাত (৩৯৫৬)।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا يحيى بن آدم، وعبيد الله بن موسى، عن حسن بن صالح، عن خالد بن الفرز، حدثني أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " انطلقوا باسم الله وبالله وعلى ملة رسول الله ولا تقتلوا شيخا فانيا ولا طفلا ولا صغيرا ولا امرأة ولا تغلوا وضموا غنائمكم وأصلحوا وأحسنوا { إن الله يحب المحسنين } " .
সুনানে আবু দাউদ ২৬১৩
حدثنا أبو صالح الأنطاكي، محبوب بن موسى أخبرنا أبو إسحاق الفزاري، عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اغزوا باسم الله وفي سبيل الله وقاتلوا من كفر بالله اغزوا ولا تغدروا ولا تغلوا ولا تمثلوا ولا تقتلوا وليدا " .
সুলাইমান ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমারা আল্লাহর নাম নিয়ে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করো। যারা আল্লাহর পথে কুফরী করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো। তোমারা যুদ্ধ করে যাও কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতা করো না, ওয়াদা ভঙ্গ করো না, গনীমাতের মাল আত্মসাৎ করো না, লাশ বিকৃত করো না এবং শিশুদের হত্যা করো না।
সুলাইমান ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমারা আল্লাহর নাম নিয়ে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করো। যারা আল্লাহর পথে কুফরী করেছে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করো। তোমারা যুদ্ধ করে যাও কিন্তু বিশ্বাসঘাতকতা করো না, ওয়াদা ভঙ্গ করো না, গনীমাতের মাল আত্মসাৎ করো না, লাশ বিকৃত করো না এবং শিশুদের হত্যা করো না।
حدثنا أبو صالح الأنطاكي، محبوب بن موسى أخبرنا أبو إسحاق الفزاري، عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اغزوا باسم الله وفي سبيل الله وقاتلوا من كفر بالله اغزوا ولا تغدروا ولا تغلوا ولا تمثلوا ولا تقتلوا وليدا " .
সুনানে আবু দাউদ ২৬১২
حدثنا محمد بن سليمان الأنباري، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا بعث أميرا على سرية أو جيش أوصاه بتقوى الله في خاصة نفسه وبمن معه من المسلمين خيرا وقال " إذا لقيت عدوك من المشركين فادعهم إلى إحدى ثلاث خصال أو خلال فأيتها أجابوك إليها فاقبل منهم وكف عنهم ادعهم إلى الإسلام فإن أجابوك فاقبل منهم وكف عنهم ثم ادعهم إلى التحول من دارهم إلى دار المهاجرين وأعلمهم أنهم إن فعلوا ذلك أن لهم ما للمهاجرين وأن عليهم ما على المهاجرين فإن أبوا واختاروا دارهم فأعلمهم أنهم يكونون كأعراب المسلمين يجرى عليهم حكم الله الذي يجري على المؤمنين ولا يكون لهم في الفىء والغنيمة نصيب إلا أن يجاهدوا مع المسلمين فإن هم أبوا فادعهم إلى إعطاء الجزية فإن أجابوا فاقبل منهم وكف عنهم فإن أبوا فاستعن بالله تعالى وقاتلهم وإذا حاصرت أهل حصن فأرادوك أن تنزلهم على حكم الله تعالى فلا تنزلهم فإنكم لا تدرون ما يحكم الله فيهم ولكن أنزلوهم على حكمكم ثم اقضوا فيهم بعد ما شئتم " . قال سفيان بن عيينة قال علقمة فذكرت هذا الحديث لمقاتل بن حيان فقال حدثني مسلم - قال أبو داود هو ابن هيصم - عن النعمان بن مقرن عن النبي صلى الله عليه وسلم مثل حديث سليمان بن بريدة .
সুলাইমান ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি (বুরাইদাহ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাউকে কোন সামরিক অভিযানের অধিনায়ক নিযুক্ত করে পাঠানোর সময় তাকে বিশেষভাবে আল্লাহকে ভয় করার এবং অধীনস্থ মুসলিম সৈন্যদের সাথে উত্তম ব্যবহার করার উপদেশ দিতেন। তিনি আরো বলতেনঃ তুমি মুশরিক বাহিনীর সম্মুখীন হলে তাদেরকে তিনটি বিষয়ের যে কোন একটি গ্রহনের আহ্বান জানাবে। অতঃপর তারা যে কোন একটি গ্রহণ করলে তুমি তা মেনে নিবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হতে বিরত থাকবে। (এক) তুমি তাদেরকে ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানাবে। যদি তারা এটা মেনে নেয় তাহলে তাদের ইসলাম গ্রহণ মেনে নিবে এবং যুদ্ধ হতে বিরত থাকবে। এরপর তাদেরকে নিজ শহর ছেড়ে মুহাজিরদের শহরে হিজরাত করার আহ্বান জানাবে এবং তাদেরকে জানাবে, তারা এরুপ করলে তারাও মুহাজিরদের ন্যায় সুযোগ-সুবিধা পাবে এবং মুহাজিরদের উপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে তাদের উপরও তা বর্তাবে। আর যদি তারা দেশ ত্যাগে রাজী না হয় এবং নিজেদের দেশেই থাকতে চায়, তাহলে তাদের জানিয়ে দিবে, তাদের মর্যাদা বেদুঈন মুসলিমদের মত। তাদের উপরও আল্লাহর সেসব হুকুম প্রয়োগ হবে যা মুমিনদের উপর হয়েছে। আর তারা মুসলিম বাহিনীর সাথে একত্রে জিহাদ না করলে তার ফাই ও গনিমাতের কোন অংশ লাভ করবে না। (দুই) তারা ইসলাম গ্রহনে অস্বীকৃতি জানালে তাদের জিয্য়া প্রদানের আহ্বান জানাবে। তারা এটা মেনে নিলে তা অনুমোদন করবে এবং যুদ্ধ হতে বিরত থাকবে। (তিন) তারা জিয্য়া প্রদানে অস্বীকার করলে আল্লাহর সাহায্য চাইবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাবে। আর তুমি যদি কোন দুর্গবাসীদের অবরোধ করো এবং তারা যদি আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী দুর্গ থেকে নামার জন্য তোমার নিকট আবেদন করে, তাহলে তুমি তাদের সেই আবেদন মানবে না। কারণ আল্লাহ তাদের বিষয়ে কি ফায়সালা দিবেন তা তোমরা অবহিত নও। বরং তোমরা নিজেদের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে তাদেরকে বাধ্য করবে এবং তোমরা তোমাদের সুবিধামত তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে। নু’মান ইবনু মুকাররিন (রাঃ)-ও এটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
সুলাইমান ইবনু বুরাইদাহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি (বুরাইদাহ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাউকে কোন সামরিক অভিযানের অধিনায়ক নিযুক্ত করে পাঠানোর সময় তাকে বিশেষভাবে আল্লাহকে ভয় করার এবং অধীনস্থ মুসলিম সৈন্যদের সাথে উত্তম ব্যবহার করার উপদেশ দিতেন। তিনি আরো বলতেনঃ তুমি মুশরিক বাহিনীর সম্মুখীন হলে তাদেরকে তিনটি বিষয়ের যে কোন একটি গ্রহনের আহ্বান জানাবে। অতঃপর তারা যে কোন একটি গ্রহণ করলে তুমি তা মেনে নিবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হতে বিরত থাকবে। (এক) তুমি তাদেরকে ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানাবে। যদি তারা এটা মেনে নেয় তাহলে তাদের ইসলাম গ্রহণ মেনে নিবে এবং যুদ্ধ হতে বিরত থাকবে। এরপর তাদেরকে নিজ শহর ছেড়ে মুহাজিরদের শহরে হিজরাত করার আহ্বান জানাবে এবং তাদেরকে জানাবে, তারা এরুপ করলে তারাও মুহাজিরদের ন্যায় সুযোগ-সুবিধা পাবে এবং মুহাজিরদের উপর যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে তাদের উপরও তা বর্তাবে। আর যদি তারা দেশ ত্যাগে রাজী না হয় এবং নিজেদের দেশেই থাকতে চায়, তাহলে তাদের জানিয়ে দিবে, তাদের মর্যাদা বেদুঈন মুসলিমদের মত। তাদের উপরও আল্লাহর সেসব হুকুম প্রয়োগ হবে যা মুমিনদের উপর হয়েছে। আর তারা মুসলিম বাহিনীর সাথে একত্রে জিহাদ না করলে তার ফাই ও গনিমাতের কোন অংশ লাভ করবে না। (দুই) তারা ইসলাম গ্রহনে অস্বীকৃতি জানালে তাদের জিয্য়া প্রদানের আহ্বান জানাবে। তারা এটা মেনে নিলে তা অনুমোদন করবে এবং যুদ্ধ হতে বিরত থাকবে। (তিন) তারা জিয্য়া প্রদানে অস্বীকার করলে আল্লাহর সাহায্য চাইবে এবং তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাবে। আর তুমি যদি কোন দুর্গবাসীদের অবরোধ করো এবং তারা যদি আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী দুর্গ থেকে নামার জন্য তোমার নিকট আবেদন করে, তাহলে তুমি তাদের সেই আবেদন মানবে না। কারণ আল্লাহ তাদের বিষয়ে কি ফায়সালা দিবেন তা তোমরা অবহিত নও। বরং তোমরা নিজেদের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে তাদেরকে বাধ্য করবে এবং তোমরা তোমাদের সুবিধামত তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে। নু’মান ইবনু মুকাররিন (রাঃ)-ও এটি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
حدثنا محمد بن سليمان الأنباري، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن علقمة بن مرثد، عن سليمان بن بريدة، عن أبيه، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا بعث أميرا على سرية أو جيش أوصاه بتقوى الله في خاصة نفسه وبمن معه من المسلمين خيرا وقال " إذا لقيت عدوك من المشركين فادعهم إلى إحدى ثلاث خصال أو خلال فأيتها أجابوك إليها فاقبل منهم وكف عنهم ادعهم إلى الإسلام فإن أجابوك فاقبل منهم وكف عنهم ثم ادعهم إلى التحول من دارهم إلى دار المهاجرين وأعلمهم أنهم إن فعلوا ذلك أن لهم ما للمهاجرين وأن عليهم ما على المهاجرين فإن أبوا واختاروا دارهم فأعلمهم أنهم يكونون كأعراب المسلمين يجرى عليهم حكم الله الذي يجري على المؤمنين ولا يكون لهم في الفىء والغنيمة نصيب إلا أن يجاهدوا مع المسلمين فإن هم أبوا فادعهم إلى إعطاء الجزية فإن أجابوا فاقبل منهم وكف عنهم فإن أبوا فاستعن بالله تعالى وقاتلهم وإذا حاصرت أهل حصن فأرادوك أن تنزلهم على حكم الله تعالى فلا تنزلهم فإنكم لا تدرون ما يحكم الله فيهم ولكن أنزلوهم على حكمكم ثم اقضوا فيهم بعد ما شئتم " . قال سفيان بن عيينة قال علقمة فذكرت هذا الحديث لمقاتل بن حيان فقال حدثني مسلم - قال أبو داود هو ابن هيصم - عن النعمان بن مقرن عن النبي صلى الله عليه وسلم مثل حديث سليمان بن بريدة .
সুনানে আবু দাউদ > শত্রুর জনপদে অগ্নিসংযোগ
সুনানে আবু দাউদ ২৬১৫
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حرق نخل بني النضير وقطع وهي البويرة فأنزل الله عز وجل { ما قطعتم من لينة أو تركتموها }.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ইয়াহুদী গোএের বনী নাদীরের ‘বুওয়াইরাহ’ নামক খেজুর বাগান জ্বালিয়ে দেন ও কেটে ফেলেন, তখন মহান আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেন: “তোমরা যে খেজুরগাছ গুলো কেটেছো বা যেগুলো এর শিকড়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে দিয়েছো, তা আল্লাহর নির্দেশেই ছিল। এটা ছিল পাপীদের লাঞ্ছিত করার জন্য” (সূরাহ আল-হাশরঃ আয়াত ৫)।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন ইয়াহুদী গোএের বনী নাদীরের ‘বুওয়াইরাহ’ নামক খেজুর বাগান জ্বালিয়ে দেন ও কেটে ফেলেন, তখন মহান আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেন: “তোমরা যে খেজুরগাছ গুলো কেটেছো বা যেগুলো এর শিকড়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকতে দিয়েছো, তা আল্লাহর নির্দেশেই ছিল। এটা ছিল পাপীদের লাঞ্ছিত করার জন্য” (সূরাহ আল-হাশরঃ আয়াত ৫)।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم حرق نخل بني النضير وقطع وهي البويرة فأنزل الله عز وجل { ما قطعتم من لينة أو تركتموها }.
সুনানে আবু দাউদ ২৬১৬
حدثنا هناد بن السري، عن ابن المبارك، عن صالح بن أبي الأخضر، عن الزهري، قال عروة فحدثني أسامة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عهد إليه فقال " أغر على أبنى صباحا وحرق " .
আয-যহূরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, আমাকে উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) বলেছেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এক অভিযানের দায়িত্ব দিয়ে তার কাছ থেকে এ মর্মে প্রতিশ্রুতি নিলেন যে, তিনি বললেনঃ তুমি খুব ভোরে উবনা নামক জনপদে আক্রমণ করবে এবং তা অগ্নিসংযোগ করবে। দুর্বল: যঈফ ইবনু মাজাহ (২৮৪৩)
আয-যহূরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, আমাকে উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) বলেছেন, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে এক অভিযানের দায়িত্ব দিয়ে তার কাছ থেকে এ মর্মে প্রতিশ্রুতি নিলেন যে, তিনি বললেনঃ তুমি খুব ভোরে উবনা নামক জনপদে আক্রমণ করবে এবং তা অগ্নিসংযোগ করবে। দুর্বল: যঈফ ইবনু মাজাহ (২৮৪৩)
حدثنا هناد بن السري، عن ابن المبارك، عن صالح بن أبي الأخضر، عن الزهري، قال عروة فحدثني أسامة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عهد إليه فقال " أغر على أبنى صباحا وحرق " .
সুনানে আবু দাউদ ২৬১৭
حدثنا عبد الله بن عمرو الغزي، سمعت أبا مسهر، قيل له أبنى . قال نحن أعلم هي يبنى فلسطين .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর আল-গাযযী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি শুনেছি আবূ মুসহিরকে উবনা নামক জনপদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, আমরা তো ফিলিস্তীনের ‘ইউবনা’ নামক স্থানকেই ‘উবনা’ বলে জানি। তাহকিক আলবানী - হাদিসের মানঃ মাক্কতু
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর আল-গাযযী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি শুনেছি আবূ মুসহিরকে উবনা নামক জনপদ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, আমরা তো ফিলিস্তীনের ‘ইউবনা’ নামক স্থানকেই ‘উবনা’ বলে জানি। তাহকিক আলবানী - হাদিসের মানঃ মাক্কতু
حدثنا عبد الله بن عمرو الغزي، سمعت أبا مسهر، قيل له أبنى . قال نحن أعلم هي يبنى فلسطين .