সুনানে আবু দাউদ > যে লোক আল্লাহ্‌র কালেমাকে সমুন্নত করার উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করে

সুনানে আবু দাউদ ২৫১৮

حدثنا علي بن مسلم، حدثنا أبو داود، عن شعبة، عن عمرو، قال ‏:‏ سمعت من أبي وائل، حديثا أعجبني ‏.‏ فذكر معناه ‏.‏

‘আমর ইবনু মুররাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ ওয়াইলের নিকট এমন একটি হাদিস শুনেছি, যা আমাকে হতবাক করেছে ... অতঃপর বাকি অংশ উপরের হাদিসের অনুরূপ।

‘আমর ইবনু মুররাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আবূ ওয়াইলের নিকট এমন একটি হাদিস শুনেছি, যা আমাকে হতবাক করেছে ... অতঃপর বাকি অংশ উপরের হাদিসের অনুরূপ।

حدثنا علي بن مسلم، حدثنا أبو داود، عن شعبة، عن عمرو، قال ‏:‏ سمعت من أبي وائل، حديثا أعجبني ‏.‏ فذكر معناه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৫১৭

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن أبي وائل، عن أبي موسى، ‏:‏ أن أعرابيا، جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ إن الرجل يقاتل للذكر، ويقاتل ليحمد، ويقاتل ليغنم، ويقاتل ليرى مكانه ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ من قاتل حتى تكون كلمة الله هي أعلى فهو في سبيل الله عز وجل ‏"‏ ‏.‏

আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলল, কোন ব্যক্তি নাম প্রচারের জন্য যুদ্ধ করে, এক ব্যক্তি প্রশংসা লাভের জন্য যুদ্ধ করে, কোন ব্যক্তি গনীমাত লাভের জন্য যুদ্ধ করে এবং কোন ব্যক্তি তার বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যুদ্ধ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কালেমাকে বুলন্দ করার জন্য যুদ্ধ করে কেবল সে-ই মহান আল্লাহ্‌র পথে জিহাদরত গণ্য হবে।

আবূ মুসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

জনৈক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বলল, কোন ব্যক্তি নাম প্রচারের জন্য যুদ্ধ করে, এক ব্যক্তি প্রশংসা লাভের জন্য যুদ্ধ করে, কোন ব্যক্তি গনীমাত লাভের জন্য যুদ্ধ করে এবং কোন ব্যক্তি তার বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য যুদ্ধ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কালেমাকে বুলন্দ করার জন্য যুদ্ধ করে কেবল সে-ই মহান আল্লাহ্‌র পথে জিহাদরত গণ্য হবে।

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن أبي وائل، عن أبي موسى، ‏:‏ أن أعرابيا، جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏:‏ إن الرجل يقاتل للذكر، ويقاتل ليحمد، ويقاتل ليغنم، ويقاتل ليرى مكانه ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ من قاتل حتى تكون كلمة الله هي أعلى فهو في سبيل الله عز وجل ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৫১৯

حدثنا مسلم بن حاتم الأنصاري، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا محمد بن أبي الوضاح، عن العلاء بن عبد الله بن رافع، عن حنان بن خارجة، عن عبد الله بن عمرو، قال قال عبد الله بن عمرو ‏:‏ يا رسول الله أخبرني عن الجهاد، والغزوفقال ‏:‏ ‏ "‏ يا عبد الله بن عمرو، إن قاتلت صابرا محتسبا بعثك الله صابرا محتسبا، وإن قاتلت مرائيا مكاثرا بعثك الله مرائيا مكاثرا، يا عبد الله بن عمرو، على أى حال قاتلت أو قتلت بعثك الله على تيك الحال ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাকে জিহাদ ও যুদ্ধের সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বলেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর! তুমি ধৈর্য ও নেকীর আশায় যুদ্ধ করলে আল্লাহ্ তোমাকে এ দুটি গুণে করে কিয়ামতের দিন উপস্থিত করবেন। আর যদি তুমি প্রদর্শন ইচ্ছা ও সম্পদ লাভের উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করো, তাহলে কিয়ামতের দিন আল্লাহ্‌ তোমাকে রিয়াকারী ও সম্পদলোভী করে উপস্থিত করাবেন। হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর! তুমি যে মানসিকতা নিয়ে যুদ্ধ করবে কিংবা নিহত হবে, আল্লাহ্‌ তোমাকে উক্ত অবস্থায়ই উত্থিত করবেন। দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৬৩৯৭), মিশকাত (৩৮৪৭)।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাকে জিহাদ ও যুদ্ধের সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বলেনঃ হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর! তুমি ধৈর্য ও নেকীর আশায় যুদ্ধ করলে আল্লাহ্ তোমাকে এ দুটি গুণে করে কিয়ামতের দিন উপস্থিত করবেন। আর যদি তুমি প্রদর্শন ইচ্ছা ও সম্পদ লাভের উদ্দেশ্যে যুদ্ধ করো, তাহলে কিয়ামতের দিন আল্লাহ্‌ তোমাকে রিয়াকারী ও সম্পদলোভী করে উপস্থিত করাবেন। হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর! তুমি যে মানসিকতা নিয়ে যুদ্ধ করবে কিংবা নিহত হবে, আল্লাহ্‌ তোমাকে উক্ত অবস্থায়ই উত্থিত করবেন। দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৬৩৯৭), মিশকাত (৩৮৪৭)।

حدثنا مسلم بن حاتم الأنصاري، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا محمد بن أبي الوضاح، عن العلاء بن عبد الله بن رافع، عن حنان بن خارجة، عن عبد الله بن عمرو، قال قال عبد الله بن عمرو ‏:‏ يا رسول الله أخبرني عن الجهاد، والغزوفقال ‏:‏ ‏ "‏ يا عبد الله بن عمرو، إن قاتلت صابرا محتسبا بعثك الله صابرا محتسبا، وإن قاتلت مرائيا مكاثرا بعثك الله مرائيا مكاثرا، يا عبد الله بن عمرو، على أى حال قاتلت أو قتلت بعثك الله على تيك الحال ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > শহীদের মর্যাদা

সুনানে আবু দাউদ ২৫২০

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن محمد بن إسحاق، عن إسماعيل بن أمية، عن أبي الزبير، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ لما أصيب إخوانكم بأحد جعل الله أرواحهم في جوف طير خضر ترد أنهار الجنة، تأكل من ثمارها، وتأوي إلى قناديل من ذهب معلقة في ظل العرش، فلما وجدوا طيب مأكلهم ومشربهم ومقيلهم قالوا ‏:‏ من يبلغ إخواننا عنا أنا أحياء في الجنة نرزق لئلا يزهدوا في الجهاد ولا ينكلوا عند الحرب فقال الله سبحانه ‏:‏ أنا أبلغهم عنكم ‏.‏ قال ‏:‏ فأنزل الله ‏{‏ ولا تحسبن الذين قتلوا في سبيل الله أمواتا ‏}‏ ‏"‏ ‏.‏ إلى آخر الآية ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ উহুদ যুদ্ধের দিন যখন তোমাদের ভাইয়েরা শহীদ হয়, মহান আল্লাহ্‌ তাদের রুহগুলোকে সবুজ রঙের পাখির মধ্যে স্থাপন করলেন। তারা জান্নাতের ঝর্ণা সমূহের উপর দিয়ে যাতায়াত করে, সেখানকার ফলমূল খায় এবং ‘আরশের ছায়ায় ঝুলানো সোনার ফানুসে বসবাস করে। তারা যখন নিজেদের মনঃপূত খাবার, পানীয় ও বাসস্থান পেলো, তখন বললো, কে আমাদের এ সংবাদ আমাদের ভাইদের নিকট পৌঁছে দিবে, আমরা জান্নাতে জীবিত আছি, এখানে আমাদেরকে নিয়মিত রিযিক দেয়া হচ্ছে! (এটা জানতে পারলে) তারা জিহাদে অমনোযোগী হবে না এবং যুদ্ধের ব্যাপারে অলসতা করবে না। অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ বললেনঃ আমি তাদের নিকট তোমাদের এ সংবাদ পৌঁছে দিবো। বর্ণনাকারী বলেন, মহান আল্লাহ্‌ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “যারা আল্লাহ্‌র পথে নিহত হয়েছে তোমারা তাদেরকে মৃত মনে করো না। প্রকৃতপক্ষে তারা জীবিত, তারা তাদের রবের নিকট নিয়মিত রিযিক পাচ্ছে”। (সূরাঃ আল-ইমরানঃ ১৬৯)

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ উহুদ যুদ্ধের দিন যখন তোমাদের ভাইয়েরা শহীদ হয়, মহান আল্লাহ্‌ তাদের রুহগুলোকে সবুজ রঙের পাখির মধ্যে স্থাপন করলেন। তারা জান্নাতের ঝর্ণা সমূহের উপর দিয়ে যাতায়াত করে, সেখানকার ফলমূল খায় এবং ‘আরশের ছায়ায় ঝুলানো সোনার ফানুসে বসবাস করে। তারা যখন নিজেদের মনঃপূত খাবার, পানীয় ও বাসস্থান পেলো, তখন বললো, কে আমাদের এ সংবাদ আমাদের ভাইদের নিকট পৌঁছে দিবে, আমরা জান্নাতে জীবিত আছি, এখানে আমাদেরকে নিয়মিত রিযিক দেয়া হচ্ছে! (এটা জানতে পারলে) তারা জিহাদে অমনোযোগী হবে না এবং যুদ্ধের ব্যাপারে অলসতা করবে না। অতঃপর মহান আল্লাহ্‌ বললেনঃ আমি তাদের নিকট তোমাদের এ সংবাদ পৌঁছে দিবো। বর্ণনাকারী বলেন, মহান আল্লাহ্‌ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “যারা আল্লাহ্‌র পথে নিহত হয়েছে তোমারা তাদেরকে মৃত মনে করো না। প্রকৃতপক্ষে তারা জীবিত, তারা তাদের রবের নিকট নিয়মিত রিযিক পাচ্ছে”। (সূরাঃ আল-ইমরানঃ ১৬৯)

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عبد الله بن إدريس، عن محمد بن إسحاق، عن إسماعيل بن أمية، عن أبي الزبير، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ لما أصيب إخوانكم بأحد جعل الله أرواحهم في جوف طير خضر ترد أنهار الجنة، تأكل من ثمارها، وتأوي إلى قناديل من ذهب معلقة في ظل العرش، فلما وجدوا طيب مأكلهم ومشربهم ومقيلهم قالوا ‏:‏ من يبلغ إخواننا عنا أنا أحياء في الجنة نرزق لئلا يزهدوا في الجهاد ولا ينكلوا عند الحرب فقال الله سبحانه ‏:‏ أنا أبلغهم عنكم ‏.‏ قال ‏:‏ فأنزل الله ‏{‏ ولا تحسبن الذين قتلوا في سبيل الله أمواتا ‏}‏ ‏"‏ ‏.‏ إلى آخر الآية ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৫২১

حدثنا مسدد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا عوف، حدثتنا حسناء بنت معاوية الصريمية، قالت حدثنا عمي، قال قلت للنبي صلى الله عليه وسلم ‏:‏ من في الجنة قال ‏:‏ ‏ "‏ النبي في الجنة، والشهيد في الجنة، والمولود في الجنة، والوئيد في الجنة ‏"‏ ‏.‏

হাসনাআ বিনতু মু’আবিয়াহ আস-সারীমিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার চাচা আমাদেরকে হাদিস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, একদা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম কোন লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে? তিনি বললেন, নাবীগণ (আ) জান্নাতে প্রবেশ করবেন, শহীদগণ জান্নাতে প্রবেশ করবে, গর্ভের মৃত শিশু জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং জীবন্ত প্রথিত সন্তান জান্নাতে প্রবেশ করবে।

হাসনাআ বিনতু মু’আবিয়াহ আস-সারীমিয়্যাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার চাচা আমাদেরকে হাদিস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেন, একদা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞাসা করলাম কোন লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে? তিনি বললেন, নাবীগণ (আ) জান্নাতে প্রবেশ করবেন, শহীদগণ জান্নাতে প্রবেশ করবে, গর্ভের মৃত শিশু জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং জীবন্ত প্রথিত সন্তান জান্নাতে প্রবেশ করবে।

حدثنا مسدد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا عوف، حدثتنا حسناء بنت معاوية الصريمية، قالت حدثنا عمي، قال قلت للنبي صلى الله عليه وسلم ‏:‏ من في الجنة قال ‏:‏ ‏ "‏ النبي في الجنة، والشهيد في الجنة، والمولود في الجنة، والوئيد في الجنة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > শহীদের শাফা’আত সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ২৫২২

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا يحيى بن حسان، حدثنا الوليد بن رباح الذماري، حدثني عمي، ‏:‏ نمران بن عتبة الذماري قال ‏:‏ دخلنا على أم الدرداء ونحن أيتام فقالت ‏:‏ أبشروا فإني سمعت أبا الدرداء يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ يشفع الشهيد في سبعين من أهل بيته ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ صوابه رباح بن الوليد ‏.‏

নিমরান ইবনু ‘উতবাহ আয-যামারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা কতক ইয়াতীম উম্মুদ দারদা (রাঃ) এর কাছে প্রবেশ করলাম। তিনি আমাদের বললেন, তোমরা সুসংবাদ গ্রহন করো। কেননা আমি আবূ দারদা (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শহীদ তার পরিবারের সত্তর জনের জন্য শাফা’আত করবে এবং তার সুপারিশ কবুল করা হবে।

নিমরান ইবনু ‘উতবাহ আয-যামারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা কতক ইয়াতীম উম্মুদ দারদা (রাঃ) এর কাছে প্রবেশ করলাম। তিনি আমাদের বললেন, তোমরা সুসংবাদ গ্রহন করো। কেননা আমি আবূ দারদা (রাঃ) কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ শহীদ তার পরিবারের সত্তর জনের জন্য শাফা’আত করবে এবং তার সুপারিশ কবুল করা হবে।

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا يحيى بن حسان، حدثنا الوليد بن رباح الذماري، حدثني عمي، ‏:‏ نمران بن عتبة الذماري قال ‏:‏ دخلنا على أم الدرداء ونحن أيتام فقالت ‏:‏ أبشروا فإني سمعت أبا الدرداء يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏ "‏ يشفع الشهيد في سبعين من أهل بيته ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏:‏ صوابه رباح بن الوليد ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > শহীদের কবরে নূর দৃষ্টিগোচর হওয়া

সুনানে আবু দাউদ ২৫২৩

حدثنا محمد بن عمرو الرازي، حدثنا سلمة، - يعني ابن الفضل - عن محمد بن إسحاق، حدثني يزيد بن رومان، عن عروة، عن عائشة، قالت ‏:‏ لما مات النجاشي كنا نتحدث أنه لا يزال يرى على قبره نور ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন (বাদশা) নাজ্জাশী মারা যান, তখন আমরা বলাবলি করছিলাম যে, তার কবরের উপর সর্বদা নূর দেখা যাবে।

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যখন (বাদশা) নাজ্জাশী মারা যান, তখন আমরা বলাবলি করছিলাম যে, তার কবরের উপর সর্বদা নূর দেখা যাবে।

حدثنا محمد بن عمرو الرازي، حدثنا سلمة، - يعني ابن الفضل - عن محمد بن إسحاق، حدثني يزيد بن رومان، عن عروة، عن عائشة، قالت ‏:‏ لما مات النجاشي كنا نتحدث أنه لا يزال يرى على قبره نور ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৫২৪

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت عمرو بن ميمون، عن عبد الله بن ربيعة، عن عبيد بن خالد السلمي، قال ‏:‏ آخى رسول الله صلى الله عليه وسلم بين رجلين فقتل أحدهما ومات الآخر بعده بجمعة أو نحوها، فصلينا عليه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ ما قلتم ‏"‏ ‏.‏ فقلنا ‏:‏ دعونا له، وقلنا ‏:‏ اللهم اغفر له وألحقه بصاحبه ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ فأين صلاته بعد صلاته وصومه بعد صومه ‏"‏ ‏.‏ شك شعبة في صومه ‏:‏ ‏"‏ وعمله بعد عمله إن بينهما كما بين السماء والأرض ‏"‏ ‏.‏

‘উবাইদ ইবনু খালিদ আস-সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই ব্যক্তির মাঝে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করে দিলেন। তাদের একজন (যুদ্ধে) নিহত হন এবং অন্যজন তার পরে কোন এক জুম’আর দিন কিংবা তার কাছাকাছি কোন দিনে মারা যান। আমরা তার জানাযা আদায় করলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা (দ্বিতীয় ব্যক্তির জন্য) কি দু’আ করেছো? আমরা বললাম, আমরা তার জন্য দু’আ করেছি এবং বলেছি, “হে আল্লাহ্‌! তাঁকে ক্ষমা করুন এবং তাঁকে তার সঙ্গীর সাথে মিলিত করুন”। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে প্রথম ব্যক্তির সালাতের পর দ্বিতীয় ব্যক্তির সালাত, প্রথম ব্যক্তির সওমের পর দ্বিতীয় ব্যক্তির সওম ও অন্যান্য আমল কোথায় যাবে? এ দুই ব্যক্তির (মর্যাদার) মধ্যে আসমান-যমীনের ব্যবধান। উল্লেখ্য, এতে সওমের কথা উল্লেখ হয়েছিল কিনা এ বিষয়ে বর্ণনাকারী শু’বাহ সন্দিহান।

‘উবাইদ ইবনু খালিদ আস-সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই ব্যক্তির মাঝে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন করে দিলেন। তাদের একজন (যুদ্ধে) নিহত হন এবং অন্যজন তার পরে কোন এক জুম’আর দিন কিংবা তার কাছাকাছি কোন দিনে মারা যান। আমরা তার জানাযা আদায় করলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা (দ্বিতীয় ব্যক্তির জন্য) কি দু’আ করেছো? আমরা বললাম, আমরা তার জন্য দু’আ করেছি এবং বলেছি, “হে আল্লাহ্‌! তাঁকে ক্ষমা করুন এবং তাঁকে তার সঙ্গীর সাথে মিলিত করুন”। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে প্রথম ব্যক্তির সালাতের পর দ্বিতীয় ব্যক্তির সালাত, প্রথম ব্যক্তির সওমের পর দ্বিতীয় ব্যক্তির সওম ও অন্যান্য আমল কোথায় যাবে? এ দুই ব্যক্তির (মর্যাদার) মধ্যে আসমান-যমীনের ব্যবধান। উল্লেখ্য, এতে সওমের কথা উল্লেখ হয়েছিল কিনা এ বিষয়ে বর্ণনাকারী শু’বাহ সন্দিহান।

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت عمرو بن ميمون، عن عبد الله بن ربيعة، عن عبيد بن خالد السلمي، قال ‏:‏ آخى رسول الله صلى الله عليه وسلم بين رجلين فقتل أحدهما ومات الآخر بعده بجمعة أو نحوها، فصلينا عليه، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ ما قلتم ‏"‏ ‏.‏ فقلنا ‏:‏ دعونا له، وقلنا ‏:‏ اللهم اغفر له وألحقه بصاحبه ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏"‏ فأين صلاته بعد صلاته وصومه بعد صومه ‏"‏ ‏.‏ شك شعبة في صومه ‏:‏ ‏"‏ وعمله بعد عمله إن بينهما كما بين السماء والأرض ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00