সুনানে আবু দাউদ > যে কাজে জিহাদের সওয়াব রয়েছে

সুনানে আবু দাউদ ২৫১০

حدثنا سعيد بن منصور، أخبرنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن يزيد بن أبي سعيد، مولى المهري عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري، ‏:‏ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث إلى بني لحيان وقال ‏:‏ ‏"‏ ليخرج من كل رجلين رجل ‏"‏ ‏.‏ ثم قال للقاعدين ‏:‏ ‏"‏ أيكم خلف الخارج في أهله وماله بخير كان له مثل نصف أجر الخارج ‏"‏ ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (একদল সাহাবীকে) লিহ্‌য়ান গোত্রের বিরুদ্ধে পাঠানোর সময় বলেছিলেন: প্রত্যেক পরিবারের প্রতি দুইজনের মধ্যে একজন জিহাদে যোগ দিবে। অতঃপর তিনি পিছনে থেকে যাওয়া লোকদের উদ্দেশ্যে বললেনঃ তোমাদের যে ব্যক্তি বাইরে যাওয়া ব্যক্তির পরিবার ও সম্পদের কল্যাণকর হিফাযাত করবে তার জন্য জিহাদে গমনকারীর অর্ধেক সওয়াব।

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (একদল সাহাবীকে) লিহ্‌য়ান গোত্রের বিরুদ্ধে পাঠানোর সময় বলেছিলেন: প্রত্যেক পরিবারের প্রতি দুইজনের মধ্যে একজন জিহাদে যোগ দিবে। অতঃপর তিনি পিছনে থেকে যাওয়া লোকদের উদ্দেশ্যে বললেনঃ তোমাদের যে ব্যক্তি বাইরে যাওয়া ব্যক্তির পরিবার ও সম্পদের কল্যাণকর হিফাযাত করবে তার জন্য জিহাদে গমনকারীর অর্ধেক সওয়াব।

حدثنا سعيد بن منصور، أخبرنا ابن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن يزيد بن أبي حبيب، عن يزيد بن أبي سعيد، مولى المهري عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري، ‏:‏ أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث إلى بني لحيان وقال ‏:‏ ‏"‏ ليخرج من كل رجلين رجل ‏"‏ ‏.‏ ثم قال للقاعدين ‏:‏ ‏"‏ أيكم خلف الخارج في أهله وماله بخير كان له مثل نصف أجر الخارج ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৫০৯

حدثنا عبد الله بن عمرو بن أبي الحجاج أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا الحسين، حدثني يحيى، حدثني أبو سلمة، حدثني بسر بن سعيد، حدثني زيد بن خالد الجهني، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ من جهز غازيا في سبيل الله فقد غزا، ومن خلفه في أهله بخير فقد غزا ‏"‏ ‏.‏

যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: যে ব্যক্তি কোন মুজাহিদকে আল্লাহর পথে জিহাদের সরঞ্জামের ব্যবস্থা করে দিলো, সেও যেন জিহাদ করলো। আর যে ব্যক্তি মঙ্গলের সাথে কোন মুজাহিদ পরিবারের দেখাশুনা করলো সেও যেন জিহাদ করলো।

যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: যে ব্যক্তি কোন মুজাহিদকে আল্লাহর পথে জিহাদের সরঞ্জামের ব্যবস্থা করে দিলো, সেও যেন জিহাদ করলো। আর যে ব্যক্তি মঙ্গলের সাথে কোন মুজাহিদ পরিবারের দেখাশুনা করলো সেও যেন জিহাদ করলো।

حدثنا عبد الله بن عمرو بن أبي الحجاج أبو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا الحسين، حدثني يحيى، حدثني أبو سلمة، حدثني بسر بن سعيد، حدثني زيد بن خالد الجهني، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏:‏ ‏ "‏ من جهز غازيا في سبيل الله فقد غزا، ومن خلفه في أهله بخير فقد غزا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > বীরত্ব ও কাপুরুষতা প্রসঙ্গে

সুনানে আবু দাউদ ২৫১১

حدثنا عبد الله بن الجراح، عن عبد الله بن يزيد، عن موسى بن على بن رباح، عن أبيه، عن عبد العزيز بن مروان، قال سمعت أبا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏:‏ ‏ "‏ شر ما في رجل شح هالع وجبن خالع ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তির চরিত্রে কৃপণতা, ভীরুতা ও হীনমানসিকতা রয়েছে সে খুবই নিকৃষ্ট।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তির চরিত্রে কৃপণতা, ভীরুতা ও হীনমানসিকতা রয়েছে সে খুবই নিকৃষ্ট।

حدثنا عبد الله بن الجراح، عن عبد الله بن يزيد، عن موسى بن على بن رباح، عن أبيه، عن عبد العزيز بن مروان، قال سمعت أبا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏:‏ ‏ "‏ شر ما في رجل شح هالع وجبن خالع ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > মহান আল্লাহর বাণী : তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংসের মধ্যে নিক্ষেপ করো না

সুনানে আবু দাউদ ২৫১২

حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، حدثنا ابن وهب، عن حيوة بن شريح، وابن، لهيعة عن يزيد بن أبي حبيب، عن أسلم أبي عمران، قال ‏:‏ غزونا من المدينة نريد القسطنطينية، وعلى الجماعة عبد الرحمن بن خالد بن الوليد والروم ملصقو ظهورهم بحائط المدينة، فحمل رجل على العدو فقال الناس ‏:‏ مه، مه، لا إله إلا الله، يلقي بيديه إلى التهلكة ‏.‏ فقال أبو أيوب ‏:‏ إنما نزلت هذه الآية فينا معشر الأنصار لما نصر الله نبيه وأظهر الإسلام، قلنا ‏:‏ هلم نقيم في أموالنا ونصلحها، فأنزل الله تعالى ‏{‏ وأنفقوا في سبيل الله ولا تلقوا بأيديكم إلى التهلكة ‏}‏ فالإلقاء بالأيدي إلى التهلكة أن نقيم في أموالنا ونصلحها وندع الجهاد ‏.‏ قال أبو عمران ‏:‏ فلم يزل أبو أيوب يجاهد في سبيل الله حتى دفن بالقسطنطينية ‏.‏

আবূ ‘ইমরান আসলাম ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মাদীনাহ হতে কনস্টান্টিনোপলে অভিমুখে বের হলাম। আমাদের সেনাপতি ছিলেন ‘আবদুর রহমান ইবনু খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রাঃ)। রোমের সৈন্যবাহিনী শহরের প্রাচীর-বেষ্টনীর বহির্ভাগ থেকে প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত ছিল। জনৈক মুসলিম সৈনিক শত্রুবাহিনীর উপর হামলা করে বসলো। লোকেরা বললো, হায়, থামো! লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। সে নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আবূ আইউব আল-আনসারী (রাঃ) বললেন, এ আয়াত আমাদের আনসার সম্প্রদায় সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছিলো। আল্লাহ যখন তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সাহায্য করলেন এবং দ্বীন ইসলামকে বিজয়ী করলেন, আমরা মনে মনে বললাম, এসো! এবার আমরা নিজেদের ধন-সম্পদ দেখাশুনা ও ঠিকঠাকে মনোযোগ দেই। মহান আল্লাহ তখন এ আয়াত অবতীর্ণ করলেন : “তোমরা আল্লাহর পথে ব্যয় করো এবং নিজেদেরকে ধ্বংসের মধ্যে নিক্ষেপ করো না।“ (সূরাহ আল-বাক্বারাহ, আয়াত ১৯৫)। আমাদের নিজেদের হাতকে ধ্বংসের মধ্যে নিক্ষেপ করার অর্থ হচ্ছে, ধন-সম্পদ নিয়েই ব্যস্ত থাকা, এর পরিবৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করা এবং জিহাদ ছেড়ে দেয়া। আবূ ‘ইমরান (রাঃ) বলেন, এরপর থেকে আবূ আইউব আল-আনসারী (রাঃ) সর্বদা আল্লাহর পথে জিহাদে শরীক হতেন, অবশেষে তিনি জিহাদ করতে করতে কুস্ত্তনতুনিয়াতে সমাহিত হন।

আবূ ‘ইমরান আসলাম ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা মাদীনাহ হতে কনস্টান্টিনোপলে অভিমুখে বের হলাম। আমাদের সেনাপতি ছিলেন ‘আবদুর রহমান ইবনু খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রাঃ)। রোমের সৈন্যবাহিনী শহরের প্রাচীর-বেষ্টনীর বহির্ভাগ থেকে প্রতিরক্ষায় নিয়োজিত ছিল। জনৈক মুসলিম সৈনিক শত্রুবাহিনীর উপর হামলা করে বসলো। লোকেরা বললো, হায়, থামো! লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। সে নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আবূ আইউব আল-আনসারী (রাঃ) বললেন, এ আয়াত আমাদের আনসার সম্প্রদায় সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছিলো। আল্লাহ যখন তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সাহায্য করলেন এবং দ্বীন ইসলামকে বিজয়ী করলেন, আমরা মনে মনে বললাম, এসো! এবার আমরা নিজেদের ধন-সম্পদ দেখাশুনা ও ঠিকঠাকে মনোযোগ দেই। মহান আল্লাহ তখন এ আয়াত অবতীর্ণ করলেন : “তোমরা আল্লাহর পথে ব্যয় করো এবং নিজেদেরকে ধ্বংসের মধ্যে নিক্ষেপ করো না।“ (সূরাহ আল-বাক্বারাহ, আয়াত ১৯৫)। আমাদের নিজেদের হাতকে ধ্বংসের মধ্যে নিক্ষেপ করার অর্থ হচ্ছে, ধন-সম্পদ নিয়েই ব্যস্ত থাকা, এর পরিবৃদ্ধির জন্য চেষ্টা করা এবং জিহাদ ছেড়ে দেয়া। আবূ ‘ইমরান (রাঃ) বলেন, এরপর থেকে আবূ আইউব আল-আনসারী (রাঃ) সর্বদা আল্লাহর পথে জিহাদে শরীক হতেন, অবশেষে তিনি জিহাদ করতে করতে কুস্ত্তনতুনিয়াতে সমাহিত হন।

حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، حدثنا ابن وهب، عن حيوة بن شريح، وابن، لهيعة عن يزيد بن أبي حبيب، عن أسلم أبي عمران، قال ‏:‏ غزونا من المدينة نريد القسطنطينية، وعلى الجماعة عبد الرحمن بن خالد بن الوليد والروم ملصقو ظهورهم بحائط المدينة، فحمل رجل على العدو فقال الناس ‏:‏ مه، مه، لا إله إلا الله، يلقي بيديه إلى التهلكة ‏.‏ فقال أبو أيوب ‏:‏ إنما نزلت هذه الآية فينا معشر الأنصار لما نصر الله نبيه وأظهر الإسلام، قلنا ‏:‏ هلم نقيم في أموالنا ونصلحها، فأنزل الله تعالى ‏{‏ وأنفقوا في سبيل الله ولا تلقوا بأيديكم إلى التهلكة ‏}‏ فالإلقاء بالأيدي إلى التهلكة أن نقيم في أموالنا ونصلحها وندع الجهاد ‏.‏ قال أبو عمران ‏:‏ فلم يزل أبو أيوب يجاهد في سبيل الله حتى دفن بالقسطنطينية ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > তীরন্দাজী সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ২৫১৩

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا عبد الله بن المبارك، حدثني عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، حدثني أبو سلام، عن خالد بن زيد، عن عقبة بن عامر، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏:‏ ‏"‏ إن الله عز وجل يدخل بالسهم الواحد ثلاثة نفر الجنة ‏:‏ صانعه يحتسب في صنعته الخير، والرامي به، ومنبله، وارموا واركبوا، وأن ترموا أحب إلى من أن تركبوا، ليس من اللهو إلا ثلاث ‏:‏ تأديب الرجل فرسه وملاعبته أهله ورميه بقوسه ونبله، ومن ترك الرمى بعد ما علمه رغبة عنه فإنها نعمة تركها ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏:‏ ‏"‏ كفرها ‏"‏ ‏.‏

‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : একটি তীরের কারণে মহান আল্লাহ তিন ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। তীর প্রস্তুতকারী, যদি সে জিহাদের নেক আশা প্রস্তুত করে, (যুদ্ধে) তীর নিক্ষেপকারী এবং যে ব্যক্তি তা নিক্ষেপের উপযোগী করে নিক্ষেপকারকে সরবরাহ করে। তোমরা তীরন্দাজী ও অশ্বারোহীর প্রশিক্ষণ নাও। তোমাদের অশ্বরোহীর প্রশিক্ষণের চাইতে তীরন্দাজীর প্রশিক্ষণ আমার নিকট অধিক প্রিয়। তিন ধরণের খেলাধুলা অনুমোদিত-কোন ব্যক্তির তার ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দেয়া, নিজ স্ত্রীর সাথে খেলা-স্ফুর্তি করা এবং তীর ধনুকের প্রশিক্ষণ নেয়া। যে ব্যক্তি তীরন্দাজী শিখার পর অনাগ্রহবশত তা ছেড়ে দেয়, সে আল্লাহর দেয়া এক নি‘আমাত বর্জন করলো। অথবা তিনি বলেছেন: সে এই নি‘আমাতের অকৃতজ্ঞ হলো। দুর্বল: যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (২৭৭/১৭০৩), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৬১৮/২৮১১)।

‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : একটি তীরের কারণে মহান আল্লাহ তিন ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। তীর প্রস্তুতকারী, যদি সে জিহাদের নেক আশা প্রস্তুত করে, (যুদ্ধে) তীর নিক্ষেপকারী এবং যে ব্যক্তি তা নিক্ষেপের উপযোগী করে নিক্ষেপকারকে সরবরাহ করে। তোমরা তীরন্দাজী ও অশ্বারোহীর প্রশিক্ষণ নাও। তোমাদের অশ্বরোহীর প্রশিক্ষণের চাইতে তীরন্দাজীর প্রশিক্ষণ আমার নিকট অধিক প্রিয়। তিন ধরণের খেলাধুলা অনুমোদিত-কোন ব্যক্তির তার ঘোড়াকে প্রশিক্ষণ দেয়া, নিজ স্ত্রীর সাথে খেলা-স্ফুর্তি করা এবং তীর ধনুকের প্রশিক্ষণ নেয়া। যে ব্যক্তি তীরন্দাজী শিখার পর অনাগ্রহবশত তা ছেড়ে দেয়, সে আল্লাহর দেয়া এক নি‘আমাত বর্জন করলো। অথবা তিনি বলেছেন: সে এই নি‘আমাতের অকৃতজ্ঞ হলো। দুর্বল: যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (২৭৭/১৭০৩), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৬১৮/২৮১১)।

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا عبد الله بن المبارك، حدثني عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، حدثني أبو سلام، عن خالد بن زيد، عن عقبة بن عامر، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏:‏ ‏"‏ إن الله عز وجل يدخل بالسهم الواحد ثلاثة نفر الجنة ‏:‏ صانعه يحتسب في صنعته الخير، والرامي به، ومنبله، وارموا واركبوا، وأن ترموا أحب إلى من أن تركبوا، ليس من اللهو إلا ثلاث ‏:‏ تأديب الرجل فرسه وملاعبته أهله ورميه بقوسه ونبله، ومن ترك الرمى بعد ما علمه رغبة عنه فإنها نعمة تركها ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏:‏ ‏"‏ كفرها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২৫১৪

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن أبي علي، ‏:‏ ثمامة بن شفى الهمداني أنه سمع عقبة بن عامر الجهني، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو على المنبر يقول ‏:‏ ‏"‏ ‏{‏ وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة ‏}‏ ألا إن القوة الرمى، ألا إن القوة الرمى، ألا إن القوة الرمى ‏"‏ ‏.‏

‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির আল-জু্হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারের উপরে বলতে শুনেছি: “দুশমনের মুকাবিলার জন্য তোমরা যথাসাধ্য শক্তি অর্জন করো” (সুরাহ আন-আনফাল: আয়াত ৬০)। জেনে রাখ! এখানে শক্তির অর্থ হচ্ছে তীরন্দাজী (ক্ষেপনাস্ত্র),জেনে রাখ! এখানে শক্তির অর্থ হচ্ছে তীরন্দাজী (ক্ষেপনাস্ত্র), জেনে রাখ! এখানে শক্তির অর্থ হচ্ছে তীরন্দাজী (ক্ষেপনাস্ত্র)।

‘উক্ববাহ ইবনু ‘আমির আল-জু্হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারের উপরে বলতে শুনেছি: “দুশমনের মুকাবিলার জন্য তোমরা যথাসাধ্য শক্তি অর্জন করো” (সুরাহ আন-আনফাল: আয়াত ৬০)। জেনে রাখ! এখানে শক্তির অর্থ হচ্ছে তীরন্দাজী (ক্ষেপনাস্ত্র),জেনে রাখ! এখানে শক্তির অর্থ হচ্ছে তীরন্দাজী (ক্ষেপনাস্ত্র), জেনে রাখ! এখানে শক্তির অর্থ হচ্ছে তীরন্দাজী (ক্ষেপনাস্ত্র)।

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن أبي علي، ‏:‏ ثمامة بن شفى الهمداني أنه سمع عقبة بن عامر الجهني، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو على المنبر يقول ‏:‏ ‏"‏ ‏{‏ وأعدوا لهم ما استطعتم من قوة ‏}‏ ألا إن القوة الرمى، ألا إن القوة الرمى، ألا إن القوة الرمى ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00