সুনানে আবু দাউদ > সফরে রওয়ানা হয়ে মুসাফির কখন সওম ভঙ্গ করবে?
সুনানে আবু দাউদ ২৪১২
حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثني عبد الله بن يزيد، ح وحدثنا جعفر بن مسافر، حدثنا عبد الله بن يحيى، - المعنى - حدثني سعيد بن أبي أيوب، وزاد، جعفر والليث حدثني يزيد بن أبي حبيب، أن كليب بن ذهل الحضرمي، أخبره عن عبيد، - قال جعفر ابن جبر - قال كنت مع أبي بصرة الغفاري صاحب النبي صلى الله عليه وسلم في سفينة من الفسطاط في رمضان فرفع ثم قرب غداه - قال جعفر في حديثه - فلم يجاوز البيوت حتى دعا بالسفرة قال اقترب . قلت ألست ترى البيوت قال أبو بصرة أترغب عن سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم قال جعفر في حديثه فأكل .
জা‘ফার ইবনু খাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবী আবূ বাসরাহ আল-গিফারীর (রাঃ) সাথে রমাযান মাসে মিসরের আল-ফুসতাত থেকে ‘আমর ইবনুল ‘আসের (রাঃ) জাহাজে সওয়ার ছিলাম। নৌযানের নোঙ্গর উঠানোর পরে তার সম্মুখে সকালের নাস্তা আনা হলো। জা‘ফার তার বর্ণনায় বলেন, তিনি স্বীয় ঘর-বাড়ি থেকে দূরে যাওয়ার আগেই খাবারের দস্তরখান চাইলেন এবং আমাকে (খাদ্য গ্রহণের জন্য) কাছে ডাকলেন। আমি বললাম, আপনি কি ঘর-বাড়ি দেখছেন না? আবূ বাসরাহ (রাঃ) বললেন, তুমি কি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাত ছাড়তে চাও? জা‘ফার বলেন, এরপর তিনি খেলেন।
জা‘ফার ইবনু খাইর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাহাবী আবূ বাসরাহ আল-গিফারীর (রাঃ) সাথে রমাযান মাসে মিসরের আল-ফুসতাত থেকে ‘আমর ইবনুল ‘আসের (রাঃ) জাহাজে সওয়ার ছিলাম। নৌযানের নোঙ্গর উঠানোর পরে তার সম্মুখে সকালের নাস্তা আনা হলো। জা‘ফার তার বর্ণনায় বলেন, তিনি স্বীয় ঘর-বাড়ি থেকে দূরে যাওয়ার আগেই খাবারের দস্তরখান চাইলেন এবং আমাকে (খাদ্য গ্রহণের জন্য) কাছে ডাকলেন। আমি বললাম, আপনি কি ঘর-বাড়ি দেখছেন না? আবূ বাসরাহ (রাঃ) বললেন, তুমি কি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সুন্নাত ছাড়তে চাও? জা‘ফার বলেন, এরপর তিনি খেলেন।
حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثني عبد الله بن يزيد، ح وحدثنا جعفر بن مسافر، حدثنا عبد الله بن يحيى، - المعنى - حدثني سعيد بن أبي أيوب، وزاد، جعفر والليث حدثني يزيد بن أبي حبيب، أن كليب بن ذهل الحضرمي، أخبره عن عبيد، - قال جعفر ابن جبر - قال كنت مع أبي بصرة الغفاري صاحب النبي صلى الله عليه وسلم في سفينة من الفسطاط في رمضان فرفع ثم قرب غداه - قال جعفر في حديثه - فلم يجاوز البيوت حتى دعا بالسفرة قال اقترب . قلت ألست ترى البيوت قال أبو بصرة أترغب عن سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم قال جعفر في حديثه فأكل .
সুনানে আবু দাউদ > কতদূর সফর করলে মুসাফির সওম ভঙ্গ করতে পারে?
সুনানে আবু দাউদ ২৪১৩
حدثنا عيسى بن حماد، أخبرنا الليث، - يعني ابن سعد - عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن منصور الكلبي، أن دحية بن خليفة، خرج من قرية من دمشق مرة إلى قدر قرية عقبة من الفسطاط وذلك ثلاثة أميال في رمضان ثم إنه أفطر وأفطر معه ناس وكره آخرون أن يفطروا فلما رجع إلى قريته قال والله لقد رأيت اليوم أمرا ما كنت أظن أني أراه إن قوما رغبوا عن هدى رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه . يقول ذلك للذين صاموا ثم قال عند ذلك اللهم اقبضني إليك .
মানসুল আল-কালবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রমাযান মাসে দিহ্য়া ইবনু খালীফাহ (রাঃ) দামিশকের এক অঞ্চল হতে ‘আক্বাবাহ ও ফুসতাতের মধ্যবর্তী দূরত্বের সম-পরিমাণ অর্থাৎ তিন মাইল দূরত্ব পর্যন্ত সফর করেন। তখন তিনি সওম ভঙ্গ করলেন এবং তাঁর সাথের কিছু লোকও সওম ভঙ্গ করলেন। এ সময় কিছু লোক সওম ভঙ্গ করা অপছন্দ করলো। পরে তিনি নিজ গ্রামে ফিরে এসে বললেন, আল্লাহর শপথ! আজ আমি এমন বিষয় দেখেছি, যা কখনো দেখার ধারণাও করিনি। কিছু লোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীদের সুন্নাত থেকে বিমুখ হয়েছে। তিনি ঐ লোকদের নিন্দা করলেন যারা (সফরে) সওম রেখেছিলো। তিনি বললেন, হে আল্লাহ্! আমাকে তোমার হিফাযাতে নাও। [২৪১৩]
মানসুল আল-কালবী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রমাযান মাসে দিহ্য়া ইবনু খালীফাহ (রাঃ) দামিশকের এক অঞ্চল হতে ‘আক্বাবাহ ও ফুসতাতের মধ্যবর্তী দূরত্বের সম-পরিমাণ অর্থাৎ তিন মাইল দূরত্ব পর্যন্ত সফর করেন। তখন তিনি সওম ভঙ্গ করলেন এবং তাঁর সাথের কিছু লোকও সওম ভঙ্গ করলেন। এ সময় কিছু লোক সওম ভঙ্গ করা অপছন্দ করলো। পরে তিনি নিজ গ্রামে ফিরে এসে বললেন, আল্লাহর শপথ! আজ আমি এমন বিষয় দেখেছি, যা কখনো দেখার ধারণাও করিনি। কিছু লোক রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীদের সুন্নাত থেকে বিমুখ হয়েছে। তিনি ঐ লোকদের নিন্দা করলেন যারা (সফরে) সওম রেখেছিলো। তিনি বললেন, হে আল্লাহ্! আমাকে তোমার হিফাযাতে নাও। [২৪১৩]
حدثنا عيسى بن حماد، أخبرنا الليث، - يعني ابن سعد - عن يزيد بن أبي حبيب، عن أبي الخير، عن منصور الكلبي، أن دحية بن خليفة، خرج من قرية من دمشق مرة إلى قدر قرية عقبة من الفسطاط وذلك ثلاثة أميال في رمضان ثم إنه أفطر وأفطر معه ناس وكره آخرون أن يفطروا فلما رجع إلى قريته قال والله لقد رأيت اليوم أمرا ما كنت أظن أني أراه إن قوما رغبوا عن هدى رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه . يقول ذلك للذين صاموا ثم قال عند ذلك اللهم اقبضني إليك .
সুনানে আবু দাউদ ২৪১৪
حدثنا مسدد، حدثنا المعتمر، عن عبيد الله، عن نافع، أن ابن عمر، كان يخرج إلى الغابة فلا يفطر ولا يقصر .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল-গাবা বনভূমিতে যেতেন। তখন তিনি সওম ভঙ্গ করতেন না এবং সলাত ক্বসর করতেন না।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল-গাবা বনভূমিতে যেতেন। তখন তিনি সওম ভঙ্গ করতেন না এবং সলাত ক্বসর করতেন না।
حدثنا مسدد، حدثنا المعتمر، عن عبيد الله، عن نافع، أن ابن عمر، كان يخرج إلى الغابة فلا يفطر ولا يقصر .
সুনানে আবু দাউদ ২৪১৪
حدثنا مسدد، حدثنا المعتمر، عن عبيد الله، عن نافع، أن ابن عمر، كان يخرج إلى الغابة فلا يفطر ولا يقصر .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল-গাবা বনভূমিতে যেতেন। তখন তিনি সওম ভঙ্গ করতেন না এবং সলাত ক্বসর করতেন না।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আল-গাবা বনভূমিতে যেতেন। তখন তিনি সওম ভঙ্গ করতেন না এবং সলাত ক্বসর করতেন না।
حدثنا مسدد، حدثنا المعتمر، عن عبيد الله، عن نافع، أن ابن عمر، كان يخرج إلى الغابة فلا يفطر ولا يقصر .
সুনানে আবু দাউদ > যিনি বলেন, আমি পুরো রমাযানের সওম রেখেছি
সুনানে আবু দাউদ ২৪১৫
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن المهلب بن أبي حبيبة، حدثنا الحسن، عن أبي بكرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يقولن أحدكم إني صمت رمضان كله و قمته كله " . فلا أدري أكره التزكية أو قال لا بد من نومة أو رقدة .
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন না বলে, আমি পুরো রমাযান মাস সওম রেখে এবং এর পূর্ণ রাত (সলাতে) দাঁড়িয়ে কাটিয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ আত্মপবিত্রতা প্রকাশ অপছন্দ করেছেন নাকি কিছু সময় নিদ্রা ও বিশ্রামের প্রয়োজন বলেছেন তা আমার জানা নেই। [২৪১৫] দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি‘‘উস সাগীর (৬৩৬৭), যঈফ সুনান নাসায়ী (১২০/২১০৯)।
আবূ বাক্রাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন না বলে, আমি পুরো রমাযান মাস সওম রেখে এবং এর পূর্ণ রাত (সলাতে) দাঁড়িয়ে কাটিয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ আত্মপবিত্রতা প্রকাশ অপছন্দ করেছেন নাকি কিছু সময় নিদ্রা ও বিশ্রামের প্রয়োজন বলেছেন তা আমার জানা নেই। [২৪১৫] দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি‘‘উস সাগীর (৬৩৬৭), যঈফ সুনান নাসায়ী (১২০/২১০৯)।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن المهلب بن أبي حبيبة، حدثنا الحسن، عن أبي بكرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يقولن أحدكم إني صمت رمضان كله و قمته كله " . فلا أدري أكره التزكية أو قال لا بد من نومة أو رقدة .
সুনানে আবু দাউদ > দুই ঈদের দিন সওম পালন
সুনানে আবু দাউদ ২৪১৬
حدثنا قتيبة بن سعيد، وزهير بن حرب، - وهذا حديثه - قال حدثنا سفيان، عن الزهري، عن أبي عبيد، قال شهدت العيد مع عمر فبدأ بالصلاة قبل الخطبة ثم قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن صيام هذين اليومين أما يوم الأضحى فتأكلون من لحم نسككم وأما يوم الفطر ففطركم من صيامكم .
আবূ ‘উবাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘উমার (রাঃ) এর সাথে আমি এক ঈদের সলাতে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুত্ববাহ্র পূর্বে সলাত পড়লেন। অতঃপর বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’’দিন সওম রাখতে নিষেধ করেছেন। কেননা কুরবানীর দিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর পশুর গোশত খেয়ে থাকো। আর ঈদুল ফিতরের দিন হল তোমাদের সওমের সমাপ্তি।
আবূ ‘উবাইদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘উমার (রাঃ) এর সাথে আমি এক ঈদের সলাতে উপস্থিত ছিলাম। তিনি খুত্ববাহ্র পূর্বে সলাত পড়লেন। অতঃপর বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’’দিন সওম রাখতে নিষেধ করেছেন। কেননা কুরবানীর দিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর পশুর গোশত খেয়ে থাকো। আর ঈদুল ফিতরের দিন হল তোমাদের সওমের সমাপ্তি।
حدثنا قتيبة بن سعيد، وزهير بن حرب، - وهذا حديثه - قال حدثنا سفيان، عن الزهري، عن أبي عبيد، قال شهدت العيد مع عمر فبدأ بالصلاة قبل الخطبة ثم قال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن صيام هذين اليومين أما يوم الأضحى فتأكلون من لحم نسككم وأما يوم الفطر ففطركم من صيامكم .
সুনানে আবু দাউদ ২৪১৭
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا عمرو بن يحيى، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيام يومين يوم الفطر ويوم الأضحى وعن لبستين الصماء وأن يحتبي الرجل في الثوب الواحد وعن الصلاة في ساعتين بعد الصبح وبعد العصر .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেনঃ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা- এ দু’’দিন সওম পালন করতে এবং দুই ধরনের পোশাক পরতে, (সাম্মা) এক কাপড়ে সমগ্র শরীর পেঁচিয়ে নিয়ে শরীরকে এভাবে ঢাকা যে, হাঁটু উঁচু করে বসলে নীচ থেকে লজ্জাস্তান খোলা থাকে এবং দুই সময়ে সালাত আদায় করতে- ফাজরের পর এবং ‘আসরের পর।
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেনঃ ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা- এ দু’’দিন সওম পালন করতে এবং দুই ধরনের পোশাক পরতে, (সাম্মা) এক কাপড়ে সমগ্র শরীর পেঁচিয়ে নিয়ে শরীরকে এভাবে ঢাকা যে, হাঁটু উঁচু করে বসলে নীচ থেকে লজ্জাস্তান খোলা থাকে এবং দুই সময়ে সালাত আদায় করতে- ফাজরের পর এবং ‘আসরের পর।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا عمرو بن يحيى، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري، قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن صيام يومين يوم الفطر ويوم الأضحى وعن لبستين الصماء وأن يحتبي الرجل في الثوب الواحد وعن الصلاة في ساعتين بعد الصبح وبعد العصر .