সুনানে আবু দাউদ > উম্মু ওয়ালাদের উদ্দাত
সুনানে আবু দাউদ ২৩০৮
حدثنا قتيبة بن سعيد، أن محمد بن جعفر، حدثهم ح، وحدثنا ابن المثنى، حدثنا عبد الأعلى، عن سعيد، عن مطر، عن رجاء بن حيوة، عن قبيصة بن ذؤيب، عن عمرو بن العاص، قال لا تلبسوا علينا سنته - قال ابن المثنى سنة نبينا - صلى الله عليه وسلم عدة المتوفى عنها أربعة أشهر وعشر . يعني أم الولد .
‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তোমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাতকে আমাদের জন্য সংশয়পূর্ণ করো না। ইবনুল মুসান্না (রঃ) বলেন, আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাত অনুযায়ী উম্মু ওয়ালাদের ইদ্দাতকালও চার মাস দশ দিন।
‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তোমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাতকে আমাদের জন্য সংশয়পূর্ণ করো না। ইবনুল মুসান্না (রঃ) বলেন, আমাদের নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাত অনুযায়ী উম্মু ওয়ালাদের ইদ্দাতকালও চার মাস দশ দিন।
حدثنا قتيبة بن سعيد، أن محمد بن جعفر، حدثهم ح، وحدثنا ابن المثنى، حدثنا عبد الأعلى، عن سعيد، عن مطر، عن رجاء بن حيوة، عن قبيصة بن ذؤيب، عن عمرو بن العاص، قال لا تلبسوا علينا سنته - قال ابن المثنى سنة نبينا - صلى الله عليه وسلم عدة المتوفى عنها أربعة أشهر وعشر . يعني أم الولد .
সুনানে আবু দাউদ > তিন তারাকপ্রাপ্তা নারী, দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রথম স্বামী তার নিকট ফিরে আসতে পারবে না।
সুনানে আবু দাউদ ২৩০৯
حدثنا مسدد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن رجل طلق امرأته - يعني ثلاثا - فتزوجت زوجا غيره فدخل بها ثم طلقها قبل أن يواقعها أتحل لزوجها الأول قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم " لا تحل للأول حتى تذوق عسيلة الآخر ويذوق عسيلتها " .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, ফলে ঐ মহিলা অন্য এক পুরুষকে বিয়ে করলে সে তার সাথে নির্জনবাস করার পর সঙ্গম না করেই তাকে তালাক প্রদান করেছে। এখন ঐ মহিলা কি তার প্রথম স্বামীর জন্য বৈধ? তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সে প্রথম স্বামীর জন্য ততক্ষণ পর্যন্ত হালাল নয় যতক্ষণ পরস্পর পরস্পরের মধুর স্বাদ গ্রহন (সহবাস) না করবে।
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, ফলে ঐ মহিলা অন্য এক পুরুষকে বিয়ে করলে সে তার সাথে নির্জনবাস করার পর সঙ্গম না করেই তাকে তালাক প্রদান করেছে। এখন ঐ মহিলা কি তার প্রথম স্বামীর জন্য বৈধ? তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সে প্রথম স্বামীর জন্য ততক্ষণ পর্যন্ত হালাল নয় যতক্ষণ পরস্পর পরস্পরের মধুর স্বাদ গ্রহন (সহবাস) না করবে।
حدثنا مسدد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، قالت سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن رجل طلق امرأته - يعني ثلاثا - فتزوجت زوجا غيره فدخل بها ثم طلقها قبل أن يواقعها أتحل لزوجها الأول قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم " لا تحل للأول حتى تذوق عسيلة الآخر ويذوق عسيلتها " .
সুনানে আবু দাউদ > ব্যভিচারের পরিণাম
সুনানে আবু দাউদ ২৩১০
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن منصور، عن أبي وائل، عن عمرو بن شرحبيل، عن عبد الله، قال قلت يا رسول الله أى الذنب أعظم قال " أن تجعل لله ندا وهو خلقك " . قال فقلت ثم أى قال " أن تقتل ولدك مخافة أن يأكل معك " . قال قلت ثم أى قال " أن تزاني حليلة جارك " . قال وأنزل الله تعالى تصديق قول النبي صلى الله عليه وسلم { والذين لا يدعون مع الله إلها آخر ولا يقتلون النفس التي حرم الله إلا بالحق ولا يزنون } الآية .
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সবচেয়ে বড় পাপ কি? তিনি বলেনঃ আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা, অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমার সন্তান তোমার খাদ্যে ভাগ বসাবে এ ভয়ে তাকে হত্যা করা। তিনি বলেন, এরপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে তোমার যিনা করা। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কথার সমর্থনে অবতীর্ণ করা হয়ঃ “যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে আহবান করে না এবং আল্লাহর হারাম করা কোন প্রাণকে অকারণে হত্যা করে না এবং যিনা করে না। তবে যারা এরূপ করে, তারা তাদের পাপের ফল ভোগ করবে।”
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সবচেয়ে বড় পাপ কি? তিনি বলেনঃ আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা, অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, তারপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমার সন্তান তোমার খাদ্যে ভাগ বসাবে এ ভয়ে তাকে হত্যা করা। তিনি বলেন, এরপর কোনটি? তিনি বললেনঃ তোমার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সাথে তোমার যিনা করা। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কথার সমর্থনে অবতীর্ণ করা হয়ঃ “যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে আহবান করে না এবং আল্লাহর হারাম করা কোন প্রাণকে অকারণে হত্যা করে না এবং যিনা করে না। তবে যারা এরূপ করে, তারা তাদের পাপের ফল ভোগ করবে।”
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن منصور، عن أبي وائل، عن عمرو بن شرحبيل، عن عبد الله، قال قلت يا رسول الله أى الذنب أعظم قال " أن تجعل لله ندا وهو خلقك " . قال فقلت ثم أى قال " أن تقتل ولدك مخافة أن يأكل معك " . قال قلت ثم أى قال " أن تزاني حليلة جارك " . قال وأنزل الله تعالى تصديق قول النبي صلى الله عليه وسلم { والذين لا يدعون مع الله إلها آخر ولا يقتلون النفس التي حرم الله إلا بالحق ولا يزنون } الآية .
সুনানে আবু দাউদ ২৩১২
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا معتمر، عن أبيه، { ومن يكرههن فإن الله من بعد إكراههن غفور رحيم } قال قال سعيد بن أبي الحسن غفور لهن المكرهات .
উবায়দুল্লাহ ইবন মু’আয মু’তামির থেকে এবং তিনি তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
(কুরআনের এ আয়াত) বর্ণনা করেছেন যে, “আর তাদের মধ্যে যারা অপছন্দনীয় কাজ করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তার এ অপছন্দনীয় কাজের পরেও মার্জনাকারী, অনুগ্রহশীল।” রাবী বলেন, সাঈদ ইব্ন আবুল হাসান বলেন, যারা বাধ্য হয়ে অপকর্ম করে, সেই সমস্ত নারীদের জন্য আল্লাহ মার্জনাকারী।
উবায়দুল্লাহ ইবন মু’আয মু’তামির থেকে এবং তিনি তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
(কুরআনের এ আয়াত) বর্ণনা করেছেন যে, “আর তাদের মধ্যে যারা অপছন্দনীয় কাজ করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তার এ অপছন্দনীয় কাজের পরেও মার্জনাকারী, অনুগ্রহশীল।” রাবী বলেন, সাঈদ ইব্ন আবুল হাসান বলেন, যারা বাধ্য হয়ে অপকর্ম করে, সেই সমস্ত নারীদের জন্য আল্লাহ মার্জনাকারী।
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا معتمر، عن أبيه، { ومن يكرههن فإن الله من بعد إكراههن غفور رحيم } قال قال سعيد بن أبي الحسن غفور لهن المكرهات .
সুনানে আবু দাউদ ২৩১২
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا معتمر، عن أبيه، { ومن يكرههن فإن الله من بعد إكراههن غفور رحيم } قال قال سعيد بن أبي الحسن غفور لهن المكرهات .
উবায়দুল্লাহ ইবন মু’আয মু’তামির থেকে এবং তিনি তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
(কুরআনের এ আয়াত) বর্ণনা করেছেন যে, “আর তাদের মধ্যে যারা অপছন্দনীয় কাজ করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তার এ অপছন্দনীয় কাজের পরেও মার্জনাকারী, অনুগ্রহশীল।” রাবী বলেন, সাঈদ ইব্ন আবুল হাসান বলেন, যারা বাধ্য হয়ে অপকর্ম করে, সেই সমস্ত নারীদের জন্য আল্লাহ মার্জনাকারী।
উবায়দুল্লাহ ইবন মু’আয মু’তামির থেকে এবং তিনি তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
(কুরআনের এ আয়াত) বর্ণনা করেছেন যে, “আর তাদের মধ্যে যারা অপছন্দনীয় কাজ করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তার এ অপছন্দনীয় কাজের পরেও মার্জনাকারী, অনুগ্রহশীল।” রাবী বলেন, সাঈদ ইব্ন আবুল হাসান বলেন, যারা বাধ্য হয়ে অপকর্ম করে, সেই সমস্ত নারীদের জন্য আল্লাহ মার্জনাকারী।
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا معتمر، عن أبيه، { ومن يكرههن فإن الله من بعد إكراههن غفور رحيم } قال قال سعيد بن أبي الحسن غفور لهن المكرهات .
সুনানে আবু দাউদ ২৩১১
حدثنا أحمد بن إبراهيم، عن حجاج، عن ابن جريج، قال أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول جاءت مسيكة لبعض الأنصار فقالت إن سيدي يكرهني على البغاء فنزل في ذلك { ولا تكرهوا فتياتكم على البغاء } .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুসাইকাহ’ নামক এক আনসারী সাহাবীর দাসী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, আমার মনিব আমাকে ব্যভিচারে বাধ্য করে। তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ (অর্থ) “তোমরা তোমাদের দাসীদেরকে যিনায় লিপ্ত হওয়ার জন্য বাধ্য করোনা।”
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুসাইকাহ’ নামক এক আনসারী সাহাবীর দাসী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, আমার মনিব আমাকে ব্যভিচারে বাধ্য করে। তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ (অর্থ) “তোমরা তোমাদের দাসীদেরকে যিনায় লিপ্ত হওয়ার জন্য বাধ্য করোনা।”
حدثنا أحمد بن إبراهيم، عن حجاج، عن ابن جريج، قال أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول جاءت مسيكة لبعض الأنصار فقالت إن سيدي يكرهني على البغاء فنزل في ذلك { ولا تكرهوا فتياتكم على البغاء } .