সুনানে আবু দাউদ > তালাকপ্রাপ্তা নারীর ‘ইদ্দাত
সুনানে আবু দাউদ ২২৮১
حدثنا سليمان بن عبد الحميد البهراني، حدثني يحيى بن صالح، حدثنا إسماعيل بن عياش، حدثني عمرو بن مهاجر، عن أبيه، عن أسماء بنت يزيد بن السكن الأنصارية، أنها طلقت على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يكن للمطلقة عدة فأنزل الله عز وجل حين طلقت أسماء بالعدة للطلاق فكانت أول من أنزلت فيها العدة للمطلقات .
আসমা বিনতু ইয়াযীদ ইবনুস সাকান আল-আনসারিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে তিনি তালাকপ্রাপ্তা হন। তখন তালাকপ্রাপ্তা নারীর ইদ্দাত পালনের প্রথা ছিলো না। যখন আসমাকে তালাক দেয়া হলো তখন মহান আল্লাহ তালাক বিষয়ে ইদ্দাতের আয়াত অবতীর্ণ করলেন। তিনিই হলেন সর্বপ্রথম নারী যাকে কেন্দ্র করে তালাকপ্রাপ্ত মহিলার ইদ্দাতের বিধান অবতীর্ণ হয়।
আসমা বিনতু ইয়াযীদ ইবনুস সাকান আল-আনসারিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে তিনি তালাকপ্রাপ্তা হন। তখন তালাকপ্রাপ্তা নারীর ইদ্দাত পালনের প্রথা ছিলো না। যখন আসমাকে তালাক দেয়া হলো তখন মহান আল্লাহ তালাক বিষয়ে ইদ্দাতের আয়াত অবতীর্ণ করলেন। তিনিই হলেন সর্বপ্রথম নারী যাকে কেন্দ্র করে তালাকপ্রাপ্ত মহিলার ইদ্দাতের বিধান অবতীর্ণ হয়।
حدثنا سليمان بن عبد الحميد البهراني، حدثني يحيى بن صالح، حدثنا إسماعيل بن عياش، حدثني عمرو بن مهاجر، عن أبيه، عن أسماء بنت يزيد بن السكن الأنصارية، أنها طلقت على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يكن للمطلقة عدة فأنزل الله عز وجل حين طلقت أسماء بالعدة للطلاق فكانت أول من أنزلت فيها العدة للمطلقات .
সুনানে আবু দাউদ > তালাকপ্রাপ্তা নারীর ইদ্দাত সম্পর্কিত কিছু বিধান রহিত হওয়া সম্পর্কে।
সুনানে আবু দাউদ ২২৮২
حدثني أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال { والمطلقات يتربصن بأنفسهن ثلاثة قروء } . وقال { واللائي يئسن من المحيض من نسائكم إن ارتبتم فعدتهن ثلاثة أشهر } فنسخ من ذلك وقال { وإن طلقتموهن من قبل أن تمسوهن } { فما لكم عليهن من عدة تعتدونها } .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (আল্লাহর বাণী)ঃ “তালাক্বপ্রাপ্তা নারী তিন হায়িয পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকবে” (সূরাহ আল-বাক্বারাহঃ ২২৮); এবং “তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের আর ঋতুবতী হওয়ার আশা নাই তাদের ইদ্দাত সম্পর্কে তোমরা সন্দেহ করলে তাদের ইদ্দাতকাল হবে তিন মাস” (সূরাহ আত-তালাক্বঃ ৪)। এ দ্বিতীয় বিধানটি রহিত হয়ে গেছে। অতঃপর আল্লাহ বলেছেন, “যদি তোমরা তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দাও তাহলে তোমাদের জন্য তাদের পালনীয় কোন ইদ্দাত নাই যা তোমরা গণনা করবে” (সূরাহ আল-আহযাবঃ ৪৯)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (আল্লাহর বাণী)ঃ “তালাক্বপ্রাপ্তা নারী তিন হায়িয পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকবে” (সূরাহ আল-বাক্বারাহঃ ২২৮); এবং “তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের আর ঋতুবতী হওয়ার আশা নাই তাদের ইদ্দাত সম্পর্কে তোমরা সন্দেহ করলে তাদের ইদ্দাতকাল হবে তিন মাস” (সূরাহ আত-তালাক্বঃ ৪)। এ দ্বিতীয় বিধানটি রহিত হয়ে গেছে। অতঃপর আল্লাহ বলেছেন, “যদি তোমরা তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দাও তাহলে তোমাদের জন্য তাদের পালনীয় কোন ইদ্দাত নাই যা তোমরা গণনা করবে” (সূরাহ আল-আহযাবঃ ৪৯)।
حدثني أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال { والمطلقات يتربصن بأنفسهن ثلاثة قروء } . وقال { واللائي يئسن من المحيض من نسائكم إن ارتبتم فعدتهن ثلاثة أشهر } فنسخ من ذلك وقال { وإن طلقتموهن من قبل أن تمسوهن } { فما لكم عليهن من عدة تعتدونها } .
সুনানে আবু দাউদ > তালাক প্রদানের পর স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনা (রিজ’ঈ)
সুনানে আবু দাউদ ২২৮৩
حدثنا سهل بن محمد بن الزبير العسكري، حدثنا يحيى بن زكريا بن أبي زائدة، عن صالح بن صالح، عن سلمة بن كهيل، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، عن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طلق حفصة ثم راجعها .
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাফসাহ (রাঃ)-কে তালাক প্রদান করার পর তাকে আবার ফিরিয়ে নিয়েছেন।
উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাফসাহ (রাঃ)-কে তালাক প্রদান করার পর তাকে আবার ফিরিয়ে নিয়েছেন।
حدثنا سهل بن محمد بن الزبير العسكري، حدثنا يحيى بن زكريا بن أبي زائدة، عن صالح بن صالح، عن سلمة بن كهيل، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، عن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طلق حفصة ثم راجعها .
সুনানে আবু দাউদ > চূড়ান্ত তালাকপ্রাপ্তা মহিলার খোরাকী
সুনানে আবু দাউদ ২২৮৭
حدثنا قتيبة بن سعيد، أن إسماعيل بن جعفر، حدثهم حدثنا محمد بن عمرو، عن يحيى، عن أبي سلمة، عن فاطمة بنت قيس، قالت كنت عند رجل من بني مخزوم فطلقني البتة ثم ساق نحو حديث مالك قال فيه " ولا تفوتيني بنفسك " . قال أبو داود وكذلك رواه الشعبي والبهي وعطاء عن عبد الرحمن بن عاصم وأبو بكر بن أبي الجهم كلهم عن فاطمة بنت قيس أن زوجها طلقها ثلاثا .
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বনু মাখযূমের জনৈক ব্যক্তির স্ত্রী ছিলাম। সে আমাকে বিচ্ছেদের তালাক দিলো। অতঃপর বর্ণনাকারী মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তাতে আরো রয়েছেঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেনঃ “আমাকে না জানিয়ে কিছু করো না”। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আশ-শা’বী, আল-বাহী ও ‘আত্বা প্রমুখ বর্ণনাকারীগণ ‘আবদুর রহমানের মাধ্যমে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ বাক্র ইবনু আবুল জাহম, এরা সকলেই ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তার স্বামী তাকে তিন তালাক প্রদান করেছে।
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বনু মাখযূমের জনৈক ব্যক্তির স্ত্রী ছিলাম। সে আমাকে বিচ্ছেদের তালাক দিলো। অতঃপর বর্ণনাকারী মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। তাতে আরো রয়েছেঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছিলেনঃ “আমাকে না জানিয়ে কিছু করো না”। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আশ-শা’বী, আল-বাহী ও ‘আত্বা প্রমুখ বর্ণনাকারীগণ ‘আবদুর রহমানের মাধ্যমে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ বাক্র ইবনু আবুল জাহম, এরা সকলেই ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তার স্বামী তাকে তিন তালাক প্রদান করেছে।
حدثنا قتيبة بن سعيد، أن إسماعيل بن جعفر، حدثهم حدثنا محمد بن عمرو، عن يحيى، عن أبي سلمة، عن فاطمة بنت قيس، قالت كنت عند رجل من بني مخزوم فطلقني البتة ثم ساق نحو حديث مالك قال فيه " ولا تفوتيني بنفسك " . قال أبو داود وكذلك رواه الشعبي والبهي وعطاء عن عبد الرحمن بن عاصم وأبو بكر بن أبي الجهم كلهم عن فاطمة بنت قيس أن زوجها طلقها ثلاثا .
সুনানে আবু দাউদ ২২৮৪
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن عبد الله بن يزيد، مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن فاطمة بنت قيس، أن أبا عمرو بن حفص، طلقها البتة وهو غائب فأرسل إليها وكيله بشعير فتسخطته فقال والله ما لك علينا من شىء . فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال لها " ليس لك عليه نفقة " . وأمرها أن تعتد في بيت أم شريك ثم قال " إن تلك امرأة يغشاها أصحابي اعتدي في بيت ابن أم مكتوم فإنه رجل أعمى تضعين ثيابك وإذا حللت فآذنيني " . قالت فلما حللت ذكرت له أن معاوية بن أبي سفيان وأبا جهم خطباني فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما أبو جهم فلا يضع عصاه عن عاتقه وأما معاوية فصعلوك لا مال له انكحي أسامة بن زيد " . قالت فكرهته ثم قال " انكحي أسامة بن زيد . فنكحته فجعل الله تعالى فيه خيرا كثيرا واغتبطت به .
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ‘আমর ইবনু হাফস (রাঃ) অনুপস্থিত থাকা অবস্থায়ই তাকে চূড়ান্ত তালাক দেন। তিনি তার প্রতিনিধির মাধ্যমে তার নিকট সামান্য কিছু যব (খোরাকী) পাঠালেন। এতে ফাত্বিমাহ (রাঃ) রাগান্বিত হলেন। প্রতিনিধি লোকটি বললো, আল্লাহর শপথ! আপনার জন্য আমাদের উপর কোন পাওনা নাই। অতঃপর ফাত্বিমাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে বিষয়টি জানালেন। তিনি বললেনঃ তার থেকে তুমি খোরাকী পাওয়ার অধিকারী নও। তিনি তাকে উম্মু শারীকের ঘরে ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি বললেনঃ তার ঘরে তো আমার সাহাবীদের আসা-যাওয়ার একটা ভিড় থাকে। তুমি বরং ইবনু উম্মে মাকতূমের ঘরে অবস্থান করো। কারণ সে অন্ধ মানুষ। তোমার পোশাক বদলাতে অসুবিধা হবে না। তোমর ইদ্দাতকাল শেষ হলে আমাকে জানাবে। ফাত্বিমাহ (রাঃ) বলেন, আমার ইদ্দতকাল শেষ হলে আমি তাকে জানালাম, মু’আবিয়াহ ইবনু আবূ সুফিয়ান ও আবূ জাহম উভয়ে আমার নিকট বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এই যে আবূ জাহম, তার কাঁধ থেকে লাঠি কখনো নীচে নামে না। আর মু’আবিয়াহ! তার তো কোন সম্পদই নাই। তুমি বরং উসামাহ ইবনু যায়িদকে বিয়ে করো। ফাত্বিমাহ বলেন, প্রথমে আমি তাঁর এ প্রস্তাবকে অপছন্দ করি। কিন্তু তিনি পুনরায় বললেনঃ তুমি উসামাহ ইবনু যায়িদকে বিয়ে করো। সুতরাং আমি তাকে বিয়ে করলাম। মহান আল্লাহ আমাদের এ দাম্পত্য জীবনের মধ্যে যে বরকত দান করেছেন, তাতে আমি অন্যের ঈর্ষার পাত্র হয়েছি।
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবূ ‘আমর ইবনু হাফস (রাঃ) অনুপস্থিত থাকা অবস্থায়ই তাকে চূড়ান্ত তালাক দেন। তিনি তার প্রতিনিধির মাধ্যমে তার নিকট সামান্য কিছু যব (খোরাকী) পাঠালেন। এতে ফাত্বিমাহ (রাঃ) রাগান্বিত হলেন। প্রতিনিধি লোকটি বললো, আল্লাহর শপথ! আপনার জন্য আমাদের উপর কোন পাওনা নাই। অতঃপর ফাত্বিমাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে বিষয়টি জানালেন। তিনি বললেনঃ তার থেকে তুমি খোরাকী পাওয়ার অধিকারী নও। তিনি তাকে উম্মু শারীকের ঘরে ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি বললেনঃ তার ঘরে তো আমার সাহাবীদের আসা-যাওয়ার একটা ভিড় থাকে। তুমি বরং ইবনু উম্মে মাকতূমের ঘরে অবস্থান করো। কারণ সে অন্ধ মানুষ। তোমার পোশাক বদলাতে অসুবিধা হবে না। তোমর ইদ্দাতকাল শেষ হলে আমাকে জানাবে। ফাত্বিমাহ (রাঃ) বলেন, আমার ইদ্দতকাল শেষ হলে আমি তাকে জানালাম, মু’আবিয়াহ ইবনু আবূ সুফিয়ান ও আবূ জাহম উভয়ে আমার নিকট বিয়ের প্রস্তাব পাঠিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এই যে আবূ জাহম, তার কাঁধ থেকে লাঠি কখনো নীচে নামে না। আর মু’আবিয়াহ! তার তো কোন সম্পদই নাই। তুমি বরং উসামাহ ইবনু যায়িদকে বিয়ে করো। ফাত্বিমাহ বলেন, প্রথমে আমি তাঁর এ প্রস্তাবকে অপছন্দ করি। কিন্তু তিনি পুনরায় বললেনঃ তুমি উসামাহ ইবনু যায়িদকে বিয়ে করো। সুতরাং আমি তাকে বিয়ে করলাম। মহান আল্লাহ আমাদের এ দাম্পত্য জীবনের মধ্যে যে বরকত দান করেছেন, তাতে আমি অন্যের ঈর্ষার পাত্র হয়েছি।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن عبد الله بن يزيد، مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن، عن فاطمة بنت قيس، أن أبا عمرو بن حفص، طلقها البتة وهو غائب فأرسل إليها وكيله بشعير فتسخطته فقال والله ما لك علينا من شىء . فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال لها " ليس لك عليه نفقة " . وأمرها أن تعتد في بيت أم شريك ثم قال " إن تلك امرأة يغشاها أصحابي اعتدي في بيت ابن أم مكتوم فإنه رجل أعمى تضعين ثيابك وإذا حللت فآذنيني " . قالت فلما حللت ذكرت له أن معاوية بن أبي سفيان وأبا جهم خطباني فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما أبو جهم فلا يضع عصاه عن عاتقه وأما معاوية فصعلوك لا مال له انكحي أسامة بن زيد " . قالت فكرهته ثم قال " انكحي أسامة بن زيد . فنكحته فجعل الله تعالى فيه خيرا كثيرا واغتبطت به .
সুনানে আবু দাউদ ২২৮৮
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، حدثنا سلمة بن كهيل، عن الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، أن زوجها، طلقها ثلاثا فلم يجعل لها النبي صلى الله عليه وسلم نفقة ولا سكنى .
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার স্বামী তাকে তিন তালাক প্রদান করলো, কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে তার জন্য খোরাকী ও বাসস্থান কিছুই নির্ধারিত করেননি।
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তার স্বামী তাকে তিন তালাক প্রদান করলো, কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে তার জন্য খোরাকী ও বাসস্থান কিছুই নির্ধারিত করেননি।
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، حدثنا سلمة بن كهيل، عن الشعبي، عن فاطمة بنت قيس، أن زوجها، طلقها ثلاثا فلم يجعل لها النبي صلى الله عليه وسلم نفقة ولا سكنى .
সুনানে আবু দাউদ ২২৮৫
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبان بن يزيد العطار، حدثنا يحيى بن أبي كثير، حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن فاطمة بنت قيس، حدثته أن أبا حفص بن المغيرة طلقها ثلاثا وساق الحديث فيه وأن خالد بن الوليد ونفرا من بني مخزوم أتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا يا نبي الله إن أبا حفص بن المغيرة طلق امرأته ثلاثا وإنه ترك لها نفقة يسيرة فقال " لا نفقة لها " . وساق الحديث وحديث مالك أتم .
আবূ সালামাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) তাকে বর্ণনা করেছেন, আবূ হাফ্স ইবনুল মুগীরাহ তাকে তিন তালাক প্রদান করেন। অতঃপর বর্ণনাকারী সম্পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে রয়েছেঃ খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ এবং মাখযূম গোত্রীয় একদল লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট আগমন করে বললেন, হে আল্লাহর নাবী! আবূ হাফ্স ইবনুল মুগীরাহ তার স্ত্রীকে তিন তালাক প্রদান করেছে এবং তার জন্য সামান্য খোরাকী রেখেছে। তিনি বলেনঃ সে কোন খোরাকী পাবে না। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে মালিক বর্ণিত হাদীসটি এর চেয়ে পরিপূর্ণ।
আবূ সালামাহ ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) তাকে বর্ণনা করেছেন, আবূ হাফ্স ইবনুল মুগীরাহ তাকে তিন তালাক প্রদান করেন। অতঃপর বর্ণনাকারী সম্পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে রয়েছেঃ খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ এবং মাখযূম গোত্রীয় একদল লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট আগমন করে বললেন, হে আল্লাহর নাবী! আবূ হাফ্স ইবনুল মুগীরাহ তার স্ত্রীকে তিন তালাক প্রদান করেছে এবং তার জন্য সামান্য খোরাকী রেখেছে। তিনি বলেনঃ সে কোন খোরাকী পাবে না। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। তবে মালিক বর্ণিত হাদীসটি এর চেয়ে পরিপূর্ণ।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا أبان بن يزيد العطار، حدثنا يحيى بن أبي كثير، حدثني أبو سلمة بن عبد الرحمن، أن فاطمة بنت قيس، حدثته أن أبا حفص بن المغيرة طلقها ثلاثا وساق الحديث فيه وأن خالد بن الوليد ونفرا من بني مخزوم أتوا النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا يا نبي الله إن أبا حفص بن المغيرة طلق امرأته ثلاثا وإنه ترك لها نفقة يسيرة فقال " لا نفقة لها " . وساق الحديث وحديث مالك أتم .
সুনানে আবু দাউদ ২২৮৯
حدثنا يزيد بن خالد الرملي، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة، عن فاطمة بنت قيس، أنها أخبرته أنها، كانت عند أبي حفص بن المغيرة وأن أبا حفص بن المغيرة طلقها آخر ثلاث تطليقات فزعمت أنها جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستفتته في خروجها من بيتها فأمرها أن تنتقل إلى ابن أم مكتوم الأعمى فأبى مروان أن يصدق حديث فاطمة في خروج المطلقة من بيتها . قال عروة وأنكرت عائشة - رضى الله عنها - على فاطمة بنت قيس . قال أبو داود وكذلك رواه صالح بن كيسان وابن جريج وشعيب بن أبي حمزة كلهم عن الزهري . قال أبو داود وشعيب بن أبي حمزة واسم أبي حمزة دينار وهو مولى زياد .
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ হাফস ইবনুল মুগীরাহ্র স্ত্রী ছিলেন। আবূ হাফস ইবনুল মুগীরাহ তাকে সর্বশেষ তৃতীয় তালাকটিও দিলেন। তিনি বলেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিকট আগমন করে স্বামীর ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ফাতাওয়াহ চাইলেন। তিনি তাকে ইবনু উম্মে মাকতূমের ঘরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। কিন্তু মারওয়ান ইবনুল হাকাম ‘তালাকপ্রাপ্তা নারীর স্বামীর ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়া’ বিষয়ে ফাত্বিমাহর হাদীসকে সঠিক বলে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। আার ‘উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িসের হাদীসকে অস্বীকার করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, সালিহ ইবনু ক্বায়সান, ইবনু জুরাইজ, শু’আইব ইবনু আবূ হামযাহ এরা সবাই আয-যুহরী (রহঃ) হতে ঐভাবেই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ হাফস ইবনুল মুগীরাহ্র স্ত্রী ছিলেন। আবূ হাফস ইবনুল মুগীরাহ তাকে সর্বশেষ তৃতীয় তালাকটিও দিলেন। তিনি বলেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিকট আগমন করে স্বামীর ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ফাতাওয়াহ চাইলেন। তিনি তাকে ইবনু উম্মে মাকতূমের ঘরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। কিন্তু মারওয়ান ইবনুল হাকাম ‘তালাকপ্রাপ্তা নারীর স্বামীর ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়া’ বিষয়ে ফাত্বিমাহর হাদীসকে সঠিক বলে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। আার ‘উরওয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িসের হাদীসকে অস্বীকার করেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, সালিহ ইবনু ক্বায়সান, ইবনু জুরাইজ, শু’আইব ইবনু আবূ হামযাহ এরা সবাই আয-যুহরী (রহঃ) হতে ঐভাবেই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
حدثنا يزيد بن خالد الرملي، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن أبي سلمة، عن فاطمة بنت قيس، أنها أخبرته أنها، كانت عند أبي حفص بن المغيرة وأن أبا حفص بن المغيرة طلقها آخر ثلاث تطليقات فزعمت أنها جاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستفتته في خروجها من بيتها فأمرها أن تنتقل إلى ابن أم مكتوم الأعمى فأبى مروان أن يصدق حديث فاطمة في خروج المطلقة من بيتها . قال عروة وأنكرت عائشة - رضى الله عنها - على فاطمة بنت قيس . قال أبو داود وكذلك رواه صالح بن كيسان وابن جريج وشعيب بن أبي حمزة كلهم عن الزهري . قال أبو داود وشعيب بن أبي حمزة واسم أبي حمزة دينار وهو مولى زياد .
সুনানে আবু দাউদ ২২৯০
حدثنا مخلد بن خالد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن عبيد الله، قال أرسل مروان إلى فاطمة فسألها فأخبرته أنها كانت عند أبي حفص وكان النبي صلى الله عليه وسلم أمر علي بن أبي طالب - يعني على بعض اليمن - فخرج معه زوجها فبعث إليها بتطليقة كانت بقيت لها وأمر عياش بن أبي ربيعة والحارث بن هشام أن ينفقا عليها فقالا والله ما لها نفقة إلا أن تكون حاملا . فأتت النبي صلى الله عليه وسلم فقال " لا نفقة لك إلا أن تكوني حاملا " . واستأذنته في الانتقال فأذن لها فقالت أين أنتقل يا رسول الله قال " عند ابن أم مكتوم " . وكان أعمى تضع ثيابها عنده ولا يبصرها فلم تزل هناك حتى مضت عدتها فأنكحها النبي صلى الله عليه وسلم أسامة فرجع قبيصة إلى مروان فأخبره بذلك فقال مروان لم نسمع هذا الحديث إلا من امرأة فسنأخذ بالعصمة التي وجدنا الناس عليها فقالت فاطمة حين بلغها ذلك بيني وبينكم كتاب الله قال الله تعالى { فطلقوهن لعدتهن } حتى { لا تدري لعل الله يحدث بعد ذلك أمرا } قالت فأى أمر يحدث بعد الثلاث قال أبو داود وكذلك رواه يونس عن الزهري وأما الزبيدي فروى الحديثين جميعا حديث عبيد الله بمعنى معمر وحديث أبي سلمة بمعنى عقيل ورواه محمد بن إسحاق عن الزهري أن قبيصة بن ذؤيب حدثه بمعنى دل على خبر عبيد الله بن عبد الله حين قال فرجع قبيصة إلى مروان فأخبره بذلك .
‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মারওয়ান ফাত্বিমাহ (রাঃ) এর কাছে কিছু জিজ্ঞাসা করতে প্রেরিত হলেন। তিনি তাকে জানালেন যে, তিনি (ফাত্বিমাহ) আবূ হাফসের স্ত্রী ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-কে ইয়ামানে কোন একটি এলাকার শাসক নিযুক্ত করে পাঠান। তার স্বামীও তার সাথে সেখানে যান। অতঃপর তার স্বামী তাকে অবশিষ্ট এক তালাক প্রদান করলেন। তিনি ‘আয়্যাশ ইবনু আবূ রাবী’আহ এবং হারিস ইবনু হিশামকে অনুরোধ করেন, তারা উভয়ে যেন ফাত্বিমাহকে খোরাকী দেন। জবাবে তারা উভয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! সে গর্ভবতী না হলে খোরাকী পাবে না। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট আগমন করলে তিনি বলেনঃ তুমি গর্ভবতী না হয়ে থাকলে খোরাকী পাবে না। তিনি স্বামীর ঘর থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার অনুমতি চাইলে তাকে চলে যাওয়ার অনুমতি দিলেন। ফাত্বিমাহ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কোথায় যাবো? তিনি বললেনঃ ইবনু উম্মে মাকতূমের নিকট। তিনি অন্ধ মানুষ। তুমি তার সামনে কাপড় বদলালেও সে দেখতে পাবে না। অতঃপর ইদ্দাত শেষ হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে উসামাহ (রাঃ)-এর সাথে বিবাহ দিলেন। তারপর ক্বাবীসাহ মারওয়ানকে তা অবহিত করলেন। মারওয়ান বলেন, আমরা উক্ত হাদীস শুধু একটি মহিলা থেকেই শুনেছি। আমরা নির্ভরযোগ্য বিষয়ে অবিচল থাকবো, লোকজন যার উপর আমল করে আসছে। ফাত্বিমাহ মারওয়ানের মন্তব্য শুনতে পেয়ে বলেন, আল্লাহর কিতাবই আমার ও তোমাদের মধ্যে মীমাংসা করবে। মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “তোমরা তাদেরকে ইদ্দাত পালনের সুযোগ রেখে তালাক দিবে... তুমি জ্ঞাত নও, হয়তো এরপর আল্লাহ কোন উপায় করে দিবেন” (সূরাহ আত-তালাকঃ ১)। ফাত্বিমাহ (রাঃ) বললেন, তিন তালাকের (হায়িযের) পর আবার কি সৃষ্টির সম্ভাবনা আছে? ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন ইউনুস যুহরী হতে অনুরূপই বর্ণনা করেছেন। আর যুবাইদী উভয় হাদীসকে উবাইদুল্লাহর হাদীসের মতই মা’মারের হাদীসের অর্থে বর্ণনা করেছেন। আর আবূ সালামাহর হাদীস ‘উক্বাইলের হাদীসের অর্থানুরূপ এবং মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক্ব যুহরীর মাধ্যমে বর্ণনা করেন যে, ক্বাবীসাহ ইবনু যুআইব (রহঃ) এর হাদীসের অর্থ ‘উবাইুদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ বর্ণিত হাদীসের অর্থকে সমর্থন করে। তিনি বলেছেন, “অতঃপর ক্বাবীসাহ মারওয়ানের নিকট গিয়ে ফাত্বিমাহ (রাঃ) এর বিবরণ তাকে অবহিত করলেন।
‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মারওয়ান ফাত্বিমাহ (রাঃ) এর কাছে কিছু জিজ্ঞাসা করতে প্রেরিত হলেন। তিনি তাকে জানালেন যে, তিনি (ফাত্বিমাহ) আবূ হাফসের স্ত্রী ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-কে ইয়ামানে কোন একটি এলাকার শাসক নিযুক্ত করে পাঠান। তার স্বামীও তার সাথে সেখানে যান। অতঃপর তার স্বামী তাকে অবশিষ্ট এক তালাক প্রদান করলেন। তিনি ‘আয়্যাশ ইবনু আবূ রাবী’আহ এবং হারিস ইবনু হিশামকে অনুরোধ করেন, তারা উভয়ে যেন ফাত্বিমাহকে খোরাকী দেন। জবাবে তারা উভয়ে বললেন, আল্লাহর শপথ! সে গর্ভবতী না হলে খোরাকী পাবে না। তিনি নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট আগমন করলে তিনি বলেনঃ তুমি গর্ভবতী না হয়ে থাকলে খোরাকী পাবে না। তিনি স্বামীর ঘর থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার অনুমতি চাইলে তাকে চলে যাওয়ার অনুমতি দিলেন। ফাত্বিমাহ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কোথায় যাবো? তিনি বললেনঃ ইবনু উম্মে মাকতূমের নিকট। তিনি অন্ধ মানুষ। তুমি তার সামনে কাপড় বদলালেও সে দেখতে পাবে না। অতঃপর ইদ্দাত শেষ হওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানে অবস্থান করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে উসামাহ (রাঃ)-এর সাথে বিবাহ দিলেন। তারপর ক্বাবীসাহ মারওয়ানকে তা অবহিত করলেন। মারওয়ান বলেন, আমরা উক্ত হাদীস শুধু একটি মহিলা থেকেই শুনেছি। আমরা নির্ভরযোগ্য বিষয়ে অবিচল থাকবো, লোকজন যার উপর আমল করে আসছে। ফাত্বিমাহ মারওয়ানের মন্তব্য শুনতে পেয়ে বলেন, আল্লাহর কিতাবই আমার ও তোমাদের মধ্যে মীমাংসা করবে। মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “তোমরা তাদেরকে ইদ্দাত পালনের সুযোগ রেখে তালাক দিবে... তুমি জ্ঞাত নও, হয়তো এরপর আল্লাহ কোন উপায় করে দিবেন” (সূরাহ আত-তালাকঃ ১)। ফাত্বিমাহ (রাঃ) বললেন, তিন তালাকের (হায়িযের) পর আবার কি সৃষ্টির সম্ভাবনা আছে? ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন ইউনুস যুহরী হতে অনুরূপই বর্ণনা করেছেন। আর যুবাইদী উভয় হাদীসকে উবাইদুল্লাহর হাদীসের মতই মা’মারের হাদীসের অর্থে বর্ণনা করেছেন। আর আবূ সালামাহর হাদীস ‘উক্বাইলের হাদীসের অর্থানুরূপ এবং মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক্ব যুহরীর মাধ্যমে বর্ণনা করেন যে, ক্বাবীসাহ ইবনু যুআইব (রহঃ) এর হাদীসের অর্থ ‘উবাইুদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ বর্ণিত হাদীসের অর্থকে সমর্থন করে। তিনি বলেছেন, “অতঃপর ক্বাবীসাহ মারওয়ানের নিকট গিয়ে ফাত্বিমাহ (রাঃ) এর বিবরণ তাকে অবহিত করলেন।
حدثنا مخلد بن خالد، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن عبيد الله، قال أرسل مروان إلى فاطمة فسألها فأخبرته أنها كانت عند أبي حفص وكان النبي صلى الله عليه وسلم أمر علي بن أبي طالب - يعني على بعض اليمن - فخرج معه زوجها فبعث إليها بتطليقة كانت بقيت لها وأمر عياش بن أبي ربيعة والحارث بن هشام أن ينفقا عليها فقالا والله ما لها نفقة إلا أن تكون حاملا . فأتت النبي صلى الله عليه وسلم فقال " لا نفقة لك إلا أن تكوني حاملا " . واستأذنته في الانتقال فأذن لها فقالت أين أنتقل يا رسول الله قال " عند ابن أم مكتوم " . وكان أعمى تضع ثيابها عنده ولا يبصرها فلم تزل هناك حتى مضت عدتها فأنكحها النبي صلى الله عليه وسلم أسامة فرجع قبيصة إلى مروان فأخبره بذلك فقال مروان لم نسمع هذا الحديث إلا من امرأة فسنأخذ بالعصمة التي وجدنا الناس عليها فقالت فاطمة حين بلغها ذلك بيني وبينكم كتاب الله قال الله تعالى { فطلقوهن لعدتهن } حتى { لا تدري لعل الله يحدث بعد ذلك أمرا } قالت فأى أمر يحدث بعد الثلاث قال أبو داود وكذلك رواه يونس عن الزهري وأما الزبيدي فروى الحديثين جميعا حديث عبيد الله بمعنى معمر وحديث أبي سلمة بمعنى عقيل ورواه محمد بن إسحاق عن الزهري أن قبيصة بن ذؤيب حدثه بمعنى دل على خبر عبيد الله بن عبد الله حين قال فرجع قبيصة إلى مروان فأخبره بذلك .
সুনানে আবু দাউদ ২২৮৬
حدثنا محمود بن خالد، حدثنا الوليد، حدثنا أبو عمرو، عن يحيى، حدثني أبو سلمة، حدثتني فاطمة بنت قيس، أن أبا عمرو بن حفص المخزومي، طلقها ثلاثا وساق الحديث وخبر خالد بن الوليد قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ليست لها نفقة ولا مسكن " . قال فيه وأرسل إليها النبي صلى الله عليه وسلم أن لا تسبقيني بنفسك .
আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) আমাকে বর্ণনা করেন যে, ‘আমর ইবনু হাফস আল-মাখযূমী তাকে তিন তালাক প্রদান করেছেন। অতঃপর বর্ণনাকারী খালিদ ইবনুল ওয়ালীদের কথাটি সহ পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ মহিলা সম্পর্কে বললেনঃ সে খোরাকী ও বাসস্থান পাবে না। তাতে রয়েছেঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে সংবাদ পাঠিয়েছেন যে, আমার সাথে পরামর্শ ছাড়া কিছু করবে না।
আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাত্বিমাহ বিনতু ক্বায়িস (রাঃ) আমাকে বর্ণনা করেন যে, ‘আমর ইবনু হাফস আল-মাখযূমী তাকে তিন তালাক প্রদান করেছেন। অতঃপর বর্ণনাকারী খালিদ ইবনুল ওয়ালীদের কথাটি সহ পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। বর্ণনাকারী বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ মহিলা সম্পর্কে বললেনঃ সে খোরাকী ও বাসস্থান পাবে না। তাতে রয়েছেঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে সংবাদ পাঠিয়েছেন যে, আমার সাথে পরামর্শ ছাড়া কিছু করবে না।
حدثنا محمود بن خالد، حدثنا الوليد، حدثنا أبو عمرو، عن يحيى، حدثني أبو سلمة، حدثتني فاطمة بنت قيس، أن أبا عمرو بن حفص المخزومي، طلقها ثلاثا وساق الحديث وخبر خالد بن الوليد قال فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ليست لها نفقة ولا مسكن " . قال فيه وأرسل إليها النبي صلى الله عليه وسلم أن لا تسبقيني بنفسك .