সুনানে আবু দাউদ > খোলা’র বর্ণনা

সুনানে আবু দাউদ ২২৩০

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر، قال عدة المختلعة حيضة ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খোলা’ তালাকপ্রাপ্তা মহিলার ইদ্দাতকাল হচ্ছে এক হায়িয।

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খোলা’ তালাকপ্রাপ্তা মহিলার ইদ্দাতকাল হচ্ছে এক হায়িয।

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر، قال عدة المختلعة حيضة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২২৩০

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر، قال عدة المختلعة حيضة ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খোলা’ তালাকপ্রাপ্তা মহিলার ইদ্দাতকাল হচ্ছে এক হায়িয।

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, খোলা’ তালাকপ্রাপ্তা মহিলার ইদ্দাতকাল হচ্ছে এক হায়িয।

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر، قال عدة المختلعة حيضة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২২২৮

حدثنا محمد بن معمر، حدثنا أبو عامر عبد الملك بن عمرو، حدثنا أبو عمرو السدوسي المديني، عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن عمرة، عن عائشة، أن حبيبة بنت سهل، كانت عند ثابت بن قيس بن شماس فضربها فكسر بعضها فأتت رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد الصبح فاشتكته إليه فدعا النبي صلى الله عليه وسلم ثابتا فقال ‏"‏ خذ بعض مالها وفارقها ‏"‏ ‏.‏ فقال ويصلح ذلك يا رسول الله قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قال فإني أصدقتها حديقتين وهما بيدها فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خذهما ففارقها ‏"‏ ‏.‏ ففعل ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাবীবাহ বিনতু সাহল ছিলেন (রাঃ) সাবিত ইবনু ক্বায়িস ইবনু শাম্মাসের স্ত্রী। তিনি হাবীবাহকে প্রহার করলে তার শরীরের কোন অঙ্গ ভেঙ্গে যায়। তাই তিনি সুবহে সাদেকের পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাবিতকে ডেকে এনে বললেনঃ তুমি তাকে যা কিছু দিয়েছো তার কিছু অংশ গ্রহণ করে তাকে তালাক দাও। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তা ফেরত নেয়া কি ঠিক হবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ! সে বললো, আমি তাকে মোহরানা বাবদ দু’টি বাগান দিয়েছি এবং সেগুলো তার দখলে আছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি বাগান দু’টি নিয়ে নাও এবং তাকে ত্যাগ করো। ফলে তিনি তাই করলেন।

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

হাবীবাহ বিনতু সাহল ছিলেন (রাঃ) সাবিত ইবনু ক্বায়িস ইবনু শাম্মাসের স্ত্রী। তিনি হাবীবাহকে প্রহার করলে তার শরীরের কোন অঙ্গ ভেঙ্গে যায়। তাই তিনি সুবহে সাদেকের পর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাবিতকে ডেকে এনে বললেনঃ তুমি তাকে যা কিছু দিয়েছো তার কিছু অংশ গ্রহণ করে তাকে তালাক দাও। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তা ফেরত নেয়া কি ঠিক হবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ! সে বললো, আমি তাকে মোহরানা বাবদ দু’টি বাগান দিয়েছি এবং সেগুলো তার দখলে আছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি বাগান দু’টি নিয়ে নাও এবং তাকে ত্যাগ করো। ফলে তিনি তাই করলেন।

حدثنا محمد بن معمر، حدثنا أبو عامر عبد الملك بن عمرو، حدثنا أبو عمرو السدوسي المديني، عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن عمرة، عن عائشة، أن حبيبة بنت سهل، كانت عند ثابت بن قيس بن شماس فضربها فكسر بعضها فأتت رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد الصبح فاشتكته إليه فدعا النبي صلى الله عليه وسلم ثابتا فقال ‏"‏ خذ بعض مالها وفارقها ‏"‏ ‏.‏ فقال ويصلح ذلك يا رسول الله قال ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قال فإني أصدقتها حديقتين وهما بيدها فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ خذهما ففارقها ‏"‏ ‏.‏ ففعل ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২২২৯

حدثنا محمد بن عبد الرحيم البزاز، حدثنا علي بن بحر القطان، حدثنا هشام بن يوسف، عن معمر، عن عمرو بن مسلم، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن امرأة، ثابت بن قيس اختلعت منه فجعل النبي صلى الله عليه وسلم عدتها حيضة ‏.‏ قال أبو داود وهذا الحديث رواه عبد الرزاق عن معمر عن عمرو بن مسلم عن عكرمة عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাবিত ইবনু ক্বায়িসের (রাঃ) স্ত্রী তার কাছ থেকে খোলা’ তালাক নিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার ইদ্দাতকাল নির্ধারণ করলেন এক হায়িয। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এই হাদীস ইকরিমা (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সূত্রে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাবিত ইবনু ক্বায়িসের (রাঃ) স্ত্রী তার কাছ থেকে খোলা’ তালাক নিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার ইদ্দাতকাল নির্ধারণ করলেন এক হায়িয। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এই হাদীস ইকরিমা (রহঃ) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সূত্রে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন।

حدثنا محمد بن عبد الرحيم البزاز، حدثنا علي بن بحر القطان، حدثنا هشام بن يوسف، عن معمر، عن عمرو بن مسلم، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن امرأة، ثابت بن قيس اختلعت منه فجعل النبي صلى الله عليه وسلم عدتها حيضة ‏.‏ قال أبو داود وهذا الحديث رواه عبد الرزاق عن معمر عن عمرو بن مسلم عن عكرمة عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২২২৬

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء، عن ثوبان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أيما امرأة سألت زوجها طلاقا في غير ما بأس فحرام عليها رائحة الجنة ‏"‏ ‏.‏

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কোন মহিলা অহেতুক তার স্বামীর নিকট তালাক চায় তার জন্য জান্নাতের সুগন্ধও হারাম হয়ে যায়।

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যদি কোন মহিলা অহেতুক তার স্বামীর নিকট তালাক চায় তার জন্য জান্নাতের সুগন্ধও হারাম হয়ে যায়।

حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن أبي أسماء، عن ثوبان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أيما امرأة سألت زوجها طلاقا في غير ما بأس فحرام عليها رائحة الجنة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২২২৭

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة بنت عبد الرحمن بن سعد بن زرارة، أنها أخبرته عن حبيبة بنت سهل الأنصارية، أنها كانت تحت ثابت بن قيس بن شماس وأن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج إلى الصبح فوجد حبيبة بنت سهل عند بابه في الغلس فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من هذه ‏"‏ ‏.‏ فقالت أنا حبيبة بنت سهل ‏.‏ قال ‏"‏ ما شأنك ‏"‏ ‏.‏ قالت لا أنا ولا ثابت بن قيس ‏.‏ لزوجها فلما جاء ثابت بن قيس قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هذه حبيبة بنت سهل ‏"‏ ‏.‏ وذكرت ما شاء الله أن تذكر وقالت حبيبة يا رسول الله كل ما أعطاني عندي ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لثابت بن قيس ‏"‏ خذ منها ‏"‏ ‏.‏ فأخذ منها وجلست هي في أهلها ‏.‏

হাবীবাহ বিনতু সাহল আল-আনসারিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সাবিত ইবনু ক্বায়িস ইবনু শাম্মাসের (রাঃ) স্ত্রী ছিলেন। একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফাজ্‌রের সলাতে যাওয়ার পথে সাহলের কন্যা হাবীবাহকে ভোরের অন্ধকারে তাঁর ঘরের দরজায় দেখতে পেয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ কে? তিনি বললেন, আমি সাহলের কন্যা হাবীবাহ্। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার কি হয়েছে? তিনি বলেন, সাবিত ইবনু ক্বায়িসের সাথেও আমার দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত হবে না। যখন সাবিত ইবনু ক্বায়িস আসলেন তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেনঃ এই তো সাহলের কন্যা হাবীবাহ। অতঃপর মহিলাটি তার বিরুদ্ধে যত অভিযোগ ছিলো তা পেশ করলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি আমাকে যা কিছু দিয়েছেন সবই আমার কাছে আছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাবিত ইবনু ক্বায়িসকে বললেনঃ তুমি যা কিছু তাকে দিয়েছো তা গ্রহণ করো। সুতরাং তিনি স্ত্রী থেকে সব গ্রহণ করলেন এবং হাবীবাহ তার পরিজনের কাছে চলে গেলেন।

হাবীবাহ বিনতু সাহল আল-আনসারিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সাবিত ইবনু ক্বায়িস ইবনু শাম্মাসের (রাঃ) স্ত্রী ছিলেন। একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফাজ্‌রের সলাতে যাওয়ার পথে সাহলের কন্যা হাবীবাহকে ভোরের অন্ধকারে তাঁর ঘরের দরজায় দেখতে পেয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ কে? তিনি বললেন, আমি সাহলের কন্যা হাবীবাহ্। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার কি হয়েছে? তিনি বলেন, সাবিত ইবনু ক্বায়িসের সাথেও আমার দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত হবে না। যখন সাবিত ইবনু ক্বায়িস আসলেন তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেনঃ এই তো সাহলের কন্যা হাবীবাহ। অতঃপর মহিলাটি তার বিরুদ্ধে যত অভিযোগ ছিলো তা পেশ করলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি আমাকে যা কিছু দিয়েছেন সবই আমার কাছে আছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সাবিত ইবনু ক্বায়িসকে বললেনঃ তুমি যা কিছু তাকে দিয়েছো তা গ্রহণ করো। সুতরাং তিনি স্ত্রী থেকে সব গ্রহণ করলেন এবং হাবীবাহ তার পরিজনের কাছে চলে গেলেন।

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة بنت عبد الرحمن بن سعد بن زرارة، أنها أخبرته عن حبيبة بنت سهل الأنصارية، أنها كانت تحت ثابت بن قيس بن شماس وأن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج إلى الصبح فوجد حبيبة بنت سهل عند بابه في الغلس فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من هذه ‏"‏ ‏.‏ فقالت أنا حبيبة بنت سهل ‏.‏ قال ‏"‏ ما شأنك ‏"‏ ‏.‏ قالت لا أنا ولا ثابت بن قيس ‏.‏ لزوجها فلما جاء ثابت بن قيس قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هذه حبيبة بنت سهل ‏"‏ ‏.‏ وذكرت ما شاء الله أن تذكر وقالت حبيبة يا رسول الله كل ما أعطاني عندي ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لثابت بن قيس ‏"‏ خذ منها ‏"‏ ‏.‏ فأخذ منها وجلست هي في أهلها ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > স্বাধীন কিংবা গোলামের দাসী স্ত্রী আযাদ হলে

সুনানে আবু দাউদ ২২৩২

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا همام، عن قتادة، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن زوج، بريرة كان عبدا أسود يسمى مغيثا فخيرها - يعني النبي صلى الله عليه وسلم - وأمرها أن تعتد ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরাহ্‌র স্বামী এক কালো বর্ণের ক্রীতদাস ছিলেন। যার নাম মুগীস। বারীরাহ মুক্ত হবার পর এ স্বামী গ্রহণ করা অথবা বর্জনের ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে এখতিয়ার দিয়ে ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরাহ্‌র স্বামী এক কালো বর্ণের ক্রীতদাস ছিলেন। যার নাম মুগীস। বারীরাহ মুক্ত হবার পর এ স্বামী গ্রহণ করা অথবা বর্জনের ব্যাপারে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে এখতিয়ার দিয়ে ইদ্দাত পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا همام، عن قتادة، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن زوج، بريرة كان عبدا أسود يسمى مغيثا فخيرها - يعني النبي صلى الله عليه وسلم - وأمرها أن تعتد ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২২৩৪

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا حسين بن علي، والوليد بن عقبة، عن زائدة، عن سماك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عائشة، أن بريرة، خيرها رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان زوجها عبدا ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বারীরাহ্‌কে এখতিয়ার দিয়েছিলেন। তার স্বামী ছিলো ক্রীতদাস।

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বারীরাহ্‌কে এখতিয়ার দিয়েছিলেন। তার স্বামী ছিলো ক্রীতদাস।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا حسين بن علي، والوليد بن عقبة، عن زائدة، عن سماك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عائشة، أن بريرة، خيرها رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان زوجها عبدا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২২৩১

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن خالد الحذاء، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن مغيثا، كان عبدا فقال يا رسول الله اشفع لي إليها ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا بريرة اتقي الله فإنه زوجك وأبو ولدك ‏"‏ ‏.‏ فقالت يا رسول الله أتأمرني بذلك قال ‏"‏ لا إنما أنا شافع ‏"‏ ‏.‏ فكان دموعه تسيل على خده فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للعباس ‏"‏ ألا تعجب من حب مغيث بريرة وبغضها إياه ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুগীস ছিলেন একজন গোলাম। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্য তার (বারীরার) কাছে একটু সুপারিশ করুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হে বারীরাহ! আল্লাহকে ভয় করো। কেননা সে তোমার স্বামী এবং তোমার সন্তানদের পিতা। সে জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি আমার প্রতি আপনার নির্দেশ? তিনি বললেনঃ না, বরং আমি একজন সুপারিশকারী। এদিকে মুগীসের চোখের পানিতে তার চোয়াল পর্যন্ত ভিজে গড়িয়ে পড়ছে। এ দৃশ্য দেখে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বললেনঃ হে ‘আব্বাস! বারীরাহ্‌র প্রতি মুগীসের প্রেম, আর মুগীসের প্রতি তার ক্রোধ কতই না আশ্চর্যকর।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুগীস ছিলেন একজন গোলাম। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্য তার (বারীরার) কাছে একটু সুপারিশ করুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ হে বারীরাহ! আল্লাহকে ভয় করো। কেননা সে তোমার স্বামী এবং তোমার সন্তানদের পিতা। সে জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! এটা কি আমার প্রতি আপনার নির্দেশ? তিনি বললেনঃ না, বরং আমি একজন সুপারিশকারী। এদিকে মুগীসের চোখের পানিতে তার চোয়াল পর্যন্ত ভিজে গড়িয়ে পড়ছে। এ দৃশ্য দেখে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বললেনঃ হে ‘আব্বাস! বারীরাহ্‌র প্রতি মুগীসের প্রেম, আর মুগীসের প্রতি তার ক্রোধ কতই না আশ্চর্যকর।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن خالد الحذاء، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن مغيثا، كان عبدا فقال يا رسول الله اشفع لي إليها ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا بريرة اتقي الله فإنه زوجك وأبو ولدك ‏"‏ ‏.‏ فقالت يا رسول الله أتأمرني بذلك قال ‏"‏ لا إنما أنا شافع ‏"‏ ‏.‏ فكان دموعه تسيل على خده فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم للعباس ‏"‏ ألا تعجب من حب مغيث بريرة وبغضها إياه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২২৩৩

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، في قصة بريرة قالت كان زوجها عبدا فخيرها رسول الله صلى الله عليه وسلم فاختارت نفسها ولو كان حرا لم يخيرها ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

বারীরাহর ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, তার স্বামী একজন গোলাম ছিলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে স্বামীর ব্যাপারে এখতিয়ার প্রদান করায় সে নিজেকে স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয়। স্বামী আযাদ হলে তাতে এখতিয়ার থাকতো না। সহীহ: তবে এ কথাটি বাদেঃ “স্বামী আযাদ হলে তাতে এখতিয়ার থাকতো না”। এটুকু মুদরাজ। যা ‘উরওয়ার উক্তি।

‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

বারীরাহর ঘটনা প্রসঙ্গে বর্ণিত। তিনি বলেন, তার স্বামী একজন গোলাম ছিলো। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে স্বামীর ব্যাপারে এখতিয়ার প্রদান করায় সে নিজেকে স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন করে নেয়। স্বামী আযাদ হলে তাতে এখতিয়ার থাকতো না। সহীহ: তবে এ কথাটি বাদেঃ “স্বামী আযাদ হলে তাতে এখতিয়ার থাকতো না”। এটুকু মুদরাজ। যা ‘উরওয়ার উক্তি।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، في قصة بريرة قالت كان زوجها عبدا فخيرها رسول الله صلى الله عليه وسلم فاختارت نفسها ولو كان حرا لم يخيرها ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যিনি বলেছেন, সে (মুগীস) আযাদ ছিলো

সুনানে আবু দাউদ ২২৩৫

حدثنا ابن كثير، أخبرنا سفيان، عن منصور، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، أن زوج، بريرة كان حرا حين أعتقت وأنها خيرت فقالت ما أحب أن أكون معه وإن لي كذا وكذا ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখন বারীরাহকে আযাদ করে দেয়া হয় তখন তার স্বামী ছিলো আযাদ এবং তাকে এখতিয়ার দেয়া হলে সে বলে, তার সাথে বসবাসের কোন আকর্ষণ আমার নেই, যদি আমাকে এতো এতো কিছু দেয়া হয়। সহীহ: বুখারী। আর ‘স্বামী আযাদ হওয়ার’ কথাটি মুদরাজ। যা আসওয়াদে উক্তি থেকে এসেছে।]

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যখন বারীরাহকে আযাদ করে দেয়া হয় তখন তার স্বামী ছিলো আযাদ এবং তাকে এখতিয়ার দেয়া হলে সে বলে, তার সাথে বসবাসের কোন আকর্ষণ আমার নেই, যদি আমাকে এতো এতো কিছু দেয়া হয়। সহীহ: বুখারী। আর ‘স্বামী আযাদ হওয়ার’ কথাটি মুদরাজ। যা আসওয়াদে উক্তি থেকে এসেছে।]

حدثنا ابن كثير، أخبرنا سفيان، عن منصور، عن إبراهيم، عن الأسود، عن عائشة، أن زوج، بريرة كان حرا حين أعتقت وأنها خيرت فقالت ما أحب أن أكون معه وإن لي كذا وكذا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > স্বেচ্ছায় বিচ্ছেদ ঘটানোর সময়সীমা সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ২২৩৬

حدثنا عبد العزيز بن يحيى الحراني، حدثني محمد، - يعني ابن سلمة - عن محمد بن إسحاق، عن أبي جعفر، وعن أبان بن صالح، عن مجاهد، وعن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أن بريرة، أعتقت وهي عند مغيث - عبد لآل أبي أحمد - فخيرها رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال لها ‏ "‏ إن قربك فلا خيار لك ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরাহ্‌কে যখন আযাদ করা হয় তখন সে আবূ আহমাদ পরিবারের ক্রীতদাস মুগীসের স্ত্রী ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে এখতিয়ার দিয়েছিলেন এবং তাকে এটাও বলেছিলেনঃ তোমার স্বামী তোমার সাথে সহবাস করলে তোমার এখতিয়ার বহাল থাকবে না। [২২৩৬] যঈফঃ ইরওয়া (১৯০৮), যঈল আল-জামি’উস সাগীর (১২৯৫)।

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

বারীরাহ্‌কে যখন আযাদ করা হয় তখন সে আবূ আহমাদ পরিবারের ক্রীতদাস মুগীসের স্ত্রী ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে এখতিয়ার দিয়েছিলেন এবং তাকে এটাও বলেছিলেনঃ তোমার স্বামী তোমার সাথে সহবাস করলে তোমার এখতিয়ার বহাল থাকবে না। [২২৩৬] যঈফঃ ইরওয়া (১৯০৮), যঈল আল-জামি’উস সাগীর (১২৯৫)।

حدثنا عبد العزيز بن يحيى الحراني، حدثني محمد، - يعني ابن سلمة - عن محمد بن إسحاق، عن أبي جعفر، وعن أبان بن صالح، عن مجاهد، وعن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أن بريرة، أعتقت وهي عند مغيث - عبد لآل أبي أحمد - فخيرها رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال لها ‏ "‏ إن قربك فلا خيار لك ‏"‏ ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00