সুনানে আবু দাউদ > বন্দী দাসীদের সাথে সঙ্গম করা
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৮
حدثنا النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، حدثني يزيد بن أبي حبيب، عن أبي مرزوق، عن حنش الصنعاني، عن رويفع بن ثابت الأنصاري، قال قام فينا خطيبا قال أما إني لا أقول لكم إلا ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يوم حنين قال " لا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسقي ماءه زرع غيره " . يعني إتيان الحبالى " ولا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يقع على امرأة من السبى حتى يستبرئها ولا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يبيع مغنما حتى يقسم " .
রুয়াইফি’ ইবনু সাবিত আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হানাশ (রহঃ) বলেন, একদা রুয়াইফি’ আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে ভাষণ প্রদানের সময় বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা কিছু শুনেছি তোমাদেরকে শুধু তাই বলব। তিনি হুনাইনের দিন বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, তার জন্যে বৈধ নয় অন্যের ফসলে নিজের পানি সেচন করেন। অর্থাৎ গর্ভবতী মহিলার সাথে সঙ্গম করা। যে ব্যক্তি আল্লহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে তার জন্যে বৈধ নয় কোন বন্দী নারীর সাথে সঙ্গম করা যতক্ষণ না সে সন্তান প্রসব করে পবিত্র হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, তার জন্যেও বৈধ নয় বন্টনের পূর্বেই গণীমাত বিক্রয় করা।
রুয়াইফি’ ইবনু সাবিত আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হানাশ (রহঃ) বলেন, একদা রুয়াইফি’ আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে ভাষণ প্রদানের সময় বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা কিছু শুনেছি তোমাদেরকে শুধু তাই বলব। তিনি হুনাইনের দিন বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, তার জন্যে বৈধ নয় অন্যের ফসলে নিজের পানি সেচন করেন। অর্থাৎ গর্ভবতী মহিলার সাথে সঙ্গম করা। যে ব্যক্তি আল্লহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে তার জন্যে বৈধ নয় কোন বন্দী নারীর সাথে সঙ্গম করা যতক্ষণ না সে সন্তান প্রসব করে পবিত্র হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, তার জন্যেও বৈধ নয় বন্টনের পূর্বেই গণীমাত বিক্রয় করা।
حدثنا النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، حدثني يزيد بن أبي حبيب، عن أبي مرزوق، عن حنش الصنعاني، عن رويفع بن ثابت الأنصاري، قال قام فينا خطيبا قال أما إني لا أقول لكم إلا ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يوم حنين قال " لا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسقي ماءه زرع غيره " . يعني إتيان الحبالى " ولا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يقع على امرأة من السبى حتى يستبرئها ولا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يبيع مغنما حتى يقسم " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৫
حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن صالح أبي الخليل، عن أبي علقمة الهاشمي، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث يوم حنين بعثا إلى أوطاس فلقوا عدوهم فقاتلوهم فظهروا عليهم وأصابوا لهم سبايا فكأن أناسا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم تحرجوا من غشيانهن من أجل أزواجهن من المشركين فأنزل الله تعالى في ذلك { والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم } أى فهن لهم حلال إذا انقضت عدتهن .
আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হুনাইনের দিন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আওতাসের দিকে একদল সৈন্য পাঠালেন। তারা শত্রুর মুকাবিলায় অবতীর্ণ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন এবং তাদের উপর বিজয়ী হয়ে তাদের নারীদেরকে বন্দি করে আনেন। কিন্তু সেই বন্দী নারীদের মুশরিক স্বামীরা বর্তমান থাকায় কতিপয় সাহাবী তাদের সাথে সঙ্গম করাকে গুণাহ মনে করেন। এই প্রসঙ্গে আল্লাহ্ এ আয়াতটি অবতীর্ণ করলেনঃ “যে মহিলাদের স্বামী আছে, তারা তোমাদের জন্যে হারাম। তবে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত” (সূরা আন-নিসাঃ ২৪)। অর্থাৎ যুদ্ধবন্দী দাসী যখন তাদের ইদ্দতকাল সমাপ্ত করবে তখন তারা তোমাদের জন্যে বৈধ।
আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হুনাইনের দিন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আওতাসের দিকে একদল সৈন্য পাঠালেন। তারা শত্রুর মুকাবিলায় অবতীর্ণ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন এবং তাদের উপর বিজয়ী হয়ে তাদের নারীদেরকে বন্দি করে আনেন। কিন্তু সেই বন্দী নারীদের মুশরিক স্বামীরা বর্তমান থাকায় কতিপয় সাহাবী তাদের সাথে সঙ্গম করাকে গুণাহ মনে করেন। এই প্রসঙ্গে আল্লাহ্ এ আয়াতটি অবতীর্ণ করলেনঃ “যে মহিলাদের স্বামী আছে, তারা তোমাদের জন্যে হারাম। তবে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত” (সূরা আন-নিসাঃ ২৪)। অর্থাৎ যুদ্ধবন্দী দাসী যখন তাদের ইদ্দতকাল সমাপ্ত করবে তখন তারা তোমাদের জন্যে বৈধ।
حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن صالح أبي الخليل، عن أبي علقمة الهاشمي، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث يوم حنين بعثا إلى أوطاس فلقوا عدوهم فقاتلوهم فظهروا عليهم وأصابوا لهم سبايا فكأن أناسا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم تحرجوا من غشيانهن من أجل أزواجهن من المشركين فأنزل الله تعالى في ذلك { والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم } أى فهن لهم حلال إذا انقضت عدتهن .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৭
حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا شريك، عن قيس بن وهب، عن أبي الوداك، عن أبي سعيد الخدري، ورفعه، أنه قال في سبايا أوطاس " لا توطأ حامل حتى تضع ولا غير ذات حمل حتى تحيض حيضة " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আওতাস যুদ্ধের বন্দী দাসীদের সম্বন্ধে বলেছেনঃ সন্তান প্রসবের আগে গর্ভবতীর সাথে সঙ্গম করা যাবে না। আর গর্ভবতী নয় এমন নারীর মাসিক ঋতু শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার সাথেও সঙ্গম করা যাবে না।
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আওতাস যুদ্ধের বন্দী দাসীদের সম্বন্ধে বলেছেনঃ সন্তান প্রসবের আগে গর্ভবতীর সাথে সঙ্গম করা যাবে না। আর গর্ভবতী নয় এমন নারীর মাসিক ঋতু শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার সাথেও সঙ্গম করা যাবে না।
حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا شريك، عن قيس بن وهب، عن أبي الوداك، عن أبي سعيد الخدري، ورفعه، أنه قال في سبايا أوطاس " لا توطأ حامل حتى تضع ولا غير ذات حمل حتى تحيض حيضة " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৬
حدثنا النفيلي، حدثنا مسكين، حدثنا شعبة، عن يزيد بن خمير، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن أبيه، عن أبي الدرداء، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان في غزوة فرأى امرأة مجحا فقال " لعل صاحبها ألم بها " . قالوا نعم . فقال " لقد هممت أن ألعنه لعنة تدخل معه في قبره كيف يورثه وهو لا يحل له وكيف يستخدمه وهو لا يحل له " .
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক যুদ্ধে আসন্ন প্রসবা এক নারীকে দেখতে পেয়ে বলেনঃ সম্ভবত এর মালিক এর সাথে সহবাস করেছে। লোকেরা বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ আমি ইচ্ছা করেছিলাম সহবাসকারীকে এমন অভিসম্পাত করি যেন সে অভিশপ্ত অবস্থায় কবরে প্রবেশ করে। সে কিভাবে ঐ সন্তানটিকে তার উত্তরাধিকারী বানাবে যা তার জন্যে হালাল নয়? আর সে কিভাবে এই সন্তানকে গোলাম বানাবে? অথচ তা তার জন্যে বৈধ নয়।
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক যুদ্ধে আসন্ন প্রসবা এক নারীকে দেখতে পেয়ে বলেনঃ সম্ভবত এর মালিক এর সাথে সহবাস করেছে। লোকেরা বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ আমি ইচ্ছা করেছিলাম সহবাসকারীকে এমন অভিসম্পাত করি যেন সে অভিশপ্ত অবস্থায় কবরে প্রবেশ করে। সে কিভাবে ঐ সন্তানটিকে তার উত্তরাধিকারী বানাবে যা তার জন্যে হালাল নয়? আর সে কিভাবে এই সন্তানকে গোলাম বানাবে? অথচ তা তার জন্যে বৈধ নয়।
حدثنا النفيلي، حدثنا مسكين، حدثنا شعبة، عن يزيد بن خمير، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن أبيه، عن أبي الدرداء، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان في غزوة فرأى امرأة مجحا فقال " لعل صاحبها ألم بها " . قالوا نعم . فقال " لقد هممت أن ألعنه لعنة تدخل معه في قبره كيف يورثه وهو لا يحل له وكيف يستخدمه وهو لا يحل له " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৯
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا أبو معاوية، عن ابن إسحاق، بهذا الحديث قال " حتى يستبرئها بحيضة " . زاد فيه { بحيضة وهو وهم من أبي معاوية، وهو صحيح في حديث أبي سعيد زاد } " ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يركب دابة من فىء المسلمين حتى إذا أعجفها ردها فيه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يلبس ثوبا من فىء المسلمين حتى إذا أخلقه رده فيه " . قال أبو داود الحيضة ليست بمحفوظة وهو وهم من أبي معاوية .
ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এতে যতক্ষণ না হায়িয থেকে মুক্ত হয় কথাটি রয়েছে। এতে আরো রয়েছেঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ইমান রাখে সে যেন মুসলিমদের যুদ্ধলব্ধ পশুর পিঠে না চড়ে (বন্টনের পূর্বে), অবশেষে সে তা দুর্বল অবস্থায় ফেরত দেয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ইমান রাখে সে যেন মুসলিমদের গণিমতের কাপড় না পরে, অবশেষে তা পুরাতন করে ফেরত দেয়। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাদীসের মধ্যে “ঋতুবতী নারী” শব্দটি সংরক্ষিত নয়।
ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এতে যতক্ষণ না হায়িয থেকে মুক্ত হয় কথাটি রয়েছে। এতে আরো রয়েছেঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ইমান রাখে সে যেন মুসলিমদের যুদ্ধলব্ধ পশুর পিঠে না চড়ে (বন্টনের পূর্বে), অবশেষে সে তা দুর্বল অবস্থায় ফেরত দেয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ইমান রাখে সে যেন মুসলিমদের গণিমতের কাপড় না পরে, অবশেষে তা পুরাতন করে ফেরত দেয়। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাদীসের মধ্যে “ঋতুবতী নারী” শব্দটি সংরক্ষিত নয়।
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا أبو معاوية، عن ابن إسحاق، بهذا الحديث قال " حتى يستبرئها بحيضة " . زاد فيه { بحيضة وهو وهم من أبي معاوية، وهو صحيح في حديث أبي سعيد زاد } " ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يركب دابة من فىء المسلمين حتى إذا أعجفها ردها فيه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يلبس ثوبا من فىء المسلمين حتى إذا أخلقه رده فيه " . قال أبو داود الحيضة ليست بمحفوظة وهو وهم من أبي معاوية .
সুনানে আবু দাউদ > বিবাহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিধান
সুনানে আবু দাউদ ২১৬০
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وعبد الله بن سعيد، قالا حدثنا أبو خالد، - يعني سليمان بن حيان - عن ابن عجلان، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا تزوج أحدكم امرأة أو اشترى خادما فليقل اللهم إني أسألك خيرها وخير ما جبلتها عليه وأعوذ بك من شرها ومن شر ما جبلتها عليه وإذا اشترى بعيرا فليأخذ بذروة سنامه وليقل مثل ذلك " . قال أبو داود زاد أبو سعيد " ثم ليأخذ بناصيتها وليدع بالبركة " . في المرأة والخادم .
‘আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদা থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ কোন নারীকে বিয়ে করে অথবা কোন দাসী ক্রয় করে তখন সে যেন বলেঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এর মধ্যকার কল্যাণ এবং এর মাধ্যমে কল্যাণ চাই এবং তার মধ্যে নিহিত অকল্যাণ ও তার মাধ্যমে অকল্যাণ থেকে আপনার নিকট আশ্রয় চাই”। আর যখন কোন উট কিনবে তখন যেন সেটির কুঁজের উপরিভাগ ধরে অনুরূপ দু’আ করে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ সাঈদের বর্ণনায় রয়েছেঃ অতঃপর তার কপালের চুল ধরে বলবে। স্ত্রী এবং দাসীর ব্যাপারেও বরকতের দু’আ করবে।
‘আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদা থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কেউ কোন নারীকে বিয়ে করে অথবা কোন দাসী ক্রয় করে তখন সে যেন বলেঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এর মধ্যকার কল্যাণ এবং এর মাধ্যমে কল্যাণ চাই এবং তার মধ্যে নিহিত অকল্যাণ ও তার মাধ্যমে অকল্যাণ থেকে আপনার নিকট আশ্রয় চাই”। আর যখন কোন উট কিনবে তখন যেন সেটির কুঁজের উপরিভাগ ধরে অনুরূপ দু’আ করে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আবূ সাঈদের বর্ণনায় রয়েছেঃ অতঃপর তার কপালের চুল ধরে বলবে। স্ত্রী এবং দাসীর ব্যাপারেও বরকতের দু’আ করবে।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وعبد الله بن سعيد، قالا حدثنا أبو خالد، - يعني سليمان بن حيان - عن ابن عجلان، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا تزوج أحدكم امرأة أو اشترى خادما فليقل اللهم إني أسألك خيرها وخير ما جبلتها عليه وأعوذ بك من شرها ومن شر ما جبلتها عليه وإذا اشترى بعيرا فليأخذ بذروة سنامه وليقل مثل ذلك " . قال أبو داود زاد أبو سعيد " ثم ليأخذ بناصيتها وليدع بالبركة " . في المرأة والخادم .
সুনানে আবু দাউদ ২১৬১
حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم بن أبي الجعد، عن كريب، عن ابن عباس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " لو أن أحدكم إذا أراد أن يأتي أهله قال بسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا ثم قدر أن يكون بينهما ولد في ذلك لم يضره شيطان أبدا " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ নিজ স্ত্রীর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হওয়ার সময় যেন বলেঃ “বিসমিল্লাহ! হে আল্লাহ! আমাদের শয়তান থেকে দূরে রাখো এবং যে সন্তান আমাদেরকে দান করবে তাদেরকেও শয়তান থেকে দূরে রাখো।” অতঃপর এ সঙ্গমের মাধ্যমে যে সন্তান আসবে, শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ নিজ স্ত্রীর সাথে সঙ্গমে লিপ্ত হওয়ার সময় যেন বলেঃ “বিসমিল্লাহ! হে আল্লাহ! আমাদের শয়তান থেকে দূরে রাখো এবং যে সন্তান আমাদেরকে দান করবে তাদেরকেও শয়তান থেকে দূরে রাখো।” অতঃপর এ সঙ্গমের মাধ্যমে যে সন্তান আসবে, শয়তান তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
حدثنا محمد بن عيسى، حدثنا جرير، عن منصور، عن سالم بن أبي الجعد، عن كريب، عن ابن عباس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " لو أن أحدكم إذا أراد أن يأتي أهله قال بسم الله اللهم جنبنا الشيطان وجنب الشيطان ما رزقتنا ثم قدر أن يكون بينهما ولد في ذلك لم يضره شيطان أبدا " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৬২
حدثنا هناد، عن وكيع، عن سفيان، عن سهيل بن أبي صالح، عن الحارث بن مخلد، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ملعون من أتى امرأته في دبرها " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে গুহ্যদ্বারে সঙ্গম করে সে অভিশপ্ত।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে গুহ্যদ্বারে সঙ্গম করে সে অভিশপ্ত।
حدثنا هناد، عن وكيع، عن سفيان، عن سهيل بن أبي صالح، عن الحارث بن مخلد، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ملعون من أتى امرأته في دبرها " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৬৪
حدثنا عبد العزيز بن يحيى أبو الأصبغ، حدثني محمد، - يعني ابن سلمة - عن محمد بن إسحاق، عن أبان بن صالح، عن مجاهد، عن ابن عباس، قال إن ابن عمر - والله يغفر له - أوهم إنما كان هذا الحى من الأنصار - وهم أهل وثن - مع هذا الحى من يهود - وهم أهل كتاب - وكانوا يرون لهم فضلا عليهم في العلم فكانوا يقتدون بكثير من فعلهم وكان من أمر أهل الكتاب أن لا يأتوا النساء إلا على حرف وذلك أستر ما تكون المرأة فكان هذا الحى من الأنصار قد أخذوا بذلك من فعلهم وكان هذا الحى من قريش يشرحون النساء شرحا منكرا ويتلذذون منهن مقبلات ومدبرات ومستلقيات فلما قدم المهاجرون المدينة تزوج رجل منهم امرأة من الأنصار فذهب يصنع بها ذلك فأنكرته عليه وقالت إنما كنا نؤتى على حرف فاصنع ذلك وإلا فاجتنبني حتى شري أمرهما فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنزل الله عز وجل { نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أنى شئتم } أى مقبلات ومدبرات ومستلقيات يعني بذلك موضع الولد .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে ক্ষমা করুন, তিনি ভুল করেছেন। আসল কথা হচ্ছে, আনসারদের এই জনপদের লোকেরা মূর্তিপুজারী ছিলো। তারা আহলে কিতাব ইয়াহুদীদের সাথে বসবাস করতো এবং ইয়াহুদীরা জ্ঞানের দিক দিয়ে মূর্তিপুজারীদের উপর নিজেদের মর্যাদা দিতো। সুতরাং তারা নিজেদের কাজকর্মে ইয়াহুদীদের অনুসারী ছিলো। আহলে কিতাবদের নিয়ম ছিলো, তারা স্ত্রীদেরকে কেবল চিৎ করে শুইয়ে তারপর সঙ্গম করতো এবং বলতো, মহিলাদের সতর এ নিয়মে অধিক সংরক্ষিত। আনসার সম্প্রদায়ও তাদের এ কাজে আহলে কিতাবদের অনুসরণ করতো। কিন্তু কুরাইশরা নারীদেরকে সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে সঙ্গম করতো এবং তাদেরকে সামনাসামনি, পেছনের দিকে এবং চিৎ হয়ে শুইয়ে বিভিন্নিভাবে সঙ্গম করতো। অতঃপর যখন মুহাজিরগণ মদিনায় আসলেন তখন তাদের এক ব্যক্তি জনৈক আনসারী নারীকে বিয়ে করে তার সাথে ঐভাবে সঙ্গম করতে চাইলো যেভাবে তারা মক্কার নারীদের সাথে করতো। কিন্তু মহিলাটি তাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললো, আমরা শুধু এক অবস্থায়ই সঙ্গম করি। সুতরাং তোমাকেও সেভাবেই সঙ্গম করতে হবে অন্যথায় আমার থেকে দূরে থাকো। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়ে গেলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ খবর পৌঁছালে মহান আল্লাহ্ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের ক্ষেতস্বরূপ, সুতরাং তোমরা যেভাবে ইচ্ছা করো তোমাদের ক্ষেতে গমন করো”। অর্থাৎ সামনের দিক থেকে, পিছনের দিক থেকে বা চিৎ করে শুইয়ে তার লজ্জাস্থানেই সঙ্গম করো।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে ক্ষমা করুন, তিনি ভুল করেছেন। আসল কথা হচ্ছে, আনসারদের এই জনপদের লোকেরা মূর্তিপুজারী ছিলো। তারা আহলে কিতাব ইয়াহুদীদের সাথে বসবাস করতো এবং ইয়াহুদীরা জ্ঞানের দিক দিয়ে মূর্তিপুজারীদের উপর নিজেদের মর্যাদা দিতো। সুতরাং তারা নিজেদের কাজকর্মে ইয়াহুদীদের অনুসারী ছিলো। আহলে কিতাবদের নিয়ম ছিলো, তারা স্ত্রীদেরকে কেবল চিৎ করে শুইয়ে তারপর সঙ্গম করতো এবং বলতো, মহিলাদের সতর এ নিয়মে অধিক সংরক্ষিত। আনসার সম্প্রদায়ও তাদের এ কাজে আহলে কিতাবদের অনুসরণ করতো। কিন্তু কুরাইশরা নারীদেরকে সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে সঙ্গম করতো এবং তাদেরকে সামনাসামনি, পেছনের দিকে এবং চিৎ হয়ে শুইয়ে বিভিন্নিভাবে সঙ্গম করতো। অতঃপর যখন মুহাজিরগণ মদিনায় আসলেন তখন তাদের এক ব্যক্তি জনৈক আনসারী নারীকে বিয়ে করে তার সাথে ঐভাবে সঙ্গম করতে চাইলো যেভাবে তারা মক্কার নারীদের সাথে করতো। কিন্তু মহিলাটি তাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললো, আমরা শুধু এক অবস্থায়ই সঙ্গম করি। সুতরাং তোমাকেও সেভাবেই সঙ্গম করতে হবে অন্যথায় আমার থেকে দূরে থাকো। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়ে গেলো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এ খবর পৌঁছালে মহান আল্লাহ্ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “তোমাদের স্ত্রীগণ তোমাদের ক্ষেতস্বরূপ, সুতরাং তোমরা যেভাবে ইচ্ছা করো তোমাদের ক্ষেতে গমন করো”। অর্থাৎ সামনের দিক থেকে, পিছনের দিক থেকে বা চিৎ করে শুইয়ে তার লজ্জাস্থানেই সঙ্গম করো।
حدثنا عبد العزيز بن يحيى أبو الأصبغ، حدثني محمد، - يعني ابن سلمة - عن محمد بن إسحاق، عن أبان بن صالح، عن مجاهد، عن ابن عباس، قال إن ابن عمر - والله يغفر له - أوهم إنما كان هذا الحى من الأنصار - وهم أهل وثن - مع هذا الحى من يهود - وهم أهل كتاب - وكانوا يرون لهم فضلا عليهم في العلم فكانوا يقتدون بكثير من فعلهم وكان من أمر أهل الكتاب أن لا يأتوا النساء إلا على حرف وذلك أستر ما تكون المرأة فكان هذا الحى من الأنصار قد أخذوا بذلك من فعلهم وكان هذا الحى من قريش يشرحون النساء شرحا منكرا ويتلذذون منهن مقبلات ومدبرات ومستلقيات فلما قدم المهاجرون المدينة تزوج رجل منهم امرأة من الأنصار فذهب يصنع بها ذلك فأنكرته عليه وقالت إنما كنا نؤتى على حرف فاصنع ذلك وإلا فاجتنبني حتى شري أمرهما فبلغ ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فأنزل الله عز وجل { نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أنى شئتم } أى مقبلات ومدبرات ومستلقيات يعني بذلك موضع الولد .
সুনানে আবু দাউদ ২১৬৩
حدثنا ابن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن محمد بن المنكدر، قال سمعت جابرا، يقول إن اليهود يقولون إذا جامع الرجل أهله في فرجها من ورائها كان ولده أحول فأنزل الله سبحانه وتعالى { نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أنى شئتم } .
মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, ইয়াহুদীরা বলতো, যদি কোন ব্যক্তি স্ত্রীর গুহ্যদ্বারে সঙ্গম করে, তাহলে সন্তান টেরা হয়ে জন্মাবে। তখন এর প্রতিবাদে মহান আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের জন্যে ক্ষেতস্বরূপ। সুতরাং যেভাবে ইচ্ছা তোমরা তোমাদের ক্ষেতে গমন করো” (সূরা আল-বাক্বারাহ্ ২২৩)।
মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জাবির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, ইয়াহুদীরা বলতো, যদি কোন ব্যক্তি স্ত্রীর গুহ্যদ্বারে সঙ্গম করে, তাহলে সন্তান টেরা হয়ে জন্মাবে। তখন এর প্রতিবাদে মহান আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের জন্যে ক্ষেতস্বরূপ। সুতরাং যেভাবে ইচ্ছা তোমরা তোমাদের ক্ষেতে গমন করো” (সূরা আল-বাক্বারাহ্ ২২৩)।
حدثنا ابن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن محمد بن المنكدر، قال سمعت جابرا، يقول إن اليهود يقولون إذا جامع الرجل أهله في فرجها من ورائها كان ولده أحول فأنزل الله سبحانه وتعالى { نساؤكم حرث لكم فأتوا حرثكم أنى شئتم } .
সুনানে আবু দাউদ > ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম ও একত্রে বসবাস
সুনানে আবু দাউদ ২১৬৬
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن جابر بن صبح، قال سمعت خلاسا الهجري، قال سمعت عائشة، - رضى الله عنها - تقول كنت أنا ورسول الله، صلى الله عليه وسلم نبيت في الشعار الواحد وأنا حائض طامث فإن أصابه مني شىء غسل مكانه ولم يعده وإن أصاب - تعني ثوبه - منه شىء غسل مكانه ولم يعده وصلى فيه .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হায়িয অবস্থায় আমি এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একই কম্বলে রাত কাটাতাম। আমার দেহের রক্ত তাঁর দেহে লাগলে তিনি শুধু ঐ স্থানটি ধুয়ে নিতেন। আর যদি রক্তের কিছু তাঁর কাপড়ে লাগতো তখনও তিনি শুধু তাই ধুয়ে নিতেন এবং সেই কাপড় পরেই সালাত আদায় করতেন।
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, হায়িয অবস্থায় আমি এবং রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একই কম্বলে রাত কাটাতাম। আমার দেহের রক্ত তাঁর দেহে লাগলে তিনি শুধু ঐ স্থানটি ধুয়ে নিতেন। আর যদি রক্তের কিছু তাঁর কাপড়ে লাগতো তখনও তিনি শুধু তাই ধুয়ে নিতেন এবং সেই কাপড় পরেই সালাত আদায় করতেন।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن جابر بن صبح، قال سمعت خلاسا الهجري، قال سمعت عائشة، - رضى الله عنها - تقول كنت أنا ورسول الله، صلى الله عليه وسلم نبيت في الشعار الواحد وأنا حائض طامث فإن أصابه مني شىء غسل مكانه ولم يعده وإن أصاب - تعني ثوبه - منه شىء غسل مكانه ولم يعده وصلى فيه .
সুনানে আবু দাউদ ২১৬৭
حدثنا محمد بن العلاء، ومسدد، قالا حدثنا حفص، عن الشيباني، عن عبد الله بن شداد، عن خالته، ميمونة بنت الحارث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أراد أن يباشر امرأة من نسائه وهي حائض أمرها أن تتزر ثم يباشرها .
মায়মূনাহ বিনতুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কোন ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে একত্রে থাকতে চাইলে, তাকে ইযার শক্তভাবে বেঁধে পরিধান করার নির্দেশ দিতেন, অতঃপর তার সাথে ঘুমাতেন।
মায়মূনাহ বিনতুল হারিস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কোন ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে একত্রে থাকতে চাইলে, তাকে ইযার শক্তভাবে বেঁধে পরিধান করার নির্দেশ দিতেন, অতঃপর তার সাথে ঘুমাতেন।
حدثنا محمد بن العلاء، ومسدد، قالا حدثنا حفص، عن الشيباني، عن عبد الله بن شداد، عن خالته، ميمونة بنت الحارث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا أراد أن يباشر امرأة من نسائه وهي حائض أمرها أن تتزر ثم يباشرها .
সুনানে আবু দাউদ ২১৬৫
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن اليهود، كانت إذا حاضت منهم امرأة أخرجوها من البيت ولم يؤاكلوها ولم يشاربوها ولم يجامعوها في البيت فسئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فأنزل الله تعالى { يسألونك عن المحيض قل هو أذى فاعتزلوا النساء في المحيض } إلى آخر الآية فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " جامعوهن في البيوت واصنعوا كل شىء غير النكاح " . فقالت اليهود ما يريد هذا الرجل أن يدع شيئا من أمرنا إلا خالفنا فيه . فجاء أسيد بن حضير وعباد بن بشر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالا يا رسول الله إن اليهود تقول كذا وكذا أفلا ننكحهن في المحيض فتمعر وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى ظننا أن قد وجد عليهما فخرجا فاستقبلتهما هدية من لبن إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فبعث في آثارهما فسقاهما فظننا أنه لم يجد عليهما .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহুদীদের মধ্যে কোন নারী ঋতুবতী হলে তারা তাদের ঘর থেকে বের করে দিতো এবং তাদের সাথে খানাপিনায়ও শরীক করতো না এবং তাদের সাথে একই ঘরে অবস্থান করতে দিতো না। এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করা হলে, মহান আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “লোকজন আপনাকে হায়িয সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে। আপনি বলুন, তা অপবিত্রতা। সুতরাং তোমরা হায়িয চলাকালে সঙ্গম বর্জন করো ...। “অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা তাদেরকে নিয়ে একই ঘরে থাকো এবং সঙ্গম ছাড়া সবই একত্রে করো। এ কথা শুনে ইয়াহুদীরা বললো, এ ব্যক্তি তো আমাদের কাজগুলোকে শুধুমাত্র বর্জনই করে না, বরং স্বেচ্ছায় এর বিরোধিতাও করে। তখন উসাইদ ইবনু হুদাইর ও ‘আব্বাদ ইবনু বিশর (রাঃ) রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! (ইয়াহুদীরা) এরূপ বলেছে। সুতরাং আমরা কি হায়িয অবস্থায় সঙ্গম করবো? একথা শুনে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেলো। আমরা মনে করলাম, তিনি এদের উপর রাগান্বিত হয়েছেন। এমন সময় তারা সেখান থেকে বেরিয়ে গেলেন। ঠিক তখন তাদের সামনে দিয়ে কিছু দুধ উপঢৌকন হিসাবে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে আসলে তিনি তাদের খোঁজে লোক পাঠালেন। তখন আমরা বুঝতে পারলাম, তিনি তাদের উপর রাগান্বিত হননি। সহীহ। এটি গত হয়েছে হা/২৫৮।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহুদীদের মধ্যে কোন নারী ঋতুবতী হলে তারা তাদের ঘর থেকে বের করে দিতো এবং তাদের সাথে খানাপিনায়ও শরীক করতো না এবং তাদের সাথে একই ঘরে অবস্থান করতে দিতো না। এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করা হলে, মহান আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “লোকজন আপনাকে হায়িয সম্পর্কে জিজ্ঞেস করছে। আপনি বলুন, তা অপবিত্রতা। সুতরাং তোমরা হায়িয চলাকালে সঙ্গম বর্জন করো ...। “অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা তাদেরকে নিয়ে একই ঘরে থাকো এবং সঙ্গম ছাড়া সবই একত্রে করো। এ কথা শুনে ইয়াহুদীরা বললো, এ ব্যক্তি তো আমাদের কাজগুলোকে শুধুমাত্র বর্জনই করে না, বরং স্বেচ্ছায় এর বিরোধিতাও করে। তখন উসাইদ ইবনু হুদাইর ও ‘আব্বাদ ইবনু বিশর (রাঃ) রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! (ইয়াহুদীরা) এরূপ বলেছে। সুতরাং আমরা কি হায়িয অবস্থায় সঙ্গম করবো? একথা শুনে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেলো। আমরা মনে করলাম, তিনি এদের উপর রাগান্বিত হয়েছেন। এমন সময় তারা সেখান থেকে বেরিয়ে গেলেন। ঠিক তখন তাদের সামনে দিয়ে কিছু দুধ উপঢৌকন হিসাবে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে আসলে তিনি তাদের খোঁজে লোক পাঠালেন। তখন আমরা বুঝতে পারলাম, তিনি তাদের উপর রাগান্বিত হননি। সহীহ। এটি গত হয়েছে হা/২৫৮।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا ثابت البناني، عن أنس بن مالك، أن اليهود، كانت إذا حاضت منهم امرأة أخرجوها من البيت ولم يؤاكلوها ولم يشاربوها ولم يجامعوها في البيت فسئل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فأنزل الله تعالى { يسألونك عن المحيض قل هو أذى فاعتزلوا النساء في المحيض } إلى آخر الآية فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " جامعوهن في البيوت واصنعوا كل شىء غير النكاح " . فقالت اليهود ما يريد هذا الرجل أن يدع شيئا من أمرنا إلا خالفنا فيه . فجاء أسيد بن حضير وعباد بن بشر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالا يا رسول الله إن اليهود تقول كذا وكذا أفلا ننكحهن في المحيض فتمعر وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى ظننا أن قد وجد عليهما فخرجا فاستقبلتهما هدية من لبن إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فبعث في آثارهما فسقاهما فظننا أنه لم يجد عليهما .
সুনানে আবু দাউদ > ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সহবাসের কাফ্ফারাহ
সুনানে আবু দাউদ ২১৬৮
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، - غيره عن سعيد، - حدثني الحكم، عن عبد الحميد بن عبد الرحمن، عن مقسم، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم في الذي يأتي امرأته وهي حائض قال " يتصدق بدينار أو بنصف دينار " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূত্রে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বর্ণিত, যে হায়িয অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করেছে। তিনি বলেনঃ সে এক অথবা অর্ধ দীনার সদাক্বাহ করবে। [২১৬৮] সহীহ। এটি গত হয়েছে হা/২৬৪।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সূত্রে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বর্ণিত, যে হায়িয অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করেছে। তিনি বলেনঃ সে এক অথবা অর্ধ দীনার সদাক্বাহ করবে। [২১৬৮] সহীহ। এটি গত হয়েছে হা/২৬৪।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، - غيره عن سعيد، - حدثني الحكم، عن عبد الحميد بن عبد الرحمن، عن مقسم، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم في الذي يأتي امرأته وهي حائض قال " يتصدق بدينار أو بنصف دينار " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৬৯
حدثنا عبد السلام بن مطهر، حدثنا جعفر، - يعني ابن سليمان - عن علي بن الحكم البناني، عن أبي الحسن الجزري، عن مقسم، عن ابن عباس، قال إذا أصابها في الدم فدينار وإذا أصابها في انقطاع الدم فنصف دينار .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যদি কেউ হায়িয অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করে তবে তাকে এক দীনার এবং যদি রক্তস্রাব না থাকাকালীন সময়ে সহবাস করে তবে অর্ধ দীনার সদাক্বাহ করবে। [২১৬৯] সহীহ মাওকুফ। এটি গত হয়েছে হা/২৬৫।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যদি কেউ হায়িয অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করে তবে তাকে এক দীনার এবং যদি রক্তস্রাব না থাকাকালীন সময়ে সহবাস করে তবে অর্ধ দীনার সদাক্বাহ করবে। [২১৬৯] সহীহ মাওকুফ। এটি গত হয়েছে হা/২৬৫।
حدثنا عبد السلام بن مطهر، حدثنا جعفر، - يعني ابن سليمان - عن علي بن الحكم البناني، عن أبي الحسن الجزري، عن مقسم، عن ابن عباس، قال إذا أصابها في الدم فدينار وإذا أصابها في انقطاع الدم فنصف دينار .
সুনানে আবু দাউদ ২১৬৯
حدثنا عبد السلام بن مطهر، حدثنا جعفر، - يعني ابن سليمان - عن علي بن الحكم البناني، عن أبي الحسن الجزري، عن مقسم، عن ابن عباس، قال إذا أصابها في الدم فدينار وإذا أصابها في انقطاع الدم فنصف دينار .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যদি কেউ হায়িয অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করে তবে তাকে এক দীনার এবং যদি রক্তস্রাব না থাকাকালীন সময়ে সহবাস করে তবে অর্ধ দীনার সদাক্বাহ করবে। [২১৬৯] সহীহ মাওকুফ। এটি গত হয়েছে হা/২৬৫।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যদি কেউ হায়িয অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করে তবে তাকে এক দীনার এবং যদি রক্তস্রাব না থাকাকালীন সময়ে সহবাস করে তবে অর্ধ দীনার সদাক্বাহ করবে। [২১৬৯] সহীহ মাওকুফ। এটি গত হয়েছে হা/২৬৫।
حدثنا عبد السلام بن مطهر، حدثنا جعفر، - يعني ابن سليمان - عن علي بن الحكم البناني، عن أبي الحسن الجزري، عن مقسم، عن ابن عباس، قال إذا أصابها في الدم فدينار وإذا أصابها في انقطاع الدم فنصف دينار .