সুনানে আবু দাউদ > স্বামীর উপর স্ত্রীর অধিকার
সুনানে আবু দাউদ ২১৪৩
حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا بهز بن حكيم، حدثني أبي، عن جدي، قال قلت يا رسول الله نساؤنا ما نأتي منهن وما نذر قال " ائت حرثك أنى شئت وأطعمها إذا طعمت واكسها إذا اكتسيت ولا تقبح الوجه ولا تضرب " . قال أبو داود روى شعبة " تطعمها إذا طعمت وتكسوها إذا اكتسيت " .
বাহয ইবনে হাকীম (রাঃ) তার পিতার হতে তার দাদা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আমাদের স্ত্রীদের কোন স্থানে সঙ্গম করবো, আর কোন স্থান বর্জন করবো? তিনি বললেনঃ তুমি যেভাবে ইচ্ছে করো তোমার ফসল উৎপাদন স্থানে (সম্মুখের লজ্জাস্থানে) সঙ্গম করো। আর তুমি যখন খাবে তাকেও খাওয়াবে এবং তুমি পরিধান করলে তাকেও পরিধান করাবে। তাকে গালমন্দ করবে না এবং মারবে না। ইমামা আবু দাউদ (রহঃ) বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, যখন তুমি খাবে তাকেও খাওয়াবে, আর যখন তুমি পরিধান করবে, তখন তাকেও পরাবে।
বাহয ইবনে হাকীম (রাঃ) তার পিতার হতে তার দাদা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আমাদের স্ত্রীদের কোন স্থানে সঙ্গম করবো, আর কোন স্থান বর্জন করবো? তিনি বললেনঃ তুমি যেভাবে ইচ্ছে করো তোমার ফসল উৎপাদন স্থানে (সম্মুখের লজ্জাস্থানে) সঙ্গম করো। আর তুমি যখন খাবে তাকেও খাওয়াবে এবং তুমি পরিধান করলে তাকেও পরিধান করাবে। তাকে গালমন্দ করবে না এবং মারবে না। ইমামা আবু দাউদ (রহঃ) বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, যখন তুমি খাবে তাকেও খাওয়াবে, আর যখন তুমি পরিধান করবে, তখন তাকেও পরাবে।
حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا بهز بن حكيم، حدثني أبي، عن جدي، قال قلت يا رسول الله نساؤنا ما نأتي منهن وما نذر قال " ائت حرثك أنى شئت وأطعمها إذا طعمت واكسها إذا اكتسيت ولا تقبح الوجه ولا تضرب " . قال أبو داود روى شعبة " تطعمها إذا طعمت وتكسوها إذا اكتسيت " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৪৩
حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا بهز بن حكيم، حدثني أبي، عن جدي، قال قلت يا رسول الله نساؤنا ما نأتي منهن وما نذر قال " ائت حرثك أنى شئت وأطعمها إذا طعمت واكسها إذا اكتسيت ولا تقبح الوجه ولا تضرب " . قال أبو داود روى شعبة " تطعمها إذا طعمت وتكسوها إذا اكتسيت " .
বাহয ইবনে হাকীম (রাঃ) তার পিতার হতে তার দাদা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আমাদের স্ত্রীদের কোন স্থানে সঙ্গম করবো, আর কোন স্থান বর্জন করবো? তিনি বললেনঃ তুমি যেভাবে ইচ্ছে করো তোমার ফসল উৎপাদন স্থানে (সম্মুখের লজ্জাস্থানে) সঙ্গম করো। আর তুমি যখন খাবে তাকেও খাওয়াবে এবং তুমি পরিধান করলে তাকেও পরিধান করাবে। তাকে গালমন্দ করবে না এবং মারবে না। ইমামা আবু দাউদ (রহঃ) বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, যখন তুমি খাবে তাকেও খাওয়াবে, আর যখন তুমি পরিধান করবে, তখন তাকেও পরাবে।
বাহয ইবনে হাকীম (রাঃ) তার পিতার হতে তার দাদা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আমাদের স্ত্রীদের কোন স্থানে সঙ্গম করবো, আর কোন স্থান বর্জন করবো? তিনি বললেনঃ তুমি যেভাবে ইচ্ছে করো তোমার ফসল উৎপাদন স্থানে (সম্মুখের লজ্জাস্থানে) সঙ্গম করো। আর তুমি যখন খাবে তাকেও খাওয়াবে এবং তুমি পরিধান করলে তাকেও পরিধান করাবে। তাকে গালমন্দ করবে না এবং মারবে না। ইমামা আবু দাউদ (রহঃ) বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, যখন তুমি খাবে তাকেও খাওয়াবে, আর যখন তুমি পরিধান করবে, তখন তাকেও পরাবে।
حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا بهز بن حكيم، حدثني أبي، عن جدي، قال قلت يا رسول الله نساؤنا ما نأتي منهن وما نذر قال " ائت حرثك أنى شئت وأطعمها إذا طعمت واكسها إذا اكتسيت ولا تقبح الوجه ولا تضرب " . قال أبو داود روى شعبة " تطعمها إذا طعمت وتكسوها إذا اكتسيت " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৪৩
حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا بهز بن حكيم، حدثني أبي، عن جدي، قال قلت يا رسول الله نساؤنا ما نأتي منهن وما نذر قال " ائت حرثك أنى شئت وأطعمها إذا طعمت واكسها إذا اكتسيت ولا تقبح الوجه ولا تضرب " . قال أبو داود روى شعبة " تطعمها إذا طعمت وتكسوها إذا اكتسيت " .
বাহয ইবনে হাকীম (রাঃ) তার পিতার হতে তার দাদা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আমাদের স্ত্রীদের কোন স্থানে সঙ্গম করবো, আর কোন স্থান বর্জন করবো? তিনি বললেনঃ তুমি যেভাবে ইচ্ছে করো তোমার ফসল উৎপাদন স্থানে (সম্মুখের লজ্জাস্থানে) সঙ্গম করো। আর তুমি যখন খাবে তাকেও খাওয়াবে এবং তুমি পরিধান করলে তাকেও পরিধান করাবে। তাকে গালমন্দ করবে না এবং মারবে না। ইমামা আবু দাউদ (রহঃ) বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, যখন তুমি খাবে তাকেও খাওয়াবে, আর যখন তুমি পরিধান করবে, তখন তাকেও পরাবে।
বাহয ইবনে হাকীম (রাঃ) তার পিতার হতে তার দাদা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রসূল! আমরা আমাদের স্ত্রীদের কোন স্থানে সঙ্গম করবো, আর কোন স্থান বর্জন করবো? তিনি বললেনঃ তুমি যেভাবে ইচ্ছে করো তোমার ফসল উৎপাদন স্থানে (সম্মুখের লজ্জাস্থানে) সঙ্গম করো। আর তুমি যখন খাবে তাকেও খাওয়াবে এবং তুমি পরিধান করলে তাকেও পরিধান করাবে। তাকে গালমন্দ করবে না এবং মারবে না। ইমামা আবু দাউদ (রহঃ) বর্ণনা করেছেন, শু’বাহ বর্ণনা করেছেন, যখন তুমি খাবে তাকেও খাওয়াবে, আর যখন তুমি পরিধান করবে, তখন তাকেও পরাবে।
حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا بهز بن حكيم، حدثني أبي، عن جدي، قال قلت يا رسول الله نساؤنا ما نأتي منهن وما نذر قال " ائت حرثك أنى شئت وأطعمها إذا طعمت واكسها إذا اكتسيت ولا تقبح الوجه ولا تضرب " . قال أبو داود روى شعبة " تطعمها إذا طعمت وتكسوها إذا اكتسيت " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৪২
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا أبو قزعة الباهلي، عن حكيم بن معاوية القشيري، عن أبيه، قال قلت يا رسول الله ما حق زوجة أحدنا عليه قال " أن تطعمها إذا طعمت وتكسوها إذا اكتسيت - أو اكتسبت - ولا تضرب الوجه ولا تقبح ولا تهجر إلا في البيت " . قال أبو داود " ولا تقبح " . أن تقول قبحك الله .
হাকীম ইবনু মু’আবিয়াহ আল-কুশাইরী (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাদের কারো উপর তার স্ত্রীর কি হক রয়েছে? তিনি বললেনঃ “তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে। তুমি পোশাক পরিধান করলে তাকেও পোশাক দিবে। তার মুখমণ্ডলে মারবে না, তাকে গালমন্দ করবে না এবং পৃথক রাখতে হলে ঘরের মধ্যেই রাখবে।
হাকীম ইবনু মু’আবিয়াহ আল-কুশাইরী (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাদের কারো উপর তার স্ত্রীর কি হক রয়েছে? তিনি বললেনঃ “তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে। তুমি পোশাক পরিধান করলে তাকেও পোশাক দিবে। তার মুখমণ্ডলে মারবে না, তাকে গালমন্দ করবে না এবং পৃথক রাখতে হলে ঘরের মধ্যেই রাখবে।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا أبو قزعة الباهلي، عن حكيم بن معاوية القشيري، عن أبيه، قال قلت يا رسول الله ما حق زوجة أحدنا عليه قال " أن تطعمها إذا طعمت وتكسوها إذا اكتسيت - أو اكتسبت - ولا تضرب الوجه ولا تقبح ولا تهجر إلا في البيت " . قال أبو داود " ولا تقبح " . أن تقول قبحك الله .
সুনানে আবু দাউদ ২১৪২
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا أبو قزعة الباهلي، عن حكيم بن معاوية القشيري، عن أبيه، قال قلت يا رسول الله ما حق زوجة أحدنا عليه قال " أن تطعمها إذا طعمت وتكسوها إذا اكتسيت - أو اكتسبت - ولا تضرب الوجه ولا تقبح ولا تهجر إلا في البيت " . قال أبو داود " ولا تقبح " . أن تقول قبحك الله .
হাকীম ইবনু মু’আবিয়াহ আল-কুশাইরী (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাদের কারো উপর তার স্ত্রীর কি হক রয়েছে? তিনি বললেনঃ “তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে। তুমি পোশাক পরিধান করলে তাকেও পোশাক দিবে। তার মুখমণ্ডলে মারবে না, তাকে গালমন্দ করবে না এবং পৃথক রাখতে হলে ঘরের মধ্যেই রাখবে।
হাকীম ইবনু মু’আবিয়াহ আল-কুশাইরী (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাদের কারো উপর তার স্ত্রীর কি হক রয়েছে? তিনি বললেনঃ “তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে। তুমি পোশাক পরিধান করলে তাকেও পোশাক দিবে। তার মুখমণ্ডলে মারবে না, তাকে গালমন্দ করবে না এবং পৃথক রাখতে হলে ঘরের মধ্যেই রাখবে।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا أبو قزعة الباهلي، عن حكيم بن معاوية القشيري، عن أبيه، قال قلت يا رسول الله ما حق زوجة أحدنا عليه قال " أن تطعمها إذا طعمت وتكسوها إذا اكتسيت - أو اكتسبت - ولا تضرب الوجه ولا تقبح ولا تهجر إلا في البيت " . قال أبو داود " ولا تقبح " . أن تقول قبحك الله .
সুনানে আবু দাউদ ২১৪২
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا أبو قزعة الباهلي، عن حكيم بن معاوية القشيري، عن أبيه، قال قلت يا رسول الله ما حق زوجة أحدنا عليه قال " أن تطعمها إذا طعمت وتكسوها إذا اكتسيت - أو اكتسبت - ولا تضرب الوجه ولا تقبح ولا تهجر إلا في البيت " . قال أبو داود " ولا تقبح " . أن تقول قبحك الله .
হাকীম ইবনু মু’আবিয়াহ আল-কুশাইরী (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাদের কারো উপর তার স্ত্রীর কি হক রয়েছে? তিনি বললেনঃ “তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে। তুমি পোশাক পরিধান করলে তাকেও পোশাক দিবে। তার মুখমণ্ডলে মারবে না, তাকে গালমন্দ করবে না এবং পৃথক রাখতে হলে ঘরের মধ্যেই রাখবে।
হাকীম ইবনু মু’আবিয়াহ আল-কুশাইরী (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি বলি, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমাদের কারো উপর তার স্ত্রীর কি হক রয়েছে? তিনি বললেনঃ “তুমি যখন আহার করবে তাকেও আহার করাবে। তুমি পোশাক পরিধান করলে তাকেও পোশাক দিবে। তার মুখমণ্ডলে মারবে না, তাকে গালমন্দ করবে না এবং পৃথক রাখতে হলে ঘরের মধ্যেই রাখবে।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا أبو قزعة الباهلي، عن حكيم بن معاوية القشيري، عن أبيه، قال قلت يا رسول الله ما حق زوجة أحدنا عليه قال " أن تطعمها إذا طعمت وتكسوها إذا اكتسيت - أو اكتسبت - ولا تضرب الوجه ولا تقبح ولا تهجر إلا في البيت " . قال أبو داود " ولا تقبح " . أن تقول قبحك الله .
সুনানে আবু দাউদ ২১৪৪
أخبرني أحمد بن يوسف المهلبي النيسابوري، حدثنا عمر بن عبد الله بن رزين، حدثنا سفيان بن حسين، عن داود الوراق، عن سعيد بن حكيم، عن أبيه، عن جده، معاوية القشيري قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فقلت ما تقول في نسائنا قال " أطعموهن مما تأكلون واكسوهن مما تكتسون ولا تضربوهن ولا تقبحوهن " .
মু’আবিয়াহ্ আল-কুশাইরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললাম, আমাদের স্ত্রীদের (হক) সম্পর্কে আপনি কি বলেন? তিনি বললেনঃ তোমরা যা খাবে তাদেরকেও তাই খাওয়াবে এবং তোমরা যা পরবে, তাদেরকেও তা পরিধান করাবে। তাদেরকে প্রহার করবে না এবং গালিগালাজ করবে না।
মু’আবিয়াহ্ আল-কুশাইরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললাম, আমাদের স্ত্রীদের (হক) সম্পর্কে আপনি কি বলেন? তিনি বললেনঃ তোমরা যা খাবে তাদেরকেও তাই খাওয়াবে এবং তোমরা যা পরবে, তাদেরকেও তা পরিধান করাবে। তাদেরকে প্রহার করবে না এবং গালিগালাজ করবে না।
أخبرني أحمد بن يوسف المهلبي النيسابوري، حدثنا عمر بن عبد الله بن رزين، حدثنا سفيان بن حسين، عن داود الوراق، عن سعيد بن حكيم، عن أبيه، عن جده، معاوية القشيري قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم قال فقلت ما تقول في نسائنا قال " أطعموهن مما تأكلون واكسوهن مما تكتسون ولا تضربوهن ولا تقبحوهن " .
সুনানে আবু দাউদ > স্ত্রীদেরকে প্রহার করা
সুনানে আবু দাউদ ২১৪৫
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن علي بن زيد، عن أبي حرة الرقاشي، عن عمه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " فإن خفتم نشوزهن فاهجروهن في المضاجع " . قال حماد يعني النكاح .
আবু হুরাইরাহ আর-রাক্বাশী (রহঃ) হতে তার চাচা থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তোমরা স্ত্রীদের অবাধ্য হওয়ার আশংকা করো, তাহলে তাদেরকে তোমাদের বিছানা থেকে পৃথক করে দাও। হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ তাদের সাথে সহবাস বর্জন করো।
আবু হুরাইরাহ আর-রাক্বাশী (রহঃ) হতে তার চাচা থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যদি তোমরা স্ত্রীদের অবাধ্য হওয়ার আশংকা করো, তাহলে তাদেরকে তোমাদের বিছানা থেকে পৃথক করে দাও। হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ তাদের সাথে সহবাস বর্জন করো।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن علي بن زيد، عن أبي حرة الرقاشي، عن عمه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " فإن خفتم نشوزهن فاهجروهن في المضاجع " . قال حماد يعني النكاح .
সুনানে আবু দাউদ ২১৪৬
حدثنا أحمد بن أبي خلف، وأحمد بن عمرو بن السرح، قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عبد الله بن عبد الله، - قال ابن السرح عبيد الله بن عبد الله - عن إياس بن عبد الله بن أبي ذباب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تضربوا إماء الله " . فجاء عمر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ذئرن النساء على أزواجهن . فرخص في ضربهن فأطاف بآل رسول الله صلى الله عليه وسلم نساء كثير يشكون أزواجهن فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لقد طاف بآل محمد نساء كثير يشكون أزواجهن ليس أولئك بخياركم " .
ইয়াস ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ যুবাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আল্লাহ্-র দাসীদেরকে মারবে না। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট এসে বললেন, মহিলারা তাদের স্বামীদের অবাধ্য হচ্ছে। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে মৃদু আঘাত করার অনুমতি দিলেন। অতঃপর অনেক মহিলা এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রীদের কাছে তাদের স্বামীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মুহাম্মাদের পরিবারের কাছে অনেক মহিলা তাদের স্বামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে এসেছে। সুতরাং যারা স্ত্রীদেরকে প্রহার করে তারা তোমাদের মধ্যে উত্তম নয়।
ইয়াস ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবূ যুবাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা আল্লাহ্-র দাসীদেরকে মারবে না। অতঃপর ‘উমার (রাঃ) এসে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট এসে বললেন, মহিলারা তাদের স্বামীদের অবাধ্য হচ্ছে। এরপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে মৃদু আঘাত করার অনুমতি দিলেন। অতঃপর অনেক মহিলা এসে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রীদের কাছে তাদের স্বামীদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করলো। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মুহাম্মাদের পরিবারের কাছে অনেক মহিলা তাদের স্বামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে এসেছে। সুতরাং যারা স্ত্রীদেরকে প্রহার করে তারা তোমাদের মধ্যে উত্তম নয়।
حدثنا أحمد بن أبي خلف، وأحمد بن عمرو بن السرح، قالا حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عبد الله بن عبد الله، - قال ابن السرح عبيد الله بن عبد الله - عن إياس بن عبد الله بن أبي ذباب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تضربوا إماء الله " . فجاء عمر إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ذئرن النساء على أزواجهن . فرخص في ضربهن فأطاف بآل رسول الله صلى الله عليه وسلم نساء كثير يشكون أزواجهن فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لقد طاف بآل محمد نساء كثير يشكون أزواجهن ليس أولئك بخياركم " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৪৭
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا أبو عوانة، عن داود بن عبد الله الأودي، عن عبد الرحمن المسلي، عن الأشعث بن قيس، عن عمر بن الخطاب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يسأل الرجل فيما ضرب امرأته " .
‘উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে (শালীন শিক্ষার উদ্দেশে) আঘাত করলে এজন্য সে দোষী হবে না। [২১৪৭] দুর্বলঃ যঈফ আল-জামিউস সাগীর (৬২১৮), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪৩১), মিশকাত (৩২৬৮)।
‘উমার ইবনে খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে (শালীন শিক্ষার উদ্দেশে) আঘাত করলে এজন্য সে দোষী হবে না। [২১৪৭] দুর্বলঃ যঈফ আল-জামিউস সাগীর (৬২১৮), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪৩১), মিশকাত (৩২৬৮)।
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا أبو عوانة، عن داود بن عبد الله الأودي، عن عبد الرحمن المسلي، عن الأشعث بن قيس، عن عمر بن الخطاب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يسأل الرجل فيما ضرب امرأته " .
সুনানে আবু দাউদ > যে বিষয়ে দৃষ্টি সংযত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে
সুনানে আবু দাউদ ২১৪৯
حدثنا إسماعيل بن موسى الفزاري، أخبرنا شريك، عن أبي ربيعة الإيادي، عن ابن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلي " يا علي لا تتبع النظرة النظرة فإن لك الأولى وليست لك الآخرة " .
ইবনু বুরাইদাহ (রাঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলী (রাঃ)-কে বললেন, “হে ‘আলী! কোন নারীকে একবার দেখার পর দ্বিতীয়বার দেখবে না। কেননা তোমার জন্যে প্রথমবার দেখার অনুমতি আছে, কিন্তু দ্বিতীয়বার দেখা যায়িয নয়।
ইবনু বুরাইদাহ (রাঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আলী (রাঃ)-কে বললেন, “হে ‘আলী! কোন নারীকে একবার দেখার পর দ্বিতীয়বার দেখবে না। কেননা তোমার জন্যে প্রথমবার দেখার অনুমতি আছে, কিন্তু দ্বিতীয়বার দেখা যায়িয নয়।
حدثنا إسماعيل بن موسى الفزاري، أخبرنا شريك، عن أبي ربيعة الإيادي، عن ابن بريدة، عن أبيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلي " يا علي لا تتبع النظرة النظرة فإن لك الأولى وليست لك الآخرة " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৪৮
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، حدثني يونس بن عبيد، عن عمرو بن سعيد، عن أبي زرعة، عن جرير، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن نظرة الفجأة فقال " اصرف بصرك " .
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে হঠাৎ কোন নারীর প্রতি দৃষ্টি পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ তোমরা চোখ ফিরিয়ে নিবে।
জারীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে হঠাৎ কোন নারীর প্রতি দৃষ্টি পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ তোমরা চোখ ফিরিয়ে নিবে।
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، حدثني يونس بن عبيد، عن عمرو بن سعيد، عن أبي زرعة، عن جرير، قال سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن نظرة الفجأة فقال " اصرف بصرك " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫১
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا هشام، عن أبي الزبير، عن جابر، أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى امرأة فدخل على زينب بنت جحش فقضى حاجته منها ثم خرج إلى أصحابه فقال لهم " إن المرأة تقبل في صورة شيطان فمن وجد من ذلك شيئا فليأت أهله فإنه يضمر ما في نفسه " .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একজন অপরিচিতা নারীকে দেখে ফেললে তিনি তৎক্ষণাত যাইনাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ)-র নিকট গিয়ে নিজের প্রয়োজন পূর্ণ করেন। অতঃপর সাহাবীদের কাছে গিয়ে বলেনঃ নারী শয়তানের বেশে এসে যায়। সুতরাং তোমাদের কারো মনে এরূপ কিছু জাগ্রত হলে সে যেন তার স্ত্রীর কাছে গমন করে। কেননা এতে তার অন্তরের সুপ্ত জাগ্রত হয় সে যেন অবশ্যই তার স্ত্রীর কাছে আসে। কেননা এতে মনের বাসনা দুর্বল হবে।
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একজন অপরিচিতা নারীকে দেখে ফেললে তিনি তৎক্ষণাত যাইনাব বিনতু জাহ্শ (রাঃ)-র নিকট গিয়ে নিজের প্রয়োজন পূর্ণ করেন। অতঃপর সাহাবীদের কাছে গিয়ে বলেনঃ নারী শয়তানের বেশে এসে যায়। সুতরাং তোমাদের কারো মনে এরূপ কিছু জাগ্রত হলে সে যেন তার স্ত্রীর কাছে গমন করে। কেননা এতে তার অন্তরের সুপ্ত জাগ্রত হয় সে যেন অবশ্যই তার স্ত্রীর কাছে আসে। কেননা এতে মনের বাসনা দুর্বল হবে।
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا هشام، عن أبي الزبير، عن جابر، أن النبي صلى الله عليه وسلم رأى امرأة فدخل على زينب بنت جحش فقضى حاجته منها ثم خرج إلى أصحابه فقال لهم " إن المرأة تقبل في صورة شيطان فمن وجد من ذلك شيئا فليأت أهله فإنه يضمر ما في نفسه " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫০
حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن ابن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تباشر المرأة المرأة لتنعتها لزوجها كأنما ينظر إليها " .
ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মহিলা যেন অপর মহিলার দেহ স্পর্শ করে এমনভাবে তার বর্ণনা নিজের স্বামীর কাছে না দেয়, যেন সে তাকে চাক্ষুস দেখছে।
ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন মহিলা যেন অপর মহিলার দেহ স্পর্শ করে এমনভাবে তার বর্ণনা নিজের স্বামীর কাছে না দেয়, যেন সে তাকে চাক্ষুস দেখছে।
حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن ابن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تباشر المرأة المرأة لتنعتها لزوجها كأنما ينظر إليها " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫২
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا ابن ثور، عن معمر، أخبرنا ابن طاوس، عن أبيه، عن ابن عباس، قال ما رأيت شيئا أشبه باللمم مما قال أبو هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم " إن الله كتب على ابن آدم حظه من الزنا أدرك ذلك لا محالة فزنا العينين النظر وزنا اللسان المنطق والنفس تمنى وتشتهي والفرج يصدق ذلك ويكذبه " .
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে বর্ণিত হাদীসের চাইতে সগীরাহ গুণাহ সম্পর্কিত কোন হাদীস দেখিনি। তিনি বলেছেনঃ মহান আল্লাহ প্রতিটি আদম সন্তানের মধ্যে যেনার একটি অংশ নির্ধারণ করে রেখেছেন, যা সে অবশ্যই করবে। সুতরাং দৃষ্টি হচ্ছে চোখের যেনা, প্রেমালাপ হচ্ছে জিহবার যেনা এবং অন্তরের যেনা হচ্ছে তা ভোগ করার আকাঙ্খা, আর গুপ্তস্থান তা সত্য কিংবা মিথ্যায় পরিণত করে।
ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে বর্ণিত হাদীসের চাইতে সগীরাহ গুণাহ সম্পর্কিত কোন হাদীস দেখিনি। তিনি বলেছেনঃ মহান আল্লাহ প্রতিটি আদম সন্তানের মধ্যে যেনার একটি অংশ নির্ধারণ করে রেখেছেন, যা সে অবশ্যই করবে। সুতরাং দৃষ্টি হচ্ছে চোখের যেনা, প্রেমালাপ হচ্ছে জিহবার যেনা এবং অন্তরের যেনা হচ্ছে তা ভোগ করার আকাঙ্খা, আর গুপ্তস্থান তা সত্য কিংবা মিথ্যায় পরিণত করে।
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا ابن ثور، عن معمر، أخبرنا ابن طاوس، عن أبيه، عن ابن عباس، قال ما رأيت شيئا أشبه باللمم مما قال أبو هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم " إن الله كتب على ابن آدم حظه من الزنا أدرك ذلك لا محالة فزنا العينين النظر وزنا اللسان المنطق والنفس تمنى وتشتهي والفرج يصدق ذلك ويكذبه " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৩
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لكل ابن آدم حظه من الزنا " . بهذه القصة قال " واليدان تزنيان فزناهما البطش والرجلان تزنيان فزناهما المشى والفم يزني فزناه القبل " .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি আদম সন্তানের মধ্যে যেনার একটি অংশ আছে। অতঃপর পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ। তিনি বলেছেন, দুই হাত যেনা করে, হাতের যিনা হচ্ছে স্পর্শ করা। দুই পা যেনা করে, অগ্রসর হওয়াই হচ্ছে পায়ের যেনা, মুখও যেনা করে, মুখের যেনা হচ্ছে চুমু খাওয়া।
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রতিটি আদম সন্তানের মধ্যে যেনার একটি অংশ আছে। অতঃপর পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ। তিনি বলেছেন, দুই হাত যেনা করে, হাতের যিনা হচ্ছে স্পর্শ করা। দুই পা যেনা করে, অগ্রসর হওয়াই হচ্ছে পায়ের যেনা, মুখও যেনা করে, মুখের যেনা হচ্ছে চুমু খাওয়া।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن سهيل بن أبي صالح، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لكل ابن آدم حظه من الزنا " . بهذه القصة قال " واليدان تزنيان فزناهما البطش والرجلان تزنيان فزناهما المشى والفم يزني فزناه القبل " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৪
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذه القصة قال " والأذن زناها الاستماع " .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উক্ত হাদীসের ঘটনায় উল্লেখ করেন যে, তিনি বলেছেনঃ কানের যিনা হচ্ছে আলাপ শোনা।
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উক্ত হাদীসের ঘটনায় উল্লেখ করেন যে, তিনি বলেছেনঃ কানের যিনা হচ্ছে আলাপ শোনা।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذه القصة قال " والأذن زناها الاستماع " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৪
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذه القصة قال " والأذن زناها الاستماع " .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উক্ত হাদীসের ঘটনায় উল্লেখ করেন যে, তিনি বলেছেনঃ কানের যিনা হচ্ছে আলাপ শোনা।
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উক্ত হাদীসের ঘটনায় উল্লেখ করেন যে, তিনি বলেছেনঃ কানের যিনা হচ্ছে আলাপ শোনা।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذه القصة قال " والأذن زناها الاستماع " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৪
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذه القصة قال " والأذن زناها الاستماع " .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উক্ত হাদীসের ঘটনায় উল্লেখ করেন যে, তিনি বলেছেনঃ কানের যিনা হচ্ছে আলাপ শোনা।
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে উক্ত হাদীসের ঘটনায় উল্লেখ করেন যে, তিনি বলেছেনঃ কানের যিনা হচ্ছে আলাপ শোনা।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن القعقاع بن حكيم، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذه القصة قال " والأذن زناها الاستماع " .
সুনানে আবু দাউদ > বন্দী দাসীদের সাথে সঙ্গম করা
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৮
حدثنا النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، حدثني يزيد بن أبي حبيب، عن أبي مرزوق، عن حنش الصنعاني، عن رويفع بن ثابت الأنصاري، قال قام فينا خطيبا قال أما إني لا أقول لكم إلا ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يوم حنين قال " لا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسقي ماءه زرع غيره " . يعني إتيان الحبالى " ولا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يقع على امرأة من السبى حتى يستبرئها ولا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يبيع مغنما حتى يقسم " .
রুয়াইফি’ ইবনু সাবিত আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হানাশ (রহঃ) বলেন, একদা রুয়াইফি’ আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে ভাষণ প্রদানের সময় বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা কিছু শুনেছি তোমাদেরকে শুধু তাই বলব। তিনি হুনাইনের দিন বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, তার জন্যে বৈধ নয় অন্যের ফসলে নিজের পানি সেচন করেন। অর্থাৎ গর্ভবতী মহিলার সাথে সঙ্গম করা। যে ব্যক্তি আল্লহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে তার জন্যে বৈধ নয় কোন বন্দী নারীর সাথে সঙ্গম করা যতক্ষণ না সে সন্তান প্রসব করে পবিত্র হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, তার জন্যেও বৈধ নয় বন্টনের পূর্বেই গণীমাত বিক্রয় করা।
রুয়াইফি’ ইবনু সাবিত আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হানাশ (রহঃ) বলেন, একদা রুয়াইফি’ আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে ভাষণ প্রদানের সময় বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে যা কিছু শুনেছি তোমাদেরকে শুধু তাই বলব। তিনি হুনাইনের দিন বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, তার জন্যে বৈধ নয় অন্যের ফসলে নিজের পানি সেচন করেন। অর্থাৎ গর্ভবতী মহিলার সাথে সঙ্গম করা। যে ব্যক্তি আল্লহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে তার জন্যে বৈধ নয় কোন বন্দী নারীর সাথে সঙ্গম করা যতক্ষণ না সে সন্তান প্রসব করে পবিত্র হয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, তার জন্যেও বৈধ নয় বন্টনের পূর্বেই গণীমাত বিক্রয় করা।
حدثنا النفيلي، حدثنا محمد بن سلمة، عن محمد بن إسحاق، حدثني يزيد بن أبي حبيب، عن أبي مرزوق، عن حنش الصنعاني، عن رويفع بن ثابت الأنصاري، قال قام فينا خطيبا قال أما إني لا أقول لكم إلا ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول يوم حنين قال " لا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يسقي ماءه زرع غيره " . يعني إتيان الحبالى " ولا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يقع على امرأة من السبى حتى يستبرئها ولا يحل لامرئ يؤمن بالله واليوم الآخر أن يبيع مغنما حتى يقسم " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৫
حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن صالح أبي الخليل، عن أبي علقمة الهاشمي، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث يوم حنين بعثا إلى أوطاس فلقوا عدوهم فقاتلوهم فظهروا عليهم وأصابوا لهم سبايا فكأن أناسا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم تحرجوا من غشيانهن من أجل أزواجهن من المشركين فأنزل الله تعالى في ذلك { والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم } أى فهن لهم حلال إذا انقضت عدتهن .
আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হুনাইনের দিন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আওতাসের দিকে একদল সৈন্য পাঠালেন। তারা শত্রুর মুকাবিলায় অবতীর্ণ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন এবং তাদের উপর বিজয়ী হয়ে তাদের নারীদেরকে বন্দি করে আনেন। কিন্তু সেই বন্দী নারীদের মুশরিক স্বামীরা বর্তমান থাকায় কতিপয় সাহাবী তাদের সাথে সঙ্গম করাকে গুণাহ মনে করেন। এই প্রসঙ্গে আল্লাহ্ এ আয়াতটি অবতীর্ণ করলেনঃ “যে মহিলাদের স্বামী আছে, তারা তোমাদের জন্যে হারাম। তবে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত” (সূরা আন-নিসাঃ ২৪)। অর্থাৎ যুদ্ধবন্দী দাসী যখন তাদের ইদ্দতকাল সমাপ্ত করবে তখন তারা তোমাদের জন্যে বৈধ।
আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
হুনাইনের দিন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আওতাসের দিকে একদল সৈন্য পাঠালেন। তারা শত্রুর মুকাবিলায় অবতীর্ণ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন এবং তাদের উপর বিজয়ী হয়ে তাদের নারীদেরকে বন্দি করে আনেন। কিন্তু সেই বন্দী নারীদের মুশরিক স্বামীরা বর্তমান থাকায় কতিপয় সাহাবী তাদের সাথে সঙ্গম করাকে গুণাহ মনে করেন। এই প্রসঙ্গে আল্লাহ্ এ আয়াতটি অবতীর্ণ করলেনঃ “যে মহিলাদের স্বামী আছে, তারা তোমাদের জন্যে হারাম। তবে তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী ব্যতীত” (সূরা আন-নিসাঃ ২৪)। অর্থাৎ যুদ্ধবন্দী দাসী যখন তাদের ইদ্দতকাল সমাপ্ত করবে তখন তারা তোমাদের জন্যে বৈধ।
حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن صالح أبي الخليل، عن أبي علقمة الهاشمي، عن أبي سعيد الخدري، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث يوم حنين بعثا إلى أوطاس فلقوا عدوهم فقاتلوهم فظهروا عليهم وأصابوا لهم سبايا فكأن أناسا من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم تحرجوا من غشيانهن من أجل أزواجهن من المشركين فأنزل الله تعالى في ذلك { والمحصنات من النساء إلا ما ملكت أيمانكم } أى فهن لهم حلال إذا انقضت عدتهن .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৭
حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا شريك، عن قيس بن وهب، عن أبي الوداك، عن أبي سعيد الخدري، ورفعه، أنه قال في سبايا أوطاس " لا توطأ حامل حتى تضع ولا غير ذات حمل حتى تحيض حيضة " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আওতাস যুদ্ধের বন্দী দাসীদের সম্বন্ধে বলেছেনঃ সন্তান প্রসবের আগে গর্ভবতীর সাথে সঙ্গম করা যাবে না। আর গর্ভবতী নয় এমন নারীর মাসিক ঋতু শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার সাথেও সঙ্গম করা যাবে না।
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আওতাস যুদ্ধের বন্দী দাসীদের সম্বন্ধে বলেছেনঃ সন্তান প্রসবের আগে গর্ভবতীর সাথে সঙ্গম করা যাবে না। আর গর্ভবতী নয় এমন নারীর মাসিক ঋতু শেষ না হওয়া পর্যন্ত তার সাথেও সঙ্গম করা যাবে না।
حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا شريك، عن قيس بن وهب، عن أبي الوداك، عن أبي سعيد الخدري، ورفعه، أنه قال في سبايا أوطاس " لا توطأ حامل حتى تضع ولا غير ذات حمل حتى تحيض حيضة " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৬
حدثنا النفيلي، حدثنا مسكين، حدثنا شعبة، عن يزيد بن خمير، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن أبيه، عن أبي الدرداء، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان في غزوة فرأى امرأة مجحا فقال " لعل صاحبها ألم بها " . قالوا نعم . فقال " لقد هممت أن ألعنه لعنة تدخل معه في قبره كيف يورثه وهو لا يحل له وكيف يستخدمه وهو لا يحل له " .
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক যুদ্ধে আসন্ন প্রসবা এক নারীকে দেখতে পেয়ে বলেনঃ সম্ভবত এর মালিক এর সাথে সহবাস করেছে। লোকেরা বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ আমি ইচ্ছা করেছিলাম সহবাসকারীকে এমন অভিসম্পাত করি যেন সে অভিশপ্ত অবস্থায় কবরে প্রবেশ করে। সে কিভাবে ঐ সন্তানটিকে তার উত্তরাধিকারী বানাবে যা তার জন্যে হালাল নয়? আর সে কিভাবে এই সন্তানকে গোলাম বানাবে? অথচ তা তার জন্যে বৈধ নয়।
আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন এক যুদ্ধে আসন্ন প্রসবা এক নারীকে দেখতে পেয়ে বলেনঃ সম্ভবত এর মালিক এর সাথে সহবাস করেছে। লোকেরা বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ আমি ইচ্ছা করেছিলাম সহবাসকারীকে এমন অভিসম্পাত করি যেন সে অভিশপ্ত অবস্থায় কবরে প্রবেশ করে। সে কিভাবে ঐ সন্তানটিকে তার উত্তরাধিকারী বানাবে যা তার জন্যে হালাল নয়? আর সে কিভাবে এই সন্তানকে গোলাম বানাবে? অথচ তা তার জন্যে বৈধ নয়।
حدثنا النفيلي، حدثنا مسكين، حدثنا شعبة، عن يزيد بن خمير، عن عبد الرحمن بن جبير بن نفير، عن أبيه، عن أبي الدرداء، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان في غزوة فرأى امرأة مجحا فقال " لعل صاحبها ألم بها " . قالوا نعم . فقال " لقد هممت أن ألعنه لعنة تدخل معه في قبره كيف يورثه وهو لا يحل له وكيف يستخدمه وهو لا يحل له " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৫৯
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا أبو معاوية، عن ابن إسحاق، بهذا الحديث قال " حتى يستبرئها بحيضة " . زاد فيه { بحيضة وهو وهم من أبي معاوية، وهو صحيح في حديث أبي سعيد زاد } " ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يركب دابة من فىء المسلمين حتى إذا أعجفها ردها فيه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يلبس ثوبا من فىء المسلمين حتى إذا أخلقه رده فيه " . قال أبو داود الحيضة ليست بمحفوظة وهو وهم من أبي معاوية .
ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এতে যতক্ষণ না হায়িয থেকে মুক্ত হয় কথাটি রয়েছে। এতে আরো রয়েছেঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ইমান রাখে সে যেন মুসলিমদের যুদ্ধলব্ধ পশুর পিঠে না চড়ে (বন্টনের পূর্বে), অবশেষে সে তা দুর্বল অবস্থায় ফেরত দেয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ইমান রাখে সে যেন মুসলিমদের গণিমতের কাপড় না পরে, অবশেষে তা পুরাতন করে ফেরত দেয়। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাদীসের মধ্যে “ঋতুবতী নারী” শব্দটি সংরক্ষিত নয়।
ইবনু ইসহাক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এতে যতক্ষণ না হায়িয থেকে মুক্ত হয় কথাটি রয়েছে। এতে আরো রয়েছেঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ইমান রাখে সে যেন মুসলিমদের যুদ্ধলব্ধ পশুর পিঠে না চড়ে (বন্টনের পূর্বে), অবশেষে সে তা দুর্বল অবস্থায় ফেরত দেয়। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের উপর ইমান রাখে সে যেন মুসলিমদের গণিমতের কাপড় না পরে, অবশেষে তা পুরাতন করে ফেরত দেয়। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাদীসের মধ্যে “ঋতুবতী নারী” শব্দটি সংরক্ষিত নয়।
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا أبو معاوية، عن ابن إسحاق، بهذا الحديث قال " حتى يستبرئها بحيضة " . زاد فيه { بحيضة وهو وهم من أبي معاوية، وهو صحيح في حديث أبي سعيد زاد } " ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يركب دابة من فىء المسلمين حتى إذا أعجفها ردها فيه ومن كان يؤمن بالله واليوم الآخر فلا يلبس ثوبا من فىء المسلمين حتى إذا أخلقه رده فيه " . قال أبو داود الحيضة ليست بمحفوظة وهو وهم من أبي معاوية .