সুনানে আবু দাউদ > যে ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রীকে কিছু দেয়ার পূর্বে তার সাথে বসবাস করতে চায়
সুনানে আবু দাউদ ২১২৫
حدثنا إسحاق بن إسماعيل الطالقاني، حدثنا عبدة، حدثنا سعيد، عن أيوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لما تزوج علي فاطمة قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " أعطها شيئا " . قال ما عندي شىء . قال " أين درعك الحطمية " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন ‘আলী (রাঃ), ফাতিমা (রাঃ)-কে বিয়ে করেন, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তাকে কিছু প্রদান করো। তিনি বললেন, আমার নিকট কিছুই নেই। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার হুতামীয়া বর্মটি কোথায়? (সেটাই দাও)।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, যখন ‘আলী (রাঃ), ফাতিমা (রাঃ)-কে বিয়ে করেন, তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তাকে কিছু প্রদান করো। তিনি বললেন, আমার নিকট কিছুই নেই। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার হুতামীয়া বর্মটি কোথায়? (সেটাই দাও)।
حدثنا إسحاق بن إسماعيل الطالقاني، حدثنا عبدة، حدثنا سعيد، عن أيوب، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لما تزوج علي فاطمة قال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " أعطها شيئا " . قال ما عندي شىء . قال " أين درعك الحطمية " .
সুনানে আবু দাউদ ২১২৯
حدثنا محمد بن معمر، حدثنا محمد بن بكر البرساني، أخبرنا ابن جريج، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أيما امرأة نكحت على صداق أو حباء أو عدة قبل عصمة النكاح فهو لها وما كان بعد عصمة النكاح فهو لمن أعطيه وأحق ما أكرم عليه الرجل ابنته أو أخته " .
‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোনো নারীকে বিয়ের পূর্বে মোহরানা বা দান হিসেবে কিংবা অন্য কোনো প্রকারে পাত্রের পক্ষ হতে কিছু দেয়া হলে তা ওই স্ত্রীলোকটির জন্যই। আর বিয়ের পরে যা কিছু দেয়া হবে সেটা তার যাকে তা দেয়া হয়েছে। আর বিয়ে উপলক্ষে কেউ নিজ কন্যা বা বোনকে কিছু দিলে সেটা অধিক সম্মানজনক। [২১২৯] দুর্বলঃ যইফ আল-জামি’উস সাগীর (২২২৯), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪২৪/১৯৫৫), যঈফ সুনান নাসায়ী (২১৪/৩৩৫৩)।
‘আমর ইবনু শু’আইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোনো নারীকে বিয়ের পূর্বে মোহরানা বা দান হিসেবে কিংবা অন্য কোনো প্রকারে পাত্রের পক্ষ হতে কিছু দেয়া হলে তা ওই স্ত্রীলোকটির জন্যই। আর বিয়ের পরে যা কিছু দেয়া হবে সেটা তার যাকে তা দেয়া হয়েছে। আর বিয়ে উপলক্ষে কেউ নিজ কন্যা বা বোনকে কিছু দিলে সেটা অধিক সম্মানজনক। [২১২৯] দুর্বলঃ যইফ আল-জামি’উস সাগীর (২২২৯), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪২৪/১৯৫৫), যঈফ সুনান নাসায়ী (২১৪/৩৩৫৩)।
حدثنا محمد بن معمر، حدثنا محمد بن بكر البرساني، أخبرنا ابن جريج، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أيما امرأة نكحت على صداق أو حباء أو عدة قبل عصمة النكاح فهو لها وما كان بعد عصمة النكاح فهو لمن أعطيه وأحق ما أكرم عليه الرجل ابنته أو أخته " .
সুনানে আবু দাউদ ২১২৮
حدثنا محمد بن الصباح البزار، حدثنا شريك، عن منصور، عن طلحة، عن خيثمة، عن عائشة، قالت أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أدخل امرأة على زوجها قبل أن يعطيها شيئا . قال أبو داود خيثمة لم يسمع من عائشة .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আদেশ দিলেন, আমি যেন জনৈকা মহিলাকে (স্বামীর পক্ষ থেকে) কিছু প্রদানের আগেই সহবাসের অনুমতি দেই। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খায়সামাহ (রহঃ) ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে হাদীসটি শুনেননি। [২১২৮] দুর্বলঃ যইফ ইবনু মাজাহ (৪৩৩)
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে আদেশ দিলেন, আমি যেন জনৈকা মহিলাকে (স্বামীর পক্ষ থেকে) কিছু প্রদানের আগেই সহবাসের অনুমতি দেই। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, খায়সামাহ (রহঃ) ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে হাদীসটি শুনেননি। [২১২৮] দুর্বলঃ যইফ ইবনু মাজাহ (৪৩৩)
حدثنا محمد بن الصباح البزار، حدثنا شريك، عن منصور، عن طلحة، عن خيثمة، عن عائشة، قالت أمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أدخل امرأة على زوجها قبل أن يعطيها شيئا . قال أبو داود خيثمة لم يسمع من عائشة .
সুনানে আবু দাউদ ২১২৬
حدثنا كثير بن عبيد الحمصي، حدثنا أبو حيوة، عن شعيب، - يعني ابن أبي حمزة - حدثني غيلان بن أنس، حدثني محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، عن رجل، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أن عليا عليه السلام لما تزوج فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم ورضي الله عنها أراد أن يدخل بها فمنعه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى يعطيها شيئا فقال يا رسول الله ليس لي شىء . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " أعطها درعك " . فأعطاها درعه ثم دخل بها .
মুহম্মাদ ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু সাওবান (রহঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্নিতঃ
‘আলী (রাঃ) যখন রাসূলুল্লাল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কন্যা ফাত্বিমাহ (রাঃ)-কে বিয়ে করেন এবং তার সাথে বাসর যাপনের ইচ্ছা করেন, তখন তাকে কিছু না দিয়ে তার কাছে যেতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে নিষেধ করেলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে কিছুই নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে তোমার বর্মটি দাও। সুতরাং তিনি তাকে তার বর্মটি দিয়ে বাসর যাপন করলেন। [২১২৬]
মুহম্মাদ ইবনু ‘আবদুর রহমান ইবনু সাওবান (রহঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জনৈক সাহাবী থেকে বর্নিতঃ
‘আলী (রাঃ) যখন রাসূলুল্লাল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কন্যা ফাত্বিমাহ (রাঃ)-কে বিয়ে করেন এবং তার সাথে বাসর যাপনের ইচ্ছা করেন, তখন তাকে কিছু না দিয়ে তার কাছে যেতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে নিষেধ করেলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে কিছুই নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে তোমার বর্মটি দাও। সুতরাং তিনি তাকে তার বর্মটি দিয়ে বাসর যাপন করলেন। [২১২৬]
حدثنا كثير بن عبيد الحمصي، حدثنا أبو حيوة، عن شعيب، - يعني ابن أبي حمزة - حدثني غيلان بن أنس، حدثني محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، عن رجل، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أن عليا عليه السلام لما تزوج فاطمة بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم ورضي الله عنها أراد أن يدخل بها فمنعه رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى يعطيها شيئا فقال يا رسول الله ليس لي شىء . فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " أعطها درعك " . فأعطاها درعه ثم دخل بها .
সুনানে আবু দাউদ ২১২৭
حدثنا كثير، - يعني ابن عبيد - حدثنا أبو حيوة، عن شعيب، عن غيلان، عن عكرمة، عن ابن عباس، مثله .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। [২১২৭]
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। [২১২৭]
حدثنا كثير، - يعني ابن عبيد - حدثنا أبو حيوة، عن شعيب، عن غيلان، عن عكرمة، عن ابن عباس، مثله .
সুনানে আবু দাউদ > নব দম্পত্তির জন্য দু’আ করা
সুনানে আবু দাউদ ২১৩০
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا رفأ الإنسان إذا تزوج قال " بارك الله لك وبارك عليك وجمع بينكما في خير " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাউকে বিয়ের পর শুভেচ্ছা জানালে বলতেনঃ ‘আল্লাহ তোমার কল্যাণ করুন, তোমাকে বরকত দান করুন এবং তোমাদের দাম্পত্য জীবন কল্যাণময় হোক।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাউকে বিয়ের পর শুভেচ্ছা জানালে বলতেনঃ ‘আল্লাহ তোমার কল্যাণ করুন, তোমাকে বরকত দান করুন এবং তোমাদের দাম্পত্য জীবন কল্যাণময় হোক।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن محمد - عن سهيل، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا رفأ الإنسان إذا تزوج قال " بارك الله لك وبارك عليك وجمع بينكما في خير " .
সুনানে আবু দাউদ > যে ব্যক্তি কোনো মহিলাকে বিয়ে করার পর তাকে গর্ভবতী পায়
সুনানে আবু দাউদ ২১৩২
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا علي، - يعني ابن المبارك - عن يحيى، عن يزيد بن نعيم، عن سعيد بن المسيب، أن رجلا، يقال له بصرة بن أكثم نكح امرأة فذكر معناه . وزاد وفرق بينهما . وحديث ابن جريج أتم .
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বাসরা ইবনু আকসাম নামক এক ব্যক্তি জনৈক মহিলাকে বিয়ে করলো। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থে বর্ণনা করেন। এতে আরো রয়েছেঃ ‘এবং তিনি তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেন’। তবে ইবনু জুরাইজের বর্ণিত হাদীসটি পরিপূর্ণ। [২১৩২]
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বাসরা ইবনু আকসাম নামক এক ব্যক্তি জনৈক মহিলাকে বিয়ে করলো। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্বোক্ত হাদীসের অর্থে বর্ণনা করেন। এতে আরো রয়েছেঃ ‘এবং তিনি তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেন’। তবে ইবনু জুরাইজের বর্ণিত হাদীসটি পরিপূর্ণ। [২১৩২]
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا علي، - يعني ابن المبارك - عن يحيى، عن يزيد بن نعيم، عن سعيد بن المسيب، أن رجلا، يقال له بصرة بن أكثم نكح امرأة فذكر معناه . وزاد وفرق بينهما . وحديث ابن جريج أتم .
সুনানে আবু দাউদ ২১৩১
حدثنا مخلد بن خالد، والحسن بن علي، ومحمد بن أبي السري، - المعنى - قالوا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن صفوان بن سليم، عن سعيد بن المسيب، عن رجل، من الأنصار - قال ابن أبي السري من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ولم يقل من الأنصار ثم اتفقوا - يقال له بصرة قال تزوجت امرأة بكرا في سترها فدخلت عليها فإذا هي حبلى فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لها الصداق بما استحللت من فرجها والولد عبد لك فإذا ولدت " . قال الحسن " فاجلدها " . وقال ابن أبي السري " فاجلدوها " . أو قال " فحدوها " . قال أبو داود روى هذا الحديث قتادة عن سعيد بن يزيد عن ابن المسيب ورواه يحيى بن أبي كثير عن يزيد بن نعيم عن سعيد بن المسيب وعطاء الخراساني عن سعيد بن المسيب أرسلوه كلهم . وفي حديث يحيى بن أبي كثير أن بصرة بن أكثم نكح امرأة وكلهم قال في حديثه جعل الولد عبدا له .
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) হতে জনৈক আনসারী থেকে বর্নিতঃ
বর্ণণাকারী আবূস-সারী বলেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জনৈক সাহাবী হতে বর্ণনা করেছেন এবং ‘আনসার’ শব্দটি বলেননি। অতঃপর সমস্ত বর্ণনাকারী একমত হয়ে বর্ণনা করেছেন। ‘বাসরা’ নামক এক ব্যক্তি বলেন, আমি জনৈকা কুমারী মেয়েকে না দেখে বিয়ে করি। অতঃপর বাসর যাপনের সময় আমি দেখি সে গর্ভবতী। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যেহেতু তার বিশেষ অঙ্গ উপভোগ করেছো, সেজন্য তোমাকে মোহরানা দিতে হবে। আর যে সন্তানটি জন্ম নিবে সে তোমার গোলাম হবে। সন্তান প্রসবের পর তুমি বা তোমরা তাকে চাবুক মারবে অথবা বলেছেনঃ তার উপর ‘হদ্দ’ কার্যকর করবে। আবূ দাউদ বলেন, হাদীসটি কাত্বাদাহ (রহঃ) সাঈদ ইবনু ইয়াযীদ হতে ইবনুল মুসাইয়্যাব সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর ইয়াযীদ ইবনু নুয়াইমের মাধ্যমে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব হতে, এবং ‘আত্বা আল-খোরাসারনী সরাসরি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব সূত্রে বর্ণণা করেছেন। কিন্তু এদের সকলের হাদীস মুরসাল। ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীরের হাদীসে রয়েছেঃ ‘বাসরা ইবনু আকসাম জনৈকা মহিলাকে বিয়ে করেন’। আর সমস্ত বর্ণনাকারী বলেছেন, তিনি সন্তানটিকে তার গোলাম বানিয়েছেন। [২১৩১]
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) হতে জনৈক আনসারী থেকে বর্নিতঃ
বর্ণণাকারী আবূস-সারী বলেন, তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জনৈক সাহাবী হতে বর্ণনা করেছেন এবং ‘আনসার’ শব্দটি বলেননি। অতঃপর সমস্ত বর্ণনাকারী একমত হয়ে বর্ণনা করেছেন। ‘বাসরা’ নামক এক ব্যক্তি বলেন, আমি জনৈকা কুমারী মেয়েকে না দেখে বিয়ে করি। অতঃপর বাসর যাপনের সময় আমি দেখি সে গর্ভবতী। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি যেহেতু তার বিশেষ অঙ্গ উপভোগ করেছো, সেজন্য তোমাকে মোহরানা দিতে হবে। আর যে সন্তানটি জন্ম নিবে সে তোমার গোলাম হবে। সন্তান প্রসবের পর তুমি বা তোমরা তাকে চাবুক মারবে অথবা বলেছেনঃ তার উপর ‘হদ্দ’ কার্যকর করবে। আবূ দাউদ বলেন, হাদীসটি কাত্বাদাহ (রহঃ) সাঈদ ইবনু ইয়াযীদ হতে ইবনুল মুসাইয়্যাব সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীর ইয়াযীদ ইবনু নুয়াইমের মাধ্যমে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব হতে, এবং ‘আত্বা আল-খোরাসারনী সরাসরি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব সূত্রে বর্ণণা করেছেন। কিন্তু এদের সকলের হাদীস মুরসাল। ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসীরের হাদীসে রয়েছেঃ ‘বাসরা ইবনু আকসাম জনৈকা মহিলাকে বিয়ে করেন’। আর সমস্ত বর্ণনাকারী বলেছেন, তিনি সন্তানটিকে তার গোলাম বানিয়েছেন। [২১৩১]
حدثنا مخلد بن خالد، والحسن بن علي، ومحمد بن أبي السري، - المعنى - قالوا حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، عن صفوان بن سليم، عن سعيد بن المسيب، عن رجل، من الأنصار - قال ابن أبي السري من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ولم يقل من الأنصار ثم اتفقوا - يقال له بصرة قال تزوجت امرأة بكرا في سترها فدخلت عليها فإذا هي حبلى فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لها الصداق بما استحللت من فرجها والولد عبد لك فإذا ولدت " . قال الحسن " فاجلدها " . وقال ابن أبي السري " فاجلدوها " . أو قال " فحدوها " . قال أبو داود روى هذا الحديث قتادة عن سعيد بن يزيد عن ابن المسيب ورواه يحيى بن أبي كثير عن يزيد بن نعيم عن سعيد بن المسيب وعطاء الخراساني عن سعيد بن المسيب أرسلوه كلهم . وفي حديث يحيى بن أبي كثير أن بصرة بن أكثم نكح امرأة وكلهم قال في حديثه جعل الولد عبدا له .
সুনানে আবু দাউদ > স্ত্রীদের সাথে ইনসাফপূর্ণ আচরণ করা
সুনানে আবু দাউদ ২১৩৭
حدثنا مسدد، حدثنا مرحوم بن عبد العزيز العطار، حدثني أبو عمران الجوني، عن يزيد بن بابنوس، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث إلى النساء - تعني في مرضه - فاجتمعن فقال " إني لا أستطيع أن أدور بينكن فإن رأيتن أن تأذن لي فأكون عند عائشة فعلتن " . فأذن له .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে রোগে মৃত্যু বরণ করেন তখন সকল স্ত্রীকে ডাকলেন। তারা সকলে একত্র হলে তিনি বললেনঃ আমি পালাক্রমে তোমাদের সকলের মাঝে ঘুরে ঘুরে অবস্থানের শক্তি পাচ্ছিনা। যদি তোমরা ভালো মনে করো, তাহলে আমাকে ‘আয়িশাহর কাছে অবস্থানের অনুমতি দাও। তখন তারা সকলেই তাঁকে অনুমতি দিলেন।
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে রোগে মৃত্যু বরণ করেন তখন সকল স্ত্রীকে ডাকলেন। তারা সকলে একত্র হলে তিনি বললেনঃ আমি পালাক্রমে তোমাদের সকলের মাঝে ঘুরে ঘুরে অবস্থানের শক্তি পাচ্ছিনা। যদি তোমরা ভালো মনে করো, তাহলে আমাকে ‘আয়িশাহর কাছে অবস্থানের অনুমতি দাও। তখন তারা সকলেই তাঁকে অনুমতি দিলেন।
حدثنا مسدد، حدثنا مرحوم بن عبد العزيز العطار، حدثني أبو عمران الجوني، عن يزيد بن بابنوس، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث إلى النساء - تعني في مرضه - فاجتمعن فقال " إني لا أستطيع أن أدور بينكن فإن رأيتن أن تأذن لي فأكون عند عائشة فعلتن " . فأذن له .
সুনানে আবু দাউদ ২১৩৮
حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، أخبرنا ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، أن عروة بن الزبير، حدثه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد سفرا أقرع بين نسائه فأيتهن خرج سهمها خرج بها معه وكان يقسم لكل امرأة منهن يومها وليلتها غير أن سودة بنت زمعة وهبت يومها لعائشة .
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সফরে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন স্ত্রীদের মধ্যে লটারী করতেন। লটারীতে যার নাম উঠতো তিনি তাকেই সঙ্গে নিয়ে যেতেন। আর তিনি প্রত্যেক স্ত্রীর জন্যে পালাক্রমে রাত ও দিন ভাগ করে নিতেন। তবে যাম’আহ্র এর কন্যা সাওদাহ্ (রাঃ) তার পালার দিনটি ‘আয়িশা (রাঃ) কে দিয়ে দেন।
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সফরে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন, তখন স্ত্রীদের মধ্যে লটারী করতেন। লটারীতে যার নাম উঠতো তিনি তাকেই সঙ্গে নিয়ে যেতেন। আর তিনি প্রত্যেক স্ত্রীর জন্যে পালাক্রমে রাত ও দিন ভাগ করে নিতেন। তবে যাম’আহ্র এর কন্যা সাওদাহ্ (রাঃ) তার পালার দিনটি ‘আয়িশা (রাঃ) কে দিয়ে দেন।
حدثنا أحمد بن عمرو بن السرح، أخبرنا ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، أن عروة بن الزبير، حدثه أن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا أراد سفرا أقرع بين نسائه فأيتهن خرج سهمها خرج بها معه وكان يقسم لكل امرأة منهن يومها وليلتها غير أن سودة بنت زمعة وهبت يومها لعائشة .
সুনানে আবু দাউদ ২১৩৫
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن أبي الزناد - عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال قالت عائشة يا ابن أختي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يفضل بعضنا على بعض في القسم من مكثه عندنا وكان قل يوم إلا وهو يطوف علينا جميعا فيدنو من كل امرأة من غير مسيس حتى يبلغ إلى التي هو يومها فيبيت عندها ولقد قالت سودة بنت زمعة حين أسنت وفرقت أن يفارقها رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله يومي لعائشة . فقبل ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم منها قالت نقول في ذلك أنزل الله تعالى وفي أشباهها أراه قال { وإن امرأة خافت من بعلها نشوزا } .
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, হে ভাগ্নে! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে অবস্থানের ব্যাপারে কাউকে কারো উপর প্রাধান্য দিতেন না। এমন দিন খুব কমই হয়েছে; যেদিন তিনি আমাদের কাছে আসতেন এবং সহবাস না করে সবার সাথে আলাপ করতেন। অতঃপর যার নিকট রাত যাপনের পালা হতো, তিনি সেখানে রাত যাপন করতেন। যখন সাওদা বিনতু যাম’আহ (রাঃ) বার্ধক্যে পোঁছলেন তখন আশংকা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হয়তো তাকে ত্যাগ করবেন, তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার পালার দিনটি ‘আয়িশাকে দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমরা বলতাম, এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেনঃ “যদি কোন নারী তার স্বামীর পক্ষ হতে উপেক্ষিত হওয়ার আশংকা করে.........” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১২৮)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, হে ভাগ্নে! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে অবস্থানের ব্যাপারে কাউকে কারো উপর প্রাধান্য দিতেন না। এমন দিন খুব কমই হয়েছে; যেদিন তিনি আমাদের কাছে আসতেন এবং সহবাস না করে সবার সাথে আলাপ করতেন। অতঃপর যার নিকট রাত যাপনের পালা হতো, তিনি সেখানে রাত যাপন করতেন। যখন সাওদা বিনতু যাম’আহ (রাঃ) বার্ধক্যে পোঁছলেন তখন আশংকা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হয়তো তাকে ত্যাগ করবেন, তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার পালার দিনটি ‘আয়িশাকে দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমরা বলতাম, এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেনঃ “যদি কোন নারী তার স্বামীর পক্ষ হতে উপেক্ষিত হওয়ার আশংকা করে.........” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১২৮)
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن أبي الزناد - عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال قالت عائشة يا ابن أختي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يفضل بعضنا على بعض في القسم من مكثه عندنا وكان قل يوم إلا وهو يطوف علينا جميعا فيدنو من كل امرأة من غير مسيس حتى يبلغ إلى التي هو يومها فيبيت عندها ولقد قالت سودة بنت زمعة حين أسنت وفرقت أن يفارقها رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله يومي لعائشة . فقبل ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم منها قالت نقول في ذلك أنزل الله تعالى وفي أشباهها أراه قال { وإن امرأة خافت من بعلها نشوزا } .
সুনানে আবু দাউদ ২১৩৫
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن أبي الزناد - عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال قالت عائشة يا ابن أختي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يفضل بعضنا على بعض في القسم من مكثه عندنا وكان قل يوم إلا وهو يطوف علينا جميعا فيدنو من كل امرأة من غير مسيس حتى يبلغ إلى التي هو يومها فيبيت عندها ولقد قالت سودة بنت زمعة حين أسنت وفرقت أن يفارقها رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله يومي لعائشة . فقبل ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم منها قالت نقول في ذلك أنزل الله تعالى وفي أشباهها أراه قال { وإن امرأة خافت من بعلها نشوزا } .
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, হে ভাগ্নে! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে অবস্থানের ব্যাপারে কাউকে কারো উপর প্রাধান্য দিতেন না। এমন দিন খুব কমই হয়েছে; যেদিন তিনি আমাদের কাছে আসতেন এবং সহবাস না করে সবার সাথে আলাপ করতেন। অতঃপর যার নিকট রাত যাপনের পালা হতো, তিনি সেখানে রাত যাপন করতেন। যখন সাওদা বিনতু যাম’আহ (রাঃ) বার্ধক্যে পোঁছলেন তখন আশংকা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হয়তো তাকে ত্যাগ করবেন, তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার পালার দিনটি ‘আয়িশাকে দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমরা বলতাম, এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেনঃ “যদি কোন নারী তার স্বামীর পক্ষ হতে উপেক্ষিত হওয়ার আশংকা করে.........” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১২৮)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, হে ভাগ্নে! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে অবস্থানের ব্যাপারে কাউকে কারো উপর প্রাধান্য দিতেন না। এমন দিন খুব কমই হয়েছে; যেদিন তিনি আমাদের কাছে আসতেন এবং সহবাস না করে সবার সাথে আলাপ করতেন। অতঃপর যার নিকট রাত যাপনের পালা হতো, তিনি সেখানে রাত যাপন করতেন। যখন সাওদা বিনতু যাম’আহ (রাঃ) বার্ধক্যে পোঁছলেন তখন আশংকা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হয়তো তাকে ত্যাগ করবেন, তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার পালার দিনটি ‘আয়িশাকে দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমরা বলতাম, এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেনঃ “যদি কোন নারী তার স্বামীর পক্ষ হতে উপেক্ষিত হওয়ার আশংকা করে.........” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১২৮)
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن أبي الزناد - عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال قالت عائشة يا ابن أختي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يفضل بعضنا على بعض في القسم من مكثه عندنا وكان قل يوم إلا وهو يطوف علينا جميعا فيدنو من كل امرأة من غير مسيس حتى يبلغ إلى التي هو يومها فيبيت عندها ولقد قالت سودة بنت زمعة حين أسنت وفرقت أن يفارقها رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله يومي لعائشة . فقبل ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم منها قالت نقول في ذلك أنزل الله تعالى وفي أشباهها أراه قال { وإن امرأة خافت من بعلها نشوزا } .
সুনানে আবু দাউদ ২১৩৫
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن أبي الزناد - عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال قالت عائشة يا ابن أختي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يفضل بعضنا على بعض في القسم من مكثه عندنا وكان قل يوم إلا وهو يطوف علينا جميعا فيدنو من كل امرأة من غير مسيس حتى يبلغ إلى التي هو يومها فيبيت عندها ولقد قالت سودة بنت زمعة حين أسنت وفرقت أن يفارقها رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله يومي لعائشة . فقبل ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم منها قالت نقول في ذلك أنزل الله تعالى وفي أشباهها أراه قال { وإن امرأة خافت من بعلها نشوزا } .
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, হে ভাগ্নে! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে অবস্থানের ব্যাপারে কাউকে কারো উপর প্রাধান্য দিতেন না। এমন দিন খুব কমই হয়েছে; যেদিন তিনি আমাদের কাছে আসতেন এবং সহবাস না করে সবার সাথে আলাপ করতেন। অতঃপর যার নিকট রাত যাপনের পালা হতো, তিনি সেখানে রাত যাপন করতেন। যখন সাওদা বিনতু যাম’আহ (রাঃ) বার্ধক্যে পোঁছলেন তখন আশংকা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হয়তো তাকে ত্যাগ করবেন, তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার পালার দিনটি ‘আয়িশাকে দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমরা বলতাম, এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেনঃ “যদি কোন নারী তার স্বামীর পক্ষ হতে উপেক্ষিত হওয়ার আশংকা করে.........” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১২৮)
হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ (রহঃ) হতে তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, হে ভাগ্নে! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাথে অবস্থানের ব্যাপারে কাউকে কারো উপর প্রাধান্য দিতেন না। এমন দিন খুব কমই হয়েছে; যেদিন তিনি আমাদের কাছে আসতেন এবং সহবাস না করে সবার সাথে আলাপ করতেন। অতঃপর যার নিকট রাত যাপনের পালা হতো, তিনি সেখানে রাত যাপন করতেন। যখন সাওদা বিনতু যাম’আহ (রাঃ) বার্ধক্যে পোঁছলেন তখন আশংকা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হয়তো তাকে ত্যাগ করবেন, তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার পালার দিনটি ‘আয়িশাকে দিলাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করলেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমরা বলতাম, এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেছেনঃ “যদি কোন নারী তার স্বামীর পক্ষ হতে উপেক্ষিত হওয়ার আশংকা করে.........” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১২৮)
حدثنا أحمد بن يونس، حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن أبي الزناد - عن هشام بن عروة، عن أبيه، قال قالت عائشة يا ابن أختي كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يفضل بعضنا على بعض في القسم من مكثه عندنا وكان قل يوم إلا وهو يطوف علينا جميعا فيدنو من كل امرأة من غير مسيس حتى يبلغ إلى التي هو يومها فيبيت عندها ولقد قالت سودة بنت زمعة حين أسنت وفرقت أن يفارقها رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رسول الله يومي لعائشة . فقبل ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم منها قالت نقول في ذلك أنزل الله تعالى وفي أشباهها أراه قال { وإن امرأة خافت من بعلها نشوزا } .
সুনানে আবু দাউদ ২১৩৬
حدثنا يحيى بن معين، ومحمد بن عيسى، - المعنى - قالا حدثنا عباد بن عباد، عن عاصم، عن معاذة، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يستأذننا إذا كان في يوم المرأة منا بعد ما نزلت { ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء } قالت معاذة فقلت لها ما كنت تقولين لرسول الله صلى الله عليه وسلم قالت كنت أقول إن كان ذلك إلى لم أوثر أحدا على نفسي .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (মহান আল্লাহর বাণীঃ) “তুমি তাদের মধ্যে যার সাথে ইচ্ছা (থাকতে) পারো এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছ থেকে দূরে রাখতে পারো” (সূরাহ আল-আহ্যাবঃ ৫১) এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে অবস্থানের দিনের বিষয়ে অনুমতি চাইতেন। মু’আযা (রহঃ) বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তখন আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কি বলতেন, তিনি বলেন, আমি বলতাম, পালার দিনটি আমার হলে আমি কাউকে আমার উপর অগ্রাধিকার দিব না।
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (মহান আল্লাহর বাণীঃ) “তুমি তাদের মধ্যে যার সাথে ইচ্ছা (থাকতে) পারো এবং যাকে ইচ্ছা তোমার কাছ থেকে দূরে রাখতে পারো” (সূরাহ আল-আহ্যাবঃ ৫১) এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে অবস্থানের দিনের বিষয়ে অনুমতি চাইতেন। মু’আযা (রহঃ) বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তখন আপনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কি বলতেন, তিনি বলেন, আমি বলতাম, পালার দিনটি আমার হলে আমি কাউকে আমার উপর অগ্রাধিকার দিব না।
حدثنا يحيى بن معين، ومحمد بن عيسى، - المعنى - قالا حدثنا عباد بن عباد، عن عاصم، عن معاذة، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يستأذننا إذا كان في يوم المرأة منا بعد ما نزلت { ترجي من تشاء منهن وتؤوي إليك من تشاء } قالت معاذة فقلت لها ما كنت تقولين لرسول الله صلى الله عليه وسلم قالت كنت أقول إن كان ذلك إلى لم أوثر أحدا على نفسي .
সুনানে আবু দাউদ ২১৩৩
حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن النضر بن أنس، عن بشير بن نهيك، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من كانت له امرأتان فمال إلى إحداهما جاء يوم القيامة وشقه مائل " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুই’জন স্ত্রী থাকা অবস্থায় তাদের একজনের প্রতি ঝুঁকে পড়ল, ক্বিয়ামাতের দিন সে পঙ্গু অবস্থায় উপস্থিত হবে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুই’জন স্ত্রী থাকা অবস্থায় তাদের একজনের প্রতি ঝুঁকে পড়ল, ক্বিয়ামাতের দিন সে পঙ্গু অবস্থায় উপস্থিত হবে।
حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا همام، حدثنا قتادة، عن النضر بن أنس، عن بشير بن نهيك، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من كانت له امرأتان فمال إلى إحداهما جاء يوم القيامة وشقه مائل " .
সুনানে আবু দাউদ ২১৩৪
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن عبد الله بن يزيد الخطمي، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقسم فيعدل ويقول " اللهم هذا قسمي فيما أملك فلا تلمني فيما تملك ولا أملك " . يعني القلب .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্ত্রীদের মধ্যে ইনসাফভিত্তিক বন্টন করে বলতেনঃ হে আল্লাহ! এটা আমার পক্ষ থেকে ইনসাফ, যেটুকু আমার সম্ভব হয়েছে। আর যা আপনার নিয়ন্ত্রণে এবং আমার সাধ্যের বাইরে, সেজন্য আমাকে অভিযুক্ত করবেন না। [২১৩৪] দুর্বলঃ মিশকাত (৩২৩৫), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪২৭), ইরওয়া (২০১৮), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৯৩/১১৫৫), যঈফ সুনান নাসায়ী (২৬১/৩৯৪৩)।
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্ত্রীদের মধ্যে ইনসাফভিত্তিক বন্টন করে বলতেনঃ হে আল্লাহ! এটা আমার পক্ষ থেকে ইনসাফ, যেটুকু আমার সম্ভব হয়েছে। আর যা আপনার নিয়ন্ত্রণে এবং আমার সাধ্যের বাইরে, সেজন্য আমাকে অভিযুক্ত করবেন না। [২১৩৪] দুর্বলঃ মিশকাত (৩২৩৫), যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৪২৭), ইরওয়া (২০১৮), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৯৩/১১৫৫), যঈফ সুনান নাসায়ী (২৬১/৩৯৪৩)।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن أيوب، عن أبي قلابة، عن عبد الله بن يزيد الخطمي، عن عائشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقسم فيعدل ويقول " اللهم هذا قسمي فيما أملك فلا تلمني فيما تملك ولا أملك " . يعني القلب .