সুনানে আবু দাউদ > জন্মগ্রহণের আগেই বিয়ে দেয়া
সুনানে আবু দাউদ ২১০৪
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني إبراهيم بن ميسرة، أن خالته، أخبرته عن امرأة، قالت هي مصدقة امرأة صدق قالت بينا أبي في غزاة في الجاهلية إذ رمضوا فقال رجل من يعطيني نعليه وأنكحه أول بنت تولد لي فخلع أبي نعليه فألقاهما إليه فولدت له جارية فبلغت وذكر نحوه ولم يذكر قصة القتير .
ইবরাহীম ইবনু মাইসারার (রহঃ) খালা হতে জনৈক মহিলা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমার পিতা এক যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন এবং তাতে বালির গরমে চলাফেরা অসহনীয় হয়ে পড়ে। তখন এক ব্যক্তি বললো, কে আমাকে তার জুতাজোড়া দিবে? এর বিনিময়ে আমার সর্বপ্রথম যে কন্যাটি জন্মলাভ করবে, তাকে তার সাথে বিয়ে দিবো। এ কথা শুনে আমার পিতা তার জুতাজোড়া তাকে দিলেন। অতঃপর তার একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করলো এবং সে সাবালিকাও হলো। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন তবে এতে ‘আল-কাতীর’ শব্দটি উল্লেখ নেই। [২১০৪]
ইবরাহীম ইবনু মাইসারার (রহঃ) খালা হতে জনৈক মহিলা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমার পিতা এক যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন এবং তাতে বালির গরমে চলাফেরা অসহনীয় হয়ে পড়ে। তখন এক ব্যক্তি বললো, কে আমাকে তার জুতাজোড়া দিবে? এর বিনিময়ে আমার সর্বপ্রথম যে কন্যাটি জন্মলাভ করবে, তাকে তার সাথে বিয়ে দিবো। এ কথা শুনে আমার পিতা তার জুতাজোড়া তাকে দিলেন। অতঃপর তার একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করলো এবং সে সাবালিকাও হলো। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন তবে এতে ‘আল-কাতীর’ শব্দটি উল্লেখ নেই। [২১০৪]
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني إبراهيم بن ميسرة، أن خالته، أخبرته عن امرأة، قالت هي مصدقة امرأة صدق قالت بينا أبي في غزاة في الجاهلية إذ رمضوا فقال رجل من يعطيني نعليه وأنكحه أول بنت تولد لي فخلع أبي نعليه فألقاهما إليه فولدت له جارية فبلغت وذكر نحوه ولم يذكر قصة القتير .
সুনানে আবু দাউদ ২১০৩
حدثنا الحسن بن علي، ومحمد بن المثنى، - المعنى - قالا حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا عبد الله بن يزيد بن مقسم الثقفي، - من أهل الطائف - حدثتني سارة بنت مقسم، أنها سمعت ميمونة بنت كردم، قالت خرجت مع أبي في حجة رسول الله صلى الله عليه وسلم فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فدنا إليه أبي وهو على ناقة له فوقف له واستمع منه ومعه درة كدرة الكتاب فسمعت الأعراب والناس وهم يقولون الطبطبية الطبطبية الطبطبية فدنا إليه أبي فأخذ بقدمه فأقر له ووقف عليه واستمع منه فقال إني حضرت جيش عثران - قال ابن المثنى جيش غثران - فقال طارق بن المرقع من يعطيني رمحا بثوابه قلت وما ثوابه قال أزوجه أول بنت تكون لي . فأعطيته رمحي ثم غبت عنه حتى علمت أنه قد ولد له جارية وبلغت ثم جئته فقلت له أهلي جهزهن إلى . فحلف أن لا يفعل حتى أصدقه صداقا جديدا غير الذي كان بيني وبينه وحلفت لا أصدق غير الذي أعطيته فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وبقرن أى النساء هي اليوم " . قال قد رأت القتير . قال " أرى أن تتركها " . قال فراعني ذلك ونظرت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأى ذلك مني قال " لا تأثم ولا يأثم صاحبك " . قال أبو داود القتير الشيب .
সারাহ বিনতু মিক্বসাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মায়মূনা বিনতু কারদাম (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের বছরে আমি আমার পিতার সাথে বের হলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখে আমার পিতা তাঁর নিকট উপস্থিত হলেন। এ সময় তিনি তাঁর উষ্ট্রীর উপর ছিলেন এবং তাঁর সাথে ছিলো শিক্ষকদের হাতে যেরূপ দোররা থাকে সেরূপ দোররা। এ সময় আমি আরব ও অন্যান্যদের বলতে শুনলাম, দোররা থেকে দূরে থাকো, দোররা থেকে দূরে থাকো, দোররা থেকে দূরে থাকো। অতঃপর আমার পিতা তাঁর কাছে গিয়েই তাঁর পা দু’খানা জড়িয়ে ধরে তাঁর রিসালাতের স্বীকৃতি দেন, তার কাছে অবস্থান করেন এবং তার কথা শুনেন। আমার পিতা বলেন, আমি (জাহেলী যুগে) ‘আসরান’ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। ইবনুল মুসান্নার বর্ণনায় রয়েছে ‘গাস্রান’। তখন তারিক ইবনুল মুরাক্কা’ বললো, আামাকে এর বিনিময়ে কে একটি তীর দিবে? আমি বললাম, এর বিনিময় কি? সে বললো, আমার সর্বপ্রথম যে কন্যাটি জন্মগ্রহণ করবে তাকে তার সাথে বিয়ে দিবো। আমি আমার তীরটি তাকে দিলাম। এরপর আমি তাদের কাছ থেকে চলে গেলাম। পরে আমি জানতে পারলাম, তার কন্যা সন্তান জন্ম হয়েছে এবং সে সাবালিকাও হয়েছে। অতঃপর আমি তার নিকট গিয়ে বললাম, আমার স্ত্রী আমাকে দিন। সুতরাং তারা তাকে আমার নিকট সোপর্দ করতে প্রস্তুতি নিলো। কিন্তু সে (পিতা) শপথ করে বললো, অতিরিক্ত কিছু মোহর না দিলে কন্যাকে দিবো না। অপরদিকে আমিও শপথ করি, তাকে পূর্বে যা দিয়েছি, তা ছাড়া অতিরিক্ত কিছু দিবো না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বর্তমানে সে একজন মহিলা। হয়তো সে তোমাকে (বৃদ্ধ) দেখেছে। তিনি আরো বললেনঃ আমার ইচ্ছা, তুমি তাকে ত্যাগ করো। তিনি (কারদাম) বলেন, আমি আমার শপথের জন্য ভীত হলাম এবং রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দিকে তাকালাম। তিনি আমার অবস্থা অনুধাবন করে বললেনঃ (শপথের কারণে) তোমার কোন গুনাহ হবে না এবং তোমার প্রতিপক্ষেরও কোন গুনাহ হবে না। [২১০৩]
সারাহ বিনতু মিক্বসাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি মায়মূনা বিনতু কারদাম (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের বছরে আমি আমার পিতার সাথে বের হলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখে আমার পিতা তাঁর নিকট উপস্থিত হলেন। এ সময় তিনি তাঁর উষ্ট্রীর উপর ছিলেন এবং তাঁর সাথে ছিলো শিক্ষকদের হাতে যেরূপ দোররা থাকে সেরূপ দোররা। এ সময় আমি আরব ও অন্যান্যদের বলতে শুনলাম, দোররা থেকে দূরে থাকো, দোররা থেকে দূরে থাকো, দোররা থেকে দূরে থাকো। অতঃপর আমার পিতা তাঁর কাছে গিয়েই তাঁর পা দু’খানা জড়িয়ে ধরে তাঁর রিসালাতের স্বীকৃতি দেন, তার কাছে অবস্থান করেন এবং তার কথা শুনেন। আমার পিতা বলেন, আমি (জাহেলী যুগে) ‘আসরান’ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। ইবনুল মুসান্নার বর্ণনায় রয়েছে ‘গাস্রান’। তখন তারিক ইবনুল মুরাক্কা’ বললো, আামাকে এর বিনিময়ে কে একটি তীর দিবে? আমি বললাম, এর বিনিময় কি? সে বললো, আমার সর্বপ্রথম যে কন্যাটি জন্মগ্রহণ করবে তাকে তার সাথে বিয়ে দিবো। আমি আমার তীরটি তাকে দিলাম। এরপর আমি তাদের কাছ থেকে চলে গেলাম। পরে আমি জানতে পারলাম, তার কন্যা সন্তান জন্ম হয়েছে এবং সে সাবালিকাও হয়েছে। অতঃপর আমি তার নিকট গিয়ে বললাম, আমার স্ত্রী আমাকে দিন। সুতরাং তারা তাকে আমার নিকট সোপর্দ করতে প্রস্তুতি নিলো। কিন্তু সে (পিতা) শপথ করে বললো, অতিরিক্ত কিছু মোহর না দিলে কন্যাকে দিবো না। অপরদিকে আমিও শপথ করি, তাকে পূর্বে যা দিয়েছি, তা ছাড়া অতিরিক্ত কিছু দিবো না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বর্তমানে সে একজন মহিলা। হয়তো সে তোমাকে (বৃদ্ধ) দেখেছে। তিনি আরো বললেনঃ আমার ইচ্ছা, তুমি তাকে ত্যাগ করো। তিনি (কারদাম) বলেন, আমি আমার শপথের জন্য ভীত হলাম এবং রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দিকে তাকালাম। তিনি আমার অবস্থা অনুধাবন করে বললেনঃ (শপথের কারণে) তোমার কোন গুনাহ হবে না এবং তোমার প্রতিপক্ষেরও কোন গুনাহ হবে না। [২১০৩]
حدثنا الحسن بن علي، ومحمد بن المثنى، - المعنى - قالا حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا عبد الله بن يزيد بن مقسم الثقفي، - من أهل الطائف - حدثتني سارة بنت مقسم، أنها سمعت ميمونة بنت كردم، قالت خرجت مع أبي في حجة رسول الله صلى الله عليه وسلم فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فدنا إليه أبي وهو على ناقة له فوقف له واستمع منه ومعه درة كدرة الكتاب فسمعت الأعراب والناس وهم يقولون الطبطبية الطبطبية الطبطبية فدنا إليه أبي فأخذ بقدمه فأقر له ووقف عليه واستمع منه فقال إني حضرت جيش عثران - قال ابن المثنى جيش غثران - فقال طارق بن المرقع من يعطيني رمحا بثوابه قلت وما ثوابه قال أزوجه أول بنت تكون لي . فأعطيته رمحي ثم غبت عنه حتى علمت أنه قد ولد له جارية وبلغت ثم جئته فقلت له أهلي جهزهن إلى . فحلف أن لا يفعل حتى أصدقه صداقا جديدا غير الذي كان بيني وبينه وحلفت لا أصدق غير الذي أعطيته فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " وبقرن أى النساء هي اليوم " . قال قد رأت القتير . قال " أرى أن تتركها " . قال فراعني ذلك ونظرت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأى ذلك مني قال " لا تأثم ولا يأثم صاحبك " . قال أبو داود القتير الشيب .
সুনানে আবু দাউদ > মোহরানা সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ২১০৮
حدثنا محمد بن حاتم بن بزيع، حدثنا علي بن الحسن بن شقيق، عن ابن المبارك، عن يونس، عن الزهري، أن النجاشي، زوج أم حبيبة بنت أبي سفيان من رسول الله صلى الله عليه وسلم على صداق أربعة آلاف درهم وكتب بذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقبل .
আয-যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আন-নাজ্জাশী (রহঃ) আবূ সুফিয়ানের-কন্যা উম্মু হাবীবাহ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে বিয়ে দেন এবং এতে মোহর ধার্য করেন চার হাজার দিরহাম। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষয়টি লিখিতভাবে অবহিত করলে তিনি তা কবুল করেন। [২১০৮]
আয-যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আন-নাজ্জাশী (রহঃ) আবূ সুফিয়ানের-কন্যা উম্মু হাবীবাহ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে বিয়ে দেন এবং এতে মোহর ধার্য করেন চার হাজার দিরহাম। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষয়টি লিখিতভাবে অবহিত করলে তিনি তা কবুল করেন। [২১০৮]
حدثنا محمد بن حاتم بن بزيع، حدثنا علي بن الحسن بن شقيق، عن ابن المبارك، عن يونس، عن الزهري، أن النجاشي، زوج أم حبيبة بنت أبي سفيان من رسول الله صلى الله عليه وسلم على صداق أربعة آلاف درهم وكتب بذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقبل .
সুনানে আবু দাউদ ২১০৫
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، حدثنا يزيد بن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، قال سألت عائشة - رضى الله عنها - عن صداق النبي صلى الله عليه وسلم قالت ثنتا عشرة أوقية ونش . فقلت وما نش قالت نصف أوقية .
আবূ সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (স্ত্রীদের) মোহরানা সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘বারো ঊকিয়া ও এক নাস্স।’ আমি বললাম, ‘নাস্স্’ কি? তিনি বললেন, এক ঊকিয়ার অর্ধেক।
আবূ সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (স্ত্রীদের) মোহরানা সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘বারো ঊকিয়া ও এক নাস্স।’ আমি বললাম, ‘নাস্স্’ কি? তিনি বললেন, এক ঊকিয়ার অর্ধেক।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، حدثنا يزيد بن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، قال سألت عائشة - رضى الله عنها - عن صداق النبي صلى الله عليه وسلم قالت ثنتا عشرة أوقية ونش . فقلت وما نش قالت نصف أوقية .
সুনানে আবু দাউদ ২১০৬
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن محمد، عن أبي العجفاء السلمي، قال خطبنا عمر رحمه الله فقال ألا لا تغالوا بصدق النساء فإنها لو كانت مكرمة في الدنيا أو تقوى عند الله لكان أولاكم بها النبي صلى الله عليه وسلم ما أصدق رسول الله صلى الله عليه وسلم امرأة من نسائه ولا أصدقت امرأة من بناته أكثر من ثنتى عشرة أوقية .
আবুল আজফা আস্-সুলামী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘উমার (রাঃ) আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেন, সাবধান! তোমরা নারীদের মোহর নির্ধারণে সীমালঙ্ঘন করো না। কারণ যদি তা দুনিয়ার মর্যাদার বস্তু হতো এবং আল্লাহর নিকট পরহেজগারীর বস্তু হতো, তবে তোমাদের চেয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এর যোগ্যতম ব্যক্তি। অথচ তিনি তাঁর স্ত্রীদের কারো মোহর এবং তাঁর কন্যাদের কারো মোহর বারো ঊকিয়ার অধিক ধার্য করেননি।
আবুল আজফা আস্-সুলামী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ‘উমার (রাঃ) আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেন, সাবধান! তোমরা নারীদের মোহর নির্ধারণে সীমালঙ্ঘন করো না। কারণ যদি তা দুনিয়ার মর্যাদার বস্তু হতো এবং আল্লাহর নিকট পরহেজগারীর বস্তু হতো, তবে তোমাদের চেয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এর যোগ্যতম ব্যক্তি। অথচ তিনি তাঁর স্ত্রীদের কারো মোহর এবং তাঁর কন্যাদের কারো মোহর বারো ঊকিয়ার অধিক ধার্য করেননি।
حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن محمد، عن أبي العجفاء السلمي، قال خطبنا عمر رحمه الله فقال ألا لا تغالوا بصدق النساء فإنها لو كانت مكرمة في الدنيا أو تقوى عند الله لكان أولاكم بها النبي صلى الله عليه وسلم ما أصدق رسول الله صلى الله عليه وسلم امرأة من نسائه ولا أصدقت امرأة من بناته أكثر من ثنتى عشرة أوقية .
সুনানে আবু দাউদ ২১০৭
حدثنا حجاج بن أبي يعقوب الثقفي، حدثنا معلى بن منصور، حدثنا ابن المبارك، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن أم حبيبة، أنها كانت تحت عبيد الله بن جحش فمات بأرض الحبشة فزوجها النجاشي النبي صلى الله عليه وسلم وأمهرها عنه أربعة آلاف وبعث بها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم مع شرحبيل ابن حسنة . قال أبو داود حسنة هي أمه .
উম্মুল মুমিনীন উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ছিলেন ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু জাহশের স্ত্রী। অতঃপর ‘উবাইদুল্লাহ হাবশায় মারা গেলে হাবশার বাদশা নাজ্জাশী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে তাঁর বিয়ে দেন এবং তাঁর পক্ষ হতে মোহর আদায় করেন। অতঃপর তিনি তাকে শুরাহবীল ইবনু হাসানাহ্র মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠিয়ে দেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাসানাহ হলেন শুরাহবীলের মা।
উম্মুল মুমিনীন উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ছিলেন ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু জাহশের স্ত্রী। অতঃপর ‘উবাইদুল্লাহ হাবশায় মারা গেলে হাবশার বাদশা নাজ্জাশী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে তাঁর বিয়ে দেন এবং তাঁর পক্ষ হতে মোহর আদায় করেন। অতঃপর তিনি তাকে শুরাহবীল ইবনু হাসানাহ্র মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠিয়ে দেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাসানাহ হলেন শুরাহবীলের মা।
حدثنا حجاج بن أبي يعقوب الثقفي، حدثنا معلى بن منصور، حدثنا ابن المبارك، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن أم حبيبة، أنها كانت تحت عبيد الله بن جحش فمات بأرض الحبشة فزوجها النجاشي النبي صلى الله عليه وسلم وأمهرها عنه أربعة آلاف وبعث بها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم مع شرحبيل ابن حسنة . قال أبو داود حسنة هي أمه .
সুনানে আবু দাউদ > মোহরের সর্বনিম্ন পরিমাণ
সুনানে আবু দাউদ ২১০৯
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن ثابت البناني، وحميد، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى عبد الرحمن بن عوف وعليه ردع زعفران فقال النبي صلى الله عليه وسلم " مهيم " . فقال يا رسول الله تزوجت امرأة . قال " ما أصدقتها " . قال وزن نواة من ذهب . قال " أولم ولو بشاة " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফের (রাঃ) শরীরে জা‘ফরানের চিহ্ন দেখতে পেয়ে বললেন, এটা কি? তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এক মহিলাকে বিয়ে করেছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তাকে কি পরিমাণ মোহর প্রদান করেছো? তিনি বলেন, খেজুরের আঁটির সমপরিমাণ ওজনের স্বর্ণ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বিবাহভোজের আয়োজন করো, যদিও তা একটি বকরী দ্বারাও হয়।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফের (রাঃ) শরীরে জা‘ফরানের চিহ্ন দেখতে পেয়ে বললেন, এটা কি? তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি এক মহিলাকে বিয়ে করেছি। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তাকে কি পরিমাণ মোহর প্রদান করেছো? তিনি বলেন, খেজুরের আঁটির সমপরিমাণ ওজনের স্বর্ণ। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বিবাহভোজের আয়োজন করো, যদিও তা একটি বকরী দ্বারাও হয়।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن ثابت البناني، وحميد، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم رأى عبد الرحمن بن عوف وعليه ردع زعفران فقال النبي صلى الله عليه وسلم " مهيم " . فقال يا رسول الله تزوجت امرأة . قال " ما أصدقتها " . قال وزن نواة من ذهب . قال " أولم ولو بشاة " .
সুনানে আবু দাউদ ২১১০
حدثنا إسحاق بن جبريل البغدادي، أخبرنا يزيد، أخبرنا موسى بن مسلم بن رومان، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من أعطى في صداق امرأة ملء كفيه سويقا أو تمرا فقد استحل " . قال أبو داود رواه عبد الرحمن بن مهدي عن صالح بن رومان عن أبي الزبير عن جابر موقوفا ورواه أبو عاصم عن صالح بن رومان عن أبي الزبير عن جابر قال كنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم نستمتع بالقبضة من الطعام على معنى المتعة . قال أبو داود رواه ابن جريج عن أبي الزبير عن جابر على معنى أبي عاصم .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি মোহর হিসেবে এক মুষ্টি ছাতু অথবা খোরমা দিলে তার বিয়ে বৈধ। [২১১০] দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (৫৪৫৩), মিশকাত (৩২০৫)। জাবির (রাঃ) অপর একটি হাদীসে বর্ণনা করেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সময় এক মুষ্টি খাদ্যের বিনিময়ে ফায়দা ভোগ করতাম। এরূপ হতো মুত‘আহ বিবাহের ক্ষেত্রে। আবূ দাঊদ বলেন, ইবনু জুরাইজ আবুয-যুবাইরের উদ্ধৃতি দিয়ে জাবির (রাঃ) সূত্রে আবূ ‘আসিমের অনুরূপ অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। সহীহ।
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি মোহর হিসেবে এক মুষ্টি ছাতু অথবা খোরমা দিলে তার বিয়ে বৈধ। [২১১০] দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (৫৪৫৩), মিশকাত (৩২০৫)। জাবির (রাঃ) অপর একটি হাদীসে বর্ণনা করেন, আমরা রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সময় এক মুষ্টি খাদ্যের বিনিময়ে ফায়দা ভোগ করতাম। এরূপ হতো মুত‘আহ বিবাহের ক্ষেত্রে। আবূ দাঊদ বলেন, ইবনু জুরাইজ আবুয-যুবাইরের উদ্ধৃতি দিয়ে জাবির (রাঃ) সূত্রে আবূ ‘আসিমের অনুরূপ অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। সহীহ।
حدثنا إسحاق بن جبريل البغدادي، أخبرنا يزيد، أخبرنا موسى بن مسلم بن رومان، عن أبي الزبير، عن جابر بن عبد الله، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من أعطى في صداق امرأة ملء كفيه سويقا أو تمرا فقد استحل " . قال أبو داود رواه عبد الرحمن بن مهدي عن صالح بن رومان عن أبي الزبير عن جابر موقوفا ورواه أبو عاصم عن صالح بن رومان عن أبي الزبير عن جابر قال كنا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم نستمتع بالقبضة من الطعام على معنى المتعة . قال أبو داود رواه ابن جريج عن أبي الزبير عن جابر على معنى أبي عاصم .
সুনানে আবু দাউদ > কাজের বিনিময়ে বিয়ে
সুনানে আবু দাউদ ২১১১
حدثني القعنبي، عن مالك، عن أبي حازم بن دينار، عن سهل بن سعد الساعدي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاءته امرأة فقالت يا رسول الله إني قد وهبت نفسي لك . فقامت قياما طويلا فقام رجل فقال يا رسول الله زوجنيها إن لم يكن لك بها حاجة . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هل عندك من شىء تصدقها إياه " . فقال ما عندي إلا إزاري هذا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنك إن أعطيتها إزارك جلست ولا إزار لك فالتمس شيئا " . قال لا أجد شيئا . قال " فالتمس ولو خاتما من حديد " . فالتمس فلم يجد شيئا فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " فهل معك من القرآن شىء " . قال نعم سورة كذا وسورة كذا . لسور سماها . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " قد زوجتكها بما معك من القرآن " .
সাহল ইবনু সা’দ আস সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট জনৈক মহিলা এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমাকে বিয়ে করার জন্য আপনার সমীপে সমর্পণ করলাম। এরপর সে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলো। তখন এক (আনসারী) ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! তাকে আমার সাথে বিয়ে দিন, যদি তাকে আপনার প্রয়োজন না থাকে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তাকে মোহরানা দেওয়ার জন্য তোমার নিকট কিছু আছে কি? সে বললো, আমার এই পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া আমার কাছে আর কিছুই নেই। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার পরিধেয় বস্ত্র দিলে তো তোমাকে (ঘরেই) বসে থাকতে হবে। যেহেতু তোমার কাছে অন্য কোনো বস্ত্র নেই। কাজেই খুঁজে দেখ, কিছু পাও কিনা? সে বললো, আমি কিছুই পাচ্ছি না। তিনি আবার বললেনঃ খুঁজে দেখো, যদিও একটি লোহার আংটিও হয়। সে খোঁজ করলো, কিন্তু কিছুই পেলো না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি কুরআনের কিছু মুখস্ত জানো? সে বললো, হ্যাঁ আমার অমুক অমুক সূরাহ, কয়েকটি সূরার নাম উল্লেখ করে বললো, এগুলো মুখস্ত আছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কুরআনের যেটুকু মুখস্ত জানো, তার বিনিময়ে আমি তোমার সাথে তাকে বিয়ে দিলাম।
সাহল ইবনু সা’দ আস সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট জনৈক মহিলা এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমাকে বিয়ে করার জন্য আপনার সমীপে সমর্পণ করলাম। এরপর সে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলো। তখন এক (আনসারী) ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! তাকে আমার সাথে বিয়ে দিন, যদি তাকে আপনার প্রয়োজন না থাকে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তাকে মোহরানা দেওয়ার জন্য তোমার নিকট কিছু আছে কি? সে বললো, আমার এই পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া আমার কাছে আর কিছুই নেই। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমার পরিধেয় বস্ত্র দিলে তো তোমাকে (ঘরেই) বসে থাকতে হবে। যেহেতু তোমার কাছে অন্য কোনো বস্ত্র নেই। কাজেই খুঁজে দেখ, কিছু পাও কিনা? সে বললো, আমি কিছুই পাচ্ছি না। তিনি আবার বললেনঃ খুঁজে দেখো, যদিও একটি লোহার আংটিও হয়। সে খোঁজ করলো, কিন্তু কিছুই পেলো না। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কি কুরআনের কিছু মুখস্ত জানো? সে বললো, হ্যাঁ আমার অমুক অমুক সূরাহ, কয়েকটি সূরার নাম উল্লেখ করে বললো, এগুলো মুখস্ত আছে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি কুরআনের যেটুকু মুখস্ত জানো, তার বিনিময়ে আমি তোমার সাথে তাকে বিয়ে দিলাম।
حدثني القعنبي، عن مالك، عن أبي حازم بن دينار، عن سهل بن سعد الساعدي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم جاءته امرأة فقالت يا رسول الله إني قد وهبت نفسي لك . فقامت قياما طويلا فقام رجل فقال يا رسول الله زوجنيها إن لم يكن لك بها حاجة . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هل عندك من شىء تصدقها إياه " . فقال ما عندي إلا إزاري هذا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنك إن أعطيتها إزارك جلست ولا إزار لك فالتمس شيئا " . قال لا أجد شيئا . قال " فالتمس ولو خاتما من حديد " . فالتمس فلم يجد شيئا فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " فهل معك من القرآن شىء " . قال نعم سورة كذا وسورة كذا . لسور سماها . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " قد زوجتكها بما معك من القرآن " .
সুনানে আবু দাউদ ২১১২
حدثنا أحمد بن حفص بن عبد الله، حدثني أبي حفص بن عبد الله، حدثني إبراهيم بن طهمان، عن الحجاج بن الحجاج الباهلي، عن عسل، عن عطاء بن أبي رباح، عن أبي هريرة، نحو هذه القصة لم يذكر الإزار والخاتم فقال " ما تحفظ من القرآن " . قال سورة البقرة أو التي تليها . قال " فقم فعلمها عشرين آية وهي امرأتك " .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে এতে পরিধেয় বস্ত্র ও আংটির কথা নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বলেনঃ তুমি কুরআনের কতটুকু মুখস্ত জানো? সে বললো, সূরা আল-বাকারাহ অথবা পরবর্তী সূরাহ। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি তাকে বিশটি আয়াত শিক্ষা দাও এবং সে তোমার স্ত্রী। [২১১২]
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে এতে পরিধেয় বস্ত্র ও আংটির কথা নেই। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বলেনঃ তুমি কুরআনের কতটুকু মুখস্ত জানো? সে বললো, সূরা আল-বাকারাহ অথবা পরবর্তী সূরাহ। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি তাকে বিশটি আয়াত শিক্ষা দাও এবং সে তোমার স্ত্রী। [২১১২]
حدثنا أحمد بن حفص بن عبد الله، حدثني أبي حفص بن عبد الله، حدثني إبراهيم بن طهمان، عن الحجاج بن الحجاج الباهلي، عن عسل، عن عطاء بن أبي رباح، عن أبي هريرة، نحو هذه القصة لم يذكر الإزار والخاتم فقال " ما تحفظ من القرآن " . قال سورة البقرة أو التي تليها . قال " فقم فعلمها عشرين آية وهي امرأتك " .
সুনানে আবু দাউদ ২১১৩
حدثنا هارون بن زيد بن أبي الزرقاء، حدثنا أبي، حدثنا محمد بن راشد، عن مكحول، نحو خبر سهل قال وكان مكحول يقول ليس ذلك لأحد بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم .
মাকহুল (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
সাহল (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। মাকহুল (রহঃ) বলতেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পরে কারোর জন্য মোহর ছাড়া বিয়ে জায়েয নয়। [২১১৩]
মাকহুল (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
সাহল (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। মাকহুল (রহঃ) বলতেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পরে কারোর জন্য মোহর ছাড়া বিয়ে জায়েয নয়। [২১১৩]
حدثنا هارون بن زيد بن أبي الزرقاء، حدثنا أبي، حدثنا محمد بن راشد، عن مكحول، نحو خبر سهل قال وكان مكحول يقول ليس ذلك لأحد بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم .