সুনানে আবু দাউদ > স্বামীহীনা (তালাক্ব প্রাপ্তা বা বিধবা) নারী প্রসঙ্গে

সুনানে আবু দাউদ ২০৯৮

حدثنا أحمد بن يونس، وعبد الله بن مسلمة، قالا أخبرنا مالك، عن عبد الله بن الفضل، عن نافع بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الأيم أحق بنفسها من وليها والبكر تستأذن في نفسها وإذنها صماتها ‏"‏ ‏.‏ وهذا لفظ القعنبي ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিধবা মহিলা (বিয়ের ব্যাপারে) তার অভিভাবকের চেয়ে নিজেই অধিক হকদার এবং কুমারীর বিয়ের ব্যাপারে তার সম্মতি নিতে হবে, তার নীরব থাকা সম্মতি গণ্য হবে। হাদীসের মূল পাঠ আল-কা‘নাবীর।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিধবা মহিলা (বিয়ের ব্যাপারে) তার অভিভাবকের চেয়ে নিজেই অধিক হকদার এবং কুমারীর বিয়ের ব্যাপারে তার সম্মতি নিতে হবে, তার নীরব থাকা সম্মতি গণ্য হবে। হাদীসের মূল পাঠ আল-কা‘নাবীর।

حدثنا أحمد بن يونس، وعبد الله بن مسلمة، قالا أخبرنا مالك، عن عبد الله بن الفضل، عن نافع بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ الأيم أحق بنفسها من وليها والبكر تستأذن في نفسها وإذنها صماتها ‏"‏ ‏.‏ وهذا لفظ القعنبي ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২১০০

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن صالح بن كيسان، عن نافع بن جبير بن مطعم، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ليس للولي مع الثيب أمر واليتيمة تستأمر وصمتها إقرارها ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিধবা নারীর উপর তার অভিভাবকের কোন কর্তৃত্ব নাই, আর ইয়াতীম কুমারী মেয়ে থেকে অনুমতি নিতে হবে এবং তার চুপ থাকাই তার সম্মতি।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিধবা নারীর উপর তার অভিভাবকের কোন কর্তৃত্ব নাই, আর ইয়াতীম কুমারী মেয়ে থেকে অনুমতি নিতে হবে এবং তার চুপ থাকাই তার সম্মতি।

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن صالح بن كيسان، عن نافع بن جبير بن مطعم، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ليس للولي مع الثيب أمر واليتيمة تستأمر وصمتها إقرارها ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২১০১

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عبد الرحمن، ومجمع، ابنى يزيد الأنصاريين عن خنساء بنت خدام الأنصارية، أن أباها، زوجها وهي ثيب فكرهت ذلك فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فرد نكاحها ‏.‏

খানসাআ বিনতু খিযাম আল-আনসারিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার পিতা তাকে বিয়ে দেন তখন তিনি বয়স্কা (সাবালিকা)। তিনি এ বিয়ে অপছন্দ করলেন। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে অভিযোগ করলে তিনি তার এ বিয়ে বাতিল করে দেন।

খানসাআ বিনতু খিযাম আল-আনসারিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার পিতা তাকে বিয়ে দেন তখন তিনি বয়স্কা (সাবালিকা)। তিনি এ বিয়ে অপছন্দ করলেন। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে এসে অভিযোগ করলে তিনি তার এ বিয়ে বাতিল করে দেন।

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن عبد الرحمن، ومجمع، ابنى يزيد الأنصاريين عن خنساء بنت خدام الأنصارية، أن أباها، زوجها وهي ثيب فكرهت ذلك فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فرد نكاحها ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০৯৯

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا سفيان، عن زياد بن سعد، عن عبد الله بن الفضل، بإسناده ومعناه قال ‏"‏ الثيب أحق بنفسها من وليها والبكر يستأمرها أبوها ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏"‏ أبوها ‏"‏ ‏.‏ ليس بمحفوظ ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনুল ফাদল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ অর্থে বর্ণিত। বিধবা নারী (নিজের বিয়ের ব্যাপারে) তার অভিভাবকের চাইতে নিজেই অধিক কর্তৃত্বসম্পন্ন। আর কুমারী মেয়ে থেকে তার পিতা সম্মতি নিবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাদীসের ‘আবুহা’ (তার পিতা) শব্দটি সংরক্ষিত নয়। সহীহঃ পিতার কথা উল্লেখ বাদে (আরবী) শব্দে। ইরওয়া (১৮৩৩)।

‘আবদুল্লাহ ইবনুল ফাদল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উক্ত সানাদে অনুরূপ অর্থে বর্ণিত। বিধবা নারী (নিজের বিয়ের ব্যাপারে) তার অভিভাবকের চাইতে নিজেই অধিক কর্তৃত্বসম্পন্ন। আর কুমারী মেয়ে থেকে তার পিতা সম্মতি নিবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাদীসের ‘আবুহা’ (তার পিতা) শব্দটি সংরক্ষিত নয়। সহীহঃ পিতার কথা উল্লেখ বাদে (আরবী) শব্দে। ইরওয়া (১৮৩৩)।

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا سفيان، عن زياد بن سعد، عن عبد الله بن الفضل، بإسناده ومعناه قال ‏"‏ الثيب أحق بنفسها من وليها والبكر يستأمرها أبوها ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ‏"‏ أبوها ‏"‏ ‏.‏ ليس بمحفوظ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > সমতা

সুনানে আবু দাউদ ২১০২

حدثنا عبد الواحد بن غياث، حدثنا حماد، حدثنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن أبا هند، حجم النبي صلى الله عليه وسلم في اليافوخ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا بني بياضة أنكحوا أبا هند وانكحوا إليه ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ وإن كان في شىء مما تداوون به خير فالحجامة ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আবূ হিন্দ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মাথার তালুতে শিংগা লাগান। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে বায়াদাহ গোত্রের লোকেরা! তোমাদের গোত্রের একটি মেয়ে আবূ হিন্দের কাছে বিয়ে দাও। ফলে তারা তাদের একটি কন্যা তার কাছে বিয়ে দিলো। তিনি বললেনঃ তোমরা যেসব চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করো সেসবের কোনটিতে উপকার থাকলে তা শিংগা লাগানোতেই রয়েছে।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আবূ হিন্দ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর মাথার তালুতে শিংগা লাগান। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে বায়াদাহ গোত্রের লোকেরা! তোমাদের গোত্রের একটি মেয়ে আবূ হিন্দের কাছে বিয়ে দাও। ফলে তারা তাদের একটি কন্যা তার কাছে বিয়ে দিলো। তিনি বললেনঃ তোমরা যেসব চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করো সেসবের কোনটিতে উপকার থাকলে তা শিংগা লাগানোতেই রয়েছে।

حدثنا عبد الواحد بن غياث، حدثنا حماد، حدثنا محمد بن عمرو، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، أن أبا هند، حجم النبي صلى الله عليه وسلم في اليافوخ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا بني بياضة أنكحوا أبا هند وانكحوا إليه ‏"‏ ‏.‏ قال ‏"‏ وإن كان في شىء مما تداوون به خير فالحجامة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > জন্মগ্রহণের আগেই বিয়ে দেয়া

সুনানে আবু দাউদ ২১০৪

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني إبراهيم بن ميسرة، أن خالته، أخبرته عن امرأة، قالت هي مصدقة امرأة صدق قالت بينا أبي في غزاة في الجاهلية إذ رمضوا فقال رجل من يعطيني نعليه وأنكحه أول بنت تولد لي فخلع أبي نعليه فألقاهما إليه فولدت له جارية فبلغت وذكر نحوه ولم يذكر قصة القتير ‏.‏

ইবরাহীম ইবনু মাইসারার (রহঃ) খালা হতে জনৈক মহিলা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমার পিতা এক যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন এবং তাতে বালির গরমে চলাফেরা অসহনীয় হয়ে পড়ে। তখন এক ব্যক্তি বললো, কে আমাকে তার জুতাজোড়া দিবে? এর বিনিময়ে আমার সর্বপ্রথম যে কন্যাটি জন্মলাভ করবে, তাকে তার সাথে বিয়ে দিবো। এ কথা শুনে আমার পিতা তার জুতাজোড়া তাকে দিলেন। অতঃপর তার একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করলো এবং সে সাবালিকাও হলো। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন তবে এতে ‘আল-কাতীর’ শব্দটি উল্লেখ নেই। [২১০৪]

ইবরাহীম ইবনু মাইসারার (রহঃ) খালা হতে জনৈক মহিলা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, জাহিলী যুগে আমার পিতা এক যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন এবং তাতে বালির গরমে চলাফেরা অসহনীয় হয়ে পড়ে। তখন এক ব্যক্তি বললো, কে আমাকে তার জুতাজোড়া দিবে? এর বিনিময়ে আমার সর্বপ্রথম যে কন্যাটি জন্মলাভ করবে, তাকে তার সাথে বিয়ে দিবো। এ কথা শুনে আমার পিতা তার জুতাজোড়া তাকে দিলেন। অতঃপর তার একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করলো এবং সে সাবালিকাও হলো। অতঃপর বর্ণনাকারী পূর্ব বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন তবে এতে ‘আল-কাতীর’ শব্দটি উল্লেখ নেই। [২১০৪]

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا ابن جريج، أخبرني إبراهيم بن ميسرة، أن خالته، أخبرته عن امرأة، قالت هي مصدقة امرأة صدق قالت بينا أبي في غزاة في الجاهلية إذ رمضوا فقال رجل من يعطيني نعليه وأنكحه أول بنت تولد لي فخلع أبي نعليه فألقاهما إليه فولدت له جارية فبلغت وذكر نحوه ولم يذكر قصة القتير ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২১০৩

حدثنا الحسن بن علي، ومحمد بن المثنى، - المعنى - قالا حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا عبد الله بن يزيد بن مقسم الثقفي، - من أهل الطائف - حدثتني سارة بنت مقسم، أنها سمعت ميمونة بنت كردم، قالت خرجت مع أبي في حجة رسول الله صلى الله عليه وسلم فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فدنا إليه أبي وهو على ناقة له فوقف له واستمع منه ومعه درة كدرة الكتاب فسمعت الأعراب والناس وهم يقولون الطبطبية الطبطبية الطبطبية فدنا إليه أبي فأخذ بقدمه فأقر له ووقف عليه واستمع منه فقال إني حضرت جيش عثران - قال ابن المثنى جيش غثران - فقال طارق بن المرقع من يعطيني رمحا بثوابه قلت وما ثوابه قال أزوجه أول بنت تكون لي ‏.‏ فأعطيته رمحي ثم غبت عنه حتى علمت أنه قد ولد له جارية وبلغت ثم جئته فقلت له أهلي جهزهن إلى ‏.‏ فحلف أن لا يفعل حتى أصدقه صداقا جديدا غير الذي كان بيني وبينه وحلفت لا أصدق غير الذي أعطيته فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وبقرن أى النساء هي اليوم ‏"‏ ‏.‏ قال قد رأت القتير ‏.‏ قال ‏"‏ أرى أن تتركها ‏"‏ ‏.‏ قال فراعني ذلك ونظرت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأى ذلك مني قال ‏"‏ لا تأثم ولا يأثم صاحبك ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود القتير الشيب ‏.‏

সারাহ বিনতু মিক্বসাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মায়মূনা বিনতু কারদাম (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের বছরে আমি আমার পিতার সাথে বের হলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখে আমার পিতা তাঁর নিকট উপস্থিত হলেন। এ সময় তিনি তাঁর উষ্ট্রীর উপর ছিলেন এবং তাঁর সাথে ছিলো শিক্ষকদের হাতে যেরূপ দোররা থাকে সেরূপ দোররা। এ সময় আমি আরব ও অন্যান্যদের বলতে শুনলাম, দোররা থেকে দূরে থাকো, দোররা থেকে দূরে থাকো, দোররা থেকে দূরে থাকো। অতঃপর আমার পিতা তাঁর কাছে গিয়েই তাঁর পা দু’খানা জড়িয়ে ধরে তাঁর রিসালাতের স্বীকৃতি দেন, তার কাছে অবস্থান করেন এবং তার কথা শুনেন। আমার পিতা বলেন, আমি (জাহেলী যুগে) ‘আসরান’ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। ইবনুল মুসান্নার বর্ণনায় রয়েছে ‘গাস্রান’। তখন তারিক ইবনুল মুরাক্কা’ বললো, আামাকে এর বিনিময়ে কে একটি তীর দিবে? আমি বললাম, এর বিনিময় কি? সে বললো, আমার সর্বপ্রথম যে কন্যাটি জন্মগ্রহণ করবে তাকে তার সাথে বিয়ে দিবো। আমি আমার তীরটি তাকে দিলাম। এরপর আমি তাদের কাছ থেকে চলে গেলাম। পরে আমি জানতে পারলাম, তার কন্যা সন্তান জন্ম হয়েছে এবং সে সাবালিকাও হয়েছে। অতঃপর আমি তার নিকট গিয়ে বললাম, আমার স্ত্রী আমাকে দিন। সুতরাং তারা তাকে আমার নিকট সোপর্দ করতে প্রস্তুতি নিলো। কিন্তু সে (পিতা) শপথ করে বললো, অতিরিক্ত কিছু মোহর না দিলে কন্যাকে দিবো না। অপরদিকে আমিও শপথ করি, তাকে পূর্বে যা দিয়েছি, তা ছাড়া অতিরিক্ত কিছু দিবো না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বর্তমানে সে একজন মহিলা। হয়তো সে তোমাকে (বৃদ্ধ) দেখেছে। তিনি আরো বললেনঃ আমার ইচ্ছা, তুমি তাকে ত্যাগ করো। তিনি (কারদাম) বলেন, আমি আমার শপথের জন্য ভীত হলাম এবং রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দিকে তাকালাম। তিনি আমার অবস্থা অনুধাবন করে বললেনঃ (শপথের কারণে) তোমার কোন গুনাহ হবে না এবং তোমার প্রতিপক্ষেরও কোন গুনাহ হবে না। [২১০৩]

সারাহ বিনতু মিক্বসাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মায়মূনা বিনতু কারদাম (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের বছরে আমি আমার পিতার সাথে বের হলাম। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখে আমার পিতা তাঁর নিকট উপস্থিত হলেন। এ সময় তিনি তাঁর উষ্ট্রীর উপর ছিলেন এবং তাঁর সাথে ছিলো শিক্ষকদের হাতে যেরূপ দোররা থাকে সেরূপ দোররা। এ সময় আমি আরব ও অন্যান্যদের বলতে শুনলাম, দোররা থেকে দূরে থাকো, দোররা থেকে দূরে থাকো, দোররা থেকে দূরে থাকো। অতঃপর আমার পিতা তাঁর কাছে গিয়েই তাঁর পা দু’খানা জড়িয়ে ধরে তাঁর রিসালাতের স্বীকৃতি দেন, তার কাছে অবস্থান করেন এবং তার কথা শুনেন। আমার পিতা বলেন, আমি (জাহেলী যুগে) ‘আসরান’ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি। ইবনুল মুসান্নার বর্ণনায় রয়েছে ‘গাস্রান’। তখন তারিক ইবনুল মুরাক্কা’ বললো, আামাকে এর বিনিময়ে কে একটি তীর দিবে? আমি বললাম, এর বিনিময় কি? সে বললো, আমার সর্বপ্রথম যে কন্যাটি জন্মগ্রহণ করবে তাকে তার সাথে বিয়ে দিবো। আমি আমার তীরটি তাকে দিলাম। এরপর আমি তাদের কাছ থেকে চলে গেলাম। পরে আমি জানতে পারলাম, তার কন্যা সন্তান জন্ম হয়েছে এবং সে সাবালিকাও হয়েছে। অতঃপর আমি তার নিকট গিয়ে বললাম, আমার স্ত্রী আমাকে দিন। সুতরাং তারা তাকে আমার নিকট সোপর্দ করতে প্রস্তুতি নিলো। কিন্তু সে (পিতা) শপথ করে বললো, অতিরিক্ত কিছু মোহর না দিলে কন্যাকে দিবো না। অপরদিকে আমিও শপথ করি, তাকে পূর্বে যা দিয়েছি, তা ছাড়া অতিরিক্ত কিছু দিবো না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ বর্তমানে সে একজন মহিলা। হয়তো সে তোমাকে (বৃদ্ধ) দেখেছে। তিনি আরো বললেনঃ আমার ইচ্ছা, তুমি তাকে ত্যাগ করো। তিনি (কারদাম) বলেন, আমি আমার শপথের জন্য ভীত হলাম এবং রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দিকে তাকালাম। তিনি আমার অবস্থা অনুধাবন করে বললেনঃ (শপথের কারণে) তোমার কোন গুনাহ হবে না এবং তোমার প্রতিপক্ষেরও কোন গুনাহ হবে না। [২১০৩]

حدثنا الحسن بن علي، ومحمد بن المثنى، - المعنى - قالا حدثنا يزيد بن هارون، أخبرنا عبد الله بن يزيد بن مقسم الثقفي، - من أهل الطائف - حدثتني سارة بنت مقسم، أنها سمعت ميمونة بنت كردم، قالت خرجت مع أبي في حجة رسول الله صلى الله عليه وسلم فرأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فدنا إليه أبي وهو على ناقة له فوقف له واستمع منه ومعه درة كدرة الكتاب فسمعت الأعراب والناس وهم يقولون الطبطبية الطبطبية الطبطبية فدنا إليه أبي فأخذ بقدمه فأقر له ووقف عليه واستمع منه فقال إني حضرت جيش عثران - قال ابن المثنى جيش غثران - فقال طارق بن المرقع من يعطيني رمحا بثوابه قلت وما ثوابه قال أزوجه أول بنت تكون لي ‏.‏ فأعطيته رمحي ثم غبت عنه حتى علمت أنه قد ولد له جارية وبلغت ثم جئته فقلت له أهلي جهزهن إلى ‏.‏ فحلف أن لا يفعل حتى أصدقه صداقا جديدا غير الذي كان بيني وبينه وحلفت لا أصدق غير الذي أعطيته فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ وبقرن أى النساء هي اليوم ‏"‏ ‏.‏ قال قد رأت القتير ‏.‏ قال ‏"‏ أرى أن تتركها ‏"‏ ‏.‏ قال فراعني ذلك ونظرت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رأى ذلك مني قال ‏"‏ لا تأثم ولا يأثم صاحبك ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود القتير الشيب ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > মোহরানা সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ২১০৮

حدثنا محمد بن حاتم بن بزيع، حدثنا علي بن الحسن بن شقيق، عن ابن المبارك، عن يونس، عن الزهري، أن النجاشي، زوج أم حبيبة بنت أبي سفيان من رسول الله صلى الله عليه وسلم على صداق أربعة آلاف درهم وكتب بذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقبل ‏.‏

আয-যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আন-নাজ্জাশী (রহঃ) আবূ সুফিয়ানের-কন্যা উম্মু হাবীবাহ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে বিয়ে দেন এবং এতে মোহর ধার্য করেন চার হাজার দিরহাম। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষয়টি লিখিতভাবে অবহিত করলে তিনি তা কবুল করেন। [২১০৮]

আয-যুহরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আন-নাজ্জাশী (রহঃ) আবূ সুফিয়ানের-কন্যা উম্মু হাবীবাহ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে বিয়ে দেন এবং এতে মোহর ধার্য করেন চার হাজার দিরহাম। তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বিষয়টি লিখিতভাবে অবহিত করলে তিনি তা কবুল করেন। [২১০৮]

حدثنا محمد بن حاتم بن بزيع، حدثنا علي بن الحسن بن شقيق، عن ابن المبارك، عن يونس، عن الزهري، أن النجاشي، زوج أم حبيبة بنت أبي سفيان من رسول الله صلى الله عليه وسلم على صداق أربعة آلاف درهم وكتب بذلك إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقبل ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২১০৫

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، حدثنا يزيد بن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، قال سألت عائشة - رضى الله عنها - عن صداق النبي صلى الله عليه وسلم قالت ثنتا عشرة أوقية ونش ‏.‏ فقلت وما نش قالت نصف أوقية ‏.‏

আবূ সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (স্ত্রীদের) মোহরানা সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘বারো ঊকিয়া ও এক নাস্স।’ আমি বললাম, ‘নাস্স্’ কি? তিনি বললেন, এক ঊকিয়ার অর্ধেক।

আবূ সালামাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (স্ত্রীদের) মোহরানা সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘বারো ঊকিয়া ও এক নাস্স।’ আমি বললাম, ‘নাস্স্’ কি? তিনি বললেন, এক ঊকিয়ার অর্ধেক।

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا عبد العزيز بن محمد، حدثنا يزيد بن الهاد، عن محمد بن إبراهيم، عن أبي سلمة، قال سألت عائشة - رضى الله عنها - عن صداق النبي صلى الله عليه وسلم قالت ثنتا عشرة أوقية ونش ‏.‏ فقلت وما نش قالت نصف أوقية ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২১০৬

حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن محمد، عن أبي العجفاء السلمي، قال خطبنا عمر رحمه الله فقال ألا لا تغالوا بصدق النساء فإنها لو كانت مكرمة في الدنيا أو تقوى عند الله لكان أولاكم بها النبي صلى الله عليه وسلم ما أصدق رسول الله صلى الله عليه وسلم امرأة من نسائه ولا أصدقت امرأة من بناته أكثر من ثنتى عشرة أوقية ‏.‏

আবুল আজফা আস্‌-সুলামী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘উমার (রাঃ) আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেন, সাবধান! তোমরা নারীদের মোহর নির্ধারণে সীমালঙ্ঘন করো না। কারণ যদি তা দুনিয়ার মর্যাদার বস্তু হতো এবং আল্লাহর নিকট পরহেজগারীর বস্তু হতো, তবে তোমাদের চেয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এর যোগ্যতম ব্যক্তি। অথচ তিনি তাঁর স্ত্রীদের কারো মোহর এবং তাঁর কন্যাদের কারো মোহর বারো ঊকিয়ার অধিক ধার্য করেননি।

আবুল আজফা আস্‌-সুলামী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘উমার (রাঃ) আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেন, সাবধান! তোমরা নারীদের মোহর নির্ধারণে সীমালঙ্ঘন করো না। কারণ যদি তা দুনিয়ার মর্যাদার বস্তু হতো এবং আল্লাহর নিকট পরহেজগারীর বস্তু হতো, তবে তোমাদের চেয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে এর যোগ্যতম ব্যক্তি। অথচ তিনি তাঁর স্ত্রীদের কারো মোহর এবং তাঁর কন্যাদের কারো মোহর বারো ঊকিয়ার অধিক ধার্য করেননি।

حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن محمد، عن أبي العجفاء السلمي، قال خطبنا عمر رحمه الله فقال ألا لا تغالوا بصدق النساء فإنها لو كانت مكرمة في الدنيا أو تقوى عند الله لكان أولاكم بها النبي صلى الله عليه وسلم ما أصدق رسول الله صلى الله عليه وسلم امرأة من نسائه ولا أصدقت امرأة من بناته أكثر من ثنتى عشرة أوقية ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২১০৭

حدثنا حجاج بن أبي يعقوب الثقفي، حدثنا معلى بن منصور، حدثنا ابن المبارك، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن أم حبيبة، أنها كانت تحت عبيد الله بن جحش فمات بأرض الحبشة فزوجها النجاشي النبي صلى الله عليه وسلم وأمهرها عنه أربعة آلاف وبعث بها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم مع شرحبيل ابن حسنة ‏.‏ قال أبو داود حسنة هي أمه ‏.‏

উম্মুল মুমিনীন উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ছিলেন ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু জাহশের স্ত্রী। অতঃপর ‘উবাইদুল্লাহ হাবশায় মারা গেলে হাবশার বাদশা নাজ্জাশী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে তাঁর বিয়ে দেন এবং তাঁর পক্ষ হতে মোহর আদায় করেন। অতঃপর তিনি তাকে শুরাহবীল ইবনু হাসানাহ্র মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠিয়ে দেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাসানাহ হলেন শুরাহবীলের মা।

উম্মুল মুমিনীন উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ছিলেন ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু জাহশের স্ত্রী। অতঃপর ‘উবাইদুল্লাহ হাবশায় মারা গেলে হাবশার বাদশা নাজ্জাশী নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে তাঁর বিয়ে দেন এবং তাঁর পক্ষ হতে মোহর আদায় করেন। অতঃপর তিনি তাকে শুরাহবীল ইবনু হাসানাহ্র মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পাঠিয়ে দেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাসানাহ হলেন শুরাহবীলের মা।

حدثنا حجاج بن أبي يعقوب الثقفي، حدثنا معلى بن منصور، حدثنا ابن المبارك، حدثنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن أم حبيبة، أنها كانت تحت عبيد الله بن جحش فمات بأرض الحبشة فزوجها النجاشي النبي صلى الله عليه وسلم وأمهرها عنه أربعة آلاف وبعث بها إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم مع شرحبيل ابن حسنة ‏.‏ قال أبو داود حسنة هي أمه ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00