সুনানে আবু দাউদ > ওয়ালী সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ২০৮৩

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، أخبرنا ابن جريج، عن سليمان بن موسى، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أيما امرأة نكحت بغير إذن مواليها فنكاحها باطل ‏"‏ ‏.‏ ثلاث مرات ‏"‏ فإن دخل بها فالمهر لها بما أصاب منها فإن تشاجروا فالسلطان ولي من لا ولي له ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে তার সে বিয়ে বাতিল। তিনি একথাটি তিনবার বলেছেন। আর সে যদি তার সাথে সহবাস করে, তাহলে এজন্য তাকে মোহর দিবে। যদি উভয় পক্ষের (অভিভাবকদের) মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়, তাহলে শাসক হবেন তার অভিভাবক। কারণ যাদের অভিভাবক নাই তার অভিভাবক শাসক।

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে তার সে বিয়ে বাতিল। তিনি একথাটি তিনবার বলেছেন। আর সে যদি তার সাথে সহবাস করে, তাহলে এজন্য তাকে মোহর দিবে। যদি উভয় পক্ষের (অভিভাবকদের) মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়, তাহলে শাসক হবেন তার অভিভাবক। কারণ যাদের অভিভাবক নাই তার অভিভাবক শাসক।

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، أخبرنا ابن جريج، عن سليمان بن موسى، عن الزهري، عن عروة، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أيما امرأة نكحت بغير إذن مواليها فنكاحها باطل ‏"‏ ‏.‏ ثلاث مرات ‏"‏ فإن دخل بها فالمهر لها بما أصاب منها فإن تشاجروا فالسلطان ولي من لا ولي له ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০৮৫

حدثنا محمد بن قدامة بن أعين، حدثنا أبو عبيدة الحداد، عن يونس، وإسرائيل، عن أبي إسحاق، عن أبي بردة، عن أبي موسى، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا نكاح إلا بولي ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود هو يونس عن أبي بردة وإسرائيل عن أبي إسحاق عن أبي بردة ‏.‏

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অভিভাবক ছাড়া কোন বিয়েই হতে পারে না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটির সানাদ হলোঃ ইউনুস আবূ বুরদাহ হতে, আর ইসরাঈল আবূ ইসহাক্ব হতে আবূ বুরদাহ সূত্রে।

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ অভিভাবক ছাড়া কোন বিয়েই হতে পারে না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটির সানাদ হলোঃ ইউনুস আবূ বুরদাহ হতে, আর ইসরাঈল আবূ ইসহাক্ব হতে আবূ বুরদাহ সূত্রে।

حدثنا محمد بن قدامة بن أعين، حدثنا أبو عبيدة الحداد، عن يونس، وإسرائيل، عن أبي إسحاق، عن أبي بردة، عن أبي موسى، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا نكاح إلا بولي ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود هو يونس عن أبي بردة وإسرائيل عن أبي إسحاق عن أبي بردة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০৮৬

حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن أم حبيبة، أنها كانت عند ابن جحش فهلك عنها - وكان فيمن هاجر إلى أرض الحبشة - فزوجها النجاشي رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي عندهم ‏.‏

উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (‘উবাইদুল্লাহ) ইবনু জাহ্শের স্ত্রী ছিলেন। স্বামী মারা গেলে তিনি হিজরাতকারীদের সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। অতঃপর হাবশার বাদশা নাজ্জাশী রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে তাকে বিয়ে দেন। তিনি (অভিভাবক ছাড়া) তাদের কাছেই অবস্থান করেন।

উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি (‘উবাইদুল্লাহ) ইবনু জাহ্শের স্ত্রী ছিলেন। স্বামী মারা গেলে তিনি হিজরাতকারীদের সাথে হাবশায় হিজরাত করেন। অতঃপর হাবশার বাদশা নাজ্জাশী রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে তাকে বিয়ে দেন। তিনি (অভিভাবক ছাড়া) তাদের কাছেই অবস্থান করেন।

حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن الزهري، عن عروة بن الزبير، عن أم حبيبة، أنها كانت عند ابن جحش فهلك عنها - وكان فيمن هاجر إلى أرض الحبشة - فزوجها النجاشي رسول الله صلى الله عليه وسلم وهي عندهم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০৮৪

حدثني القعنبي، حدثنا ابن لهيعة، عن جعفر، - يعني ابن ربيعة - عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه ‏.‏ قال أبو داود جعفر لم يسمع من الزهري كتب إليه ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে উপরোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণনা করেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বরেন, জা‘ফার সরাসরি যুহরী (রহঃ) হতে শুনেননি, বরং যুহরী তাকে লিখে পাঠিয়েছেন। [২০৮৪] আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে উপরোক্ত হাদীসের অর্থানুরূপ বর্ণনা করেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বরেন, জা‘ফার সরাসরি যুহরী (রহঃ) হতে শুনেননি, বরং যুহরী তাকে লিখে পাঠিয়েছেন। [২০৮৪] আমি এটি সহীহ এবং যঈফেও পাইনি।

حدثني القعنبي، حدثنا ابن لهيعة، عن جعفر، - يعني ابن ربيعة - عن ابن شهاب، عن عروة، عن عائشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه ‏.‏ قال أبو داود جعفر لم يسمع من الزهري كتب إليه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > নারীদেরকে বিয়েতে বাধা দেয়া নিষেধ

সুনানে আবু দাউদ ২০৮৭

حدثنا محمد بن المثنى، حدثني أبو عامر، حدثنا عباد بن راشد، عن الحسن، حدثني معقل بن يسار، قال كانت لي أخت تخطب إلى فأتاني ابن عم لي فأنكحتها إياه ثم طلقها طلاقا له رجعة ثم تركها حتى انقضت عدتها فلما خطبت إلى أتاني يخطبها فقلت لا والله لا أنكحها أبدا ‏.‏ قال ففي نزلت هذه الآية ‏{‏ وإذا طلقتم النساء فبلغن أجلهن فلا تعضلوهن أن ينكحن أزواجهن ‏}‏ الآية ‏.‏ قال فكفرت عن يميني فأنكحتها إياه ‏.‏

হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মা‘ক্বিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ) আমাকে বর্ণনা করেন যে, আমার এক বোন ছিলো। আমার নিকট তার বিয়ের ব্যাপারে পয়গাম আসতো। একদা আমার এক চাচাত ভাই আমার কাছে এলে আমি তার সাথে আমার বোনকে বিয়ে দিলাম। পরে সে তাকে এক তালাক রাজঈ দিয়ে ফেলে রাখলো এমনকি তার ইদ্দাতকাল শেষ হলো। অতঃপর যখন তার বিয়ের পয়গাম আসতে থাকলো। আমার চাচাত ভাইও পুনরায় আমার কাছে পয়গাম পাঠালে আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! আমি তাকে তার কাছে কখনোই বিয়ে দিবো না। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমাকে কেন্দ্র করেই এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “যখন তোমারা নারীদের তালাক দিবে, ইদ্দাতকাল শেষ হওয়ার পর যদি তারা তাদের পূর্ব-স্বামীকে বিয়ে করতে চায়, তাহলে তোমারা তাদেরকে বাধা দিও না” … (সূরাহ আল-বাক্বারাহঃ ২৩২)। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি আমার শপথের কাফ্ফারাহ দিয়ে বোনকে তার সাথে বিয়ে দেই।

হাসান বাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মা‘ক্বিল ইবনু ইয়াসার (রাঃ) আমাকে বর্ণনা করেন যে, আমার এক বোন ছিলো। আমার নিকট তার বিয়ের ব্যাপারে পয়গাম আসতো। একদা আমার এক চাচাত ভাই আমার কাছে এলে আমি তার সাথে আমার বোনকে বিয়ে দিলাম। পরে সে তাকে এক তালাক রাজঈ দিয়ে ফেলে রাখলো এমনকি তার ইদ্দাতকাল শেষ হলো। অতঃপর যখন তার বিয়ের পয়গাম আসতে থাকলো। আমার চাচাত ভাইও পুনরায় আমার কাছে পয়গাম পাঠালে আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! আমি তাকে তার কাছে কখনোই বিয়ে দিবো না। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমাকে কেন্দ্র করেই এ আয়াত অবতীর্ণ হয়ঃ “যখন তোমারা নারীদের তালাক দিবে, ইদ্দাতকাল শেষ হওয়ার পর যদি তারা তাদের পূর্ব-স্বামীকে বিয়ে করতে চায়, তাহলে তোমারা তাদেরকে বাধা দিও না” … (সূরাহ আল-বাক্বারাহঃ ২৩২)। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি আমার শপথের কাফ্ফারাহ দিয়ে বোনকে তার সাথে বিয়ে দেই।

حدثنا محمد بن المثنى، حدثني أبو عامر، حدثنا عباد بن راشد، عن الحسن، حدثني معقل بن يسار، قال كانت لي أخت تخطب إلى فأتاني ابن عم لي فأنكحتها إياه ثم طلقها طلاقا له رجعة ثم تركها حتى انقضت عدتها فلما خطبت إلى أتاني يخطبها فقلت لا والله لا أنكحها أبدا ‏.‏ قال ففي نزلت هذه الآية ‏{‏ وإذا طلقتم النساء فبلغن أجلهن فلا تعضلوهن أن ينكحن أزواجهن ‏}‏ الآية ‏.‏ قال فكفرت عن يميني فأنكحتها إياه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > কোন নারীকে দু’জন ওয়ালী বিয়ে দিলে

সুনানে আবু দাউদ ২০৮৮

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا هشام، ح وحدثنا محمد بن كثير، أخبرنا همام، ح وحدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، - المعنى - عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أيما امرأة زوجها وليان فهي للأول منهما وأيما رجل باع بيعا من رجلين فهو للأول منهما ‏"‏ ‏.‏

সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন নারীকে যদি দুই অভিভাবক বিয়ে দেয়, তবে প্রথম ওয়ালীর বিয়ে কার্যকরী হবে। কোন ব্যক্তি যদি দুই লোকের কাছে কোন জিনিস বিক্রি করে তাহলে দু’জনের মধ্যে প্রথম ক্রেতাই তার প্রাপক। [২০৮৮] দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (২২২৪), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৮৯/১১২২), যঈফ সুনান নাসায়ী (৩১৬/৪৬৮২), মিশকাত (৩১৫৬), ইরওয়া (১৮৫৩)।

সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন নারীকে যদি দুই অভিভাবক বিয়ে দেয়, তবে প্রথম ওয়ালীর বিয়ে কার্যকরী হবে। কোন ব্যক্তি যদি দুই লোকের কাছে কোন জিনিস বিক্রি করে তাহলে দু’জনের মধ্যে প্রথম ক্রেতাই তার প্রাপক। [২০৮৮] দুর্বলঃ যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (২২২৪), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৮৯/১১২২), যঈফ সুনান নাসায়ী (৩১৬/৪৬৮২), মিশকাত (৩১৫৬), ইরওয়া (১৮৫৩)।

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا هشام، ح وحدثنا محمد بن كثير، أخبرنا همام، ح وحدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، - المعنى - عن قتادة، عن الحسن، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ أيما امرأة زوجها وليان فهي للأول منهما وأيما رجل باع بيعا من رجلين فهو للأول منهما ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > মহান আল্লাহর বাণীঃ “জোরপূর্বক কোন মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আর তোমরা তাদের অবরুদ্ধ করবে না” (সূরাহ আন-নিসাঃ ১৯)

সুনানে আবু দাউদ ২০৯০

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين بن واقد، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ‏{‏ لا يحل لكم أن ترثوا النساء كرها ولا تعضلوهن لتذهبوا ببعض ما آتيتموهن إلا أن يأتين بفاحشة مبينة ‏}‏ وذلك أن الرجل كان يرث امرأة ذي قرابته فيعضلها حتى تموت أو ترد إليه صداقها فأحكم الله عن ذلك ونهى عن ذلك ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “জোরপূর্বক কোন মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। তোমরা তাদের যা দিয়েছ তা থেকে কিছু আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রেখো না, যদি না তারা স্পষ্ট ব্যভিচার করে”(সূরাহ আন-নিসাঃ ১৯)। এ আয়াত অবতীর্ণের কারণ হলো, (জাহিলী যুগে) পুরুষরা তাদের নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুর পর তাদের স্ত্রীদেরও মালিক হয়ে যেতো এবং তাকে এমনভাবে অতিষ্ট করে তুলতো যে, হয়তো সে মারা যেতো অথবা তার মোহরানা তাদেরকে দিত্যে বাধ্য হতো। ফলে আল্লাহ এরূপ কাজ নিষিদ্ধ করেন।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “জোরপূর্বক কোন মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। তোমরা তাদের যা দিয়েছ তা থেকে কিছু আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রেখো না, যদি না তারা স্পষ্ট ব্যভিচার করে”(সূরাহ আন-নিসাঃ ১৯)। এ আয়াত অবতীর্ণের কারণ হলো, (জাহিলী যুগে) পুরুষরা তাদের নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুর পর তাদের স্ত্রীদেরও মালিক হয়ে যেতো এবং তাকে এমনভাবে অতিষ্ট করে তুলতো যে, হয়তো সে মারা যেতো অথবা তার মোহরানা তাদেরকে দিত্যে বাধ্য হতো। ফলে আল্লাহ এরূপ কাজ নিষিদ্ধ করেন।

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين بن واقد، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ‏{‏ لا يحل لكم أن ترثوا النساء كرها ولا تعضلوهن لتذهبوا ببعض ما آتيتموهن إلا أن يأتين بفاحشة مبينة ‏}‏ وذلك أن الرجل كان يرث امرأة ذي قرابته فيعضلها حتى تموت أو ترد إليه صداقها فأحكم الله عن ذلك ونهى عن ذلك ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০৯০

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين بن واقد، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ‏{‏ لا يحل لكم أن ترثوا النساء كرها ولا تعضلوهن لتذهبوا ببعض ما آتيتموهن إلا أن يأتين بفاحشة مبينة ‏}‏ وذلك أن الرجل كان يرث امرأة ذي قرابته فيعضلها حتى تموت أو ترد إليه صداقها فأحكم الله عن ذلك ونهى عن ذلك ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “জোরপূর্বক কোন মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। তোমরা তাদের যা দিয়েছ তা থেকে কিছু আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রেখো না, যদি না তারা স্পষ্ট ব্যভিচার করে”(সূরাহ আন-নিসাঃ ১৯)। এ আয়াত অবতীর্ণের কারণ হলো, (জাহিলী যুগে) পুরুষরা তাদের নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুর পর তাদের স্ত্রীদেরও মালিক হয়ে যেতো এবং তাকে এমনভাবে অতিষ্ট করে তুলতো যে, হয়তো সে মারা যেতো অথবা তার মোহরানা তাদেরকে দিত্যে বাধ্য হতো। ফলে আল্লাহ এরূপ কাজ নিষিদ্ধ করেন।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “জোরপূর্বক কোন মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। তোমরা তাদের যা দিয়েছ তা থেকে কিছু আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রেখো না, যদি না তারা স্পষ্ট ব্যভিচার করে”(সূরাহ আন-নিসাঃ ১৯)। এ আয়াত অবতীর্ণের কারণ হলো, (জাহিলী যুগে) পুরুষরা তাদের নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুর পর তাদের স্ত্রীদেরও মালিক হয়ে যেতো এবং তাকে এমনভাবে অতিষ্ট করে তুলতো যে, হয়তো সে মারা যেতো অথবা তার মোহরানা তাদেরকে দিত্যে বাধ্য হতো। ফলে আল্লাহ এরূপ কাজ নিষিদ্ধ করেন।

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين بن واقد، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ‏{‏ لا يحل لكم أن ترثوا النساء كرها ولا تعضلوهن لتذهبوا ببعض ما آتيتموهن إلا أن يأتين بفاحشة مبينة ‏}‏ وذلك أن الرجل كان يرث امرأة ذي قرابته فيعضلها حتى تموت أو ترد إليه صداقها فأحكم الله عن ذلك ونهى عن ذلك ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০৯০

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين بن واقد، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ‏{‏ لا يحل لكم أن ترثوا النساء كرها ولا تعضلوهن لتذهبوا ببعض ما آتيتموهن إلا أن يأتين بفاحشة مبينة ‏}‏ وذلك أن الرجل كان يرث امرأة ذي قرابته فيعضلها حتى تموت أو ترد إليه صداقها فأحكم الله عن ذلك ونهى عن ذلك ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “জোরপূর্বক কোন মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। তোমরা তাদের যা দিয়েছ তা থেকে কিছু আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রেখো না, যদি না তারা স্পষ্ট ব্যভিচার করে”(সূরাহ আন-নিসাঃ ১৯)। এ আয়াত অবতীর্ণের কারণ হলো, (জাহিলী যুগে) পুরুষরা তাদের নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুর পর তাদের স্ত্রীদেরও মালিক হয়ে যেতো এবং তাকে এমনভাবে অতিষ্ট করে তুলতো যে, হয়তো সে মারা যেতো অথবা তার মোহরানা তাদেরকে দিত্যে বাধ্য হতো। ফলে আল্লাহ এরূপ কাজ নিষিদ্ধ করেন।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “জোরপূর্বক কোন মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। তোমরা তাদের যা দিয়েছ তা থেকে কিছু আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে রেখো না, যদি না তারা স্পষ্ট ব্যভিচার করে”(সূরাহ আন-নিসাঃ ১৯)। এ আয়াত অবতীর্ণের কারণ হলো, (জাহিলী যুগে) পুরুষরা তাদের নিকটাত্মীয়ের মৃত্যুর পর তাদের স্ত্রীদেরও মালিক হয়ে যেতো এবং তাকে এমনভাবে অতিষ্ট করে তুলতো যে, হয়তো সে মারা যেতো অথবা তার মোহরানা তাদেরকে দিত্যে বাধ্য হতো। ফলে আল্লাহ এরূপ কাজ নিষিদ্ধ করেন।

حدثنا أحمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن حسين بن واقد، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ‏{‏ لا يحل لكم أن ترثوا النساء كرها ولا تعضلوهن لتذهبوا ببعض ما آتيتموهن إلا أن يأتين بفاحشة مبينة ‏}‏ وذلك أن الرجل كان يرث امرأة ذي قرابته فيعضلها حتى تموت أو ترد إليه صداقها فأحكم الله عن ذلك ونهى عن ذلك ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০৮৯

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا أسباط بن محمد، حدثنا الشيباني، عن عكرمة، عن ابن عباس، - قال الشيباني وذكره عطاء أبو الحسن السوائي ولا أظنه إلا عن ابن عباس، - في هذه الآية ‏{‏ لا يحل لكم أن ترثوا النساء كرها ولا تعضلوهن ‏}‏ قال كان الرجل إذا مات كان أولياؤه أحق بامرأته من ولي نفسها إن شاء بعضهم زوجها أو زوجوها وإن شاءوا لم يزوجوها فنزلت هذه الآية في ذلك ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

“জোরপূর্বক কোন মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আর তোমরা তাদের অবরুদ্ধ করবে না (সূরাহ আন-নিসাঃ ১৯) এ আয়াতের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, (জাহেলী যুগে) কোন ব্যক্তি মারা গেলে মৃতের ওয়ারিসরা মৃতের স্ত্রীর অভিভাবকের পরিবর্তে নিজেরাই মালিক হতো। ইচ্ছে হলে তাদের কেউ তাকে বিয়ে করতো বা তাকে অন্যত্র বিয়ে দিতো, অথবা বিয়ে দিতো না। এ প্রসঙ্গে উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয়।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

“জোরপূর্বক কোন মহিলার মালিক হওয়া তোমাদের জন্য বৈধ নয়। আর তোমরা তাদের অবরুদ্ধ করবে না (সূরাহ আন-নিসাঃ ১৯) এ আয়াতের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, (জাহেলী যুগে) কোন ব্যক্তি মারা গেলে মৃতের ওয়ারিসরা মৃতের স্ত্রীর অভিভাবকের পরিবর্তে নিজেরাই মালিক হতো। ইচ্ছে হলে তাদের কেউ তাকে বিয়ে করতো বা তাকে অন্যত্র বিয়ে দিতো, অথবা বিয়ে দিতো না। এ প্রসঙ্গে উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয়।

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا أسباط بن محمد، حدثنا الشيباني، عن عكرمة، عن ابن عباس، - قال الشيباني وذكره عطاء أبو الحسن السوائي ولا أظنه إلا عن ابن عباس، - في هذه الآية ‏{‏ لا يحل لكم أن ترثوا النساء كرها ولا تعضلوهن ‏}‏ قال كان الرجل إذا مات كان أولياؤه أحق بامرأته من ولي نفسها إن شاء بعضهم زوجها أو زوجوها وإن شاءوا لم يزوجوها فنزلت هذه الآية في ذلك ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০৯১

حدثنا أحمد بن شبوية المروزي، حدثنا عبد الله بن عثمان، عن عيسى بن عبيد، عن عبيد الله، مولى عمر عن الضحاك، بمعناه قال فوعظ الله ذلك ‏.‏

'উমার (রাঃ) এর মুক্তদাস ‘উবাইদুল্লাহ হতে দহহাক (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, মহান আল্লাহ (এ আয়াতে) মানুষকে নসীহত করেছেন।

'উমার (রাঃ) এর মুক্তদাস ‘উবাইদুল্লাহ হতে দহহাক (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, মহান আল্লাহ (এ আয়াতে) মানুষকে নসীহত করেছেন।

حدثنا أحمد بن شبوية المروزي، حدثنا عبد الله بن عثمان، عن عيسى بن عبيد، عن عبيد الله، مولى عمر عن الضحاك، بمعناه قال فوعظ الله ذلك ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00