সুনানে আবু দাউদ > রক্তের কারণে যাদেরকে বিয়ে করা হারাম তারা দুধপানের কারণেও হারাম

সুনানে আবু দাউদ ২০৫৫

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن عبد الله بن دينار، عن سليمان بن يسار، عن عروة، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يحرم من الرضاعة ما يحرم من الولادة ‏"‏ ‏.‏

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রক্তের সম্পর্কের কারণে যাদেরকে বিয়ে করা হারাম, অনুরূপভাবে দুধপান জনিত সম্পর্কের কারণেও তারা হারাম।

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রক্তের সম্পর্কের কারণে যাদেরকে বিয়ে করা হারাম, অনুরূপভাবে দুধপান জনিত সম্পর্কের কারণেও তারা হারাম।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن عبد الله بن دينار، عن سليمان بن يسار، عن عروة، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ يحرم من الرضاعة ما يحرم من الولادة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০৫৬

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، عن هشام بن عروة، عن عروة، عن زينب بنت أم سلمة، عن أم سلمة، أن أم حبيبة، قالت يا رسول الله هل لك في أختي قال ‏"‏ فأفعل ماذا ‏"‏ ‏.‏ قالت فتنكحها ‏.‏ قال ‏"‏ أختك ‏"‏ ‏.‏ قالت نعم ‏.‏ قال ‏"‏ أوتحبين ذاك ‏"‏ ‏.‏ قالت لست بمخلية بك وأحب من شركني في خير أختي ‏.‏ قال ‏"‏ فإنها لا تحل لي ‏"‏ ‏.‏ قالت فوالله لقد أخبرت أنك تخطب درة - أو ذرة شك زهير - بنت أبي سلمة ‏.‏ قال ‏"‏ بنت أم سلمة ‏"‏ ‏.‏ قالت نعم ‏.‏ قال ‏"‏ أما والله لو لم تكن ربيبتي في حجري ما حلت لي إنها ابنة أخي من الرضاعة أرضعتني وأباها ثويبة فلا تعرضن على بناتكن ولا أخواتكن ‏"‏ ‏.‏

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বোনের প্রতি কোন প্রয়োজন আছে কি? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে দিয়ে আমার কি দরকার? তিনি বললেন, তাকে বিয়ে করবেন। তিনি বললেনঃ তোমার বোন? উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি এরূপ পছন্দ করো? তিনি বললেন, “আমি তো আপনার একমাত্র স্ত্রী না। কাজেই আমার ইচ্ছা, আমার বোনও আমার সাথে কল্যাণে শরীক হোক।” তিনি বললেনঃ আমার জন্য এরূপ হালাল নয়। উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি জেনেছি, আপনি আবূ সালামাহর কন্যা ‘দোররাহ’-কে বিয়ে করতে আগ্রহী? তিনি বললেনঃ তুমি বলতে চাইছো আমি উম্মু সালামাহর কন্যাকে বিয়ে করতে চাই। উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ সে আমার সপত্নী কন্যাও না হলেও তাকে বিয়ে করা আমার জন্য বৈধ হতো না। যেহেতু সে দুধ সম্পর্কের কারণে আমার ভ্রাতুস্পুত্রী। আমি এবং তার পিতা আবূ সালামাহ উভয়কে সুয়াইবিয়্যাহ দুধ পান করিয়েছেন। সুতরাং তোমরা তোমাদের কন্যা ও ভগ্নিকে আমার জন্য পেশ করো না।

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বোনের প্রতি কোন প্রয়োজন আছে কি? তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে দিয়ে আমার কি দরকার? তিনি বললেন, তাকে বিয়ে করবেন। তিনি বললেনঃ তোমার বোন? উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তুমি এরূপ পছন্দ করো? তিনি বললেন, “আমি তো আপনার একমাত্র স্ত্রী না। কাজেই আমার ইচ্ছা, আমার বোনও আমার সাথে কল্যাণে শরীক হোক।” তিনি বললেনঃ আমার জন্য এরূপ হালাল নয়। উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি জেনেছি, আপনি আবূ সালামাহর কন্যা ‘দোররাহ’-কে বিয়ে করতে আগ্রহী? তিনি বললেনঃ তুমি বলতে চাইছো আমি উম্মু সালামাহর কন্যাকে বিয়ে করতে চাই। উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ সে আমার সপত্নী কন্যাও না হলেও তাকে বিয়ে করা আমার জন্য বৈধ হতো না। যেহেতু সে দুধ সম্পর্কের কারণে আমার ভ্রাতুস্পুত্রী। আমি এবং তার পিতা আবূ সালামাহ উভয়কে সুয়াইবিয়্যাহ দুধ পান করিয়েছেন। সুতরাং তোমরা তোমাদের কন্যা ও ভগ্নিকে আমার জন্য পেশ করো না।

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا زهير، عن هشام بن عروة، عن عروة، عن زينب بنت أم سلمة، عن أم سلمة، أن أم حبيبة، قالت يا رسول الله هل لك في أختي قال ‏"‏ فأفعل ماذا ‏"‏ ‏.‏ قالت فتنكحها ‏.‏ قال ‏"‏ أختك ‏"‏ ‏.‏ قالت نعم ‏.‏ قال ‏"‏ أوتحبين ذاك ‏"‏ ‏.‏ قالت لست بمخلية بك وأحب من شركني في خير أختي ‏.‏ قال ‏"‏ فإنها لا تحل لي ‏"‏ ‏.‏ قالت فوالله لقد أخبرت أنك تخطب درة - أو ذرة شك زهير - بنت أبي سلمة ‏.‏ قال ‏"‏ بنت أم سلمة ‏"‏ ‏.‏ قالت نعم ‏.‏ قال ‏"‏ أما والله لو لم تكن ربيبتي في حجري ما حلت لي إنها ابنة أخي من الرضاعة أرضعتني وأباها ثويبة فلا تعرضن على بناتكن ولا أخواتكن ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > দুধপিতা সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ২০৫৭

حدثنا محمد بن كثير العبدي، أخبرنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن عروة، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت دخل على أفلح بن أبي القعيس فاستترت منه ‏.‏ قال تستترين مني وأنا عمك قالت قلت من أين قال أرضعتك امرأة أخي ‏.‏ قالت إنما أرضعتني المرأة ولم يرضعني الرجل ‏.‏ فدخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فحدثته فقال ‏ "‏ إنه عمك فليلج عليك ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূল কুয়াইসের পুত্র আফলাহ (রাঃ) আমার কাছে এলে আমি তার থেকে পর্দা করলাম। তিনি বললেন, তুমি আমার থেকে পর্দা করছো? অথচ আমি তোমার চাচা। আমি বললাম, তা কেমন করে? তিনি বললেন, আমার ভাইয়ের স্ত্রী তোমাকে দুধ পান করিয়েছে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, আমাকে তো একজন মহিলা দুধ পান করিয়েছেন, কোন পুরুষ তো নয়। এমন সময় আমার নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন। আমি তাঁকে ঘটনাটি জানালে তিনি বললেনঃ সে তোমার চাচা। সূতরাং সে তোমার নিকট আসতে পারে।

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আবূল কুয়াইসের পুত্র আফলাহ (রাঃ) আমার কাছে এলে আমি তার থেকে পর্দা করলাম। তিনি বললেন, তুমি আমার থেকে পর্দা করছো? অথচ আমি তোমার চাচা। আমি বললাম, তা কেমন করে? তিনি বললেন, আমার ভাইয়ের স্ত্রী তোমাকে দুধ পান করিয়েছে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, আমাকে তো একজন মহিলা দুধ পান করিয়েছেন, কোন পুরুষ তো নয়। এমন সময় আমার নিকট রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন। আমি তাঁকে ঘটনাটি জানালে তিনি বললেনঃ সে তোমার চাচা। সূতরাং সে তোমার নিকট আসতে পারে।

حدثنا محمد بن كثير العبدي، أخبرنا سفيان، عن هشام بن عروة، عن عروة، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت دخل على أفلح بن أبي القعيس فاستترت منه ‏.‏ قال تستترين مني وأنا عمك قالت قلت من أين قال أرضعتك امرأة أخي ‏.‏ قالت إنما أرضعتني المرأة ولم يرضعني الرجل ‏.‏ فدخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فحدثته فقال ‏ "‏ إنه عمك فليلج عليك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > বয়স্ক লোকের দুধপান সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ২০৫৮

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أشعث بن سليم، عن أبيه، عن مسروق، عن عائشة المعنى، واحد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها رجل قال حفص فشق ذلك عليه وتغير وجهه - ثم اتفقا - قالت يا رسول الله إنه أخي من الرضاعة ‏.‏ فقال ‏ "‏ انظرن من إخوانكن فإنما الرضاعة من المجاعة ‏"‏ ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে এমন সময় আসলেন যখন তার নিকট একটি লোক উপস্থিত ছিলো। হাফস-এর বর্ণনায় রয়েছে, এ দৃশ্য দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট হলেন এবং তাঁর চেহারা বিবর্ণ হলো। অতঃপর উভয় বর্ণনাকারী একমত হয়ে বর্ণনা করেন যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইনি তো আমার দুধভাই। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যাচাই করে দেখো, কারা তোমার দুধ ভাই। কেননা দুধের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হবে শুধুমাত্র ঐ সময় যখন শিশুর একমাত্র খাদ্য হবে দুধ।

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছে এমন সময় আসলেন যখন তার নিকট একটি লোক উপস্থিত ছিলো। হাফস-এর বর্ণনায় রয়েছে, এ দৃশ্য দেখে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসন্তুষ্ট হলেন এবং তাঁর চেহারা বিবর্ণ হলো। অতঃপর উভয় বর্ণনাকারী একমত হয়ে বর্ণনা করেন যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইনি তো আমার দুধভাই। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যাচাই করে দেখো, কারা তোমার দুধ ভাই। কেননা দুধের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হবে শুধুমাত্র ঐ সময় যখন শিশুর একমাত্র খাদ্য হবে দুধ।

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أشعث بن سليم، عن أبيه، عن مسروق، عن عائشة المعنى، واحد، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل عليها وعندها رجل قال حفص فشق ذلك عليه وتغير وجهه - ثم اتفقا - قالت يا رسول الله إنه أخي من الرضاعة ‏.‏ فقال ‏ "‏ انظرن من إخوانكن فإنما الرضاعة من المجاعة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০৫৯

حدثنا عبد السلام بن مطهر، أن سليمان بن المغيرة، حدثهم عن أبي موسى، عن أبيه، عن ابن لعبد الله بن مسعود، عن ابن مسعود، قال لا رضاع إلا ما شد العظم وأنبت اللحم ‏.‏ فقال أبو موسى لا تسألونا وهذا الحبر فيكم ‏.‏

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (দুধের দ্বারা) হাড় মজবুত করা এবং গোশত বৃদ্ধি করা ছাড়া দুধের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয় না। তখন আবূ মূসা আল-আশ’আরী (রাঃ) বললেন, এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করো না, এ বিষয়ে তোমরা জ্ঞাত।

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, (দুধের দ্বারা) হাড় মজবুত করা এবং গোশত বৃদ্ধি করা ছাড়া দুধের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয় না। তখন আবূ মূসা আল-আশ’আরী (রাঃ) বললেন, এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করো না, এ বিষয়ে তোমরা জ্ঞাত।

حدثنا عبد السلام بن مطهر، أن سليمان بن المغيرة، حدثهم عن أبي موسى، عن أبيه، عن ابن لعبد الله بن مسعود، عن ابن مسعود، قال لا رضاع إلا ما شد العظم وأنبت اللحم ‏.‏ فقال أبو موسى لا تسألونا وهذا الحبر فيكم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০৬০

حدثنا محمد بن سليمان الأنباري، حدثنا وكيع، عن سليمان بن المغيرة، عن أبي موسى الهلالي، عن أبيه، عن ابن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه وقال أنشز العظم ‏.‏

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনায় রয়েছেঃ যখন হাড় বিস্তৃত হয়। [২০৬০] দুর্বলঃ মাওকুফ হওয়াটা সঠিক। যা এর পূর্বেরটিতে রয়েছে। ইরওয়া (২১৫৩), যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৬২৯০)।

ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এই বর্ণনায় রয়েছেঃ যখন হাড় বিস্তৃত হয়। [২০৬০] দুর্বলঃ মাওকুফ হওয়াটা সঠিক। যা এর পূর্বেরটিতে রয়েছে। ইরওয়া (২১৫৩), যঈফ আল-জামি’উস সাগীর (৬২৯০)।

حدثنا محمد بن سليمان الأنباري، حدثنا وكيع، عن سليمان بن المغيرة، عن أبي موسى الهلالي، عن أبيه، عن ابن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمعناه وقال أنشز العظم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > বয়স্ক লোক দুধপান করলে যা নিষিদ্ধ হয়

সুনানে আবু দাউদ ২০৬১

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عنبسة، حدثني يونس، عن ابن شهاب، حدثني عروة بن الزبير، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم وأم سلمة أن أبا حذيفة بن عتبة بن ربيعة بن عبد شمس كان تبنى سالما وأنكحه ابنة أخيه هند بنت الوليد بن عتبة بن ربيعة وهو مولى لامرأة من الأنصار كما تبنى رسول الله صلى الله عليه وسلم زيدا وكان من تبنى رجلا في الجاهلية دعاه الناس إليه وورث ميراثه حتى أنزل الله سبحانه وتعالى في ذلك ‏{‏ ادعوهم لآبائهم ‏}‏ إلى قوله ‏{‏ فإخوانكم في الدين ومواليكم ‏}‏ فردوا إلى آبائهم فمن لم يعلم له أب كان مولى وأخا في الدين فجاءت سهلة بنت سهيل بن عمرو القرشي ثم العامري - وهي امرأة أبي حذيفة - فقالت يا رسول الله إنا كنا نرى سالما ولدا وكان يأوي معي ومع أبي حذيفة في بيت واحد ويراني فضلا وقد أنزل الله عز وجل فيهم ما قد علمت فكيف ترى فيه فقال لها النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أرضعيه ‏"‏ ‏.‏ فأرضعته خمس رضعات فكان بمنزلة ولدها من الرضاعة فبذلك كانت عائشة - رضى الله عنها - تأمر بنات أخواتها وبنات إخوتها أن يرضعن من أحبت عائشة أن يراها ويدخل عليها وإن كان كبيرا خمس رضعات ثم يدخل عليها وأبت أم سلمة وسائر أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يدخلن عليهن بتلك الرضاعة أحدا من الناس حتى يرضع في المهد وقلن لعائشة والله ما ندري لعلها كانت رخصة من النبي صلى الله عليه وسلم لسالم دون الناس ‏.‏

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ ও উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুযাইফাহ ইবনু ‘উতবাহ ইবনু রাবী’আহ ইবনু ‘আবদি শাম্‌স সালিমকে পালক পুত্র হিসেবে গ্রহণ করে তার সাথে স্বীয় ভাতিজী ওয়ালীদ ইবনু ‘উতবাহ ইবনু রাবী’আহ্‌র মেয়ে হিন্দাকে বিয়ে দেন। সালিম এক আনসারী মহিলার ক্রীতদাস ছিলো। যেমন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়িদকে পালক পুত্র হিসাবে লালন করেছিলেন। জাহিলী যুগের নিয়ম ছিলো, কেউ কাউকে পালক পুত্র হিসেবে গ্রহণ করলে লোকেরা তাকে ঐ ব্যক্তির পুত্র হিসেবে সম্বোধন করতো এবং ঐ লোক মারা গেলে পরিত্যক্ত সম্পদের উত্তরাধিকারীও তাকে করা হতো। কিন্তু যখন মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “তাদেরকে (পালক পুত্রদেরকে) তাদের (প্রকৃত) পিতার নামে ডাকবে। তারা তোমাদের দীনি ভাই ও বন্ধু” (সূরাহ আহ্‌যাবঃ ৫)। অতঃপর তাদের প্রকৃত পিতার নাম ধরেই ডাকা আরম্ভ হয়। আর পিতার সন্ধান না পাওয়া গেলে তাকে বন্ধু ও দীনি ভাই বলে ডাকা হতো। পরবর্তীতে আবূ হুযাইফাহ ইবনু ‘উত্ববাহর স্ত্রী সাহলা বিনতু সুহাইল ইবনু ‘আমর আল-কুরাইশী আল-‘আমিরী (রাঃ) এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সালিমকে আমরা আমাদের পুত্র গণ্য করি। সে আমার ও আবূ হুযাইফাহ্‌র সাথে একই ঘরে থাকে। আর সে আমাকে একই বস্ত্রের মধ্যে দেখেছে। আল্লাহ যা কিছু অবতীর্ণ করেছেন আপনি তা ভালভাবে অবহিত। এখন তার ব্যাপারে আপনি কি নির্দেশ দেন? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে তোমার দুধ পান করাও। সুতরাং তিনি তাকে পাঁচ ঢোক দুধ পান করান। তখন থেকে সে তার দুধ পানকারী সন্তান গন্য হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ‘আয়িশাহ (রাঃ) তার ভাগ্নী ও ভাতিজীদেরকে নির্দেশ দিতেন যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) নিজে যাদেরকে সাক্ষাত দান ও যাদের আগমন পছন্দ করতেন, তাদেরকে যেন পাঁচ ঢোক নিজেদের দুধ পান করানো হয়, তাদের বয়স দুধ পানের বয়সের (দু’বছরের) বেশী হয়েও। অতঃপর তারা ‘আয়িশাহর কাছে সরাসরি আসতো। কিন্তু উম্মু সালামাহ (রাঃ) এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অন্যান্য স্ত্রীগণ যে কোন ব্যক্তিকে এরূপ দুধসন্তান বানিয়ে তাদের কাছে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি বর্জন করলেন, যতক্ষণ না শিশু বয়সে দুধ পান করা হয়। তারা ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমাদের জানা নেই, সম্ভবত সালিমের বিষয়ে এটা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর একটি বিশেষ অনুমোদন ছিলো যা অন্য কারোর জন্য প্রযোজ্য নয়।

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ ও উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবূ হুযাইফাহ ইবনু ‘উতবাহ ইবনু রাবী’আহ ইবনু ‘আবদি শাম্‌স সালিমকে পালক পুত্র হিসেবে গ্রহণ করে তার সাথে স্বীয় ভাতিজী ওয়ালীদ ইবনু ‘উতবাহ ইবনু রাবী’আহ্‌র মেয়ে হিন্দাকে বিয়ে দেন। সালিম এক আনসারী মহিলার ক্রীতদাস ছিলো। যেমন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যায়িদকে পালক পুত্র হিসাবে লালন করেছিলেন। জাহিলী যুগের নিয়ম ছিলো, কেউ কাউকে পালক পুত্র হিসেবে গ্রহণ করলে লোকেরা তাকে ঐ ব্যক্তির পুত্র হিসেবে সম্বোধন করতো এবং ঐ লোক মারা গেলে পরিত্যক্ত সম্পদের উত্তরাধিকারীও তাকে করা হতো। কিন্তু যখন মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ এ আয়াত অবতীর্ণ করলেনঃ “তাদেরকে (পালক পুত্রদেরকে) তাদের (প্রকৃত) পিতার নামে ডাকবে। তারা তোমাদের দীনি ভাই ও বন্ধু” (সূরাহ আহ্‌যাবঃ ৫)। অতঃপর তাদের প্রকৃত পিতার নাম ধরেই ডাকা আরম্ভ হয়। আর পিতার সন্ধান না পাওয়া গেলে তাকে বন্ধু ও দীনি ভাই বলে ডাকা হতো। পরবর্তীতে আবূ হুযাইফাহ ইবনু ‘উত্ববাহর স্ত্রী সাহলা বিনতু সুহাইল ইবনু ‘আমর আল-কুরাইশী আল-‘আমিরী (রাঃ) এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! সালিমকে আমরা আমাদের পুত্র গণ্য করি। সে আমার ও আবূ হুযাইফাহ্‌র সাথে একই ঘরে থাকে। আর সে আমাকে একই বস্ত্রের মধ্যে দেখেছে। আল্লাহ যা কিছু অবতীর্ণ করেছেন আপনি তা ভালভাবে অবহিত। এখন তার ব্যাপারে আপনি কি নির্দেশ দেন? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে তোমার দুধ পান করাও। সুতরাং তিনি তাকে পাঁচ ঢোক দুধ পান করান। তখন থেকে সে তার দুধ পানকারী সন্তান গন্য হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ‘আয়িশাহ (রাঃ) তার ভাগ্নী ও ভাতিজীদেরকে নির্দেশ দিতেন যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) নিজে যাদেরকে সাক্ষাত দান ও যাদের আগমন পছন্দ করতেন, তাদেরকে যেন পাঁচ ঢোক নিজেদের দুধ পান করানো হয়, তাদের বয়স দুধ পানের বয়সের (দু’বছরের) বেশী হয়েও। অতঃপর তারা ‘আয়িশাহর কাছে সরাসরি আসতো। কিন্তু উম্মু সালামাহ (রাঃ) এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর অন্যান্য স্ত্রীগণ যে কোন ব্যক্তিকে এরূপ দুধসন্তান বানিয়ে তাদের কাছে উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি বর্জন করলেন, যতক্ষণ না শিশু বয়সে দুধ পান করা হয়। তারা ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে বললেন, আল্লাহর শপথ! আমাদের জানা নেই, সম্ভবত সালিমের বিষয়ে এটা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর একটি বিশেষ অনুমোদন ছিলো যা অন্য কারোর জন্য প্রযোজ্য নয়।

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عنبسة، حدثني يونس، عن ابن شهاب، حدثني عروة بن الزبير، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم وأم سلمة أن أبا حذيفة بن عتبة بن ربيعة بن عبد شمس كان تبنى سالما وأنكحه ابنة أخيه هند بنت الوليد بن عتبة بن ربيعة وهو مولى لامرأة من الأنصار كما تبنى رسول الله صلى الله عليه وسلم زيدا وكان من تبنى رجلا في الجاهلية دعاه الناس إليه وورث ميراثه حتى أنزل الله سبحانه وتعالى في ذلك ‏{‏ ادعوهم لآبائهم ‏}‏ إلى قوله ‏{‏ فإخوانكم في الدين ومواليكم ‏}‏ فردوا إلى آبائهم فمن لم يعلم له أب كان مولى وأخا في الدين فجاءت سهلة بنت سهيل بن عمرو القرشي ثم العامري - وهي امرأة أبي حذيفة - فقالت يا رسول الله إنا كنا نرى سالما ولدا وكان يأوي معي ومع أبي حذيفة في بيت واحد ويراني فضلا وقد أنزل الله عز وجل فيهم ما قد علمت فكيف ترى فيه فقال لها النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أرضعيه ‏"‏ ‏.‏ فأرضعته خمس رضعات فكان بمنزلة ولدها من الرضاعة فبذلك كانت عائشة - رضى الله عنها - تأمر بنات أخواتها وبنات إخوتها أن يرضعن من أحبت عائشة أن يراها ويدخل عليها وإن كان كبيرا خمس رضعات ثم يدخل عليها وأبت أم سلمة وسائر أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يدخلن عليهن بتلك الرضاعة أحدا من الناس حتى يرضع في المهد وقلن لعائشة والله ما ندري لعلها كانت رخصة من النبي صلى الله عليه وسلم لسالم دون الناس ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00