সুনানে আবু দাউদ > যদি কেউ হাজ্জের কোন কাজ আগে-পরে করে
সুনানে আবু দাউদ ২০১৪
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عيسى بن طلحة بن عبيد الله، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، أنه قال وقف رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع بمنى يسألونه فجاءه رجل فقال يا رسول الله إني لم أشعر فحلقت قبل أن أذبح فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذبح ولا حرج " . وجاء رجل آخر فقال يا رسول الله لم أشعر فنحرت قبل أن أرمي . قال " ارم ولا حرج " . قال فما سئل يومئذ عن شىء قدم أو أخر إلا قال " اصنع ولا حرج " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিদায় হাজ্জের সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনায় অবস্থান করলেন। সেখানে লোকেরা তাঁকে প্রশ্ন করতে থাকলো। এক ব্যক্তি এসে বললো, আমার জানা ছিলো না, তাই আমি কুরবানী করার পূর্বেই মাথা কামিয়েছি। তিনি বললেনঃ এখন যাবাহ করো, কোন ক্ষতি নেই। আরেক ব্যক্তি এসে বললো, আমি জানতাম না, তাই কংকর নিক্ষেপের পূর্বেই কুরবানী করেছি। তিনি বললেনঃ এখন কংকর মেরে আসো, এতে কোন অসুবিধা নেই। বর্ণনাকারী বলেন, এ দিন তাঁকে আগে-পিছে করা যে কাজ সম্পর্কেই জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি জবাবে বলেছেনঃ ‘এখন করে নাও কোন দোষ নেই।’ [২০১৪]
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিদায় হাজ্জের সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনায় অবস্থান করলেন। সেখানে লোকেরা তাঁকে প্রশ্ন করতে থাকলো। এক ব্যক্তি এসে বললো, আমার জানা ছিলো না, তাই আমি কুরবানী করার পূর্বেই মাথা কামিয়েছি। তিনি বললেনঃ এখন যাবাহ করো, কোন ক্ষতি নেই। আরেক ব্যক্তি এসে বললো, আমি জানতাম না, তাই কংকর নিক্ষেপের পূর্বেই কুরবানী করেছি। তিনি বললেনঃ এখন কংকর মেরে আসো, এতে কোন অসুবিধা নেই। বর্ণনাকারী বলেন, এ দিন তাঁকে আগে-পিছে করা যে কাজ সম্পর্কেই জিজ্ঞেস করা হয়, তিনি জবাবে বলেছেনঃ ‘এখন করে নাও কোন দোষ নেই।’ [২০১৪]
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عيسى بن طلحة بن عبيد الله، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، أنه قال وقف رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع بمنى يسألونه فجاءه رجل فقال يا رسول الله إني لم أشعر فحلقت قبل أن أذبح فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذبح ولا حرج " . وجاء رجل آخر فقال يا رسول الله لم أشعر فنحرت قبل أن أرمي . قال " ارم ولا حرج " . قال فما سئل يومئذ عن شىء قدم أو أخر إلا قال " اصنع ولا حرج " .
সুনানে আবু দাউদ ২০১৫
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الشيباني، عن زياد بن علاقة، عن أسامة بن شريك، قال خرجت مع النبي صلى الله عليه وسلم حاجا فكان الناس يأتونه فمن قال يا رسول الله سعيت قبل أن أطوف أو قدمت شيئا أو أخرت شيئا . فكان يقول " لا حرج لا حرج إلا على رجل اقترض عرض رجل مسلم وهو ظالم فذلك الذي حرج وهلك " .
উসামাহ ইবনু শারীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে হাজ্জে গেলাম। এ সময় লোকেরা এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাওয়াফ করার পূর্বেই সা‘ঈ করেছি কিংবা কেউ এসে বললো, আমি কিছু কাজ আগে-পরে করে ফেলেছি। জবাবে তিনি বলতে থাকলেন : যাও কোন অসুবিধা নেই, কোন দোষ নেই। তবে কেউ যদি অন্যায়ভাবে কোন মুসলিমের ইজ্জত সম্মান নষ্ট করে, তার সম্পর্কে বলেছেনঃ সে পাপে লিপ্ত হয়েছে, সে ধ্বংস হয়েছে। [২০১৫]
উসামাহ ইবনু শারীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে হাজ্জে গেলাম। এ সময় লোকেরা এসে তাঁকে জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তাওয়াফ করার পূর্বেই সা‘ঈ করেছি কিংবা কেউ এসে বললো, আমি কিছু কাজ আগে-পরে করে ফেলেছি। জবাবে তিনি বলতে থাকলেন : যাও কোন অসুবিধা নেই, কোন দোষ নেই। তবে কেউ যদি অন্যায়ভাবে কোন মুসলিমের ইজ্জত সম্মান নষ্ট করে, তার সম্পর্কে বলেছেনঃ সে পাপে লিপ্ত হয়েছে, সে ধ্বংস হয়েছে। [২০১৫]
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن الشيباني، عن زياد بن علاقة، عن أسامة بن شريك، قال خرجت مع النبي صلى الله عليه وسلم حاجا فكان الناس يأتونه فمن قال يا رسول الله سعيت قبل أن أطوف أو قدمت شيئا أو أخرت شيئا . فكان يقول " لا حرج لا حرج إلا على رجل اقترض عرض رجل مسلم وهو ظالم فذلك الذي حرج وهلك " .
সুনানে আবু দাউদ > মাক্কাহতে সলাতের সুতরাহ
সুনানে আবু দাউদ ২০১৬
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثني كثير بن كثير بن المطلب بن أبي وداعة، عن بعض، أهلي عن جده، أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم يصلي مما يلي باب بني سهم والناس يمرون بين يديه وليس بينهما سترة . قال سفيان ليس بينه وبين الكعبة سترة . قال سفيان كان ابن جريج أخبرنا عنه قال أخبرنا كثير عن أبيه قال فسألته فقال ليس من أبي سمعته ولكن من بعض أهلي عن جدي .
কাসীর ইবনু কাসীর ইবনুল মুত্তালিব ইবনু আবূ ওয়াদা‘আহ (রহঃ) হতে তার পরিবার জনৈক ব্যক্তির সূত্রে এবং তিনি তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বনী সাহমের দরজার কাছে সলাত আদায় করতে দেখেছেন। এ সময় লোকেরা তাঁর সম্মুখ দিয়ে অতিক্রম করেছে। অথচ উভয়ের মাঝখানে সুতরাহ ছিলো না। সুফিয়ান বলেন, তাঁর এবং কা‘বার মাঝখানে কোন সুতরাহ ছিলো না। [২০১৬]
কাসীর ইবনু কাসীর ইবনুল মুত্তালিব ইবনু আবূ ওয়াদা‘আহ (রহঃ) হতে তার পরিবার জনৈক ব্যক্তির সূত্রে এবং তিনি তার দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বনী সাহমের দরজার কাছে সলাত আদায় করতে দেখেছেন। এ সময় লোকেরা তাঁর সম্মুখ দিয়ে অতিক্রম করেছে। অথচ উভয়ের মাঝখানে সুতরাহ ছিলো না। সুফিয়ান বলেন, তাঁর এবং কা‘বার মাঝখানে কোন সুতরাহ ছিলো না। [২০১৬]
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا سفيان بن عيينة، حدثني كثير بن كثير بن المطلب بن أبي وداعة، عن بعض، أهلي عن جده، أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم يصلي مما يلي باب بني سهم والناس يمرون بين يديه وليس بينهما سترة . قال سفيان ليس بينه وبين الكعبة سترة . قال سفيان كان ابن جريج أخبرنا عنه قال أخبرنا كثير عن أبيه قال فسألته فقال ليس من أبي سمعته ولكن من بعض أهلي عن جدي .
সুনানে আবু দাউদ > মাক্কাহ্র পবিত্রতা
সুনানে আবু দাউদ ২০১৯
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا إسرائيل، عن إبراهيم بن مهاجر، عن يوسف بن ماهك، عن أمه، عن عائشة، قالت قلت يا رسول الله ألا نبني لك بمنى بيتا أو بناء يظلك من الشمس فقال " لا إنما هو مناخ من سبق إليه " .
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে রাসূল! আমরা কি আপনার জন্য মিনাতে একটি ঘর বা এমন বাসস্থান নির্মাণ করে দিবো না যা আপনাকে সূর্যের তাপ থেকে ছায়া দিবে? তিনি বললেনঃ না, কেননা মিনার পুরো অঞ্চল উট বসাবার জায়গা। যে আগে আসবে সে এখান তার হবে। [২০১৯] দুর্বল : যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৬৪৮-৬৪৯), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৫৩-৮৮৮)।
‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে রাসূল! আমরা কি আপনার জন্য মিনাতে একটি ঘর বা এমন বাসস্থান নির্মাণ করে দিবো না যা আপনাকে সূর্যের তাপ থেকে ছায়া দিবে? তিনি বললেনঃ না, কেননা মিনার পুরো অঞ্চল উট বসাবার জায়গা। যে আগে আসবে সে এখান তার হবে। [২০১৯] দুর্বল : যঈফ সুনান ইবনু মাজাহ (৬৪৮-৬৪৯), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৫৩-৮৮৮)।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا إسرائيل، عن إبراهيم بن مهاجر، عن يوسف بن ماهك، عن أمه، عن عائشة، قالت قلت يا رسول الله ألا نبني لك بمنى بيتا أو بناء يظلك من الشمس فقال " لا إنما هو مناخ من سبق إليه " .
সুনানে আবু দাউদ ২০১৭
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، حدثني يحيى، - يعني ابن أبي كثير - عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال لما فتح الله تعالى على رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فيهم فحمد الله وأثنى عليه ثم قال " إن الله حبس عن مكة الفيل وسلط عليها رسوله والمؤمنين وإنما أحلت لي ساعة من النهار ثم هي حرام إلى يوم القيامة لا يعضد شجرها ولا ينفر صيدها ولا تحل لقطتها إلا لمنشد " . فقام عباس أو قال قال العباس يا رسول الله إلا الإذخر فإنه لقبورنا وبيوتنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إلا الإذخر " . قال أبو داود وزادنا فيه ابن المصفى عن الوليد فقام أبو شاه - رجل من أهل اليمن - فقال يا رسول الله اكتبوا لي . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اكتبوا لأبي شاه " . قلت للأوزاعي ما قوله " اكتبوا لأبي شاه " . قال هذه الخطبة التي سمعها من رسول الله صلى الله عليه وسلم .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মহান আল্লাহ যখন তাঁর রাসূলকে মক্কায় বিজয়ী করলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের মাঝে দাঁড়িয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন, অতঃপর বললেনঃ মহান আল্লাহ মাক্কাহ থেকে হাতি বাহিনীকে প্রতিহত করেছেন এবং তিনি তাঁর রাসূল ও মুমিন বান্দাদেরকে মক্কার উপর আধিপত্য দিয়েছেন। আমার জন্য দিনের কিছু সময় বৈধ করা হয়েছিল। এরপর ক্বিয়ামাত পর্যন্ত হারাম হয়ে গেছে। সুতরাং এখানকার গাছপালা কাটা যাবে না। এখানের শিকার তাড়ানো যাবে না এবং এখানকার পড়ে থাকা বস্তু তুলে নেয়া যাবে না। তবে ঘোষকের জন্য তা তুলে নেয়া বৈধ। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ‘ইযখির’ ঘাস কাটার অনুমতি দিন, কেননা এগুলো আমরা আমাদের কবর ও ঘরের চালায় ব্যবহার করে থাকি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ঠিক আছে, ইয্খির ঘাস কাটার অনুমতি দেয়া হলো। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনুল মুসাফফা’ ওয়ালীদ সূত্রে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, এ সময় আবূ শাহ (রাঃ) নামের জনৈক ইয়ামানবাসী দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা আমাকে লিখে দিন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আবূ শাহকে লিখে দাও। ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম বলেন, আমি আওযাঈকে জিজ্ঞেস করি, আবূ শাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কি লিখে দিতে বললেন? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এই ভাষণ যা তাঁর কাছ থেকে শুনেছেন। [২০১৭]
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মহান আল্লাহ যখন তাঁর রাসূলকে মক্কায় বিজয়ী করলেন, তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) লোকদের মাঝে দাঁড়িয়ে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন, অতঃপর বললেনঃ মহান আল্লাহ মাক্কাহ থেকে হাতি বাহিনীকে প্রতিহত করেছেন এবং তিনি তাঁর রাসূল ও মুমিন বান্দাদেরকে মক্কার উপর আধিপত্য দিয়েছেন। আমার জন্য দিনের কিছু সময় বৈধ করা হয়েছিল। এরপর ক্বিয়ামাত পর্যন্ত হারাম হয়ে গেছে। সুতরাং এখানকার গাছপালা কাটা যাবে না। এখানের শিকার তাড়ানো যাবে না এবং এখানকার পড়ে থাকা বস্তু তুলে নেয়া যাবে না। তবে ঘোষকের জন্য তা তুলে নেয়া বৈধ। তখন ‘আব্বাস (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! ‘ইযখির’ ঘাস কাটার অনুমতি দিন, কেননা এগুলো আমরা আমাদের কবর ও ঘরের চালায় ব্যবহার করে থাকি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ঠিক আছে, ইয্খির ঘাস কাটার অনুমতি দেয়া হলো। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনুল মুসাফফা’ ওয়ালীদ সূত্রে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, এ সময় আবূ শাহ (রাঃ) নামের জনৈক ইয়ামানবাসী দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এটা আমাকে লিখে দিন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা আবূ শাহকে লিখে দাও। ওয়ালীদ ইবনু মুসলিম বলেন, আমি আওযাঈকে জিজ্ঞেস করি, আবূ শাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কি লিখে দিতে বললেন? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এই ভাষণ যা তাঁর কাছ থেকে শুনেছেন। [২০১৭]
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا الأوزاعي، حدثني يحيى، - يعني ابن أبي كثير - عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال لما فتح الله تعالى على رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فيهم فحمد الله وأثنى عليه ثم قال " إن الله حبس عن مكة الفيل وسلط عليها رسوله والمؤمنين وإنما أحلت لي ساعة من النهار ثم هي حرام إلى يوم القيامة لا يعضد شجرها ولا ينفر صيدها ولا تحل لقطتها إلا لمنشد " . فقام عباس أو قال قال العباس يا رسول الله إلا الإذخر فإنه لقبورنا وبيوتنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إلا الإذخر " . قال أبو داود وزادنا فيه ابن المصفى عن الوليد فقام أبو شاه - رجل من أهل اليمن - فقال يا رسول الله اكتبوا لي . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اكتبوا لأبي شاه " . قلت للأوزاعي ما قوله " اكتبوا لأبي شاه " . قال هذه الخطبة التي سمعها من رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ২০২০
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا أبو عاصم، عن جعفر بن يحيى بن ثوبان، أخبرني عمارة بن ثوبان، حدثني موسى بن باذان، قال أتيت يعلى بن أمية فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " احتكار الطعام في الحرم إلحاد فيه " .
মূসা ইবনু বাযান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি ইয়া‘লা ইবনু উমায়্যাহ (রাঃ)-এর কাছে এলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হেরেম এলাকায় খাদ্যশস্য গুদামজাত করে রাখা ধর্মদ্রোহিতার নামান্তর। [২০২০] দুর্বল : যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (১৮৪), মিশকাত (২৭২৩)।
মূসা ইবনু বাযান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি ইয়া‘লা ইবনু উমায়্যাহ (রাঃ)-এর কাছে এলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ হেরেম এলাকায় খাদ্যশস্য গুদামজাত করে রাখা ধর্মদ্রোহিতার নামান্তর। [২০২০] দুর্বল : যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (১৮৪), মিশকাত (২৭২৩)।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا أبو عاصم، عن جعفر بن يحيى بن ثوبان، أخبرني عمارة بن ثوبان، حدثني موسى بن باذان، قال أتيت يعلى بن أمية فقال إن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " احتكار الطعام في الحرم إلحاد فيه " .
সুনানে আবু দাউদ ২০১৮
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس، في هذه القصة قال " ولا يختلى خلاها " .
মাক্কাহর মার্যাদা সম্পর্কে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহর মার্যাদা সম্পর্কে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে এও বর্ণিত হয়েছে যে : সেখানকার ঘাসও কাটা যাবে না।
মাক্কাহর মার্যাদা সম্পর্কে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
মাক্কাহর মার্যাদা সম্পর্কে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে এও বর্ণিত হয়েছে যে : সেখানকার ঘাসও কাটা যাবে না।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس، في هذه القصة قال " ولا يختلى خلاها " .
সুনানে আবু দাউদ > নাবীয পানীয় সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ২০২১
حدثنا عمرو بن عون، حدثنا خالد، عن حميد، عن بكر بن عبد الله، قال قال رجل لابن عباس ما بال أهل هذا البيت يسقون النبيذ وبنو عمهم يسقون اللبن والعسل والسويق أبخل بهم أم حاجة فقال ابن عباس ما بنا من بخل ولا بنا من حاجة ولكن دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على راحلته وخلفه أسامة بن زيد فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بشراب فأتي بنبيذ فشرب منه ودفع فضله إلى أسامة بن زيد فشرب منه ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أحسنتم وأجملتم كذلك فافعلوا " . فنحن هكذا لا نريد أن نغير ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم .
বাক্র ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বললো, এই ঘরের লোকদের কি হলো, এরা হাজ্জীদেরকে শুধু ‘নাবীয’ পান করান কেন? অথচ তাদের চাচাত ভাইয়ের সন্তানরা তো দুধ, মধু ও ছাতুও পান করান। এটা কি তাদের কৃপণতা না দরিদ্রতা? ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, এটা আমাদের কৃপণতা বা দরিদ্রতা কোনটিই নয়। বরং ব্যাপার এই যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাওয়ারীতে চড়ে এবং উসামাহ ইবনু যায়িদকে তাঁর পিছনে বসিয়ে আমাদের কাছে এসে কিছু পানীয় পান করতে চাইলেন। তখন ‘নাবীয’ আনা হলে তিনি তা পান করলেন এবং বাকীটুকু উসামাহ ইবনু যায়িদকে দিলেন। তিনি তা পান করলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমরা খুব উত্তম কাজ করেছো। ভবিষ্যতেও এরূপ করতে থাকবে। তাই আমরা এরূপ পান করাচ্ছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যার প্রশংসা করেছেন আমরা তা পরিবর্তন করতে চাই না। [২০২১]
বাক্র ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বললো, এই ঘরের লোকদের কি হলো, এরা হাজ্জীদেরকে শুধু ‘নাবীয’ পান করান কেন? অথচ তাদের চাচাত ভাইয়ের সন্তানরা তো দুধ, মধু ও ছাতুও পান করান। এটা কি তাদের কৃপণতা না দরিদ্রতা? ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, এটা আমাদের কৃপণতা বা দরিদ্রতা কোনটিই নয়। বরং ব্যাপার এই যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাওয়ারীতে চড়ে এবং উসামাহ ইবনু যায়িদকে তাঁর পিছনে বসিয়ে আমাদের কাছে এসে কিছু পানীয় পান করতে চাইলেন। তখন ‘নাবীয’ আনা হলে তিনি তা পান করলেন এবং বাকীটুকু উসামাহ ইবনু যায়িদকে দিলেন। তিনি তা পান করলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমরা খুব উত্তম কাজ করেছো। ভবিষ্যতেও এরূপ করতে থাকবে। তাই আমরা এরূপ পান করাচ্ছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যার প্রশংসা করেছেন আমরা তা পরিবর্তন করতে চাই না। [২০২১]
حدثنا عمرو بن عون، حدثنا خالد، عن حميد، عن بكر بن عبد الله، قال قال رجل لابن عباس ما بال أهل هذا البيت يسقون النبيذ وبنو عمهم يسقون اللبن والعسل والسويق أبخل بهم أم حاجة فقال ابن عباس ما بنا من بخل ولا بنا من حاجة ولكن دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم على راحلته وخلفه أسامة بن زيد فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم بشراب فأتي بنبيذ فشرب منه ودفع فضله إلى أسامة بن زيد فشرب منه ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أحسنتم وأجملتم كذلك فافعلوا " . فنحن هكذا لا نريد أن نغير ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم .