সুনানে আবু দাউদ > হাজ্জে তাওয়াফে ইফাদা (যিয়ারাত)

সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৮

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم أفاض يوم النحر ثم صلى الظهر بمنى يعني راجعا ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন মক্কায় এসে তাওয়াফে যিয়ারত সমাপ্ত করে পুনরায় মিনায় ফিরে এসে সেখানে যুহরের সলাত আদায় করেন। [১৯৯৮]

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন মক্কায় এসে তাওয়াফে যিয়ারত সমাপ্ত করে পুনরায় মিনায় ফিরে এসে সেখানে যুহরের সলাত আদায় করেন। [১৯৯৮]

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم أفاض يوم النحر ثم صلى الظهر بمنى يعني راجعا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০০০

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن عائشة، وابن، عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم أخر طواف يوم النحر إلى الليل ‏.‏

আয়িশাহ ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন তাওয়াফকে রাত পর্যন্ত বিলম্বিত করেছেন। [২০০০] দুর্বল : যঈফ ইবনু মাজাহ (৬৫৪), মিশকাত (২৬৭২), ইরওয়া (১০৭০), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৫৯/৯২৯) এ শব্দে : “তাওয়াফে যিয়ারাহ।”

আয়িশাহ ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন তাওয়াফকে রাত পর্যন্ত বিলম্বিত করেছেন। [২০০০] দুর্বল : যঈফ ইবনু মাজাহ (৬৫৪), মিশকাত (২৬৭২), ইরওয়া (১০৭০), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৫৯/৯২৯) এ শব্দে : “তাওয়াফে যিয়ারাহ।”

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن عائشة، وابن، عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم أخر طواف يوم النحر إلى الليل ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০০১

حدثنا سليمان بن داود، أخبرنا ابن وهب، حدثني ابن جريج، عن عطاء بن أبي رباح، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يرمل في السبع الذي أفاض فيه ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফে যিয়ারাতের সাত চক্করের একটিতেও রমল করেননি। [২০০১]

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফে যিয়ারাতের সাত চক্করের একটিতেও রমল করেননি। [২০০১]

حدثنا سليمان بن داود، أخبرنا ابن وهب، حدثني ابن جريج، عن عطاء بن أبي رباح، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يرمل في السبع الذي أفاض فيه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৯

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমার পালার রাতটি ছিলো কুরবানীর দিন সন্ধ্যায়। সুতরাং সেদিন তিনি আমার কাছে ছিলেন। এ সময় ওয়াহব ইবনু যাম‘আহ এবং তার সাথে আবূ উমায়্যাহ পরিবারের জনৈক ব্যক্তি উভয়েই জামা পরিহিত অবস্থায় আমার নিকট প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াহবকে জিজ্ঞেস করলেন : হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! তুমি কি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছো? সে বললো, না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার জামা খুলে ফেলো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি মাথার দিক থেকে তা খুললেন এবং তার সাথীও মাথার দিক থেকে তার জামা খুললো। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেনঃ আজকের দিনে তোমাদের জন্য বিধান শিথিল হয়েছে। তোমরা যখন জামারায় কংকর মেরে, কুরবানী সম্পন্ন করে চুল মুড়াবে, তখন একমাত্র স্ত্রীসহবাস ছাড়া এ পর্যন্ত ইহরামের কারণে যা কিছু তোমাদের জন্য হারাম ছিল তা হালাল হবে। আর যদি আজকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আগে রাত হয়ে যায় তাহলে তাওয়াফ করা পর্যন্ত তোমরা অনুরূপভাবে ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে, যেভাবে ছিলে জামরায় কংকর মারার আগে। [১৯৯৯]

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমার পালার রাতটি ছিলো কুরবানীর দিন সন্ধ্যায়। সুতরাং সেদিন তিনি আমার কাছে ছিলেন। এ সময় ওয়াহব ইবনু যাম‘আহ এবং তার সাথে আবূ উমায়্যাহ পরিবারের জনৈক ব্যক্তি উভয়েই জামা পরিহিত অবস্থায় আমার নিকট প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াহবকে জিজ্ঞেস করলেন : হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! তুমি কি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছো? সে বললো, না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার জামা খুলে ফেলো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি মাথার দিক থেকে তা খুললেন এবং তার সাথীও মাথার দিক থেকে তার জামা খুললো। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেনঃ আজকের দিনে তোমাদের জন্য বিধান শিথিল হয়েছে। তোমরা যখন জামারায় কংকর মেরে, কুরবানী সম্পন্ন করে চুল মুড়াবে, তখন একমাত্র স্ত্রীসহবাস ছাড়া এ পর্যন্ত ইহরামের কারণে যা কিছু তোমাদের জন্য হারাম ছিল তা হালাল হবে। আর যদি আজকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আগে রাত হয়ে যায় তাহলে তাওয়াফ করা পর্যন্ত তোমরা অনুরূপভাবে ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে, যেভাবে ছিলে জামরায় কংকর মারার আগে। [১৯৯৯]


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৯

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমার পালার রাতটি ছিলো কুরবানীর দিন সন্ধ্যায়। সুতরাং সেদিন তিনি আমার কাছে ছিলেন। এ সময় ওয়াহব ইবনু যাম‘আহ এবং তার সাথে আবূ উমায়্যাহ পরিবারের জনৈক ব্যক্তি উভয়েই জামা পরিহিত অবস্থায় আমার নিকট প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াহবকে জিজ্ঞেস করলেন : হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! তুমি কি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছো? সে বললো, না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার জামা খুলে ফেলো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি মাথার দিক থেকে তা খুললেন এবং তার সাথীও মাথার দিক থেকে তার জামা খুললো। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেনঃ আজকের দিনে তোমাদের জন্য বিধান শিথিল হয়েছে। তোমরা যখন জামারায় কংকর মেরে, কুরবানী সম্পন্ন করে চুল মুড়াবে, তখন একমাত্র স্ত্রীসহবাস ছাড়া এ পর্যন্ত ইহরামের কারণে যা কিছু তোমাদের জন্য হারাম ছিল তা হালাল হবে। আর যদি আজকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আগে রাত হয়ে যায় তাহলে তাওয়াফ করা পর্যন্ত তোমরা অনুরূপভাবে ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে, যেভাবে ছিলে জামরায় কংকর মারার আগে। [১৯৯৯]

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমার পালার রাতটি ছিলো কুরবানীর দিন সন্ধ্যায়। সুতরাং সেদিন তিনি আমার কাছে ছিলেন। এ সময় ওয়াহব ইবনু যাম‘আহ এবং তার সাথে আবূ উমায়্যাহ পরিবারের জনৈক ব্যক্তি উভয়েই জামা পরিহিত অবস্থায় আমার নিকট প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াহবকে জিজ্ঞেস করলেন : হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! তুমি কি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছো? সে বললো, না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার জামা খুলে ফেলো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি মাথার দিক থেকে তা খুললেন এবং তার সাথীও মাথার দিক থেকে তার জামা খুললো। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেনঃ আজকের দিনে তোমাদের জন্য বিধান শিথিল হয়েছে। তোমরা যখন জামারায় কংকর মেরে, কুরবানী সম্পন্ন করে চুল মুড়াবে, তখন একমাত্র স্ত্রীসহবাস ছাড়া এ পর্যন্ত ইহরামের কারণে যা কিছু তোমাদের জন্য হারাম ছিল তা হালাল হবে। আর যদি আজকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আগে রাত হয়ে যায় তাহলে তাওয়াফ করা পর্যন্ত তোমরা অনুরূপভাবে ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে, যেভাবে ছিলে জামরায় কংকর মারার আগে। [১৯৯৯]


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৯

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমার পালার রাতটি ছিলো কুরবানীর দিন সন্ধ্যায়। সুতরাং সেদিন তিনি আমার কাছে ছিলেন। এ সময় ওয়াহব ইবনু যাম‘আহ এবং তার সাথে আবূ উমায়্যাহ পরিবারের জনৈক ব্যক্তি উভয়েই জামা পরিহিত অবস্থায় আমার নিকট প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াহবকে জিজ্ঞেস করলেন : হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! তুমি কি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছো? সে বললো, না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার জামা খুলে ফেলো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি মাথার দিক থেকে তা খুললেন এবং তার সাথীও মাথার দিক থেকে তার জামা খুললো। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেনঃ আজকের দিনে তোমাদের জন্য বিধান শিথিল হয়েছে। তোমরা যখন জামারায় কংকর মেরে, কুরবানী সম্পন্ন করে চুল মুড়াবে, তখন একমাত্র স্ত্রীসহবাস ছাড়া এ পর্যন্ত ইহরামের কারণে যা কিছু তোমাদের জন্য হারাম ছিল তা হালাল হবে। আর যদি আজকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আগে রাত হয়ে যায় তাহলে তাওয়াফ করা পর্যন্ত তোমরা অনুরূপভাবে ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে, যেভাবে ছিলে জামরায় কংকর মারার আগে। [১৯৯৯]

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমার পালার রাতটি ছিলো কুরবানীর দিন সন্ধ্যায়। সুতরাং সেদিন তিনি আমার কাছে ছিলেন। এ সময় ওয়াহব ইবনু যাম‘আহ এবং তার সাথে আবূ উমায়্যাহ পরিবারের জনৈক ব্যক্তি উভয়েই জামা পরিহিত অবস্থায় আমার নিকট প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াহবকে জিজ্ঞেস করলেন : হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! তুমি কি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছো? সে বললো, না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার জামা খুলে ফেলো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি মাথার দিক থেকে তা খুললেন এবং তার সাথীও মাথার দিক থেকে তার জামা খুললো। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেনঃ আজকের দিনে তোমাদের জন্য বিধান শিথিল হয়েছে। তোমরা যখন জামারায় কংকর মেরে, কুরবানী সম্পন্ন করে চুল মুড়াবে, তখন একমাত্র স্ত্রীসহবাস ছাড়া এ পর্যন্ত ইহরামের কারণে যা কিছু তোমাদের জন্য হারাম ছিল তা হালাল হবে। আর যদি আজকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আগে রাত হয়ে যায় তাহলে তাওয়াফ করা পর্যন্ত তোমরা অনুরূপভাবে ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে, যেভাবে ছিলে জামরায় কংকর মারার আগে। [১৯৯৯]


সুনানে আবু দাউদ > শেষ তাওয়াফ

সুনানে আবু দাউদ ২০০২

حدثنا نصر بن علي، حدثنا سفيان، عن سليمان الأحول، عن طاوس، عن ابن عباس، قال كان الناس ينصرفون في كل وجه فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا ينفرن أحد حتى يكون آخر عهده الطواف بالبيت ‏"‏ ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকেরা তাওয়াফে যিয়ারাত সম্পন্ন করে মাক্কাহর চতুর্দিক দিয়ে চলে যাচ্ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোষণা করলেন : তোমাদের কেউ যেন শেষ বারের মত বায়তুল্লাহ তাওয়াফ না করে চলে না যায়। [২০০২]

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, লোকেরা তাওয়াফে যিয়ারাত সম্পন্ন করে মাক্কাহর চতুর্দিক দিয়ে চলে যাচ্ছিল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোষণা করলেন : তোমাদের কেউ যেন শেষ বারের মত বায়তুল্লাহ তাওয়াফ না করে চলে না যায়। [২০০২]

حدثنا نصر بن علي، حدثنا سفيان، عن سليمان الأحول، عن طاوس، عن ابن عباس، قال كان الناس ينصرفون في كل وجه فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا ينفرن أحد حتى يكون آخر عهده الطواف بالبيت ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > তাওয়াফে যিয়ারাতের পর ঋতুবতী মহিলার মাক্কাহ থেকে প্রত্যাবর্তন করা

সুনানে আবু দাউদ ২০০৩

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر صفية بنت حيى فقيل إنها قد حاضت ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لعلها حابستنا ‏"‏ ‏.‏ فقالوا يا رسول الله إنها قد أفاضت ‏.‏ فقال ‏"‏ فلا إذا ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুয়াই এর কন্যা সাফিয়্যাহ্‌র (রাঃ) কথা উল্লেখ করেন। তখন বলা হলো, সে ঋতুবর্তী। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সম্ভবত সে আমাদের যাত্রা বিলম্বিত করবে। লোকেরা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি তো তাওয়াফে ইফাদা করেছেন। এবার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে সমস্যা নাই। [২০০৩]

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হুয়াই এর কন্যা সাফিয়্যাহ্‌র (রাঃ) কথা উল্লেখ করেন। তখন বলা হলো, সে ঋতুবর্তী। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সম্ভবত সে আমাদের যাত্রা বিলম্বিত করবে। লোকেরা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি তো তাওয়াফে ইফাদা করেছেন। এবার রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাহলে সমস্যা নাই। [২০০৩]

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر صفية بنت حيى فقيل إنها قد حاضت ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لعلها حابستنا ‏"‏ ‏.‏ فقالوا يا رسول الله إنها قد أفاضت ‏.‏ فقال ‏"‏ فلا إذا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০০৪

حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا أبو عوانة، عن يعلى بن عطاء، عن الوليد بن عبد الرحمن، عن الحارث بن عبد الله بن أوس، قال أتيت عمر بن الخطاب فسألته عن المرأة، تطوف بالبيت يوم النحر ثم تحيض قال ليكن آخر عهدها بالبيت ‏.‏ قال فقال الحارث كذلك أفتاني رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال فقال عمر أربت عن يديك سألتني عن شىء سألت عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم لكيما أخالف ‏.‏

আল-হারিস ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আওস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট এসে জনৈক মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি যে, সে কুরবানীর দিন বায়তুল্লাহ তাওয়াফের পর ঋতুবর্তী হয়েছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তার সর্বশেষ কাজ হওয়া চাই বায়তুল্লাহ তাওয়াফ। বর্ণনাকারী (ওয়ালীদ) বলেন, তখন আল-হারিস (রাঃ) ‘উমার (রাঃ)-কে বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও আমাকে এরূপ ফাতাওয়াহ দিয়েছেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমার ব্যবহারে আমি দুঃখ পেলাম। তুমি আমাকে (না জানার ভান করে) এমন কথা জিজ্ঞেস করেছো যা তুমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আগেই জিজ্ঞেস করে জ্ঞাত আছো। যাতে আমি তার বিপরীত কিছু বলি। সহীহ, কিন্তু এটি মানসুখ পূর্বের (২০০৩) হাদীস দ্বারা।

আল-হারিস ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আওস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট এসে জনৈক মহিলা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি যে, সে কুরবানীর দিন বায়তুল্লাহ তাওয়াফের পর ঋতুবর্তী হয়েছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তার সর্বশেষ কাজ হওয়া চাই বায়তুল্লাহ তাওয়াফ। বর্ণনাকারী (ওয়ালীদ) বলেন, তখন আল-হারিস (রাঃ) ‘উমার (রাঃ)-কে বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-ও আমাকে এরূপ ফাতাওয়াহ দিয়েছেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমার ব্যবহারে আমি দুঃখ পেলাম। তুমি আমাকে (না জানার ভান করে) এমন কথা জিজ্ঞেস করেছো যা তুমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে আগেই জিজ্ঞেস করে জ্ঞাত আছো। যাতে আমি তার বিপরীত কিছু বলি। সহীহ, কিন্তু এটি মানসুখ পূর্বের (২০০৩) হাদীস দ্বারা।

حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا أبو عوانة، عن يعلى بن عطاء، عن الوليد بن عبد الرحمن، عن الحارث بن عبد الله بن أوس، قال أتيت عمر بن الخطاب فسألته عن المرأة، تطوف بالبيت يوم النحر ثم تحيض قال ليكن آخر عهدها بالبيت ‏.‏ قال فقال الحارث كذلك أفتاني رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال فقال عمر أربت عن يديك سألتني عن شىء سألت عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم لكيما أخالف ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > বিদায়ী তাওয়াফ

সুনানে আবু দাউদ ২০০৫

حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن أفلح، عن القاسم، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت أحرمت من التنعيم بعمرة فدخلت فقضيت عمرتي وانتظرني رسول الله صلى الله عليه وسلم بالأبطح حتى فرغت وأمر الناس بالرحيل ‏.‏ قالت وأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم البيت فطاف به ثم خرج ‏.‏

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আত-তানঈম হতে ‘উমারাহ্‌র জন্য ইহরাম বাঁধলাম। এরপর মাক্কাহয় প্রবেশ করে ‘উমরাহ সম্পন্ন করলাম। এ সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আল-আব্‌তাহ’ নামক স্থানে আমার অপেক্ষায় থাকলেন। পরে তিনি লোকদেরকে (মাদীনাহতে) যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় এসে বায়তুল্লাহ (বিদায়ী) তাওয়াফ করে রওয়ানা হলেন। [২০০৫]

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আত-তানঈম হতে ‘উমারাহ্‌র জন্য ইহরাম বাঁধলাম। এরপর মাক্কাহয় প্রবেশ করে ‘উমরাহ সম্পন্ন করলাম। এ সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আল-আব্‌তাহ’ নামক স্থানে আমার অপেক্ষায় থাকলেন। পরে তিনি লোকদেরকে (মাদীনাহতে) যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় এসে বায়তুল্লাহ (বিদায়ী) তাওয়াফ করে রওয়ানা হলেন। [২০০৫]

حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن أفلح، عن القاسم، عن عائشة، - رضى الله عنها - قالت أحرمت من التنعيم بعمرة فدخلت فقضيت عمرتي وانتظرني رسول الله صلى الله عليه وسلم بالأبطح حتى فرغت وأمر الناس بالرحيل ‏.‏ قالت وأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم البيت فطاف به ثم خرج ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০০৬

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو بكر، - يعني الحنفي - حدثنا أفلح، عن القاسم، عن عائشة، قالت خرجت معه - تعني مع النبي صلى الله عليه وسلم - في النفر الآخر فنزل المحصب - قال أبو داود ولم يذكر ابن بشار قصة بعثها إلى التنعيم في هذا الحديث - قالت ثم جئته بسحر فأذن في أصحابه بالرحيل فارتحل فمر بالبيت قبل صلاة الصبح فطاف به حين خرج ثم انصرف متوجها إلى المدينة ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে সর্বশেষ কাফেলায় (যিলহাজ্জের তের তারিখে) মাক্কাহ হতে মাদীনাহর পথে রওয়ানা হই। তিনি মুহাসসাব উপত্যকায় নামলেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু বাশ্‌শার এ হাদীসে তাকে আত-তানঈম প্রেরণের ঘটনা উল্লেখ করেননি। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি ‘উমরাহ (সম্পন্ন করে) শেষ রাতে তাঁর কাছে আসি। তখন তিনি তাঁর সাহবীদেরকে রওয়ানা হবার ঘোষণা দিলেন এবং তিনি নিজেও রওয়ানা হলেন। আর তিনি ফাজ্‌রের সলাতের পূর্বে যাত্রাকালে বায়তুল্লাহ গিয়ে বিদায়ী তওয়াফ করার পর মাদীনাহর দিকে যাত্রা করলেন। [২০০৬]

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে সর্বশেষ কাফেলায় (যিলহাজ্জের তের তারিখে) মাক্কাহ হতে মাদীনাহর পথে রওয়ানা হই। তিনি মুহাসসাব উপত্যকায় নামলেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু বাশ্‌শার এ হাদীসে তাকে আত-তানঈম প্রেরণের ঘটনা উল্লেখ করেননি। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, আমি ‘উমরাহ (সম্পন্ন করে) শেষ রাতে তাঁর কাছে আসি। তখন তিনি তাঁর সাহবীদেরকে রওয়ানা হবার ঘোষণা দিলেন এবং তিনি নিজেও রওয়ানা হলেন। আর তিনি ফাজ্‌রের সলাতের পূর্বে যাত্রাকালে বায়তুল্লাহ গিয়ে বিদায়ী তওয়াফ করার পর মাদীনাহর দিকে যাত্রা করলেন। [২০০৬]

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو بكر، - يعني الحنفي - حدثنا أفلح، عن القاسم، عن عائشة، قالت خرجت معه - تعني مع النبي صلى الله عليه وسلم - في النفر الآخر فنزل المحصب - قال أبو داود ولم يذكر ابن بشار قصة بعثها إلى التنعيم في هذا الحديث - قالت ثم جئته بسحر فأذن في أصحابه بالرحيل فارتحل فمر بالبيت قبل صلاة الصبح فطاف به حين خرج ثم انصرف متوجها إلى المدينة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০০৭

حدثنا يحيى بن معين، حدثنا هشام بن يوسف، عن ابن جريج، أخبرني عبيد الله بن أبي يزيد، أن عبد الرحمن بن طارق، أخبره عن أمه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا جاز مكانا من دار يعلى - نسيه عبيد الله - استقبل البيت فدعا ‏.‏

আবদুর রহমান ইবনু ত্বারিক (রহঃ) হতে তার মাতা থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘দ্বারে ই‘য়ালা’র নিকটস্থ স্থান দিয়ে অতিক্রমকালে বায়তুল্লাহকে সম্মুখে রেখে দু’আ করেছেন। ‘উবাইদুল্লাহ স্থানটির নাম ভুলে গেছেন। [২০০৭]

আবদুর রহমান ইবনু ত্বারিক (রহঃ) হতে তার মাতা থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘দ্বারে ই‘য়ালা’র নিকটস্থ স্থান দিয়ে অতিক্রমকালে বায়তুল্লাহকে সম্মুখে রেখে দু’আ করেছেন। ‘উবাইদুল্লাহ স্থানটির নাম ভুলে গেছেন। [২০০৭]

حدثنا يحيى بن معين، حدثنا هشام بن يوسف، عن ابن جريج، أخبرني عبيد الله بن أبي يزيد، أن عبد الرحمن بن طارق، أخبره عن أمه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا جاز مكانا من دار يعلى - نسيه عبيد الله - استقبل البيت فدعا ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00