সুনানে আবু দাউদ > ‘উমরাহ্‌ সম্পর্কে

সুনানে আবু দাউদ ১৯৮৬

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا مخلد بن يزيد، ويحيى بن زكريا، عن ابن جريج، عن عكرمة بن خالد، عن ابن عمر، قال اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل أن يحج ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে যিলহাজ্জ মাসে ‘উমরাহ করিয়েছেন এজন্যই যে, যাতে মুশরিকদের কাজের বিরোধীতা হয়। কেননা কুরাইশদের এ গোত্র এবং তাদের অনুসারীরা বলতো : ‘উটের পিঠের ঘা শুকিয়ে পশম গজালে এবং সফর মাস এলে ‘উমরাহ করতে ইচ্ছুকদের ‘উমরাহ করা বৈধ। মুশরিকরা যিলহাজ্জ এবং মুহা্ররম মাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত ‘উমরাহ করা হারাম মনে করতো। [১৯৮৬]

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র শপথ! রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে যিলহাজ্জ মাসে ‘উমরাহ করিয়েছেন এজন্যই যে, যাতে মুশরিকদের কাজের বিরোধীতা হয়। কেননা কুরাইশদের এ গোত্র এবং তাদের অনুসারীরা বলতো : ‘উটের পিঠের ঘা শুকিয়ে পশম গজালে এবং সফর মাস এলে ‘উমরাহ করতে ইচ্ছুকদের ‘উমরাহ করা বৈধ। মুশরিকরা যিলহাজ্জ এবং মুহা্ররম মাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত ‘উমরাহ করা হারাম মনে করতো। [১৯৮৬]

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا مخلد بن يزيد، ويحيى بن زكريا، عن ابن جريج، عن عكرمة بن خالد، عن ابن عمر، قال اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل أن يحج ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯১

حدثنا عبد الأعلى بن حماد، حدثنا داود بن عبد الرحمن، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمر عمرتين عمرة في ذي القعدة وعمرة في شوال ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুইবার ‘উমরাহ করছেন। একটি যিলক্বাদ মাসে এবং অপরটি শাওয়াল মাসে। [১৯৯১] সহীহ : কিন্তু তার কথা : শাওয়াল অর্থাৎ প্রথমটি। অন্যতায় সেটিও যিলক্বাদ মাসে।

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুইবার ‘উমরাহ করছেন। একটি যিলক্বাদ মাসে এবং অপরটি শাওয়াল মাসে। [১৯৯১] সহীহ : কিন্তু তার কথা : শাওয়াল অর্থাৎ প্রথমটি। অন্যতায় সেটিও যিলক্বাদ মাসে।

حدثنا عبد الأعلى بن حماد، حدثنا داود بن عبد الرحمن، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمر عمرتين عمرة في ذي القعدة وعمرة في شوال ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৮৭

حدثنا هناد بن السري، عن ابن أبي زائدة، حدثنا ابن جريج، ومحمد بن إسحاق، عن عبد الله بن طاوس، عن أبيه، عن ابن عباس، قال والله ما أعمر رسول الله صلى الله عليه وسلم عائشة في ذي الحجة إلا ليقطع بذلك أمر أهل الشرك فإن هذا الحى من قريش ومن دان دينهم كانوا يقولون إذا عفا الوبر وبرأ الدبر ودخل صفر فقد حلت العمرة لمن اعتمر ‏.‏ فكانوا يحرمون العمرة حتى ينسلخ ذو الحجة والمحرم ‏.‏

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মারওয়ানের যে দূতকে উম্মু মা‘ক্বিলের নিকট প্রেরণ করা হয়, তিনি আমাকে জানিয়েছেন, উম্মু মা‘ক্বিল (রাঃ) বলেছেন, আবূ মা‘ক্বিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে হাজ্জ গমনের ইচ্ছা করেছিলেন। তিনি ঘরে এলে উম্মু মা‘ক্বিল (রাঃ) বললেন, আমি আবগত হয়েছি, আমার উপরও হাজ্জ ফরয হয়েছে সুতরাং তারা (স্বামী-স্ত্রী) উভয়ে পদব্রজে রাসূলল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট উপস্থিত হলেন। উম্মু মা‘ক্বিল বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার উপর হাজ্জ ফরয হয়েছে। আর আবূ মা‘ক্বিলের নিকট একটি উষ্ট্রী আছে। আবূ মা‘ক্বিল (রাঃ) বললেন, সে সত্যই বলেছে, কিন্তু আমি তো সেটি আল্লাহর পথে যুদ্ধের কাজে সদাক্বাহ করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি এটা তাকে দিয়ে দাও, সে হাজ্জ করে আসুক। কেননা এটাও আল্লাহর পথ। নির্দেশ মোতাবেক তিনি উষ্ট্রীটি তাকে দিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো বৃদ্ধ মহিলা এবং অসুস্থ। সুতরাং এমন কোনো কাজ আছে কি যা আমার হাজ্জের বিকল্প হবে? তিনি বললেনঃ রমাযান মাসে ‘উমরাহ তোমার হাজ্জের জন্য যথেষ্ট। [১৯৮৭]

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মারওয়ানের যে দূতকে উম্মু মা‘ক্বিলের নিকট প্রেরণ করা হয়, তিনি আমাকে জানিয়েছেন, উম্মু মা‘ক্বিল (রাঃ) বলেছেন, আবূ মা‘ক্বিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে হাজ্জ গমনের ইচ্ছা করেছিলেন। তিনি ঘরে এলে উম্মু মা‘ক্বিল (রাঃ) বললেন, আমি আবগত হয়েছি, আমার উপরও হাজ্জ ফরয হয়েছে সুতরাং তারা (স্বামী-স্ত্রী) উভয়ে পদব্রজে রাসূলল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট উপস্থিত হলেন। উম্মু মা‘ক্বিল বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার উপর হাজ্জ ফরয হয়েছে। আর আবূ মা‘ক্বিলের নিকট একটি উষ্ট্রী আছে। আবূ মা‘ক্বিল (রাঃ) বললেন, সে সত্যই বলেছে, কিন্তু আমি তো সেটি আল্লাহর পথে যুদ্ধের কাজে সদাক্বাহ করেছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি এটা তাকে দিয়ে দাও, সে হাজ্জ করে আসুক। কেননা এটাও আল্লাহর পথ। নির্দেশ মোতাবেক তিনি উষ্ট্রীটি তাকে দিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো বৃদ্ধ মহিলা এবং অসুস্থ। সুতরাং এমন কোনো কাজ আছে কি যা আমার হাজ্জের বিকল্প হবে? তিনি বললেনঃ রমাযান মাসে ‘উমরাহ তোমার হাজ্জের জন্য যথেষ্ট। [১৯৮৭]

حدثنا هناد بن السري، عن ابن أبي زائدة، حدثنا ابن جريج، ومحمد بن إسحاق، عن عبد الله بن طاوس، عن أبيه، عن ابن عباس، قال والله ما أعمر رسول الله صلى الله عليه وسلم عائشة في ذي الحجة إلا ليقطع بذلك أمر أهل الشرك فإن هذا الحى من قريش ومن دان دينهم كانوا يقولون إذا عفا الوبر وبرأ الدبر ودخل صفر فقد حلت العمرة لمن اعتمر ‏.‏ فكانوا يحرمون العمرة حتى ينسلخ ذو الحجة والمحرم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৮৮

حدثنا أبو كامل، حدثنا أبو عوانة، عن إبراهيم بن مهاجر، عن أبي بكر بن عبد الرحمن، أخبرني رسول مروان الذي أرسل إلى أم معقل قالت كان أبو معقل حاجا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما قدم قالت أم معقل قد علمت أن على حجة فانطلقا يمشيان حتى دخلا عليه فقالت يا رسول الله إن على حجة وإن لأبي معقل بكرا ‏.‏ قال أبو معقل صدقت جعلته في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أعطها فلتحج عليه فإنه في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏ فأعطاها البكر فقالت يا رسول الله إني امرأة قد كبرت وسقمت فهل من عمل يجزئ عني من حجتي قال ‏"‏ عمرة في رمضان تجزئ حجة ‏"‏ ‏.‏

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মারওয়ানের যে দূতকে উম্মু মা‘ক্বিলের কাছে প্রেরণ করা হয়েছিলো, তিনি আমাকে জানিয়েছেন যে, উম্মু মা‘ক্বিল (রাঃ) বলেছেনঃ আবূ মা‘ক্বিল রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হাজ্জ করার ইচ্ছা করেছিলেন। তিনি ঘরে এলে উম্মু মা‘ক্বিল (রাঃ) বলেন, আমার উপরও যে হাজ্জ ফরয হয়েছে তা আমি অবগত হয়েছি। কাজেই স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই পায়ে হেঁটে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গেলেন। উম্মু মা‘ক্বিল (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার উপর হাজ্জ ফরয হয়েছে। আর আবূ মা‘ক্বিলের নিকট (বাহন উপযোগী) একটি উষ্ট্রী আছে। আবূ মা‘ক্বিল (রাঃ) বললেন, সে সত্য বলেছে, কিন্তু আমি তো সেটি আল্লাহর পথে যুদ্ধের কাজে সদাক্বাহ করে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি ওটা (উষ্ট্রীটি) একে দাও, সে হাজ্জ করে আসুক। কারণ এটাও তো আল্লাহর পথ। ফলে তিনি তাকে তা দিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি একজন বৃদ্ধা মহিলা এবং অসুস্থ। কাজেই এমন কোন আমল আছে কি যা করলে আমার হাজ্জের পরিবর্তে যথেষ্ট হবে? তিনি বললেনঃ রমাযানের একটি ‘উমরাহ তোমার হাজ্জের জন্য যথেষ্ট হবে। [১৯৮৮] সহীহ, তবে মহিলার এ কথাটি বাদে : আমি একজন বৃদ্ধা মহিলা ...।”

আবূ বাক্‌র ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, মারওয়ানের যে দূতকে উম্মু মা‘ক্বিলের কাছে প্রেরণ করা হয়েছিলো, তিনি আমাকে জানিয়েছেন যে, উম্মু মা‘ক্বিল (রাঃ) বলেছেনঃ আবূ মা‘ক্বিল রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে হাজ্জ করার ইচ্ছা করেছিলেন। তিনি ঘরে এলে উম্মু মা‘ক্বিল (রাঃ) বলেন, আমার উপরও যে হাজ্জ ফরয হয়েছে তা আমি অবগত হয়েছি। কাজেই স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই পায়ে হেঁটে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গেলেন। উম্মু মা‘ক্বিল (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার উপর হাজ্জ ফরয হয়েছে। আর আবূ মা‘ক্বিলের নিকট (বাহন উপযোগী) একটি উষ্ট্রী আছে। আবূ মা‘ক্বিল (রাঃ) বললেন, সে সত্য বলেছে, কিন্তু আমি তো সেটি আল্লাহর পথে যুদ্ধের কাজে সদাক্বাহ করে দিয়েছি। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি ওটা (উষ্ট্রীটি) একে দাও, সে হাজ্জ করে আসুক। কারণ এটাও তো আল্লাহর পথ। ফলে তিনি তাকে তা দিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি একজন বৃদ্ধা মহিলা এবং অসুস্থ। কাজেই এমন কোন আমল আছে কি যা করলে আমার হাজ্জের পরিবর্তে যথেষ্ট হবে? তিনি বললেনঃ রমাযানের একটি ‘উমরাহ তোমার হাজ্জের জন্য যথেষ্ট হবে। [১৯৮৮] সহীহ, তবে মহিলার এ কথাটি বাদে : আমি একজন বৃদ্ধা মহিলা ...।”

حدثنا أبو كامل، حدثنا أبو عوانة، عن إبراهيم بن مهاجر، عن أبي بكر بن عبد الرحمن، أخبرني رسول مروان الذي أرسل إلى أم معقل قالت كان أبو معقل حاجا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما قدم قالت أم معقل قد علمت أن على حجة فانطلقا يمشيان حتى دخلا عليه فقالت يا رسول الله إن على حجة وإن لأبي معقل بكرا ‏.‏ قال أبو معقل صدقت جعلته في سبيل الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أعطها فلتحج عليه فإنه في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏ فأعطاها البكر فقالت يا رسول الله إني امرأة قد كبرت وسقمت فهل من عمل يجزئ عني من حجتي قال ‏"‏ عمرة في رمضان تجزئ حجة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৮৯

حدثنا محمد بن عوف الطائي، حدثنا أحمد بن خالد الوهبي، حدثنا محمد بن إسحاق، عن عيسى بن معقل ابن أم معقل الأسدي، - أسد خزيمة - حدثني يوسف بن عبد الله بن سلام، عن جدته أم معقل، قالت لما حج رسول الله صلى الله عليه وسلم حجة الوداع وكان لنا جمل فجعله أبو معقل في سبيل الله وأصابنا مرض وهلك أبو معقل وخرج النبي صلى الله عليه وسلم فلما فرغ من حجه جئته فقال ‏"‏ يا أم معقل ما منعك أن تخرجي معنا ‏"‏ ‏.‏ قالت لقد تهيأنا فهلك أبو معقل وكان لنا جمل هو الذي نحج عليه فأوصى به أبو معقل في سبيل الله ‏.‏ قال ‏"‏ فهلا خرجت عليه فإن الحج في سبيل الله فأما إذ فاتتك هذه الحجة معنا فاعتمري في رمضان فإنها كحجة ‏"‏ ‏.‏ فكانت تقول الحج حجة والعمرة عمرة وقد قال هذا لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أدري ألي خاصة ‏.‏

উম্মু মা‘ক্বিল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বিদায় হাজ্জ গমন করেন তখন আমাদের একটি মাত্র উট ছিলো, সেটাও আবূ মা‘ক্বিল (রাঃ) আল্লাহর পথে (জিহাদে) সদাক্বাহ করেছেন। এদিকে আমরা অসুস্থ হলাম এবং আবূ মা‘ক্বিলও মৃত্যুবরণ করলেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হাজ্জে) চলে গেলেন। তিনি হাজ্জ সম্পন্ন করার পর আমি তাঁর কাছে আসলে তিনি বললেনঃ হে উম্মু মা‘ক্বিল! আমাদের সাথে যেতে তোমাকে কিসে বাধা দিয়েছে? তিনি বললেন, আমরা তো প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। কিন্তু আবূ মা‘ক্বিল মারা গেলেন। আমাদের যে উটটি ছিলো, যা দ্বারা আমি হাজ্জ সম্পন্ন করতে চেয়েছিলাম, সেটাকেও আবূ মা‘ক্বিল আল্লাহর পথে দান করার ওয়াসিয়্যাত করেছেন। তিনি বললেন, তুমি সেটা নিয়েই বের হলে না কেন? কারণ ‘হাজ্জ করাও আল্লাহর পথের সদৃশ! তুমি যখন আমাদের সাথে এ হাজ্জ করতে পারলে না সুতরাং রমযান মাসে ‘উমরাহ আদায় করো। কেননা এ সময়ের ‘উমরাহ হাজ্জের সমতুল্য। এরপর থেকে উম্মু মা‘ক্বিল প্রায়ই বলতেন, হাজ্জ হাজ্জই এবং ‘উমরাহ ‘উমরাহই। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একথা কেবল আমার জন্যই বলেছেন নাকি সবার জন্য তা আমি অবহিত নই। [১৯৮৯] সহীহ, তার এ কথাটি বাদে : “তিনি প্রায়ই বলতেন ...।”

উম্মু মা‘ক্বিল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন বিদায় হাজ্জ গমন করেন তখন আমাদের একটি মাত্র উট ছিলো, সেটাও আবূ মা‘ক্বিল (রাঃ) আল্লাহর পথে (জিহাদে) সদাক্বাহ করেছেন। এদিকে আমরা অসুস্থ হলাম এবং আবূ মা‘ক্বিলও মৃত্যুবরণ করলেন। আর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (হাজ্জে) চলে গেলেন। তিনি হাজ্জ সম্পন্ন করার পর আমি তাঁর কাছে আসলে তিনি বললেনঃ হে উম্মু মা‘ক্বিল! আমাদের সাথে যেতে তোমাকে কিসে বাধা দিয়েছে? তিনি বললেন, আমরা তো প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। কিন্তু আবূ মা‘ক্বিল মারা গেলেন। আমাদের যে উটটি ছিলো, যা দ্বারা আমি হাজ্জ সম্পন্ন করতে চেয়েছিলাম, সেটাকেও আবূ মা‘ক্বিল আল্লাহর পথে দান করার ওয়াসিয়্যাত করেছেন। তিনি বললেন, তুমি সেটা নিয়েই বের হলে না কেন? কারণ ‘হাজ্জ করাও আল্লাহর পথের সদৃশ! তুমি যখন আমাদের সাথে এ হাজ্জ করতে পারলে না সুতরাং রমযান মাসে ‘উমরাহ আদায় করো। কেননা এ সময়ের ‘উমরাহ হাজ্জের সমতুল্য। এরপর থেকে উম্মু মা‘ক্বিল প্রায়ই বলতেন, হাজ্জ হাজ্জই এবং ‘উমরাহ ‘উমরাহই। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একথা কেবল আমার জন্যই বলেছেন নাকি সবার জন্য তা আমি অবহিত নই। [১৯৮৯] সহীহ, তার এ কথাটি বাদে : “তিনি প্রায়ই বলতেন ...।”

حدثنا محمد بن عوف الطائي، حدثنا أحمد بن خالد الوهبي، حدثنا محمد بن إسحاق، عن عيسى بن معقل ابن أم معقل الأسدي، - أسد خزيمة - حدثني يوسف بن عبد الله بن سلام، عن جدته أم معقل، قالت لما حج رسول الله صلى الله عليه وسلم حجة الوداع وكان لنا جمل فجعله أبو معقل في سبيل الله وأصابنا مرض وهلك أبو معقل وخرج النبي صلى الله عليه وسلم فلما فرغ من حجه جئته فقال ‏"‏ يا أم معقل ما منعك أن تخرجي معنا ‏"‏ ‏.‏ قالت لقد تهيأنا فهلك أبو معقل وكان لنا جمل هو الذي نحج عليه فأوصى به أبو معقل في سبيل الله ‏.‏ قال ‏"‏ فهلا خرجت عليه فإن الحج في سبيل الله فأما إذ فاتتك هذه الحجة معنا فاعتمري في رمضان فإنها كحجة ‏"‏ ‏.‏ فكانت تقول الحج حجة والعمرة عمرة وقد قال هذا لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ما أدري ألي خاصة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯২

حدثنا النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، عن مجاهد، قال سئل ابن عمر كم اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال مرتين ‏.‏ فقالت عائشة لقد علم ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد اعتمر ثلاثا سوى التي قرنها بحجة الوداع ‏.‏

মুজাহিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার ‘উমরাহ করেছেন? তিনি বললেন, দুইবার। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) অবগত আছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজ্জের সাথে যে ‘উমরাহ করেছেন সেটা ছাড়াও তিনবার ‘উমরাহ করেছেন।

মুজাহিদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কতবার ‘উমরাহ করেছেন? তিনি বললেন, দুইবার। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বললেন, ইবনু ‘উমার (রাঃ) অবগত আছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হাজ্জের সাথে যে ‘উমরাহ করেছেন সেটা ছাড়াও তিনবার ‘উমরাহ করেছেন।

حدثنا النفيلي، حدثنا زهير، حدثنا أبو إسحاق، عن مجاهد، قال سئل ابن عمر كم اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال مرتين ‏.‏ فقالت عائشة لقد علم ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد اعتمر ثلاثا سوى التي قرنها بحجة الوداع ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯০

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عامر الأحول، عن بكر بن عبد الله، عن ابن عباس، قال أراد رسول الله صلى الله عليه وسلم الحج فقالت امرأة لزوجها أحجني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على جملك ‏.‏ فقال ما عندي ما أحجك عليه ‏.‏ قالت أحجني على جملك فلان ‏.‏ قال ذاك حبيس في سبيل الله عز وجل ‏.‏ فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن امرأتي تقرأ عليك السلام ورحمة الله وإنها سألتني الحج معك قالت أحجني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقلت ما عندي ما أحجك عليه ‏.‏ فقالت أحجني على جملك فلان ‏.‏ فقلت ذاك حبيس في سبيل الله ‏.‏ فقال ‏"‏ أما إنك لو أحججتها عليه كان في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏ قال وإنها أمرتني أن أسألك ما يعدل حجة معك ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أقرئها السلام ورحمة الله وبركاته وأخبرها أنها تعدل حجة معي ‏"‏ ‏.‏ يعني عمرة في رمضان ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের ইচ্ছা করলেন। তখন জনৈক মহিলা (উম্মু মা‘ক্বিল) তার স্বামীকে বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আমার হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিন। তিনি বললেন, তোমাকে হাজ্জে পাঠাবার মতো (বাহন) ব্যবস্থা আমার কাছে নেই। তিনি (উম্মু মা‘ক্বিল) বললেন, অমুক উটটি দ্বারা আমাকে হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করুন। তিনি বললেন, তাতো মহান শক্তিমান আল্লাহ পথে (জিহাদের জন্য) আবদ্ধ। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আমার স্ত্রী আপনাকে সালাম জানিয়েছে এবং আপনার উপর আল্লাহর রহমাত কামনা করেছে। সে আপনার সাথে হাজ্জে যেতে আমার কাছে অনুমতি চেয়ে বলেছে, আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিন। আমি বলেছি, আমার কাছে তোমাকে হাজ্জে পাঠানোর কোন ব্যবস্থা নেই। সে বললো, অমুক উট দ্বারা আমাকে হাজ্জে গমনের সুযোগ দিন। আমি বললাম, সেটি তো মহান শক্তিমান আল্লাহর পথে (জিহাদের জন্য) আবদ্ধ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে সেটির দ্বারা হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিলে তাও আল্লাহর পথেই হতো। সে আমাকে আপনার কাছে জিজ্ঞেস করতে বলেছে, আপনার সাথে হাজ্জ করার সমতুল্য সওয়াব পাওয়ার মত কোন কাজ আছে কিনা? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে আমার সালাম জানাবে, তার উপর আল্লাহর রহমাত ও বরকত বর্ষিত হোক। তাকে এ সংবাদও দিবে, রমযান মাসে ‘উমরাহ করা আমার সাথে হাজ্জ করার সমুতুল্য। [১৯৯০]

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের ইচ্ছা করলেন। তখন জনৈক মহিলা (উম্মু মা‘ক্বিল) তার স্বামীকে বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আমার হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিন। তিনি বললেন, তোমাকে হাজ্জে পাঠাবার মতো (বাহন) ব্যবস্থা আমার কাছে নেই। তিনি (উম্মু মা‘ক্বিল) বললেন, অমুক উটটি দ্বারা আমাকে হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করুন। তিনি বললেন, তাতো মহান শক্তিমান আল্লাহ পথে (জিহাদের জন্য) আবদ্ধ। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আমার স্ত্রী আপনাকে সালাম জানিয়েছে এবং আপনার উপর আল্লাহর রহমাত কামনা করেছে। সে আপনার সাথে হাজ্জে যেতে আমার কাছে অনুমতি চেয়ে বলেছে, আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিন। আমি বলেছি, আমার কাছে তোমাকে হাজ্জে পাঠানোর কোন ব্যবস্থা নেই। সে বললো, অমুক উট দ্বারা আমাকে হাজ্জে গমনের সুযোগ দিন। আমি বললাম, সেটি তো মহান শক্তিমান আল্লাহর পথে (জিহাদের জন্য) আবদ্ধ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে সেটির দ্বারা হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিলে তাও আল্লাহর পথেই হতো। সে আমাকে আপনার কাছে জিজ্ঞেস করতে বলেছে, আপনার সাথে হাজ্জ করার সমতুল্য সওয়াব পাওয়ার মত কোন কাজ আছে কিনা? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে আমার সালাম জানাবে, তার উপর আল্লাহর রহমাত ও বরকত বর্ষিত হোক। তাকে এ সংবাদও দিবে, রমযান মাসে ‘উমরাহ করা আমার সাথে হাজ্জ করার সমুতুল্য। [১৯৯০]

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عامر الأحول، عن بكر بن عبد الله، عن ابن عباس، قال أراد رسول الله صلى الله عليه وسلم الحج فقالت امرأة لزوجها أحجني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على جملك ‏.‏ فقال ما عندي ما أحجك عليه ‏.‏ قالت أحجني على جملك فلان ‏.‏ قال ذاك حبيس في سبيل الله عز وجل ‏.‏ فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن امرأتي تقرأ عليك السلام ورحمة الله وإنها سألتني الحج معك قالت أحجني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقلت ما عندي ما أحجك عليه ‏.‏ فقالت أحجني على جملك فلان ‏.‏ فقلت ذاك حبيس في سبيل الله ‏.‏ فقال ‏"‏ أما إنك لو أحججتها عليه كان في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏ قال وإنها أمرتني أن أسألك ما يعدل حجة معك ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أقرئها السلام ورحمة الله وبركاته وأخبرها أنها تعدل حجة معي ‏"‏ ‏.‏ يعني عمرة في رمضان ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯০

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عامر الأحول، عن بكر بن عبد الله، عن ابن عباس، قال أراد رسول الله صلى الله عليه وسلم الحج فقالت امرأة لزوجها أحجني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على جملك ‏.‏ فقال ما عندي ما أحجك عليه ‏.‏ قالت أحجني على جملك فلان ‏.‏ قال ذاك حبيس في سبيل الله عز وجل ‏.‏ فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن امرأتي تقرأ عليك السلام ورحمة الله وإنها سألتني الحج معك قالت أحجني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقلت ما عندي ما أحجك عليه ‏.‏ فقالت أحجني على جملك فلان ‏.‏ فقلت ذاك حبيس في سبيل الله ‏.‏ فقال ‏"‏ أما إنك لو أحججتها عليه كان في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏ قال وإنها أمرتني أن أسألك ما يعدل حجة معك ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أقرئها السلام ورحمة الله وبركاته وأخبرها أنها تعدل حجة معي ‏"‏ ‏.‏ يعني عمرة في رمضان ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের ইচ্ছা করলেন। তখন জনৈক মহিলা (উম্মু মা‘ক্বিল) তার স্বামীকে বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আমার হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিন। তিনি বললেন, তোমাকে হাজ্জে পাঠাবার মতো (বাহন) ব্যবস্থা আমার কাছে নেই। তিনি (উম্মু মা‘ক্বিল) বললেন, অমুক উটটি দ্বারা আমাকে হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করুন। তিনি বললেন, তাতো মহান শক্তিমান আল্লাহ পথে (জিহাদের জন্য) আবদ্ধ। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আমার স্ত্রী আপনাকে সালাম জানিয়েছে এবং আপনার উপর আল্লাহর রহমাত কামনা করেছে। সে আপনার সাথে হাজ্জে যেতে আমার কাছে অনুমতি চেয়ে বলেছে, আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিন। আমি বলেছি, আমার কাছে তোমাকে হাজ্জে পাঠানোর কোন ব্যবস্থা নেই। সে বললো, অমুক উট দ্বারা আমাকে হাজ্জে গমনের সুযোগ দিন। আমি বললাম, সেটি তো মহান শক্তিমান আল্লাহর পথে (জিহাদের জন্য) আবদ্ধ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে সেটির দ্বারা হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিলে তাও আল্লাহর পথেই হতো। সে আমাকে আপনার কাছে জিজ্ঞেস করতে বলেছে, আপনার সাথে হাজ্জ করার সমতুল্য সওয়াব পাওয়ার মত কোন কাজ আছে কিনা? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে আমার সালাম জানাবে, তার উপর আল্লাহর রহমাত ও বরকত বর্ষিত হোক। তাকে এ সংবাদও দিবে, রমযান মাসে ‘উমরাহ করা আমার সাথে হাজ্জ করার সমুতুল্য। [১৯৯০]

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের ইচ্ছা করলেন। তখন জনৈক মহিলা (উম্মু মা‘ক্বিল) তার স্বামীকে বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আমার হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিন। তিনি বললেন, তোমাকে হাজ্জে পাঠাবার মতো (বাহন) ব্যবস্থা আমার কাছে নেই। তিনি (উম্মু মা‘ক্বিল) বললেন, অমুক উটটি দ্বারা আমাকে হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করুন। তিনি বললেন, তাতো মহান শক্তিমান আল্লাহ পথে (জিহাদের জন্য) আবদ্ধ। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আমার স্ত্রী আপনাকে সালাম জানিয়েছে এবং আপনার উপর আল্লাহর রহমাত কামনা করেছে। সে আপনার সাথে হাজ্জে যেতে আমার কাছে অনুমতি চেয়ে বলেছে, আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিন। আমি বলেছি, আমার কাছে তোমাকে হাজ্জে পাঠানোর কোন ব্যবস্থা নেই। সে বললো, অমুক উট দ্বারা আমাকে হাজ্জে গমনের সুযোগ দিন। আমি বললাম, সেটি তো মহান শক্তিমান আল্লাহর পথে (জিহাদের জন্য) আবদ্ধ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে সেটির দ্বারা হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিলে তাও আল্লাহর পথেই হতো। সে আমাকে আপনার কাছে জিজ্ঞেস করতে বলেছে, আপনার সাথে হাজ্জ করার সমতুল্য সওয়াব পাওয়ার মত কোন কাজ আছে কিনা? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে আমার সালাম জানাবে, তার উপর আল্লাহর রহমাত ও বরকত বর্ষিত হোক। তাকে এ সংবাদও দিবে, রমযান মাসে ‘উমরাহ করা আমার সাথে হাজ্জ করার সমুতুল্য। [১৯৯০]

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عامر الأحول، عن بكر بن عبد الله، عن ابن عباس، قال أراد رسول الله صلى الله عليه وسلم الحج فقالت امرأة لزوجها أحجني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على جملك ‏.‏ فقال ما عندي ما أحجك عليه ‏.‏ قالت أحجني على جملك فلان ‏.‏ قال ذاك حبيس في سبيل الله عز وجل ‏.‏ فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن امرأتي تقرأ عليك السلام ورحمة الله وإنها سألتني الحج معك قالت أحجني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقلت ما عندي ما أحجك عليه ‏.‏ فقالت أحجني على جملك فلان ‏.‏ فقلت ذاك حبيس في سبيل الله ‏.‏ فقال ‏"‏ أما إنك لو أحججتها عليه كان في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏ قال وإنها أمرتني أن أسألك ما يعدل حجة معك ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أقرئها السلام ورحمة الله وبركاته وأخبرها أنها تعدل حجة معي ‏"‏ ‏.‏ يعني عمرة في رمضان ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯০

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عامر الأحول، عن بكر بن عبد الله، عن ابن عباس، قال أراد رسول الله صلى الله عليه وسلم الحج فقالت امرأة لزوجها أحجني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على جملك ‏.‏ فقال ما عندي ما أحجك عليه ‏.‏ قالت أحجني على جملك فلان ‏.‏ قال ذاك حبيس في سبيل الله عز وجل ‏.‏ فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن امرأتي تقرأ عليك السلام ورحمة الله وإنها سألتني الحج معك قالت أحجني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقلت ما عندي ما أحجك عليه ‏.‏ فقالت أحجني على جملك فلان ‏.‏ فقلت ذاك حبيس في سبيل الله ‏.‏ فقال ‏"‏ أما إنك لو أحججتها عليه كان في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏ قال وإنها أمرتني أن أسألك ما يعدل حجة معك ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أقرئها السلام ورحمة الله وبركاته وأخبرها أنها تعدل حجة معي ‏"‏ ‏.‏ يعني عمرة في رمضان ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের ইচ্ছা করলেন। তখন জনৈক মহিলা (উম্মু মা‘ক্বিল) তার স্বামীকে বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আমার হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিন। তিনি বললেন, তোমাকে হাজ্জে পাঠাবার মতো (বাহন) ব্যবস্থা আমার কাছে নেই। তিনি (উম্মু মা‘ক্বিল) বললেন, অমুক উটটি দ্বারা আমাকে হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করুন। তিনি বললেন, তাতো মহান শক্তিমান আল্লাহ পথে (জিহাদের জন্য) আবদ্ধ। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আমার স্ত্রী আপনাকে সালাম জানিয়েছে এবং আপনার উপর আল্লাহর রহমাত কামনা করেছে। সে আপনার সাথে হাজ্জে যেতে আমার কাছে অনুমতি চেয়ে বলেছে, আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিন। আমি বলেছি, আমার কাছে তোমাকে হাজ্জে পাঠানোর কোন ব্যবস্থা নেই। সে বললো, অমুক উট দ্বারা আমাকে হাজ্জে গমনের সুযোগ দিন। আমি বললাম, সেটি তো মহান শক্তিমান আল্লাহর পথে (জিহাদের জন্য) আবদ্ধ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে সেটির দ্বারা হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিলে তাও আল্লাহর পথেই হতো। সে আমাকে আপনার কাছে জিজ্ঞেস করতে বলেছে, আপনার সাথে হাজ্জ করার সমতুল্য সওয়াব পাওয়ার মত কোন কাজ আছে কিনা? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে আমার সালাম জানাবে, তার উপর আল্লাহর রহমাত ও বরকত বর্ষিত হোক। তাকে এ সংবাদও দিবে, রমযান মাসে ‘উমরাহ করা আমার সাথে হাজ্জ করার সমুতুল্য। [১৯৯০]

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাজ্জের ইচ্ছা করলেন। তখন জনৈক মহিলা (উম্মু মা‘ক্বিল) তার স্বামীকে বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আমার হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিন। তিনি বললেন, তোমাকে হাজ্জে পাঠাবার মতো (বাহন) ব্যবস্থা আমার কাছে নেই। তিনি (উম্মু মা‘ক্বিল) বললেন, অমুক উটটি দ্বারা আমাকে হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করুন। তিনি বললেন, তাতো মহান শক্তিমান আল্লাহ পথে (জিহাদের জন্য) আবদ্ধ। অতঃপর তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললেন, আমার স্ত্রী আপনাকে সালাম জানিয়েছে এবং আপনার উপর আল্লাহর রহমাত কামনা করেছে। সে আপনার সাথে হাজ্জে যেতে আমার কাছে অনুমতি চেয়ে বলেছে, আমাকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিন। আমি বলেছি, আমার কাছে তোমাকে হাজ্জে পাঠানোর কোন ব্যবস্থা নেই। সে বললো, অমুক উট দ্বারা আমাকে হাজ্জে গমনের সুযোগ দিন। আমি বললাম, সেটি তো মহান শক্তিমান আল্লাহর পথে (জিহাদের জন্য) আবদ্ধ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তাকে সেটির দ্বারা হাজ্জে গমনের ব্যবস্থা করে দিলে তাও আল্লাহর পথেই হতো। সে আমাকে আপনার কাছে জিজ্ঞেস করতে বলেছে, আপনার সাথে হাজ্জ করার সমতুল্য সওয়াব পাওয়ার মত কোন কাজ আছে কিনা? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাকে আমার সালাম জানাবে, তার উপর আল্লাহর রহমাত ও বরকত বর্ষিত হোক। তাকে এ সংবাদও দিবে, রমযান মাসে ‘উমরাহ করা আমার সাথে হাজ্জ করার সমুতুল্য। [১৯৯০]

حدثنا مسدد، حدثنا عبد الوارث، عن عامر الأحول، عن بكر بن عبد الله، عن ابن عباس، قال أراد رسول الله صلى الله عليه وسلم الحج فقالت امرأة لزوجها أحجني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على جملك ‏.‏ فقال ما عندي ما أحجك عليه ‏.‏ قالت أحجني على جملك فلان ‏.‏ قال ذاك حبيس في سبيل الله عز وجل ‏.‏ فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال إن امرأتي تقرأ عليك السلام ورحمة الله وإنها سألتني الحج معك قالت أحجني مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فقلت ما عندي ما أحجك عليه ‏.‏ فقالت أحجني على جملك فلان ‏.‏ فقلت ذاك حبيس في سبيل الله ‏.‏ فقال ‏"‏ أما إنك لو أحججتها عليه كان في سبيل الله ‏"‏ ‏.‏ قال وإنها أمرتني أن أسألك ما يعدل حجة معك ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أقرئها السلام ورحمة الله وبركاته وأخبرها أنها تعدل حجة معي ‏"‏ ‏.‏ يعني عمرة في رمضان ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৩

حدثنا النفيلي، وقتيبة، قالا حدثنا داود بن عبد الرحمن العطار، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أربع عمر عمرة الحديبية والثانية حين تواطئوا على عمرة من قابل والثالثة من الجعرانة والرابعة التي قرن مع حجته ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারবার ‘উমরাহ করেছেন। প্রথমবার হুদায়বিয়ার সময়, দ্বিতীয় ‘উমরাহ এর পরবর্তী বছর, যেটির উপর তাদের সাথে সন্ধি হয়েছিল। তৃতীয় ‘উমরাহ আল-জিইররানা হতে এবং চতুর্থ ‘উমরাহ তার হাজ্জের সাথে। [১৯৩৩]

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চারবার ‘উমরাহ করেছেন। প্রথমবার হুদায়বিয়ার সময়, দ্বিতীয় ‘উমরাহ এর পরবর্তী বছর, যেটির উপর তাদের সাথে সন্ধি হয়েছিল। তৃতীয় ‘উমরাহ আল-জিইররানা হতে এবং চতুর্থ ‘উমরাহ তার হাজ্জের সাথে। [১৯৩৩]

حدثنا النفيلي، وقتيبة، قالا حدثنا داود بن عبد الرحمن العطار، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم أربع عمر عمرة الحديبية والثانية حين تواطئوا على عمرة من قابل والثالثة من الجعرانة والرابعة التي قرن مع حجته ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৪

حدثنا أبو الوليد الطيالسي، وهدبة بن خالد، قالا حدثنا همام، عن قتادة، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمر أربع عمر كلهن في ذي القعدة إلا التي مع حجته - قال أبو داود أتقنت من ها هنا من هدبة وسمعته من أبي الوليد ولم أضبطه - عمرة زمن الحديبية أو من الحديبية وعمرة القضاء في ذي القعدة وعمرة من الجعرانة حيث قسم غنائم حنين في ذي القعدة وعمرة مع حجته ‏.‏

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মোট চারবার ‘উমরাহ করেছেন। বিদায় হাজ্জের সাথে ‘উমরাহ ছাড়া অবশিষ্ট ‘উমরাহগুলো তিনি যিলক্বাদ মাসে আদায় করেছেন। [১৯৯৪]

আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মোট চারবার ‘উমরাহ করেছেন। বিদায় হাজ্জের সাথে ‘উমরাহ ছাড়া অবশিষ্ট ‘উমরাহগুলো তিনি যিলক্বাদ মাসে আদায় করেছেন। [১৯৯৪]

حدثنا أبو الوليد الطيالسي، وهدبة بن خالد، قالا حدثنا همام، عن قتادة، عن أنس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم اعتمر أربع عمر كلهن في ذي القعدة إلا التي مع حجته - قال أبو داود أتقنت من ها هنا من هدبة وسمعته من أبي الوليد ولم أضبطه - عمرة زمن الحديبية أو من الحديبية وعمرة القضاء في ذي القعدة وعمرة من الجعرانة حيث قسم غنائم حنين في ذي القعدة وعمرة مع حجته ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যদি কোন মহিলা ‘উমরাহ্র জন্য ইহরাম বাঁধার পর ঋতুবতী হয় এবং এমতাবস্থায় হাজ্জের সময় উপস্থিত হওয়ায় সে ‘উমরাহ্র ইহরাম ছেড়ে হাজ্জের ইহরাম বাঁধে, তাহলে তাকে তার ‘উমরাহ ক্বাযা করতে হবে কিনা?

সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৫

حدثنا عبد الأعلى بن حماد، حدثنا داود بن عبد الرحمن، حدثني عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن يوسف بن ماهك، عن حفصة بنت عبد الرحمن بن أبي بكر، عن أبيها، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لعبد الرحمن ‏ "‏ يا عبد الرحمن أردف أختك عائشة فأعمرها من التنعيم فإذا هبطت بها من الأكمة فلتحرم فإنها عمرة متقبلة ‏"‏ ‏.‏

হাফসাহ বিনতু ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাক্‌র (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমানকে বলেনঃ হে ‘আবদুর রহমান! তোমার বোন ‘আয়িশাকে তোমার সওয়াবীর পেছনে বসিয়ে নাও এবং আত-তানঈম থেকে তাকে ‘উমরাহ্‌র জন্য ইহরাম বাঁধাও। আর তুমি তাকে নিয়ে সেখানকার উঁচু টিলা থেকে নেমে সমতল ভূমিতে এলেই সে ইহরাম বাঁধবে, কারণ তা ‘উমরাহ কবুল হওয়ার স্থান। [১৯৯৫]

হাফসাহ বিনতু ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাক্‌র (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আবদুর রহমানকে বলেনঃ হে ‘আবদুর রহমান! তোমার বোন ‘আয়িশাকে তোমার সওয়াবীর পেছনে বসিয়ে নাও এবং আত-তানঈম থেকে তাকে ‘উমরাহ্‌র জন্য ইহরাম বাঁধাও। আর তুমি তাকে নিয়ে সেখানকার উঁচু টিলা থেকে নেমে সমতল ভূমিতে এলেই সে ইহরাম বাঁধবে, কারণ তা ‘উমরাহ কবুল হওয়ার স্থান। [১৯৯৫]

حدثنا عبد الأعلى بن حماد، حدثنا داود بن عبد الرحمن، حدثني عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن يوسف بن ماهك، عن حفصة بنت عبد الرحمن بن أبي بكر، عن أبيها، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لعبد الرحمن ‏ "‏ يا عبد الرحمن أردف أختك عائشة فأعمرها من التنعيم فإذا هبطت بها من الأكمة فلتحرم فإنها عمرة متقبلة ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৬

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا سعيد بن مزاحم بن أبي مزاحم، حدثني أبي مزاحم، عن عبد العزيز بن عبد الله بن أسيد، عن محرش الكعبي، قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم الجعرانة فجاء إلى المسجد فركع ما شاء الله ثم أحرم ثم استوى على راحلته فاستقبل بطن سرف حتى لقي طريق المدينة فأصبح بمكة كبائت ‏.‏

মুহাররিশ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল-জি‘ইররানাহ স্থানে পৌঁছে সেখানকার মাসজিদে গিয়ে তথায় আল্লাহ যতটুকু চাইলেন তিনি (রুকু‘) সলাত আদায় করলেন, অতঃপর ইহরাম বাঁধলেন। তারপর সওয়ারীতে চড়ে ‘বাতনে সারিফ’ ভূমিতে এসে মাদীনাহগামী পথে উপনীত হলেন এবং রাত যাপনকারীর মতই তিনি মক্কায় ভোর পর্যন্ত অবস্থান করলেন। [১৯৯৬] সহীহ, মাসজিদে রুকু‘ কথাটি বাদে। কেননা তা মুনকার।

মুহাররিশ আল-কা’বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল-জি‘ইররানাহ স্থানে পৌঁছে সেখানকার মাসজিদে গিয়ে তথায় আল্লাহ যতটুকু চাইলেন তিনি (রুকু‘) সলাত আদায় করলেন, অতঃপর ইহরাম বাঁধলেন। তারপর সওয়ারীতে চড়ে ‘বাতনে সারিফ’ ভূমিতে এসে মাদীনাহগামী পথে উপনীত হলেন এবং রাত যাপনকারীর মতই তিনি মক্কায় ভোর পর্যন্ত অবস্থান করলেন। [১৯৯৬] সহীহ, মাসজিদে রুকু‘ কথাটি বাদে। কেননা তা মুনকার।

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا سعيد بن مزاحم بن أبي مزاحم، حدثني أبي مزاحم، عن عبد العزيز بن عبد الله بن أسيد، عن محرش الكعبي، قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم الجعرانة فجاء إلى المسجد فركع ما شاء الله ثم أحرم ثم استوى على راحلته فاستقبل بطن سرف حتى لقي طريق المدينة فأصبح بمكة كبائت ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > ‘উমরাহ আদায়ের পর সেখানে অবস্থান

সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৭

حدثنا داود بن رشيد، حدثنا يحيى بن زكريا، حدثنا محمد بن إسحاق، عن أبان بن صالح، وعن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقام في عمرة القضاء ثلاثا ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বাযা ‘উমরাহ আদায়ের পর মক্কায় তিন দিন অবস্থান করেছেন। [১৯৯৭]

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ক্বাযা ‘উমরাহ আদায়ের পর মক্কায় তিন দিন অবস্থান করেছেন। [১৯৯৭]

حدثنا داود بن رشيد، حدثنا يحيى بن زكريا، حدثنا محمد بن إسحاق، عن أبان بن صالح، وعن ابن أبي نجيح، عن مجاهد، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أقام في عمرة القضاء ثلاثا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > হাজ্জে তাওয়াফে ইফাদা (যিয়ারাত)

সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৮

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم أفاض يوم النحر ثم صلى الظهر بمنى يعني راجعا ‏.‏

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন মক্কায় এসে তাওয়াফে যিয়ারত সমাপ্ত করে পুনরায় মিনায় ফিরে এসে সেখানে যুহরের সলাত আদায় করেন। [১৯৯৮]

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন মক্কায় এসে তাওয়াফে যিয়ারত সমাপ্ত করে পুনরায় মিনায় ফিরে এসে সেখানে যুহরের সলাত আদায় করেন। [১৯৯৮]

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، أن النبي صلى الله عليه وسلم أفاض يوم النحر ثم صلى الظهر بمنى يعني راجعا ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০০০

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن عائشة، وابن، عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم أخر طواف يوم النحر إلى الليل ‏.‏

আয়িশাহ ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন তাওয়াফকে রাত পর্যন্ত বিলম্বিত করেছেন। [২০০০] দুর্বল : যঈফ ইবনু মাজাহ (৬৫৪), মিশকাত (২৬৭২), ইরওয়া (১০৭০), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৫৯/৯২৯) এ শব্দে : “তাওয়াফে যিয়ারাহ।”

আয়িশাহ ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন তাওয়াফকে রাত পর্যন্ত বিলম্বিত করেছেন। [২০০০] দুর্বল : যঈফ ইবনু মাজাহ (৬৫৪), মিশকাত (২৬৭২), ইরওয়া (১০৭০), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৫৯/৯২৯) এ শব্দে : “তাওয়াফে যিয়ারাহ।”

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن أبي الزبير، عن عائشة، وابن، عباس أن النبي صلى الله عليه وسلم أخر طواف يوم النحر إلى الليل ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ২০০১

حدثنا سليمان بن داود، أخبرنا ابن وهب، حدثني ابن جريج، عن عطاء بن أبي رباح، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يرمل في السبع الذي أفاض فيه ‏.‏

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফে যিয়ারাতের সাত চক্করের একটিতেও রমল করেননি। [২০০১]

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাওয়াফে যিয়ারাতের সাত চক্করের একটিতেও রমল করেননি। [২০০১]

حدثنا سليمان بن داود، أخبرنا ابن وهب، حدثني ابن جريج، عن عطاء بن أبي رباح، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم لم يرمل في السبع الذي أفاض فيه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৯

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমার পালার রাতটি ছিলো কুরবানীর দিন সন্ধ্যায়। সুতরাং সেদিন তিনি আমার কাছে ছিলেন। এ সময় ওয়াহব ইবনু যাম‘আহ এবং তার সাথে আবূ উমায়্যাহ পরিবারের জনৈক ব্যক্তি উভয়েই জামা পরিহিত অবস্থায় আমার নিকট প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াহবকে জিজ্ঞেস করলেন : হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! তুমি কি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছো? সে বললো, না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার জামা খুলে ফেলো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি মাথার দিক থেকে তা খুললেন এবং তার সাথীও মাথার দিক থেকে তার জামা খুললো। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেনঃ আজকের দিনে তোমাদের জন্য বিধান শিথিল হয়েছে। তোমরা যখন জামারায় কংকর মেরে, কুরবানী সম্পন্ন করে চুল মুড়াবে, তখন একমাত্র স্ত্রীসহবাস ছাড়া এ পর্যন্ত ইহরামের কারণে যা কিছু তোমাদের জন্য হারাম ছিল তা হালাল হবে। আর যদি আজকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আগে রাত হয়ে যায় তাহলে তাওয়াফ করা পর্যন্ত তোমরা অনুরূপভাবে ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে, যেভাবে ছিলে জামরায় কংকর মারার আগে। [১৯৯৯]

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমার পালার রাতটি ছিলো কুরবানীর দিন সন্ধ্যায়। সুতরাং সেদিন তিনি আমার কাছে ছিলেন। এ সময় ওয়াহব ইবনু যাম‘আহ এবং তার সাথে আবূ উমায়্যাহ পরিবারের জনৈক ব্যক্তি উভয়েই জামা পরিহিত অবস্থায় আমার নিকট প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াহবকে জিজ্ঞেস করলেন : হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! তুমি কি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছো? সে বললো, না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার জামা খুলে ফেলো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি মাথার দিক থেকে তা খুললেন এবং তার সাথীও মাথার দিক থেকে তার জামা খুললো। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেনঃ আজকের দিনে তোমাদের জন্য বিধান শিথিল হয়েছে। তোমরা যখন জামারায় কংকর মেরে, কুরবানী সম্পন্ন করে চুল মুড়াবে, তখন একমাত্র স্ত্রীসহবাস ছাড়া এ পর্যন্ত ইহরামের কারণে যা কিছু তোমাদের জন্য হারাম ছিল তা হালাল হবে। আর যদি আজকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আগে রাত হয়ে যায় তাহলে তাওয়াফ করা পর্যন্ত তোমরা অনুরূপভাবে ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে, যেভাবে ছিলে জামরায় কংকর মারার আগে। [১৯৯৯]


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৯

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমার পালার রাতটি ছিলো কুরবানীর দিন সন্ধ্যায়। সুতরাং সেদিন তিনি আমার কাছে ছিলেন। এ সময় ওয়াহব ইবনু যাম‘আহ এবং তার সাথে আবূ উমায়্যাহ পরিবারের জনৈক ব্যক্তি উভয়েই জামা পরিহিত অবস্থায় আমার নিকট প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াহবকে জিজ্ঞেস করলেন : হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! তুমি কি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছো? সে বললো, না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার জামা খুলে ফেলো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি মাথার দিক থেকে তা খুললেন এবং তার সাথীও মাথার দিক থেকে তার জামা খুললো। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেনঃ আজকের দিনে তোমাদের জন্য বিধান শিথিল হয়েছে। তোমরা যখন জামারায় কংকর মেরে, কুরবানী সম্পন্ন করে চুল মুড়াবে, তখন একমাত্র স্ত্রীসহবাস ছাড়া এ পর্যন্ত ইহরামের কারণে যা কিছু তোমাদের জন্য হারাম ছিল তা হালাল হবে। আর যদি আজকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আগে রাত হয়ে যায় তাহলে তাওয়াফ করা পর্যন্ত তোমরা অনুরূপভাবে ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে, যেভাবে ছিলে জামরায় কংকর মারার আগে। [১৯৯৯]

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমার পালার রাতটি ছিলো কুরবানীর দিন সন্ধ্যায়। সুতরাং সেদিন তিনি আমার কাছে ছিলেন। এ সময় ওয়াহব ইবনু যাম‘আহ এবং তার সাথে আবূ উমায়্যাহ পরিবারের জনৈক ব্যক্তি উভয়েই জামা পরিহিত অবস্থায় আমার নিকট প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াহবকে জিজ্ঞেস করলেন : হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! তুমি কি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছো? সে বললো, না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার জামা খুলে ফেলো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি মাথার দিক থেকে তা খুললেন এবং তার সাথীও মাথার দিক থেকে তার জামা খুললো। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেনঃ আজকের দিনে তোমাদের জন্য বিধান শিথিল হয়েছে। তোমরা যখন জামারায় কংকর মেরে, কুরবানী সম্পন্ন করে চুল মুড়াবে, তখন একমাত্র স্ত্রীসহবাস ছাড়া এ পর্যন্ত ইহরামের কারণে যা কিছু তোমাদের জন্য হারাম ছিল তা হালাল হবে। আর যদি আজকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আগে রাত হয়ে যায় তাহলে তাওয়াফ করা পর্যন্ত তোমরা অনুরূপভাবে ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে, যেভাবে ছিলে জামরায় কংকর মারার আগে। [১৯৯৯]


সুনানে আবু দাউদ ১৯৯৯

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমার পালার রাতটি ছিলো কুরবানীর দিন সন্ধ্যায়। সুতরাং সেদিন তিনি আমার কাছে ছিলেন। এ সময় ওয়াহব ইবনু যাম‘আহ এবং তার সাথে আবূ উমায়্যাহ পরিবারের জনৈক ব্যক্তি উভয়েই জামা পরিহিত অবস্থায় আমার নিকট প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াহবকে জিজ্ঞেস করলেন : হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! তুমি কি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছো? সে বললো, না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার জামা খুলে ফেলো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি মাথার দিক থেকে তা খুললেন এবং তার সাথীও মাথার দিক থেকে তার জামা খুললো। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেনঃ আজকের দিনে তোমাদের জন্য বিধান শিথিল হয়েছে। তোমরা যখন জামারায় কংকর মেরে, কুরবানী সম্পন্ন করে চুল মুড়াবে, তখন একমাত্র স্ত্রীসহবাস ছাড়া এ পর্যন্ত ইহরামের কারণে যা কিছু তোমাদের জন্য হারাম ছিল তা হালাল হবে। আর যদি আজকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আগে রাত হয়ে যায় তাহলে তাওয়াফ করা পর্যন্ত তোমরা অনুরূপভাবে ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে, যেভাবে ছিলে জামরায় কংকর মারার আগে। [১৯৯৯]

উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে আমার পালার রাতটি ছিলো কুরবানীর দিন সন্ধ্যায়। সুতরাং সেদিন তিনি আমার কাছে ছিলেন। এ সময় ওয়াহব ইবনু যাম‘আহ এবং তার সাথে আবূ উমায়্যাহ পরিবারের জনৈক ব্যক্তি উভয়েই জামা পরিহিত অবস্থায় আমার নিকট প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ওয়াহবকে জিজ্ঞেস করলেন : হে আবূ ‘আবদুল্লাহ! তুমি কি তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করেছো? সে বললো, না, আল্লাহর শপথ, হে আল্লাহর রাসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তোমার জামা খুলে ফেলো। উম্মু সালামাহ (রাঃ) বলেন, তিনি মাথার দিক থেকে তা খুললেন এবং তার সাথীও মাথার দিক থেকে তার জামা খুললো। অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ করার কারণ কি? তিনি বললেনঃ আজকের দিনে তোমাদের জন্য বিধান শিথিল হয়েছে। তোমরা যখন জামারায় কংকর মেরে, কুরবানী সম্পন্ন করে চুল মুড়াবে, তখন একমাত্র স্ত্রীসহবাস ছাড়া এ পর্যন্ত ইহরামের কারণে যা কিছু তোমাদের জন্য হারাম ছিল তা হালাল হবে। আর যদি আজকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফের আগে রাত হয়ে যায় তাহলে তাওয়াফ করা পর্যন্ত তোমরা অনুরূপভাবে ইহরাম অবস্থায় থেকে যাবে, যেভাবে ছিলে জামরায় কংকর মারার আগে। [১৯৯৯]


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00