সুনানে আবু দাউদ > যে ব্যক্তি (নয় তারিখে) আরাফাহ্‌য় উপস্থিত হতে পারেনি

সুনানে আবু দাউদ ১৯৪৯

حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سفيان، حدثني بكير بن عطاء، عن عبد الرحمن بن أبي يعمر الديلي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو بعرفة فجاء ناس - أو نفر - من أهل نجد فأمروا رجلا فنادى رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف الحج فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا فنادى ‏"‏ الحج الحج يوم عرفة من جاء قبل صلاة الصبح من ليلة جمع فتم حجه أيام منى ثلاثة فمن تعجل في يومين فلا إثم عليه ومن تأخر فلا إثم عليه ‏"‏ ‏.‏ قال ثم أردف رجلا خلفه فجعل ينادي بذلك ‏.‏ قال أبو داود وكذلك رواه مهران عن سفيان قال ‏"‏ الحج الحج ‏"‏ ‏.‏ مرتين ورواه يحيى بن سعيد القطان عن سفيان قال ‏"‏ الحج ‏"‏ ‏.‏ مرة ‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়া‘মুর আদ-দীলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এমন সময় এলাম যখন তিনি আরাফাহ্‌য় ছিলেন। এ সময় নাজ্‌দ এলাকার কতিপয় লোক বা একদল লোক এলো। তারা তাদের একজনকে নির্দেশ দিলে সে উচ্চস্বরে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলো, হাজ্জ কেমন? এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দেয়া হলে সেও উচ্চস্বরে বললো, ‘হাজ্জ-হাজ্জ হচ্ছে (নয় তারিখে) আরাফাহ্‌র ময়দানে উপস্থিত হওয়া। যে ব্যক্তি মুযদালিফার রাতে ফাজ্‌রের সলাতের ওয়াক্ত হওয়ার আগে আরাফাহ্‌য় উপস্থিত হতে পেরেছে সে তার হাজ্জকে পূর্ণ করেছে। মিনায় তিন দিন অবস্থান করতে হয়। কেউ সেখানে দুই দিনে কাজ সমাপ্ত করতে চাইলে করতে পারে, এতে দোষ নেই। আর কেউ বিলম্ব করতে চাইলে করতে পারে, এতেও দোষ নেই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে তাঁর পেছনে সওয়ারীর উপর বসালেন এবং উক্ত কথাগুলো ঘোষণা দিতে থাকলো। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, মিহরান সুফিয়ান হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আল-হাজ্জ আল-হাজ্জ শব্দটি দু’বার উচ্চারণ করেছেন। কিন্তু ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল কাত্তান সুফিয়ান হতে আল-হাজ্জ শব্দটি শুধু একবার উচ্চারণ করেছেন। [১৯৪৯]

‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়া‘মুর আদ-দীলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এমন সময় এলাম যখন তিনি আরাফাহ্‌য় ছিলেন। এ সময় নাজ্‌দ এলাকার কতিপয় লোক বা একদল লোক এলো। তারা তাদের একজনকে নির্দেশ দিলে সে উচ্চস্বরে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলো, হাজ্জ কেমন? এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দেয়া হলে সেও উচ্চস্বরে বললো, ‘হাজ্জ-হাজ্জ হচ্ছে (নয় তারিখে) আরাফাহ্‌র ময়দানে উপস্থিত হওয়া। যে ব্যক্তি মুযদালিফার রাতে ফাজ্‌রের সলাতের ওয়াক্ত হওয়ার আগে আরাফাহ্‌য় উপস্থিত হতে পেরেছে সে তার হাজ্জকে পূর্ণ করেছে। মিনায় তিন দিন অবস্থান করতে হয়। কেউ সেখানে দুই দিনে কাজ সমাপ্ত করতে চাইলে করতে পারে, এতে দোষ নেই। আর কেউ বিলম্ব করতে চাইলে করতে পারে, এতেও দোষ নেই। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে তাঁর পেছনে সওয়ারীর উপর বসালেন এবং উক্ত কথাগুলো ঘোষণা দিতে থাকলো। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, মিহরান সুফিয়ান হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আল-হাজ্জ আল-হাজ্জ শব্দটি দু’বার উচ্চারণ করেছেন। কিন্তু ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ আল কাত্তান সুফিয়ান হতে আল-হাজ্জ শব্দটি শুধু একবার উচ্চারণ করেছেন। [১৯৪৯]

حدثنا محمد بن كثير، حدثنا سفيان، حدثني بكير بن عطاء، عن عبد الرحمن بن أبي يعمر الديلي، قال أتيت النبي صلى الله عليه وسلم وهو بعرفة فجاء ناس - أو نفر - من أهل نجد فأمروا رجلا فنادى رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف الحج فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا فنادى ‏"‏ الحج الحج يوم عرفة من جاء قبل صلاة الصبح من ليلة جمع فتم حجه أيام منى ثلاثة فمن تعجل في يومين فلا إثم عليه ومن تأخر فلا إثم عليه ‏"‏ ‏.‏ قال ثم أردف رجلا خلفه فجعل ينادي بذلك ‏.‏ قال أبو داود وكذلك رواه مهران عن سفيان قال ‏"‏ الحج الحج ‏"‏ ‏.‏ مرتين ورواه يحيى بن سعيد القطان عن سفيان قال ‏"‏ الحج ‏"‏ ‏.‏ مرة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৫০

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن إسماعيل، حدثنا عامر، أخبرني عروة بن مضرس الطائي، قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بالموقف - يعني بجمع قلت جئت يا رسول الله من جبل طيئ أكللت مطيتي وأتعبت نفسي والله ما تركت من جبل إلا وقفت عليه فهل لي من حج فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أدرك معنا هذه الصلاة وأتى عرفات قبل ذلك ليلا أو نهارا فقد تم حجه وقضى تفثه ‏"‏ ‏.‏

উরওয়াহ ইবনু মুদাররিস আত্‌-তায়ী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মুযদালিফায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ‘তায়ী’ পাহাড় থেকে আগমন করেছি। আমার সওয়ারী ক্লান্ত হয়ে পড়েছে এবং আমি নিজেও ক্লান্ত। আল্লাহর শপথ! চলার পথে আমি যে পাহাড়ই পেয়েছি, তার উপর ক্ষণিক অবস্থান করেছি। আমার হাজ্জের কিছু অবশিষ্ট আছে কি? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের সাথে (কুরবানীর দিন) এ স্থানে ফাজ্‌রের সলাত আদায় করেছে এবং এর পূর্বে রাতে বা দিনে আরাফাহ্‌য় উপস্থিত হয়েছে, তার হাজ্জ পরিপূর্ণ হয়েছে এবং সে তার অবাঞ্ছিত জিনিসগুলো দূর করেছে। [১৯৫০]

উরওয়াহ ইবনু মুদাররিস আত্‌-তায়ী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি মুযদালিফায় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ‘তায়ী’ পাহাড় থেকে আগমন করেছি। আমার সওয়ারী ক্লান্ত হয়ে পড়েছে এবং আমি নিজেও ক্লান্ত। আল্লাহর শপথ! চলার পথে আমি যে পাহাড়ই পেয়েছি, তার উপর ক্ষণিক অবস্থান করেছি। আমার হাজ্জের কিছু অবশিষ্ট আছে কি? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের সাথে (কুরবানীর দিন) এ স্থানে ফাজ্‌রের সলাত আদায় করেছে এবং এর পূর্বে রাতে বা দিনে আরাফাহ্‌য় উপস্থিত হয়েছে, তার হাজ্জ পরিপূর্ণ হয়েছে এবং সে তার অবাঞ্ছিত জিনিসগুলো দূর করেছে। [১৯৫০]

حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن إسماعيل، حدثنا عامر، أخبرني عروة بن مضرس الطائي، قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم بالموقف - يعني بجمع قلت جئت يا رسول الله من جبل طيئ أكللت مطيتي وأتعبت نفسي والله ما تركت من جبل إلا وقفت عليه فهل لي من حج فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من أدرك معنا هذه الصلاة وأتى عرفات قبل ذلك ليلا أو نهارا فقد تم حجه وقضى تفثه ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > মিনায় অবতরণ

সুনানে আবু দাউদ ১৯৫১

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن حميد الأعرج، عن محمد بن إبراهيم التيمي، عن عبد الرحمن بن معاذ، عن رجل، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قال خطب النبي صلى الله عليه وسلم الناس بمنى ونزلهم منازلهم فقال ‏"‏ لينزل المهاجرون ها هنا ‏"‏ ‏.‏ وأشار إلى ميمنة القبلة ‏"‏ والأنصار ها هنا ‏"‏ ‏.‏ وأشار إلى ميسرة القبلة ‏"‏ ثم لينزل الناس حولهم ‏"‏ ‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু মুয়ায (রহঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক সাহাবীর থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনাতে লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন এবং তাদের অবস্থানস্থল নির্ধারণ করে দিলেন। তিনি ক্বিবলাহ্‌র ডানদিকে ইঙ্গিত করে বললেনঃ এখানে মুহাজিরগণ অবস্থান করবে এবং ক্বিবলাহ্‌র বামদিকে ইঙ্গিত করে বললেনঃ এখানে আনসারগণ অবস্থান করবে। আর অন্যান্য লোক তাদের আশেপাশে অবস্থান করবে। [১৯৫১]

‘আবদুর রহমান ইবনু মুয়ায (রহঃ) হতে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জনৈক সাহাবীর থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মিনাতে লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন এবং তাদের অবস্থানস্থল নির্ধারণ করে দিলেন। তিনি ক্বিবলাহ্‌র ডানদিকে ইঙ্গিত করে বললেনঃ এখানে মুহাজিরগণ অবস্থান করবে এবং ক্বিবলাহ্‌র বামদিকে ইঙ্গিত করে বললেনঃ এখানে আনসারগণ অবস্থান করবে। আর অন্যান্য লোক তাদের আশেপাশে অবস্থান করবে। [১৯৫১]

حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن حميد الأعرج، عن محمد بن إبراهيم التيمي، عن عبد الرحمن بن معاذ، عن رجل، من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قال خطب النبي صلى الله عليه وسلم الناس بمنى ونزلهم منازلهم فقال ‏"‏ لينزل المهاجرون ها هنا ‏"‏ ‏.‏ وأشار إلى ميمنة القبلة ‏"‏ والأنصار ها هنا ‏"‏ ‏.‏ وأشار إلى ميسرة القبلة ‏"‏ ثم لينزل الناس حولهم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > মিনায় কোন দিন খুত্ববাহ দিতে হবে?

সুনানে আবু দাউদ ১৯৫২

حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا ابن المبارك، عن إبراهيم بن نافع، عن ابن أبي نجيح، عن أبيه، عن رجلين، من بني بكر قالا رأينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب بين أوسط أيام التشريق ونحن عند راحلته وهي خطبة رسول الله صلى الله عليه وسلم التي خطب بمنى ‏.‏

ইবনু আবূ নাজীহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর পিতা হতে বনী বাক্‌রের দুই ব্যক্তি সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তারা বলেছেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘আইয়্যামে তাশরীকের’ মধ্যের দিন (১২ তারিখ) খুত্ববাহ দিতে দেখেছি। এ সময় আমরা তাঁর সওয়ারীর নিকটেই ছিলাম। মিনাতে এটাই ছিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পেশকৃত খুত্ববাহ। [১৯৫২]

ইবনু আবূ নাজীহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাঁর পিতা হতে বনী বাক্‌রের দুই ব্যক্তি সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তারা বলেছেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে ‘আইয়্যামে তাশরীকের’ মধ্যের দিন (১২ তারিখ) খুত্ববাহ দিতে দেখেছি। এ সময় আমরা তাঁর সওয়ারীর নিকটেই ছিলাম। মিনাতে এটাই ছিল রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পেশকৃত খুত্ববাহ। [১৯৫২]

حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا ابن المبارك، عن إبراهيم بن نافع، عن ابن أبي نجيح، عن أبيه، عن رجلين، من بني بكر قالا رأينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يخطب بين أوسط أيام التشريق ونحن عند راحلته وهي خطبة رسول الله صلى الله عليه وسلم التي خطب بمنى ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৫৩

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عاصم، حدثنا ربيعة بن عبد الرحمن بن حصن، حدثتني جدتي، سراء بنت نبهان - وكانت ربة بيت في الجاهلية - قالت خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الرءوس فقال ‏"‏ أى يوم هذا ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم قال ‏"‏ أليس أوسط أيام التشريق ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود وكذلك قال عم أبي حرة الرقاشي إنه خطب أوسط أيام التشريق ‏.‏

সাররা বিনতু নাবহান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাহিলী যুগে প্রতীমা ঘরের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আইয়্যামে তাশরীকের দ্বিতীয় দিন আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি বললেনঃ আজ কোন দিন? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক অবগত। তিনি বললেনঃ এটা কি আইয়্যামে তাশরীকের দিন নয়? ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, অনুরূপভাবে আবূ হাররাহ আর-রাক্বাশীর চাচাও বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আইয়্যামে তাশরীকের মাঝের দিন খুত্ববাহ দিয়েছেন। [১৯৫৩]

সাররা বিনতু নাবহান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জাহিলী যুগে প্রতীমা ঘরের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আইয়্যামে তাশরীকের দ্বিতীয় দিন আমাদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। তিনি বললেনঃ আজ কোন দিন? আমরা বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক অবগত। তিনি বললেনঃ এটা কি আইয়্যামে তাশরীকের দিন নয়? ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, অনুরূপভাবে আবূ হাররাহ আর-রাক্বাশীর চাচাও বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আইয়্যামে তাশরীকের মাঝের দিন খুত্ববাহ দিয়েছেন। [১৯৫৩]

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا أبو عاصم، حدثنا ربيعة بن عبد الرحمن بن حصن، حدثتني جدتي، سراء بنت نبهان - وكانت ربة بيت في الجاهلية - قالت خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الرءوس فقال ‏"‏ أى يوم هذا ‏"‏ ‏.‏ قلنا الله ورسوله أعلم قال ‏"‏ أليس أوسط أيام التشريق ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود وكذلك قال عم أبي حرة الرقاشي إنه خطب أوسط أيام التشريق ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যিনি বলেন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর দিন খুত্ববাহ দিয়েছেন

সুনানে আবু দাউদ ১৯৫৪

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا هشام بن عبد الملك، حدثنا عكرمة، حدثني الهرماس بن زياد الباهلي، قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يخطب الناس على ناقته العضباء يوم الأضحى بمنى ‏.‏

আল-হিরমাস ইবনু যিয়াদ আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কুরবানীর দিন মিনায় তাঁর ‘আল-আদবা’ নামক উষ্ট্রীর উপর চড়ে লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে দেখেছি। [১৯৫৪]

আল-হিরমাস ইবনু যিয়াদ আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কুরবানীর দিন মিনায় তাঁর ‘আল-আদবা’ নামক উষ্ট্রীর উপর চড়ে লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে দেখেছি। [১৯৫৪]

حدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا هشام بن عبد الملك، حدثنا عكرمة، حدثني الهرماس بن زياد الباهلي، قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يخطب الناس على ناقته العضباء يوم الأضحى بمنى ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৯৫৫

حدثنا مؤمل، - يعني ابن الفضل - الحراني - حدثنا الوليد، حدثنا ابن جابر، حدثنا سليم بن عامر الكلاعي، سمعت أبا أمامة، يقول سمعت خطبة، رسول الله صلى الله عليه وسلم بمنى يوم النحر ‏.‏

আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কুরবানীর দিন মিনায় খুত্ববাহ দিতে শুনেছি। [১৯৫৫]

আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কুরবানীর দিন মিনায় খুত্ববাহ দিতে শুনেছি। [১৯৫৫]

حدثنا مؤمل، - يعني ابن الفضل - الحراني - حدثنا الوليد، حدثنا ابن جابر، حدثنا سليم بن عامر الكلاعي، سمعت أبا أمامة، يقول سمعت خطبة، رسول الله صلى الله عليه وسلم بمنى يوم النحر ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00