সুনানে আবু দাউদ > ফার্য তাওয়াফের বর্ণনা
সুনানে আবু দাউদ ১৮৭৭
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عبيد الله، - يعني ابن عبد الله بن عتبة - عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طاف في حجة الوداع على بعير يستلم الركن بمحجن .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিদায় হাজ্জে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি উটে সওয়ার হয়ে তাওয়াফ করেছেন এবং লাঠি দিয়ে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করেছেন। [১৮৭৭]
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিদায় হাজ্জে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি উটে সওয়ার হয়ে তাওয়াফ করেছেন এবং লাঠি দিয়ে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করেছেন। [১৮৭৭]
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن عبيد الله، - يعني ابن عبد الله بن عتبة - عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طاف في حجة الوداع على بعير يستلم الركن بمحجن .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৭৮
حدثنا مصرف بن عمرو اليامي، حدثنا يونس، - يعني ابن بكير - حدثنا ابن إسحاق، حدثني محمد بن جعفر بن الزبير، عن عبيد الله بن عبد الله بن أبي ثور، عن صفية بنت شيبة، قالت لما اطمأن رسول الله صلى الله عليه وسلم بمكة عام الفتح طاف على بعير يستلم الركن بمحجن في يده . قالت وأنا أنظر إليه .
সাফিয়্যাহ বিনতু শাইবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মাক্কাহ বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিরাপদ হওয়ার পর তাঁর উটে সওয়ার হয়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেন এবং তাঁর হাতের লাঠির সাহা্য্যে (ইশারায়) হাজরে আসওয়াদে চুমা দিলেন। সাফিয়্যাহ বলেন, আমি এ দৃশ্য তাকিয়ে দেখেছিলাম। [১৮৭৮]
সাফিয়্যাহ বিনতু শাইবাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মাক্কাহ বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিরাপদ হওয়ার পর তাঁর উটে সওয়ার হয়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেন এবং তাঁর হাতের লাঠির সাহা্য্যে (ইশারায়) হাজরে আসওয়াদে চুমা দিলেন। সাফিয়্যাহ বলেন, আমি এ দৃশ্য তাকিয়ে দেখেছিলাম। [১৮৭৮]
حدثنا مصرف بن عمرو اليامي، حدثنا يونس، - يعني ابن بكير - حدثنا ابن إسحاق، حدثني محمد بن جعفر بن الزبير، عن عبيد الله بن عبد الله بن أبي ثور، عن صفية بنت شيبة، قالت لما اطمأن رسول الله صلى الله عليه وسلم بمكة عام الفتح طاف على بعير يستلم الركن بمحجن في يده . قالت وأنا أنظر إليه .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৭৯
حدثنا هارون بن عبد الله، ومحمد بن رافع، - المعنى - قالا حدثنا أبو عاصم، عن معروف، - يعني ابن خربوذ المكي - حدثنا أبو الطفيل، قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يطوف بالبيت على راحلته يستلم الركن بمحجنه ثم يقبله زاد محمد بن رافع ثم خرج إلى الصفا والمروة فطاف سبعا على راحلته .
আবুত তুফাইল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তার সওয়ারীতে চড়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে দেখেছি। তিনি তাঁর লাঠির সাহায্যে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করার পর তাতে চুমু দিয়েছেন। মুহাম্মদ ইবনু রাফি‘র বর্ণনায় রয়েছে : অতঃপর তিনি সাফা ও মারওয়ায় যান এবং স্বীয় বাহনে আরোহীত অবস্হায়ই সাতবার তাওয়াফ (সাঈ) করেন। [১৮৭৯]
আবুত তুফাইল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে তার সওয়ারীতে চড়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে দেখেছি। তিনি তাঁর লাঠির সাহায্যে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করার পর তাতে চুমু দিয়েছেন। মুহাম্মদ ইবনু রাফি‘র বর্ণনায় রয়েছে : অতঃপর তিনি সাফা ও মারওয়ায় যান এবং স্বীয় বাহনে আরোহীত অবস্হায়ই সাতবার তাওয়াফ (সাঈ) করেন। [১৮৭৯]
حدثنا هارون بن عبد الله، ومحمد بن رافع، - المعنى - قالا حدثنا أبو عاصم، عن معروف، - يعني ابن خربوذ المكي - حدثنا أبو الطفيل، قال رأيت النبي صلى الله عليه وسلم يطوف بالبيت على راحلته يستلم الركن بمحجنه ثم يقبله زاد محمد بن رافع ثم خرج إلى الصفا والمروة فطاف سبعا على راحلته .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৮০
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يحيى، عن ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول طاف النبي صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع على راحلته بالبيت وبالصفا والمروة ليراه الناس وليشرف وليسألوه فإن الناس غشوه .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিদায় হাজ্জে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের বাহনে চড়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেন এবং সাফা-মারওয়া সাঈ করেন, যাতে লোকেরা তাঁকে দেখে, তাঁর কাজের প্রতি দৃষ্টি দেয় এবং প্রয়োজনীয় বিষয়ে জিজ্ঞেস করে নেয়। কারন লোকেরা চতুর্দিক থেকে তাঁকে ঘিরে রেখেছিলো। [১৮৮০]
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
বিদায় হাজ্জে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজের বাহনে চড়ে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করেন এবং সাফা-মারওয়া সাঈ করেন, যাতে লোকেরা তাঁকে দেখে, তাঁর কাজের প্রতি দৃষ্টি দেয় এবং প্রয়োজনীয় বিষয়ে জিজ্ঞেস করে নেয়। কারন লোকেরা চতুর্দিক থেকে তাঁকে ঘিরে রেখেছিলো। [১৮৮০]
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا يحيى، عن ابن جريج، أخبرني أبو الزبير، أنه سمع جابر بن عبد الله، يقول طاف النبي صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع على راحلته بالبيت وبالصفا والمروة ليراه الناس وليشرف وليسألوه فإن الناس غشوه .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৮১
حدثنا مسدد، حدثنا خالد بن عبد الله، حدثنا يزيد بن أبي زياد، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قدم مكة وهو يشتكي فطاف على راحلته كلما أتى على الركن استلم الركن بمحجن فلما فرغ من طوافه أناخ فصلى ركعتين .
ইবনু ‘আববাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্হ অবস্হায় মক্কায় আসেন। এ সময় তিনি তাঁর সাওয়ারীতে চড়ে তাওয়াফ করেন। তিনি রুকনের নিকট আসলে লাঠির সাহায্যে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করতেন। তাওয়াফ শেষ করার পর তিনি উটকে বসিয়ে দেন এবং দুই রাকা‘আত সলাত আদায় করেন। [১৮৮১]
ইবনু ‘আববাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্হ অবস্হায় মক্কায় আসেন। এ সময় তিনি তাঁর সাওয়ারীতে চড়ে তাওয়াফ করেন। তিনি রুকনের নিকট আসলে লাঠির সাহায্যে হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করতেন। তাওয়াফ শেষ করার পর তিনি উটকে বসিয়ে দেন এবং দুই রাকা‘আত সলাত আদায় করেন। [১৮৮১]
حدثنا مسدد، حدثنا خالد بن عبد الله، حدثنا يزيد بن أبي زياد، عن عكرمة، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قدم مكة وهو يشتكي فطاف على راحلته كلما أتى على الركن استلم الركن بمحجن فلما فرغ من طوافه أناخ فصلى ركعتين .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৮২
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل، عن عروة بن الزبير، عن زينب بنت أبي سلمة، عن أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت شكوت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أني أشتكي فقال " طوفي من وراء الناس وأنت راكبة " . قالت فطفت ورسول الله صلى الله عليه وسلم حينئذ يصلي إلى جنب البيت وهو يقرأ بـ { الطور * وكتاب مسطور } .
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে আমার অসুস্হতার কথা জানালে তিনি বললেন, তুমি সওয়ারীতে চড়ে লোকদের পেছনে থেকে তাওয়াফ করবে। তিনি বলেন, আমি এরূপেই তাওয়াফ করি। আর যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল্লাহর এক পাশে সলাত আদায় করছিলেন এবং তিনি “ওয়াত-তূরি ওয়া কিতাবিম মাসতূর” সুরাটি পাঠ করছিলেন। [১৮৮২]
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে আমার অসুস্হতার কথা জানালে তিনি বললেন, তুমি সওয়ারীতে চড়ে লোকদের পেছনে থেকে তাওয়াফ করবে। তিনি বলেন, আমি এরূপেই তাওয়াফ করি। আর যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল্লাহর এক পাশে সলাত আদায় করছিলেন এবং তিনি “ওয়াত-তূরি ওয়া কিতাবিম মাসতূর” সুরাটি পাঠ করছিলেন। [১৮৮২]
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل، عن عروة بن الزبير، عن زينب بنت أبي سلمة، عن أم سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت شكوت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم أني أشتكي فقال " طوفي من وراء الناس وأنت راكبة " . قالت فطفت ورسول الله صلى الله عليه وسلم حينئذ يصلي إلى جنب البيت وهو يقرأ بـ { الطور * وكتاب مسطور } .
সুনানে আবু দাউদ > তাওয়াফের সময় কাঁধের উপর চাদর রাখা
সুনানে আবু দাউদ ১৮৮৩
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن ابن جريج، عن ابن يعلى، عن يعلى، قال طاف النبي صلى الله عليه وسلم مضطبعا ببرد أخضر .
ইয়া‘লা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সবুজ রঙের একখানা চাদর বগলের নীচ থেকে কাঁধের উপর রাখা অবস্হায় (বায়তুল্লাহ) তাওয়াফ করেছেন। [১৮৮৩]
ইয়া‘লা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সবুজ রঙের একখানা চাদর বগলের নীচ থেকে কাঁধের উপর রাখা অবস্হায় (বায়তুল্লাহ) তাওয়াফ করেছেন। [১৮৮৩]
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن ابن جريج، عن ابن يعلى، عن يعلى، قال طاف النبي صلى الله عليه وسلم مضطبعا ببرد أخضر .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৮৪
حدثنا أبو سلمة، موسى حدثنا حماد، عن عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه اعتمروا من الجعرانة فرملوا بالبيت وجعلوا أرديتهم تحت آباطهم قد قذفوها على عواتقهم اليسرى .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগন আল-জিই‘ররানা নামক স্হান হতে ‘উমরাহ্র ইহরাম বাঁধেন এবং তাঁরা বায়তুল্লাহ তাওয়াফের সময় রমল করেন (দ্রুতপদে হাঁটেন)। এ সময় তাঁরা নিজেদের চাদর বগলের নিচে নিয়ে বাম কাঁধের উপর রেখে দেন। [১৮৮৪]
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগন আল-জিই‘ররানা নামক স্হান হতে ‘উমরাহ্র ইহরাম বাঁধেন এবং তাঁরা বায়তুল্লাহ তাওয়াফের সময় রমল করেন (দ্রুতপদে হাঁটেন)। এ সময় তাঁরা নিজেদের চাদর বগলের নিচে নিয়ে বাম কাঁধের উপর রেখে দেন। [১৮৮৪]
حدثنا أبو سلمة، موسى حدثنا حماد، عن عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه اعتمروا من الجعرانة فرملوا بالبيت وجعلوا أرديتهم تحت آباطهم قد قذفوها على عواتقهم اليسرى .
সুনানে আবু দাউদ > ‘রমল’ করার পদ্ধতি
সুনানে আবু দাউদ ১৮৮৭
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الملك بن عمرو، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر بن الخطاب، يقول فيم الرملان اليوم والكشف عن المناكب، وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله مع ذلك لا ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم .
যায়িদ ইবনু আসলাম (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রমল করা এবং কাঁধ খোলা রাখা এখন তেমন গুরুত্ববহ নয়। কেননা মহান আল্লাহ ইসলামকে বিজয়ী ও শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও কাফির দুটোই নির্মূল করেছেন। তথাপি আমরা রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সময়ে যে কাজ করেছি তা কখনো বর্জন করবো না। [১৮৮৭]
যায়িদ ইবনু আসলাম (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রমল করা এবং কাঁধ খোলা রাখা এখন তেমন গুরুত্ববহ নয়। কেননা মহান আল্লাহ ইসলামকে বিজয়ী ও শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও কাফির দুটোই নির্মূল করেছেন। তথাপি আমরা রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সময়ে যে কাজ করেছি তা কখনো বর্জন করবো না। [১৮৮৭]
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الملك بن عمرو، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر بن الخطاب، يقول فيم الرملان اليوم والكشف عن المناكب، وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله مع ذلك لا ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৮৭
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الملك بن عمرو، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر بن الخطاب، يقول فيم الرملان اليوم والكشف عن المناكب، وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله مع ذلك لا ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم .
যায়িদ ইবনু আসলাম (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রমল করা এবং কাঁধ খোলা রাখা এখন তেমন গুরুত্ববহ নয়। কেননা মহান আল্লাহ ইসলামকে বিজয়ী ও শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও কাফির দুটোই নির্মূল করেছেন। তথাপি আমরা রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সময়ে যে কাজ করেছি তা কখনো বর্জন করবো না। [১৮৮৭]
যায়িদ ইবনু আসলাম (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রমল করা এবং কাঁধ খোলা রাখা এখন তেমন গুরুত্ববহ নয়। কেননা মহান আল্লাহ ইসলামকে বিজয়ী ও শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও কাফির দুটোই নির্মূল করেছেন। তথাপি আমরা রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সময়ে যে কাজ করেছি তা কখনো বর্জন করবো না। [১৮৮৭]
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الملك بن عمرو، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر بن الخطاب، يقول فيم الرملان اليوم والكشف عن المناكب، وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله مع ذلك لا ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৮৭
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الملك بن عمرو، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر بن الخطاب، يقول فيم الرملان اليوم والكشف عن المناكب، وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله مع ذلك لا ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم .
যায়িদ ইবনু আসলাম (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রমল করা এবং কাঁধ খোলা রাখা এখন তেমন গুরুত্ববহ নয়। কেননা মহান আল্লাহ ইসলামকে বিজয়ী ও শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও কাফির দুটোই নির্মূল করেছেন। তথাপি আমরা রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সময়ে যে কাজ করেছি তা কখনো বর্জন করবো না। [১৮৮৭]
যায়িদ ইবনু আসলাম (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রমল করা এবং কাঁধ খোলা রাখা এখন তেমন গুরুত্ববহ নয়। কেননা মহান আল্লাহ ইসলামকে বিজয়ী ও শক্তিশালী করেছেন এবং কুফর ও কাফির দুটোই নির্মূল করেছেন। তথাপি আমরা রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সময়ে যে কাজ করেছি তা কখনো বর্জন করবো না। [১৮৮৭]
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الملك بن عمرو، حدثنا هشام بن سعد، عن زيد بن أسلم، عن أبيه، قال سمعت عمر بن الخطاب، يقول فيم الرملان اليوم والكشف عن المناكب، وقد أطأ الله الإسلام ونفى الكفر وأهله مع ذلك لا ندع شيئا كنا نفعله على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৮৯
حدثنا محمد بن سليمان الأنباري، حدثنا يحيى بن سليم، عن ابن خثيم، عن أبي الطفيل، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم اضطبع فاستلم وكبر ثم رمل ثلاثة أطواف وكانوا إذا بلغوا الركن اليماني وتغيبوا من قريش مشوا ثم يطلعون عليهم يرملون تقول قريش كأنهم الغزلان قال ابن عباس فكانت سنة .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় বগলের নীচ দিয়ে চাদর নিয়ে কাঁধের উপর ছেড়ে দিয়েছেন, হাজরে আসওয়াদে চুমু খেয়েছেন, তাকবীর বলেছেন অতঃপর তিন চক্করে রমল করেছেন। তাঁরা যখন রুকনে ইয়ামানীর কাছে পৌঁছতেন এবং কুরাইশদের চোখের আড়াল হতেন, তখন স্বাভাবিক গতিতে হাঁটতেন। আর যখন তাদের সম্মুখে এসে যেতেন তখন আবার রমল করতেন। তাঁদেরকে দেখে কুরাইশরা বলতো, ওরা যেন হরিণ। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, ফলে রমল করা সুন্নাতে পরিণত হয়। [১৮৮৯]
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় বগলের নীচ দিয়ে চাদর নিয়ে কাঁধের উপর ছেড়ে দিয়েছেন, হাজরে আসওয়াদে চুমু খেয়েছেন, তাকবীর বলেছেন অতঃপর তিন চক্করে রমল করেছেন। তাঁরা যখন রুকনে ইয়ামানীর কাছে পৌঁছতেন এবং কুরাইশদের চোখের আড়াল হতেন, তখন স্বাভাবিক গতিতে হাঁটতেন। আর যখন তাদের সম্মুখে এসে যেতেন তখন আবার রমল করতেন। তাঁদেরকে দেখে কুরাইশরা বলতো, ওরা যেন হরিণ। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, ফলে রমল করা সুন্নাতে পরিণত হয়। [১৮৮৯]
حدثنا محمد بن سليمان الأنباري، حدثنا يحيى بن سليم، عن ابن خثيم، عن أبي الطفيل، عن ابن عباس، أن النبي صلى الله عليه وسلم اضطبع فاستلم وكبر ثم رمل ثلاثة أطواف وكانوا إذا بلغوا الركن اليماني وتغيبوا من قريش مشوا ثم يطلعون عليهم يرملون تقول قريش كأنهم الغزلان قال ابن عباس فكانت سنة .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৯০
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن أبي الطفيل، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه اعتمروا من الجعرانة فرملوا بالبيت ثلاثا ومشوا أربعا .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগন আল-জিঈররানা নামক স্থান হতে ইহরাম বেঁধে ‘উমরাহ করেছেন এবং বায়তুল্লাহ্র তিন চক্করে রমল এবং চার চক্করে স্বাভাবিক গতিতে হেঁটেছেন। [১৮৯০]
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাহাবীগন আল-জিঈররানা নামক স্থান হতে ইহরাম বেঁধে ‘উমরাহ করেছেন এবং বায়তুল্লাহ্র তিন চক্করে রমল এবং চার চক্করে স্বাভাবিক গতিতে হেঁটেছেন। [১৮৯০]
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، أخبرنا عبد الله بن عثمان بن خثيم، عن أبي الطفيل، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وأصحابه اعتمروا من الجعرانة فرملوا بالبيت ثلاثا ومشوا أربعا .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৮৫
حدثنا أبو سلمة، موسى بن إسماعيل حدثنا حماد، حدثنا أبو عاصم الغنوي، عن أبي الطفيل، قال قلت لابن عباس يزعم قومك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد رمل بالبيت وأن ذلك سنة . قال صدقوا وكذبوا . قلت وما صدقوا وما كذبوا قال صدقوا قد رمل رسول الله صلى الله عليه وسلم وكذبوا ليس بسنة إن قريشا قالت زمن الحديبية دعوا محمدا وأصحابه حتى يموتوا موت النغف . فلما صالحوه على أن يجيئوا من العام المقبل فيقيموا بمكة ثلاثة أيام فقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم والمشركون من قبل قعيقعان فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأصحابه " ارملوا بالبيت ثلاثا " . وليس بسنة . قلت يزعم قومك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طاف بين الصفا والمروة على بعيره وأن ذلك سنة فقال صدقوا وكذبوا . قلت ما صدقوا وما كذبوا قال صدقوا قد طاف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين الصفا والمروة على بعيره وكذبوا ليس بسنة كان الناس لا يدفعون عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا يصرفون عنه فطاف على بعير ليسمعوا كلامه وليروا مكانه ولا تناله أيديهم .
আবুত তুফাইল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বললাম, আপনার সম্প্রদায়ের ধারনা, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল্লাহ তাওয়াফের সময় দ্রুতপদে হেটেঁছেন এবং এরুপ করা সুন্নাত। তিনি বললেন, তারা সত্য বলেছে এবং মিথ্যাও বলেছে। আমি বললাম, তারা কি সত্যি বলেছে এবং কি মিথ্যা বলেছে? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘রমল’ করেছেন, এ কথা সত্য কিন্তু একে সুন্নাত বলা মিথ্যা। হুদায়বিয়ার সময় কুরাইশগণ মুসলিমদেরকে তিরস্কারস্বরূপ বলেছিলো যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাথীদের এভাবেই থাকতে দাও। এমনকি তারা উট ও বকরীর মত মৃত্যুবরন করে নিঃশেষ হবে। অতঃপর তারা রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সন্ধি চুক্তি করলো, মুসলিমরা আগামি বছর এসে মক্কায় তিন দিন অবস্হান করবে। সুতরাং পরবর্তী বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন। মুশরিকরা ‘কুয়াইকিয়ান পাহাড়ের পাদদেশে সমবেত হলো ( মুসলিমদের অবস্হান লক্ষ্য করতে)। এ সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীদের নির্দেশ দিলেন যে, তাওয়াফের মধ্যে তিনবার রমল করো। সুতরাং তারা তাই করলেন। এরূপ করা মুলতঃ সুন্নাত নয়। আমি আবার বললাম, আপনার সম্প্রদায়ের ধারনা, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার উটে চড়েই সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ (সাঈ) করেছেন। আর এরূপ নাকি সুন্নাত। তিনি বললেন, তারা সত্যও বলেছে এবং মিথ্যাও বলেছে। আমি বললাম, তারা কি সত্যি বলেছে এবং কি মিথ্যা বলেছে? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার উটে সওয়ারী হয়ে সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ (সাঈ) করেছেন, তাদের এ কথা সত্য। কিন্তু এটাকে সুন্নাত বলা মিথ্যা। প্রকৃত ব্যাপার হলো, তখন লোকদের অবস্হা এরুপ ছিলো যে, তাদেরকে রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছ থেকে সরানো যেতনা এবং তিনিও তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারতেন না। সুতরাং তিনি উটে আরোহী অবস্হায় তাওয়াফ (সাঈ) করেছেন। যাতে প্রতিটি লোক তাঁর কথা শুনতে পায়, তাঁকে সরাসরি দেখতে পায় এবং তাদের হাত তাঁর শরীরে না লাগে। [১৮৮৫]
আবুত তুফাইল (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বললাম, আপনার সম্প্রদায়ের ধারনা, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বায়তুল্লাহ তাওয়াফের সময় দ্রুতপদে হেটেঁছেন এবং এরুপ করা সুন্নাত। তিনি বললেন, তারা সত্য বলেছে এবং মিথ্যাও বলেছে। আমি বললাম, তারা কি সত্যি বলেছে এবং কি মিথ্যা বলেছে? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘রমল’ করেছেন, এ কথা সত্য কিন্তু একে সুন্নাত বলা মিথ্যা। হুদায়বিয়ার সময় কুরাইশগণ মুসলিমদেরকে তিরস্কারস্বরূপ বলেছিলো যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর সাথীদের এভাবেই থাকতে দাও। এমনকি তারা উট ও বকরীর মত মৃত্যুবরন করে নিঃশেষ হবে। অতঃপর তারা রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সন্ধি চুক্তি করলো, মুসলিমরা আগামি বছর এসে মক্কায় তিন দিন অবস্হান করবে। সুতরাং পরবর্তী বছর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন। মুশরিকরা ‘কুয়াইকিয়ান পাহাড়ের পাদদেশে সমবেত হলো ( মুসলিমদের অবস্হান লক্ষ্য করতে)। এ সময় রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীদের নির্দেশ দিলেন যে, তাওয়াফের মধ্যে তিনবার রমল করো। সুতরাং তারা তাই করলেন। এরূপ করা মুলতঃ সুন্নাত নয়। আমি আবার বললাম, আপনার সম্প্রদায়ের ধারনা, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার উটে চড়েই সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ (সাঈ) করেছেন। আর এরূপ নাকি সুন্নাত। তিনি বললেন, তারা সত্যও বলেছে এবং মিথ্যাও বলেছে। আমি বললাম, তারা কি সত্যি বলেছে এবং কি মিথ্যা বলেছে? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার উটে সওয়ারী হয়ে সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ (সাঈ) করেছেন, তাদের এ কথা সত্য। কিন্তু এটাকে সুন্নাত বলা মিথ্যা। প্রকৃত ব্যাপার হলো, তখন লোকদের অবস্হা এরুপ ছিলো যে, তাদেরকে রাসূলুল্লাহ্র (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছ থেকে সরানো যেতনা এবং তিনিও তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারতেন না। সুতরাং তিনি উটে আরোহী অবস্হায় তাওয়াফ (সাঈ) করেছেন। যাতে প্রতিটি লোক তাঁর কথা শুনতে পায়, তাঁকে সরাসরি দেখতে পায় এবং তাদের হাত তাঁর শরীরে না লাগে। [১৮৮৫]
حدثنا أبو سلمة، موسى بن إسماعيل حدثنا حماد، حدثنا أبو عاصم الغنوي، عن أبي الطفيل، قال قلت لابن عباس يزعم قومك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قد رمل بالبيت وأن ذلك سنة . قال صدقوا وكذبوا . قلت وما صدقوا وما كذبوا قال صدقوا قد رمل رسول الله صلى الله عليه وسلم وكذبوا ليس بسنة إن قريشا قالت زمن الحديبية دعوا محمدا وأصحابه حتى يموتوا موت النغف . فلما صالحوه على أن يجيئوا من العام المقبل فيقيموا بمكة ثلاثة أيام فقدم رسول الله صلى الله عليه وسلم والمشركون من قبل قعيقعان فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لأصحابه " ارملوا بالبيت ثلاثا " . وليس بسنة . قلت يزعم قومك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم طاف بين الصفا والمروة على بعيره وأن ذلك سنة فقال صدقوا وكذبوا . قلت ما صدقوا وما كذبوا قال صدقوا قد طاف رسول الله صلى الله عليه وسلم بين الصفا والمروة على بعيره وكذبوا ليس بسنة كان الناس لا يدفعون عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ولا يصرفون عنه فطاف على بعير ليسمعوا كلامه وليروا مكانه ولا تناله أيديهم .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৮৬
حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن سعيد بن جبير، أنه حدث عن ابن عباس، قال قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة وقد وهنتهم حمى يثرب فقال المشركون إنه يقدم عليكم قوم قد وهنتهم الحمى ولقوا منها شرا فأطلع الله سبحانه نبيه صلى الله عليه وسلم على ما قالوه فأمرهم أن يرملوا الأشواط الثلاثة وأن يمشوا بين الركنين فلما رأوهم رملوا قالوا هؤلاء الذين ذكرتم أن الحمى قد وهنتهم هؤلاء أجلد منا . قال ابن عباس ولم يأمرهم أن يرملوا الأشواط إلا إبقاء عليهم .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন অবস্হায় মক্কায় এলেন যে, ইয়াসরিবের ভাইরাস জ্বর তাদেরকে দুর্বল করে দিয়েছিলো। মুশরিকরা বললো, তোমাদের কাছে এমন একদল লোক আসছে যাদেরকে ভাইরাস জ্বর দুর্বল করেছে। কাজেই এখন তারা (মুসলিমরা) বিপদগ্রস্হ। মহান আল্লাহ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের কথাগুলা জানিয়ে দিলেন। তাই তিনি মুসলিমদেরকে তাওয়াফের সময় তিন চক্করে রমল করতে এবং উভয় রুকন (ইয়ামানী ও হাতীম )-এর মাঝে স্বাভাবিক গতিতে চলার নির্দেশ দিলেন। মুশরিকরা যখন দেখলো যে, মুসলিমগণ ‘রমল’ করছেন তখন তারা বলাবলি করলো, এরাই তো তারা যাদের সম্বন্ধে তোমরা মন্তব্য করেছিলে যে, ইয়াসরিবের ভাইরাস জ্বর তাদেরকে দুর্বল করে ফেলেছে! অথচ এরাতো আমাদের চাইতেও শক্তিশালী। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তিনি তাদেরকে (মুসলিমদের) সমস্ত চক্করে ‘রমল’ করতে নির্দেশ দেননি। [১৮৮৬]
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এমন অবস্হায় মক্কায় এলেন যে, ইয়াসরিবের ভাইরাস জ্বর তাদেরকে দুর্বল করে দিয়েছিলো। মুশরিকরা বললো, তোমাদের কাছে এমন একদল লোক আসছে যাদেরকে ভাইরাস জ্বর দুর্বল করেছে। কাজেই এখন তারা (মুসলিমরা) বিপদগ্রস্হ। মহান আল্লাহ তাঁর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মুশরিকদের কথাগুলা জানিয়ে দিলেন। তাই তিনি মুসলিমদেরকে তাওয়াফের সময় তিন চক্করে রমল করতে এবং উভয় রুকন (ইয়ামানী ও হাতীম )-এর মাঝে স্বাভাবিক গতিতে চলার নির্দেশ দিলেন। মুশরিকরা যখন দেখলো যে, মুসলিমগণ ‘রমল’ করছেন তখন তারা বলাবলি করলো, এরাই তো তারা যাদের সম্বন্ধে তোমরা মন্তব্য করেছিলে যে, ইয়াসরিবের ভাইরাস জ্বর তাদেরকে দুর্বল করে ফেলেছে! অথচ এরাতো আমাদের চাইতেও শক্তিশালী। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তিনি তাদেরকে (মুসলিমদের) সমস্ত চক্করে ‘রমল’ করতে নির্দেশ দেননি। [১৮৮৬]
حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن أيوب، عن سعيد بن جبير، أنه حدث عن ابن عباس، قال قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة وقد وهنتهم حمى يثرب فقال المشركون إنه يقدم عليكم قوم قد وهنتهم الحمى ولقوا منها شرا فأطلع الله سبحانه نبيه صلى الله عليه وسلم على ما قالوه فأمرهم أن يرملوا الأشواط الثلاثة وأن يمشوا بين الركنين فلما رأوهم رملوا قالوا هؤلاء الذين ذكرتم أن الحمى قد وهنتهم هؤلاء أجلد منا . قال ابن عباس ولم يأمرهم أن يرملوا الأشواط إلا إبقاء عليهم .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৮৮
حدثنا مسدد، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا عبيد الله بن أبي زياد، عن القاسم، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنما جعل الطواف بالبيت وبين الصفا والمروة ورمى الجمار لإقامة ذكر الله " .
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মূলতঃ বায়তুল্লাহ তাওয়াফ, সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ এবং জামরায় কংকর নিক্ষেপ ইত্যাদি প্রবর্তিত হয়েছে আল্লাহর যিকির প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। [১৮৮৮] দুর্বল : যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (২০৫৬), মিশকাত (২৬২৪), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৫৪/৯১০)।
আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মূলতঃ বায়তুল্লাহ তাওয়াফ, সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ এবং জামরায় কংকর নিক্ষেপ ইত্যাদি প্রবর্তিত হয়েছে আল্লাহর যিকির প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। [১৮৮৮] দুর্বল : যঈফ আল-জামি‘উস সাগীর (২০৫৬), মিশকাত (২৬২৪), যঈফ সুনান আত-তিরমিযী (১৫৪/৯১০)।
حدثنا مسدد، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا عبيد الله بن أبي زياد، عن القاسم، عن عائشة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إنما جعل الطواف بالبيت وبين الصفا والمروة ورمى الجمار لإقامة ذكر الله " .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৯১
حدثنا أبو كامل، حدثنا سليم بن أخضر، حدثنا عبيد الله، عن نافع، أن ابن عمر، رمل من الحجر إلى الحجر وذكر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم فعل ذلك .
নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হাজরে আসওয়াদ হতে আরম্ভ করে পুনরায় হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত রমল করতেন এবং তিনি উল্লেখ করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। [১৮৯১]
নাফি‘ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হাজরে আসওয়াদ হতে আরম্ভ করে পুনরায় হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত রমল করতেন এবং তিনি উল্লেখ করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরূপ করেছেন। [১৮৯১]
حدثنا أبو كامل، حدثنا سليم بن أخضر، حدثنا عبيد الله، عن نافع، أن ابن عمر، رمل من الحجر إلى الحجر وذكر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم فعل ذلك .
সুনানে আবু দাউদ > তাওয়াফকালে দু‘আ পাঠ করা
সুনানে আবু দাউদ ১৮৯২
حدثنا مسدد، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا ابن جريج، عن يحيى بن عبيد، عن أبيه، عن عبد الله بن السائب، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما بين الركنين { ربنا آتنا في الدنيا حسنة وفي الآخرة حسنة وقنا عذاب النار } .
আবদুল্লাহ ইবনুস সায়িব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দুই রুকনের মাঝখানে বলতে শুনেছি : “হে আমাদের রব! আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণ দিন, আখিরাতের কল্যাণ দিন এবং জাহান্নামের ‘আযাব হতে রক্ষা করুন” (সূরাহ আল-বাক্বারাহ : ২০১)। [১৮৯২]
আবদুল্লাহ ইবনুস সায়িব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দুই রুকনের মাঝখানে বলতে শুনেছি : “হে আমাদের রব! আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণ দিন, আখিরাতের কল্যাণ দিন এবং জাহান্নামের ‘আযাব হতে রক্ষা করুন” (সূরাহ আল-বাক্বারাহ : ২০১)। [১৮৯২]
حدثنا مسدد، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا ابن جريج، عن يحيى بن عبيد، عن أبيه، عن عبد الله بن السائب، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ما بين الركنين { ربنا آتنا في الدنيا حسنة وفي الآخرة حسنة وقنا عذاب النار } .
সুনানে আবু দাউদ ১৮৯৩
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا طاف في الحج والعمرة أول ما يقدم فإنه يسعى ثلاثة أطواف ويمشي أربعا ثم يصلي سجدتين .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় আসার পর হাজ্জ ও ‘উমরাহ্র জন্য সর্বপ্রথম যে তাওয়াফ করেছিলেন, তার প্রথম তিন চক্করে রমল করেছেন এবং বাকী চার চক্করে ধীরগতিতে চলেছেন, তারপর দুই রাক‘আত সলাত আদায় করেছেন। [১৮৯৩]
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কায় আসার পর হাজ্জ ও ‘উমরাহ্র জন্য সর্বপ্রথম যে তাওয়াফ করেছিলেন, তার প্রথম তিন চক্করে রমল করেছেন এবং বাকী চার চক্করে ধীরগতিতে চলেছেন, তারপর দুই রাক‘আত সলাত আদায় করেছেন। [১৮৯৩]
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، عن موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا طاف في الحج والعمرة أول ما يقدم فإنه يسعى ثلاثة أطواف ويمشي أربعا ثم يصلي سجدتين .