সুনানে আবু দাউদ > লুক্বতার সংজ্ঞা
সুনানে আবু দাউদ ১৭০৬
حدثنا محمد بن رافع، وهارون بن عبد الله، - المعنى - قالا حدثنا ابن أبي فديك، عن الضحاك، - يعني ابن عثمان - عن سالم أبي النضر، عن بسر بن سعيد، عن زيد بن خالد الجهني، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن اللقطة فقال " عرفها سنة فإن جاء باغيها فأدها إليه وإلا فاعرف عفاصها ووكاءها ثم كلها فإن جاء باغيها فأدها إليه " .
যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাস্তায় পড়ে থাকা বস্তু সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা করবে। যদি এর মালিক এসে উপস্থিত হয় তাহলে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে। অন্যথায় এর থলি ও বাঁধন চিনে রাখবে। অতঃপর তুমি তা থেকে ভোগ করবে। তবে (পরবর্তীতে) যদি এর মালিক এসে যায় তবে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে। [১৭০৬] সহীহ : মুসলিম, এর সানাদে অতিরিক্ত আছে : নাদর, সাঈদ হতে বুসর সূত্রে। এটাই সঠিক।
যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাস্তায় পড়ে থাকা বস্তু সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা করবে। যদি এর মালিক এসে উপস্থিত হয় তাহলে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে। অন্যথায় এর থলি ও বাঁধন চিনে রাখবে। অতঃপর তুমি তা থেকে ভোগ করবে। তবে (পরবর্তীতে) যদি এর মালিক এসে যায় তবে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে। [১৭০৬] সহীহ : মুসলিম, এর সানাদে অতিরিক্ত আছে : নাদর, সাঈদ হতে বুসর সূত্রে। এটাই সঠিক।
حدثنا محمد بن رافع، وهارون بن عبد الله، - المعنى - قالا حدثنا ابن أبي فديك، عن الضحاك، - يعني ابن عثمان - عن سالم أبي النضر، عن بسر بن سعيد، عن زيد بن خالد الجهني، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن اللقطة فقال " عرفها سنة فإن جاء باغيها فأدها إليه وإلا فاعرف عفاصها ووكاءها ثم كلها فإن جاء باغيها فأدها إليه " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭০৭
حدثنا أحمد بن حفص، حدثني أبي، حدثني إبراهيم بن طهمان، عن عباد بن إسحاق، عن عبد الله بن يزيد، عن أبيه، يزيد مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني، أنه قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر نحو حديث ربيعة . قال وسئل عن اللقطة فقال " تعرفها حولا فإن جاء صاحبها دفعتها إليه وإلا عرفت وكاءها وعفاصها ثم أفضها في مالك فإن جاء صاحبها فادفعها إليه " .
যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হলো…অতঃপর রবী‘আহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। খালিদ বলেন, পড়ে থাকা বস্তু সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এক বছর যাবত এর ঘোষণা করবে। এর মালিক ফিরে আসলে তাকে তা ফেরত দিবে। নতুবা তুমি এর থলি ও বাঁধন চিনে রাখবে এবং তা তোমার মালের সাথে রেখে দিবে। আর এর মালিক ফিরে এলে তাকে তা দিয়ে দিবে। [১৭০৭]
যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করা হলো…অতঃপর রবী‘আহ বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। খালিদ বলেন, পড়ে থাকা বস্তু সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, এক বছর যাবত এর ঘোষণা করবে। এর মালিক ফিরে আসলে তাকে তা ফেরত দিবে। নতুবা তুমি এর থলি ও বাঁধন চিনে রাখবে এবং তা তোমার মালের সাথে রেখে দিবে। আর এর মালিক ফিরে এলে তাকে তা দিয়ে দিবে। [১৭০৭]
حدثنا أحمد بن حفص، حدثني أبي، حدثني إبراهيم بن طهمان، عن عباد بن إسحاق، عن عبد الله بن يزيد، عن أبيه، يزيد مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني، أنه قال سئل رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر نحو حديث ربيعة . قال وسئل عن اللقطة فقال " تعرفها حولا فإن جاء صاحبها دفعتها إليه وإلا عرفت وكاءها وعفاصها ثم أفضها في مالك فإن جاء صاحبها فادفعها إليه " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭০৯
حدثنا مسدد، حدثنا خالد يعني الطحان، ح وحدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، - المعنى - عن خالد الحذاء، عن أبي العلاء، عن مطرف، - يعني ابن عبد الله - عن عياض بن حمار، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من وجد لقطة فليشهد ذا عدل - أو ذوى عدل - ولا يكتم ولا يغيب فإن وجد صاحبها فليردها عليه وإلا فهو مال الله عز وجل يؤتيه من يشاء " .
ইয়াদ ইবনু হিমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে থাকা বস্তু পাবে, সে যেন একজন অথবা দুইজন সত্যবাদী লোককে এর সাক্ষী রাখে। বিষয়টি যেন সে গোপন না রাখে এবং আত্মসাৎ না করে। যদি সে এর মালিককে পায় তাহলে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে। অন্যথায় মহান আল্লাহর মাল, তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করে থাকেন। [১৭০৯]
ইয়াদ ইবনু হিমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে থাকা বস্তু পাবে, সে যেন একজন অথবা দুইজন সত্যবাদী লোককে এর সাক্ষী রাখে। বিষয়টি যেন সে গোপন না রাখে এবং আত্মসাৎ না করে। যদি সে এর মালিককে পায় তাহলে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে। অন্যথায় মহান আল্লাহর মাল, তিনি যাকে ইচ্ছা তা দান করে থাকেন। [১৭০৯]
حدثنا مسدد، حدثنا خالد يعني الطحان، ح وحدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا وهيب، - المعنى - عن خالد الحذاء، عن أبي العلاء، عن مطرف، - يعني ابن عبد الله - عن عياض بن حمار، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من وجد لقطة فليشهد ذا عدل - أو ذوى عدل - ولا يكتم ولا يغيب فإن وجد صاحبها فليردها عليه وإلا فهو مال الله عز وجل يؤتيه من يشاء " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭০১
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، عن سويد بن غفلة، قال غزوت مع زيد بن صوحان وسلمان بن ربيعة فوجدت سوطا فقالا لي اطرحه . فقلت لا ولكن إن وجدت صاحبه وإلا استمتعت به فحججت فمررت على المدينة فسألت أبى بن كعب فقال وجدت صرة فيها مائة دينار فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال " عرفها حولا " . فعرفتها حولا ثم أتيته فقال " عرفها حولا " . فعرفتها حولا ثم أتيته فقال " عرفها حولا " . فعرفتها حولا ثم أتيته فقلت لم أجد من يعرفها . فقال " احفظ عددها ووكاءها ووعاءها فإن جاء صاحبها وإلا فاستمتع بها " . وقال ولا أدري أثلاثا قال " عرفها " . أو مرة واحدة .
সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন আমি যায়িদ ইবনু সুহান এবং সালমান ইবনু রবী‘আহ এক সঙ্গে যুদ্ধ করেছি। এ সময় আমি একটি চাবুক পাই। তারা দু’জনেই আমাকে চাবুকটি ফেলে দিতে বললেন। তখন আমি বললাম, না, যদি এর মালিককে পাই (তাহলে তাকে এটি ফেরত দিবো), অন্যথায় আমি নিজে এটা ব্যবহার করব। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি হাজ্জ পালন শেষে মদিনায় গিয়ে (এ বিষয়ে) উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন , আমি একটি থলে পেয়েছিলাম। যার মধ্যে একশো দীনার ছিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে আসলাম। তিনি বললেনঃ এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দিয়ে যাও। আমি তাই করলাম। আমি (এক বছর পর) পুনরায় তার কাছে আসলাম। তিনি আরো এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। ফলে আমি আরো এক বছর ঘোষনা দিলাম। অতঃপর তার কাছে এসে বললাম, আমি এর মালিকের সন্ধান পাইনি। তিনি বললেনঃ দীনারের সংখ্যা, থলি এবং থলির বাঁধন হিফাযাতে রাখো। যদি এর মালিক আসে (তাকে তা দিয়ে দিবে)। অন্যথায় তুমি এগুলো কাজে লাগাবে। বর্ণনাকারী সালামাহ ইবনু কুহাইল বলেন, আমার মনে নেই যে, সুওয়াইদ কি তিন বছর ঘোষণা দেয়ার কথা বলেছেন নাকি এক বছর।
সুওয়াইদ ইবনু গাফালাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন আমি যায়িদ ইবনু সুহান এবং সালমান ইবনু রবী‘আহ এক সঙ্গে যুদ্ধ করেছি। এ সময় আমি একটি চাবুক পাই। তারা দু’জনেই আমাকে চাবুকটি ফেলে দিতে বললেন। তখন আমি বললাম, না, যদি এর মালিককে পাই (তাহলে তাকে এটি ফেরত দিবো), অন্যথায় আমি নিজে এটা ব্যবহার করব। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আমি হাজ্জ পালন শেষে মদিনায় গিয়ে (এ বিষয়ে) উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন , আমি একটি থলে পেয়েছিলাম। যার মধ্যে একশো দীনার ছিল। আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে আসলাম। তিনি বললেনঃ এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দিয়ে যাও। আমি তাই করলাম। আমি (এক বছর পর) পুনরায় তার কাছে আসলাম। তিনি আরো এক বছর ঘোষণা দিতে বললেন। ফলে আমি আরো এক বছর ঘোষনা দিলাম। অতঃপর তার কাছে এসে বললাম, আমি এর মালিকের সন্ধান পাইনি। তিনি বললেনঃ দীনারের সংখ্যা, থলি এবং থলির বাঁধন হিফাযাতে রাখো। যদি এর মালিক আসে (তাকে তা দিয়ে দিবে)। অন্যথায় তুমি এগুলো কাজে লাগাবে। বর্ণনাকারী সালামাহ ইবনু কুহাইল বলেন, আমার মনে নেই যে, সুওয়াইদ কি তিন বছর ঘোষণা দেয়ার কথা বলেছেন নাকি এক বছর।
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، عن سويد بن غفلة، قال غزوت مع زيد بن صوحان وسلمان بن ربيعة فوجدت سوطا فقالا لي اطرحه . فقلت لا ولكن إن وجدت صاحبه وإلا استمتعت به فحججت فمررت على المدينة فسألت أبى بن كعب فقال وجدت صرة فيها مائة دينار فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال " عرفها حولا " . فعرفتها حولا ثم أتيته فقال " عرفها حولا " . فعرفتها حولا ثم أتيته فقال " عرفها حولا " . فعرفتها حولا ثم أتيته فقلت لم أجد من يعرفها . فقال " احفظ عددها ووكاءها ووعاءها فإن جاء صاحبها وإلا فاستمتع بها " . وقال ولا أدري أثلاثا قال " عرفها " . أو مرة واحدة .
সুনানে আবু দাউদ ১৭০৪
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن يزيد، مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني، أن رجلا، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اللقطة فقال " عرفها سنة ثم اعرف وكاءها وعفاصها ثم استنفق بها فإن جاء ربها فأدها إليه " . فقال يا رسول الله فضالة الغنم فقال " خذها فإنما هي لك أو لأخيك أو للذئب " . قال يا رسول الله فضالة الإبل فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى احمرت وجنتاه - أو احمر وجهه - وقال " ما لك ولها معها حذاؤها وسقاؤها حتى يأتيها ربها " .
যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাস্তায় পড়ে থাকা জিনিস সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ তুমি ঐ জিনিস সর্ম্পকে এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দিতে থাকবে। অতঃপর তুমি এর থলি ও বাঁধন চিনে রাখবে। তারপর সেখান থেকে খরচ করবে। যদি এর মালিক এসে উপস্থিত হয় তবে তাকে তা ফেরত দিবে। লোকটি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! পথহারা বকরী বিধান কি? তিনি বললেন, তা ধরে রাখো। কেননা সেটা হয়তো তোমার অথবা তোমার ভাইয়ের কিংবা বাঘের জন্য। লোকটি আবার বললো, হে আল্লাহর রাসূল! পথহারা উটের বিধান কি? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এতে অসন্তুষ্ট হলেন এবং তাঁর চিবুক বা চেহারা লালবর্ণ ধারণ করলো। অতঃপর তিনি বললেনঃ এর (উটের) সাথে তোমার কি সর্ম্পক? কারণ এর পা আছে এবং পেটের ভিতর পানিও রয়েছে, যতক্ষণ না এর মালিক আসে। [১৭০৪] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
যায়িদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাস্তায় পড়ে থাকা জিনিস সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ তুমি ঐ জিনিস সর্ম্পকে এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দিতে থাকবে। অতঃপর তুমি এর থলি ও বাঁধন চিনে রাখবে। তারপর সেখান থেকে খরচ করবে। যদি এর মালিক এসে উপস্থিত হয় তবে তাকে তা ফেরত দিবে। লোকটি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! পথহারা বকরী বিধান কি? তিনি বললেন, তা ধরে রাখো। কেননা সেটা হয়তো তোমার অথবা তোমার ভাইয়ের কিংবা বাঘের জন্য। লোকটি আবার বললো, হে আল্লাহর রাসূল! পথহারা উটের বিধান কি? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এতে অসন্তুষ্ট হলেন এবং তাঁর চিবুক বা চেহারা লালবর্ণ ধারণ করলো। অতঃপর তিনি বললেনঃ এর (উটের) সাথে তোমার কি সর্ম্পক? কারণ এর পা আছে এবং পেটের ভিতর পানিও রয়েছে, যতক্ষণ না এর মালিক আসে। [১৭০৪] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا إسماعيل بن جعفر، عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن، عن يزيد، مولى المنبعث عن زيد بن خالد الجهني، أن رجلا، سأل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اللقطة فقال " عرفها سنة ثم اعرف وكاءها وعفاصها ثم استنفق بها فإن جاء ربها فأدها إليه " . فقال يا رسول الله فضالة الغنم فقال " خذها فإنما هي لك أو لأخيك أو للذئب " . قال يا رسول الله فضالة الإبل فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى احمرت وجنتاه - أو احمر وجهه - وقال " ما لك ولها معها حذاؤها وسقاؤها حتى يأتيها ربها " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭১০
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده عبد الله بن عمرو بن العاص، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه سئل عن الثمر المعلق فقال " من أصاب بفيه من ذي حاجة غير متخذ خبنة فلا شىء عليه ومن خرج بشىء منه فعليه غرامة مثليه والعقوبة ومن سرق منه شيئا بعد أن يئويه الجرين فبلغ ثمن المجن فعليه القطع " . وذكر في ضالة الإبل والغنم كما ذكره غيره قال وسئل عن اللقطة فقال " ما كان منها في طريق الميتاء أو القرية الجامعة فعرفها سنة فإن جاء طالبها فادفعها إليه وإن لم يأت فهي لك وما كان في الخراب - يعني - ففيها وفي الركاز الخمس " .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে গাছে ঝুলে থাকা ফল সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ কেউ যদি তা নিরূপায় (অভাবী) হয়ে খায় এবং তা লুকিয়ে না নেয় তাহলে তার জন্য দোষণীয় নয়। আর যে ব্যক্তি এর বিপরীত করবে (লুকিয়ে নিবে) তাহলে তার জন্য এর দ্বিগুণ জরিমানা রয়েছে এবং সে শাস্তিও পাবে। আর যে ব্যক্তি খেঁজুর চুরি করে এরূপ অবস্থায় যে, তা গাছ থেকে কেটে শুকানোর জন্য আঙ্গিনায় রাখা হয়েছে, তাহলে চুরিকৃত জিনিসের মূল্য যুদ্ধের একটি ঢালের পরিমান হলে তার হাত কাটা হবে। বর্ণনাকারী পথহারা বকরী ও উটের কথাও উল্লেখ করেছেন যেমন বর্ননা করেছেন অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ। তিনি বলেন, তাঁকে লুক্বতাহ সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, জন সাধারণের চলাচলের পথে কিছু পাওয়া গেলে এক বছর যাবত তা ঘোষণা করতে থাকবে। যদি এর মালিক এসে যায় তাহলে তাকে তা দিয়ে দিবে। আর যদি না আসে তবে তা তোমার। আর যে জিনিস অনাবাদী এলাকায় (গুপ্তধনরূপে) পাওয়া যাবে তাতে এক পঞ্চমাংশ (যাকাত) দিবে। [১৭১০]
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে গাছে ঝুলে থাকা ফল সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ কেউ যদি তা নিরূপায় (অভাবী) হয়ে খায় এবং তা লুকিয়ে না নেয় তাহলে তার জন্য দোষণীয় নয়। আর যে ব্যক্তি এর বিপরীত করবে (লুকিয়ে নিবে) তাহলে তার জন্য এর দ্বিগুণ জরিমানা রয়েছে এবং সে শাস্তিও পাবে। আর যে ব্যক্তি খেঁজুর চুরি করে এরূপ অবস্থায় যে, তা গাছ থেকে কেটে শুকানোর জন্য আঙ্গিনায় রাখা হয়েছে, তাহলে চুরিকৃত জিনিসের মূল্য যুদ্ধের একটি ঢালের পরিমান হলে তার হাত কাটা হবে। বর্ণনাকারী পথহারা বকরী ও উটের কথাও উল্লেখ করেছেন যেমন বর্ননা করেছেন অন্যান্য বর্ণনাকারীগণ। তিনি বলেন, তাঁকে লুক্বতাহ সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, জন সাধারণের চলাচলের পথে কিছু পাওয়া গেলে এক বছর যাবত তা ঘোষণা করতে থাকবে। যদি এর মালিক এসে যায় তাহলে তাকে তা দিয়ে দিবে। আর যদি না আসে তবে তা তোমার। আর যে জিনিস অনাবাদী এলাকায় (গুপ্তধনরূপে) পাওয়া যাবে তাতে এক পঞ্চমাংশ (যাকাত) দিবে। [১৭১০]
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن عجلان، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده عبد الله بن عمرو بن العاص، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه سئل عن الثمر المعلق فقال " من أصاب بفيه من ذي حاجة غير متخذ خبنة فلا شىء عليه ومن خرج بشىء منه فعليه غرامة مثليه والعقوبة ومن سرق منه شيئا بعد أن يئويه الجرين فبلغ ثمن المجن فعليه القطع " . وذكر في ضالة الإبل والغنم كما ذكره غيره قال وسئل عن اللقطة فقال " ما كان منها في طريق الميتاء أو القرية الجامعة فعرفها سنة فإن جاء طالبها فادفعها إليه وإن لم يأت فهي لك وما كان في الخراب - يعني - ففيها وفي الركاز الخمس " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭১৪
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا عبد الله بن وهب، عن عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، عن عبيد الله بن مقسم، حدثه عن رجل، عن أبي سعيد الخدري، أن علي بن أبي طالب، وجد دينارا فأتى به فاطمة فسألت عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " هو رزق الله عز وجل " . فأكل منه رسول الله صلى الله عليه وسلم وأكل علي وفاطمة فلما كان بعد ذلك أتته امرأة تنشد الدينار فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا علي أد الدينار " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ) পথে পড়ে থাকা দীনার পেয়ে তা ফাত্বিমাহ (রাঃ)-এর কাছে নিয়ে আসেন। তিনি এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এটা আল্লাহ প্রদত্ত রিযিক্ব। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), ‘আলী এবং ফাত্বিমাহ (রাঃ) সকলেই তা দিয়ে খাবার কিনে এনে খেলেন। এর পরে এক মহিলা এসে দীনার খুঁজতে থাকে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তার দীনার পরিশোধ করে দাও।
আবূ সাঈদ আল-খুদরী থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ) পথে পড়ে থাকা দীনার পেয়ে তা ফাত্বিমাহ (রাঃ)-এর কাছে নিয়ে আসেন। তিনি এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলে জবাবে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ এটা আল্লাহ প্রদত্ত রিযিক্ব। অতঃপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম), ‘আলী এবং ফাত্বিমাহ (রাঃ) সকলেই তা দিয়ে খাবার কিনে এনে খেলেন। এর পরে এক মহিলা এসে দীনার খুঁজতে থাকে। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি তার দীনার পরিশোধ করে দাও।
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا عبد الله بن وهب، عن عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، عن عبيد الله بن مقسم، حدثه عن رجل، عن أبي سعيد الخدري، أن علي بن أبي طالب، وجد دينارا فأتى به فاطمة فسألت عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " هو رزق الله عز وجل " . فأكل منه رسول الله صلى الله عليه وسلم وأكل علي وفاطمة فلما كان بعد ذلك أتته امرأة تنشد الدينار فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا علي أد الدينار " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭১৫
حدثنا الهيثم بن خالد الجهني، حدثنا وكيع، عن سعد بن أوس، عن بلال بن يحيى العبسي، عن علي، رضى الله عنه أنه التقط دينارا فاشترى به دقيقا فعرفه صاحب الدقيق فرد عليه الدينار فأخذه علي وقطع منه قيراطين فاشترى به لحما .
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি পথে পতিত একটি দীনার পেয়ে তা দিয়ে আটা কিনলেন। আটার বিক্রেতা তাকে (রাসূলের জামাতা হিসেবে) চিনতে পেরে তাঁকে দীনারটি ফেরত দিলেন। অতঃপর আলী (রাঃ) দীনারটি ভাঙ্গিয়ে দুই ক্বিরাত দিয়ে গোশত কিনলেন।
আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি পথে পতিত একটি দীনার পেয়ে তা দিয়ে আটা কিনলেন। আটার বিক্রেতা তাকে (রাসূলের জামাতা হিসেবে) চিনতে পেরে তাঁকে দীনারটি ফেরত দিলেন। অতঃপর আলী (রাঃ) দীনারটি ভাঙ্গিয়ে দুই ক্বিরাত দিয়ে গোশত কিনলেন।
حدثنا الهيثم بن خالد الجهني، حدثنا وكيع، عن سعد بن أوس، عن بلال بن يحيى العبسي، عن علي، رضى الله عنه أنه التقط دينارا فاشترى به دقيقا فعرفه صاحب الدقيق فرد عليه الدينار فأخذه علي وقطع منه قيراطين فاشترى به لحما .
সুনানে আবু দাউদ ১৭১৭
حدثنا سليمان بن عبد الرحمن الدمشقي، حدثنا محمد بن شعيب، عن المغيرة بن زياد، عن أبي الزبير المكي، أنه حدثه عن جابر بن عبد الله، قال رخص لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في العصا والسوط والحبل وأشباهه يلتقطه الرجل ينتفع به . قال أبو داود رواه النعمان بن عبد السلام عن المغيرة أبي سلمة بإسناده ورواه شبابة عن مغيرة بن مسلم عن أبي الزبير عن جابر قال كانوا لم يذكر النبي صلى الله عليه وسلم .
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে লাঠি, রশি, চাবুক এবং এ ধরনের পতিত জিনিস ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছেন। [১৭১৭]
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে লাঠি, রশি, চাবুক এবং এ ধরনের পতিত জিনিস ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছেন। [১৭১৭]
حدثنا سليمان بن عبد الرحمن الدمشقي، حدثنا محمد بن شعيب، عن المغيرة بن زياد، عن أبي الزبير المكي، أنه حدثه عن جابر بن عبد الله، قال رخص لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم في العصا والسوط والحبل وأشباهه يلتقطه الرجل ينتفع به . قال أبو داود رواه النعمان بن عبد السلام عن المغيرة أبي سلمة بإسناده ورواه شبابة عن مغيرة بن مسلم عن أبي الزبير عن جابر قال كانوا لم يذكر النبي صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ১৭১৬
حدثنا جعفر بن مسافر التنيسي، حدثنا ابن أبي فديك، حدثنا موسى بن يعقوب الزمعي، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، أخبره أن علي بن أبي طالب دخل على فاطمة وحسن وحسين يبكيان فقال ما يبكيهما قالت الجوع فخرج علي فوجد دينارا بالسوق فجاء إلى فاطمة فأخبرها فقالت اذهب إلى فلان اليهودي فخذ دقيقا فجاء اليهودي فاشترى به دقيقا فقال اليهودي أنت ختن هذا الذي يزعم أنه رسول الله قال نعم . قال فخذ دينارك ولك الدقيق . فخرج علي حتى جاء فاطمة فأخبرها فقالت اذهب إلى فلان الجزار فخذ لنا بدرهم لحما فذهب فرهن الدينار بدرهم لحم فجاء به فعجنت ونصبت وخبزت وأرسلت إلى أبيها فجاءهم فقالت يا رسول الله أذكر لك فإن رأيته لنا حلالا أكلناه وأكلت معنا من شأنه كذا وكذا . فقال " كلوا باسم الله " . فأكلوا فبينما هم مكانهم إذا غلام ينشد الله والإسلام الدينار فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فدعي له فسأله . فقال سقط مني في السوق . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " يا علي اذهب إلى الجزار فقل له إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لك أرسل إلى بالدينار ودرهمك على " . فأرسل به فدفعه رسول الله صلى الله عليه وسلم إليه .
সাহ্ল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘আলী ইবনু আবু ত্বালিব (রাঃ) ফাত্বিমাহ (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-কে কান্নারত পেয়ে তাকে কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করেন। তখন ফাত্বিমাহ (রাঃ) বলেন তাঁরা ক্ষুধার জ্বালায় কান্না করছে। ‘আলী (রাঃ) ঘর থেকে বের হলেন এবং বাজারে গিয়ে একটি দীনার পতিত অবস্থায় পেলেন। তিনি দীনারটি ফাত্বিমাহর কাছে নিয়ে এসে বিষয়টি তাকে জানালেন। ফাত্বিমাহ বলেন, আপনি দীনারটি নিয়ে উমুক ইয়াহুদীর কাছে গিয়ে আমাদের জন্য আটা ক্রয় করুন। অতঃপর ‘আলী (রাঃ) ইয়াহুদীর কাছে গিয়ে আটা কিনলেন। ইয়াহুদী বললো আপনি তো ঐ লোকের জামাতা, যিনি নিজেকে “আল্লাহর রাসূল” দাবী করেন। তখন ‘আলী (রাঃ) বলেন, হ্যাঁ। তখন ইয়াহুদী বললো, আপনি দীনারটি ফেরত নিন এবং এই আটাও নিয়ে যান (মূল্য দিতে হবে না)। ‘আলী (রাঃ) আটা নিয়ে ফাত্বিমাহ (রাঃ)-এর কাছে এসে বিষয়টি তাকে জানালেন। ফাত্বিমাহ (রাঃ) বললেন, আপনি উমুক কসাইয়ের কাছে গিয়ে আমাদের জন্য এক দিরহামের গোশত ক্রয় করুন। তিনি সেখানে গিয়ে দীনারটি বন্ধক রেখে এক দিরহাম মূল্যের গোশত কিনে ঘরে ফিরলেন। ফাত্বিমাহ (রাঃ) আটা দিয়ে রুটি বানালেন এবং গোশত রান্না করলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খবর দিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের কাছে আসলে ফাত্বিমাহ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনাকে ঘটনাটি খুলে বলছি। আপনি যদি এটা আমাদের জন্য হালাল মনে করেন তাহলে আমরা তা খাবো এবং আমাদের সাথে আপনিও খাবেন। ঘটনা এরূপ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বিস্মিল্লাহ বলে খাও। তাঁরা যখন খাচ্ছিলেন তখন এক যুবক আল্লাহ ও ইসলামের নামে শপথ উচ্চারণ করে দীনারটি খুঁজছিলো। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ মোতাবেক তাকে ডেকে দীনার সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করা হলো। সে বললো দীনারটি আমার নিকট থেকে বাজারে পড়ে গেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আলী! তুমি কসাইয়ের নিকট গিয়ে বলো , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে দীনারটি আমার কাছে ফেরত দিতে বলেছেন। আর তিনি আপনার দিরহাম দিয়ে দিবেন। অতঃপর কসাই তা ফেরত দিলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটি ঐ যুবককে ফিরিয়ে দিলেন।
সাহ্ল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘আলী ইবনু আবু ত্বালিব (রাঃ) ফাত্বিমাহ (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-কে কান্নারত পেয়ে তাকে কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করেন। তখন ফাত্বিমাহ (রাঃ) বলেন তাঁরা ক্ষুধার জ্বালায় কান্না করছে। ‘আলী (রাঃ) ঘর থেকে বের হলেন এবং বাজারে গিয়ে একটি দীনার পতিত অবস্থায় পেলেন। তিনি দীনারটি ফাত্বিমাহর কাছে নিয়ে এসে বিষয়টি তাকে জানালেন। ফাত্বিমাহ বলেন, আপনি দীনারটি নিয়ে উমুক ইয়াহুদীর কাছে গিয়ে আমাদের জন্য আটা ক্রয় করুন। অতঃপর ‘আলী (রাঃ) ইয়াহুদীর কাছে গিয়ে আটা কিনলেন। ইয়াহুদী বললো আপনি তো ঐ লোকের জামাতা, যিনি নিজেকে “আল্লাহর রাসূল” দাবী করেন। তখন ‘আলী (রাঃ) বলেন, হ্যাঁ। তখন ইয়াহুদী বললো, আপনি দীনারটি ফেরত নিন এবং এই আটাও নিয়ে যান (মূল্য দিতে হবে না)। ‘আলী (রাঃ) আটা নিয়ে ফাত্বিমাহ (রাঃ)-এর কাছে এসে বিষয়টি তাকে জানালেন। ফাত্বিমাহ (রাঃ) বললেন, আপনি উমুক কসাইয়ের কাছে গিয়ে আমাদের জন্য এক দিরহামের গোশত ক্রয় করুন। তিনি সেখানে গিয়ে দীনারটি বন্ধক রেখে এক দিরহাম মূল্যের গোশত কিনে ঘরে ফিরলেন। ফাত্বিমাহ (রাঃ) আটা দিয়ে রুটি বানালেন এবং গোশত রান্না করলেন এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে খবর দিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁদের কাছে আসলে ফাত্বিমাহ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনাকে ঘটনাটি খুলে বলছি। আপনি যদি এটা আমাদের জন্য হালাল মনে করেন তাহলে আমরা তা খাবো এবং আমাদের সাথে আপনিও খাবেন। ঘটনা এরূপ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা বিস্মিল্লাহ বলে খাও। তাঁরা যখন খাচ্ছিলেন তখন এক যুবক আল্লাহ ও ইসলামের নামে শপথ উচ্চারণ করে দীনারটি খুঁজছিলো। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নির্দেশ মোতাবেক তাকে ডেকে দীনার সর্ম্পকে জিজ্ঞেস করা হলো। সে বললো দীনারটি আমার নিকট থেকে বাজারে পড়ে গেছে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ হে ‘আলী! তুমি কসাইয়ের নিকট গিয়ে বলো , রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাকে দীনারটি আমার কাছে ফেরত দিতে বলেছেন। আর তিনি আপনার দিরহাম দিয়ে দিবেন। অতঃপর কসাই তা ফেরত দিলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সেটি ঐ যুবককে ফিরিয়ে দিলেন।
حدثنا جعفر بن مسافر التنيسي، حدثنا ابن أبي فديك، حدثنا موسى بن يعقوب الزمعي، عن أبي حازم، عن سهل بن سعد، أخبره أن علي بن أبي طالب دخل على فاطمة وحسن وحسين يبكيان فقال ما يبكيهما قالت الجوع فخرج علي فوجد دينارا بالسوق فجاء إلى فاطمة فأخبرها فقالت اذهب إلى فلان اليهودي فخذ دقيقا فجاء اليهودي فاشترى به دقيقا فقال اليهودي أنت ختن هذا الذي يزعم أنه رسول الله قال نعم . قال فخذ دينارك ولك الدقيق . فخرج علي حتى جاء فاطمة فأخبرها فقالت اذهب إلى فلان الجزار فخذ لنا بدرهم لحما فذهب فرهن الدينار بدرهم لحم فجاء به فعجنت ونصبت وخبزت وأرسلت إلى أبيها فجاءهم فقالت يا رسول الله أذكر لك فإن رأيته لنا حلالا أكلناه وأكلت معنا من شأنه كذا وكذا . فقال " كلوا باسم الله " . فأكلوا فبينما هم مكانهم إذا غلام ينشد الله والإسلام الدينار فأمر رسول الله صلى الله عليه وسلم فدعي له فسأله . فقال سقط مني في السوق . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " يا علي اذهب إلى الجزار فقل له إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لك أرسل إلى بالدينار ودرهمك على " . فأرسل به فدفعه رسول الله صلى الله عليه وسلم إليه .
সুনানে আবু দাউদ ১৭১৮
حدثنا مخلد بن خالد، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن عمرو بن مسلم، عن عكرمة، - أحسبه - عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ضالة الإبل المكتومة غرامتها ومثلها معها " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পথহারা উটের হুকুম হলো : যদি কেউ তা পাওয়ার পর বিষয়টি গোপন করে তাহলে তাকে জরিমানা হিসেবে ঐ উটের সাথে অনুরূপ আরেকটি উট দিতে হবে।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পথহারা উটের হুকুম হলো : যদি কেউ তা পাওয়ার পর বিষয়টি গোপন করে তাহলে তাকে জরিমানা হিসেবে ঐ উটের সাথে অনুরূপ আরেকটি উট দিতে হবে।
حدثنا مخلد بن خالد، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن عمرو بن مسلم، عن عكرمة، - أحسبه - عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ضالة الإبل المكتومة غرامتها ومثلها معها " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭১৯
حدثنا يزيد بن خالد بن موهب، وأحمد بن صالح، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن بكير، عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب، عن عبد الرحمن بن عثمان التيمي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن لقطة الحاج . قال أحمد قال ابن وهب يعني في لقطة الحاج يتركها حتى يجدها صاحبها قال ابن موهب عن عمرو .
আবদুর রহমান ইবনু ‘উসমান আত-তাইমী থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম) হাজীদেরকে পথে পড়ে থাকা বস্তু তুলে নিতে নিষেধ করেছেন। আহমাদ বলেন, ইবনু ওয়াহ্হাব হাজ্জের মৌসুমে পথে পড়ে থাকা বস্তু সম্পর্কে বলেন, তা পতিত অবস্থায় থাকতে দাও যাতে তার মালিক তা পেয়ে যায়।
আবদুর রহমান ইবনু ‘উসমান আত-তাইমী থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলায়হি ওয়া সাল্লাম) হাজীদেরকে পথে পড়ে থাকা বস্তু তুলে নিতে নিষেধ করেছেন। আহমাদ বলেন, ইবনু ওয়াহ্হাব হাজ্জের মৌসুমে পথে পড়ে থাকা বস্তু সম্পর্কে বলেন, তা পতিত অবস্থায় থাকতে দাও যাতে তার মালিক তা পেয়ে যায়।
حدثنا يزيد بن خالد بن موهب، وأحمد بن صالح، قالا حدثنا ابن وهب، أخبرني عمرو، عن بكير، عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب، عن عبد الرحمن بن عثمان التيمي، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن لقطة الحاج . قال أحمد قال ابن وهب يعني في لقطة الحاج يتركها حتى يجدها صاحبها قال ابن موهب عن عمرو .
সুনানে আবু দাউদ ১৭১১
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو أسامة، عن الوليد، - يعني ابن كثير - حدثني عمرو بن شعيب، بإسناده بهذا قال في ضالة الشاء قال " فاجمعها " .
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এই সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে রয়েছে : তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হারানো বকরী ধরে রাখতে বলেছেন।
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এই সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে রয়েছে : তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হারানো বকরী ধরে রাখতে বলেছেন।
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا أبو أسامة، عن الوليد، - يعني ابن كثير - حدثني عمرو بن شعيب، بإسناده بهذا قال في ضالة الشاء قال " فاجمعها " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭০৫
حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، أخبرني مالك، بإسناده ومعناه زاد " سقاؤها ترد الماء وتأكل الشجر " . ولم يقل " خذها " . في ضالة الشاء وقال في اللقطة " عرفها سنة فإن جاء صاحبها وإلا فشأنك بها " . ولم يذكر " استنفق " . قال أبو داود رواه الثوري وسليمان بن بلال وحماد بن سلمة عن ربيعة مثله لم يقولوا " خذها " .
মালিক (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে আরো রয়েছে : উটের পেটে পানি সংরক্ষিত আছে। সে পানি পানের স্থানে যেতে পারবে, ঘাস খেতে পারবে। কিন্তু এ হাদীসে হারিয়ে যাওয়া বকরী ধরে রাখার কথা নেই। তিনি লুক্বতাহ সর্ম্পকে বলেন, এ ব্যাপারে এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দিতে হবে। এ সময়ের মধ্যে মালিক ফিরে এলে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে, অন্যথায় তোমার যা ইচ্ছে করবে। এতে ‘ইসতানফিক্ব’ শব্দটি নেই। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, সাওরী, সুলায়মান ইবনু হিলাল এবং হাম্মাদ ইবনু সালামাহ (রহঃ) রবী‘আহ সূত্রে অনুরূপ বর্ননা করেছেন। কিন্তু (হারানো বকরী) “ ধরে রাখার কথা নেই”। সহীহ : মুসলিম।
মালিক (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে আরো রয়েছে : উটের পেটে পানি সংরক্ষিত আছে। সে পানি পানের স্থানে যেতে পারবে, ঘাস খেতে পারবে। কিন্তু এ হাদীসে হারিয়ে যাওয়া বকরী ধরে রাখার কথা নেই। তিনি লুক্বতাহ সর্ম্পকে বলেন, এ ব্যাপারে এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দিতে হবে। এ সময়ের মধ্যে মালিক ফিরে এলে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে, অন্যথায় তোমার যা ইচ্ছে করবে। এতে ‘ইসতানফিক্ব’ শব্দটি নেই। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, সাওরী, সুলায়মান ইবনু হিলাল এবং হাম্মাদ ইবনু সালামাহ (রহঃ) রবী‘আহ সূত্রে অনুরূপ বর্ননা করেছেন। কিন্তু (হারানো বকরী) “ ধরে রাখার কথা নেই”। সহীহ : মুসলিম।
حدثنا ابن السرح، حدثنا ابن وهب، أخبرني مالك، بإسناده ومعناه زاد " سقاؤها ترد الماء وتأكل الشجر " . ولم يقل " خذها " . في ضالة الشاء وقال في اللقطة " عرفها سنة فإن جاء صاحبها وإلا فشأنك بها " . ولم يذكر " استنفق " . قال أبو داود رواه الثوري وسليمان بن بلال وحماد بن سلمة عن ربيعة مثله لم يقولوا " خذها " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭০২
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، بمعناه قال " عرفها حولا " . وقال ثلاث مرار قال فلا أدري قال له ذلك في سنة أو في ثلاث سنين .
শু‘বাহ থেকে বর্নিতঃ
এই সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থের হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, “এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দাও”- তিনি এ কথাটি তিনবার বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি অবহিত নই যে, (সালামাহ) এক বছর ঘোষণা করার কথা বলেছেন নাকি তিন বছর।
শু‘বাহ থেকে বর্নিতঃ
এই সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থের হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, “এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা দাও”- তিনি এ কথাটি তিনবার বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি অবহিত নই যে, (সালামাহ) এক বছর ঘোষণা করার কথা বলেছেন নাকি তিন বছর।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، بمعناه قال " عرفها حولا " . وقال ثلاث مرار قال فلا أدري قال له ذلك في سنة أو في ثلاث سنين .
সুনানে আবু দাউদ ১৭০৮
حدثنا موسى بن إسماعيل، عن حماد بن سلمة، عن يحيى بن سعيد، وربيعة، بإسناد قتيبة ومعناه وزاد فيه " فإن جاء باغيها فعرف عفاصها وعددها فادفعها إليه " . وقال حماد أيضا عن عبيد الله بن عمر عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله . قال أبو داود وهذه الزيادة التي زاد حماد بن سلمة في حديث سلمة بن كهيل ويحيى بن سعيد وعبيد الله بن عمر وربيعة " إن جاء صاحبها فعرف عفاصها ووكاءها فادفعها إليه " . ليست بمحفوظة " فعرف عفاصها ووكاءها " . وحديث عقبة بن سويد عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم أيضا قال " عرفها سنة " . وحديث عمر بن الخطاب أيضا عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " عرفها سنة " .
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও রবী‘আহ্ কুতাইবাহর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও রবী‘আহ্ কুতাইবাহ্র সানাদে এবং তার হাদীসের অর্থে বর্ননা করেন। এত আরো রয়েছে : যদি এর মালিক ফিরে আসে এবং এর থলি ও পরিমাণ সর্ম্পকে সঠিক তথ্য পেশ করে তাহলে তাকে তা দিয়ে দিবে। হাম্মাদ তার সানাদ পরম্পরায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ননা করেছেন। ইমাম আবূ দাউদ বলেন, হাম্মাদ ইবনু সালামাহ, সালামাহ ইবনু কুহাইল, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ এবং ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমারের হাদীসে অতিরিক্ত বর্ননা হলো : যদি এর মালিক ফিরে আসে এবং এর থলি ও বাঁধন চিনতে পারে তবে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে। এ বাক্যের মধ্যে “এর থলি ও বাঁধন চিনতে পারে ” কথাটি সংরক্ষিত নয়। উক্ববাহ ইবনু সুওয়াইদ তার পিতা থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ননা করে বলেনঃ “এক বছর ঘোষণা দিতে হবে।” এছাড়াও ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে বর্ণিত হাদীসেও এক বছর ঘোষণা করার কথা আছে। যায়িদ ইবনু খালিদের হাদীস- সহীহ। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমরের হাদীস- হাসান সহীহ। সুওয়াইদের হাদীস- সহীহ। ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের হাদীস- সহীহ।
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও রবী‘আহ্ কুতাইবাহর সানাদ থেকে বর্নিতঃ
ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ও রবী‘আহ্ কুতাইবাহ্র সানাদে এবং তার হাদীসের অর্থে বর্ননা করেন। এত আরো রয়েছে : যদি এর মালিক ফিরে আসে এবং এর থলি ও পরিমাণ সর্ম্পকে সঠিক তথ্য পেশ করে তাহলে তাকে তা দিয়ে দিবে। হাম্মাদ তার সানাদ পরম্পরায় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ননা করেছেন। ইমাম আবূ দাউদ বলেন, হাম্মাদ ইবনু সালামাহ, সালামাহ ইবনু কুহাইল, ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ এবং ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘উমারের হাদীসে অতিরিক্ত বর্ননা হলো : যদি এর মালিক ফিরে আসে এবং এর থলি ও বাঁধন চিনতে পারে তবে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে। এ বাক্যের মধ্যে “এর থলি ও বাঁধন চিনতে পারে ” কথাটি সংরক্ষিত নয়। উক্ববাহ ইবনু সুওয়াইদ তার পিতা থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ননা করে বলেনঃ “এক বছর ঘোষণা দিতে হবে।” এছাড়াও ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে বর্ণিত হাদীসেও এক বছর ঘোষণা করার কথা আছে। যায়িদ ইবনু খালিদের হাদীস- সহীহ। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমরের হাদীস- হাসান সহীহ। সুওয়াইদের হাদীস- সহীহ। ‘উমার ইবনুল খাত্তাবের হাদীস- সহীহ।
حدثنا موسى بن إسماعيل، عن حماد بن سلمة، عن يحيى بن سعيد، وربيعة، بإسناد قتيبة ومعناه وزاد فيه " فإن جاء باغيها فعرف عفاصها وعددها فادفعها إليه " . وقال حماد أيضا عن عبيد الله بن عمر عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله . قال أبو داود وهذه الزيادة التي زاد حماد بن سلمة في حديث سلمة بن كهيل ويحيى بن سعيد وعبيد الله بن عمر وربيعة " إن جاء صاحبها فعرف عفاصها ووكاءها فادفعها إليه " . ليست بمحفوظة " فعرف عفاصها ووكاءها " . وحديث عقبة بن سويد عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم أيضا قال " عرفها سنة " . وحديث عمر بن الخطاب أيضا عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " عرفها سنة " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭০৩
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، حدثنا سلمة بن كهيل، بإسناده ومعناه قال في التعريف قال عامين أو ثلاثة . وقال " اعرف عددها ووعاءها ووكاءها " . زاد " فإن جاء صاحبها فعرف عددها ووكاءها فادفعها إليه " . قال أبو داود ليس يقول هذه الكلمة إلا حماد في هذا الحديث يعني " فعرف عددها " .
সালামাহ ইবনু কুহাইল (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থের হাদীস বর্ণিত। তিনি ঘোষণা সর্ম্পকে বলেন, দুই অথবা তিন বছর। আর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (দীনারের) পরিমাণ, থলে এবং থলের বাঁধন চিনে রাখো। যদি এর মালিক আসে এবং এর সংখ্যা ও থলে চিনতে পারে তাহলে তাকে তা দিয়ে দিবে।
সালামাহ ইবনু কুহাইল (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
এ সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ অর্থের হাদীস বর্ণিত। তিনি ঘোষণা সর্ম্পকে বলেন, দুই অথবা তিন বছর। আর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ (দীনারের) পরিমাণ, থলে এবং থলের বাঁধন চিনে রাখো। যদি এর মালিক আসে এবং এর সংখ্যা ও থলে চিনতে পারে তাহলে তাকে তা দিয়ে দিবে।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، حدثنا سلمة بن كهيل، بإسناده ومعناه قال في التعريف قال عامين أو ثلاثة . وقال " اعرف عددها ووعاءها ووكاءها " . زاد " فإن جاء صاحبها فعرف عددها ووكاءها فادفعها إليه " . قال أبو داود ليس يقول هذه الكلمة إلا حماد في هذا الحديث يعني " فعرف عددها " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭১২
حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن عبيد الله بن الأخنس، عن عمرو بن شعيب، بهذا بإسناده قال في ضالة الغنم " لك أو لأخيك أو للذئب خذها قط " . كذا قال فيه أيوب ويعقوب بن عطاء عن عمرو بن شعيب عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " فخذها " .
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এই সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে আরো রয়েছে : পথহারা বকরী তোমার জন্য অথবা তোমার ভাইয়ের জন্য অথবা বাঘের জন্য। অতএব তা ধরে রাখো। বর্ণনাকারী আইযূব, ইয়া‘কুব ইবনু ‘আত্বা, ‘আমর ইবনু শু‘আইব হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে অনুরূপ বর্ননা করেছেন যে, তুমি তা ধরে রাখো। ইবনু আমরের হাদীস- হাসান।
আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এই সানাদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। এতে আরো রয়েছে : পথহারা বকরী তোমার জন্য অথবা তোমার ভাইয়ের জন্য অথবা বাঘের জন্য। অতএব তা ধরে রাখো। বর্ণনাকারী আইযূব, ইয়া‘কুব ইবনু ‘আত্বা, ‘আমর ইবনু শু‘আইব হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে অনুরূপ বর্ননা করেছেন যে, তুমি তা ধরে রাখো। ইবনু আমরের হাদীস- হাসান।
حدثنا مسدد، حدثنا أبو عوانة، عن عبيد الله بن الأخنس، عن عمرو بن شعيب، بهذا بإسناده قال في ضالة الغنم " لك أو لأخيك أو للذئب خذها قط " . كذا قال فيه أيوب ويعقوب بن عطاء عن عمرو بن شعيب عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " فخذها " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭১৩
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، ح وحدثنا ابن العلاء، حدثنا ابن إدريس، عن ابن إسحاق، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا . قال في ضالة الشاء " فاجمعها حتى يأتيها باغيها " .
‘আমর ইবনু শু‘আইব হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তিনি পথহারা বকরী সর্ম্পকে বলেন, তুমি তা নিজের হিফাযতে রেখে দাও, এর মালিক ফিরে আসা পর্যন্ত।
‘আমর ইবনু শু‘আইব হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্র থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তিনি পথহারা বকরী সর্ম্পকে বলেন, তুমি তা নিজের হিফাযতে রেখে দাও, এর মালিক ফিরে আসা পর্যন্ত।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، ح وحدثنا ابن العلاء، حدثنا ابن إدريس، عن ابن إسحاق، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا . قال في ضالة الشاء " فاجمعها حتى يأتيها باغيها " .
সুনানে আবু দাউদ ১৭২০
حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا خالد، عن أبي حيان التيمي، عن المنذر بن جرير، قال كنت مع جرير بالبوازيج فجاء الراعي بالبقر وفيها بقرة ليست منها فقال له جرير ما هذه قال لحقت بالبقر لا ندري لمن هي . فقال جرير أخرجوها فقد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا يأوي الضالة إلا ضال " .
আল-মুনযির ইবনু জারীর (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি জারীরের (রাঃ) সাথে বাওয়াযীজ নামক স্থানে ছিলাম। এ সময় রাখাল গরুর পাল নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলো। যাতে অন্য একটি গরুও ছিলো। ফলে জারীর (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করেন, এটা কোথা থেকে এলো। রাখাল বললো, আমাদের গরুর পালের মধ্যে এসে ঢুকে পড়েছে। আমি জানি না, গরুটি কার? তখন জারীর (রাঃ) বলেনঃ এটাকে পাল থেকে বের করো। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি : পথভ্রষ্ঠ লোকই পথহারা পশুকে আশ্রয় দিয়ে থাকে। সহীহ মারফু, তার সূত্রে।
আল-মুনযির ইবনু জারীর (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি জারীরের (রাঃ) সাথে বাওয়াযীজ নামক স্থানে ছিলাম। এ সময় রাখাল গরুর পাল নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলো। যাতে অন্য একটি গরুও ছিলো। ফলে জারীর (রাঃ) তাকে জিজ্ঞেস করেন, এটা কোথা থেকে এলো। রাখাল বললো, আমাদের গরুর পালের মধ্যে এসে ঢুকে পড়েছে। আমি জানি না, গরুটি কার? তখন জারীর (রাঃ) বলেনঃ এটাকে পাল থেকে বের করো। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি : পথভ্রষ্ঠ লোকই পথহারা পশুকে আশ্রয় দিয়ে থাকে। সহীহ মারফু, তার সূত্রে।
حدثنا عمرو بن عون، أخبرنا خالد، عن أبي حيان التيمي، عن المنذر بن جرير، قال كنت مع جرير بالبوازيج فجاء الراعي بالبقر وفيها بقرة ليست منها فقال له جرير ما هذه قال لحقت بالبقر لا ندري لمن هي . فقال جرير أخرجوها فقد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا يأوي الضالة إلا ضال " .