সুনানে আবু দাউদ > কাকে যাকাত দিবে এবং ধনী কাকে বলে?

সুনানে আবু দাউদ ১৬২৬

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا سفيان، عن حكيم بن جبير، عن محمد بن عبد الرحمن بن يزيد، عن أبيه، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من سأل وله ما يغنيه جاءت يوم القيامة خموش - أو خدوش - أو كدوح - في وجهه ‏"‏ ‏.‏ فقيل يا رسول الله وما الغنى قال ‏"‏ خمسون درهما أو قيمتها من الذهب ‏"‏ ‏.‏ قال يحيى فقال عبد الله بن عثمان لسفيان حفظي أن شعبة لا يروي عن حكيم بن جبير فقال سفيان فقد حدثناه زبيد عن محمد بن عبد الرحمن بن يزيد ‏.‏

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি পর্যাপ্ত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও ভিক্ষা করে, সে ক্বিয়ামাতের দিন তার মুখমন্ডলে অসংখ্য যখম, নখের আঁচড় ও ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উপস্থিত হবে। কেউ জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রসূল! সম্পদশালী কে? তিনি বললেনঃ পঞ্চাশ দিরহাম অথবা এ মূল্যের স্বর্ণ (যার আছে)।১৬২৬

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি পর্যাপ্ত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও ভিক্ষা করে, সে ক্বিয়ামাতের দিন তার মুখমন্ডলে অসংখ্য যখম, নখের আঁচড় ও ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উপস্থিত হবে। কেউ জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রসূল! সম্পদশালী কে? তিনি বললেনঃ পঞ্চাশ দিরহাম অথবা এ মূল্যের স্বর্ণ (যার আছে)।১৬২৬

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا يحيى بن آدم، حدثنا سفيان، عن حكيم بن جبير، عن محمد بن عبد الرحمن بن يزيد، عن أبيه، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من سأل وله ما يغنيه جاءت يوم القيامة خموش - أو خدوش - أو كدوح - في وجهه ‏"‏ ‏.‏ فقيل يا رسول الله وما الغنى قال ‏"‏ خمسون درهما أو قيمتها من الذهب ‏"‏ ‏.‏ قال يحيى فقال عبد الله بن عثمان لسفيان حفظي أن شعبة لا يروي عن حكيم بن جبير فقال سفيان فقد حدثناه زبيد عن محمد بن عبد الرحمن بن يزيد ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৬২৮

حدثنا قتيبة بن سعيد، وهشام بن عمار، قالا حدثنا عبد الرحمن بن أبي الرجال، عن عمارة بن غزية، عن عبد الرحمن بن أبي سعيد الخدري، عن أبيه أبي سعيد، قال قال رسول الله ‏ "‏ من سأل وله قيمة أوقية فقد ألحف ‏"‏ ‏.‏ فقلت ناقتي الياقوتة هي خير من أوقية ‏.‏ قال هشام خير من أربعين درهما فرجعت فلم أسأله شيئا زاد هشام في حديثه وكانت الأوقية على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم أربعين درهما ‏.

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি ভিক্ষা চায়, অথচ তার কাছে এক উকিয়া মূল্যের সম্পদ আছে, সে নিশ্চিত অসংগতভাবে ভিক্ষা চাইল। আমি (মনে মনে) বললাম, আমার ইয়াকুত নামক উষ্টীটি তো এক উকিয়ার চেয়েও উত্তম। হিশাম বলেন, চল্লিশ দিরহামের চাইতে উত্তম। অতঃপর তার কাছে কিছু না চেয়েই আমি ফিরে আসি। হিশাম তার বর্ণনায় আরো বলেন, রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুগে এক উকিয়া ছিল চল্লিশ দিরহামের সমান।

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি ভিক্ষা চায়, অথচ তার কাছে এক উকিয়া মূল্যের সম্পদ আছে, সে নিশ্চিত অসংগতভাবে ভিক্ষা চাইল। আমি (মনে মনে) বললাম, আমার ইয়াকুত নামক উষ্টীটি তো এক উকিয়ার চেয়েও উত্তম। হিশাম বলেন, চল্লিশ দিরহামের চাইতে উত্তম। অতঃপর তার কাছে কিছু না চেয়েই আমি ফিরে আসি। হিশাম তার বর্ণনায় আরো বলেন, রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুগে এক উকিয়া ছিল চল্লিশ দিরহামের সমান।

حدثنا قتيبة بن سعيد، وهشام بن عمار، قالا حدثنا عبد الرحمن بن أبي الرجال، عن عمارة بن غزية، عن عبد الرحمن بن أبي سعيد الخدري، عن أبيه أبي سعيد، قال قال رسول الله ‏ "‏ من سأل وله قيمة أوقية فقد ألحف ‏"‏ ‏.‏ فقلت ناقتي الياقوتة هي خير من أوقية ‏.‏ قال هشام خير من أربعين درهما فرجعت فلم أسأله شيئا زاد هشام في حديثه وكانت الأوقية على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم أربعين درهما ‏.


সুনানে আবু দাউদ ১৬৩১

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليس المسكين الذي ترده التمرة والتمرتان والأكلة والأكلتان ولكن المسكين الذي لا يسأل الناس شيئا ولا يفطنون به فيعطونه ‏"‏ ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি একটি বা দু’টি খেজুর অথবা এক বা দুই লোকমা খাবারের জন্য ঘুরে বেড়ায় সে প্রকৃত মিসকীন নয়। বরং প্রকৃত মিসকীন ঐ ব্যক্তি যে লোকদের নিকট চায় না এবং তারাও তার অবস্থা অবহিত নয় যে, তাকে কিছু দান করবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি একটি বা দু’টি খেজুর অথবা এক বা দুই লোকমা খাবারের জন্য ঘুরে বেড়ায় সে প্রকৃত মিসকীন নয়। বরং প্রকৃত মিসকীন ঐ ব্যক্তি যে লোকদের নিকট চায় না এবং তারাও তার অবস্থা অবহিত নয় যে, তাকে কিছু দান করবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، وزهير بن حرب، قالا حدثنا جرير، عن الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليس المسكين الذي ترده التمرة والتمرتان والأكلة والأكلتان ولكن المسكين الذي لا يسأل الناس شيئا ولا يفطنون به فيعطونه ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ১৬২৭

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن رجل، من بني أسد أنه قال نزلت أنا وأهلي، ببقيع الغرقد فقال لي أهلي اذهب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسله لنا شيئا نأكله فجعلوا يذكرون من حاجتهم فذهبت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فوجدت عنده رجلا يسأله ورسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ لا أجد ما أعطيك ‏"‏ ‏.‏ فتولى الرجل عنه وهو مغضب وهو يقول لعمري إنك لتعطي من شئت ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يغضب على أن لا أجد ما أعطيه من سأل منكم وله أوقية أو عدلها فقد سأل إلحافا ‏"‏ ‏.‏ قال الأسدي فقلت للقحة لنا خير من أوقية والأوقية أربعون درهما ‏.‏ قال فرجعت ولم أسأله فقدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ذلك شعير أو زبيب فقسم لنا منه - أو كما قال - حتى أغنانا الله ‏.‏ قال أبو داود هكذا رواه الثوري كما قال مالك ‏.

'আত্বা ইবনু ইয়াসার হতে বনী আসাদের এক ব্যক্তির সুত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি ও আমার পরিবার-পরিজন বাকী’ আল-গার্কাদ (ক্ববরস্থানে) যাত্রাবিরতী করি। আমার স্ত্রী বললো, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গিয়ে আমাদের আহারের জন্য কিছু খাবার চান। পরিবারের প্রত্যেকেই তাদের প্রযোজন বর্ণনা করলো। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গিয়ে দেখি, এক লোক তাঁর নিকট কিছু চাইছে। আর রসূলুল্লাহ বললেন, আমার কাছে তোমাকে দেয়ার মতো কিছু নাই। অতঃপর লোকটি রাগান্বিত অবস্থায় একথা বলতে বলতে চলে গেলো যে, আমার জীবনের শপথ! আপনি কেবল আপনার পছন্দের লোককেই দিয়ে থাকেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ ব্যক্তি আমার উপর এ জন্যই ক্ষুদ্ধ হয়েছে যে, আমি তাকে দিতে পারলাম না। তোমাদের যে কেউ ভিক্ষা করে, অথচ তার এক ‘উকিয়া বা তার সমপরিমান সম্পদ আছে, সে তো উত্যক্ত করার জন্যই ভিক্ষা করে। আসাদী লোকটি বলেন, (আমি ভাবলাম) আমাদের একটি উষ্ট্রী আছে, যা উকিয়া চাইতে উত্তম, এক উকিয়া হচ্ছে চল্লিশ দিরহাম। অতঃপর আমি তার কাছে কিছু না চেয়েই ফিরে আসি। পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট কিছু যব ও কিশমিশ এলে তিনি তা থেকে আমাদেরকেও একভাগ দিলেন, অথবা বর্ণনাকার যেমন বলেছেন। এমনকি মহান আল্লাহ আমাদেরকে সম্পদশালী করেন।

'আত্বা ইবনু ইয়াসার হতে বনী আসাদের এক ব্যক্তির সুত্র থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি ও আমার পরিবার-পরিজন বাকী’ আল-গার্কাদ (ক্ববরস্থানে) যাত্রাবিরতী করি। আমার স্ত্রী বললো, আপনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গিয়ে আমাদের আহারের জন্য কিছু খাবার চান। পরিবারের প্রত্যেকেই তাদের প্রযোজন বর্ণনা করলো। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে গিয়ে দেখি, এক লোক তাঁর নিকট কিছু চাইছে। আর রসূলুল্লাহ বললেন, আমার কাছে তোমাকে দেয়ার মতো কিছু নাই। অতঃপর লোকটি রাগান্বিত অবস্থায় একথা বলতে বলতে চলে গেলো যে, আমার জীবনের শপথ! আপনি কেবল আপনার পছন্দের লোককেই দিয়ে থাকেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এ ব্যক্তি আমার উপর এ জন্যই ক্ষুদ্ধ হয়েছে যে, আমি তাকে দিতে পারলাম না। তোমাদের যে কেউ ভিক্ষা করে, অথচ তার এক ‘উকিয়া বা তার সমপরিমান সম্পদ আছে, সে তো উত্যক্ত করার জন্যই ভিক্ষা করে। আসাদী লোকটি বলেন, (আমি ভাবলাম) আমাদের একটি উষ্ট্রী আছে, যা উকিয়া চাইতে উত্তম, এক উকিয়া হচ্ছে চল্লিশ দিরহাম। অতঃপর আমি তার কাছে কিছু না চেয়েই ফিরে আসি। পরে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট কিছু যব ও কিশমিশ এলে তিনি তা থেকে আমাদেরকেও একভাগ দিলেন, অথবা বর্ণনাকার যেমন বলেছেন। এমনকি মহান আল্লাহ আমাদেরকে সম্পদশালী করেন।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن رجل، من بني أسد أنه قال نزلت أنا وأهلي، ببقيع الغرقد فقال لي أهلي اذهب إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فسله لنا شيئا نأكله فجعلوا يذكرون من حاجتهم فذهبت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فوجدت عنده رجلا يسأله ورسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ لا أجد ما أعطيك ‏"‏ ‏.‏ فتولى الرجل عنه وهو مغضب وهو يقول لعمري إنك لتعطي من شئت ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يغضب على أن لا أجد ما أعطيه من سأل منكم وله أوقية أو عدلها فقد سأل إلحافا ‏"‏ ‏.‏ قال الأسدي فقلت للقحة لنا خير من أوقية والأوقية أربعون درهما ‏.‏ قال فرجعت ولم أسأله فقدم على رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد ذلك شعير أو زبيب فقسم لنا منه - أو كما قال - حتى أغنانا الله ‏.‏ قال أبو داود هكذا رواه الثوري كما قال مالك ‏.


সুনানে আবু দাউদ ১৬৩২

حدثنا مسدد، وعبيد الله بن عمر، وأبو كامل - المعنى - قالوا حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثله قال ‏"‏ ولكن المسكين المتعفف ‏"‏ ‏.‏ زاد مسدد في حديثه ‏"‏ ليس له ما يستغني به الذي لا يسأل ولا يعلم بحاجته فيتصدق عليه فذاك المحروم ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر مسدد ‏"‏ المتعفف الذي لا يسأل ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود روى هذا محمد بن ثور وعبد الرزاق عن معمر جعلا المحروم من كلام الزهري وهذا أصح ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ...... পূবোর্ক্ত হাদীসের অনুরূপ। প্রকৃত মিসকীন ঐ ব্যক্তি, যে অন্যের মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে নিজেকে মুক্ত রাখে। মুসাদ্দাদ আরো বলেন, তার নিকট নিজেকে অভাবমুক্ত রাখার মত সম্পদ নেই, তা সত্ত্বেও সে চায় না, এবং লোকেরাও তার অভাব সম্পর্কে অবহিত নয় যে, তাকে কিছু দান করবে। বস্তুত এমন ব্যক্তি নিঃস্ব। সহীহঃ তার একথা বাদেঃ “এমন ব্যক্তি নিঃস্ব।” কেননা তা মাক্বতু’ এবং যুহরীর উক্তিঃ বুখারী ও মুসলিম। মুসাদ্দাদ তার বর্ণনায় “এ ব্যক্তিই মুতা‘আফ্ফিফ যে চেয়ে বেড়ায় না।” এ বাক্যটি উল্লেখ করেননি ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু সাওর ও ‘আবদুর রাযযাক্ব, মা‘মার হতে বর্ণনা করেন যে, ‘আল-মাহরূম’ শব্দটি যুহরীর উক্তি।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ...... পূবোর্ক্ত হাদীসের অনুরূপ। প্রকৃত মিসকীন ঐ ব্যক্তি, যে অন্যের মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে নিজেকে মুক্ত রাখে। মুসাদ্দাদ আরো বলেন, তার নিকট নিজেকে অভাবমুক্ত রাখার মত সম্পদ নেই, তা সত্ত্বেও সে চায় না, এবং লোকেরাও তার অভাব সম্পর্কে অবহিত নয় যে, তাকে কিছু দান করবে। বস্তুত এমন ব্যক্তি নিঃস্ব। সহীহঃ তার একথা বাদেঃ “এমন ব্যক্তি নিঃস্ব।” কেননা তা মাক্বতু’ এবং যুহরীর উক্তিঃ বুখারী ও মুসলিম। মুসাদ্দাদ তার বর্ণনায় “এ ব্যক্তিই মুতা‘আফ্ফিফ যে চেয়ে বেড়ায় না।” এ বাক্যটি উল্লেখ করেননি ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু সাওর ও ‘আবদুর রাযযাক্ব, মা‘মার হতে বর্ণনা করেন যে, ‘আল-মাহরূম’ শব্দটি যুহরীর উক্তি।

حدثنا مسدد، وعبيد الله بن عمر، وأبو كامل - المعنى - قالوا حدثنا عبد الواحد بن زياد، حدثنا معمر، عن الزهري، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مثله قال ‏"‏ ولكن المسكين المتعفف ‏"‏ ‏.‏ زاد مسدد في حديثه ‏"‏ ليس له ما يستغني به الذي لا يسأل ولا يعلم بحاجته فيتصدق عليه فذاك المحروم ‏"‏ ‏.‏ ولم يذكر مسدد ‏"‏ المتعفف الذي لا يسأل ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود روى هذا محمد بن ثور وعبد الرزاق عن معمر جعلا المحروم من كلام الزهري وهذا أصح ‏.


সুনানে আবু দাউদ ১৬২৯

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا مسكين، حدثنا محمد بن المهاجر، عن ربيعة بن يزيد، عن أبي كبشة السلولي، حدثنا سهل ابن الحنظلية، قال قدم على رسول الله عيينة بن حصن والأقرع بن حابس فسألاه فأمر لهما بما سألا وأمر معاوية فكتب لهما بما سألا فأما الأقرع فأخذ كتابه فلفه في عمامته وانطلق وأما عيينة فأخذ كتابه وأتى النبي صلى الله عليه وسلم مكانه فقال يا محمد أتراني حاملا إلى قومي كتابا لا أدري ما فيه كصحيفة المتلمس ‏.‏ فأخبر معاوية بقوله رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من سأل وعنده ما يغنيه فإنما يستكثر من النار ‏"‏ ‏.‏ وقال النفيلي في موضع آخر ‏"‏ من جمر جهنم ‏"‏ ‏.‏ فقالوا يا رسول الله وما يغنيه وقال النفيلي في موضع آخر وما الغنى الذي لا تنبغي معه المسألة قال ‏"‏ قدر ما يغديه ويعشيه ‏"‏ ‏.‏ وقال النفيلي في موضع آخر ‏"‏ أن يكون له شبع يوم وليلة أو ليلة ويوم ‏"‏ ‏.‏ وكان حدثنا به مختصرا على هذه الألفاظ التي ذكرت ‏.‏

সাহল ইবনুল হানযালিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘উয়াহইনাহ ইবনু হিস্ন ও আকরা’ ইবনু হাবিস (রাঃ) রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট এসে কিছু চাইলে তিনি তাদেরকে তা দেয়ার নির্দেশ দিয়ে তা লিখার জন্য মু‘আবিয়াহ (রাঃ) -কে আদেশ করেন। অতঃপর আকরা’ নিদের্শনামা নিয়ে তা ভাঁজ করে নিজের পাগরীর ভেতর ঢুকিয়ে চলে গেলেন। কিন্তু ‘উয়াইনাহ তার পত্রখানা নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাড়িতে এসে বললেন, হে মুহাম্মাদ! আপনি চান যে, আমি ‘মুতালাম্মিসের’ মতো এমন একটি পত্র নিয়ে আমার সম্প্রদায়ের নিকট যাই যে, আমি নিজেও পত্রের বিষয় সম্পর্কে অজ্ঞ? মু‘আবিয়াহ (রাঃ) তার বক্তব্য রসূলুল্লাহকে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানালেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি ভিক্ষা করে, অথচ তার নিকট এ পরিমাণ সম্পদ আছে যা তাকে ভিক্ষা হতে বিরত রাখতে পারে তার এ কাজ কেবল আগুনই বৃদ্ধি করে। বর্ণনাকরী আন-নুফাইলীর অন্য বর্ণনায় রয়েছেঃ সে জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুনের কয়লাই বৃদ্ধি করলো। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রসূল! কি পরিমাণ সম্পদ ভিক্ষা হতে বিরত রাখতে পারে? নুফাইলী অন্যত্র বর্ণনা করেন, কি পরিমাণ সম্পদ থাকলে ভিক্ষা করা অনুচিত? তিনি বলেছেনঃ সকাল ও বিকাল খাওয়ার জন্য যথেষ্ট হয় এ পরিমাণ সম্পদ থাকা। নুফাইলী অন্যত্র বর্ণনা করেন, একদিন ও একরাত অথবা বলেছেন, একরাত ও একদিন তৃপ্তি সহকারে খেতে যথেষ্ট হয় এ পরিমাণ সম্পদ। ইমাম আবূ দাউস (রহঃ) বলেন, আমি এখানে যে শব্দগুলোর দিয়ে হাদীস বর্ণনা করেছি নুফাইলী আমাদেরকে তা সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।

সাহল ইবনুল হানযালিয়্যাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ‘উয়াহইনাহ ইবনু হিস্ন ও আকরা’ ইবনু হাবিস (রাঃ) রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট এসে কিছু চাইলে তিনি তাদেরকে তা দেয়ার নির্দেশ দিয়ে তা লিখার জন্য মু‘আবিয়াহ (রাঃ) -কে আদেশ করেন। অতঃপর আকরা’ নিদের্শনামা নিয়ে তা ভাঁজ করে নিজের পাগরীর ভেতর ঢুকিয়ে চলে গেলেন। কিন্তু ‘উয়াইনাহ তার পত্রখানা নিয়ে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বাড়িতে এসে বললেন, হে মুহাম্মাদ! আপনি চান যে, আমি ‘মুতালাম্মিসের’ মতো এমন একটি পত্র নিয়ে আমার সম্প্রদায়ের নিকট যাই যে, আমি নিজেও পত্রের বিষয় সম্পর্কে অজ্ঞ? মু‘আবিয়াহ (রাঃ) তার বক্তব্য রসূলুল্লাহকে (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জানালেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যে ব্যক্তি ভিক্ষা করে, অথচ তার নিকট এ পরিমাণ সম্পদ আছে যা তাকে ভিক্ষা হতে বিরত রাখতে পারে তার এ কাজ কেবল আগুনই বৃদ্ধি করে। বর্ণনাকরী আন-নুফাইলীর অন্য বর্ণনায় রয়েছেঃ সে জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুনের কয়লাই বৃদ্ধি করলো। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রসূল! কি পরিমাণ সম্পদ ভিক্ষা হতে বিরত রাখতে পারে? নুফাইলী অন্যত্র বর্ণনা করেন, কি পরিমাণ সম্পদ থাকলে ভিক্ষা করা অনুচিত? তিনি বলেছেনঃ সকাল ও বিকাল খাওয়ার জন্য যথেষ্ট হয় এ পরিমাণ সম্পদ থাকা। নুফাইলী অন্যত্র বর্ণনা করেন, একদিন ও একরাত অথবা বলেছেন, একরাত ও একদিন তৃপ্তি সহকারে খেতে যথেষ্ট হয় এ পরিমাণ সম্পদ। ইমাম আবূ দাউস (রহঃ) বলেন, আমি এখানে যে শব্দগুলোর দিয়ে হাদীস বর্ণনা করেছি নুফাইলী আমাদেরকে তা সংক্ষেপে বর্ণনা করেছেন।

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا مسكين، حدثنا محمد بن المهاجر، عن ربيعة بن يزيد، عن أبي كبشة السلولي، حدثنا سهل ابن الحنظلية، قال قدم على رسول الله عيينة بن حصن والأقرع بن حابس فسألاه فأمر لهما بما سألا وأمر معاوية فكتب لهما بما سألا فأما الأقرع فأخذ كتابه فلفه في عمامته وانطلق وأما عيينة فأخذ كتابه وأتى النبي صلى الله عليه وسلم مكانه فقال يا محمد أتراني حاملا إلى قومي كتابا لا أدري ما فيه كصحيفة المتلمس ‏.‏ فأخبر معاوية بقوله رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من سأل وعنده ما يغنيه فإنما يستكثر من النار ‏"‏ ‏.‏ وقال النفيلي في موضع آخر ‏"‏ من جمر جهنم ‏"‏ ‏.‏ فقالوا يا رسول الله وما يغنيه وقال النفيلي في موضع آخر وما الغنى الذي لا تنبغي معه المسألة قال ‏"‏ قدر ما يغديه ويعشيه ‏"‏ ‏.‏ وقال النفيلي في موضع آخر ‏"‏ أن يكون له شبع يوم وليلة أو ليلة ويوم ‏"‏ ‏.‏ وكان حدثنا به مختصرا على هذه الألفاظ التي ذكرت ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৬৩০

حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد الله، - يعني ابن عمر بن غانم - عن عبد الرحمن بن زياد، أنه سمع زياد بن نعيم الحضرمي، أنه سمع زياد بن الحارث الصدائي، قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فبايعته فذكر حديثا طويلا قال فأتاه رجل فقال أعطني من الصدقة ‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله تعالى لم يرض بحكم نبي ولا غيره في الصدقات حتى حكم فيها هو فجزأها ثمانية أجزاء فإن كنت من تلك الأجزاء أعطيتك حقك ‏"‏ ‏.‏

যিয়াদ ইবনুল হারিস আস-সুদায়ী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আমি রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে দিয়ে তাঁর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করি। অতঃপর তিনি দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, এ সময় তাঁর নিকট এক ব্যক্তি এসে বললো, আমাকে সদাক্বাহ দিন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ মহান আল্লাহ যাকাত বিতরণের ব্যাপারে কোনো নবী এবং অন্য কারোর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট নন। বরং তিনি এ বিষয়ে নিজেই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। তিনি তা আট ভাগে বিভক্ত করেছেন। সুতরাং যদি তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হও, তাহলে আমি তোমাকে তোমর প্রাপ্য প্রদান করবো।

যিয়াদ ইবনুল হারিস আস-সুদায়ী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা আমি রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে দিয়ে তাঁর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করি। অতঃপর তিনি দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, এ সময় তাঁর নিকট এক ব্যক্তি এসে বললো, আমাকে সদাক্বাহ দিন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ মহান আল্লাহ যাকাত বিতরণের ব্যাপারে কোনো নবী এবং অন্য কারোর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট নন। বরং তিনি এ বিষয়ে নিজেই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। তিনি তা আট ভাগে বিভক্ত করেছেন। সুতরাং যদি তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হও, তাহলে আমি তোমাকে তোমর প্রাপ্য প্রদান করবো।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا عبد الله، - يعني ابن عمر بن غانم - عن عبد الرحمن بن زياد، أنه سمع زياد بن نعيم الحضرمي، أنه سمع زياد بن الحارث الصدائي، قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فبايعته فذكر حديثا طويلا قال فأتاه رجل فقال أعطني من الصدقة ‏.‏ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله تعالى لم يرض بحكم نبي ولا غيره في الصدقات حتى حكم فيها هو فجزأها ثمانية أجزاء فإن كنت من تلك الأجزاء أعطيتك حقك ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৬৩৩

حدثنا مسدد، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبيد الله بن عدي بن الخيار، قال أخبرني رجلان، أنهما أتيا النبي صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع وهو يقسم الصدقة فسألاه منها فرفع فينا البصر وخفضه فرآنا جلدين فقال ‏ "‏ إن شئتما أعطيتكما ولا حظ فيها لغني ولا لقوي مكتسب ‏"‏ ‏.‏

উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘আদী উবনুল খিয়ার (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দু’ ব্যক্তি আমাকে সংবাদ দেন যে, তারা বিদায় হাজ্জের সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট উপস্থিত হন, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সদাক্বাহ বিতরণ করছিলেন। তারা উভয়ে তাঁর কাছে যাকাত হতে কিছু চাইলেন। তিনি আমাদের দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে আবার চোখ নামালেন। তিনি দেখলেন, তারা উভয়েই স্বাস্থ্যবান। তিনি বললেনঃ তোমরা চাইলে আমি তোমাদের দিবো, কিন্তু এতে ধনী ও কর্মক্ষম ব্যক্তির অংশ নেই।

উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘আদী উবনুল খিয়ার (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, দু’ ব্যক্তি আমাকে সংবাদ দেন যে, তারা বিদায় হাজ্জের সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিকট উপস্থিত হন, তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সদাক্বাহ বিতরণ করছিলেন। তারা উভয়ে তাঁর কাছে যাকাত হতে কিছু চাইলেন। তিনি আমাদের দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে আবার চোখ নামালেন। তিনি দেখলেন, তারা উভয়েই স্বাস্থ্যবান। তিনি বললেনঃ তোমরা চাইলে আমি তোমাদের দিবো, কিন্তু এতে ধনী ও কর্মক্ষম ব্যক্তির অংশ নেই।

حدثنا مسدد، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا هشام بن عروة، عن أبيه، عن عبيد الله بن عدي بن الخيار، قال أخبرني رجلان، أنهما أتيا النبي صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع وهو يقسم الصدقة فسألاه منها فرفع فينا البصر وخفضه فرآنا جلدين فقال ‏ "‏ إن شئتما أعطيتكما ولا حظ فيها لغني ولا لقوي مكتسب ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৬৩৪

حدثنا عباد بن موسى الأنباري الختلي، حدثنا إبراهيم، - يعني ابن سعد - قال أخبرني أبي، عن ريحان بن يزيد، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا تحل الصدقة لغني ولا لذي مرة سوي ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود رواه سفيان عن سعد بن إبراهيم كما قال إبراهيم ورواه شعبة عن سعد قال ‏"‏ لذي مرة قوي ‏"‏ ‏.‏ والأحاديث الأخر عن النبي صلى الله عليه وسلم بعضها ‏"‏ لذي مرة قوي ‏"‏ ‏.‏ وبعضها ‏"‏ لذي مرة سوي ‏"‏ ‏.‏ وقال عطاء بن زهير إنه لقي عبد الله بن عمرو فقال إن الصدقة لا تحل لقوي ولا لذي مرة سوي ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ধনী এবং সুস্থ-সবল ব্যক্তির জন্য যাকাত হালাল নয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, শু‘বাহ (রঃ) সা‘দ হতে বর্ণনা করেন যে, কর্মক্ষম শক্তিশালী ব্যক্তি।

আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ধনী এবং সুস্থ-সবল ব্যক্তির জন্য যাকাত হালাল নয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, শু‘বাহ (রঃ) সা‘দ হতে বর্ণনা করেন যে, কর্মক্ষম শক্তিশালী ব্যক্তি।

حدثنا عباد بن موسى الأنباري الختلي، حدثنا إبراهيم، - يعني ابن سعد - قال أخبرني أبي، عن ريحان بن يزيد، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا تحل الصدقة لغني ولا لذي مرة سوي ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود رواه سفيان عن سعد بن إبراهيم كما قال إبراهيم ورواه شعبة عن سعد قال ‏"‏ لذي مرة قوي ‏"‏ ‏.‏ والأحاديث الأخر عن النبي صلى الله عليه وسلم بعضها ‏"‏ لذي مرة قوي ‏"‏ ‏.‏ وبعضها ‏"‏ لذي مرة سوي ‏"‏ ‏.‏ وقال عطاء بن زهير إنه لقي عبد الله بن عمرو فقال إن الصدقة لا تحل لقوي ولا لذي مرة سوي ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > ধনী হওয়া সত্ত্বেও যার জন্য যাকাত গ্রহণ জায়িয

সুনানে আবু দাউদ ১৬৩৫

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تحل الصدقة لغني إلا لخمسة لغاز في سبيل الله أو لعامل عليها أو لغارم أو لرجل اشتراها بماله أو لرجل كان له جار مسكين فتصدق على المسكين فأهداها المسكين للغني ‏"‏ ‏.‏

আত্বা ইবনু ইয়াসার (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ধনীর জন্য যাকাত গ্রহণ হালাল নয়। তবে পাঁচ শ্রেনীর ধনীর জন্য তা জায়িযঃ (১) আল্লাহর পথে জিহাদরত ব্যক্তি (২) যাকাত আদায়ে নিযুক্ত কর্মচারী (৩) ঋণগ্রস্থ ব্যক্তি (৪) কোন ধনী ব্যক্তির দরিদ্রের প্রাপ্ত যাকাতের মাল নিজ অর্থের বিনিময়ে ক্রয় করা (৫) মিসকীন প্রতিবেশী তার প্রাপ্ত যাকাত হতে ধনী ব্যক্তিকে উপঢৌকন দেয়া। সহীহঃ পরবর্তী হাদীসের কারণে।

আত্বা ইবনু ইয়াসার (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ধনীর জন্য যাকাত গ্রহণ হালাল নয়। তবে পাঁচ শ্রেনীর ধনীর জন্য তা জায়িযঃ (১) আল্লাহর পথে জিহাদরত ব্যক্তি (২) যাকাত আদায়ে নিযুক্ত কর্মচারী (৩) ঋণগ্রস্থ ব্যক্তি (৪) কোন ধনী ব্যক্তির দরিদ্রের প্রাপ্ত যাকাতের মাল নিজ অর্থের বিনিময়ে ক্রয় করা (৫) মিসকীন প্রতিবেশী তার প্রাপ্ত যাকাত হতে ধনী ব্যক্তিকে উপঢৌকন দেয়া। সহীহঃ পরবর্তী হাদীসের কারণে।

حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا تحل الصدقة لغني إلا لخمسة لغاز في سبيل الله أو لعامل عليها أو لغارم أو لرجل اشتراها بماله أو لرجل كان له جار مسكين فتصدق على المسكين فأهداها المسكين للغني ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৬৩৬

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمعناه ‏.‏ قال أبو داود ورواه ابن عيينة عن زيد كما قال مالك ورواه الثوري عن زيد قال حدثني الثبت عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন .... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ ভাবার্থ বর্ণিত। সহীহ

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন .... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ ভাবার্থ বর্ণিত। সহীহ

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن زيد بن أسلم، عن عطاء بن يسار، عن أبي سعيد الخدري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمعناه ‏.‏ قال أبو داود ورواه ابن عيينة عن زيد كما قال مالك ورواه الثوري عن زيد قال حدثني الثبت عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৬৩৭

حدثنا محمد بن عوف الطائي، حدثنا الفريابي، حدثنا سفيان، عن عمران البارقي، عن عطية، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تحل الصدقة لغني إلا في سبيل الله أو ابن السبيل أو جار فقير يتصدق عليه فيهدي لك أو يدعوك ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ورواه فراس وابن أبي ليلى عن عطية عن أبي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ‏.

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ধনী ব্যক্তির জন্য যাকাত নেয়া হালাল নয়। তবে সে আল্লাহর পথে জিহাদেরত থাকলে অথবা মুসাফির হলে অথবা দরিদ্র প্রতিবেশী প্রাপ্ত যাকাত হতে তাকে উপঢৌকনস্বরূপ কিছু দিলে অথবা তোমাকে দাওয়াত করে খাওয়ালে তা বৈধ। [১৬৩৭]

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রা:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ধনী ব্যক্তির জন্য যাকাত নেয়া হালাল নয়। তবে সে আল্লাহর পথে জিহাদেরত থাকলে অথবা মুসাফির হলে অথবা দরিদ্র প্রতিবেশী প্রাপ্ত যাকাত হতে তাকে উপঢৌকনস্বরূপ কিছু দিলে অথবা তোমাকে দাওয়াত করে খাওয়ালে তা বৈধ। [১৬৩৭]

حدثنا محمد بن عوف الطائي، حدثنا الفريابي، حدثنا سفيان، عن عمران البارقي، عن عطية، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تحل الصدقة لغني إلا في سبيل الله أو ابن السبيل أو جار فقير يتصدق عليه فيهدي لك أو يدعوك ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود ورواه فراس وابن أبي ليلى عن عطية عن أبي سعيد عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله ‏.


সুনানে আবু দাউদ > এক ব্যক্তিকে কি পরিমাণ মাল যাকাত দেয়া যায় ?

সুনানে আবু দাউদ ১৬৩৮

حدثنا الحسن بن محمد بن الصباح، حدثنا أبو نعيم، حدثني سعيد بن عبيد الطائي، عن بشير بن يسار، زعم أن رجلا، من الأنصار يقال له سهل بن أبي حثمة أخبره أن النبي صلى الله عليه وسلم وداه بمائة من إبل الصدقة - يعني دية الأنصاري الذي قتل بخيبر ‏.

বুশাইর ইবনু ইয়াসার (রহ:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ (রাঃ) নামক এক আনসারী তাকে বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দিয়াত হিসেবে একশো যাকাতের উট দান করেছেন। অর্থাৎ সেই আনসারীর দিয়াত যিনি খায়বারে নিহত হয়েছিলেন।) সহীহ : বুখারী ও মুসলিম দীর্ঘভাবে। সামনে তা আসছে (৪৫২০ নং হাদীসে)।

বুশাইর ইবনু ইয়াসার (রহ:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ (রাঃ) নামক এক আনসারী তাকে বলেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দিয়াত হিসেবে একশো যাকাতের উট দান করেছেন। অর্থাৎ সেই আনসারীর দিয়াত যিনি খায়বারে নিহত হয়েছিলেন।) সহীহ : বুখারী ও মুসলিম দীর্ঘভাবে। সামনে তা আসছে (৪৫২০ নং হাদীসে)।

حدثنا الحسن بن محمد بن الصباح، حدثنا أبو نعيم، حدثني سعيد بن عبيد الطائي، عن بشير بن يسار، زعم أن رجلا، من الأنصار يقال له سهل بن أبي حثمة أخبره أن النبي صلى الله عليه وسلم وداه بمائة من إبل الصدقة - يعني دية الأنصاري الذي قتل بخيبر ‏.


সুনানে আবু দাউদ > যে অবস্থায় যাকাত চাওয়া জায়িয

সুনানে আবু দাউদ ১৬৩৯

حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن عمير، عن زيد بن عقبة الفزاري، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ المسائل كدوح يكدح بها الرجل وجهه فمن شاء أبقى على وجهه ومن شاء ترك إلا أن يسأل الرجل ذا سلطان أو في أمر لا يجد منه بدا ‏"‏ ‏.‏

সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রা:) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ভিক্ষাবৃত্তি হচ্ছে ক্ষতবিক্ষতকারী। মানুষ এর দ্বারা স্বীয় মুখমন্ডল ক্ষতবিক্ষত করে। কাজেই যার ইচ্ছে ভিক্ষাবৃত্তি করে স্বীয় মুখকে ক্ষতবিক্ষত রাখুক। আর যে ইচ্ছে তা পরিহার করুক। তবে রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে চাওয়া কিংবা নিরুপায় হয়ে কিছু চাওয়ার বিষয়টি ভিন্ন।

সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রা:) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ভিক্ষাবৃত্তি হচ্ছে ক্ষতবিক্ষতকারী। মানুষ এর দ্বারা স্বীয় মুখমন্ডল ক্ষতবিক্ষত করে। কাজেই যার ইচ্ছে ভিক্ষাবৃত্তি করে স্বীয় মুখকে ক্ষতবিক্ষত রাখুক। আর যে ইচ্ছে তা পরিহার করুক। তবে রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে চাওয়া কিংবা নিরুপায় হয়ে কিছু চাওয়ার বিষয়টি ভিন্ন।

حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن عمير، عن زيد بن عقبة الفزاري، عن سمرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ المسائل كدوح يكدح بها الرجل وجهه فمن شاء أبقى على وجهه ومن شاء ترك إلا أن يسأل الرجل ذا سلطان أو في أمر لا يجد منه بدا ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১৬৪০

حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن هارون بن رياب، قال حدثني كنانة بن نعيم العدوي، عن قبيصة بن مخارق الهلالي، قال تحملت حمالة فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ أقم يا قبيصة حتى تأتينا الصدقة فنأمر لك بها ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ يا قبيصة إن المسألة لا تحل إلا لأحد ثلاثة رجل تحمل حمالة فحلت له المسألة فسأل حتى يصيبها ثم يمسك ورجل أصابته جائحة فاجتاحت ماله فحلت له المسألة فسأل حتى يصيب قواما من عيش ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ سدادا من عيش ‏"‏ ‏.‏ ‏"‏ ورجل أصابته فاقة حتى يقول ثلاثة من ذوي الحجا من قومه قد أصابت فلانا الفاقة فحلت له المسألة فسأل حتى يصيب قواما من عيش - أو سدادا من عيش - ثم يمسك وما سواهن من المسألة يا قبيصة سحت يأكلها صاحبها سحتا ‏"‏ ‏.

ক্বাবীসাহ ইবনু মুখারিক আল-হিলালী (রহ:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি অন্যের ঋণের জামিনদার হলাম। পরে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট গেলে তিনি বললেনঃ হে ক্বাবীসাহ ! আমাদের কাছে যাকাতের মাল আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করো। আমরা তা থেকে তোমাকে কিছু দেয়ার নির্দেশ দিবো। পরে তিনি বললেন, হে ক্বাবীসাহ ! তিন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো জন্য সওয়াল করা বৈধ নয়। (১) যে ব্যক্তি কোন ঋণের জামিনদার হয়েছে ঋণ পরিশোধ করা পর্যন্ত তার জন্য সওয়াল করা হালাল, পরিশোধ হয়ে গেলে সে বিরত থাকবে। (২) যে ব্যক্তির সমস্ত মাল আকস্মিক দুর্ঘটনায় ধ্বংস হয়ে গেছে, তার জীবন ধারণের পরিমাণ সম্পদ পাওয়া পর্যন্ত তার জন্য সওয়াল করা হালাল। (৩) যে ব্যক্তি দুর্ভিক্ষ কবলিত, এমনকি তার গোত্র-সমাজের তিনজন বিবেচক ও সুধী ব্যক্তি বলে যে, অমুক ব্যক্তি দুর্ভিক্ষ পীড়িত। তখন জীবন ধারণের পরিমাণ সম্পদ পাওয়া পর্যন্ত তার জন্য সওয়াল করা বৈধ, এরপর তা থেকে বিরত থাকবে। অতঃপর বলেন, হে ক্বাবীসাহ ! এ তিন প্রকারের লোক ছাড়া অন্যদের জন্য সওয়াল করা হারাম এবং কেউ করলে সে হারাম ভক্ষণ করলো। (১৬৪০) সহীহ : মুসলিম।

ক্বাবীসাহ ইবনু মুখারিক আল-হিলালী (রহ:) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমি অন্যের ঋণের জামিনদার হলাম। পরে আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট গেলে তিনি বললেনঃ হে ক্বাবীসাহ ! আমাদের কাছে যাকাতের মাল আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করো। আমরা তা থেকে তোমাকে কিছু দেয়ার নির্দেশ দিবো। পরে তিনি বললেন, হে ক্বাবীসাহ ! তিন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো জন্য সওয়াল করা বৈধ নয়। (১) যে ব্যক্তি কোন ঋণের জামিনদার হয়েছে ঋণ পরিশোধ করা পর্যন্ত তার জন্য সওয়াল করা হালাল, পরিশোধ হয়ে গেলে সে বিরত থাকবে। (২) যে ব্যক্তির সমস্ত মাল আকস্মিক দুর্ঘটনায় ধ্বংস হয়ে গেছে, তার জীবন ধারণের পরিমাণ সম্পদ পাওয়া পর্যন্ত তার জন্য সওয়াল করা হালাল। (৩) যে ব্যক্তি দুর্ভিক্ষ কবলিত, এমনকি তার গোত্র-সমাজের তিনজন বিবেচক ও সুধী ব্যক্তি বলে যে, অমুক ব্যক্তি দুর্ভিক্ষ পীড়িত। তখন জীবন ধারণের পরিমাণ সম্পদ পাওয়া পর্যন্ত তার জন্য সওয়াল করা বৈধ, এরপর তা থেকে বিরত থাকবে। অতঃপর বলেন, হে ক্বাবীসাহ ! এ তিন প্রকারের লোক ছাড়া অন্যদের জন্য সওয়াল করা হারাম এবং কেউ করলে সে হারাম ভক্ষণ করলো। (১৬৪০) সহীহ : মুসলিম।

حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن هارون بن رياب، قال حدثني كنانة بن نعيم العدوي، عن قبيصة بن مخارق الهلالي، قال تحملت حمالة فأتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقال ‏"‏ أقم يا قبيصة حتى تأتينا الصدقة فنأمر لك بها ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ يا قبيصة إن المسألة لا تحل إلا لأحد ثلاثة رجل تحمل حمالة فحلت له المسألة فسأل حتى يصيبها ثم يمسك ورجل أصابته جائحة فاجتاحت ماله فحلت له المسألة فسأل حتى يصيب قواما من عيش ‏"‏ ‏.‏ أو قال ‏"‏ سدادا من عيش ‏"‏ ‏.‏ ‏"‏ ورجل أصابته فاقة حتى يقول ثلاثة من ذوي الحجا من قومه قد أصابت فلانا الفاقة فحلت له المسألة فسأل حتى يصيب قواما من عيش - أو سدادا من عيش - ثم يمسك وما سواهن من المسألة يا قبيصة سحت يأكلها صاحبها سحتا ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ১৬৪১

حدثنا عبد الله بن مسلمة، أخبرنا عيسى بن يونس، عن الأخضر بن عجلان، عن أبي بكر الحنفي، عن أنس بن مالك، أن رجلا، من الأنصار أتى النبي صلى الله عليه وسلم يسأله فقال ‏"‏ أما في بيتك شىء ‏"‏ ‏.‏ قال بلى حلس نلبس بعضه ونبسط بعضه وقعب نشرب فيه من الماء ‏.‏ قال ‏"‏ ائتني بهما ‏"‏ ‏.‏ فأتاه بهما فأخذهما رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده وقال ‏"‏ من يشتري هذين ‏"‏ ‏.‏ قال رجل أنا آخذهما بدرهم ‏.‏ قال ‏"‏ من يزيد على درهم ‏"‏ ‏.‏ مرتين أو ثلاثا قال رجل أنا آخذهما بدرهمين ‏.‏ فأعطاهما إياه وأخذ الدرهمين وأعطاهما الأنصاري وقال ‏"‏ اشتر بأحدهما طعاما فانبذه إلى أهلك واشتر بالآخر قدوما فأتني به ‏"‏ ‏.‏ فأتاه به فشد فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم عودا بيده ثم قال له ‏"‏ اذهب فاحتطب وبع ولا أرينك خمسة عشر يوما ‏"‏ ‏.‏ فذهب الرجل يحتطب ويبيع فجاء وقد أصاب عشرة دراهم فاشترى ببعضها ثوبا وببعضها طعاما ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هذا خير لك من أن تجيء المسألة نكتة في وجهك يوم القيامة إن المسألة لا تصلح إلا لثلاثة لذي فقر مدقع أو لذي غرم مفظع أو لذي دم موجع ‏"‏ ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রহ:) থেকে বর্নিতঃ

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক আনসারী ব্যক্তি এসে ভিক্ষা চাইলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন : তোমার ঘরে কিছু আছে কি? সে বললো, একটি কম্বল আছে, যার কিছু অংশ আমরা পরিধান করি এবং কিছু অংশ বিছাই। একটি পাত্রও আছে, তাতে আমরা পানি পান করি। তিনি বললেন, সেগুলো আমার কাছে নিয়ে এসো, লোকটি তা নিয়ে এলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা হাতে নিয়ে বললেনঃ এ দুটি বস্তু কে কিনবে? এক ব্যক্তি বললো, আমি এগুলো এক দিরহামে নিবো। তিনি দুইবার অথবা তিনবার বললেনঃ কেউ এর অধিক মূল্য দিবে কি? আরেকজন বললো, আমি দুই দিরহামে নিতে পারি। তিনি ঐ ব্যক্তিকে তা প্রদান করে দিরহাম দু’টি নিলেন এবং ঐ আনসারীকে তা প্রদান করে বললেনঃ এক দিরহামে খাবার কিনে পরিবার-পরিজনকে দাও এবং আরেক দিরহাম দিয়ে একটি কুঠার কিনে আমার কাছে নিয়ে এসো। লোকটি তাই করলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বহস্তে তাতে একটি হাতল লাগিলে দিয়ে বললেনঃযাও, তুমি কাঠ কেটে এনে বিক্রি করো। পনের দিন যেন আমি আর তোমাকে না দেখি। লোকটি চলে গিয়ে কাঠ কেটে বিক্রি করতে লাগলো। অতঃপর সে আসলো, তখন তার নিকট দশ দিরহাম ছিলো। সে এর থেকে কিছু দিয়ে কাপড় এবং কিছু দিয়ে খাবার কিনলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ভিক্ষা করে বেড়ানোর চেয়ে এ কাজ তোমার জন্য অধিক উত্তম। কেননা ভিক্ষার কারণে ক্বিয়ামাতের দিন তোমার মুখমন্ডলে একটি বিশ্রী কালো দাগ থাকতো। ভিক্ষা করা তিন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারোর জন্য বৈধ নয়। (১) ধুলা-মলিন নিঃস্ব ভিক্ষুকের জন্য ; (২) ঋণে জর্জরিত ব্যক্তি ; (৩) যার উপর রক্তপণ আছে, অথচ সে তা পরিশোধ করতে অক্ষম। (১৬৪১)

আনাস ইবনু মালিক (রহ:) থেকে বর্নিতঃ

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক আনসারী ব্যক্তি এসে ভিক্ষা চাইলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন : তোমার ঘরে কিছু আছে কি? সে বললো, একটি কম্বল আছে, যার কিছু অংশ আমরা পরিধান করি এবং কিছু অংশ বিছাই। একটি পাত্রও আছে, তাতে আমরা পানি পান করি। তিনি বললেন, সেগুলো আমার কাছে নিয়ে এসো, লোকটি তা নিয়ে এলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা হাতে নিয়ে বললেনঃ এ দুটি বস্তু কে কিনবে? এক ব্যক্তি বললো, আমি এগুলো এক দিরহামে নিবো। তিনি দুইবার অথবা তিনবার বললেনঃ কেউ এর অধিক মূল্য দিবে কি? আরেকজন বললো, আমি দুই দিরহামে নিতে পারি। তিনি ঐ ব্যক্তিকে তা প্রদান করে দিরহাম দু’টি নিলেন এবং ঐ আনসারীকে তা প্রদান করে বললেনঃ এক দিরহামে খাবার কিনে পরিবার-পরিজনকে দাও এবং আরেক দিরহাম দিয়ে একটি কুঠার কিনে আমার কাছে নিয়ে এসো। লোকটি তাই করলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বহস্তে তাতে একটি হাতল লাগিলে দিয়ে বললেনঃযাও, তুমি কাঠ কেটে এনে বিক্রি করো। পনের দিন যেন আমি আর তোমাকে না দেখি। লোকটি চলে গিয়ে কাঠ কেটে বিক্রি করতে লাগলো। অতঃপর সে আসলো, তখন তার নিকট দশ দিরহাম ছিলো। সে এর থেকে কিছু দিয়ে কাপড় এবং কিছু দিয়ে খাবার কিনলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ ভিক্ষা করে বেড়ানোর চেয়ে এ কাজ তোমার জন্য অধিক উত্তম। কেননা ভিক্ষার কারণে ক্বিয়ামাতের দিন তোমার মুখমন্ডলে একটি বিশ্রী কালো দাগ থাকতো। ভিক্ষা করা তিন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারোর জন্য বৈধ নয়। (১) ধুলা-মলিন নিঃস্ব ভিক্ষুকের জন্য ; (২) ঋণে জর্জরিত ব্যক্তি ; (৩) যার উপর রক্তপণ আছে, অথচ সে তা পরিশোধ করতে অক্ষম। (১৬৪১)

حدثنا عبد الله بن مسلمة، أخبرنا عيسى بن يونس، عن الأخضر بن عجلان، عن أبي بكر الحنفي، عن أنس بن مالك، أن رجلا، من الأنصار أتى النبي صلى الله عليه وسلم يسأله فقال ‏"‏ أما في بيتك شىء ‏"‏ ‏.‏ قال بلى حلس نلبس بعضه ونبسط بعضه وقعب نشرب فيه من الماء ‏.‏ قال ‏"‏ ائتني بهما ‏"‏ ‏.‏ فأتاه بهما فأخذهما رسول الله صلى الله عليه وسلم بيده وقال ‏"‏ من يشتري هذين ‏"‏ ‏.‏ قال رجل أنا آخذهما بدرهم ‏.‏ قال ‏"‏ من يزيد على درهم ‏"‏ ‏.‏ مرتين أو ثلاثا قال رجل أنا آخذهما بدرهمين ‏.‏ فأعطاهما إياه وأخذ الدرهمين وأعطاهما الأنصاري وقال ‏"‏ اشتر بأحدهما طعاما فانبذه إلى أهلك واشتر بالآخر قدوما فأتني به ‏"‏ ‏.‏ فأتاه به فشد فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم عودا بيده ثم قال له ‏"‏ اذهب فاحتطب وبع ولا أرينك خمسة عشر يوما ‏"‏ ‏.‏ فذهب الرجل يحتطب ويبيع فجاء وقد أصاب عشرة دراهم فاشترى ببعضها ثوبا وببعضها طعاما ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هذا خير لك من أن تجيء المسألة نكتة في وجهك يوم القيامة إن المسألة لا تصلح إلا لثلاثة لذي فقر مدقع أو لذي غرم مفظع أو لذي دم موجع ‏"‏ ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00