সুনানে আবু দাউদ > কুরআন নির্ধারিত অংশে ভাগ করে তিলাওয়াত করা
সুনানে আবু দাউদ ১৩৯২
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، أخبرنا ابن أبي مريم، أخبرنا يحيى بن أيوب، عن ابن الهاد، قال سألني نافع بن جبير بن مطعم فقال لي في كم تقرأ القرآن فقلت ما أحزبه . فقال لي نافع لا تقل ما أحزبه فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قرأت جزءا من القرآن " . قال حسبت أنه ذكره عن المغيرة بن شعبة .
ইবনুল হাদ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নাফি‘ ইবুন জুবাইর মুত্ব‘ইম (রহঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করে বললেন, আপনি কুরআন মাজীদ কতটুকু পাঠ করেন? আমি বললাম, আমি কুরআন নির্দিষ্ট অংশে ভাগ করে পড়ি না। নাফি‘ (রহঃ) আমাকে বললেন, নির্দিষ্ট অংশে ভাগ করে পড়ি না- এরূপ বলো না। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘আমি কুরআনের একাংশ পাঠ করেছি’। তিনি (ইবনুল হাদ্) বলেন, আমার ধারণা, এ হাদীস তিনি মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।
ইবনুল হাদ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নাফি‘ ইবুন জুবাইর মুত্ব‘ইম (রহঃ) আমাকে জিজ্ঞেস করে বললেন, আপনি কুরআন মাজীদ কতটুকু পাঠ করেন? আমি বললাম, আমি কুরআন নির্দিষ্ট অংশে ভাগ করে পড়ি না। নাফি‘ (রহঃ) আমাকে বললেন, নির্দিষ্ট অংশে ভাগ করে পড়ি না- এরূপ বলো না। কেননা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ‘আমি কুরআনের একাংশ পাঠ করেছি’। তিনি (ইবনুল হাদ্) বলেন, আমার ধারণা, এ হাদীস তিনি মুগীরাহ্ ইবনু শু’বাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، أخبرنا ابن أبي مريم، أخبرنا يحيى بن أيوب، عن ابن الهاد، قال سألني نافع بن جبير بن مطعم فقال لي في كم تقرأ القرآن فقلت ما أحزبه . فقال لي نافع لا تقل ما أحزبه فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قرأت جزءا من القرآن " . قال حسبت أنه ذكره عن المغيرة بن شعبة .
সুনানে আবু দাউদ ১৩৯৪
حدثنا محمد بن المنهال، أخبرنا يزيد بن زريع، أخبرنا سعيد، عن قتادة، عن أبي العلاء، يزيد بن عبد الله بن الشخير عن عبد الله، - يعني ابن عمرو - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يفقه من قرأ القرآن في أقل من ثلاث " .
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তিন দিনের কম সময়ে কুরআন খতম করেছে, সে কিছুই হৃদয়ঙ্গম করতে পারেনি।
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তিন দিনের কম সময়ে কুরআন খতম করেছে, সে কিছুই হৃদয়ঙ্গম করতে পারেনি।
حدثنا محمد بن المنهال، أخبرنا يزيد بن زريع، أخبرنا سعيد، عن قتادة، عن أبي العلاء، يزيد بن عبد الله بن الشخير عن عبد الله، - يعني ابن عمرو - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا يفقه من قرأ القرآن في أقل من ثلاث " .
সুনানে আবু দাউদ ১৩৯৫
حدثنا نوح بن حبيب، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن سماك بن الفضل، عن وهب بن منبه، عن عبد الله بن عمرو، أنه سأل النبي صلى الله عليه وسلم في كم يقرأ القرآن قال " في أربعين يوما " . ثم قال " في شهر " . ثم قال " في عشرين " . ثم قال " في خمس عشرة " . ثم قال " في عشر " . ثم قال " في سبع " . لم ينزل من سبع .
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কুরআন খতমের সময়সীমা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ চল্লিশ দিনে। অতঃপর বলেনঃ এক মাসে, অতঃপর বলেনঃ বিশ দিনে, অতঃপর বলেনঃ পনের দিনে, অতঃপর বলেনঃ দশ দিনে, সর্বশেষে বলেন, সাত দিনে। আর তিনি সাত দিনের কম উল্লেখ করেননি। সহীহ্ : তবে “সাত দিনের কমে” কথাটি শায। পূর্বের (১৩৯১ নং) হাদীসের এ কথাটির কারণে : “তাহলে তিন দিনে খতম করবে।”
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কুরআন খতমের সময়সীমা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ চল্লিশ দিনে। অতঃপর বলেনঃ এক মাসে, অতঃপর বলেনঃ বিশ দিনে, অতঃপর বলেনঃ পনের দিনে, অতঃপর বলেনঃ দশ দিনে, সর্বশেষে বলেন, সাত দিনে। আর তিনি সাত দিনের কম উল্লেখ করেননি। সহীহ্ : তবে “সাত দিনের কমে” কথাটি শায। পূর্বের (১৩৯১ নং) হাদীসের এ কথাটির কারণে : “তাহলে তিন দিনে খতম করবে।”
حدثنا نوح بن حبيب، أخبرنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن سماك بن الفضل، عن وهب بن منبه، عن عبد الله بن عمرو، أنه سأل النبي صلى الله عليه وسلم في كم يقرأ القرآن قال " في أربعين يوما " . ثم قال " في شهر " . ثم قال " في عشرين " . ثم قال " في خمس عشرة " . ثم قال " في عشر " . ثم قال " في سبع " . لم ينزل من سبع .
সুনানে আবু দাউদ ১৩৯৮
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرنا عمرو، أن أبا سوية، حدثه أنه، سمع ابن حجيرة، يخبر عن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قام بعشر آيات لم يكتب من الغافلين ومن قام بمائة آية كتب من القانتين ومن قام بألف آية كتب من المقنطرين " . قال أبو داود ابن حجيرة الأصغر عبد الله بن عبد الرحمن بن حجيرة .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতের সলাতে দশটি আয়াত তিলাওয়াত করবে, তার নাম গাফিলদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে না। আর যে ব্যক্তি (রাতের) সলাতে এক শত আয়াত পাঠ করবে, তার নাম অনুগত বান্দাদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে। যে ব্যক্তি সলাতে দাঁড়িয়ে এক হাজার আয়াত তিলাওয়াত করবে, তাকে অফুরন্ত পুরস্কার প্রাপ্তদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে।
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতের সলাতে দশটি আয়াত তিলাওয়াত করবে, তার নাম গাফিলদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে না। আর যে ব্যক্তি (রাতের) সলাতে এক শত আয়াত পাঠ করবে, তার নাম অনুগত বান্দাদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে। যে ব্যক্তি সলাতে দাঁড়িয়ে এক হাজার আয়াত তিলাওয়াত করবে, তাকে অফুরন্ত পুরস্কার প্রাপ্তদের তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হবে।
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرنا عمرو، أن أبا سوية، حدثه أنه، سمع ابن حجيرة، يخبر عن عبد الله بن عمرو بن العاص، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قام بعشر آيات لم يكتب من الغافلين ومن قام بمائة آية كتب من القانتين ومن قام بألف آية كتب من المقنطرين " . قال أبو داود ابن حجيرة الأصغر عبد الله بن عبد الرحمن بن حجيرة .
সুনানে আবু দাউদ ১৩৯৬
حدثنا عباد بن موسى، أخبرنا إسماعيل بن جعفر، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن علقمة، والأسود، قالا أتى ابن مسعود رجل فقال إني أقرأ المفصل في ركعة . فقال أهذا كهذ الشعر ونثرا كنثر الدقل لكن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقرأ النظائر السورتين في ركعة الرحمن والنجم في ركعة واقتربت والحاقة في ركعة والطور والذاريات في ركعة وإذا وقعت ون في ركعة وسأل سائل والنازعات في ركعة وويل للمطففين وعبس في ركعة والمدثر والمزمل في ركعة وهل أتى ولا أقسم بيوم القيامة في ركعة . وعم يتساءلون والمرسلات في ركعة والدخان وإذا الشمس كورت في ركعة . قال أبو داود هذا تأليف ابن مسعود رحمه الله .
‘আলক্বামাহ ও আল-আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা উভয়ে বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর নিকটে এসে বললো, আমি মুফাস্সাল সূরাহগুলো (সূরাহ হুজরাত থেকে সূরাহ নাস পর্যন্ত) এক রাক‘আতেই পাঠ করে থাকি। তিনি বললেন, এটা তো (খুবই দ্রুত তিলাওয়াত) কবিতা পাঠের অনুরূপ কিংবা গাছ থেকে শুকনো পাতা ঝরে পড়ার মতই। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সমান দৈর্ঘ্যের দু‘টি সূরাহ একত্রে এক রাক‘আতে তিলাওয়াত করতেন। যেমন, সূরাহ আন-নাজ্ম ও আর-রাহমান এক রাক‘আতে এবং ওয়াকতারাবাত ও আল-হাক্কাহ আরেক রাক‘আতে। সূরাহ আত-তূর ও ওয়ায্-যারিয়াত এক রাক‘আতে এবং সূরাহ ইযা ওয়াক্ব‘আত ও সূরাহ নূন অপর রাক‘আতে। সাআলা সায়িলুন ও ওয়ান-নাযিআতি এক রাক‘আতে, ওয়াইলুল্লিল মুতাফ্ফিফিন ও ‘আবাসা আরেক রাক‘আতে। আল-মুদ্দাসির ও আল-মুয্যাম্মিল এক রাক‘আতে এবং হাল আতা ও লা উক্বসিমু বি-ইয়াওমিল ক্বিয়ামাহ্ অপর রাক‘আতে, ‘আম্মা ইয়াতাসাআলুন ও ওয়াল-মুরসিলাত এক রাক‘আতে এবং আদ্-দুখান ও ইযাশ-শামসু কুব্বিরাত অপর রাক‘আতে। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, কুরআনের সূরাহগুলোর এ তারতীব ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
‘আলক্বামাহ ও আল-আসওয়াদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা উভয়ে বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর নিকটে এসে বললো, আমি মুফাস্সাল সূরাহগুলো (সূরাহ হুজরাত থেকে সূরাহ নাস পর্যন্ত) এক রাক‘আতেই পাঠ করে থাকি। তিনি বললেন, এটা তো (খুবই দ্রুত তিলাওয়াত) কবিতা পাঠের অনুরূপ কিংবা গাছ থেকে শুকনো পাতা ঝরে পড়ার মতই। অথচ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সমান দৈর্ঘ্যের দু‘টি সূরাহ একত্রে এক রাক‘আতে তিলাওয়াত করতেন। যেমন, সূরাহ আন-নাজ্ম ও আর-রাহমান এক রাক‘আতে এবং ওয়াকতারাবাত ও আল-হাক্কাহ আরেক রাক‘আতে। সূরাহ আত-তূর ও ওয়ায্-যারিয়াত এক রাক‘আতে এবং সূরাহ ইযা ওয়াক্ব‘আত ও সূরাহ নূন অপর রাক‘আতে। সাআলা সায়িলুন ও ওয়ান-নাযিআতি এক রাক‘আতে, ওয়াইলুল্লিল মুতাফ্ফিফিন ও ‘আবাসা আরেক রাক‘আতে। আল-মুদ্দাসির ও আল-মুয্যাম্মিল এক রাক‘আতে এবং হাল আতা ও লা উক্বসিমু বি-ইয়াওমিল ক্বিয়ামাহ্ অপর রাক‘আতে, ‘আম্মা ইয়াতাসাআলুন ও ওয়াল-মুরসিলাত এক রাক‘আতে এবং আদ্-দুখান ও ইযাশ-শামসু কুব্বিরাত অপর রাক‘আতে। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, কুরআনের সূরাহগুলোর এ তারতীব ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا عباد بن موسى، أخبرنا إسماعيل بن جعفر، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن علقمة، والأسود، قالا أتى ابن مسعود رجل فقال إني أقرأ المفصل في ركعة . فقال أهذا كهذ الشعر ونثرا كنثر الدقل لكن النبي صلى الله عليه وسلم كان يقرأ النظائر السورتين في ركعة الرحمن والنجم في ركعة واقتربت والحاقة في ركعة والطور والذاريات في ركعة وإذا وقعت ون في ركعة وسأل سائل والنازعات في ركعة وويل للمطففين وعبس في ركعة والمدثر والمزمل في ركعة وهل أتى ولا أقسم بيوم القيامة في ركعة . وعم يتساءلون والمرسلات في ركعة والدخان وإذا الشمس كورت في ركعة . قال أبو داود هذا تأليف ابن مسعود رحمه الله .
সুনানে আবু দাউদ ১৩৯৯
حدثنا يحيى بن موسى البلخي، وهارون بن عبد الله، قالا أخبرنا عبد الله بن يزيد، أخبرنا سعيد بن أبي أيوب، حدثني عياش بن عباس القتباني، عن عيسى بن هلال الصدفي، عن عبد الله بن عمرو، قال أتى رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أقرئني يا رسول الله . فقال " اقرأ ثلاثا من ذوات الراء " . فقال كبرت سني واشتد قلبي وغلظ لساني . قال " فاقرأ ثلاثا من ذوات حم " . فقال مثل مقالته . فقال " اقرأ ثلاثا من المسبحات " . فقال مثل مقالته فقال الرجل يا رسول الله أقرئني سورة جامعة . فأقرأه النبي صلى الله عليه وسلم { إذا زلزلت الأرض } حتى فرغ منها . فقال الرجل والذي بعثك بالحق لا أزيد عليها أبدا ثم أدبر الرجل فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أفلح الرويجل " . مرتين .
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে কুরআন পড়া শিখান। তিনি বললেন, ‘আলিফ-লাম-রা’ বিশিষ্ট তিনটি সূরাহ পাঠ করো। সে বললো, আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি, আমার অন্তর শক্ত হয়ে গেছে এবং আমার জিহ্বা ভারী হয়ে গেছে। তিনি বললেনঃ তাহলে ‘হা-মীম’ বিশিষ্ট তিনটি সূরাহ পাঠ করো। সে পূর্বের ন্যায় উক্তি করলো। অতঃপর তিনি বললেনঃ এমন তিনটি সূরাহ পাঠ করো যেগুলোর শুরুতে ‘সাব্বাহা’ বা ‘ইউসাব্বিহু’ আছে। সে এবারও অনুরুপ উক্তি করে বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে এমন একটি সূরাহ শিক্ষা দিন যা সর্বদিক হতে পরিপূর্ণ। সুতরাং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে সূরাহ “ইযা যুলযিলাতিল আরদু যিলযালাহা” শেষ পর্যন্ত পাঠ করালেন। লোকটি বললো, ঐ সত্ত্বার শপথ! যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন! আমি এর অতিরিক্ত করবো না। অতঃপর লোকটি চলে গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ লোকটি সফলকাম হয়েছে, লোকটি কামিয়াব হয়েছে। [১৩৯৯]
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে কুরআন পড়া শিখান। তিনি বললেন, ‘আলিফ-লাম-রা’ বিশিষ্ট তিনটি সূরাহ পাঠ করো। সে বললো, আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি, আমার অন্তর শক্ত হয়ে গেছে এবং আমার জিহ্বা ভারী হয়ে গেছে। তিনি বললেনঃ তাহলে ‘হা-মীম’ বিশিষ্ট তিনটি সূরাহ পাঠ করো। সে পূর্বের ন্যায় উক্তি করলো। অতঃপর তিনি বললেনঃ এমন তিনটি সূরাহ পাঠ করো যেগুলোর শুরুতে ‘সাব্বাহা’ বা ‘ইউসাব্বিহু’ আছে। সে এবারও অনুরুপ উক্তি করে বললো, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে এমন একটি সূরাহ শিক্ষা দিন যা সর্বদিক হতে পরিপূর্ণ। সুতরাং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে সূরাহ “ইযা যুলযিলাতিল আরদু যিলযালাহা” শেষ পর্যন্ত পাঠ করালেন। লোকটি বললো, ঐ সত্ত্বার শপথ! যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন! আমি এর অতিরিক্ত করবো না। অতঃপর লোকটি চলে গেলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ লোকটি সফলকাম হয়েছে, লোকটি কামিয়াব হয়েছে। [১৩৯৯]
حدثنا يحيى بن موسى البلخي، وهارون بن عبد الله، قالا أخبرنا عبد الله بن يزيد، أخبرنا سعيد بن أبي أيوب، حدثني عياش بن عباس القتباني، عن عيسى بن هلال الصدفي، عن عبد الله بن عمرو، قال أتى رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال أقرئني يا رسول الله . فقال " اقرأ ثلاثا من ذوات الراء " . فقال كبرت سني واشتد قلبي وغلظ لساني . قال " فاقرأ ثلاثا من ذوات حم " . فقال مثل مقالته . فقال " اقرأ ثلاثا من المسبحات " . فقال مثل مقالته فقال الرجل يا رسول الله أقرئني سورة جامعة . فأقرأه النبي صلى الله عليه وسلم { إذا زلزلت الأرض } حتى فرغ منها . فقال الرجل والذي بعثك بالحق لا أزيد عليها أبدا ثم أدبر الرجل فقال النبي صلى الله عليه وسلم " أفلح الرويجل " . مرتين .
সুনানে আবু দাউদ ১৩৯৩
حدثنا مسدد، أخبرنا قران بن تمام، ح وحدثنا عبد الله بن سعيد، أخبرنا أبو خالد، - وهذا لفظه - عن عبد الله بن عبد الرحمن بن يعلى، عن عثمان بن عبد الله بن أوس، عن جده، - قال عبد الله بن سعيد في حديثه أوس بن حذيفة - قال قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم في وفد ثقيف - قال - فنزلت الأحلاف على المغيرة بن شعبة وأنزل رسول الله صلى الله عليه وسلم بني مالك في قبة له . قال مسدد وكان في الوفد الذين قدموا على رسول الله صلى الله عليه وسلم من ثقيف قال كان كل ليلة يأتينا بعد العشاء يحدثنا . قال أبو سعيد قائما على رجليه حتى يراوح بين رجليه من طول القيام وأكثر ما يحدثنا ما لقي من قومه من قريش ثم يقول لا سواء كنا مستضعفين مستذلين - قال مسدد بمكة - فلما خرجنا إلى المدينة كانت سجال الحرب بيننا وبينهم ندال عليهم ويدالون علينا فلما كانت ليلة أبطأ عن الوقت الذي كان يأتينا فيه فقلنا لقد أبطأت عنا الليلة . قال إنه طرأ على جزئي من القرآن فكرهت أن أجيء حتى أتمه . قال أوس سألت أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف يحزبون القرآن قالوا ثلاث وخمس وسبع وتسع وإحدى عشرة وثلاث عشرة وحزب المفصل وحده . قال أبو داود وحديث أبي سعيد أتم .
আওস ইবনু হুযাইফাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা বনু সাক্বীফ গোত্রের একটি প্রতিনিধি দল সহ আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাই। তিনি বলেন, মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহর সাথে চুক্তিবদ্ধ লোকেরা তার মেহমান হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনু মালিককে তাঁর এক তাঁবুতে স্থান দিলেন। মুসাদ্দাদের বর্ণনায় রয়েছে : বনু সাক্বীফের যে প্রতিনিধি দল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এসেছিল তাদের মধ্যে আওস ইবনু হুযাইফাহ্ও ছিলেন। তিনি বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক রাতে ‘ইশার সলাতের পর আমাদের কাছে এসে আমাদের সাথে কথাবার্তা বলতেন। আবু সাঈদের বর্ণনায় আছে : তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় কথাবার্তা বলতেন এবং (দীর্ঘক্ষণ) দাঁড়ানোর কারণে কখনো এক পায়ের উপর দাঁড়াতেন এবং কখনো আরেক পায়ের উপর। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিকাংশ সময় আমাদেরকে তাঁর কুরাইশ সম্প্রদায়ের পক্ষ হতে তাঁর উপর চালানো নির্যাতনের কথা শুনাতেন এবং বলতেন : আমরা ও তারা সমপর্যায়ের ছিলাম না, বরং মক্কায় আমরা ছিলাম অসহায় ও দূর্বল। অতঃপর আমরা মদিনায় চলে আসার পর যুদ্ধের পাল্লা কখনো আমাদের ও কখনো তাদের মধ্যে পরিবর্তিত হতে থাকে। কখনো আমরা তাদের উপর বিজয়ী হতাম আবার কখনো তারা আমাদের উপর বিজয়ী হতো। এক রাতে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে তাঁর আসার নির্দিষ্ট সময় থেকে অনেক দেরীতে আসলেন। আমরা বললাম, আপনি তো আজ রাতে আমাদের কাছে আসতে অনেক দেরী করেছেন। তিনি বললেনঃ কুরআনের যে নির্ধারিত অংশ আমি নিয়মিত তিলাওয়াত করি, তা শেষ না করে এখানে আসা আমি পছন্দ করিনি। আওস (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সাথীদের জিজ্ঞেস করি, প্রতিদিন আপনারা কিভাবে কুরআনকে ভাগ করে পড়েন? তারা বললেন, তিন সূরাহ, পাঁচ সূরাহ্, সাত সূরাহ্, নয় সূরাহ, এগার সূরাহ, তের সূরাহ এবং এককভাবে মুফাস্সাল সূরাহ্ সমূহ (অর্থাৎ সাত দিনে কুরআন খতম করি)। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, আবু সাঈদের হাদীস পরিপূর্ণ। [১৩৯৩]
আওস ইবনু হুযাইফাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা বনু সাক্বীফ গোত্রের একটি প্রতিনিধি দল সহ আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে যাই। তিনি বলেন, মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহর সাথে চুক্তিবদ্ধ লোকেরা তার মেহমান হলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বনু মালিককে তাঁর এক তাঁবুতে স্থান দিলেন। মুসাদ্দাদের বর্ণনায় রয়েছে : বনু সাক্বীফের যে প্রতিনিধি দল রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এসেছিল তাদের মধ্যে আওস ইবনু হুযাইফাহ্ও ছিলেন। তিনি বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক রাতে ‘ইশার সলাতের পর আমাদের কাছে এসে আমাদের সাথে কথাবার্তা বলতেন। আবু সাঈদের বর্ণনায় আছে : তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দাঁড়ানো অবস্থায় কথাবার্তা বলতেন এবং (দীর্ঘক্ষণ) দাঁড়ানোর কারণে কখনো এক পায়ের উপর দাঁড়াতেন এবং কখনো আরেক পায়ের উপর। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অধিকাংশ সময় আমাদেরকে তাঁর কুরাইশ সম্প্রদায়ের পক্ষ হতে তাঁর উপর চালানো নির্যাতনের কথা শুনাতেন এবং বলতেন : আমরা ও তারা সমপর্যায়ের ছিলাম না, বরং মক্কায় আমরা ছিলাম অসহায় ও দূর্বল। অতঃপর আমরা মদিনায় চলে আসার পর যুদ্ধের পাল্লা কখনো আমাদের ও কখনো তাদের মধ্যে পরিবর্তিত হতে থাকে। কখনো আমরা তাদের উপর বিজয়ী হতাম আবার কখনো তারা আমাদের উপর বিজয়ী হতো। এক রাতে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের কাছে তাঁর আসার নির্দিষ্ট সময় থেকে অনেক দেরীতে আসলেন। আমরা বললাম, আপনি তো আজ রাতে আমাদের কাছে আসতে অনেক দেরী করেছেন। তিনি বললেনঃ কুরআনের যে নির্ধারিত অংশ আমি নিয়মিত তিলাওয়াত করি, তা শেষ না করে এখানে আসা আমি পছন্দ করিনি। আওস (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সাথীদের জিজ্ঞেস করি, প্রতিদিন আপনারা কিভাবে কুরআনকে ভাগ করে পড়েন? তারা বললেন, তিন সূরাহ, পাঁচ সূরাহ্, সাত সূরাহ্, নয় সূরাহ, এগার সূরাহ, তের সূরাহ এবং এককভাবে মুফাস্সাল সূরাহ্ সমূহ (অর্থাৎ সাত দিনে কুরআন খতম করি)। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, আবু সাঈদের হাদীস পরিপূর্ণ। [১৩৯৩]
حدثنا مسدد، أخبرنا قران بن تمام، ح وحدثنا عبد الله بن سعيد، أخبرنا أبو خالد، - وهذا لفظه - عن عبد الله بن عبد الرحمن بن يعلى، عن عثمان بن عبد الله بن أوس، عن جده، - قال عبد الله بن سعيد في حديثه أوس بن حذيفة - قال قدمنا على رسول الله صلى الله عليه وسلم في وفد ثقيف - قال - فنزلت الأحلاف على المغيرة بن شعبة وأنزل رسول الله صلى الله عليه وسلم بني مالك في قبة له . قال مسدد وكان في الوفد الذين قدموا على رسول الله صلى الله عليه وسلم من ثقيف قال كان كل ليلة يأتينا بعد العشاء يحدثنا . قال أبو سعيد قائما على رجليه حتى يراوح بين رجليه من طول القيام وأكثر ما يحدثنا ما لقي من قومه من قريش ثم يقول لا سواء كنا مستضعفين مستذلين - قال مسدد بمكة - فلما خرجنا إلى المدينة كانت سجال الحرب بيننا وبينهم ندال عليهم ويدالون علينا فلما كانت ليلة أبطأ عن الوقت الذي كان يأتينا فيه فقلنا لقد أبطأت عنا الليلة . قال إنه طرأ على جزئي من القرآن فكرهت أن أجيء حتى أتمه . قال أوس سألت أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف يحزبون القرآن قالوا ثلاث وخمس وسبع وتسع وإحدى عشرة وثلاث عشرة وحزب المفصل وحده . قال أبو داود وحديث أبي سعيد أتم .
সুনানে আবু দাউদ ১৩৯৭
حدثنا حفص بن عمر، أخبرنا شعبة، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال سألت أبا مسعود وهو يطوف بالبيت فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قرأ الآيتين من آخر سورة البقرة في ليلة كفتاه " .
আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আবূ মাসঊদ (রাঃ) বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করছিলেন, এমন সময় আমি তাকে কুরআন পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতে সূরাহ বাক্বারাহর শেষ আয়াত দু‘টি পাঠ করবে, সেটা তার জন্য যথেষ্ট হবে। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা আবূ মাসঊদ (রাঃ) বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করছিলেন, এমন সময় আমি তাকে কুরআন পাঠ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাতে সূরাহ বাক্বারাহর শেষ আয়াত দু‘টি পাঠ করবে, সেটা তার জন্য যথেষ্ট হবে। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا حفص بن عمر، أخبرنا شعبة، عن منصور، عن إبراهيم، عن عبد الرحمن بن يزيد، قال سألت أبا مسعود وهو يطوف بالبيت فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قرأ الآيتين من آخر سورة البقرة في ليلة كفتاه " .
সুনানে আবু দাউদ > আয়াতের সংখ্যা সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ১৪০০
حدثنا عمرو بن مرزوق، أخبرنا شعبة، أخبرنا قتادة، عن عباس الجشمي، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " سورة من القرآن ثلاثون آية تشفع لصاحبها حتى يغفر له { تبارك الذي بيده الملك } " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুরআনে তিরিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি সূরাহ রয়েছে। সূরাহটি তার পাঠকের জন্য সুপারিশ করবে, শেষ পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। সূরাহটি হচ্ছে ‘তাবারকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুল্ক’। [১৪০০]
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কুরআনে তিরিশ আয়াতবিশিষ্ট একটি সূরাহ রয়েছে। সূরাহটি তার পাঠকের জন্য সুপারিশ করবে, শেষ পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। সূরাহটি হচ্ছে ‘তাবারকাল্লাযী বিয়াদিহিল মুল্ক’। [১৪০০]
حدثنا عمرو بن مرزوق، أخبرنا شعبة، أخبرنا قتادة، عن عباس الجشمي، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " سورة من القرآن ثلاثون آية تشفع لصاحبها حتى يغفر له { تبارك الذي بيده الملك } " .