সুনানে আবু দাউদ > ‘ইশার ফার্য সলাতের পর নাফ্ল সলাত
সুনানে আবু দাউদ ১৩০৩
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا زيد بن الحباب العكلي، حدثني مالك بن مغول، حدثني مقاتل بن بشير العجلي، عن شريح بن هانئ، عن عائشة، - رضى الله عنها - قال سألتها عن صلاة، رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت ما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم العشاء قط فدخل على إلا صلى أربع ركعات أو ست ركعات ولقد مطرنا مرة بالليل فطرحنا له نطعا فكأني أنظر إلى ثقب فيه ينبع الماء منه وما رأيته متقيا الأرض بشىء من ثيابه قط .
শুরাইহ ইবনু হানী (রহঃ) হতে ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি (শুরাইহ) বলেন, আমি তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সলাত সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘ইশার ফার্য সলাত আদায়ের পর আমার ঘরে আসলে অবশ্যই চার কিংবা ছয় রাক’আত সলাত আদায় করতেন। একদা রাতে আমাদের এখানে বৃষ্টি হওয়ায় আমরা তাঁর জন্য চামড়া বিছিয়ে দেই। আমি যেন এখন চাক্ষুস দেখছি যে, খেজুর পাতার চালনির ছিদ্র দিয়ে পানি গড়ে পড়ছে। আমি তাঁকে কখনো কোন কাপড় দিয়ে মাটি হতে রক্ষা করতে দেখিনি। [১৩০৩]
শুরাইহ ইবনু হানী (রহঃ) হতে ‘আয়িশাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি (শুরাইহ) বলেন, আমি তাকে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সলাত সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘ইশার ফার্য সলাত আদায়ের পর আমার ঘরে আসলে অবশ্যই চার কিংবা ছয় রাক’আত সলাত আদায় করতেন। একদা রাতে আমাদের এখানে বৃষ্টি হওয়ায় আমরা তাঁর জন্য চামড়া বিছিয়ে দেই। আমি যেন এখন চাক্ষুস দেখছি যে, খেজুর পাতার চালনির ছিদ্র দিয়ে পানি গড়ে পড়ছে। আমি তাঁকে কখনো কোন কাপড় দিয়ে মাটি হতে রক্ষা করতে দেখিনি। [১৩০৩]
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا زيد بن الحباب العكلي، حدثني مالك بن مغول، حدثني مقاتل بن بشير العجلي، عن شريح بن هانئ، عن عائشة، - رضى الله عنها - قال سألتها عن صلاة، رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت ما صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم العشاء قط فدخل على إلا صلى أربع ركعات أو ست ركعات ولقد مطرنا مرة بالليل فطرحنا له نطعا فكأني أنظر إلى ثقب فيه ينبع الماء منه وما رأيته متقيا الأرض بشىء من ثيابه قط .
সুনানে আবু দাউদ > তাহাজ্জুদ সলাতের বাধ্যবাধকতা রহিত করে শিথিল করা হয়েছে
সুনানে আবু দাউদ ১৩০৫
حدثنا أحمد بن محمد، - يعني المروزي - حدثنا وكيع، عن مسعر، عن سماك الحنفي، عن ابن عباس، قال لما نزلت أول المزمل كانوا يقومون نحوا من قيامهم في شهر رمضان حتى نزل آخرها وكان بين أولها وآخرها سنة .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সূরাহ মুয্যাম্মিলের প্রথমাংশ অবতীর্ণ হলে মুসলিমরা রমাযান মাসের ন্যায় রাতে দীর্ঘ ক্বিয়াম (সলাত আদায়) করতে লাগলেন। অতঃপর এ সূরাহ্র শেষাংশ অবতীর্ণ হয়। এ সুরাহ্র প্রথম ও শেষাংশ অবতীর্ণের মধ্যে এক বছরের ব্যবধান ছিল।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, সূরাহ মুয্যাম্মিলের প্রথমাংশ অবতীর্ণ হলে মুসলিমরা রমাযান মাসের ন্যায় রাতে দীর্ঘ ক্বিয়াম (সলাত আদায়) করতে লাগলেন। অতঃপর এ সূরাহ্র শেষাংশ অবতীর্ণ হয়। এ সুরাহ্র প্রথম ও শেষাংশ অবতীর্ণের মধ্যে এক বছরের ব্যবধান ছিল।
حدثنا أحمد بن محمد، - يعني المروزي - حدثنا وكيع، عن مسعر، عن سماك الحنفي، عن ابن عباس، قال لما نزلت أول المزمل كانوا يقومون نحوا من قيامهم في شهر رمضان حتى نزل آخرها وكان بين أولها وآخرها سنة .
সুনানে আবু দাউদ ১৩০৪
حدثنا أحمد بن محمد المروزي ابن شبوية، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال في المزمل { قم الليل إلا قليلا * نصفه } نسختها الآية التي فيها { علم أن لن تحصوه فتاب عليكم فاقرءوا ما تيسر من القرآن } وناشئة الليل أوله وكانت صلاتهم لأول الليل يقول هو أجدر أن تحصوا ما فرض الله عليكم من قيام الليل وذلك أن الإنسان إذا نام لم يدر متى يستيقظ وقوله { أقوم قيلا } هو أجدر أن يفقه في القرآن وقوله { إن لك في النهار سبحا طويلا } يقول فراغا طويلا .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সূরাহ মুয্যাম্মিল সম্পর্কে বলেন, আল্লাহর বাণীঃ “কুমিল লায়লাহ ইল্লা ক্বালীলান নিসফাহু” (অর্থঃ আপনি রাতের কিছু অংশ ব্যতীত সারা রাত আল্লাহর ‘ইবাদাতে দাঁড়িয়ে থাকুন)। অতঃপর এর পরবর্তী আয়াতটি এ নির্দেশকে রহিত করেঃ “আলিমা আন লান তুহ্সূহু ফাতাবা ‘আলাইকুম ফাক্বরাউ মা তাইয়াস্সারা মিনাল কুরআন। ” (অর্থঃ তিনি খুব ভাল করেই জানেন যে, তা করা তোমাদের পক্ষে অসম্ভব। তাই তিনি তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। সুতরাং এখন তোমরা কুরআনের যতটুকু পাঠ করা সম্ভব ততটুকুই পড়ো) এবং রাতের প্রথামাংশ। তাদের সলাত রাতের প্রথমভাগেই হয়ে থাকতো। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, কাজেই আল্লাহ তোমাদের উপর যেটুকু রাতের ইবাদত ফরয করেছেন তা সঠিকভাবে আদায় করো। কেননা মানুষ ঘুমিয়ে গেলে কখন সে জাগ্রত হবে তা বলতে পারে না। আল্লাহর বাণীঃ “আকওয়ামু কীলা” –অর্থ হচ্ছে কুরআনকে অনুধাবন করার অধিক যোগ্য। আল্লাহর বাণীঃ “ইন্না লাকা ফিন নাহারি সাবহান তাবীলা” এর অর্থ হচ্ছে, আপনি দিনের বেলায় বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকেন।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি সূরাহ মুয্যাম্মিল সম্পর্কে বলেন, আল্লাহর বাণীঃ “কুমিল লায়লাহ ইল্লা ক্বালীলান নিসফাহু” (অর্থঃ আপনি রাতের কিছু অংশ ব্যতীত সারা রাত আল্লাহর ‘ইবাদাতে দাঁড়িয়ে থাকুন)। অতঃপর এর পরবর্তী আয়াতটি এ নির্দেশকে রহিত করেঃ “আলিমা আন লান তুহ্সূহু ফাতাবা ‘আলাইকুম ফাক্বরাউ মা তাইয়াস্সারা মিনাল কুরআন। ” (অর্থঃ তিনি খুব ভাল করেই জানেন যে, তা করা তোমাদের পক্ষে অসম্ভব। তাই তিনি তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। সুতরাং এখন তোমরা কুরআনের যতটুকু পাঠ করা সম্ভব ততটুকুই পড়ো) এবং রাতের প্রথামাংশ। তাদের সলাত রাতের প্রথমভাগেই হয়ে থাকতো। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, কাজেই আল্লাহ তোমাদের উপর যেটুকু রাতের ইবাদত ফরয করেছেন তা সঠিকভাবে আদায় করো। কেননা মানুষ ঘুমিয়ে গেলে কখন সে জাগ্রত হবে তা বলতে পারে না। আল্লাহর বাণীঃ “আকওয়ামু কীলা” –অর্থ হচ্ছে কুরআনকে অনুধাবন করার অধিক যোগ্য। আল্লাহর বাণীঃ “ইন্না লাকা ফিন নাহারি সাবহান তাবীলা” এর অর্থ হচ্ছে, আপনি দিনের বেলায় বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকেন।
حدثنا أحمد بن محمد المروزي ابن شبوية، حدثني علي بن حسين، عن أبيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال في المزمل { قم الليل إلا قليلا * نصفه } نسختها الآية التي فيها { علم أن لن تحصوه فتاب عليكم فاقرءوا ما تيسر من القرآن } وناشئة الليل أوله وكانت صلاتهم لأول الليل يقول هو أجدر أن تحصوا ما فرض الله عليكم من قيام الليل وذلك أن الإنسان إذا نام لم يدر متى يستيقظ وقوله { أقوم قيلا } هو أجدر أن يفقه في القرآن وقوله { إن لك في النهار سبحا طويلا } يقول فراغا طويلا .
সুনানে আবু দাউদ > ক্বিয়ামুল লাইল
সুনানে আবু দাউদ ১৩০৬
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يعقد الشيطان على قافية رأس أحدكم إذا هو نام ثلاث عقد يضرب مكان كل عقدة عليك ليل طويل فارقد فإن استيقظ فذكر الله انحلت عقدة فإن توضأ انحلت عقدة فإن صلى انحلت عقدة فأصبح نشيطا طيب النفس وإلا أصبح خبيث النفس كسلان " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন শাইত্বান তাঁর মাথার পিছনে তিনটি গিরা দেয় এবং প্রতিটি গিরা দেয়ার সময় বলে, আরো ঘুমাও, রাত এখনো অনেক বাকী। যদি ঐ ব্যক্তি সজাগ হয়ে আল্লাহর যিকির করে, তখন একটি গিরা খুলে যায়। যদি সে উযু করে হলে আরেকটি গিরা খুলে যায় এবং যদি সে সলাত আদায় করে, তাহলে শেষ গিরাও খুলে যায়। ফলে ঐ ব্যক্তি সতেজ ও উৎফুল্লতা নিয়ে সকাল করে। (আর এরূপ না করে ঘুমিয়ে থাকলে) সে অলসতা ও মন্দ মন নিয়ে সকাল করবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ তোমাদের কেউ যখন ঘুমিয়ে পড়ে তখন শাইত্বান তাঁর মাথার পিছনে তিনটি গিরা দেয় এবং প্রতিটি গিরা দেয়ার সময় বলে, আরো ঘুমাও, রাত এখনো অনেক বাকী। যদি ঐ ব্যক্তি সজাগ হয়ে আল্লাহর যিকির করে, তখন একটি গিরা খুলে যায়। যদি সে উযু করে হলে আরেকটি গিরা খুলে যায় এবং যদি সে সলাত আদায় করে, তাহলে শেষ গিরাও খুলে যায়। ফলে ঐ ব্যক্তি সতেজ ও উৎফুল্লতা নিয়ে সকাল করে। (আর এরূপ না করে ঘুমিয়ে থাকলে) সে অলসতা ও মন্দ মন নিয়ে সকাল করবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن أبي الزناد، عن الأعرج، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يعقد الشيطان على قافية رأس أحدكم إذا هو نام ثلاث عقد يضرب مكان كل عقدة عليك ليل طويل فارقد فإن استيقظ فذكر الله انحلت عقدة فإن توضأ انحلت عقدة فإن صلى انحلت عقدة فأصبح نشيطا طيب النفس وإلا أصبح خبيث النفس كسلان " .
সুনানে আবু দাউদ ১৩০৭
حدثنا محمد بن بشار، قال حدثنا أبو داود، قال حدثنا شعبة، عن يزيد بن خمير، قال سمعت عبد الله بن أبي قيس، يقول قالت عائشة رضى الله عنها لا تدع قيام الليل فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان لا يدعه وكان إذا مرض أو كسل صلى قاعدا .
‘আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ ক্বায়িস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, তুমি রাতের ক্বিয়াম ছেড়ে দিবে না। কারণ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো একে পরিত্যাগ করতেন না। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হলে কিংবা অলসতা বোধ করলে বসে সলাত আদায় করতেন।
‘আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ ক্বায়িস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, তুমি রাতের ক্বিয়াম ছেড়ে দিবে না। কারণ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো একে পরিত্যাগ করতেন না। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হলে কিংবা অলসতা বোধ করলে বসে সলাত আদায় করতেন।
حدثنا محمد بن بشار، قال حدثنا أبو داود، قال حدثنا شعبة، عن يزيد بن خمير، قال سمعت عبد الله بن أبي قيس، يقول قالت عائشة رضى الله عنها لا تدع قيام الليل فإن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان لا يدعه وكان إذا مرض أو كسل صلى قاعدا .
সুনানে আবু দাউদ ১৩০৮
حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى، حدثنا ابن عجلان، عن القعقاع، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رحم الله رجلا قام من الليل فصلى وأيقظ امرأته فإن أبت نضح في وجهها الماء رحم الله امرأة قامت من الليل فصلت وأيقظت زوجها فإن أبى نضحت في وجهه الماء " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ এমন ব্যক্তির প্রতি দয়া করুন যে রাতে সজাগ হয়ে নিজে সলাত আদায় করে এবং তার স্ত্রীকেও সজাগ করে। স্ত্রী উঠতে না চাইলে সে তার মুখমণ্ডলে পানি ছিটায়।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ এমন ব্যক্তির প্রতি দয়া করুন যে রাতে সজাগ হয়ে নিজে সলাত আদায় করে এবং তার স্ত্রীকেও সজাগ করে। স্ত্রী উঠতে না চাইলে সে তার মুখমণ্ডলে পানি ছিটায়।
حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى، حدثنا ابن عجلان، عن القعقاع، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رحم الله رجلا قام من الليل فصلى وأيقظ امرأته فإن أبت نضح في وجهها الماء رحم الله امرأة قامت من الليل فصلت وأيقظت زوجها فإن أبى نضحت في وجهه الماء " .
সুনানে আবু দাউদ ১৩০৮
حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى، حدثنا ابن عجلان، عن القعقاع، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رحم الله رجلا قام من الليل فصلى وأيقظ امرأته فإن أبت نضح في وجهها الماء رحم الله امرأة قامت من الليل فصلت وأيقظت زوجها فإن أبى نضحت في وجهه الماء " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ এমন ব্যক্তির প্রতি দয়া করুন যে রাতে সজাগ হয়ে নিজে সলাত আদায় করে এবং তার স্ত্রীকেও সজাগ করে। স্ত্রী উঠতে না চাইলে সে তার মুখমণ্ডলে পানি ছিটায়।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ এমন ব্যক্তির প্রতি দয়া করুন যে রাতে সজাগ হয়ে নিজে সলাত আদায় করে এবং তার স্ত্রীকেও সজাগ করে। স্ত্রী উঠতে না চাইলে সে তার মুখমণ্ডলে পানি ছিটায়।
حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى، حدثنا ابن عجلان، عن القعقاع، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رحم الله رجلا قام من الليل فصلى وأيقظ امرأته فإن أبت نضح في وجهها الماء رحم الله امرأة قامت من الليل فصلت وأيقظت زوجها فإن أبى نضحت في وجهه الماء " .
সুনানে আবু দাউদ ১৩০৮
حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى، حدثنا ابن عجلان، عن القعقاع، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رحم الله رجلا قام من الليل فصلى وأيقظ امرأته فإن أبت نضح في وجهها الماء رحم الله امرأة قامت من الليل فصلت وأيقظت زوجها فإن أبى نضحت في وجهه الماء " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ এমন ব্যক্তির প্রতি দয়া করুন যে রাতে সজাগ হয়ে নিজে সলাত আদায় করে এবং তার স্ত্রীকেও সজাগ করে। স্ত্রী উঠতে না চাইলে সে তার মুখমণ্ডলে পানি ছিটায়।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ এমন ব্যক্তির প্রতি দয়া করুন যে রাতে সজাগ হয়ে নিজে সলাত আদায় করে এবং তার স্ত্রীকেও সজাগ করে। স্ত্রী উঠতে না চাইলে সে তার মুখমণ্ডলে পানি ছিটায়।
حدثنا ابن بشار، حدثنا يحيى، حدثنا ابن عجلان، عن القعقاع، عن أبي صالح، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رحم الله رجلا قام من الليل فصلى وأيقظ امرأته فإن أبت نضح في وجهها الماء رحم الله امرأة قامت من الليل فصلت وأيقظت زوجها فإن أبى نضحت في وجهه الماء " .
সুনানে আবু দাউদ ১৩০৯
حدثنا ابن كثير، حدثنا سفيان، عن مسعر، عن علي بن الأقمر، ح وحدثنا محمد بن حاتم بن بزيع، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن الأعمش، عن علي بن الأقمر، - المعنى - عن الأغر، عن أبي سعيد، وأبي، هريرة قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أيقظ الرجل أهله من الليل فصليا أو صلى ركعتين جميعا كتبا في الذاكرين والذاكرات " . ولم يرفعه ابن كثير ولا ذكر أبا هريرة جعله كلام أبي سعيد . قال أبو داود رواه ابن مهدي عن سفيان قال وأراه ذكر أبا هريرة . قال أبو داود وحديث سفيان موقوف .
আবূ সাঈদ ও আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তারা বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি রাতের বেলায় স্বীয় স্ত্রীকে সজাগ করে উভয়ে কিংবা প্রত্যেকে দু’ দু’ রাক’আত সলাত আদায় করলে তাদেরকে আল্লাহর স্মরণকারী ও স্মরণকারিনীর তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু কাসীর এ হাদীস রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছাননি এবং তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) এর নাম উল্লেখ করেননি বরং বলেছেন, এটি আবূ সাঈদ (রাঃ) এর নিজস্ব বক্তব্য।
আবূ সাঈদ ও আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তারা বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি রাতের বেলায় স্বীয় স্ত্রীকে সজাগ করে উভয়ে কিংবা প্রত্যেকে দু’ দু’ রাক’আত সলাত আদায় করলে তাদেরকে আল্লাহর স্মরণকারী ও স্মরণকারিনীর তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু কাসীর এ হাদীস রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পর্যন্ত পৌঁছাননি এবং তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ) এর নাম উল্লেখ করেননি বরং বলেছেন, এটি আবূ সাঈদ (রাঃ) এর নিজস্ব বক্তব্য।
حدثنا ابن كثير، حدثنا سفيان، عن مسعر، عن علي بن الأقمر، ح وحدثنا محمد بن حاتم بن بزيع، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن شيبان، عن الأعمش، عن علي بن الأقمر، - المعنى - عن الأغر، عن أبي سعيد، وأبي، هريرة قالا قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا أيقظ الرجل أهله من الليل فصليا أو صلى ركعتين جميعا كتبا في الذاكرين والذاكرات " . ولم يرفعه ابن كثير ولا ذكر أبا هريرة جعله كلام أبي سعيد . قال أبو داود رواه ابن مهدي عن سفيان قال وأراه ذكر أبا هريرة . قال أبو داود وحديث سفيان موقوف .
সুনানে আবু দাউদ > সলাতের মধ্যে তন্দ্রা এলে
সুনানে আবু দাউদ ১৩১০
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا نعس أحدكم في الصلاة فليرقد حتى يذهب عنه النوم فإن أحدكم إذا صلى وهو ناعس لعله يذهب يستغفر فيسب نفسه " .
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সলাতরত অবস্থায় তোমাদের কারো ঝিমনি এলে ঝিমনি দূর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন অবশ্যই শুয়ে পড়ে। কেননা কেউ ঘুমের ঘোরে সলাত আদায় করলে হয়ত সে নিজের ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে নিজেকে গালি দিবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সলাতরত অবস্থায় তোমাদের কারো ঝিমনি এলে ঝিমনি দূর না হওয়া পর্যন্ত সে যেন অবশ্যই শুয়ে পড়ে। কেননা কেউ ঘুমের ঘোরে সলাত আদায় করলে হয়ত সে নিজের ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে নিজেকে গালি দিবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن النبي صلى الله عليه وسلم قال " إذا نعس أحدكم في الصلاة فليرقد حتى يذهب عنه النوم فإن أحدكم إذا صلى وهو ناعس لعله يذهب يستغفر فيسب نفسه " .
সুনানে আবু দাউদ ১৩১১
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا قام أحدكم من الليل فاستعجم القرآن على لسانه فلم يدر ما يقول فليضطجع " .
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ (ঘুমের ঘোরে) রাতের সলাতে দণ্ডায়মান হলে কুরআন স্বাভাবিকভাবে তাঁর মুখ থেকে বের হয় না, এবং সে কি তিলাওয়াত করছে তাও বুঝতে পারে না। কাজেই এরূপ অবস্থায় সে যেন অবশ্যই ঘুমিয়ে পড়ে। সহীহঃ মুসলিম।
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমাদের কেউ (ঘুমের ঘোরে) রাতের সলাতে দণ্ডায়মান হলে কুরআন স্বাভাবিকভাবে তাঁর মুখ থেকে বের হয় না, এবং সে কি তিলাওয়াত করছে তাও বুঝতে পারে না। কাজেই এরূপ অবস্থায় সে যেন অবশ্যই ঘুমিয়ে পড়ে। সহীহঃ মুসলিম।
حدثنا أحمد بن حنبل، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " إذا قام أحدكم من الليل فاستعجم القرآن على لسانه فلم يدر ما يقول فليضطجع " .
সুনানে আবু দাউদ ১৩১২
حدثنا زياد بن أيوب، وهارون بن عباد الأزدي، أن إسماعيل بن إبراهيم، حدثهم حدثنا عبد العزيز، عن أنس، قال دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم المسجد وحبل ممدود بين ساريتين فقال " ما هذا الحبل " . فقيل يا رسول الله هذه حمنة بنت جحش تصلي فإذا أعيت تعلقت به . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لتصل ما أطاقت فإذا أعيت فلتجلس " . قال زياد فقال " ما هذا " . فقالوا لزينب تصلي فإذا كسلت أو فترت أمسكت به . فقال " حلوه " . فقال " ليصل أحدكم نشاطه فإذا كسل أو فتر فليقعد " .
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদে প্রবেশ করে দু’টি খুটির মাঝে রশি বাধা দেখে জিজ্ঞেস করলেনঃ এ রশিটি কিসের? বলা হল, হে আল্লাহর রসূল! এটা হামনাহ বিনতু জাহ্শের (রাঃ) রশি, তিনি রাতে সলাত আদায়কালে ক্লান্তিবোধ হলে এ রশিতে নিজেকে আটকে রাখেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাঁর উচিত সামর্থ্ অনুযায়ী সলাত আদায় করা, যখন ক্লান্তিবোধ করবে তখন সলাত ছেড়ে বসে যাবে। যিয়াদের বর্ণনায় রয়েছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কি? লোকেরা বলল, এটা যাইনাবের (রাঃ) রশি, তিনি সলাত আদায়কালে ক্লান্তি বা অলসতাবোধ করলে এতে ঝুলে থাকেন। তিনি বললেনঃ এটা খুলে ফেলো। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমাদের আনন্দের সাথে সলাত আদায় করা উচিত, যখন ক্লান্তি কিংবা অলসতাবোধ করবে তখন সলাত ছেড়ে বসে পড়বে। সহীহ, হামনাহ’ শব্দ উল্লেখ বাদেঃ বুখারী ও মুসলিম।
আনাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাসজিদে প্রবেশ করে দু’টি খুটির মাঝে রশি বাধা দেখে জিজ্ঞেস করলেনঃ এ রশিটি কিসের? বলা হল, হে আল্লাহর রসূল! এটা হামনাহ বিনতু জাহ্শের (রাঃ) রশি, তিনি রাতে সলাত আদায়কালে ক্লান্তিবোধ হলে এ রশিতে নিজেকে আটকে রাখেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তাঁর উচিত সামর্থ্ অনুযায়ী সলাত আদায় করা, যখন ক্লান্তিবোধ করবে তখন সলাত ছেড়ে বসে যাবে। যিয়াদের বর্ণনায় রয়েছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেনঃ এটা কি? লোকেরা বলল, এটা যাইনাবের (রাঃ) রশি, তিনি সলাত আদায়কালে ক্লান্তি বা অলসতাবোধ করলে এতে ঝুলে থাকেন। তিনি বললেনঃ এটা খুলে ফেলো। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমাদের আনন্দের সাথে সলাত আদায় করা উচিত, যখন ক্লান্তি কিংবা অলসতাবোধ করবে তখন সলাত ছেড়ে বসে পড়বে। সহীহ, হামনাহ’ শব্দ উল্লেখ বাদেঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا زياد بن أيوب، وهارون بن عباد الأزدي، أن إسماعيل بن إبراهيم، حدثهم حدثنا عبد العزيز، عن أنس، قال دخل رسول الله صلى الله عليه وسلم المسجد وحبل ممدود بين ساريتين فقال " ما هذا الحبل " . فقيل يا رسول الله هذه حمنة بنت جحش تصلي فإذا أعيت تعلقت به . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لتصل ما أطاقت فإذا أعيت فلتجلس " . قال زياد فقال " ما هذا " . فقالوا لزينب تصلي فإذا كسلت أو فترت أمسكت به . فقال " حلوه " . فقال " ليصل أحدكم نشاطه فإذا كسل أو فتر فليقعد " .