সুনানে আবু দাউদ > সূর্য উপরে থাকতে দু’ রাক’আত সলাতের অনুমতি

সুনানে আবু দাউদ ১২৭৮

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا وهيب، حدثنا قدامة بن موسى، عن أيوب بن حصين، عن أبي علقمة، عن يسار، مولى ابن عمر قال رآني ابن عمر وأنا أصلي، بعد طلوع الفجر فقال يا يسار إن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج علينا ونحن نصلي هذه الصلاة فقال ‏ "‏ ليبلغ شاهدكم غائبكم لا تصلوا بعد الفجر إلا سجدتين ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) এর মুক্তদাস ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ইবনু উমার (রাঃ) আমাকে সুবহি সাদিকের পর সলাত আদায় করতে দেখে বললেন, হে ইয়াসার! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। ঠিক ঐ সময় আমরা এ সলাত আদায় করছিলাম। তিনি বললেনঃ অবশ্যই তোমাদের উপস্থিতরা যেন অনুপস্থিতদের কাছে পৌঁছিয়ে দেয় যে সুবহি সাদিকের পর (ফজরের) দু’রাক’আত সুন্নাত ব্যতীত তোমরা অন্য কোন সলাত আদায় করবে না। সহীহ: মুসলিম।

ইবনু উমার (রাঃ) এর মুক্তদাস ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা ইবনু উমার (রাঃ) আমাকে সুবহি সাদিকের পর সলাত আদায় করতে দেখে বললেন, হে ইয়াসার! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। ঠিক ঐ সময় আমরা এ সলাত আদায় করছিলাম। তিনি বললেনঃ অবশ্যই তোমাদের উপস্থিতরা যেন অনুপস্থিতদের কাছে পৌঁছিয়ে দেয় যে সুবহি সাদিকের পর (ফজরের) দু’রাক’আত সুন্নাত ব্যতীত তোমরা অন্য কোন সলাত আদায় করবে না। সহীহ: মুসলিম।

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا وهيب، حدثنا قدامة بن موسى، عن أيوب بن حصين، عن أبي علقمة، عن يسار، مولى ابن عمر قال رآني ابن عمر وأنا أصلي، بعد طلوع الفجر فقال يا يسار إن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج علينا ونحن نصلي هذه الصلاة فقال ‏ "‏ ليبلغ شاهدكم غائبكم لا تصلوا بعد الفجر إلا سجدتين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৮০

حدثنا عبيد الله بن سعد، حدثنا عمي، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن ذكوان، مولى عائشة أنها حدثته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي بعد العصر وينهى عنها ويواصل وينهى عن الوصال ‏.‏

আয়িশা (রাঃ) এর মুক্তদাস যাকওয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাকে বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে ‘আসরের পরে সলাত আদায় করতেন, তবে লোকদেরকে নিষেধ করতেন এবং তিনি বিরতিহীনভাবে (বহুদিন) সওম পালন করতেন, কিন্ত অন্যদেরকে বিরতিহীনভাবে সওম পালনে নিষেধ করতেন। [১২৮৩]

আয়িশা (রাঃ) এর মুক্তদাস যাকওয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাকে বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে ‘আসরের পরে সলাত আদায় করতেন, তবে লোকদেরকে নিষেধ করতেন এবং তিনি বিরতিহীনভাবে (বহুদিন) সওম পালন করতেন, কিন্ত অন্যদেরকে বিরতিহীনভাবে সওম পালনে নিষেধ করতেন। [১২৮৩]

حدثنا عبيد الله بن سعد، حدثنا عمي، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن ذكوان، مولى عائشة أنها حدثته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي بعد العصر وينهى عنها ويواصل وينهى عن الوصال ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৭৬

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس، قال شهد عندي رجال مرضيون فيهم عمر بن الخطاب وأرضاهم عندي عمر أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا صلاة بعد صلاة الصبح حتى تطلع الشمس ولا صلاة بعد صلاة العصر حتى تغرب الشمس ‏"‏ ‏.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কতিপয় আল্লাহর প্রিয় লোক আমার কাছে সাক্ষ্য দেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) ছিলেন তাদের একজন। মুলতঃ আমার নিকট ‘ উমার (রাঃ) ছিলেন তাদের মধ্যেকার অধিক আল্লাহর প্রিয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন ফায্‌রের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোনো সলাত নেই এবং ‘আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো সালাত নেই। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, কতিপয় আল্লাহর প্রিয় লোক আমার কাছে সাক্ষ্য দেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) ছিলেন তাদের একজন। মুলতঃ আমার নিকট ‘ উমার (রাঃ) ছিলেন তাদের মধ্যেকার অধিক আল্লাহর প্রিয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন ফায্‌রের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোনো সলাত নেই এবং ‘আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো সালাত নেই। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس، قال شهد عندي رجال مرضيون فيهم عمر بن الخطاب وأرضاهم عندي عمر أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ لا صلاة بعد صلاة الصبح حتى تطلع الشمس ولا صلاة بعد صلاة العصر حتى تغرب الشمس ‏"‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ ১২৭৪

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا شعبة، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن وهب بن الأجدع، عن علي، أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن الصلاة بعد العصر إلا والشمس مرتفعة ‏.‏

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আসরের পর সলাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। অবশ্য সূর্য উঁচুতে থাকাবস্থায় আদায় করা যায়।

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আসরের পর সলাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। অবশ্য সূর্য উঁচুতে থাকাবস্থায় আদায় করা যায়।

حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا شعبة، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن وهب بن الأجدع، عن علي، أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن الصلاة بعد العصر إلا والشمس مرتفعة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৭৫

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن عاصم بن ضمرة، عن علي، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في إثر كل صلاة مكتوبة ركعتين إلا الفجر والعصر ‏.‏

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায্‌র ও ‘আসর ব্যতীত প্রত্যেক ফরয সলাতের পরে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করতেন। [১২৭৮]

‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায্‌র ও ‘আসর ব্যতীত প্রত্যেক ফরয সলাতের পরে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করতেন। [১২৭৮]

حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن عاصم بن ضمرة، عن علي، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في إثر كل صلاة مكتوبة ركعتين إلا الفجر والعصر ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৭৭

حدثنا الربيع بن نافع، حدثنا محمد بن المهاجر، عن العباس بن سالم، عن أبي سلام، عن أبي أمامة، عن عمرو بن عبسة السلمي، أنه قال قلت يا رسول الله أى الليل أسمع قال ‏ "‏ جوف الليل الآخر فصل ما شئت فإن الصلاة مشهودة مكتوبة حتى تصلي الصبح ثم أقصر حتى تطلع الشمس فترتفع قيس رمح أو رمحين فإنها تطلع بين قرنى شيطان وتصلي لها الكفار ثم صل ما شئت فإن الصلاة مشهودة مكتوبة حتى يعدل الرمح ظله ثم أقصر فإن جهنم تسجر وتفتح أبوابها فإذا زاغت الشمس فصل ما شئت فإن الصلاة مشهودة حتى تصلي العصر ثم أقصر حتى تغرب الشمس فإنها تغرب بين قرنى شيطان ويصلي لها الكفار ‏"‏ ‏.‏ وقص حديثا طويلا قال العباس هكذا حدثني أبو سلام عن أبي أمامة إلا أن أخطئ شيئا لا أريده فأستغفر الله وأتوب إليه ‏.‏

‘আমর ইবনু আনবাসাহ আস-সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! রাতের কোন অংশ অধিক শ্রবণীয় (অর্থাৎ আল্লাহ দু’আ বেশি কবুল করেন)? তিনি বলেন: রাতের শেষাংশ, এ সময় যতটুকু ইচ্ছা সালাত আদায় করবে। কেননা এ সময়ে মালায়িকাহ (ফেরেশতাগণ) এসে ফাজরের সালাত শেষ হওয় পর্যন্ত উপস্থিত থাকেন এবং লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর সূর্য উঠা পর্যন্ত সলাত হতে বিরত থাকবে, যতক্ষণ না তা এক কিংবা দুই তীর পরিমাণ উপরে উঠে। কারণ সূর্য উদিত হয় শাইত্বানের দুই শিংয়ের মধ্য দিয়ে। আর কাফিররা এ সময় তার পূজা করে থাকে। এরপর তীরের ছায়া ঠিকথাকা (দ্বি প্রহরের পূর্বে) পর্যন্ত যত ইচ্ছা সলাত আদায় করবে, এ সময়ের সলাত সম্পর্কে ফেরেশতাগণ সাক্ষ্য দিয়ে থাকেন এবং তা লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর সলাত হতে বিরত থাকবে, কেননা এ সময় জাহান্নাম উত্তপ্ত করা হয় এবং তার সমস্ত দরজা খুলে দেয়া হয়। যখন সূর্য পশ্চিমাকাশে হেলে পড়বে তখন যত ইচ্ছা সলাত আদায় করবে, কেননা আসরের সলাত পর্যন্ত এ সময়ের মধ্যকার সলাত সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয় হয়। অতঃপর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত সলাত হতে বিরত থাকবে, কেননা তা শাইত্বানের দুই শিংয়ের মধ্যে দিয়ে অস্ত যায় এবং এ সময় কাফিররা তার উপাসনা করে থাকে। অতঃপর বর্ণনাকারী এ বিষয়ে দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করেন। আল-‘আব্বাস (রহঃ) বলেন,আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে আবূ সাললাম (রহঃ) আমার কাছে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাতে আমি অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুল করেছি, সেজন্যে আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁরই কাছে তাওবাহ করি। সহীহঃ মুসলিম এ বাক্য বাদে জাওফুল লাইল।

‘আমর ইবনু আনবাসাহ আস-সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! রাতের কোন অংশ অধিক শ্রবণীয় (অর্থাৎ আল্লাহ দু’আ বেশি কবুল করেন)? তিনি বলেন: রাতের শেষাংশ, এ সময় যতটুকু ইচ্ছা সালাত আদায় করবে। কেননা এ সময়ে মালায়িকাহ (ফেরেশতাগণ) এসে ফাজরের সালাত শেষ হওয় পর্যন্ত উপস্থিত থাকেন এবং লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর সূর্য উঠা পর্যন্ত সলাত হতে বিরত থাকবে, যতক্ষণ না তা এক কিংবা দুই তীর পরিমাণ উপরে উঠে। কারণ সূর্য উদিত হয় শাইত্বানের দুই শিংয়ের মধ্য দিয়ে। আর কাফিররা এ সময় তার পূজা করে থাকে। এরপর তীরের ছায়া ঠিকথাকা (দ্বি প্রহরের পূর্বে) পর্যন্ত যত ইচ্ছা সলাত আদায় করবে, এ সময়ের সলাত সম্পর্কে ফেরেশতাগণ সাক্ষ্য দিয়ে থাকেন এবং তা লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর সলাত হতে বিরত থাকবে, কেননা এ সময় জাহান্নাম উত্তপ্ত করা হয় এবং তার সমস্ত দরজা খুলে দেয়া হয়। যখন সূর্য পশ্চিমাকাশে হেলে পড়বে তখন যত ইচ্ছা সলাত আদায় করবে, কেননা আসরের সলাত পর্যন্ত এ সময়ের মধ্যকার সলাত সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয় হয়। অতঃপর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত সলাত হতে বিরত থাকবে, কেননা তা শাইত্বানের দুই শিংয়ের মধ্যে দিয়ে অস্ত যায় এবং এ সময় কাফিররা তার উপাসনা করে থাকে। অতঃপর বর্ণনাকারী এ বিষয়ে দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করেন। আল-‘আব্বাস (রহঃ) বলেন,আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে আবূ সাললাম (রহঃ) আমার কাছে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাতে আমি অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুল করেছি, সেজন্যে আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁরই কাছে তাওবাহ করি। সহীহঃ মুসলিম এ বাক্য বাদে জাওফুল লাইল।

حدثنا الربيع بن نافع، حدثنا محمد بن المهاجر، عن العباس بن سالم، عن أبي سلام، عن أبي أمامة، عن عمرو بن عبسة السلمي، أنه قال قلت يا رسول الله أى الليل أسمع قال ‏ "‏ جوف الليل الآخر فصل ما شئت فإن الصلاة مشهودة مكتوبة حتى تصلي الصبح ثم أقصر حتى تطلع الشمس فترتفع قيس رمح أو رمحين فإنها تطلع بين قرنى شيطان وتصلي لها الكفار ثم صل ما شئت فإن الصلاة مشهودة مكتوبة حتى يعدل الرمح ظله ثم أقصر فإن جهنم تسجر وتفتح أبوابها فإذا زاغت الشمس فصل ما شئت فإن الصلاة مشهودة حتى تصلي العصر ثم أقصر حتى تغرب الشمس فإنها تغرب بين قرنى شيطان ويصلي لها الكفار ‏"‏ ‏.‏ وقص حديثا طويلا قال العباس هكذا حدثني أبو سلام عن أبي أمامة إلا أن أخطئ شيئا لا أريده فأستغفر الله وأتوب إليه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৭৯

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن الأسود، ومسروق، قالا نشهد على عائشة - رضى الله عنها - أنها قالت ما من يوم يأتي على النبي صلى الله عليه وسلم إلا صلى بعد العصر ركعتين ‏.‏

আল-আসওয়াদ ও মাসরূক (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তারা উভয়ে বলেন, আমরা আয়িশাহ (রাঃ) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে দিনই আমার কাছে আসতেন, তখন তিনি আসরের পর দু’ রাক’আত সলাত আদায় করতেন। সহীহ: বুখারী ও মুসলিম।

আল-আসওয়াদ ও মাসরূক (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ

তারা উভয়ে বলেন, আমরা আয়িশাহ (রাঃ) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে দিনই আমার কাছে আসতেন, তখন তিনি আসরের পর দু’ রাক’আত সলাত আদায় করতেন। সহীহ: বুখারী ও মুসলিম।

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن الأسود، ومسروق، قالا نشهد على عائشة - رضى الله عنها - أنها قالت ما من يوم يأتي على النبي صلى الله عليه وسلم إلا صلى بعد العصر ركعتين ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > মাগরিবের পূর্বে নাফ্‌ল সলাত

সুনানে আবু দাউদ ১২৮১

حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، عن الحسين المعلم، عن عبد الله بن بريدة، عن عبد الله المزني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صلوا قبل المغرب ركعتين ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ صلوا قبل المغرب ركعتين لمن شاء ‏"‏ ‏.‏ خشية أن يتخذها الناس سنة ‏.‏

আব্দুল্লাহ আল-মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করো। তিনি দু’ বার এরূপ বললেন। অতঃপর বললেন, যার ইচ্ছা হয়। এ আশংকায় যে লোকেরা হয়ত এটাকে সুন্নাত (বা স্থায়ী নিয়ম) বানিয়ে নিবে। সহীহঃ বুখারী

আব্দুল্লাহ আল-মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করো। তিনি দু’ বার এরূপ বললেন। অতঃপর বললেন, যার ইচ্ছা হয়। এ আশংকায় যে লোকেরা হয়ত এটাকে সুন্নাত (বা স্থায়ী নিয়ম) বানিয়ে নিবে। সহীহঃ বুখারী

حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، عن الحسين المعلم، عن عبد الله بن بريدة، عن عبد الله المزني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صلوا قبل المغرب ركعتين ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ صلوا قبل المغرب ركعتين لمن شاء ‏"‏ ‏.‏ خشية أن يتخذها الناس سنة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৮২

حدثنا محمد بن عبد الرحيم البزاز، أخبرنا سعيد بن سليمان، حدثنا منصور بن أبي الأسود، عن المختار بن فلفل، عن أنس بن مالك، قال صليت الركعتين قبل المغرب على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال قلت لأنس أرآكم رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم رآنا فلم يأمرنا ولم ينهنا ‏.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেছি। মুখতার ইবনু ফুলফুল (রহঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাদের সলাত আদায় করতে দেখেছেন কি? তিনি বললেন, হাঁ, তিনি আমাদেরকে দেখেছেন। তবে তিনি আমাদেরকে এ বিষয় কোন আদেশ বা নিষেধ করেননি। সহীহ: মুসলিম, অনুরূপ বুখারী।

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেছি। মুখতার ইবনু ফুলফুল (রহঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাদের সলাত আদায় করতে দেখেছেন কি? তিনি বললেন, হাঁ, তিনি আমাদেরকে দেখেছেন। তবে তিনি আমাদেরকে এ বিষয় কোন আদেশ বা নিষেধ করেননি। সহীহ: মুসলিম, অনুরূপ বুখারী।

حدثنا محمد بن عبد الرحيم البزاز، أخبرنا سعيد بن سليمان، حدثنا منصور بن أبي الأسود، عن المختار بن فلفل، عن أنس بن مالك، قال صليت الركعتين قبل المغرب على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال قلت لأنس أرآكم رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم رآنا فلم يأمرنا ولم ينهنا ‏.


সুনানে আবু দাউদ ১২৮৩

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا ابن علية، عن الجريري، عن عبد الله بن بريدة، عن عبد الله بن مغفل، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ بين كل أذانين صلاة بين كل أذانين صلاة لمن شاء ‏"‏ ‏.‏

আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সলাত রয়েছে। প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সলাত রয়েছে, যার ইচ্ছে হয় পড়তে পারে। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।

আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সলাত রয়েছে। প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সলাত রয়েছে, যার ইচ্ছে হয় পড়তে পারে। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।

حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا ابن علية، عن الجريري، عن عبد الله بن بريدة، عن عبد الله بن مغفل، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ بين كل أذانين صلاة بين كل أذانين صلاة لمن شاء ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৮৪

حدثنا ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي شعيب، عن طاوس، قال سئل ابن عمر عن الركعتين، قبل المغرب فقال ما رأيت أحدا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليهما ‏.‏ ورخص في الركعتين بعد العصر ‏.‏ قال أبو داود سمعت يحيى بن معين يقول هو شعيب يعني وهم شعبة في اسمه ‏.‏

তাঊস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাঃ)-কে মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে আমি কাউকে এ সলাত আদায় করতে দেখিনি। তবে ‘আসরের পরে দু’ রাক’আত সলাত আদায়ের অনুমতি আছে। [১২৮৭]

তাঊস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাঃ)-কে মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে আমি কাউকে এ সলাত আদায় করতে দেখিনি। তবে ‘আসরের পরে দু’ রাক’আত সলাত আদায়ের অনুমতি আছে। [১২৮৭]

حدثنا ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي شعيب، عن طاوس، قال سئل ابن عمر عن الركعتين، قبل المغرب فقال ما رأيت أحدا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليهما ‏.‏ ورخص في الركعتين بعد العصر ‏.‏ قال أبو داود سمعت يحيى بن معين يقول هو شعيب يعني وهم شعبة في اسمه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > সালাতুদ্- দুহা (চাশতের সলাত)

সুনানে আবু দাউদ ১২৯০

حدثنا أحمد بن صالح، وأحمد بن عمرو بن السرح، قالا حدثنا ابن وهب، حدثني عياض بن عبد الله، عن مخرمة بن سليمان، عن كريب، مولى ابن عباس عن أم هانئ بنت أبي طالب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح صلى سبحة الضحى ثماني ركعات يسلم من كل ركعتين ‏.‏ قال أبو داود قال أحمد بن صالح إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح صلى سبحة الضحى فذكر مثله ‏.‏ قال ابن السرح إن أم هانئ قالت دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يذكر سبحة الضحى بمعناه ‏.‏

আবূ ত্বালিবের কন্য উম্মু হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন আট রাক’আত চাশতের সলাত আদায় করেছেন। তিনি প্রতি দু’ রাক’আতে সালাম ফিরিয়েছেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আহমাদ ইবনু সলিহ বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন চাশতের সলাত আদায় করেছেন। অতঃপর পূর্ববতী হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। ইবনুস সারহ বলেন, উম্মু হানী (রাঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এলেন, কিন্ত এ হাদীসে চাশতের সলাতের উল্লেখ নেই। তবে তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের ভাবার্থ বর্ণনা করেছেন।

আবূ ত্বালিবের কন্য উম্মু হানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন আট রাক’আত চাশতের সলাত আদায় করেছেন। তিনি প্রতি দু’ রাক’আতে সালাম ফিরিয়েছেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আহমাদ ইবনু সলিহ বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাক্কাহ বিজয়ের দিন চাশতের সলাত আদায় করেছেন। অতঃপর পূর্ববতী হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। ইবনুস সারহ বলেন, উম্মু হানী (রাঃ) বলেছেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট এলেন, কিন্ত এ হাদীসে চাশতের সলাতের উল্লেখ নেই। তবে তিনি পূর্বোক্ত হাদীসের ভাবার্থ বর্ণনা করেছেন।

حدثنا أحمد بن صالح، وأحمد بن عمرو بن السرح، قالا حدثنا ابن وهب، حدثني عياض بن عبد الله، عن مخرمة بن سليمان، عن كريب، مولى ابن عباس عن أم هانئ بنت أبي طالب، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح صلى سبحة الضحى ثماني ركعات يسلم من كل ركعتين ‏.‏ قال أبو داود قال أحمد بن صالح إن رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الفتح صلى سبحة الضحى فذكر مثله ‏.‏ قال ابن السرح إن أم هانئ قالت دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يذكر سبحة الضحى بمعناه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৮৯

حدثنا داود بن رشيد، حدثنا الوليد، عن سعيد بن عبد العزيز، عن مكحول، عن كثير بن مرة أبي شجرة، عن نعيم بن همار، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ يقول الله عز وجل يا ابن آدم لا تعجزني من أربع ركعات في أول نهارك أكفك آخره ‏"‏ ‏.‏

নু’আইম ইবনু হাম্মার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি : মহান পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেছেন, হে আদম সন্তান! তোমরা দিনের পূর্বহ্নের মধ্যে চার রাক’আত সলাত হতে আমাকে ত্যাগ করো না, তাহলে আমি আখিরাতে তোমার জন্য যথেষ্ট হবো।

নু’আইম ইবনু হাম্মার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন,আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে বলতে শুনেছি : মহান পরাক্রমশালী আল্লাহ বলেছেন, হে আদম সন্তান! তোমরা দিনের পূর্বহ্নের মধ্যে চার রাক’আত সলাত হতে আমাকে ত্যাগ করো না, তাহলে আমি আখিরাতে তোমার জন্য যথেষ্ট হবো।

حدثنا داود بن رشيد، حدثنا الوليد، عن سعيد بن عبد العزيز، عن مكحول، عن كثير بن مرة أبي شجرة، عن نعيم بن همار، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ يقول الله عز وجل يا ابن آدم لا تعجزني من أربع ركعات في أول نهارك أكفك آخره ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৮৬

حدثنا وهب بن بقية، أخبرنا خالد، عن واصل، عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن أبي الأسود الدؤلي، قال بينما نحن عند أبي ذر قال ‏"‏ يصبح على كل سلامى من أحدكم في كل يوم صدقة فله بكل صلاة صدقة وصيام صدقة وحج صدقة وتسبيح صدقة وتكبير صدقة وتحميد صدقة ‏"‏ ‏.‏ فعد رسول الله صلى الله عليه وسلم من هذه الأعمال الصالحة ثم قال ‏"‏ يجزئ أحدكم من ذلك ركعتا الضحى ‏"‏ ‏.‏

আবুল আসওয়াদ আদ-দুয়ালী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা আবু যার (রাঃ) এর নিকট অবস্থানকালে তিনি বলেছেন, প্রতিদিন তোমাদের প্রত্যেকের দেহের প্রতিটি অস্থি একটি সদাক্বাহ ওয়াজিব করে। প্রত্যেক সলাত, প্রত্যেক সওম, প্রত্যেক হাজ্জ, প্রত্যেক তাসবীহ, প্রত্যেক তাকবীর এবং প্রত্যেক তাহমীদ তার জন্য সদাক্বাহ স্বরূপ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ উত্তম কাজগুলোকে গণনা করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেনঃ চাশতের দু’ রাক’আত সলাত আদায় করলে তা ঐগুলোর পরিপূরক হবে (অনুরূপ সওয়াব পাবে)। সহীহ: মুসলিম।

আবুল আসওয়াদ আদ-দুয়ালী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা আবু যার (রাঃ) এর নিকট অবস্থানকালে তিনি বলেছেন, প্রতিদিন তোমাদের প্রত্যেকের দেহের প্রতিটি অস্থি একটি সদাক্বাহ ওয়াজিব করে। প্রত্যেক সলাত, প্রত্যেক সওম, প্রত্যেক হাজ্জ, প্রত্যেক তাসবীহ, প্রত্যেক তাকবীর এবং প্রত্যেক তাহমীদ তার জন্য সদাক্বাহ স্বরূপ। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ উত্তম কাজগুলোকে গণনা করেছেন। অতঃপর তিনি বলেছেনঃ চাশতের দু’ রাক’আত সলাত আদায় করলে তা ঐগুলোর পরিপূরক হবে (অনুরূপ সওয়াব পাবে)। সহীহ: মুসলিম।

حدثنا وهب بن بقية، أخبرنا خالد، عن واصل، عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن أبي الأسود الدؤلي، قال بينما نحن عند أبي ذر قال ‏"‏ يصبح على كل سلامى من أحدكم في كل يوم صدقة فله بكل صلاة صدقة وصيام صدقة وحج صدقة وتسبيح صدقة وتكبير صدقة وتحميد صدقة ‏"‏ ‏.‏ فعد رسول الله صلى الله عليه وسلم من هذه الأعمال الصالحة ثم قال ‏"‏ يجزئ أحدكم من ذلك ركعتا الضحى ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৮৭

حدثنا محمد بن سلمة المرادي، حدثنا ابن وهب، عن يحيى بن أيوب، عن زبان بن فائد، عن سهل بن معاذ بن أنس الجهني، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من قعد في مصلاه حين ينصرف من صلاة الصبح حتى يسبح ركعتى الضحى لا يقول إلا خيرا غفر له خطاياه وإن كانت أكثر من زبد البحر ‏"‏ ‏.‏

সাহল ইবনু মু’আয ইবনু আনাস আল-জুহানী (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি ফাজ্‌রের সলাত আদায় শেষে চাশতের সলাত আদায় পর্যন্ত তার জায়গাতে বসে থাকলে এবং এ সময়ে উত্তম কথা ছাড়া অন্য কিছু না বললে তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করা হয়্ যদিও গুনাহের পরিমাণ সমুদ্রের ফেনারাশির চেয়ে অধিক হয়। [১২৯০]

সাহল ইবনু মু’আয ইবনু আনাস আল-জুহানী (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ কোন ব্যক্তি ফাজ্‌রের সলাত আদায় শেষে চাশতের সলাত আদায় পর্যন্ত তার জায়গাতে বসে থাকলে এবং এ সময়ে উত্তম কথা ছাড়া অন্য কিছু না বললে তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করা হয়্ যদিও গুনাহের পরিমাণ সমুদ্রের ফেনারাশির চেয়ে অধিক হয়। [১২৯০]

حدثنا محمد بن سلمة المرادي، حدثنا ابن وهب، عن يحيى بن أيوب، عن زبان بن فائد، عن سهل بن معاذ بن أنس الجهني، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من قعد في مصلاه حين ينصرف من صلاة الصبح حتى يسبح ركعتى الضحى لا يقول إلا خيرا غفر له خطاياه وإن كانت أكثر من زبد البحر ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৮৮

حدثنا أبو توبة الربيع بن نافع، حدثنا الهيثم بن حميد، عن يحيى بن الحارث، عن القاسم بن عبد الرحمن، عن أبي أمامة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ صلاة في أثر صلاة لا لغو بينهما كتاب في عليين ‏"‏ ‏.‏

আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক সলাতের পরে আরেক সলাত যার মধ্যবর্তী সময়ে কোনো গুনাহ হয়নি, তা ইল্লীয়্যুনে (উচ্চ মর্যাদায়) লিপবদ্ধ করা হয়।

আবূ উমামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ এক সলাতের পরে আরেক সলাত যার মধ্যবর্তী সময়ে কোনো গুনাহ হয়নি, তা ইল্লীয়্যুনে (উচ্চ মর্যাদায়) লিপবদ্ধ করা হয়।

حدثنا أبو توبة الربيع بن نافع، حدثنا الهيثم بن حميد، عن يحيى بن الحارث، عن القاسم بن عبد الرحمن، عن أبي أمامة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ صلاة في أثر صلاة لا لغو بينهما كتاب في عليين ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৮৫

حدثنا أحمد بن منيع، عن عباد بن عباد، ح وحدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، - المعنى - عن واصل، عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن أبي ذر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يصبح على كل سلامى من ابن آدم صدقة تسليمه على من لقي صدقة وأمره بالمعروف صدقة ونهيه عن المنكر صدقة وإماطته الأذى عن الطريق صدقة وبضعة أهله صدقة ويجزئ من ذلك كله ركعتان من الضحى ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود وحديث عباد أتم ولم يذكر مسدد الأمر والنهى زاد في حديثه وقال كذا وكذا وزاد ابن منيع في حديثه قالوا يا رسول الله أحدنا يقضي شهوته وتكون له صدقة قال ‏"‏ أرأيت لو وضعها في غير حلها ألم يكن يأثم ‏"‏ ‏.‏

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আদম সন্তানের শরীরের প্রতিটি অস্থি প্রতিদিন নিজের উপর সদাক্বাহ ওয়াজিব করে। কারোর সাক্ষাতে তাকে সালাম দেয়া একটি সদাক্বাহ। সৎ কাজের আদেশ একটি সদাক্বাহ, অন্যায় হতে নিষেধ করা একটি সদাক্বাহ। রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা একটি সদাক্বাহ। পরিবার-পরিজনের দায়-দায়িত্ব বহন করা একটি সদাক্বাহ। আর চাশতের দু’ রাক’আত সলাত এসব কিছুর পরিপূরক হতে পারে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, বর্ণনাকারী ‘আব্বাদের বর্ণনাটি পরিপূর্ণ ও ক্রটিমুক্ত। অপর বর্ণনাকারী মুসাদ্দাদ তার বর্ণনায় “সৎ কাজের আদেশ ও অন্যায় হতে নিষেধ” বাক্যটি উল্লেখ করেননি। তিনি তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন, “এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অমুক অমুক কাজ।’’ ইবনু মানী’ তার হাদীসে বৃদ্ধি করেছেন যে, লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের কেউ তার স্ত্রী সাথে সহবাস করে যৌন-তৃপ্তি মিটাবে এটাও কি তার জন্য সদাক্বাহ? তিনি বললেনঃ তোমার কি ধারণা যদি সে তা অবৈধ স্থানে ব্যবহার করতো তবে কি সে গুনাহগার হতো না? সহীহ: মুসলিম।

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ আদম সন্তানের শরীরের প্রতিটি অস্থি প্রতিদিন নিজের উপর সদাক্বাহ ওয়াজিব করে। কারোর সাক্ষাতে তাকে সালাম দেয়া একটি সদাক্বাহ। সৎ কাজের আদেশ একটি সদাক্বাহ, অন্যায় হতে নিষেধ করা একটি সদাক্বাহ। রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা একটি সদাক্বাহ। পরিবার-পরিজনের দায়-দায়িত্ব বহন করা একটি সদাক্বাহ। আর চাশতের দু’ রাক’আত সলাত এসব কিছুর পরিপূরক হতে পারে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, বর্ণনাকারী ‘আব্বাদের বর্ণনাটি পরিপূর্ণ ও ক্রটিমুক্ত। অপর বর্ণনাকারী মুসাদ্দাদ তার বর্ণনায় “সৎ কাজের আদেশ ও অন্যায় হতে নিষেধ” বাক্যটি উল্লেখ করেননি। তিনি তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন, “এবং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, অমুক অমুক কাজ।’’ ইবনু মানী’ তার হাদীসে বৃদ্ধি করেছেন যে, লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের কেউ তার স্ত্রী সাথে সহবাস করে যৌন-তৃপ্তি মিটাবে এটাও কি তার জন্য সদাক্বাহ? তিনি বললেনঃ তোমার কি ধারণা যদি সে তা অবৈধ স্থানে ব্যবহার করতো তবে কি সে গুনাহগার হতো না? সহীহ: মুসলিম।

حدثنا أحمد بن منيع، عن عباد بن عباد، ح وحدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، - المعنى - عن واصل، عن يحيى بن عقيل، عن يحيى بن يعمر، عن أبي ذر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ يصبح على كل سلامى من ابن آدم صدقة تسليمه على من لقي صدقة وأمره بالمعروف صدقة ونهيه عن المنكر صدقة وإماطته الأذى عن الطريق صدقة وبضعة أهله صدقة ويجزئ من ذلك كله ركعتان من الضحى ‏"‏ ‏.‏ قال أبو داود وحديث عباد أتم ولم يذكر مسدد الأمر والنهى زاد في حديثه وقال كذا وكذا وزاد ابن منيع في حديثه قالوا يا رسول الله أحدنا يقضي شهوته وتكون له صدقة قال ‏"‏ أرأيت لو وضعها في غير حلها ألم يكن يأثم ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৯১

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن ابن أبي ليلى، قال ما أخبرنا أحد، أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الضحى غير أم هانئ فإنها ذكرت أن النبي صلى الله عليه وسلم يوم فتح مكة اغتسل في بيتها وصلى ثماني ركعات فلم يره أحد صلاهن بعد ‏.‏

ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উম্মু হানী (রাঃ) ছাড়া অন্য কেউ আমদেরকে অবহিত করেননি যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে চাশতের সলাত আদায় করতে দেখেছেন। অবশ্য তিনি বর্ণনা করেছেন, মাক্কাহ বিজয়ের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ঘরে গোসল করে আট রাক’আত সলাত আদায় করেছেন। এরপর কেউই তাকেঁ উক্ত সলাত আদায় করতে দেখেনি। সহীহ: বুখারী ও মুসলিম।

ইবনু আবূ লায়লাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উম্মু হানী (রাঃ) ছাড়া অন্য কেউ আমদেরকে অবহিত করেননি যে, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে চাশতের সলাত আদায় করতে দেখেছেন। অবশ্য তিনি বর্ণনা করেছেন, মাক্কাহ বিজয়ের দিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার ঘরে গোসল করে আট রাক’আত সলাত আদায় করেছেন। এরপর কেউই তাকেঁ উক্ত সলাত আদায় করতে দেখেনি। সহীহ: বুখারী ও মুসলিম।

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن ابن أبي ليلى، قال ما أخبرنا أحد، أنه رأى النبي صلى الله عليه وسلم صلى الضحى غير أم هانئ فإنها ذكرت أن النبي صلى الله عليه وسلم يوم فتح مكة اغتسل في بيتها وصلى ثماني ركعات فلم يره أحد صلاهن بعد ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৯২

حدثنا مسدد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا الجريري، عن عبد الله بن شقيق، قال سألت عائشة هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الضحى فقالت لا إلا أن يجيء من مغيبه ‏.‏ قلت هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرن بين السورتين قالت من المفصل ‏.‏

আব্দুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি (একই রাক’আতে) একাধিক সূরাহ একত্রে পাঠ করতেন? তিনি বললেন, (হাঁ) তিনি মুফাসসাল হতে পাঠ করতেন। (অর্থাৎ সূরাহ হুজরাত হতে নাস পর্যন্ত কুরাআনের শেষ দিকের সূরাহগুলো মিলিয়ে পড়তেন)। সহীহ: মুসলিমে এর প্রথমাংশ।

আব্দুল্লাহ ইবনু শাক্বীক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি (একই রাক’আতে) একাধিক সূরাহ একত্রে পাঠ করতেন? তিনি বললেন, (হাঁ) তিনি মুফাসসাল হতে পাঠ করতেন। (অর্থাৎ সূরাহ হুজরাত হতে নাস পর্যন্ত কুরাআনের শেষ দিকের সূরাহগুলো মিলিয়ে পড়তেন)। সহীহ: মুসলিমে এর প্রথমাংশ।

حدثنا مسدد، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا الجريري، عن عبد الله بن شقيق، قال سألت عائشة هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الضحى فقالت لا إلا أن يجيء من مغيبه ‏.‏ قلت هل كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرن بين السورتين قالت من المفصل ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৯৩

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت ما سبح رسول الله صلى الله عليه وسلم سبحة الضحى قط وإني لأسبحها وإن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليدع العمل وهو يحب أن يعمل به خشية أن يعمل به الناس فيفرض عليهم ‏.

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো চাশতের সলাত আদায় করেননি। তবে আমি তা আদায় করি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো কোনো কাজকে যদিও প্রিয় মনে করতেন, কিন্ত তা এ আশংকায় বর্জন করতেন যে, লোকেরা তার উপর আমল করলে হয়ত তাদের উপর তা ফরয করে দেয়া হবে। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো চাশতের সলাত আদায় করেননি। তবে আমি তা আদায় করি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো কোনো কাজকে যদিও প্রিয় মনে করতেন, কিন্ত তা এ আশংকায় বর্জন করতেন যে, লোকেরা তার উপর আমল করলে হয়ত তাদের উপর তা ফরয করে দেয়া হবে। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عائشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت ما سبح رسول الله صلى الله عليه وسلم سبحة الضحى قط وإني لأسبحها وإن كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليدع العمل وهو يحب أن يعمل به خشية أن يعمل به الناس فيفرض عليهم ‏.


সুনানে আবু দাউদ ১২৯৪

حدثنا ابن نفيل، وأحمد بن يونس، قالا حدثنا زهير، حدثنا سماك، قال قلت لجابر بن سمرة أكنت تجالس رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم كثيرا فكان لا يقوم من مصلاه الذي صلى فيه الغداة حتى تطلع الشمس فإذا طلعت قام صلى الله عليه وسلم ‏.‏

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহচর্যে থাকতেন? তিনি বলেন, হাঁ, অধিক সময় তার সাহচর্যে ছিলাম। তিনি সূর্যোদায় পর্যন্ত ঐ স্থানেই বসে থাকতেন সেখানে তিনি ফজরের সলাত আদায় করেছেন। অতঃপর সূর্যোদয় হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে যেতেন। সহীহ: মুসলিম

সিমাক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাহচর্যে থাকতেন? তিনি বলেন, হাঁ, অধিক সময় তার সাহচর্যে ছিলাম। তিনি সূর্যোদায় পর্যন্ত ঐ স্থানেই বসে থাকতেন সেখানে তিনি ফজরের সলাত আদায় করেছেন। অতঃপর সূর্যোদয় হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে যেতেন। সহীহ: মুসলিম

حدثنا ابن نفيل، وأحمد بن يونس، قالا حدثنا زهير، حدثنا سماك، قال قلت لجابر بن سمرة أكنت تجالس رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم كثيرا فكان لا يقوم من مصلاه الذي صلى فيه الغداة حتى تطلع الشمس فإذا طلعت قام صلى الله عليه وسلم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > দিনের নাফ্‌ল সলাতের বর্ণনা

সুনানে আবু দাউদ ১২৯৫

حدثنا عمرو بن مرزوق، أخبرنا شعبة، عن يعلى بن عطاء، عن علي بن عبد الله البارقي، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ صلاة الليل والنهار مثنى مثنى ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের এবং দিনের (নাফল) সলাত দু’ রাক’আত করে আদায় করতে হয়।

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের এবং দিনের (নাফল) সলাত দু’ রাক’আত করে আদায় করতে হয়।

حدثنا عمرو بن مرزوق، أخبرنا شعبة، عن يعلى بن عطاء، عن علي بن عبد الله البارقي، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ صلاة الليل والنهار مثنى مثنى ‏"‏ ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৯৬

حدثنا ابن المثنى، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا شعبة، حدثني عبد ربه بن سعيد، عن أنس بن أبي أنس، عن عبد الله بن نافع، عن عبد الله بن الحارث، عن المطلب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الصلاة مثنى مثنى أن تشهد في كل ركعتين وأن تباءس وتمسكن وتقنع بيديك وتقول اللهم اللهم فمن لم يفعل ذلك فهي خداج ‏"‏ ‏.‏ سئل أبو داود عن صلاة الليل مثنى قال إن شئت مثنى وإن شئت أربعا ‏.‏

আল-মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সলাত দু’ রাক’আত দু’ রাক’আত করে আদায় করতে হয়। প্রত্যেক দু’ রাক’আতে তোমার তাশাহহুদ পড়তে হবে। অতঃপর তুমি তোমার বিপদাপদ ও দারিদ্রের কথা দু’ হাত উঠিয়ে দু’আ করবে, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ! যে ব্যাক্তি এরূপ করে না তার আচরণ হবে ক্রটিপূর্ণ। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ)-কে রাতে দু’ রাক’আত সলাত সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, তুমি ইচ্ছা করলে দু’ রাক’আত আদায় করতে পারো, আবার ইচ্ছে হলে চার রাক’আত করেও আদায় করতে পারো।

আল-মুত্তালিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সলাত দু’ রাক’আত দু’ রাক’আত করে আদায় করতে হয়। প্রত্যেক দু’ রাক’আতে তোমার তাশাহহুদ পড়তে হবে। অতঃপর তুমি তোমার বিপদাপদ ও দারিদ্রের কথা দু’ হাত উঠিয়ে দু’আ করবে, হে আল্লাহ! হে আল্লাহ! যে ব্যাক্তি এরূপ করে না তার আচরণ হবে ক্রটিপূর্ণ। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ)-কে রাতে দু’ রাক’আত সলাত সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, তুমি ইচ্ছা করলে দু’ রাক’আত আদায় করতে পারো, আবার ইচ্ছে হলে চার রাক’আত করেও আদায় করতে পারো।

حدثنا ابن المثنى، حدثنا معاذ بن معاذ، حدثنا شعبة، حدثني عبد ربه بن سعيد، عن أنس بن أبي أنس، عن عبد الله بن نافع، عن عبد الله بن الحارث، عن المطلب، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الصلاة مثنى مثنى أن تشهد في كل ركعتين وأن تباءس وتمسكن وتقنع بيديك وتقول اللهم اللهم فمن لم يفعل ذلك فهي خداج ‏"‏ ‏.‏ سئل أبو داود عن صلاة الليل مثنى قال إن شئت مثنى وإن شئت أربعا ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00