সুনানে আবু দাউদ > ‘আসরের ফারয্ সলাতের পূর্বে সলাত
সুনানে আবু দাউদ ১২৭১
حدثنا أحمد بن إبراهيم، حدثنا أبو داود، حدثنا محمد بن مهران القرشي، حدثني جدي أبو المثنى، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رحم الله امرأ صلى قبل العصر أربعا " .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ এমন ব্যক্তির উপর অনুগ্রহ করেন, যে ‘আসরের পূর্বে চার রাক’আত সালাত আদায় করে।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ এমন ব্যক্তির উপর অনুগ্রহ করেন, যে ‘আসরের পূর্বে চার রাক’আত সালাত আদায় করে।
حدثنا أحمد بن إبراهيم، حدثنا أبو داود، حدثنا محمد بن مهران القرشي، حدثني جدي أبو المثنى، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " رحم الله امرأ صلى قبل العصر أربعا " .
সুনানে আবু দাউদ ১২৭২
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن عاصم بن ضمرة، عن علي، عليه السلام أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يصلي قبل العصر ركعتين .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আসরের পূর্বে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করতেন। হাসান, তবে (চার রাক’আত) শব্দযোগে।
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আসরের পূর্বে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করতেন। হাসান, তবে (চার রাক’আত) শব্দযোগে।
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن عاصم بن ضمرة، عن علي، عليه السلام أن النبي صلى الله عليه وسلم كان يصلي قبل العصر ركعتين .
সুনানে আবু দাউদ > ‘আসরের পর সালাত আদায়
সুনানে আবু দাউদ ১২৭৩
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، عن كريب، مولى ابن عباس أن عبد الله بن عباس، وعبد الرحمن بن أزهر، والمسور بن مخرمة، أرسلوه إلى عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا اقرأ عليها السلام منا جميعا وسلها عن الركعتين بعد العصر وقل إنا أخبرنا أنك تصلينهما وقد بلغنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عنهما . فدخلت عليها فبلغتها ما أرسلوني به فقالت سل أم سلمة . فخرجت إليهم فأخبرتهم بقولها فردوني إلى أم سلمة بمثل ما أرسلوني به إلى عائشة فقالت أم سلمة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عنهما ثم رأيته يصليهما أما حين صلاهما فإنه صلى العصر ثم دخل وعندي نسوة من بني حرام من الأنصار فصلاهما فأرسلت إليه الجارية فقلت قومي بجنبه فقولي له تقول أم سلمة يا رسول الله أسمعك تنهى عن هاتين الركعتين وأراك تصليهما فإن أشار بيده فاستأخري عنه . قالت ففعلت الجارية فأشار بيده فاستأخرت عنه فلما انصرف قال " يا بنت أبي أمية سألت عن الركعتين بعد العصر إنه أتاني ناس من عبد القيس بالإسلام من قومهم فشغلوني عن الركعتين اللتين بعد الظهر فهما هاتان " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) এর মুক্তদাস কুরাইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস, ‘আব্দুর রহমান ইবনু আযহার ও আল-মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) সকলেই তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর কাছে প্রেরণ করেন। (তারা তাকে বললেন), আমাদের পক্ষ হতে ‘আয়িশাহকে সালাম জানাবে, তাঁকে ‘আসরের পরে দু’ রাক’আত সালাত সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করবে এবং বলবে যে, আমাদের জানতে পেরেছি, আপনি ঐ দু’ রাক’আত সালাত আদায় করে থাকেন। অথচ আমাদের কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পড়তে নিষেধ করেছেন। (বর্ণনাকারী কুরাইব বলেন), অতঃপর আমি তাঁর কাছে যাই এবং তারা আমাকে যে সংবাদসহ পাঠিয়েছেন, তা পৌঁছাই। তিনি বললেন, এ বিষয়ে উম্মু সালামাহ (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করো। সুতরাং আমি তাদের নিকট ফিরে এসে তার বক্তব্য তাদেরকে জানাই। তারা আমাকে পুনরায় উম্মু সালামহ (রাঃ) এর নিকট ‘আয়িশাহর অনুরুপ সংবাদসহ পাঠালেন। উমু সালামাহ (রাঃ) বললেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’ রাক’আতকে যে নিষেধ করেছেন, তা আমিও শুনেছি। কিন্তু পরবর্তীতে আমি তাকে এ দু’ রাক’আত আদায় করতে দেখেছি। তবে তিনি এ দু’ রাক’আত আদায় করেছেন ‘আসরের (ফারয) সালাতের পরে। অতঃপর তিনি যখন আমার কাছে আসেন, তখন আনসারের বনি হারাম গোত্রীয় কতিপয় মহিলা আমার কাছে উপস্থিত ছিল। তিনি সে সময় তা আদায় করেছেন। আমি আমার এক দাসীকে তাঁর কাছে এ বলে প্রেরণ করি যে, তুমি তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে বলবে, হে আল্লাহর রাসূল! উম্মু সালামাহ (রাঃ) এ দু’ রাক’আত সালাত সম্পর্কে আপনাকে নিষেধ করতে শুনেছেন। অথচ এখন তিনি দেখেছেন যে, আপনি তা নিজেই আদায় করেছেন। এ সময় তিনি হাত দিয়ে ইশারা করলে তাঁর থেকে সরে দাঁড়াবে। তিনি বলেন, দাসী তাই করলো। তিনি তাকে হাত দ্বারা ইঙ্গিত করায় সে সরে দাঁড়ালো। অতঃপর তিনি সলাত শেষে বললেনঃ হে আবু উমাইয়্যার কন্যা! তুমি আমাকে ‘আসরের পরে দু’ রাক’আত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছো। ইসলাম গ্রহনের উদ্দেশে ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রীয় কতিপয় লোক আমার নিকট আসার কারনে আমি যুহরের দু’ রাক’আত আদায় করতে পারিনি। এটা সেই দু’ রাক’আত। সহীহঃ মুসলিম ও বুখারী।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) এর মুক্তদাস কুরাইব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা ‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস, ‘আব্দুর রহমান ইবনু আযহার ও আল-মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) সকলেই তাকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর কাছে প্রেরণ করেন। (তারা তাকে বললেন), আমাদের পক্ষ হতে ‘আয়িশাহকে সালাম জানাবে, তাঁকে ‘আসরের পরে দু’ রাক’আত সালাত সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করবে এবং বলবে যে, আমাদের জানতে পেরেছি, আপনি ঐ দু’ রাক’আত সালাত আদায় করে থাকেন। অথচ আমাদের কাছে সংবাদ পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা পড়তে নিষেধ করেছেন। (বর্ণনাকারী কুরাইব বলেন), অতঃপর আমি তাঁর কাছে যাই এবং তারা আমাকে যে সংবাদসহ পাঠিয়েছেন, তা পৌঁছাই। তিনি বললেন, এ বিষয়ে উম্মু সালামাহ (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করো। সুতরাং আমি তাদের নিকট ফিরে এসে তার বক্তব্য তাদেরকে জানাই। তারা আমাকে পুনরায় উম্মু সালামহ (রাঃ) এর নিকট ‘আয়িশাহর অনুরুপ সংবাদসহ পাঠালেন। উমু সালামাহ (রাঃ) বললেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ দু’ রাক’আতকে যে নিষেধ করেছেন, তা আমিও শুনেছি। কিন্তু পরবর্তীতে আমি তাকে এ দু’ রাক’আত আদায় করতে দেখেছি। তবে তিনি এ দু’ রাক’আত আদায় করেছেন ‘আসরের (ফারয) সালাতের পরে। অতঃপর তিনি যখন আমার কাছে আসেন, তখন আনসারের বনি হারাম গোত্রীয় কতিপয় মহিলা আমার কাছে উপস্থিত ছিল। তিনি সে সময় তা আদায় করেছেন। আমি আমার এক দাসীকে তাঁর কাছে এ বলে প্রেরণ করি যে, তুমি তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে বলবে, হে আল্লাহর রাসূল! উম্মু সালামাহ (রাঃ) এ দু’ রাক’আত সালাত সম্পর্কে আপনাকে নিষেধ করতে শুনেছেন। অথচ এখন তিনি দেখেছেন যে, আপনি তা নিজেই আদায় করেছেন। এ সময় তিনি হাত দিয়ে ইশারা করলে তাঁর থেকে সরে দাঁড়াবে। তিনি বলেন, দাসী তাই করলো। তিনি তাকে হাত দ্বারা ইঙ্গিত করায় সে সরে দাঁড়ালো। অতঃপর তিনি সলাত শেষে বললেনঃ হে আবু উমাইয়্যার কন্যা! তুমি আমাকে ‘আসরের পরে দু’ রাক’আত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছো। ইসলাম গ্রহনের উদ্দেশে ‘আবদুল ক্বায়িস গোত্রীয় কতিপয় লোক আমার নিকট আসার কারনে আমি যুহরের দু’ রাক’আত আদায় করতে পারিনি। এটা সেই দু’ রাক’আত। সহীহঃ মুসলিম ও বুখারী।
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو بن الحارث، عن بكير بن الأشج، عن كريب، مولى ابن عباس أن عبد الله بن عباس، وعبد الرحمن بن أزهر، والمسور بن مخرمة، أرسلوه إلى عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا اقرأ عليها السلام منا جميعا وسلها عن الركعتين بعد العصر وقل إنا أخبرنا أنك تصلينهما وقد بلغنا أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عنهما . فدخلت عليها فبلغتها ما أرسلوني به فقالت سل أم سلمة . فخرجت إليهم فأخبرتهم بقولها فردوني إلى أم سلمة بمثل ما أرسلوني به إلى عائشة فقالت أم سلمة سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عنهما ثم رأيته يصليهما أما حين صلاهما فإنه صلى العصر ثم دخل وعندي نسوة من بني حرام من الأنصار فصلاهما فأرسلت إليه الجارية فقلت قومي بجنبه فقولي له تقول أم سلمة يا رسول الله أسمعك تنهى عن هاتين الركعتين وأراك تصليهما فإن أشار بيده فاستأخري عنه . قالت ففعلت الجارية فأشار بيده فاستأخرت عنه فلما انصرف قال " يا بنت أبي أمية سألت عن الركعتين بعد العصر إنه أتاني ناس من عبد القيس بالإسلام من قومهم فشغلوني عن الركعتين اللتين بعد الظهر فهما هاتان " .
সুনানে আবু দাউদ > সূর্য উপরে থাকতে দু’ রাক’আত সলাতের অনুমতি
সুনানে আবু দাউদ ১২৭৮
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا وهيب، حدثنا قدامة بن موسى، عن أيوب بن حصين، عن أبي علقمة، عن يسار، مولى ابن عمر قال رآني ابن عمر وأنا أصلي، بعد طلوع الفجر فقال يا يسار إن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج علينا ونحن نصلي هذه الصلاة فقال " ليبلغ شاهدكم غائبكم لا تصلوا بعد الفجر إلا سجدتين " .
ইবনু উমার (রাঃ) এর মুক্তদাস ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ইবনু উমার (রাঃ) আমাকে সুবহি সাদিকের পর সলাত আদায় করতে দেখে বললেন, হে ইয়াসার! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। ঠিক ঐ সময় আমরা এ সলাত আদায় করছিলাম। তিনি বললেনঃ অবশ্যই তোমাদের উপস্থিতরা যেন অনুপস্থিতদের কাছে পৌঁছিয়ে দেয় যে সুবহি সাদিকের পর (ফজরের) দু’রাক’আত সুন্নাত ব্যতীত তোমরা অন্য কোন সলাত আদায় করবে না। সহীহ: মুসলিম।
ইবনু উমার (রাঃ) এর মুক্তদাস ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা ইবনু উমার (রাঃ) আমাকে সুবহি সাদিকের পর সলাত আদায় করতে দেখে বললেন, হে ইয়াসার! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিকট আসলেন। ঠিক ঐ সময় আমরা এ সলাত আদায় করছিলাম। তিনি বললেনঃ অবশ্যই তোমাদের উপস্থিতরা যেন অনুপস্থিতদের কাছে পৌঁছিয়ে দেয় যে সুবহি সাদিকের পর (ফজরের) দু’রাক’আত সুন্নাত ব্যতীত তোমরা অন্য কোন সলাত আদায় করবে না। সহীহ: মুসলিম।
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا وهيب، حدثنا قدامة بن موسى، عن أيوب بن حصين، عن أبي علقمة، عن يسار، مولى ابن عمر قال رآني ابن عمر وأنا أصلي، بعد طلوع الفجر فقال يا يسار إن رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج علينا ونحن نصلي هذه الصلاة فقال " ليبلغ شاهدكم غائبكم لا تصلوا بعد الفجر إلا سجدتين " .
সুনানে আবু দাউদ ১২৮০
حدثنا عبيد الله بن سعد، حدثنا عمي، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن ذكوان، مولى عائشة أنها حدثته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي بعد العصر وينهى عنها ويواصل وينهى عن الوصال .
আয়িশা (রাঃ) এর মুক্তদাস যাকওয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাকে বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে ‘আসরের পরে সলাত আদায় করতেন, তবে লোকদেরকে নিষেধ করতেন এবং তিনি বিরতিহীনভাবে (বহুদিন) সওম পালন করতেন, কিন্ত অন্যদেরকে বিরতিহীনভাবে সওম পালনে নিষেধ করতেন। [১২৮৩]
আয়িশা (রাঃ) এর মুক্তদাস যাকওয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি তাকে বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজে ‘আসরের পরে সলাত আদায় করতেন, তবে লোকদেরকে নিষেধ করতেন এবং তিনি বিরতিহীনভাবে (বহুদিন) সওম পালন করতেন, কিন্ত অন্যদেরকে বিরতিহীনভাবে সওম পালনে নিষেধ করতেন। [১২৮৩]
حدثنا عبيد الله بن سعد، حدثنا عمي، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، عن محمد بن عمرو بن عطاء، عن ذكوان، مولى عائشة أنها حدثته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يصلي بعد العصر وينهى عنها ويواصل وينهى عن الوصال .
সুনানে আবু দাউদ ১২৭৬
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس، قال شهد عندي رجال مرضيون فيهم عمر بن الخطاب وأرضاهم عندي عمر أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " لا صلاة بعد صلاة الصبح حتى تطلع الشمس ولا صلاة بعد صلاة العصر حتى تغرب الشمس " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কতিপয় আল্লাহর প্রিয় লোক আমার কাছে সাক্ষ্য দেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) ছিলেন তাদের একজন। মুলতঃ আমার নিকট ‘ উমার (রাঃ) ছিলেন তাদের মধ্যেকার অধিক আল্লাহর প্রিয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন ফায্রের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোনো সলাত নেই এবং ‘আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো সালাত নেই। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কতিপয় আল্লাহর প্রিয় লোক আমার কাছে সাক্ষ্য দেন, ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) ছিলেন তাদের একজন। মুলতঃ আমার নিকট ‘ উমার (রাঃ) ছিলেন তাদের মধ্যেকার অধিক আল্লাহর প্রিয়। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন ফায্রের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত কোনো সলাত নেই এবং ‘আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো সালাত নেই। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا أبان، حدثنا قتادة، عن أبي العالية، عن ابن عباس، قال شهد عندي رجال مرضيون فيهم عمر بن الخطاب وأرضاهم عندي عمر أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال " لا صلاة بعد صلاة الصبح حتى تطلع الشمس ولا صلاة بعد صلاة العصر حتى تغرب الشمس " .
সুনানে আবু দাউদ ১২৭৪
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا شعبة، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن وهب بن الأجدع، عن علي، أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن الصلاة بعد العصر إلا والشمس مرتفعة .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আসরের পর সলাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। অবশ্য সূর্য উঁচুতে থাকাবস্থায় আদায় করা যায়।
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‘আসরের পর সলাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন। অবশ্য সূর্য উঁচুতে থাকাবস্থায় আদায় করা যায়।
حدثنا مسلم بن إبراهيم، حدثنا شعبة، عن منصور، عن هلال بن يساف، عن وهب بن الأجدع، عن علي، أن النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن الصلاة بعد العصر إلا والشمس مرتفعة .
সুনানে আবু দাউদ ১২৭৫
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن عاصم بن ضمرة، عن علي، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في إثر كل صلاة مكتوبة ركعتين إلا الفجر والعصر .
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায্র ও ‘আসর ব্যতীত প্রত্যেক ফরয সলাতের পরে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করতেন। [১২৭৮]
‘আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফায্র ও ‘আসর ব্যতীত প্রত্যেক ফরয সলাতের পরে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করতেন। [১২৭৮]
حدثنا محمد بن كثير، أخبرنا سفيان، عن أبي إسحاق، عن عاصم بن ضمرة، عن علي، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في إثر كل صلاة مكتوبة ركعتين إلا الفجر والعصر .
সুনানে আবু দাউদ ১২৭৭
حدثنا الربيع بن نافع، حدثنا محمد بن المهاجر، عن العباس بن سالم، عن أبي سلام، عن أبي أمامة، عن عمرو بن عبسة السلمي، أنه قال قلت يا رسول الله أى الليل أسمع قال " جوف الليل الآخر فصل ما شئت فإن الصلاة مشهودة مكتوبة حتى تصلي الصبح ثم أقصر حتى تطلع الشمس فترتفع قيس رمح أو رمحين فإنها تطلع بين قرنى شيطان وتصلي لها الكفار ثم صل ما شئت فإن الصلاة مشهودة مكتوبة حتى يعدل الرمح ظله ثم أقصر فإن جهنم تسجر وتفتح أبوابها فإذا زاغت الشمس فصل ما شئت فإن الصلاة مشهودة حتى تصلي العصر ثم أقصر حتى تغرب الشمس فإنها تغرب بين قرنى شيطان ويصلي لها الكفار " . وقص حديثا طويلا قال العباس هكذا حدثني أبو سلام عن أبي أمامة إلا أن أخطئ شيئا لا أريده فأستغفر الله وأتوب إليه .
‘আমর ইবনু আনবাসাহ আস-সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! রাতের কোন অংশ অধিক শ্রবণীয় (অর্থাৎ আল্লাহ দু’আ বেশি কবুল করেন)? তিনি বলেন: রাতের শেষাংশ, এ সময় যতটুকু ইচ্ছা সালাত আদায় করবে। কেননা এ সময়ে মালায়িকাহ (ফেরেশতাগণ) এসে ফাজরের সালাত শেষ হওয় পর্যন্ত উপস্থিত থাকেন এবং লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর সূর্য উঠা পর্যন্ত সলাত হতে বিরত থাকবে, যতক্ষণ না তা এক কিংবা দুই তীর পরিমাণ উপরে উঠে। কারণ সূর্য উদিত হয় শাইত্বানের দুই শিংয়ের মধ্য দিয়ে। আর কাফিররা এ সময় তার পূজা করে থাকে। এরপর তীরের ছায়া ঠিকথাকা (দ্বি প্রহরের পূর্বে) পর্যন্ত যত ইচ্ছা সলাত আদায় করবে, এ সময়ের সলাত সম্পর্কে ফেরেশতাগণ সাক্ষ্য দিয়ে থাকেন এবং তা লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর সলাত হতে বিরত থাকবে, কেননা এ সময় জাহান্নাম উত্তপ্ত করা হয় এবং তার সমস্ত দরজা খুলে দেয়া হয়। যখন সূর্য পশ্চিমাকাশে হেলে পড়বে তখন যত ইচ্ছা সলাত আদায় করবে, কেননা আসরের সলাত পর্যন্ত এ সময়ের মধ্যকার সলাত সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয় হয়। অতঃপর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত সলাত হতে বিরত থাকবে, কেননা তা শাইত্বানের দুই শিংয়ের মধ্যে দিয়ে অস্ত যায় এবং এ সময় কাফিররা তার উপাসনা করে থাকে। অতঃপর বর্ণনাকারী এ বিষয়ে দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করেন। আল-‘আব্বাস (রহঃ) বলেন,আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে আবূ সাললাম (রহঃ) আমার কাছে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাতে আমি অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুল করেছি, সেজন্যে আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁরই কাছে তাওবাহ করি। সহীহঃ মুসলিম এ বাক্য বাদে জাওফুল লাইল।
‘আমর ইবনু আনবাসাহ আস-সুলামী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! রাতের কোন অংশ অধিক শ্রবণীয় (অর্থাৎ আল্লাহ দু’আ বেশি কবুল করেন)? তিনি বলেন: রাতের শেষাংশ, এ সময় যতটুকু ইচ্ছা সালাত আদায় করবে। কেননা এ সময়ে মালায়িকাহ (ফেরেশতাগণ) এসে ফাজরের সালাত শেষ হওয় পর্যন্ত উপস্থিত থাকেন এবং লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর সূর্য উঠা পর্যন্ত সলাত হতে বিরত থাকবে, যতক্ষণ না তা এক কিংবা দুই তীর পরিমাণ উপরে উঠে। কারণ সূর্য উদিত হয় শাইত্বানের দুই শিংয়ের মধ্য দিয়ে। আর কাফিররা এ সময় তার পূজা করে থাকে। এরপর তীরের ছায়া ঠিকথাকা (দ্বি প্রহরের পূর্বে) পর্যন্ত যত ইচ্ছা সলাত আদায় করবে, এ সময়ের সলাত সম্পর্কে ফেরেশতাগণ সাক্ষ্য দিয়ে থাকেন এবং তা লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর সলাত হতে বিরত থাকবে, কেননা এ সময় জাহান্নাম উত্তপ্ত করা হয় এবং তার সমস্ত দরজা খুলে দেয়া হয়। যখন সূর্য পশ্চিমাকাশে হেলে পড়বে তখন যত ইচ্ছা সলাত আদায় করবে, কেননা আসরের সলাত পর্যন্ত এ সময়ের মধ্যকার সলাত সম্পর্কে সাক্ষ্য দেয় হয়। অতঃপর সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত সলাত হতে বিরত থাকবে, কেননা তা শাইত্বানের দুই শিংয়ের মধ্যে দিয়ে অস্ত যায় এবং এ সময় কাফিররা তার উপাসনা করে থাকে। অতঃপর বর্ণনাকারী এ বিষয়ে দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করেন। আল-‘আব্বাস (রহঃ) বলেন,আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে আবূ সাললাম (রহঃ) আমার কাছে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাতে আমি অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুল করেছি, সেজন্যে আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁরই কাছে তাওবাহ করি। সহীহঃ মুসলিম এ বাক্য বাদে জাওফুল লাইল।
حدثنا الربيع بن نافع، حدثنا محمد بن المهاجر، عن العباس بن سالم، عن أبي سلام، عن أبي أمامة، عن عمرو بن عبسة السلمي، أنه قال قلت يا رسول الله أى الليل أسمع قال " جوف الليل الآخر فصل ما شئت فإن الصلاة مشهودة مكتوبة حتى تصلي الصبح ثم أقصر حتى تطلع الشمس فترتفع قيس رمح أو رمحين فإنها تطلع بين قرنى شيطان وتصلي لها الكفار ثم صل ما شئت فإن الصلاة مشهودة مكتوبة حتى يعدل الرمح ظله ثم أقصر فإن جهنم تسجر وتفتح أبوابها فإذا زاغت الشمس فصل ما شئت فإن الصلاة مشهودة حتى تصلي العصر ثم أقصر حتى تغرب الشمس فإنها تغرب بين قرنى شيطان ويصلي لها الكفار " . وقص حديثا طويلا قال العباس هكذا حدثني أبو سلام عن أبي أمامة إلا أن أخطئ شيئا لا أريده فأستغفر الله وأتوب إليه .
সুনানে আবু দাউদ ১২৭৯
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن الأسود، ومسروق، قالا نشهد على عائشة - رضى الله عنها - أنها قالت ما من يوم يأتي على النبي صلى الله عليه وسلم إلا صلى بعد العصر ركعتين .
আল-আসওয়াদ ও মাসরূক (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তারা উভয়ে বলেন, আমরা আয়িশাহ (রাঃ) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে দিনই আমার কাছে আসতেন, তখন তিনি আসরের পর দু’ রাক’আত সলাত আদায় করতেন। সহীহ: বুখারী ও মুসলিম।
আল-আসওয়াদ ও মাসরূক (রহঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তারা উভয়ে বলেন, আমরা আয়িশাহ (রাঃ) সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি বলেছেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে দিনই আমার কাছে আসতেন, তখন তিনি আসরের পর দু’ রাক’আত সলাত আদায় করতেন। সহীহ: বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن أبي إسحاق، عن الأسود، ومسروق، قالا نشهد على عائشة - رضى الله عنها - أنها قالت ما من يوم يأتي على النبي صلى الله عليه وسلم إلا صلى بعد العصر ركعتين .
সুনানে আবু দাউদ > মাগরিবের পূর্বে নাফ্ল সলাত
সুনানে আবু দাউদ ১২৮১
حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، عن الحسين المعلم، عن عبد الله بن بريدة، عن عبد الله المزني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صلوا قبل المغرب ركعتين " . ثم قال " صلوا قبل المغرب ركعتين لمن شاء " . خشية أن يتخذها الناس سنة .
আব্দুল্লাহ আল-মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করো। তিনি দু’ বার এরূপ বললেন। অতঃপর বললেন, যার ইচ্ছা হয়। এ আশংকায় যে লোকেরা হয়ত এটাকে সুন্নাত (বা স্থায়ী নিয়ম) বানিয়ে নিবে। সহীহঃ বুখারী
আব্দুল্লাহ আল-মুযানী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করো। তিনি দু’ বার এরূপ বললেন। অতঃপর বললেন, যার ইচ্ছা হয়। এ আশংকায় যে লোকেরা হয়ত এটাকে সুন্নাত (বা স্থায়ী নিয়ম) বানিয়ে নিবে। সহীহঃ বুখারী
حدثنا عبيد الله بن عمر، حدثنا عبد الوارث بن سعيد، عن الحسين المعلم، عن عبد الله بن بريدة، عن عبد الله المزني، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صلوا قبل المغرب ركعتين " . ثم قال " صلوا قبل المغرب ركعتين لمن شاء " . خشية أن يتخذها الناس سنة .
সুনানে আবু দাউদ ১২৮২
حدثنا محمد بن عبد الرحيم البزاز، أخبرنا سعيد بن سليمان، حدثنا منصور بن أبي الأسود، عن المختار بن فلفل، عن أنس بن مالك، قال صليت الركعتين قبل المغرب على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال قلت لأنس أرآكم رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم رآنا فلم يأمرنا ولم ينهنا .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেছি। মুখতার ইবনু ফুলফুল (রহঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাদের সলাত আদায় করতে দেখেছেন কি? তিনি বললেন, হাঁ, তিনি আমাদেরকে দেখেছেন। তবে তিনি আমাদেরকে এ বিষয় কোন আদেশ বা নিষেধ করেননি। সহীহ: মুসলিম, অনুরূপ বুখারী।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেছি। মুখতার ইবনু ফুলফুল (রহঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করি, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনাদের সলাত আদায় করতে দেখেছেন কি? তিনি বললেন, হাঁ, তিনি আমাদেরকে দেখেছেন। তবে তিনি আমাদেরকে এ বিষয় কোন আদেশ বা নিষেধ করেননি। সহীহ: মুসলিম, অনুরূপ বুখারী।
حدثنا محمد بن عبد الرحيم البزاز، أخبرنا سعيد بن سليمان، حدثنا منصور بن أبي الأسود، عن المختار بن فلفل، عن أنس بن مالك، قال صليت الركعتين قبل المغرب على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال قلت لأنس أرآكم رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم رآنا فلم يأمرنا ولم ينهنا .
সুনানে আবু দাউদ ১২৮৩
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا ابن علية، عن الجريري، عن عبد الله بن بريدة، عن عبد الله بن مغفل، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بين كل أذانين صلاة بين كل أذانين صلاة لمن شاء " .
আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সলাত রয়েছে। প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সলাত রয়েছে, যার ইচ্ছে হয় পড়তে পারে। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
আব্দুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সলাত রয়েছে। প্রত্যেক দুই আযানের মধ্যবর্তী সময়ে সলাত রয়েছে, যার ইচ্ছে হয় পড়তে পারে। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا ابن علية، عن الجريري، عن عبد الله بن بريدة، عن عبد الله بن مغفل، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بين كل أذانين صلاة بين كل أذانين صلاة لمن شاء " .
সুনানে আবু দাউদ ১২৮৪
حدثنا ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي شعيب، عن طاوس، قال سئل ابن عمر عن الركعتين، قبل المغرب فقال ما رأيت أحدا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليهما . ورخص في الركعتين بعد العصر . قال أبو داود سمعت يحيى بن معين يقول هو شعيب يعني وهم شعبة في اسمه .
তাঊস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাঃ)-কে মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে আমি কাউকে এ সলাত আদায় করতে দেখিনি। তবে ‘আসরের পরে দু’ রাক’আত সলাত আদায়ের অনুমতি আছে। [১২৮৭]
তাঊস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাঃ)-কে মাগরিবের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে আমি কাউকে এ সলাত আদায় করতে দেখিনি। তবে ‘আসরের পরে দু’ রাক’আত সলাত আদায়ের অনুমতি আছে। [১২৮৭]
حدثنا ابن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن أبي شعيب، عن طاوس، قال سئل ابن عمر عن الركعتين، قبل المغرب فقال ما رأيت أحدا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم يصليهما . ورخص في الركعتين بعد العصر . قال أبو داود سمعت يحيى بن معين يقول هو شعيب يعني وهم شعبة في اسمه .