সুনানে আবু দাউদ > সলাতুল খাওফ (ভয়কালীন সলাত)

সুনানে আবু দাউদ ১২৩৬

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا جرير بن عبد الحميد، عن منصور، عن مجاهد، عن أبي عياش الزرقي، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بعسفان وعلى المشركين خالد بن الوليد فصلينا الظهر فقال المشركون لقد أصبنا غرة لقد أصبنا غفلة لو كنا حملنا عليهم وهم في الصلاة فنزلت آية القصر بين الظهر والعصر فلما حضرت العصر قام رسول الله صلى الله عليه وسلم مستقبل القبلة والمشركون أمامه فصف خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم صف وصف بعد ذلك الصف صف آخر فركع رسول الله صلى الله عليه وسلم وركعوا جميعا ثم سجد وسجد الصف الذين يلونه وقام الآخرون يحرسونهم فلما صلى هؤلاء السجدتين وقاموا سجد الآخرون الذين كانوا خلفهم ثم تأخر الصف الذي يليه إلى مقام الآخرين وتقدم الصف الأخير إلى مقام الصف الأول ثم ركع رسول الله صلى الله عليه وسلم وركعوا جميعا ثم سجد وسجد الصف الذي يليه وقام الآخرون يحرسونهم فلما جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم والصف الذي يليه سجد الآخرون ثم جلسوا جميعا فسلم عليهم جميعا فصلاها بعسفان وصلاها يوم بني سليم ‏.‏ قال أبو داود روى أيوب وهشام عن أبي الزبير عن جابر هذا المعنى عن النبي صلى الله عليه وسلم وكذلك رواه داود بن حصين عن عكرمة عن ابن عباس وكذلك عبد الملك عن عطاء عن جابر وكذلك قتادة عن الحسن عن حطان عن أبي موسى فعله وكذلك عكرمة بن خالد عن مجاهد عن النبي صلى الله عليه وسلم وكذلك هشام بن عروة عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم وهو قول الثوري ‏.‏

আবূ ‘আইয়াশ আয-যুরাক্বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে ‘উসফান নামক স্থানে ছিলাম। তখন খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ মুশরিকদের সেনাধিনায়ক ছিলেন। আমরা যুহরের সলাত আদায় করলে মুশরিকরা পরস্পর বলাবলি করলো, নিশ্চয়ই আমরা ধোঁকার মধ্যে আছি, আমরা তো একটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছি। তাদের সলাতরত অবস্থায় আক্রমণ করতে পারলে তো (আমাদের নিশ্চিত বিজয়)। এমন সময় যুহর ও ‘আসর সলাতের মধ্যবর্তী সময়ে সলাত ক্বসর সম্পর্কিত আয়াত অবতীর্ণ হয়। কাজেই ‘আসরের ওয়াক্ত হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিবলামুখী হয়ে সলাতে দাঁড়ান। তখন মুশরিকরা তাঁর সম্মুখে অবস্থান করছিল। (মুসলিমদের) এক জামা’আত কাতারবদ্ধভাবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে দাঁড়ালো, এবং তার পিছনে দাঁড়ালো দ্বিতীয় কাতার। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ’ করলে তারাও একসাথে রুকূ’ করলো। অতঃপর তিনি সাজদাহ্ করলে যে কাতার তাঁর কাছাকাছি ছিল, তারাও সাজদাহ্ করলো, আর পিছনের কাতার এদেরকে পাহারা দিতে লাগলো। যখন প্রথম কাতার দু’টি সাজদাহ্ করে দাঁড়ালো তখন তাদের পিছনের কাতার লোকেরা সাজদাহ্ করলো। এ পর্যন্ত প্রত্যেক কাতারের লোকদের একটি রুকূ’ ও দু’টি করে সাজদাহ্ পূর্ণ হলো। অতঃপর প্রথম কাতারের লোকেরা দ্বিতীয় কাতারে সরে এলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ’ করলে সকলে একত্রে রুকূ’ করলো এবং পিছনের কাতারের লোকেরা তাদেরকে পাহারা দিল। যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর কাছাকাছি কাতারের লোকেরা বসলেন, তখন দ্বিতীয় কাতারের লোকেরা সাজদাহ্ করলো। অতঃপর তারা সবাই বসে পড়লো, এরপর তিনি সবাইকে নিয়ে একত্রে সালাম ফিরালেন। এভাবে তিনি ‘উসফান নামক স্থানে সলাত আদায় করলেন। আর এটা ছিল বনূ সুলাইম গোত্রের বিরুদ্ধে অভিযানকালে তাঁর সলাতুল খাওফ আদায়ের পদ্ধতি। সহীহ। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আইয়ূব বর্ণনা করেন, হিশাম আবুয যুবাইর হতে জাবির সূত্রে এরূপ অর্থের হাদীস নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। সহীহঃ মুসলিম। অনুরূপ বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনু হুসাইন, ‘ইকরিমাহ হতে ইবনু ‘আব্বাস সূত্রে। হাসান সহীহ। অনুরূপভাবে ‘আবদুল মালিক ‘আত্বা হতে জাবির সূত্রে। একইভাবে ক্বাতাদাহ, হাসান হতে হিত্তান সূত্রে আবূ মূসার কর্মমূলক বর্ণনা। সহীহঃ মুসলিম। অনুরূপভাবে ‘ইকরিমা ইবনু খালিদ বর্ণনা করেছেন মুজাহিদ হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে। আমি এটি পাইনি। একইভাবে হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ তার পিতা হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে। সহীহ মুরসাল। এ নিয়মে সলাতুল খাওফ আদায় করা সুফয়ান সাওরীর অভিমত।

আবূ ‘আইয়াশ আয-যুরাক্বী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে ‘উসফান নামক স্থানে ছিলাম। তখন খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ মুশরিকদের সেনাধিনায়ক ছিলেন। আমরা যুহরের সলাত আদায় করলে মুশরিকরা পরস্পর বলাবলি করলো, নিশ্চয়ই আমরা ধোঁকার মধ্যে আছি, আমরা তো একটি সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছি। তাদের সলাতরত অবস্থায় আক্রমণ করতে পারলে তো (আমাদের নিশ্চিত বিজয়)। এমন সময় যুহর ও ‘আসর সলাতের মধ্যবর্তী সময়ে সলাত ক্বসর সম্পর্কিত আয়াত অবতীর্ণ হয়। কাজেই ‘আসরের ওয়াক্ত হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিবলামুখী হয়ে সলাতে দাঁড়ান। তখন মুশরিকরা তাঁর সম্মুখে অবস্থান করছিল। (মুসলিমদের) এক জামা’আত কাতারবদ্ধভাবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পিছনে দাঁড়ালো, এবং তার পিছনে দাঁড়ালো দ্বিতীয় কাতার। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ’ করলে তারাও একসাথে রুকূ’ করলো। অতঃপর তিনি সাজদাহ্ করলে যে কাতার তাঁর কাছাকাছি ছিল, তারাও সাজদাহ্ করলো, আর পিছনের কাতার এদেরকে পাহারা দিতে লাগলো। যখন প্রথম কাতার দু’টি সাজদাহ্ করে দাঁড়ালো তখন তাদের পিছনের কাতার লোকেরা সাজদাহ্ করলো। এ পর্যন্ত প্রত্যেক কাতারের লোকদের একটি রুকূ’ ও দু’টি করে সাজদাহ্ পূর্ণ হলো। অতঃপর প্রথম কাতারের লোকেরা দ্বিতীয় কাতারে সরে এলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূ’ করলে সকলে একত্রে রুকূ’ করলো এবং পিছনের কাতারের লোকেরা তাদেরকে পাহারা দিল। যখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবং তাঁর কাছাকাছি কাতারের লোকেরা বসলেন, তখন দ্বিতীয় কাতারের লোকেরা সাজদাহ্ করলো। অতঃপর তারা সবাই বসে পড়লো, এরপর তিনি সবাইকে নিয়ে একত্রে সালাম ফিরালেন। এভাবে তিনি ‘উসফান নামক স্থানে সলাত আদায় করলেন। আর এটা ছিল বনূ সুলাইম গোত্রের বিরুদ্ধে অভিযানকালে তাঁর সলাতুল খাওফ আদায়ের পদ্ধতি। সহীহ। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আইয়ূব বর্ণনা করেন, হিশাম আবুয যুবাইর হতে জাবির সূত্রে এরূপ অর্থের হাদীস নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেছেন। সহীহঃ মুসলিম। অনুরূপ বর্ণনা করেছেন দাউদ ইবনু হুসাইন, ‘ইকরিমাহ হতে ইবনু ‘আব্বাস সূত্রে। হাসান সহীহ। অনুরূপভাবে ‘আবদুল মালিক ‘আত্বা হতে জাবির সূত্রে। একইভাবে ক্বাতাদাহ, হাসান হতে হিত্তান সূত্রে আবূ মূসার কর্মমূলক বর্ণনা। সহীহঃ মুসলিম। অনুরূপভাবে ‘ইকরিমা ইবনু খালিদ বর্ণনা করেছেন মুজাহিদ হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে। আমি এটি পাইনি। একইভাবে হিশাম ইবনু ‘উরওয়াহ তার পিতা হতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সূত্রে। সহীহ মুরসাল। এ নিয়মে সলাতুল খাওফ আদায় করা সুফয়ান সাওরীর অভিমত।

حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا جرير بن عبد الحميد، عن منصور، عن مجاهد، عن أبي عياش الزرقي، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بعسفان وعلى المشركين خالد بن الوليد فصلينا الظهر فقال المشركون لقد أصبنا غرة لقد أصبنا غفلة لو كنا حملنا عليهم وهم في الصلاة فنزلت آية القصر بين الظهر والعصر فلما حضرت العصر قام رسول الله صلى الله عليه وسلم مستقبل القبلة والمشركون أمامه فصف خلف رسول الله صلى الله عليه وسلم صف وصف بعد ذلك الصف صف آخر فركع رسول الله صلى الله عليه وسلم وركعوا جميعا ثم سجد وسجد الصف الذين يلونه وقام الآخرون يحرسونهم فلما صلى هؤلاء السجدتين وقاموا سجد الآخرون الذين كانوا خلفهم ثم تأخر الصف الذي يليه إلى مقام الآخرين وتقدم الصف الأخير إلى مقام الصف الأول ثم ركع رسول الله صلى الله عليه وسلم وركعوا جميعا ثم سجد وسجد الصف الذي يليه وقام الآخرون يحرسونهم فلما جلس رسول الله صلى الله عليه وسلم والصف الذي يليه سجد الآخرون ثم جلسوا جميعا فسلم عليهم جميعا فصلاها بعسفان وصلاها يوم بني سليم ‏.‏ قال أبو داود روى أيوب وهشام عن أبي الزبير عن جابر هذا المعنى عن النبي صلى الله عليه وسلم وكذلك رواه داود بن حصين عن عكرمة عن ابن عباس وكذلك عبد الملك عن عطاء عن جابر وكذلك قتادة عن الحسن عن حطان عن أبي موسى فعله وكذلك عكرمة بن خالد عن مجاهد عن النبي صلى الله عليه وسلم وكذلك هشام بن عروة عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم وهو قول الثوري ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যিনি বলেন, ইমামের সাথে এক কাতার দাঁড়াবে এবং এক কাতার দাঁড়িয়ে থাকবে শত্রুর মোকাবিলায়। ইমাম তার নিকটস্থ কাতারের লোকদের নিয়ে এক রাক’আত সলাত আদায় করে ইমাম ততক্ষন দাঁড়িয়ে থাকবে যতক্ষন না তার সাথে এক রাক’আত সলাত আদাইয়কারীরা নিজস্বভাবে তাদের দ্বিতীয় রাক’আত আদায় করে নেয়। আতঃপর তারা শত্রুর সম্মুখে চলে যাবে এবং দ্বিতীয় দল আসবে। ইমাম তাদেরক নিয়ে এক রাক’আত আদায় করবেন। অতঃপর তিনি ততক্ষন বসে থাকবেন যতক্ষন এরা নিজস্বভাবে নিজ নিজ দ্বিতীয় রাক’আত পূর্ণ করে নেয়। অতঃপর ইমাম সকলকে নিয়ে একত্রে সালাম ফিরাবে।

সুনানে আবু দাউদ ১২৩৭

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن صالح بن خوات، عن سهل بن أبي حثمة، أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى بأصحابه في خوف فجعلهم خلفه صفين فصلى بالذين يلونه ركعة ثم قام فلم يزل قائما حتى صلى الذين خلفهم ركعة ثم تقدموا وتأخر الذين كانوا قدامهم فصلى بهم النبي صلى الله عليه وسلم ركعة ثم قعد حتى صلى الذين تخلفوا ركعة ثم سلم ‏.‏

সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীদেরকে নিয়ে সলাতুল খাওফ আদায় করেন। তিনি তাঁর পিছনে সাহাবীদেরকে দুই কাতারে দাঁড় করান। অতঃপর তাঁর কাছাকাছি কাতারের লোকদের নিয়ে এক রাক'আত সলাত আদায় করেন। অতঃপর তাঁর কাছাকাছি কাতারের লোকেরা নিজেরাই বাকী এক রাক'আত আদায় করে নেন কিন্তু তিনি যথারীতি দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর যারা পিছনের (দ্বিতীয়) কাতারে ছিল তারা সম্মুখে আসলো এবং যারা সম্মুখে ছিল তারা পিছনে চলে গেল। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এদেরকে নিয়ে এক রাক'আত সলাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে রইলেন আর পিছনের লোকেরা বাকী এক রাক'আত পূর্ণ করলো। সবশেষে তিনি সালাম ফিরালেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।

সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সাহাবীদেরকে নিয়ে সলাতুল খাওফ আদায় করেন। তিনি তাঁর পিছনে সাহাবীদেরকে দুই কাতারে দাঁড় করান। অতঃপর তাঁর কাছাকাছি কাতারের লোকদের নিয়ে এক রাক'আত সলাত আদায় করেন। অতঃপর তাঁর কাছাকাছি কাতারের লোকেরা নিজেরাই বাকী এক রাক'আত আদায় করে নেন কিন্তু তিনি যথারীতি দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর যারা পিছনের (দ্বিতীয়) কাতারে ছিল তারা সম্মুখে আসলো এবং যারা সম্মুখে ছিল তারা পিছনে চলে গেল। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এদেরকে নিয়ে এক রাক'আত সলাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বসে রইলেন আর পিছনের লোকেরা বাকী এক রাক'আত পূর্ণ করলো। সবশেষে তিনি সালাম ফিরালেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।

حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا أبي، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن أبيه، عن صالح بن خوات، عن سهل بن أبي حثمة، أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى بأصحابه في خوف فجعلهم خلفه صفين فصلى بالذين يلونه ركعة ثم قام فلم يزل قائما حتى صلى الذين خلفهم ركعة ثم تقدموا وتأخر الذين كانوا قدامهم فصلى بهم النبي صلى الله عليه وسلم ركعة ثم قعد حتى صلى الذين تخلفوا ركعة ثم سلم ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যিনি বলেন, যখন ইমাম এক রাক'আত আদায় করে দাঁড়িয়ে থাকবেন, তখন লোকজন নিজেদের অবশিষ্ট এক রাক'আত পূরণ করে সালাম ফিরিয়ে শত্রুর মুকাবিলায় দাঁড়াবে। এতে সালাম হবে পৃথক পৃথক।

সুনানে আবু দাউদ ১২৩৯

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن القاسم بن محمد، عن صالح بن خوات الأنصاري، أن سهل بن أبي حثمة الأنصاري، حدثه أن صلاة الخوف أن يقوم الإمام وطائفة من أصحابه وطائفة مواجهة العدو فيركع الإمام ركعة ويسجد بالذين معه ثم يقوم فإذا استوى قائما ثبت قائما وأتموا لأنفسهم الركعة الباقية ثم سلموا وانصرفوا والإمام قائم فكانوا وجاه العدو ثم يقبل الآخرون الذين لم يصلوا فيكبرون وراء الإمام فيركع بهم ويسجد بهم ثم يسلم فيقومون فيركعون لأنفسهم الركعة الباقية ثم يسلمون ‏.‏ قال أبو داود وأما رواية يحيى بن سعيد عن القاسم نحو رواية يزيد بن رومان إلا أنه خالفه في السلام ورواية عبيد الله نحو رواية يحيى بن سعيد قال ويثبت قائما ‏.‏

সালিহ ইবনু খাওয়াত আল-আনসারী (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার কাছে সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ আল-আনসারী (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, সলাতুল খাওফে ইমাম দাঁড়াবে এবং তাঁর সাথে দাঁড়াবে সঙ্গীদের একাংশ এবং আরেক অংশ শত্রুর মোকাবিলায় নিয়োজিত থাকবে। ইমাম তাঁর নিকটবর্তী সাথীদের নিয়ে এক রাক'আত সলাত রুকূ ও সাজদাহ সহ আদায় করে স্থীরভাবে দাঁড়িয়ে থাকবেন। এ সময় সাথীরা নিজ নিজ অবশিষ্ট এক রাক'আত পূরণ করে নিবে এবং ইমামের দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়ই তারা সালাম ফিরিয়ে শত্রুর মুকাবিলায় চলে যাবে। অতঃপর সাথীদের দ্বিতীয় অংশ যারা সলাত আদায় করেনি তারা সম্মুখে এগিয়ে এসে তাকবীর বলে ইমামের পিছনে দাঁড়াবে। তাদেরকে নিয়ে ইমাম রুকু ও সাজদাহ করে সালাম ফিরাবেন, কিন্তু লোকেরা দাঁড়িয়ে তাদের নিজ নিজ বাকী রাক'আত পূর্ণ করে সালাম ফিরাবে। সহীহঃ বুখারী, দুই স্থানে সালাম ফিরানোর কথাটি বাদে। কেননা তা মাওকূফ। আর এর পূর্বেরটি মারফূ'। তাতে কেবল দ্বিতীয় দলের সাথে ইমামের সালাম ফিরানোর কথা আছে। এটিই অধিক বিশুদ্ধ।

সালিহ ইবনু খাওয়াত আল-আনসারী (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তার কাছে সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ আল-আনসারী (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, সলাতুল খাওফে ইমাম দাঁড়াবে এবং তাঁর সাথে দাঁড়াবে সঙ্গীদের একাংশ এবং আরেক অংশ শত্রুর মোকাবিলায় নিয়োজিত থাকবে। ইমাম তাঁর নিকটবর্তী সাথীদের নিয়ে এক রাক'আত সলাত রুকূ ও সাজদাহ সহ আদায় করে স্থীরভাবে দাঁড়িয়ে থাকবেন। এ সময় সাথীরা নিজ নিজ অবশিষ্ট এক রাক'আত পূরণ করে নিবে এবং ইমামের দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায়ই তারা সালাম ফিরিয়ে শত্রুর মুকাবিলায় চলে যাবে। অতঃপর সাথীদের দ্বিতীয় অংশ যারা সলাত আদায় করেনি তারা সম্মুখে এগিয়ে এসে তাকবীর বলে ইমামের পিছনে দাঁড়াবে। তাদেরকে নিয়ে ইমাম রুকু ও সাজদাহ করে সালাম ফিরাবেন, কিন্তু লোকেরা দাঁড়িয়ে তাদের নিজ নিজ বাকী রাক'আত পূর্ণ করে সালাম ফিরাবে। সহীহঃ বুখারী, দুই স্থানে সালাম ফিরানোর কথাটি বাদে। কেননা তা মাওকূফ। আর এর পূর্বেরটি মারফূ'। তাতে কেবল দ্বিতীয় দলের সাথে ইমামের সালাম ফিরানোর কথা আছে। এটিই অধিক বিশুদ্ধ।

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن القاسم بن محمد، عن صالح بن خوات الأنصاري، أن سهل بن أبي حثمة الأنصاري، حدثه أن صلاة الخوف أن يقوم الإمام وطائفة من أصحابه وطائفة مواجهة العدو فيركع الإمام ركعة ويسجد بالذين معه ثم يقوم فإذا استوى قائما ثبت قائما وأتموا لأنفسهم الركعة الباقية ثم سلموا وانصرفوا والإمام قائم فكانوا وجاه العدو ثم يقبل الآخرون الذين لم يصلوا فيكبرون وراء الإمام فيركع بهم ويسجد بهم ثم يسلم فيقومون فيركعون لأنفسهم الركعة الباقية ثم يسلمون ‏.‏ قال أبو داود وأما رواية يحيى بن سعيد عن القاسم نحو رواية يزيد بن رومان إلا أنه خالفه في السلام ورواية عبيد الله نحو رواية يحيى بن سعيد قال ويثبت قائما ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৩৮

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن يزيد بن رومان، عن صالح بن خوات، عمن صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم ذات الرقاع صلاة الخوف أن طائفة صفت معه وطائفة وجاه العدو فصلى بالتي معه ركعة ثم ثبت قائما وأتموا لأنفسهم ثم انصرفوا وصفوا وجاه العدو وجاءت الطائفة الأخرى فصلى بهم الركعة التي بقيت من صلاته ثم ثبت جالسا وأتموا لأنفسهم ثم سلم بهم ‏.‏ قال مالك وحديث يزيد بن رومان أحب ما سمعت إلى ‏.‏

সলিহ ইবনু খাওয়াত (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ঐ ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন, যিনি যাতুর-রিক্বা'র অভিযানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সলাতুল খাওফ আদায় করেছেন। (তাদের সলাত আদায়ের পদ্ধতি এরূপ ছিল যে), একদল তাঁর সাথে কাতারবদ্ধ হলো এবং একদল শত্রুর মোকাবিলায় দাঁড়িয়ে রইল। (প্রথমে) তিনি তাঁর নিকটবর্তী সাথীদেরকে নিয়ে এক রাক'আত সলাত আদায় করে স্থীরভাবে দাঁড়িয়ে রইলেন। আর লোকেরা বাকী (এক রাক'আত সলাত) নিজেরা আদায় করে দুশমনের মোকাবিলায় চলে গেলেন। অতঃপর (সলাতের জন্য) দ্বিতীয়দলটি তাঁর পিছনে এসে দাঁড়ালে তিনি তাদেরকে নিয়ে তাঁর অবশিষ্ট এক রাক'আত আদায় করে বসে রইলেন। তখন তারা তাদের দ্বিতীয় রাক'আত নিজেরাই আদায় করে নিলেন। অতঃপর তিনি তাদেরকে নিয়ে সালাম ফিরালেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। ইমাম মালিক (রঃ) বলেন, "সলাতুল খাওফ" আদায় সম্পর্কে যে কয়টি পদ্ধতির কথা বর্ণিত আছে এবং আমি শুনেছি, তার মধ্যে ইয়াযীদ ইবনু রূমানের এ হাদীসটি আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।

সলিহ ইবনু খাওয়াত (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ঐ ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন, যিনি যাতুর-রিক্বা'র অভিযানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সলাতুল খাওফ আদায় করেছেন। (তাদের সলাত আদায়ের পদ্ধতি এরূপ ছিল যে), একদল তাঁর সাথে কাতারবদ্ধ হলো এবং একদল শত্রুর মোকাবিলায় দাঁড়িয়ে রইল। (প্রথমে) তিনি তাঁর নিকটবর্তী সাথীদেরকে নিয়ে এক রাক'আত সলাত আদায় করে স্থীরভাবে দাঁড়িয়ে রইলেন। আর লোকেরা বাকী (এক রাক'আত সলাত) নিজেরা আদায় করে দুশমনের মোকাবিলায় চলে গেলেন। অতঃপর (সলাতের জন্য) দ্বিতীয়দলটি তাঁর পিছনে এসে দাঁড়ালে তিনি তাদেরকে নিয়ে তাঁর অবশিষ্ট এক রাক'আত আদায় করে বসে রইলেন। তখন তারা তাদের দ্বিতীয় রাক'আত নিজেরাই আদায় করে নিলেন। অতঃপর তিনি তাদেরকে নিয়ে সালাম ফিরালেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। ইমাম মালিক (রঃ) বলেন, "সলাতুল খাওফ" আদায় সম্পর্কে যে কয়টি পদ্ধতির কথা বর্ণিত আছে এবং আমি শুনেছি, তার মধ্যে ইয়াযীদ ইবনু রূমানের এ হাদীসটি আমার নিকট অধিক পছন্দনীয়।

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن يزيد بن رومان، عن صالح بن خوات، عمن صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم ذات الرقاع صلاة الخوف أن طائفة صفت معه وطائفة وجاه العدو فصلى بالتي معه ركعة ثم ثبت قائما وأتموا لأنفسهم ثم انصرفوا وصفوا وجاه العدو وجاءت الطائفة الأخرى فصلى بهم الركعة التي بقيت من صلاته ثم ثبت جالسا وأتموا لأنفسهم ثم سلم بهم ‏.‏ قال مالك وحديث يزيد بن رومان أحب ما سمعت إلى ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যিনি বলেন, সকলেই একত্রে তাকবীর বলবে, যদিও তারা ক্বিবলাহর বিপরীত দিকে মুখ করে থাকে। ইমাম তাঁর কাছের লোকদের নিয়ে এক রাক'আত আদায় করবেন। এরপর এরা তাদের সাথীদের সারীতে এসে দাঁড়াবে এবং ঐ দলটি এসে নিজস্বভাবে এক রাক'আত আদায় করবে। ইমাম এদেরকে নিয়ে আরো এক রাক'আত আদায় করবেন। অতঃপর শত্রুর মুকাবিলায় দাঁড়িয়ে থাকা দলটি সামনে এগিয়ে এসে নিজস্বভাবে তাদের এক রাক'আত আদায় করে নিবে। সবার সলাত শেষ হওয়া পর্যন্ত ইমাম যথারীতি বসেই থাকবেন এবং পরে সবাইকে নিয়ে একত্রে সালাম ফিরাবেন।

সুনানে আবু দাউদ ১২৪২

قال أبو داود وأما عبيد الله بن سعد فحدثنا قال حدثني عمي، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، حدثني محمد بن جعفر بن الزبير، أن عروة بن الزبير، حدثه أن عائشة حدثته بهذه القصة، قالت كبر رسول الله صلى الله عليه وسلم وكبرت الطائفة الذين صفوا معه ثم ركع فركعوا ثم سجد فسجدوا ثم رفع فرفعوا ثم مكث رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا ثم سجدوا هم لأنفسهم الثانية ثم قاموا فنكصوا على أعقابهم يمشون القهقرى حتى قاموا من ورائهم وجاءت الطائفة الأخرى فقاموا فكبروا ثم ركعوا لأنفسهم ثم سجد رسول الله صلى الله عليه وسلم فسجدوا معه ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم وسجدوا لأنفسهم الثانية ثم قامت الطائفتان جميعا فصلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فركع فركعوا ثم سجد فسجدوا جميعا ثم عاد فسجد الثانية وسجدوا معه سريعا كأسرع الإسراع جاهدا لا يألون سراعا ثم سلم رسول الله صلى الله عليه وسلم وسلموا فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد شاركه الناس في الصلاة كلها ‏.‏

'আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর তাকবীর বলার সাথে সাথে তাঁর নিকটবর্তী কাতারের লোকজন ও তাকবীর বললো। অতঃপর তিনি রুকূ করলে তারাও রুকূ করলো। এরপর তিনি সাজদাহ করলে তারাও সাজদাহ করলো, পরে তিনি মাথা উঠালে তারাও মাথা উঠালো। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্থির হয়ে বসে থাকলেন, তবে লোকেরা নিজ নিজ দ্বিতীয় রাক'আত আদায় করে নিল। অতঃপর তারা দাঁড়িয়ে পিছনের দিকে সরে গিয়ে দ্বিতীয় দলটির পিছনে অবস্থান করলো। তারপর দ্বিতীয় দলটি সামনে এসে তাকবীর বলে স্ব স্ব সলাতের রুকূ পর্যন্ত শেষ করলো। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাজদাহ করলে তারাও তাঁর সাথে সাজদাহ করলো। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে দাঁড়ান। আর এ সময় লোকেরা নিজ নিজ দ্বিতীয় রাক'আত সমাপ্ত করলো। অতঃপর উভয় দল একত্রে উঠে দাঁড়ালো এবং তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে সলাত আদায় করলো। তারা তাঁর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে সাথে রুকূ এবং সাজদাহ আদায় করলো। এরপর তিনি দ্বিতীয় সাজদাহ করলে লোকেরাও তাঁর সাথে খুবই তাড়াতাড়ি সাজদাহ করলো। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাথীরা সালাম ফিরালেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শেষে দাঁড়ালেন। এভাবে লোকজন তাঁর সাথে পুরো সলাতে অংশগ্রহন করে।

'আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর তাকবীর বলার সাথে সাথে তাঁর নিকটবর্তী কাতারের লোকজন ও তাকবীর বললো। অতঃপর তিনি রুকূ করলে তারাও রুকূ করলো। এরপর তিনি সাজদাহ করলে তারাও সাজদাহ করলো, পরে তিনি মাথা উঠালে তারাও মাথা উঠালো। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্থির হয়ে বসে থাকলেন, তবে লোকেরা নিজ নিজ দ্বিতীয় রাক'আত আদায় করে নিল। অতঃপর তারা দাঁড়িয়ে পিছনের দিকে সরে গিয়ে দ্বিতীয় দলটির পিছনে অবস্থান করলো। তারপর দ্বিতীয় দলটি সামনে এসে তাকবীর বলে স্ব স্ব সলাতের রুকূ পর্যন্ত শেষ করলো। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাজদাহ করলে তারাও তাঁর সাথে সাজদাহ করলো। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে দাঁড়ান। আর এ সময় লোকেরা নিজ নিজ দ্বিতীয় রাক'আত সমাপ্ত করলো। অতঃপর উভয় দল একত্রে উঠে দাঁড়ালো এবং তারা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সঙ্গে সলাত আদায় করলো। তারা তাঁর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে সাথে রুকূ এবং সাজদাহ আদায় করলো। এরপর তিনি দ্বিতীয় সাজদাহ করলে লোকেরাও তাঁর সাথে খুবই তাড়াতাড়ি সাজদাহ করলো। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর সাথীরা সালাম ফিরালেন। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত শেষে দাঁড়ালেন। এভাবে লোকজন তাঁর সাথে পুরো সলাতে অংশগ্রহন করে।

قال أبو داود وأما عبيد الله بن سعد فحدثنا قال حدثني عمي، حدثنا أبي، عن ابن إسحاق، حدثني محمد بن جعفر بن الزبير، أن عروة بن الزبير، حدثه أن عائشة حدثته بهذه القصة، قالت كبر رسول الله صلى الله عليه وسلم وكبرت الطائفة الذين صفوا معه ثم ركع فركعوا ثم سجد فسجدوا ثم رفع فرفعوا ثم مكث رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا ثم سجدوا هم لأنفسهم الثانية ثم قاموا فنكصوا على أعقابهم يمشون القهقرى حتى قاموا من ورائهم وجاءت الطائفة الأخرى فقاموا فكبروا ثم ركعوا لأنفسهم ثم سجد رسول الله صلى الله عليه وسلم فسجدوا معه ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم وسجدوا لأنفسهم الثانية ثم قامت الطائفتان جميعا فصلوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فركع فركعوا ثم سجد فسجدوا جميعا ثم عاد فسجد الثانية وسجدوا معه سريعا كأسرع الإسراع جاهدا لا يألون سراعا ثم سلم رسول الله صلى الله عليه وسلم وسلموا فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم وقد شاركه الناس في الصلاة كلها ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৪০

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، حدثنا حيوة، وابن، لهيعة قالا أخبرنا أبو الأسود، أنه سمع عروة بن الزبير، يحدث عن مروان بن الحكم، أنه سأل أبا هريرة هل صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الخوف قال أبو هريرة نعم ‏.‏ قال مروان متى فقال أبو هريرة عام غزوة نجد قام رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى صلاة العصر فقامت معه طائفة وطائفة أخرى مقابل العدو ظهورهم إلى القبلة فكبر رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبروا جميعا الذين معه والذين مقابلي العدو ثم ركع رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعة واحدة وركعت الطائفة التي معه ثم سجد فسجدت الطائفة التي تليه والآخرون قيام مقابلي العدو ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم وقامت الطائفة التي معه فذهبوا إلى العدو فقابلوهم وأقبلت الطائفة التي كانت مقابلي العدو فركعوا وسجدوا ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم كما هو ثم قاموا فركع رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعة أخرى وركعوا معه وسجد وسجدوا معه ثم أقبلت الطائفة التي كانت مقابلي العدو فركعوا وسجدوا ورسول الله صلى الله عليه وسلم قاعد ومن معه ثم كان السلام فسلم رسول الله صلى الله عليه وسلم وسلموا جميعا فكان لرسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتان ولكل رجل من الطائفتين ركعة ركعة ‏.‏

মারওয়ান ইবনুল হাকাম থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর 'সলাতুল খাওফ' আদায় করেছেন? তিনি বলেন, হাঁ, মারওয়ান জিজ্ঞেস করেন, কখন? আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, 'নাজদ' অভিযানের বছর। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসর সলাতের জন্য দাঁড়ালে এক দল তাঁর সাথে দাঁড়ালো। আর অপর দল দাঁড়ালো শত্রুর মুকাবিলায়। এদের পৃষ্ঠ ছিল ক্বিবলাহর দিকে। যারা তাঁর সাথে ছিলেন এবং যারা শত্রুর মুকাবিলায় ছিলেন সকলেই একত্রে তাকবীর বললেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকটবর্তী লোকদের নিয়ে রুকূ করলেন। দ্বিতীয় দলটি শত্রুর মুকাবিলায় দাঁড়িয়ে রইল। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে দাঁড়ালে তার নিকটবর্তী দলটিও উঠে দাঁড়ালো। অতঃপর তারা গিয়ে শত্রুর মুকাবিলায় দন্ডায়মান হলে শত্রুর মুকাবিলায় দন্ডায়মান থাকা দলটি সম্মুখে এগিয়ে এসে রুকূ ও সাজদাহ করলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে রইলেন। অতঃপর তারা (প্রথম রাক'আত হতে) উঠে দাঁড়ালে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দ্বিতীয় রাক'আতের রুকূ করেন এবং তারাও তাঁর সাথে রুকূ ও সাজদাহ করলো। অতঃপর শত্রুর মুকাবিলায় দন্ডায়মান দলটি সামনে অগ্রসর হয়ে রুকূ ও সাজদাহ করে এক রাক’আত আদায় করলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্থিরভাবে বসেই রইলেন এবং তারাও তাঁর সাথে ছিলো। অতঃপর সালাম ফিরানোর সময় হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাম ফিরালেন এবং তারা সবাই সালাম ফিরালো। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সলাত হলো দু' রাক'আত। আর উভয় দলের প্রত্যেকের সলাত হলো (জাম'আতের সাথে) এক রাক'আত।

মারওয়ান ইবনুল হাকাম থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, আপনি কি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর 'সলাতুল খাওফ' আদায় করেছেন? তিনি বলেন, হাঁ, মারওয়ান জিজ্ঞেস করেন, কখন? আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, 'নাজদ' অভিযানের বছর। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসর সলাতের জন্য দাঁড়ালে এক দল তাঁর সাথে দাঁড়ালো। আর অপর দল দাঁড়ালো শত্রুর মুকাবিলায়। এদের পৃষ্ঠ ছিল ক্বিবলাহর দিকে। যারা তাঁর সাথে ছিলেন এবং যারা শত্রুর মুকাবিলায় ছিলেন সকলেই একত্রে তাকবীর বললেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর নিকটবর্তী লোকদের নিয়ে রুকূ করলেন। দ্বিতীয় দলটি শত্রুর মুকাবিলায় দাঁড়িয়ে রইল। এরপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উঠে দাঁড়ালে তার নিকটবর্তী দলটিও উঠে দাঁড়ালো। অতঃপর তারা গিয়ে শত্রুর মুকাবিলায় দন্ডায়মান হলে শত্রুর মুকাবিলায় দন্ডায়মান থাকা দলটি সম্মুখে এগিয়ে এসে রুকূ ও সাজদাহ করলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে রইলেন। অতঃপর তারা (প্রথম রাক'আত হতে) উঠে দাঁড়ালে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দ্বিতীয় রাক'আতের রুকূ করেন এবং তারাও তাঁর সাথে রুকূ ও সাজদাহ করলো। অতঃপর শত্রুর মুকাবিলায় দন্ডায়মান দলটি সামনে অগ্রসর হয়ে রুকূ ও সাজদাহ করে এক রাক’আত আদায় করলো। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্থিরভাবে বসেই রইলেন এবং তারাও তাঁর সাথে ছিলো। অতঃপর সালাম ফিরানোর সময় হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাম ফিরালেন এবং তারা সবাই সালাম ফিরালো। এ সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সলাত হলো দু' রাক'আত। আর উভয় দলের প্রত্যেকের সলাত হলো (জাম'আতের সাথে) এক রাক'আত।

حدثنا الحسن بن علي، حدثنا أبو عبد الرحمن المقرئ، حدثنا حيوة، وابن، لهيعة قالا أخبرنا أبو الأسود، أنه سمع عروة بن الزبير، يحدث عن مروان بن الحكم، أنه سأل أبا هريرة هل صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة الخوف قال أبو هريرة نعم ‏.‏ قال مروان متى فقال أبو هريرة عام غزوة نجد قام رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى صلاة العصر فقامت معه طائفة وطائفة أخرى مقابل العدو ظهورهم إلى القبلة فكبر رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبروا جميعا الذين معه والذين مقابلي العدو ثم ركع رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعة واحدة وركعت الطائفة التي معه ثم سجد فسجدت الطائفة التي تليه والآخرون قيام مقابلي العدو ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم وقامت الطائفة التي معه فذهبوا إلى العدو فقابلوهم وأقبلت الطائفة التي كانت مقابلي العدو فركعوا وسجدوا ورسول الله صلى الله عليه وسلم قائم كما هو ثم قاموا فركع رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعة أخرى وركعوا معه وسجد وسجدوا معه ثم أقبلت الطائفة التي كانت مقابلي العدو فركعوا وسجدوا ورسول الله صلى الله عليه وسلم قاعد ومن معه ثم كان السلام فسلم رسول الله صلى الله عليه وسلم وسلموا جميعا فكان لرسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتان ولكل رجل من الطائفتين ركعة ركعة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২৪১

حدثنا محمد بن عمرو الرازي، حدثنا سلمة، حدثني محمد بن إسحاق، عن محمد بن جعفر بن الزبير، ومحمد بن الأسود، عن عروة بن الزبير، عن أبي هريرة، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى نجد حتى إذا كنا بذات الرقاع من نخل لقي جمعا من غطفان فذكر معناه ولفظه على غير لفظ حيوة وقال فيه حين ركع بمن معه وسجد قال فلما قاموا مشوا القهقرى إلى مصاف أصحابهم ولم يذكر استدبار القبلة ‏.

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে 'নাজদ' অভিযানে বের হই। আমরা যখন যাতুর-রিকা স্থানের নাখল উপত্যকায় পৌঁছি, তখন গাতাফান গোত্রের একদল লোকের সাথে আমাদের যুদ্ধ হয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসের ভাব ও অর্থ বর্ণনা করেন। বর্ণনাকারী হায়ওয়া যে শব্দে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন পূর্বোল্লিখিত বর্ণনাকারীর শব্দ এর ব্যতিক্রম। তিনি বলেন, তিনি যখন তাঁর সাথীদের নিয়ে রুকূ ও সাজদাহ করেন। অতঃপর বর্ণনাকারী বলেন, তারা সাজদাহ হতে উঠে দাঁড়িয়ে পিছনের দিকে সরে গিয়ে তাদের সাথীদের স্থানে দন্ডায়মান হলো। তবে এ হাদীসে ক্বিবলাহর দিক পিছনে থাকার কথা উল্লেখ নেই।

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে 'নাজদ' অভিযানে বের হই। আমরা যখন যাতুর-রিকা স্থানের নাখল উপত্যকায় পৌঁছি, তখন গাতাফান গোত্রের একদল লোকের সাথে আমাদের যুদ্ধ হয়। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসের ভাব ও অর্থ বর্ণনা করেন। বর্ণনাকারী হায়ওয়া যে শব্দে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন পূর্বোল্লিখিত বর্ণনাকারীর শব্দ এর ব্যতিক্রম। তিনি বলেন, তিনি যখন তাঁর সাথীদের নিয়ে রুকূ ও সাজদাহ করেন। অতঃপর বর্ণনাকারী বলেন, তারা সাজদাহ হতে উঠে দাঁড়িয়ে পিছনের দিকে সরে গিয়ে তাদের সাথীদের স্থানে দন্ডায়মান হলো। তবে এ হাদীসে ক্বিবলাহর দিক পিছনে থাকার কথা উল্লেখ নেই।

حدثنا محمد بن عمرو الرازي، حدثنا سلمة، حدثني محمد بن إسحاق، عن محمد بن جعفر بن الزبير، ومحمد بن الأسود، عن عروة بن الزبير، عن أبي هريرة، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى نجد حتى إذا كنا بذات الرقاع من نخل لقي جمعا من غطفان فذكر معناه ولفظه على غير لفظ حيوة وقال فيه حين ركع بمن معه وسجد قال فلما قاموا مشوا القهقرى إلى مصاف أصحابهم ولم يذكر استدبار القبلة ‏.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00