সুনানে আবু দাউদ > সফরকালে সলাতের ক্বিরাআত সংক্ষেপ করা

সুনানে আবু দাউদ ১২২১

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، عن البراء، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فصلى بنا العشاء الآخرة فقرأ في إحدى الركعتين بالتين والزيتون ‏.‏

আল-বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সফরে বের হলাম। তিনি আমাদেরকে নিয়ে শেষ ‘ইশার সলাতটি আদায় করলেন এবং দু’রাক’আতের এক রাক’আতে সূরাহ ‘ওয়াত্তীন ওয়ায্‌যায়তুন’ পাঠ করলেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।

আল-বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা আমরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সফরে বের হলাম। তিনি আমাদেরকে নিয়ে শেষ ‘ইশার সলাতটি আদায় করলেন এবং দু’রাক’আতের এক রাক’আতে সূরাহ ‘ওয়াত্তীন ওয়ায্‌যায়তুন’ পাঠ করলেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।

حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن عدي بن ثابت، عن البراء، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فصلى بنا العشاء الآخرة فقرأ في إحدى الركعتين بالتين والزيتون ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > সফরে নাফ্‌ল সলাত আদায়

সুনানে আবু দাউদ ১২২২

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن صفوان بن سليم، عن أبي بسرة الغفاري، عن البراء بن عازب الأنصاري، قال صحبت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثمانية عشر سفرا فما رأيته ترك ركعتين إذا زاغت الشمس قبل الظهر ‏.

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আঠারটি সফরে রসূলুল্লাহর (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরসঙ্গী ছিলাম। আমি কখনো তাঁকে সূর্য হেলে যাবার পর যুহরের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত বর্জন করতে দেখিনি। [১২২৫]

আল-বারাআ ইবনু ‘আযিব আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আঠারটি সফরে রসূলুল্লাহর (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরসঙ্গী ছিলাম। আমি কখনো তাঁকে সূর্য হেলে যাবার পর যুহরের পূর্বে দু’ রাক’আত সলাত বর্জন করতে দেখিনি। [১২২৫]

حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن صفوان بن سليم، عن أبي بسرة الغفاري، عن البراء بن عازب الأنصاري، قال صحبت رسول الله صلى الله عليه وسلم ثمانية عشر سفرا فما رأيته ترك ركعتين إذا زاغت الشمس قبل الظهر ‏.


সুনানে আবু দাউদ ১২২৩

حدثنا القعنبي، حدثنا عيسى بن حفص بن عاصم بن عمر بن الخطاب، عن أبيه، قال صحبت ابن عمر في طريق - قال - فصلى بنا ركعتين ثم أقبل فرأى ناسا قياما فقال ما يصنع هؤلاء قلت يسبحون ‏.‏ قال لو كنت مسبحا أتممت صلاتي يا ابن أخي إني صحبت رسول الله صلى الله عليه وسلم في السفر فلم يزد على ركعتين حتى قبضه الله عز وجل وصحبت أبا بكر فلم يزد على ركعتين حتى قبضه الله عز وجل وصحبت عمر فلم يزد على ركعتين حتى قبضه الله تعالى وصحبت عثمان فلم يزد على ركعتين حتى قبضه الله تعالى وقد قال الله عز وجل ‏{‏ لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة ‏}‏ ‏.

ঈসা ইবনু হাফ্‌স (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এক পথে ইবনু ‘উমারের (রাঃ) সাথে ছিলাম। তিনি আমাদেরকে নিয়ে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেন। অতঃপর মুখ ফিরিয়ে কিছু লোককে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখে জিজ্ঞেস করেন, এরা কি করছে? আমি বললাম, নাফ্‌ল সলাত আদায় করছে। তিনি বললেন, (সফরে) নাফ্‌ল সলাত আদায় প্রয়োজন মনে করলে আমি (ফরয) সলাত পুরো (চার রাক’আতই) আদায় করতাম। হে ভাতিজা! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সফর করেছি। তিনি মহা মহীয়ান আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত দু’ রাক’আতের বেশি আদায় করেন নি। আর আমি আবূ বকর (রাঃ) এর সফরসঙ্গী হয়েছি। তিনিও মহা মহীয়ান আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত দু’ রাক’আতের অধিক আদায় করেননি। আমি ‘উমার (রাঃ) এর সফরসঙ্গী হয়েছি। তিনিও মহামহিম আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত দু’ রাক’আতের অধিক আদায় করেননি। পরে আমি ‘উসমান (রাঃ) এর সফরসঙ্গী হয়েছি। তিনিও মহা মহীয়ান আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত দু’ রাক’আতের অধিক আদায় করেননি। কেননা মহা মহীয়ান আল্লাহ বলেছেন, “তোমাদের জন্য রসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম আদর্শ নিহিত আছে” (সূরাহ আল-আহ্‌যাবঃ ২১)। সহীহঃ মুসলিম। বুখারী সংক্ষেপ।

ঈসা ইবনু হাফ্‌স (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এক পথে ইবনু ‘উমারের (রাঃ) সাথে ছিলাম। তিনি আমাদেরকে নিয়ে দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেন। অতঃপর মুখ ফিরিয়ে কিছু লোককে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখে জিজ্ঞেস করেন, এরা কি করছে? আমি বললাম, নাফ্‌ল সলাত আদায় করছে। তিনি বললেন, (সফরে) নাফ্‌ল সলাত আদায় প্রয়োজন মনে করলে আমি (ফরয) সলাত পুরো (চার রাক’আতই) আদায় করতাম। হে ভাতিজা! আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সফর করেছি। তিনি মহা মহীয়ান আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত দু’ রাক’আতের বেশি আদায় করেন নি। আর আমি আবূ বকর (রাঃ) এর সফরসঙ্গী হয়েছি। তিনিও মহা মহীয়ান আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত দু’ রাক’আতের অধিক আদায় করেননি। আমি ‘উমার (রাঃ) এর সফরসঙ্গী হয়েছি। তিনিও মহামহিম আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত দু’ রাক’আতের অধিক আদায় করেননি। পরে আমি ‘উসমান (রাঃ) এর সফরসঙ্গী হয়েছি। তিনিও মহা মহীয়ান আল্লাহর সাথে মিলিত হওয়া পর্যন্ত দু’ রাক’আতের অধিক আদায় করেননি। কেননা মহা মহীয়ান আল্লাহ বলেছেন, “তোমাদের জন্য রসূলুল্লাহর মধ্যে উত্তম আদর্শ নিহিত আছে” (সূরাহ আল-আহ্‌যাবঃ ২১)। সহীহঃ মুসলিম। বুখারী সংক্ষেপ।

حدثنا القعنبي، حدثنا عيسى بن حفص بن عاصم بن عمر بن الخطاب، عن أبيه، قال صحبت ابن عمر في طريق - قال - فصلى بنا ركعتين ثم أقبل فرأى ناسا قياما فقال ما يصنع هؤلاء قلت يسبحون ‏.‏ قال لو كنت مسبحا أتممت صلاتي يا ابن أخي إني صحبت رسول الله صلى الله عليه وسلم في السفر فلم يزد على ركعتين حتى قبضه الله عز وجل وصحبت أبا بكر فلم يزد على ركعتين حتى قبضه الله عز وجل وصحبت عمر فلم يزد على ركعتين حتى قبضه الله تعالى وصحبت عثمان فلم يزد على ركعتين حتى قبضه الله تعالى وقد قال الله عز وجل ‏{‏ لقد كان لكم في رسول الله أسوة حسنة ‏}‏ ‏.


সুনানে আবু দাউদ > বাহনের উপর নাফ্ল ও বিতর সলাত আদায়

সুনানে আবু দাউদ ১২২৬

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن عمرو بن يحيى المازني، عن أبي الحباب، سعيد بن يسار عن عبد الله بن عمر، أنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي على حمار وهو متوجه إلى خيبر ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে গাধার পিঠে সলাত আদায় করতে দেখেছি। এ সময় গাধার মুখ খায়বারের দিকে ছিলো (অর্থাৎ ক্বিবলাহ্‌র বিপরীতে)। সহিহঃ মুসলিম।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে গাধার পিঠে সলাত আদায় করতে দেখেছি। এ সময় গাধার মুখ খায়বারের দিকে ছিলো (অর্থাৎ ক্বিবলাহ্‌র বিপরীতে)। সহিহঃ মুসলিম।

حدثنا القعنبي، عن مالك، عن عمرو بن يحيى المازني، عن أبي الحباب، سعيد بن يسار عن عبد الله بن عمر، أنه قال رأيت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي على حمار وهو متوجه إلى خيبر ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২২৪

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن سالم، عن أبيه، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسبح على الراحلة أى وجه توجه ويوتر عليها غير أنه لا يصلي المكتوبة عليها ‏.

সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্তুযানে আরোহিত অবস্থায় যেকোন দিকে মুখ করে নাফ্‌ল সলাত আদায় করতেন। তিনি বাহনের উপর বিতর সলাতও আদায় করতেন, অবশ্য ফরয সলাত আদায় করতেন না। সহীহঃ মুসলিম। বুখারী তা’লীক্বভাবে।

সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্তুযানে আরোহিত অবস্থায় যেকোন দিকে মুখ করে নাফ্‌ল সলাত আদায় করতেন। তিনি বাহনের উপর বিতর সলাতও আদায় করতেন, অবশ্য ফরয সলাত আদায় করতেন না। সহীহঃ মুসলিম। বুখারী তা’লীক্বভাবে।

حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، أخبرني يونس، عن ابن شهاب، عن سالم، عن أبيه، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يسبح على الراحلة أى وجه توجه ويوتر عليها غير أنه لا يصلي المكتوبة عليها ‏.


সুনানে আবু দাউদ ১২২৫

حدثنا مسدد، حدثنا ربعي بن عبد الله بن الجارود، حدثني عمرو بن أبي الحجاج، حدثني الجارود بن أبي سبرة، حدثني أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا سافر فأراد أن يتطوع استقبل بناقته القبلة فكبر ثم صلى حيث وجهه ركابه ‏.‏

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে নাফ্‌ল সলাত আদায়ের ইচ্ছা করলে স্বীয় উষ্ট্রীকে কেবলামুখী করে নিয়ে তাকবীর বলতেন। অতঃপর সওয়ারীর মুখ যেদিকেই হত সেদিকে ফিরেই সলাত আদায় করতেন। [১২২৮]

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সফরে নাফ্‌ল সলাত আদায়ের ইচ্ছা করলে স্বীয় উষ্ট্রীকে কেবলামুখী করে নিয়ে তাকবীর বলতেন। অতঃপর সওয়ারীর মুখ যেদিকেই হত সেদিকে ফিরেই সলাত আদায় করতেন। [১২২৮]

حدثنا مسدد، حدثنا ربعي بن عبد الله بن الجارود، حدثني عمرو بن أبي الحجاج، حدثني الجارود بن أبي سبرة، حدثني أنس بن مالك، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كان إذا سافر فأراد أن يتطوع استقبل بناقته القبلة فكبر ثم صلى حيث وجهه ركابه ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১২২৭

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، - قال - بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في حاجة قال فجئت وهو يصلي على راحلته نحو المشرق والسجود أخفض من الركوع ‏.‏

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখি, তিনি সওয়ারীর উপর পূর্ব দিকে মুখ করে সলাত আদায় করছেন এবং তাঁর রুকূ’র চেয়ে সাজদাহ্‌তে (মাথা) অধিক নত ছিল।

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে কোন কাজে পাঠালেন। আমি ফিরে এসে দেখি, তিনি সওয়ারীর উপর পূর্ব দিকে মুখ করে সলাত আদায় করছেন এবং তাঁর রুকূ’র চেয়ে সাজদাহ্‌তে (মাথা) অধিক নত ছিল।

حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن أبي الزبير، عن جابر، - قال - بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم في حاجة قال فجئت وهو يصلي على راحلته نحو المشرق والسجود أخفض من الركوع ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > ওযরবশত বাহনের উপর ফার্‌য সলাত আদায়

সুনানে আবু দাউদ ১২২৮

حدثنا محمود بن خالد، حدثنا محمد بن شعيب، عن النعمان بن المنذر، عن عطاء بن أبي رباح، أنه سأل عائشة - رضى الله عنها - هل رخص للنساء أن يصلين على الدواب قالت لم يرخص لهن في ذلك في شدة ولا رخاء ‏.‏ قال محمد هذا في المكتوبة ‏.‏

‘আত্বা ইবনু আবূ রাবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, নারীদের কি জন্তুর উপর সলাত আদায়ের অনুমতি রয়েছে? তিনি বললেন, সুবিধা কিংবা অসুবিধা কোন অবস্থাতেই তাদের জন্য এর অনুমতি নেই। মুহাম্মাদ ইবনু শু’আইব (রহঃ) বলেন, এ বিধান ফরয সলাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

‘আত্বা ইবনু আবূ রাবাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, নারীদের কি জন্তুর উপর সলাত আদায়ের অনুমতি রয়েছে? তিনি বললেন, সুবিধা কিংবা অসুবিধা কোন অবস্থাতেই তাদের জন্য এর অনুমতি নেই। মুহাম্মাদ ইবনু শু’আইব (রহঃ) বলেন, এ বিধান ফরয সলাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

حدثنا محمود بن خالد، حدثنا محمد بن شعيب، عن النعمان بن المنذر، عن عطاء بن أبي رباح، أنه سأل عائشة - رضى الله عنها - هل رخص للنساء أن يصلين على الدواب قالت لم يرخص لهن في ذلك في شدة ولا رخاء ‏.‏ قال محمد هذا في المكتوبة ‏.‏


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00