সুনানে আবু দাউদ > সূর্যগ্রহণের সময় গোলাম আযাদ করা

সুনানে আবু দাউদ ১১৯২

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا زائدة، عن هشام، عن فاطمة، عن أسماء، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يأمر بالعتاقة في صلاة الكسوف ‏.‏

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্যগ্রহণের সলাতের সময় গোলাম আযাদ করার আদেশ দিতেন। সহীহঃ বুখারী।

আসমা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্যগ্রহণের সলাতের সময় গোলাম আযাদ করার আদেশ দিতেন। সহীহঃ বুখারী।

حدثنا زهير بن حرب، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا زائدة، عن هشام، عن فاطمة، عن أسماء، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يأمر بالعتاقة في صلاة الكسوف ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > যিনি বলেন, সূর্যগ্রহণের সময় দু’ রাক’আত সলাত আদায় করবে

সুনানে আবু দাউদ ১১৯৩

حدثنا أحمد بن أبي شعيب الحراني، حدثني الحارث بن عمير البصري، عن أيوب السختياني، عن أبي قلابة، عن النعمان بن بشير، قال كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعل يصلي ركعتين ركعتين ويسأل عنها حتى انجلت ‏.‏

নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে তিনি দু’ দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেন এবং সূর্য গ্রহণমুক্ত হয়েছে কিনা তা জিজ্ঞেস করেতে থাকেন।

নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে তিনি দু’ দু’ রাক’আত সলাত আদায় করেন এবং সূর্য গ্রহণমুক্ত হয়েছে কিনা তা জিজ্ঞেস করেতে থাকেন।

حدثنا أحمد بن أبي شعيب الحراني، حدثني الحارث بن عمير البصري، عن أيوب السختياني، عن أبي قلابة، عن النعمان بن بشير، قال كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعل يصلي ركعتين ركعتين ويسأل عنها حتى انجلت ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১১৯৪

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن عطاء بن السائب، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، قال انكسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يكد يركع ثم ركع فلم يكد يرفع ثم رفع فلم يكد يسجد ثم سجد فلم يكد يرفع ثم رفع فلم يكد يسجد ثم سجد فلم يكد يرفع ثم رفع وفعل في الركعة الأخرى مثل ذلك ثم نفخ في آخر سجوده فقال ‏"‏ أف أف ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ رب ألم تعدني أن لا تعذبهم وأنا فيهم ألم تعدني أن لا تعذبهم وهم يستغفرون ‏"‏ ‏.‏ ففرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم من صلاته وقد أمحصت الشمس وساق الحديث ‏.‏

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতে দাঁড়ান। তিনি এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন যে, রুকূতেই যাচ্ছেন না। অতঃপর রুকূ’ করলেন এবং এত দীর্ঘক্ষণ রুকূ’ করলেন যে, মাথা উঠাবেন বলে মনে হলো না, অবশ্য পরে উঠালেন এবং এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন যে, সাজদাহ্‌ করার সম্ভাবনাই থাকলো না। অতঃপর সাজদাহ্‌ করলেন এবং এত দীর্ঘক্ষণ সাজদাহ্‌ করলেন যে, মাথা উঠানোর সম্ভাবনাই থাকলো না। অবশ্য পরে মাথা ঊঠালেন এবং প্রথম সাজদাহ্‌র পর এত দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেন যে, দ্বিতীয় সাজদাহ্‌ করবেন বলে সম্ভাবনা দেখা গেলো না। অতঃপর সাজদাহ্‌য় গিয়ে এত দীর্ঘক্ষণ সাজদাহ্‌ করলেন যে, মাথা উঠাবেন বলে মনে হলো না, অতঃপর উঠালেন এবং দ্বিতীয় রাক’আতেও অনুরূপ করলেন। পরে তিনি সর্বশেষ সাজদাহ্‌র মধ্যে উহঃ উহঃ শব্দ করলেন এবং বললেনঃ হে আমার প্রভু! আপনি কি আমাকে এ প্রতিশ্রুতি দেননি যে, আমার বর্তমানে আপনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না? আপনি কি আমার সাথে ওয়াদা করেননি যে, তারা ক্ষমা চাইতে থাকলে আপনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না? এ বলে তিনি সলাত হতে অবসর হলে সূর্যও গ্রাসমুক্ত হয়ে যায়। আর এভাবেই হাদীস বর্ণিত হয়েছে। সহীহঃ কিন্তু দুই রুকূ’ উল্লেখসহ। যেমনটি বুখারী ও মুসলিমে আছে।

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতে দাঁড়ান। তিনি এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন যে, রুকূতেই যাচ্ছেন না। অতঃপর রুকূ’ করলেন এবং এত দীর্ঘক্ষণ রুকূ’ করলেন যে, মাথা উঠাবেন বলে মনে হলো না, অবশ্য পরে উঠালেন এবং এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন যে, সাজদাহ্‌ করার সম্ভাবনাই থাকলো না। অতঃপর সাজদাহ্‌ করলেন এবং এত দীর্ঘক্ষণ সাজদাহ্‌ করলেন যে, মাথা উঠানোর সম্ভাবনাই থাকলো না। অবশ্য পরে মাথা ঊঠালেন এবং প্রথম সাজদাহ্‌র পর এত দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেন যে, দ্বিতীয় সাজদাহ্‌ করবেন বলে সম্ভাবনা দেখা গেলো না। অতঃপর সাজদাহ্‌য় গিয়ে এত দীর্ঘক্ষণ সাজদাহ্‌ করলেন যে, মাথা উঠাবেন বলে মনে হলো না, অতঃপর উঠালেন এবং দ্বিতীয় রাক’আতেও অনুরূপ করলেন। পরে তিনি সর্বশেষ সাজদাহ্‌র মধ্যে উহঃ উহঃ শব্দ করলেন এবং বললেনঃ হে আমার প্রভু! আপনি কি আমাকে এ প্রতিশ্রুতি দেননি যে, আমার বর্তমানে আপনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না? আপনি কি আমার সাথে ওয়াদা করেননি যে, তারা ক্ষমা চাইতে থাকলে আপনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না? এ বলে তিনি সলাত হতে অবসর হলে সূর্যও গ্রাসমুক্ত হয়ে যায়। আর এভাবেই হাদীস বর্ণিত হয়েছে। সহীহঃ কিন্তু দুই রুকূ’ উল্লেখসহ। যেমনটি বুখারী ও মুসলিমে আছে।

حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن عطاء بن السائب، عن أبيه، عن عبد الله بن عمرو، قال انكسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يكد يركع ثم ركع فلم يكد يرفع ثم رفع فلم يكد يسجد ثم سجد فلم يكد يرفع ثم رفع فلم يكد يسجد ثم سجد فلم يكد يرفع ثم رفع وفعل في الركعة الأخرى مثل ذلك ثم نفخ في آخر سجوده فقال ‏"‏ أف أف ‏"‏ ‏.‏ ثم قال ‏"‏ رب ألم تعدني أن لا تعذبهم وأنا فيهم ألم تعدني أن لا تعذبهم وهم يستغفرون ‏"‏ ‏.‏ ففرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم من صلاته وقد أمحصت الشمس وساق الحديث ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ ১১৯৫

حدثنا مسدد، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا الجريري، عن حيان بن عمير، عن عبد الرحمن بن سمرة، قال بينما أنا أترمى، بأسهم في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ كسفت الشمس فنبذتهن وقلت لأنظرن ما أحدث لرسول الله صلى الله عليه وسلم في كسوف الشمس اليوم فانتهيت إليه وهو رافع يديه يسبح ويحمد ويهلل ويدعو حتى حسر عن الشمس فقرأ بسورتين وركع ركعتين ‏.‏

‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবদ্দশায় একটি জায়গাতে আমি তীর চালনা শিখছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ হলে আমি তীরগুলো ফেলে দিয়ে বলি, আজ সূর্যগ্রহণের দরুন রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্য কি ঘটে, তা অবশ্যই স্বচক্ষে দেখবো। আমি তাঁর কাছে গিয়ে দেখলাম, তিনি দু’হাত উঠিয়ে তাসবীহ, তাহমীদ, কালিমাহ ও দু’আ পাঠরত আছেন। অবশেষে সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে গেল। তিনি দু’টি সূরার দ্বারা দু’ রাক’আত সলাত আদায় করলেন। সহীহঃ মুসলিম সংক্ষেপে।

‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর জীবদ্দশায় একটি জায়গাতে আমি তীর চালনা শিখছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ হলে আমি তীরগুলো ফেলে দিয়ে বলি, আজ সূর্যগ্রহণের দরুন রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জন্য কি ঘটে, তা অবশ্যই স্বচক্ষে দেখবো। আমি তাঁর কাছে গিয়ে দেখলাম, তিনি দু’হাত উঠিয়ে তাসবীহ, তাহমীদ, কালিমাহ ও দু’আ পাঠরত আছেন। অবশেষে সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে গেল। তিনি দু’টি সূরার দ্বারা দু’ রাক’আত সলাত আদায় করলেন। সহীহঃ মুসলিম সংক্ষেপে।

حدثنا مسدد، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا الجريري، عن حيان بن عمير، عن عبد الرحمن بن سمرة، قال بينما أنا أترمى، بأسهم في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم إذ كسفت الشمس فنبذتهن وقلت لأنظرن ما أحدث لرسول الله صلى الله عليه وسلم في كسوف الشمس اليوم فانتهيت إليه وهو رافع يديه يسبح ويحمد ويهلل ويدعو حتى حسر عن الشمس فقرأ بسورتين وركع ركعتين ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > দুর্যোগকালে সলাত আদায়

সুনানে আবু দাউদ ১১৯৬

حدثنا محمد بن عمرو بن جبلة بن أبي رواد، حدثني حرمي بن عمارة، عن عبيد الله بن النضر، حدثني أبي قال، كانت ظلمة على عهد أنس بن مالك - قال - فأتيت أنسا فقلت يا أبا حمزة هل كان يصيبكم مثل هذا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم قال معاذ الله إن كانت الريح لتشتد فنبادر المسجد مخافة القيامة ‏.‏

‘উবায়দুল্লাহ ইবনুন নাদর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা বলেছেন, একদা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) এর সময় একবার (আকাশ) অন্ধকারাচ্ছন্ন হলে আমি আনাস (রাঃ) এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলাম, হে আবু হাম্‌যাহ! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে আপনারা কখনো এরূপ বিপদের সম্মুখীন হয়েছিলেন কি? তিনি বললেন, “আল্লাহ পানাহ! তখন একটু জোরে বাতাস প্রবাহিত হলেই আমরা ক্বিয়ামাত হবার আশংকায় দ্রুত দৌড়িয়ে মাসজিদে যেতাম। [১১৯৬]

‘উবায়দুল্লাহ ইবনুন নাদর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা বলেছেন, একদা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) এর সময় একবার (আকাশ) অন্ধকারাচ্ছন্ন হলে আমি আনাস (রাঃ) এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলাম, হে আবু হাম্‌যাহ! রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে আপনারা কখনো এরূপ বিপদের সম্মুখীন হয়েছিলেন কি? তিনি বললেন, “আল্লাহ পানাহ! তখন একটু জোরে বাতাস প্রবাহিত হলেই আমরা ক্বিয়ামাত হবার আশংকায় দ্রুত দৌড়িয়ে মাসজিদে যেতাম। [১১৯৬]

حدثنا محمد بن عمرو بن جبلة بن أبي رواد، حدثني حرمي بن عمارة، عن عبيد الله بن النضر، حدثني أبي قال، كانت ظلمة على عهد أنس بن مالك - قال - فأتيت أنسا فقلت يا أبا حمزة هل كان يصيبكم مثل هذا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم قال معاذ الله إن كانت الريح لتشتد فنبادر المسجد مخافة القيامة ‏.‏


সুনানে আবু দাউদ > বিপদের আলামাত দেখে সাজদাহ্‌ করা

সুনানে আবু দাউদ ১১৯৭

حدثنا محمد بن عثمان بن أبي صفوان الثقفي، حدثنا يحيى بن كثير، حدثنا سلم بن جعفر، عن الحكم بن أبان، عن عكرمة، قال قيل لابن عباس ماتت فلانة بعض أزواج النبي صلى الله عليه وسلم فخر ساجدا فقيل له أتسجد هذه الساعة فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا رأيتم آية فاسجدوا ‏"‏ ‏.‏ وأى آية أعظم من ذهاب أزواج النبي صلى الله عليه وسلم

‘ইকরিমাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন এক স্ত্রীর ইন্তেকালের সংবাদ দেয়া হলে তিনি সাজদাহ্‌য় লুটে পড়লেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, এ সময় সাজদাহ্‌ করার কারণ কি? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা কোন নিদর্শন দেখবে, তখন সাজদাহ্‌ করবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রীর ইন্তিকালের চেয়ে বড় নিদর্শন (বিপদ) আর কি হতে পারে! [১১৯৭]

‘ইকরিমাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কোন এক স্ত্রীর ইন্তেকালের সংবাদ দেয়া হলে তিনি সাজদাহ্‌য় লুটে পড়লেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, এ সময় সাজদাহ্‌ করার কারণ কি? তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা কোন নিদর্শন দেখবে, তখন সাজদাহ্‌ করবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রীর ইন্তিকালের চেয়ে বড় নিদর্শন (বিপদ) আর কি হতে পারে! [১১৯৭]

حدثنا محمد بن عثمان بن أبي صفوان الثقفي، حدثنا يحيى بن كثير، حدثنا سلم بن جعفر، عن الحكم بن أبان، عن عكرمة، قال قيل لابن عباس ماتت فلانة بعض أزواج النبي صلى الله عليه وسلم فخر ساجدا فقيل له أتسجد هذه الساعة فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا رأيتم آية فاسجدوا ‏"‏ ‏.‏ وأى آية أعظم من ذهاب أزواج النبي صلى الله عليه وسلم


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00