সুনানে আবু দাউদ > স্বরব ক্বিরাআতের সলাতে (মুক্তাদীর) সূরাহ ফাতিহা পাঠ যে অপছন্দ করে
সুনানে আবু দাউদ ৮২৬
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن ابن أكيمة الليثي، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم انصرف من صلاة جهر فيها بالقراءة فقال " هل قرأ معي أحد منكم آنفا " . فقال رجل نعم يا رسول الله . قال " إني أقول ما لي أنازع القرآن " . قال فانتهى الناس عن القراءة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما جهر فيه النبي صلى الله عليه وسلم بالقراءة من الصلوات حين سمعوا ذلك من رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال أبو داود روى حديث ابن أكيمة هذا معمر ويونس وأسامة بن زيد عن الزهري على معنى مالك .
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বরব ক্বিরাআতের সলাত আদায় শেষে জিজ্ঞেস করেনঃ তোমাদের কেউ কি এইমাত্র আমার সাথে (সলাতে) কুরআন পাঠ করেছ? জবাবে এক ব্যাক্তি বলেনঃ হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তাইতো ভাবছিলাম আমার কুরআন পাঠে কেন বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর থেকে লোকেরা জেহরী সলাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ক্বিরাআত করা থেকে বিরত থাকেন। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু উকায়মাহ্র এ হাদীসটি মামার, ইউনুস ও উসামাহ ইবনু যায়িদ যুহরী সূত্রে বর্ণনাকারী মালিকের হাদীসের অনুরূপ অর্থে বর্ণনা করেছেন।
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বরব ক্বিরাআতের সলাত আদায় শেষে জিজ্ঞেস করেনঃ তোমাদের কেউ কি এইমাত্র আমার সাথে (সলাতে) কুরআন পাঠ করেছ? জবাবে এক ব্যাক্তি বলেনঃ হ্যাঁ, হে আল্লাহর রসূল! তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, তাইতো ভাবছিলাম আমার কুরআন পাঠে কেন বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর থেকে লোকেরা জেহরী সলাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে ক্বিরাআত করা থেকে বিরত থাকেন। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, ইবনু উকায়মাহ্র এ হাদীসটি মামার, ইউনুস ও উসামাহ ইবনু যায়িদ যুহরী সূত্রে বর্ণনাকারী মালিকের হাদীসের অনুরূপ অর্থে বর্ণনা করেছেন।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابن شهاب، عن ابن أكيمة الليثي، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم انصرف من صلاة جهر فيها بالقراءة فقال " هل قرأ معي أحد منكم آنفا " . فقال رجل نعم يا رسول الله . قال " إني أقول ما لي أنازع القرآن " . قال فانتهى الناس عن القراءة مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما جهر فيه النبي صلى الله عليه وسلم بالقراءة من الصلوات حين سمعوا ذلك من رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال أبو داود روى حديث ابن أكيمة هذا معمر ويونس وأسامة بن زيد عن الزهري على معنى مالك .
সুনানে আবু দাউদ ৮২৭
حدثنا مسدد، وأحمد بن محمد المروزي، ومحمد بن أحمد بن أبي خلف، وعبد الله بن محمد الزهري، وابن السرح، قالوا حدثنا سفيان، عن الزهري، سمعت ابن أكيمة، يحدث سعيد بن المسيب قال سمعت أبا هريرة، يقول صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة نظن أنها الصبح بمعناه إلى قوله " ما لي أنازع القرآن " . قال أبو داود قال مسدد في حديثه قال معمر فانتهى الناس عن القراءة فيما جهر به رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال ابن السرح في حديثه قال معمر عن الزهري قال أبو هريرة فانتهى الناس . وقال عبد الله بن محمد الزهري من بينهم قال سفيان وتكلم الزهري بكلمة لم أسمعها فقال معمر إنه قال فانتهى الناس . قال أبو داود ورواه عبد الرحمن بن إسحاق عن الزهري وانتهى حديثه إلى قوله " ما لي أنازع القرآن " . ورواه الأوزاعي عن الزهري قال فيه قال الزهري فاتعظ المسلمون بذلك فلم يكونوا يقرءون معه فيما يجهر به صلى الله عليه وسلم . قال أبو داود سمعت محمد بن يحيى بن فارس قال قوله فانتهى الناس . من كلام الزهري .
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে সলাত আদায় করেন। সম্ভবতঃ তা ফাজ্রের সলাত। অতঃপর পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করে “আমার কুরআন পাঠে কিসে বিঘ্ন সৃষ্টি হল” এই পর্যন্ত বর্ণনা করেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, মুসাদ্দাদ তাঁর বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেন যে, মা‘মার বলেন, অতঃপর লোকেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্বরব ক্বিরাআত সম্পন্ন সলাতে ক্বিরাআত পাঠ হতে বিরত থাকেন। ইবুনস সারহ্ তার বর্ণিত হাদীসে বলেন যে, মা‘মার যুহরী সূত্রে বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেন, আতঃপর লোকেরা ক্বিরাআত হতে বিরত থাকেন। আর ‘আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ আয-যুহরীর বর্ণনায় (আরবী) শব্দের উল্লেখ আছে। বর্ণনাকারী সুফিয়ান বলেন, ইমাম যুহরী এমন কিছু কথা বলেছেন যা আমি শুনিনি। তখন মা‘মার বলেন, তিনি বলেছেন, অতঃপর লোকেরা বিরত থাকেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন যে, হাদীসটি ‘আব্দুর রহমান ইবনু ইসহাক্ব ইমাম যুহরী সূত্রে (আরবী) পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। ইমাম আওযাঈ যুহরী সুত্রের বর্ণনা সম্পর্কে বলেন, যুহরীর বর্ণনায় এ কথাও আছে যে, ঐ ঘটনায় মুসলিমগণ উপদেশ গ্রহণ করেন। এরপর তাঁরা স্বরব ক্বিরাআত সম্পন্ন সলাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে ক্বিরাআত পড়তেন না। সহীহ। ইমাম আবূ দউদ (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়াহ ইবনু ফারিসকে বলেতে শুনেছি যে, “অতঃপর লোকেরা ইমামের পিছনে ক্বিরাআত পাঠ হতে বিরত থাকেন” কথাটুকু ইমাম যুহরীর।
সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ একদা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে সলাত আদায় করেন। সম্ভবতঃ তা ফাজ্রের সলাত। অতঃপর পূর্ববর্তী হাদীসের অনুরূপ উল্লেখ করে “আমার কুরআন পাঠে কিসে বিঘ্ন সৃষ্টি হল” এই পর্যন্ত বর্ণনা করেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, মুসাদ্দাদ তাঁর বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেন যে, মা‘মার বলেন, অতঃপর লোকেরা রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্বরব ক্বিরাআত সম্পন্ন সলাতে ক্বিরাআত পাঠ হতে বিরত থাকেন। ইবুনস সারহ্ তার বর্ণিত হাদীসে বলেন যে, মা‘মার যুহরী সূত্রে বলেন, আবূ হুরায়রা্ (রাঃ) বলেন, আতঃপর লোকেরা ক্বিরাআত হতে বিরত থাকেন। আর ‘আবদুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ আয-যুহরীর বর্ণনায় (আরবী) শব্দের উল্লেখ আছে। বর্ণনাকারী সুফিয়ান বলেন, ইমাম যুহরী এমন কিছু কথা বলেছেন যা আমি শুনিনি। তখন মা‘মার বলেন, তিনি বলেছেন, অতঃপর লোকেরা বিরত থাকেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন যে, হাদীসটি ‘আব্দুর রহমান ইবনু ইসহাক্ব ইমাম যুহরী সূত্রে (আরবী) পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। ইমাম আওযাঈ যুহরী সুত্রের বর্ণনা সম্পর্কে বলেন, যুহরীর বর্ণনায় এ কথাও আছে যে, ঐ ঘটনায় মুসলিমগণ উপদেশ গ্রহণ করেন। এরপর তাঁরা স্বরব ক্বিরাআত সম্পন্ন সলাতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে ক্বিরাআত পড়তেন না। সহীহ। ইমাম আবূ দউদ (রহঃ) বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়াহ ইবনু ফারিসকে বলেতে শুনেছি যে, “অতঃপর লোকেরা ইমামের পিছনে ক্বিরাআত পাঠ হতে বিরত থাকেন” কথাটুকু ইমাম যুহরীর।
حدثنا مسدد، وأحمد بن محمد المروزي، ومحمد بن أحمد بن أبي خلف، وعبد الله بن محمد الزهري، وابن السرح، قالوا حدثنا سفيان، عن الزهري، سمعت ابن أكيمة، يحدث سعيد بن المسيب قال سمعت أبا هريرة، يقول صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلاة نظن أنها الصبح بمعناه إلى قوله " ما لي أنازع القرآن " . قال أبو داود قال مسدد في حديثه قال معمر فانتهى الناس عن القراءة فيما جهر به رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال ابن السرح في حديثه قال معمر عن الزهري قال أبو هريرة فانتهى الناس . وقال عبد الله بن محمد الزهري من بينهم قال سفيان وتكلم الزهري بكلمة لم أسمعها فقال معمر إنه قال فانتهى الناس . قال أبو داود ورواه عبد الرحمن بن إسحاق عن الزهري وانتهى حديثه إلى قوله " ما لي أنازع القرآن " . ورواه الأوزاعي عن الزهري قال فيه قال الزهري فاتعظ المسلمون بذلك فلم يكونوا يقرءون معه فيما يجهر به صلى الله عليه وسلم . قال أبو داود سمعت محمد بن يحيى بن فارس قال قوله فانتهى الناس . من كلام الزهري .
সুনানে আবু দাউদ > নীরব ক্বিরাআতের সলাতে মুক্তাদীর ক্বিরাআত পাঠ সম্পর্কে
সুনানে আবু দাউদ ৮২৮
حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن كثير العبدي، أخبرنا شعبة، - المعنى - عن قتادة، عن زرارة، عن عمران بن حصين، أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الظهر فجاء رجل فقرأ خلفه { سبح اسم ربك الأعلى } فلما فرغ قال " أيكم قرأ " . قالوا رجل . قال " قد عرفت أن بعضكم خالجنيها " . قال أبو داود قال أبو الوليد في حديثه قال شعبة فقلت لقتادة أليس قول سعيد أنصت للقرآن قال ذاك إذا جهر به . وقال ابن كثير في حديثه قال قلت لقتادة كأنه كرهه . قال لو كرهه نهى عنه .
‘ইমারান ইবনু হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহ্রের সলাত আদায় করছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে তাঁর পিছনে “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল- আলা” (সূরাহ আ‘লা) পাঠ করল। সলাত শেষে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যকার কে ক্বিরাআত করেছে? জবাবে তাঁরা বলেন, এক ব্যক্তি। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি বুঝতে পেরেছি তোমাদের কেউ আমাকে (কুরাআন পাঠে) জটিলতায় ফেলেছে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আবূল ওয়ালীদ তার বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেন যে, শু‘বাহ বলেন, আমি ক্বাতাদাহকে বললাম- সাঈদ কি বলেননি যে, “কুরআন পাঠের সময় চূপ থাক?” তিনি বললেনঃ এ হুকূম স্বরব ক্বিরাআত সম্পন্ন সলাতের জন্য। ইমাম ইবনু কাসীর তার বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেন যে, (শু‘বাহ বলেন) আমি ক্বাতাদাহকে বললাম, সম্ভবতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন ক্বিরাআত পাঠ অপছন্দ করেছেন। তিনি বললেন, যদি তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অপছন্দ করতেন তাহলে তিনি ক্বিরাআত পাঠে নিষেধ করতেন। সহীহঃ মুসলিম।
‘ইমারান ইবনু হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহ্রের সলাত আদায় করছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে তাঁর পিছনে “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল- আলা” (সূরাহ আ‘লা) পাঠ করল। সলাত শেষে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের মধ্যকার কে ক্বিরাআত করেছে? জবাবে তাঁরা বলেন, এক ব্যক্তি। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি বুঝতে পেরেছি তোমাদের কেউ আমাকে (কুরাআন পাঠে) জটিলতায় ফেলেছে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আবূল ওয়ালীদ তার বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেন যে, শু‘বাহ বলেন, আমি ক্বাতাদাহকে বললাম- সাঈদ কি বলেননি যে, “কুরআন পাঠের সময় চূপ থাক?” তিনি বললেনঃ এ হুকূম স্বরব ক্বিরাআত সম্পন্ন সলাতের জন্য। ইমাম ইবনু কাসীর তার বর্ণিত হাদীসে উল্লেখ করেন যে, (শু‘বাহ বলেন) আমি ক্বাতাদাহকে বললাম, সম্ভবতঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যেন ক্বিরাআত পাঠ অপছন্দ করেছেন। তিনি বললেন, যদি তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অপছন্দ করতেন তাহলে তিনি ক্বিরাআত পাঠে নিষেধ করতেন। সহীহঃ মুসলিম।
حدثنا أبو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، ح وحدثنا محمد بن كثير العبدي، أخبرنا شعبة، - المعنى - عن قتادة، عن زرارة، عن عمران بن حصين، أن النبي صلى الله عليه وسلم صلى الظهر فجاء رجل فقرأ خلفه { سبح اسم ربك الأعلى } فلما فرغ قال " أيكم قرأ " . قالوا رجل . قال " قد عرفت أن بعضكم خالجنيها " . قال أبو داود قال أبو الوليد في حديثه قال شعبة فقلت لقتادة أليس قول سعيد أنصت للقرآن قال ذاك إذا جهر به . وقال ابن كثير في حديثه قال قلت لقتادة كأنه كرهه . قال لو كرهه نهى عنه .
সুনানে আবু দাউদ ৮২৯
حدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، عن زرارة، عن عمران بن حصين، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم صلى بهم الظهر فلما انفتل قال " أيكم قرأ بـ { سبح اسم ربك الأعلى } " . فقال رجل أنا . فقال " علمت أن بعضكم خالجنيها " .
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে যুহ্রের সলাত আদায় শেষে বললেন, তোমাদের মধ্যকার কে “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আ‘লা” (সূরাহ আ‘লা) পড়েছে? এক ব্যক্তি বলল, আমি। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি বুঝতে পেরেছি যে, তোমাদের কেউ আমাকে সলাতে কুরআন পাঠে জটিলতায় ফেলেছে। সহীহঃ মুসলিম।
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একবার নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের সাথে যুহ্রের সলাত আদায় শেষে বললেন, তোমাদের মধ্যকার কে “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আ‘লা” (সূরাহ আ‘লা) পড়েছে? এক ব্যক্তি বলল, আমি। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আমি বুঝতে পেরেছি যে, তোমাদের কেউ আমাকে সলাতে কুরআন পাঠে জটিলতায় ফেলেছে। সহীহঃ মুসলিম।
حدثنا ابن المثنى، حدثنا ابن أبي عدي، عن سعيد، عن قتادة، عن زرارة، عن عمران بن حصين، أن نبي الله صلى الله عليه وسلم صلى بهم الظهر فلما انفتل قال " أيكم قرأ بـ { سبح اسم ربك الأعلى } " . فقال رجل أنا . فقال " علمت أن بعضكم خالجنيها " .
সুনানে আবু দাউদ > নিরক্ষক ও অনারব লোকের কিরাআতের পরিমাণ
সুনানে আবু দাউদ ৮৩০
حدثنا وهب بن بقية، أخبرنا خالد، عن حميد الأعرج، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن نقرأ القرآن وفينا الأعرابي والأعجمي فقال " اقرءوا فكل حسن وسيجيء أقوام يقيمونه كما يقام القدح يتعجلونه ولا يتأجلونه " .
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা কিরা’আত করছিলাম, এমনসময় সেখানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন। তখন আমাদের মধ্যে আরব বেদুইন এবং অনারব লোকজন ছিল।তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা (কুরআন) পড়, প্রত্যেকেই উত্তম। কেননা অচিরেই এমন সম্প্রদায়ের অর্বিভাবঘটবে যারা কুরআনকে তীরের ন্যায় ঠিক করবে (তাজবীদ নিয়ে বারাবাড়ি করবে), তারা কুরআন পাঠে তাড়াহুড়া করবে, অপেক্ষা করবে না।
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমরা কিরা’আত করছিলাম, এমনসময় সেখানে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আসলেন। তখন আমাদের মধ্যে আরব বেদুইন এবং অনারব লোকজন ছিল।তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা (কুরআন) পড়, প্রত্যেকেই উত্তম। কেননা অচিরেই এমন সম্প্রদায়ের অর্বিভাবঘটবে যারা কুরআনকে তীরের ন্যায় ঠিক করবে (তাজবীদ নিয়ে বারাবাড়ি করবে), তারা কুরআন পাঠে তাড়াহুড়া করবে, অপেক্ষা করবে না।
حدثنا وهب بن بقية، أخبرنا خالد، عن حميد الأعرج، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم ونحن نقرأ القرآن وفينا الأعرابي والأعجمي فقال " اقرءوا فكل حسن وسيجيء أقوام يقيمونه كما يقام القدح يتعجلونه ولا يتأجلونه " .
সুনানে আবু দাউদ ৮৩১
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، وابن، لهيعة عن بكر بن سوادة، عن وفاء بن شريح الصدفي، عن سهل بن سعد الساعدي، قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما ونحن نقترئ فقال " الحمد لله كتاب الله واحد وفيكم الأحمر وفيكم الأبيض وفيكم الأسود اقرءوه قبل أن يقرأه أقوام يقيمونه كما يقوم السهم يتعجل أجره ولا يتأجله " .
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা কিরা’আত করছিলাম এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত হয়ে বললেন, আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর কিতাব একটাই। আর তোমাদের কেউ লাল, কেউ সাদা এবং কেউ বা কালো রঙ্গের। তোমরা ঐ সম্প্রদায়ের আবির্ভাবের পূর্বে (কুরআন) পড় যারা কুরআনকে তীরের ন্যায় দৃঢ় করবে। তারা কুরআন পাঠে তাড়াহুড়া করবে, অপেক্ষা করবে না (অর্থাৎ আখিরাতের অপেক্ষা না করে এর বিনিময় দুনিয়াতেই পেতে চাইবে)।
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা কিরা’আত করছিলাম এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত হয়ে বললেন, আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর কিতাব একটাই। আর তোমাদের কেউ লাল, কেউ সাদা এবং কেউ বা কালো রঙ্গের। তোমরা ঐ সম্প্রদায়ের আবির্ভাবের পূর্বে (কুরআন) পড় যারা কুরআনকে তীরের ন্যায় দৃঢ় করবে। তারা কুরআন পাঠে তাড়াহুড়া করবে, অপেক্ষা করবে না (অর্থাৎ আখিরাতের অপেক্ষা না করে এর বিনিময় দুনিয়াতেই পেতে চাইবে)।
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، وابن، لهيعة عن بكر بن سوادة، عن وفاء بن شريح الصدفي، عن سهل بن سعد الساعدي، قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما ونحن نقترئ فقال " الحمد لله كتاب الله واحد وفيكم الأحمر وفيكم الأبيض وفيكم الأسود اقرءوه قبل أن يقرأه أقوام يقيمونه كما يقوم السهم يتعجل أجره ولا يتأجله " .
সুনানে আবু দাউদ ৮৩১
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، وابن، لهيعة عن بكر بن سوادة، عن وفاء بن شريح الصدفي، عن سهل بن سعد الساعدي، قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما ونحن نقترئ فقال " الحمد لله كتاب الله واحد وفيكم الأحمر وفيكم الأبيض وفيكم الأسود اقرءوه قبل أن يقرأه أقوام يقيمونه كما يقوم السهم يتعجل أجره ولا يتأجله " .
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা কিরা’আত করছিলাম এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত হয়ে বললেন, আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর কিতাব একটাই। আর তোমাদের কেউ লাল, কেউ সাদা এবং কেউ বা কালো রঙ্গের। তোমরা ঐ সম্প্রদায়ের আবির্ভাবের পূর্বে (কুরআন) পড় যারা কুরআনকে তীরের ন্যায় দৃঢ় করবে। তারা কুরআন পাঠে তাড়াহুড়া করবে, অপেক্ষা করবে না (অর্থাৎ আখিরাতের অপেক্ষা না করে এর বিনিময় দুনিয়াতেই পেতে চাইবে)।
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা কিরা’আত করছিলাম এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত হয়ে বললেন, আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর কিতাব একটাই। আর তোমাদের কেউ লাল, কেউ সাদা এবং কেউ বা কালো রঙ্গের। তোমরা ঐ সম্প্রদায়ের আবির্ভাবের পূর্বে (কুরআন) পড় যারা কুরআনকে তীরের ন্যায় দৃঢ় করবে। তারা কুরআন পাঠে তাড়াহুড়া করবে, অপেক্ষা করবে না (অর্থাৎ আখিরাতের অপেক্ষা না করে এর বিনিময় দুনিয়াতেই পেতে চাইবে)।
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، وابن، لهيعة عن بكر بن سوادة، عن وفاء بن شريح الصدفي، عن سهل بن سعد الساعدي، قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما ونحن نقترئ فقال " الحمد لله كتاب الله واحد وفيكم الأحمر وفيكم الأبيض وفيكم الأسود اقرءوه قبل أن يقرأه أقوام يقيمونه كما يقوم السهم يتعجل أجره ولا يتأجله " .
সুনানে আবু দাউদ ৮৩১
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، وابن، لهيعة عن بكر بن سوادة، عن وفاء بن شريح الصدفي، عن سهل بن سعد الساعدي، قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما ونحن نقترئ فقال " الحمد لله كتاب الله واحد وفيكم الأحمر وفيكم الأبيض وفيكم الأسود اقرءوه قبل أن يقرأه أقوام يقيمونه كما يقوم السهم يتعجل أجره ولا يتأجله " .
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা কিরা’আত করছিলাম এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত হয়ে বললেন, আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর কিতাব একটাই। আর তোমাদের কেউ লাল, কেউ সাদা এবং কেউ বা কালো রঙ্গের। তোমরা ঐ সম্প্রদায়ের আবির্ভাবের পূর্বে (কুরআন) পড় যারা কুরআনকে তীরের ন্যায় দৃঢ় করবে। তারা কুরআন পাঠে তাড়াহুড়া করবে, অপেক্ষা করবে না (অর্থাৎ আখিরাতের অপেক্ষা না করে এর বিনিময় দুনিয়াতেই পেতে চাইবে)।
সাহল ইবনু সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদিন আমরা কিরা’আত করছিলাম এমন সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপস্থিত হয়ে বললেন, আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর কিতাব একটাই। আর তোমাদের কেউ লাল, কেউ সাদা এবং কেউ বা কালো রঙ্গের। তোমরা ঐ সম্প্রদায়ের আবির্ভাবের পূর্বে (কুরআন) পড় যারা কুরআনকে তীরের ন্যায় দৃঢ় করবে। তারা কুরআন পাঠে তাড়াহুড়া করবে, অপেক্ষা করবে না (অর্থাৎ আখিরাতের অপেক্ষা না করে এর বিনিময় দুনিয়াতেই পেতে চাইবে)।
حدثنا أحمد بن صالح، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرني عمرو، وابن، لهيعة عن بكر بن سوادة، عن وفاء بن شريح الصدفي، عن سهل بن سعد الساعدي، قال خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما ونحن نقترئ فقال " الحمد لله كتاب الله واحد وفيكم الأحمر وفيكم الأبيض وفيكم الأسود اقرءوه قبل أن يقرأه أقوام يقيمونه كما يقوم السهم يتعجل أجره ولا يتأجله " .
সুনানে আবু দাউদ ৮৩২
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع بن الجراح، حدثنا سفيان الثوري، عن أبي خالد الدالاني، عن إبراهيم السكسكي، عن عبد الله بن أبي أوفى، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إني لا أستطيع أن آخذ من القرآن شيئا فعلمني ما يجزئني منه . قال " قل سبحان الله والحمد لله ولا إله إلا الله والله أكبر ولا حول ولا قوة إلا بالله " . قال يا رسول الله هذا لله عز وجل فما لي قال " قل اللهم ارحمني وارزقني وعافني واهدني " . فلما قام قال هكذا بيده فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما هذا فقد ملأ يده من الخير " .
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক লোক এসে বলল, আমি কুরআন মুখস্থ করতে পারি না। অতএব আমাকে এমন কিছু শিখিয়ে দিন যা কুরআনের পরিবর্তে যথেষ্ট হবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বলোঃ “সুবাহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়ালা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।” তখন লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এটা তো মহা সম্মানিত আল্লাহর জন্য, আমার জন্য কি? নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বলো: “আল্লাহুম্মা ইরহামানী, ওয়ারযুক্বনী, ওয়া ‘আফিনী ওয়াহদিনী।” বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর লোকটি ওগুলো হাতের অঙ্গুলিতে গণনা করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এই লোক তার হাতকে উত্তম বস্ত দ্বারা পরিপূর্ণ করেছে।
আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এক লোক এসে বলল, আমি কুরআন মুখস্থ করতে পারি না। অতএব আমাকে এমন কিছু শিখিয়ে দিন যা কুরআনের পরিবর্তে যথেষ্ট হবে। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বলোঃ “সুবাহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার ওয়ালা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।” তখন লোকটি বলল, হে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! এটা তো মহা সম্মানিত আল্লাহর জন্য, আমার জন্য কি? নাবী(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি বলো: “আল্লাহুম্মা ইরহামানী, ওয়ারযুক্বনী, ওয়া ‘আফিনী ওয়াহদিনী।” বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর লোকটি ওগুলো হাতের অঙ্গুলিতে গণনা করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এই লোক তার হাতকে উত্তম বস্ত দ্বারা পরিপূর্ণ করেছে।
حدثنا عثمان بن أبي شيبة، حدثنا وكيع بن الجراح، حدثنا سفيان الثوري، عن أبي خالد الدالاني، عن إبراهيم السكسكي، عن عبد الله بن أبي أوفى، قال جاء رجل إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال إني لا أستطيع أن آخذ من القرآن شيئا فعلمني ما يجزئني منه . قال " قل سبحان الله والحمد لله ولا إله إلا الله والله أكبر ولا حول ولا قوة إلا بالله " . قال يا رسول الله هذا لله عز وجل فما لي قال " قل اللهم ارحمني وارزقني وعافني واهدني " . فلما قام قال هكذا بيده فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " أما هذا فقد ملأ يده من الخير " .
সুনানে আবু দাউদ ৮৩৩
حدثنا أبو توبة الربيع بن نافع، أخبرنا أبو إسحاق، - يعني الفزاري - عن حميد، عن الحسن، عن جابر بن عبد الله، قال كنا نصلي التطوع ندعو قياما وقعودا ونسبح ركوعا وسجودا .
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,আমরা নাফল সালাতে দাঁড়ানো ও বসা অবস্থায় দু‘আ করতাম এবং রুকু ও সাজদাহ্ অবস্থায় তাসবীহ পড়তাম।
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্র থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন,আমরা নাফল সালাতে দাঁড়ানো ও বসা অবস্থায় দু‘আ করতাম এবং রুকু ও সাজদাহ্ অবস্থায় তাসবীহ পড়তাম।
حدثنا أبو توبة الربيع بن نافع، أخبرنا أبو إسحاق، - يعني الفزاري - عن حميد، عن الحسن، عن جابر بن عبد الله، قال كنا نصلي التطوع ندعو قياما وقعودا ونسبح ركوعا وسجودا .
সুনানে আবু দাউদ ৮৩৪
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن حميد، مثله لم يذكر التطوع قال كان الحسن يقرأ في الظهر والعصر إماما أو خلف إمام بفاتحة الكتاب ويسبح ويكبر ويهلل قدر ق والذاريات .
হাম্মাদ (রহঃ) হুমায়িদ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে নফল সালাতের কথা উল্লেখ নেই। তিনি (হুমায়িদ) বলেন, হাসান (রাঃ) যুহর এবং ‘আসর সালাতে- ইমাম কিংবা মুক্তাদী উভয় অবস্থায়ই সূরাহ ফাতেহা পড়তেন এবং তিনি উক্ত সালাত সূরাহ ক্বাফ ও সূরাহ যারিয়াত পাঠের অনুরূপ সময় পর্যন্ত তাসবীহ তাহলীল ও তাকবীর পড়তেন।
হাম্মাদ (রহঃ) হুমায়িদ সূত্র থেকে বর্নিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাতে নফল সালাতের কথা উল্লেখ নেই। তিনি (হুমায়িদ) বলেন, হাসান (রাঃ) যুহর এবং ‘আসর সালাতে- ইমাম কিংবা মুক্তাদী উভয় অবস্থায়ই সূরাহ ফাতেহা পড়তেন এবং তিনি উক্ত সালাত সূরাহ ক্বাফ ও সূরাহ যারিয়াত পাঠের অনুরূপ সময় পর্যন্ত তাসবীহ তাহলীল ও তাকবীর পড়তেন।
حدثنا موسى بن إسماعيل، حدثنا حماد، عن حميد، مثله لم يذكر التطوع قال كان الحسن يقرأ في الظهر والعصر إماما أو خلف إمام بفاتحة الكتاب ويسبح ويكبر ويهلل قدر ق والذاريات .
সুনানে আবু দাউদ > সালাতে পরিপূর্ণ তাকবীর বলা
সুনানে আবু দাউদ ৮৩৫
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن غيلان بن جرير، عن مطرف، قال صليت أنا وعمران بن حصين، خلف علي بن أبي طالب - رضى الله عنه - فكان إذا سجد كبر وإذا ركع كبر وإذا نهض من الركعتين كبر فلما انصرفنا أخذ عمران بيدي وقال لقد صلى هذا قبل أو قال لقد صلى بنا هذا قبل صلاة محمد صلى الله عليه وسلم .
মুত্বাররিফ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি এবং ‘ইমরান ইবনু হুসায়িন ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) এর পিছনে সালাত আদায় করি। তিনি সাজদাহ ও রুকু‘কালে তাকবীর বলতেন এবং দু’ রাক‘আত সালাত শেষে (তৃতীয় রাক‘আতের জন্য) উঠার সময় তাকবীর বলতেন। সালাত শেষে প্রত্যাবর্তনকালে ইমরান (রাঃ) আমার হাত ধরে বললেনঃ ইতিপূর্বে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে যে নিয়মে সালাত আদায় করেছেন তিনিও সে নিয়ামেই সালাত আদায় করলেন। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
মুত্বাররিফ থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা আমি এবং ‘ইমরান ইবনু হুসায়িন ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) এর পিছনে সালাত আদায় করি। তিনি সাজদাহ ও রুকু‘কালে তাকবীর বলতেন এবং দু’ রাক‘আত সালাত শেষে (তৃতীয় রাক‘আতের জন্য) উঠার সময় তাকবীর বলতেন। সালাত শেষে প্রত্যাবর্তনকালে ইমরান (রাঃ) আমার হাত ধরে বললেনঃ ইতিপূর্বে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে যে নিয়মে সালাত আদায় করেছেন তিনিও সে নিয়ামেই সালাত আদায় করলেন। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد، عن غيلان بن جرير، عن مطرف، قال صليت أنا وعمران بن حصين، خلف علي بن أبي طالب - رضى الله عنه - فكان إذا سجد كبر وإذا ركع كبر وإذا نهض من الركعتين كبر فلما انصرفنا أخذ عمران بيدي وقال لقد صلى هذا قبل أو قال لقد صلى بنا هذا قبل صلاة محمد صلى الله عليه وسلم .
সুনানে আবু দাউদ ৮৩৭
حدثنا محمد بن بشار، وابن المثنى، قالا حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن الحسن بن عمران، - قال ابن بشار الشامي وقال أبو داود أبو عبد الله العسقلاني - عن ابن عبد الرحمن بن أبزى، عن أبيه، أنه صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان لا يتم التكبير . قال أبو داود معناه إذا رفع رأسه من الركوع وأراد أن يسجد لم يكبر وإذا قام من السجود لم يكبر .
আব্দুর রহমান ইবনু আবযা হতে তাঁর পিতার থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সালাত আদায় করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্ণভাবে তাকবীর বলতেন না। ইমাম আবূ দাউদ (রাঃ) বলেন, এর অর্থ হচ্ছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু‘ থেকে মাথা উঠানোর পর সাজদাহয় গমনের ইচ্ছা করলে পূর্ণরূপে তাকবীর বলতেন না এবং সাজদাহ থেকে উঠে দাঁড়নোর সময়ও পূর্ণরূপে তাকবীর বলতেন না। [৮৩৭]
আব্দুর রহমান ইবনু আবযা হতে তাঁর পিতার থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সালাত আদায় করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্ণভাবে তাকবীর বলতেন না। ইমাম আবূ দাউদ (রাঃ) বলেন, এর অর্থ হচ্ছে, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকু‘ থেকে মাথা উঠানোর পর সাজদাহয় গমনের ইচ্ছা করলে পূর্ণরূপে তাকবীর বলতেন না এবং সাজদাহ থেকে উঠে দাঁড়নোর সময়ও পূর্ণরূপে তাকবীর বলতেন না। [৮৩৭]
حدثنا محمد بن بشار، وابن المثنى، قالا حدثنا أبو داود، حدثنا شعبة، عن الحسن بن عمران، - قال ابن بشار الشامي وقال أبو داود أبو عبد الله العسقلاني - عن ابن عبد الرحمن بن أبزى، عن أبيه، أنه صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان لا يتم التكبير . قال أبو داود معناه إذا رفع رأسه من الركوع وأراد أن يسجد لم يكبر وإذا قام من السجود لم يكبر .
সুনানে আবু দাউদ ৮৩৬
حدثنا عمرو بن عثمان، حدثنا أبي وبقية، عن شعيب، عن الزهري، قال أخبرني أبو بكر بن عبد الرحمن، وأبو سلمة أن أبا هريرة، كان يكبر في كل صلاة من المكتوبة وغيرها يكبر حين يقوم ثم يكبر حين يركع ثم يقول سمع الله لمن حمده ثم يقول ربنا ولك الحمد قبل أن يسجد ثم يقول الله أكبر حين يهوي ساجدا ثم يكبر حين يرفع رأسه ثم يكبر حين يسجد ثم يكبر حين يرفع رأسه ثم يكبر حين يقوم من الجلوس في اثنتين فيفعل ذلك في كل ركعة حتى يفرغ من الصلاة ثم يقول حين ينصرف والذي نفسي بيده إني لأقربكم شبها بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم إن كانت هذه لصلاته حتى فارق الدنيا . قال أبو داود هذا الكلام الأخير يجعله مالك والزبيدي وغيرهما عن الزهري عن علي بن حسين ووافق عبد الأعلى عن معمر شعيب بن أبي حمزة عن الزهري .
আবূ বাকর ইবনু ‘আবদূর রহমান এবং আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) প্রত্যেক ফারয ও অন্যান্য সালাত দাঁড়ানো এবং রুকু‘র সময় তাকবীর বলতেন। অতঃপর সাজদাহয় যাওয়ার পূর্বে (দাঁড়িয়ে) বলতেন “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” এরপর বলতেন “রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ”। তারপর সাজদাহকালে তিনি আল্লাহু আকবার বলতেন। এরপর সাজদাহ থেকে মাথা উঠানো ও পুনরায় সাজদাহকালে এবং পুনরায় সাজদাহ হতে মাথা উঠানোর সময় তিনি তাকবীর বলতেন। দ্বিতীয় রাক‘আতের বৈঠক হতে দাঁড়ানোর সময়ও তিনি তাকবীর বলতেন। প্রত্যেক রাক‘আতেই তিনি তাকবীর বলতেন। অতঃপর সালাত শেষে তিনি বলতেনঃ সেই সত্তার শপথ! যার হাতে আমার প্রাণ। তোমাদের তুলনায় আমার সালাত রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুনিয়া ত্যাগের পূর্ব পর্যন্ত এভাবেই সালাত আদায় করতেন। সহীহ : বুখারী, মুসলিমে সংক্ষেপে। ইমাম আবূ দাউদ (রাঃ) বলেন, ইমাম মালিক, যুবায়দী, ও অন্যরা যুহরী হতে ‘আলী ইবনু হুসাইনের সূত্রে এটাকে সর্বশেষ বাক্য বলেছেন। আর ‘আব্দুল আ’লা মা‘মার হতে যুহরীর সূত্রে এ বিশয়ে একমত পোষণ করেছেন।
আবূ বাকর ইবনু ‘আবদূর রহমান এবং আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) প্রত্যেক ফারয ও অন্যান্য সালাত দাঁড়ানো এবং রুকু‘র সময় তাকবীর বলতেন। অতঃপর সাজদাহয় যাওয়ার পূর্বে (দাঁড়িয়ে) বলতেন “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” এরপর বলতেন “রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ”। তারপর সাজদাহকালে তিনি আল্লাহু আকবার বলতেন। এরপর সাজদাহ থেকে মাথা উঠানো ও পুনরায় সাজদাহকালে এবং পুনরায় সাজদাহ হতে মাথা উঠানোর সময় তিনি তাকবীর বলতেন। দ্বিতীয় রাক‘আতের বৈঠক হতে দাঁড়ানোর সময়ও তিনি তাকবীর বলতেন। প্রত্যেক রাক‘আতেই তিনি তাকবীর বলতেন। অতঃপর সালাত শেষে তিনি বলতেনঃ সেই সত্তার শপথ! যার হাতে আমার প্রাণ। তোমাদের তুলনায় আমার সালাত রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুনিয়া ত্যাগের পূর্ব পর্যন্ত এভাবেই সালাত আদায় করতেন। সহীহ : বুখারী, মুসলিমে সংক্ষেপে। ইমাম আবূ দাউদ (রাঃ) বলেন, ইমাম মালিক, যুবায়দী, ও অন্যরা যুহরী হতে ‘আলী ইবনু হুসাইনের সূত্রে এটাকে সর্বশেষ বাক্য বলেছেন। আর ‘আব্দুল আ’লা মা‘মার হতে যুহরীর সূত্রে এ বিশয়ে একমত পোষণ করেছেন।
حدثنا عمرو بن عثمان، حدثنا أبي وبقية، عن شعيب، عن الزهري، قال أخبرني أبو بكر بن عبد الرحمن، وأبو سلمة أن أبا هريرة، كان يكبر في كل صلاة من المكتوبة وغيرها يكبر حين يقوم ثم يكبر حين يركع ثم يقول سمع الله لمن حمده ثم يقول ربنا ولك الحمد قبل أن يسجد ثم يقول الله أكبر حين يهوي ساجدا ثم يكبر حين يرفع رأسه ثم يكبر حين يسجد ثم يكبر حين يرفع رأسه ثم يكبر حين يقوم من الجلوس في اثنتين فيفعل ذلك في كل ركعة حتى يفرغ من الصلاة ثم يقول حين ينصرف والذي نفسي بيده إني لأقربكم شبها بصلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم إن كانت هذه لصلاته حتى فارق الدنيا . قال أبو داود هذا الكلام الأخير يجعله مالك والزبيدي وغيرهما عن الزهري عن علي بن حسين ووافق عبد الأعلى عن معمر شعيب بن أبي حمزة عن الزهري .